আমার প্রিয় পোস্ট

http://raehatshuvo.blogspot.com/

হাতুড়ে রুপকথা (পান্না চৌখি জল ফরিং আর নারিকোলিয়া চন্দ্রহার)

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৮

শেয়ারঃ
0 0 0

রইদের পাহাড়ে পান্না চৌখি জল ফরিঙের ঘর |

অন্ধ সোলেমান সদাগর জীবনের শ্যাষ সদাগরী করতে গিয়াছিল রইদের পাহাড়ে। সতের শহর আর দশটা মহাশহর পাড়ি দিয়া। পান্না চৌখি জল ফরিঙের খোঁজে, এইবার তার লগে আছিল তার জওয়ান পোলা আমিরজান।

জবরদস্ত জমিদার সাব কইয়া দিসিলেন তার মাইয়ার বিবাহের লাগিয়া অলংকার আননের কথা। মাইয়ার নাম ছালেহা গুণবতী। আমিরজানের মনের ভিতর আছিল ছালেহা গুনবতির লাগিয়া ভাব-ভালবাসা। ছালেহা গুনবতিও আমিরজানের লাগিয়া দিলের ভিতর হাহাকার শুনিতে পাইত |

জবরদস্ত জমিদার সাবের একই কথা আমার কন্যার লাগিয়া নিজেরে প্রমান করিতে হইব আমিরজানেরে। আনিতে হইব নানান কিসিমের অলংকার |

নারিকোলিয়া চন্দ্রহার, কালা রুপার পায়ের খারু, লাল স্বর্ণের কাঁকন, সাদা স্বর্ণের টিকলি, হইলদা হীরার কানপাশা যদি আনিতে না পারো তবে তোমার বদন আর আমার সম্মুখে আনিব না। গোপনে আমিরজানরে ডাকিয়া বইলা দিসিলো জবরদস্ত জমিদার |

জওয়ান আমিরজান। কোনো বিপদরেই সে বিপদ মনে করে না। বাপের লাহানই হইছে। গলায়ও বাপের চাইতে বেশি সুর খেলে তার। ছালেহা গুনবতিরে লইয়া গান বান্ধে মনের হুতাশ তাড়ানোর লাগিয়া। রাইতে যখন ঝকমক চান্দ আকাশের সমুদ্দুরে ভাইসা বেড়ায় আমিরজানের ভরাট স্বরের গান তার কানে সুধার ভান্ড উপচায়া দেয় |

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

গুণবতীর কথা আমি কি বলিব আর সারা দেহ ভরা কেবল গুণেরই আধার গুনভরা হাত ও রে তার গুণভরা মন তাহার গুনের কথা করিব বর্ণন হাতের মাঝে আছে যে তার রন্ধনের ফুল চোখের মাঝে আছে য্যানো সকল সুখের মূল...

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

রইদের পাহাড়ে হাজারে-বিজারে পান্না চৌখি জল ফরিং। সোলেমান সদাগরের নির্দেশ পাইয়া আমিরজান হাতে মিহি জাল লইয়া পান্না চৌখি ফরিঙের পিছনে দৌরঝাঁপে নামে। নিমেষেই খাঁচায় পুইরা ফেলে শ'য়ে শ'য়ে পান্না চৌখি ফরিং |

এই যাত্রায় মহাশহর গুলাতে পান্না চৌখি জল ফরিংয়ের চাহিদা অনেক আছিল। সদাগরি করিয়া জওয়ান আমিরজান সদাগরের লাভের অংক আশার দরজা পার হইয়া যায়। সোলেমান সদাগর এইবেলা নামে পোলার বিবাহের সওদায়। নাম ধরিয়া ধরিয়া সকল কিছুই খরিদ করে সোলেমান সদাগর। কেবল খুঁজিয়া পায়না নারকোলিয়া চন্দ্রহার।

খোঁজ লাগায় এই শহরে
খোঁজ লাগায় ওই মহাশহরে
খোঁজ লাগায় কালাপানিয়ায়
খোঁজ লাগায় ধলাদরিয়ায়
খোঁজ খোঁজ খোঁজ...

শেষতক খোঁজ মেলে সরু নদের গাঁওয়ে।
খোঁজ দেয় নারাণ কোবরেজ। ছয় পহরের তপ্ত মরু পার হইয়া, তিন রাতের নারকোল বন। সেই বনের নারকোলের পাতায় চুঁইয়া পড়ে চান্দের জোছনা। আর গাছের তলায় জমে নারিকোলিয়া চন্দ্রমধু। এই মধু, তুলিতে হইব যেই কন্যা চন্দ্রহার পড়িবে তাহার নামে। রাখিতে হইবে নারকোল বনের পাতার তৈরি মধু ভান্ডে। এইবেলা মধু লইয়া যাইতে হইব নয় আঙ্গুলের সোনারুর কাছে। সে কেবলমাত্র সেই পারে নারিকোলিয়া চন্দ্রহার বানাইতে।
খবরদার মধু সংগ্রহের কালে জানি দুলা একা থাকে। আর কন্যার নাম ছাড়া অইন্য কারো নাম জানি দুলার মনে না থাকে। বাপের কতা মনে আছিল আমিরজানের। কানে তুলা গুইজা, চক্ষু চেককাটা গামছায় বাইন্দা রওয়ানা হইল সে। নারিকোলিয়া বনে গিয়া চক্ষুর বান্ধন খুইলা, কানের তুলা ফেলাইয়া আমিরজানে নারকোলের পাতার ভান্ড তৈয়ার করে। সেই ভান্ডে জমা করে নারিকোলিয়া চন্দ্রমধু। এরপর পৌছায়া যায় নয় আঙ্গুলের সোনারুর দরোজায়। শব্দ করতেই দরোজা খুলতে আসে নয় আঙ্গুলের সোনারুর মাইয়া।

// কে গা আপনে? \\ অন্ধ সোলেমান সদাগরের পোলা আমিরজান। আপনের পরিচয়? // নয় আঙ্গুলের সোনারুর কইন্যা আমি, নাম স্বর্ণা রাণী সোনারু। বাপজানের কাছে কি কাম? \\ নারিকোলিয়া চন্দ্রহার তৈরীর লাগিয়া নারিকোলিয়া চন্দ্রমধু নিয়া আসছি।

নয় আঙ্গুলের সোনারুর হাতে নারিকোলিয়া চন্দ্রমধু তুলে দিবার কালে আমিরজান জপ করতেছিলো ছালেহা গুণবতীর নাম। একবার খালি মনের ভুলে তাকায়া ফেলছিলো স্বর্ণা রাণী সোনারুর পানে। ঐ একবারই। নয় আঙ্গুলের সোনারু চক্ষু রক্তবর্ণ হইয়া উঠল। দাঁড়ির জঙ্গল থিকা জানি রাগী বাঘ ডাইকা উঠল।

- এই হার তৈয়ার হইবে না। তুমি জানোনা হারের মালকীন ছাড়া অন্য কারো নাম লইলে হার তৈয়ার অসম্ভব? = সোনারু হুজুর এমন কথা বইলেন না। ছালেহা গুণবতী আমার পথ চাইয়া দিন গুনতেছে। - নারিকোলিয়া চন্দ্রমধু শুদ্ধ করতে হইবো। তবেই সম্ভব হার তইয়ার। = কেমনে শুদ্ধ করিব? - তোমার হৃদয় ছিদ্র কইরা পঞ্চ ফোঁটা রক্ত আর তোমার ডাহিন হস্তের কবজি।

~~~~~~~~~~~~~~
ছালেহা গুণবতীর দিলে আমিরজানের লাগিয়া হাহাকার আছিল। ভাব-ভালবাসা নহে।
~~~~~~~~~~~~~~

লুলা আমিরজান নয় আঙ্গুলের সোনারুর কাছে ফিরিয়া তাহারে ওস্তাদ মানিয়া কর্ম শিখিতে লাগিল। আর অন্ধ সোলেমান সদাগর তাহার স্ত্রী শরীফা সুন্দরীরে লইয়া অজানার উদ্দেশ্যে নাও ভাসাইয়া দিল।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): হাতুড়ে রুপকথা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: হাতুড়ে  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩২
চাচামিঞা বলেছেন: এতো সুন্দর লিখা খানি আপনি সাধু ভষায় লিখিলেন কেন? বুঝিলাম না:|
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: ঠিক সাধু ভাষাতো না। একটু ভিন্নধর্মী ভাষা রীতি প্রয়োগ করতে চাচ্ছিলাম...

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: :)

৩. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪২
মমমম১২ বলেছেন: বেশ রূপকথা

ফড়িং লিখতে চেয়েছিলেন কি

ভাষার জন্য পড়তে একটু কষ্ট হলো
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: হুঁ... ওটা ফড়িং ই। কিন্তু আমি ইচ্ছাকৃত ভাবে ফরিং লিখেছি।

ভাষাটা তাহলে ক্লিক করে নাই :(

৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫০
ভাঙ্গন বলেছেন: কথকের মুখনি:সৃত ভাষা'র ব্যবহারটা অসাধারন লাগছে।
পইড়া নিজে সন্তুষ্ট হইছি।
আমি গল্পটা পড়ার সময় অলটাইম খেয়াল রাখছি, কথকের ভাষা পরিবর্তন হয় কি না?
আমি ধরতে পারি নাই।
তাই মুনেয় বেশি ভাল্লাগসে।



....
পাঠকের প্রশ্ন:
মেহেরজান,সুলেমান সদাগর ...ওগো ১৪পুরুষ কি এভাবে কানা আর লুলা হতে থাকপে?
ওগোরে মুক্তি দ্যান।
ভালবাসার লাইগা এত ত্যাগ আর জগতে নাই।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: মেহেরজান বইলা কেউ নাই। এইখানে জওয়ান আমিরজান।

ভালবাসার লাইগা এত ত্যাগ নাই বইলাই তো এটা রুপকথা...

৫. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৪
ভাঙ্গন বলেছেন: এন্সার পছন্দ হইছে।
আংগুলের বিশ্বাসঘাতকতায় আমিরজান >মেহেরজান হইয়া গ্যাছে।
............
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: :) :)

৬. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৫
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন: মন কি এখনও খারাপ দাদু?
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২০

লেখক বলেছেন: ওহো ঐ টা? নাঃ মন খারাপ রেখে কি হবে বলো? যা হবার প্রসেস শুরু হয়ে গিয়েছে, সেটা তো হবেই তাই না???

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: বস ফাঁকিবাজি হইলো কিন্তু...

৮. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৯
ম্যাক্স পেইন বলেছেন: জটিল রুপকথা ভাইডি

ভালা পাইসি
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৭

লেখক বলেছেন: মাঝে কিছু দিন আপনাকে দেখিনি???

৯. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪২
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: গল্পটা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একই ভাষায় টানতে পেরেছেন ... আমি ভাবছিলাম ভাষা বুঝি হারিয়ে যাবে... সেটা হয়নি... ভাল লেগেছে
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৭

লেখক বলেছেন: ধৈন্যা ধৈন্যা...

১০. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৯
আকাশচুরি বলেছেন: ছালেহা গুণবতীর দিলে আমিরজানের লাগিয়া হাহাকার আছিল। ভাব-ভালবাসা নহে।

+

ভাষার ব্যভারো ভালে ঠেকসে:)
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৯

লেখক বলেছেন: থেংকু...

এই টাইপের ভাষার ব্যভার আগেও একটা রুপকথায় করেছিলাম। ইচ্ছা হইলে দেখতে পারেন :)
Click This Link

১১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪১
মনপুরা বলেছেন: লেখকের মাঝে কিঞ্চিত পরিমান গীতিকার সুলভ আচরন দেখা গেল। :)

ভাল লাগল।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১০

লেখক বলেছেন: এটা খানিকটা গীতি বেজড রুপকথা...

থেংকু থেংকু...

১২. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫০
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: বৃত্তবন্দীচণ্ডালী দুষ? ;)

ভাষা নিয়ে নিরীক্ষার সাহস! B-)
এই জন্য শুরুতেই বাহবা ।
রূপকথাটাও খ্রাপ লাগে নাই
তোমার হৃদয় ছিদ্র কইরা পঞ্চ ফোঁটা রক্ত আর তোমার ডাহিন হস্তের কবজি।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১১

লেখক বলেছেন: ওরে ধৈন্যা পত্র...

১৩. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৬
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: পুরাটাই মাথার উপ্রে দিয়া যাইতে লৈসিলো....খপ কৈরা ধৈরা মস্তকে সেভ লৈয়া মুনেঅইলো......চমৎকার.............





০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১১

লেখক বলেছেন: কৈ আছিলেন মাঝে এতদিন???

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নির্ঝর...

কেমন আছেন???

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৬

লেখক বলেছেন: থেংকু থেংকু...

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অভি...

১৭. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩১
ভাঙ্গন বলেছেন: গুণবতীর কথা আমি কি বলিব আর
সারা দেহ ভরা কেবল গুণেরই আধার গুনভরা হাত ও রে তার গুণভরা মন তাহার গুনের কথা করিব বর্ণন হাতের মাঝে আছে যে তার রন্ধনের ফুল চোখের মাঝে আছে য্যানো সকল সুখের মূল..
খোঁজ লাগায় এই শহরে খোঁজ লাগায় ওই মহাশহরে খোঁজ লাগায় কালাপানিয়ায় খোঁজ লাগায় ধলাদরিয়ায় খোঁজ খোঁজ খোঁজ...
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২২

লেখক বলেছেন: কি হৈলো???

১৮. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৩৪
কঁাকন বলেছেন: আমার জন্য একটু বেশি কঠিন হয়ে গেছে :(
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৯

লেখক বলেছেন: সাধারণ রুপকথা :(

১৯. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৭
ভাঙ্গন বলেছেন: হট নিউজ!! ভাঙ্গনকে ব্যান করা হয়েছে!


.....
বড় করে দেখতে..
Click This Link
........
আজিব তামশা!!
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৯

লেখক বলেছেন: ভাঙ্গনকে ব্যান করা হলে এ কোন ভাঙ্গন???

১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৬

লেখক বলেছেন: কি হ'লো???

২১. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৮
পাথুরে বলেছেন:
রুপ্কথাখুব্ভাল্লাগ্সেঅহন্কিখাওয়াইবেন্কন?
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৮

লেখক বলেছেন: আমি কস্ট করে লিখলাম, আপনারাই তো খাওয়াইবেন... ;);)

২২. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৮
ভাঙ্গন বলেছেন: কই যে থাকেন....???
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪০

লেখক বলেছেন: কই আর থাকি এই আশেপাশেই আর কি...

২৩. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৫
রোবোট বলেছেন: ভাঙ্গন বলেছেন: এন্সার পছন্দ হইছে।
আংগুলের বিশ্বাসঘাতকতায় আমিরজান >মেহেরজান হইয়া গ্যাছে।
............


রোক্সানার আংগুলে কি হৈসে?
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪১

লেখক বলেছেন: রুকু তুমার এন্ছার দর্কার ;)

২৪. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৮
ভাঙ্গন বলেছেন: @রোবট
আঙুলের মাথাত ব্যারাম দেহা দিসে।
অযত্ম আর অবহেলা পড়তেছে নিয়মিত।
আঙুলের মালিক বড়ই অস্থির। কুনু কিছু ঠিক মত দেখভাল করে না।
পুরাই খেয়াললেস:)
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৩

লেখক বলেছেন: আহালে আহালে ;)

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯৩৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তবে তাই হোক...

© এই খানে প্রকাশিত সকল লেখার এবং অন্যান্য হাবিজাবি সমুহের সর্বসত্ত্ব লেখকের...©



raehatuzzahar(এ্যট)জিমেইল(ডট)কম
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ