somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... মেরুদন্ডের ভিসকসিটি বা সিঁড়ি বেয়ে উঠার গল্প
কখনো সিঁড়িবাজ মানসুরের সাথে আমাদের দেখা হয়। তখন হয়তো সে সিঁড়ি দিয়ে নামতে থাকে। আমরাও তার সাথে গড়িয়ে গড়িয়ে নামতে থাকি। আমাদের জন্য তার পায়ে তখন অফুরান সময়। তার হাতে যখন চকলেট-ব্রাউন ওয়ালেট বের হয়ে আসে, তখন হয়তোবা আমাদের ঘাড় লম্বা হয়ে ওঠে, ছোবল উদ্যত সাপের মত। উৎসুক চোখগুলো হামলে পড়ে ওয়ালেটের এখানে সেখানে। নিপুন বীণবাদক যেমন বীণের সুরে সাপকে সম্মোহিত করে রাখে, তেমনি ওয়ালেটের দেয়ালে সাজানো বিভিন্ন ব্যাংকের সোনালী বা প্লাটিনাম তৈলচিত্রে আমরাও সম্মোহিত হয়ে পড়ি। আমাদের সহসা কঠিন ভারটেব্রা আবারো অর্ধতরল হয়ে পড়ে।

সিঁড়িবাজ মানসুরের ছুঁড়ে দেয়া উচ্ছিষ্ট নিয়ে আমরা ফিরে আসি শক্ত বা নরম মাটিতে। আর মানসুর মনোযোগ দেয় সিঁড়ি বেয়ে উঠায়। আমরা রাস্তার পাশের পিঠার দোকানে হাঁটুমুড়ে বসি, দোকানীর সাথে আলগা খাতির জমানোর চেষ্টা করি। মরিচ ভর্তা দিয়ে পিঠা খেতে খেতে শব্দ করে শ্বাস নেই। শ্বাসের সাথে মরিচের সব ঝাল টেনে নেই ভিতরে, এই ঝাল আমাদের মেরুদন্ডকে আরো খানিকটা বিষাক্ত করে। গলিত মেরুদন্ডের বিষ নিয়ে আমরা শক্ত মাটিতে দাঁড়াই। ডানপাশের খোলা দেয়ালটার সামনে গিয়ে পেশাব করি। তারপর গভীর রাতের জন্য অপেক্ষা করি। রাতের গভীরতা পর্যাপ্ত ঘণত্বে পৌঁছুলে বাঁয়ের খাল ঘেষা বাঁশের কাঠামোগুলোয় আমাদের মেরুদন্ডীয় বিষ ঢেলে দেই। বিষের কমলা সোনালী রঙ ছড়িয়ে পড়ে সারাটা বামপাশ জুড়ে। আমরা শক্ত মাটির উপর গড়িয়ে গড়িয়ে দুর থেকে আরো দূরে সরে যেতে থাকি।

আমরা বারেকের দোকানে চা খেতে যাই। আমাদের হাতে থাকে এক প্যাকেট এনার্জি প্লাস বিস্কুট। আমরা চা'য়ের কাপে বিস্কুট ডুবিয়ে তাকিয়ে থাকি বারেকের সাদা-কালো টিভির দিকে। যখন আমাদের বিস্কুটের কথা খেয়াল হয়, ততক্ষণে চা'য়ের কাপের তলায় বিস্কুটটা ঘর-বাড়ি বানিয়ে নিয়েছে। আমরা খুব উৎসাহের সাথে সেই ঘণ চা'তে চুমুক দেই। গলিত, অর্ধতরল বিস্কুটের ভেতর আমরা একটা হলেও শক্ত দানা খুঁজে পেতে চাই।

সিঁড়িবাজ মানসুর যখন সিঁড়ি বেয়ে উঠতে থাকে, তখন তার চোখকে ঘিরে থাকে সানগ্লাস। সেটা এতই গাঢ় রঙের, যে সিঁড়ির সাজসজ্জা তার চোখের কোনো অংশকেই আঘাত করতে পারে না। গাঢ় সানগ্লাস পড়ে সে আমাদের মাড়িয়ে চলে যায়। আমরা তার চকলেট-ব্রাউন ওয়ালেটের তৈলচিত্র দেখতে পাইনা। আমাদের সম্মোহন কেটে যেতে থাকে। আমরা বারেকের দোকানে ফিরে আসি। এইবেলা আমাদের হাতে এনার্জি প্লাসের প্যাকেট থাকে না। আমরা চা'য়ে সস্তার টোস্ট বিস্কুট ভিজিয়ে ডুবে যাই সাদা-কালো টিভিতে। যখন বিস্কুটের কথা মনে পড়ে, তখন সমগে স্মৃতি জুড়ে এনার্জি প্লাস। আমরা চা'য়ের কাপে চুমুক দিয়ে ঘণ তরল পাই না, বরংকিচছুটা নরম টোস্ট বিস্কুট আমাদের হাতে রয়ে যায়। অনভ্যস্ত আমরা সেই টোস্ট বিস্কুটের দিকে তাকিয়ে থাকি। মুখে পুরে চিবানোর সময় আমরা টের পাই বিস্কুটের কেন্দ্রে কিছুটা মচমচে ভাব। আমাদের বাঁকা পিঠ খানিকটা সোজা হয়ে অঠে। ওদিকে পিচ কিংবা কংক্রীটের জমিতে ফাটল ধরে।

আমরা আস্তে আস্তে চা'য়ে বিস্কুট ভিজিয়ে খাওয়া ভুলতে থাকি। আমাদের নরম পিঠ দৃঢ় হয়ে উঠতে থাকে। আমরা নরম মাটিতেও খাড়া দাঁড়িয়ে থাকি। সিঁড়িবাজ মানসুরের সাথে পাশে পাশে আমরাও সিঁড়ি বেয়ে উঠা শিখি। আমরা একদল ছেলেকে চা'য়ে এনার্জি প্লাস বিস্কুট ভিজিয়ে খাওয়া শেখাতে থাকি।

সিঁড়িবাজ মানসুর একদিন পা হড়কে সিঁড়ি থেকে পড়ে যায়। তার সিঁড়ির অর্ধতরল সাজে খাদ ঢোকে। আমরা সতর্ক হতে শিখি। সিঁড়িবাজ মানসুরের পরিণতিই আমাদের সতর্ক হয়ে উঠতে সাহায্য করে। আমরা সিঁড়ি বানানো বাদ দিয়ে লিফট তৈরীতে মনোযোগ দেই। যদিও আমরা ভিতরে ভিতরে অনুভব করতে পারি লিফটও আমাদের জন্য নিরাপদ নয়। আমরা নতুন একদল মানুষ সংগ্রহ করি। যারা চা'য়ে এনার্জি প্লাস বিস্কুট ভিজিয়ে খেলেও সেটাকে অর্ধতরল হতে দেয় না। তাদের দাঁত শক্ত বিস্কুট খাবার উপযোগী। আমরা তাদের পাশে নিয়ে লিফটে ঢুকি। কয়েকতলা পর্যন্ত তারা আমাদের সাথী হয়, তারপর আমাদের সম্মান দেখাতে লিফট থেকে নেমে দাঁড়ায়। আমরা আরো কয়েকতলা উঠে যাই। নীচের দিকে তাকিয়ে দেখি আমাদের লিফট শ্যাফট জুড়ে অনেক সিঁড়িবাজ মানসুর পড়ে রয়েছে। আমরা নির্লিপ্ত ভাবে কফিতে চুমুক দেই আর এনার্জি প্লাস বিস্কুটের প্যাকেট উড়ে বেড়ায় আমাদের ঘিরে।


_________________________
বৃত্ত ভাঙ্গার চেষ্টা করি, বৃত্তে বন্দী থেকেই ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29293242 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29293242 2010-12-20 22:45:21
চিত্রগ্রাফী- বলধা গার্ডেন সবাই অনেক সুন্দর সুন্দর ছবি দিয়েছেন বলধা গার্ডেনের। আমার হাবিজাবি গুলো আজকে দিতে ইচ্ছে হ'লো...

Trapped Within


সবুজ তারা


সূর্যগ্রস্ত


প্রজাপতিটা


পতিত


বন্ধু


Lost


In Love


চার বোন


Purple


Blooming Four


তুমি এমনই জাল


Perspective


Togetherness


এটা দনিয়ায় তোলা
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29283645 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29283645 2010-12-04 21:14:31
আস্তিক নাস্তিক ইস্যুতে হঠাৎ সামু অস্থিতিশীল, মাঝখান দিয়ে লাভবান কারা? আমি নাস্তিক।

সামু ব্লগের প্রথম থেকেই আস্তিক ও নাস্তিকরা সহাবস্থান করছেন। প্রথম দিককার আস্তিকতা বা নাস্তিকতার পোস্টগুলো অনূসরণ করলে দেখা যায় যে, সেখানে আর কিছু না হোক অন্ততঃ যৌক্তিক আলোচনা চলছে বা চলার মতো একটা পরিস্থিতি আছে। কিন্তু এখনকার আস্তিকতা বা নাস্তিকতার পোস্টগুলো দেখলে কি দেখা যায়? দুই পক্ষই একে অপরের প্রতি আক্রমনাত্মক আচরন করছেন। আমাদের সহিষ্ণুতা কি হঠাৎ করে বাতাসে মিলিয়ে গেলো?

আমার পর্যবেক্ষণ বলে আসলে সহিষ্ণুতার অভাব নয়।
ব্লগে গত একবছরে কিছু নিক ঢুকেছে। যারা সাধারণ আস্তিকের বেশে খুব সুক্ষ্মভাবে ব্লগে জামাত-শিবিরের অবস্থানকে দৃঢ় করবার চেষ্টা করছে। এরা বিভিন্ন ভাব ধরছে। কেউ আওয়ামী সমালোচনা করছে, যেটা খুবই যৌক্তিক। কিন্তু এই সমালোচনার ভিতর প্রায় অদৃশ্য ভাবে থাকছে জামাত-শিবিরের বন্দনা। কেউ বিএনপির সমালোচনা বা সমর্থন করছে যার ভিতরেও আবশ্যম্ভাবী ভাবে জামাত-শিবিরের প্রসঙ্গ থাকছে। আওয়ামী-বিএনপি নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই। আমার মাথা ব্যথা জামাত-শিবির নিয়ে। এরা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করতে করতে সাধারণ মানুষে সাইকোলজি নিয়ন্ত্রনের কুটকৌশল খুব ভালোভাবেই আয়ত্ব করেছে। এরই অংশ হিসেবে আস্তিক-নাস্তিকদের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান তাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। কারণ আস্তিক-নাস্তিকরা একসাথে কাজ করলে তাদের ব্যবসা চলবে না।

এবার আসি গত কিছুদিনের আচরণের বিষয়ে। ইভটিজিং বিরোধী পোস্টারিং উদ্বোধনের খবর দিয়ে পারভেজ আলম একটা পোস্ট দিয়েছিলেন। যেখানে কিছু নিক সেই পোস্টারিংয়ের ভিতরেও আস্তিক -নাস্তিক বিভেদ টানার চেষ্টা চালিয়েছিলো। যেটাকে অনেক আস্তিকরাই প্রতিবাদ করেছিলেন। এটা ছিলো আস্তিক-নাস্তিক বিভেদরেখা তৈরীর একটা মোটাদাগের কৌশল। সুক্ষ্মদাগের কৌশল হলো দুইমাস আগের একটা স্ক্রীণশট নিয়ে অনেকের ধর্মানুভুতি হঠাৎ করেই আহত হয়ে যাওয়া। এবং কয়েকজনের সামু ত্যাগের নাটক।

ঘটনা আর কিছুই না, পাবলিক সিম্প্যাথি ম্যানিপুলেট করে কিছু নাস্তিকের বিরুদ্ধে মডুদের ব্যবস্থা নেবার ক্ষেত্র তৈরী করা।
এখন দেখি নাস্তিকরা ব্যান হলে কারা সুবিধা পায়?
নাস্তিকরা বাইডিফল্ট জামাত-শিবিরের বিরোধী। তারা জামাত-শিবিরপন্থী পোস্টে সবসময় প্রতিবাদ করে আসছে। আস্তিকদের ভিতরেও বেশীরভাগ ব্লগার জামাত-শিবির বিরোধী। অল্প কিছু জামাত-শিবিরপন্থী ব্লগার বিভিন্ন আস্তিকতা নির্ভর পোস্ট বা অন্য ধরণের পোস্ট দিয়ে সাধারণ ব্লগারদের কাছাকাছি পৌছে। এখন নাস্তিকরা যখন সাধারণ একজন ব্লগারের কাছের লোকটাকে জামাত-শিবির বা ছাগু বলে অভিহিত করে তখন প্রতিবাদ আসার ক্ষেত্র তৈরী হয় সাধারণ ব্লগারদের কাছথেকেই। তাদের কাছে তখন ধর্মীয় পরিচয় রাজনৈতিক পরিচয়ের কাছ থেকে বড় হয়ে ওঠে। তাদের মনে হয় 'এই লোকটাকেতো কখনো দেখিনি জামাত-শিবির পন্থী কথা বলতে? একেতো আমি আস্তিক হিসেবেই চিনি, নাস্তিকরা একে গালি দিচ্ছে তার মানে এরা আমার ধর্মকেই গালি দিচ্ছে। অতএব এর সাহায্য করাটা আমার দায়িত্ব।'

লাভবান জামাত-শিবিরপন্থী ছাগু গুলো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29282829 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29282829 2010-12-03 12:31:24
ইভটিজিং বিরোধী আন্দোলনে কিছু পোস্টার প্রস্তাবনা





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29267417 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29267417 2010-11-06 00:35:35
শারদীয় চিত্রগ্রাফী...
ডিভাইন


পবিত্র কারখানা


পতিত


অসম্পূর্ণ


রূপচর্চা


প্রসাদ


দেবী


দেবী ও পুজারী

________________________________

এবার একই যাত্রায় ভিন্ন ছবি...

ক্রলার


অপেক্ষা


তারা তিন জন


ঝুলন্ত বিশ্বাস


প্রদীপ


রিংগিং দ্য বেল


মন্দিরা
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29257348 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29257348 2010-10-18 19:56:11
প্রিয় আস্তিকদের কাছ থেকে প্রশ্ন আহ্বান বেশ কিছুদিন ধরে ব্লগে চলমান আস্তিক নাস্তিক দ্বন্দ্ব দেখে আমার বারবার মনে হচ্ছে, ব্লগের বা বাস্তব জীবনের নাস্তিকদের সম্পর্কে হয়ত আস্তিকদের অনেক ভুল ধারণা কাজ করে। নয়তো তাদের ব্যক্তিগত জীবনাচারণ, মৃত্যু পরবর্তী করণীয় বা নৈতিকতার মানদন্ড নিয়ে আস্তিকদের চিন্তা হবার কথা না। যিনি যেই ধর্মাবলম্বী আস্তিক তার ধর্ম ছাড়া অন্য ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে যেমন তাদের চিন্তার অবকাশ নেই, তেমনি নাস্তিকদের নিয়েও চিন্তা করারও আসলে কোনো প্রয়োজন পড়েনা।

তারপরেও আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি প্রশ্ন করবার অধিকার সবারই আছে।
গত পরশুদিনই আমার আম্মু আমাকে বলছিলেন যে
“তোর ফ্যামিলির সবাই এত ধর্মপরায়ন, তার ভিতর থেকে তুই কিভাবে নাস্তিক হ’লি?”
আমি আম্মুকে বললাম নাস্তিকতার চর্চা করলে বা একজন নাস্তিক হ’লে তার কিছুই পরিবর্তন হয়না। সেও ধর্মপরায়ন মানুষদের মতই। শুধু তার ভিতরে শুন্যতার প্রতি সেই ভীতিটা থাকে না, যেই ভীতির জন্য একজন আস্তিক মানুষ সর্ববিষয়ে শক্তিমান কারো সাহায্যের আশা করে। আমরা চিন্তা করি, নিজেদের ভুল হ’লে সেটার দায়ভার অন্য একজনের উপরে চাপিয়ে দিয়ে অদৃশ্য কারো কাছে ক্ষমা চাইনা। কারণ আমরা জানি আমার কোনো ভুল সিদ্ধান্তের জন্যই এমনটা ঘটেছে।

আম্মুর সাথে কথা বলার পর থেকেই এই পোস্ট দেবার চিন্তাটা মাথায় বাসা বেঁধেছে। আমার আম্মুই যদি এভাবে ভাবতে পারে তাহলে আমার আশেপাশের আস্তিকদের মনেও তো এমন প্রশ্ন জাগতেই পারে।

তাই সব আস্তিকদের কাছে আমার আহ্বান আপনাদের মনে নাস্তিকদের সম্পর্কে যে যে প্রশ্ন আসে, সেটা এখানে রেখে যেতে পারেন। আশা রাখি আপনাদের প্রশ্নের যৌক্তিক উত্তর দেবার চেষ্টা করা হবে...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29231552 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29231552 2010-08-29 01:47:30
বাবা...

বাবা... অন্যরকম একটা শব্দ | যেই শব্দটার মানুষটা, আমাদের উপর স্নেহ-ভালবাসা-শাসনের আলো বিচ্ছুরণ করে... সেই সাথে নিজে, ছেলেমেয়েদের কাছে থাকে একটা আলো-ছায়ার মানুষ হিসেবে... যাকে পুরোপুরি দেখার বা বোঝার চোখ আমাদের কখনই হয়না...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29182046 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29182046 2010-06-21 15:53:35
আত্মমগ্ন কথামালা (অসতর্ক রক্তবীজ) রৌদ্রের গান শুনে ঘুমিয়ে পড়ে বাসন্তী ফুলের সুঘ্রাণ..
ভেজা দুপুরের স্বপ্ন, ছায়াচিত্র আঁকে এলোমেলো সাপের কক্ষপথে...
গোপন জিহ্বার ঘাসদল, চেটে নেয় অসমকামী পশুদের নগ্ন বাহুমূল...
আর বিবর্ধিত জোছনারা জমা হতে থাকে ক্যামেরার শীতল ডিসপ্লে জুড়ে
ওদিকে
পদাতিক মেঘেদের মহড়ায় ঘরময় উড়তে থাকে মনখারাপের ছেঁড়া পাতা
এবং অসতর্ক সময়ের রক্তবীজ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29157332 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29157332 2010-05-18 10:23:13
দ্বিবার্ষিক পোস্ট... দু'বছর ন'ঘন্টা হইলো সামু ব্লগে

~
~
~

প্রাপ্তিঃ-

১) অনেক গুলা ভালো মানুষ বন্ধু [জুনিয়র-সিনিয়র মিলাইয়া (সবার নাম উল্লেখ করলাম না)]।

২) দুইটা বোন।

৩) তিনটা ছাগু-বান্ধবের সাথে পরিচয় হওয়ার আফসোস।

৪) চতুর্মাত্রিক হতাশা
_ক। কিছু অনৈতিক ব্যানের
_খ। ছাগু পুণঃ-পুণর্বাসনের
_গ। মানসম্পন্ন লেখকের হার ক্রমাগত কমে যাবার
_ঘ। আস্তিক-নাস্তিক ইস্যুতে মডারেশনের আচরণ জনিত

অপ্রাপ্তিঃ- মডারেশনে স্বচ্ছতা...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29123257 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29123257 2010-03-25 19:28:03
এই ব্লগারের ব্যান দাবী করার পূর্ণ অধিকার আমার আছে A war child refers to a child born to a native parent and a parent belonging to a foreign military force (usually an occupying force, but also soldiers stationed at military bases on foreign soil). It also refers to children of parents collaborating with an occupying force. Having a child with a member of a belligerent foreign military, throughout history and across cultures, is often considered a grave betrayal of social values. Commonly, the native parent is disowned by family, friends and society at large. The term "war child" is most commonly used for children born during World War II and its aftermath.

যাদের কে আমরা কখনোই কোনো সম্মান দিতে পারি নি, যে মায়েদের গর্ভে তাদের জন্ম, যুদ্ধকালীন সময়ে সেই মায়েদেরকে দিতে পারি নি কোনো নিরাপত্তা। কেনো আজকে তাদের দুর্দশা নিয়ে এতো গলাবাজি করি আমরা?

কোন সাহসে একজন মানুষ ওয়ার চাইল্ড এর ডেফিনিশন চেন্জ করবার প্রয়াস পায়?

কোন সাহসে সে বলে পাক- হানাদার ও রাজাকারের জারয সন্তানদের প্রতি কোন স্যালুট নয়। তারা দুষিত রক্তের বিষাক্ত বীজের কাঁটা গাছ বিশেষ।

আমি এমন মোহাম্মদ লোমানের ব্যান চাই।


পারলে সবাই ঐ পোস্টে গিয়ে রিপোর্ট করেন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29107014 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29107014 2010-02-28 01:45:39
আত্মমগ্ন কথামালা (নৈর্ব্যক্তিক সময়ের শব্দ) কয়েকটা টেলিফোন বেজে উঠেছিল কোথাও
আর, রাতজাগা ঘুমেদের আস্ফালনে চাপা পড়ছিলো
বিবিধ আগুনের তাপ

ত্রিধাবিভক্ত জিহ্বা নিয়ে উল্লসিত সাধুগোত্র
অন্যের রক্তে পানপাত্র ভরে নিচ্ছে অবিরাম

পাথর চোখের কার্নিশে ঘর বাঁধা প্রজাপতি, তোমরা উড়ে চলে যাও
এখানে স্বপ্নের বলি দেয়া হবে কিছুক্ষণ পর
বেজে উঠবে বিকলাঙ্গ নর্তকীর কাঁচের চুড়ি

হাড়ের গভীরে হেঁটে যাওয়া ঘুন পোকা, তুমি কেঁদে উঠোনা
এখনি প্রস্তুত করা হবে রাজকীয় সিংহাসন
অভিষেক হবে ক্লীব জনকের যৌনাচার

কর্মীরা ফিরে চলে গেছে মেঠোপথ অসমাপ্ত রেখে
দায়ভার একা অবিরাম সময়ের ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29100317 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29100317 2010-02-18 13:46:37
হাতুড়ে গদ্য (বারেকের টিভি) বাজারের ঠিক শেষ মাথায় বারেকের চা’র দোকানটা। মৃত্যুর দিন গুনতে থাকা বুড়ো বাবলা গাছটা দাঁড়িয়ে এতদিন ধরে কিছু মানব শিশুর বিভিন্ন উচ্চতার অত্যাচার সহ্য করে আসছিল। তার চিরল পাতার ছায়ার নাগালের ভিতরেই বারেক দোকানটা শেষ পর্যন্ত বসিয়েই ফেলল। মফস্বলের এই মৃতপ্রায় বাজারে দোকান বসানোর মত নির্বুদ্ধিতা নিয়ে বাজারের লোকেরাও বারেককে কম খোঁচায়নি, সে নিজ সিদ্ধান্তে অনড়। সাধারন চা’র দোকানগুলো যেমন হয় বারেকের দোকান তা থেকে উন্নত কিছুই না। বরং খরচ কমানোর জন্য কেরসিন স্টোভের বদলে মাটির চুলা বসিয়েছে, যেটা ধরাতে তাকে প্রতি ভোরেই নাকাল হতে হয়। তবে একটা বিশেষত্ব আছে তার দোকানে। সেটা আর কিছুই না, একটা ১৪ ইঞ্চি সাদা-কালো টিভি। যার এন্টেনাটাকে একটু কায়দা করে, পাশ দিয়ে চলে যাওয়া ডিশের তারের সাথে প্যাঁচ খাইয়ে দেয়া হয়েছে।

অলস দুপুরের বাবলার চিরল ছায়ায় হেলান দিয়ে অনেকেই বসে থাকে। এককাপ চায়ের সাথে একটা টোস্ট বা একটা বন নিয়ে মুলতঃ টিভির অনুষ্ঠানই সবাই খেতে পছন্দ করে। হয়ত কখনো কোন নায়কের রিকশা চালাতে চালাতে শিল্পপতির মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক তাদের হাতে থাকা শুকনো বিস্কুটকে ক্রীমের নরম আবরণে ঢেকে রাখে। নয়ত কোন গানের দৃশ্য দেখে পাশে বসা জনের পিঠে থাবা দিয়ে “মাগীর দুধ দুইটা দেখছোস? শালার অক্করে গাছপাকা আমের লাহান” বলে উত্তেজনা প্রশমণের ব্যর্থ চেষ্টায় জোরে জোরে চায়ের কাপে চুমুক দেয় কেউ। এই চুমুকের সময়ই অনেকে খেয়াল করে তাদের কাপে আর তলানি ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট নেই। ফের জমিয়ে বসে লুঙ্গির খুট থেকে কেউ কেউ বিড়ি বের করে, কেউ বের করে খুচরো টাকা।

মাঝ সকালে আসেন কিছু বয়স্ক মানুষ। তাদের কারো মুখে তৃপ্তির আলো ঝলমল করে, কারো মুখে ভরসা হারানো আঁধারের ছোঁয়া। তাঁরা বসেন, এক বা দুই কাপ চা খান। টিভিতে দেখায় মিছিল, নাটক, রাস্তায় জ্বলতে থাকা আগুন কিংবা দেখায় রাজধানীর কোনো বড় দালানে ঢুকতে বেরোতে থাকা মানুষ। বয়স্ক চা প্রেমীরা তাকিয়ে থাকেন চুলোয় জ্বলতে থাকা আগুনের দিকে। মাঝে মাঝে চোখ তুলে টিভিতে দেখাতে থাকা বিবিধ সাদাকালো আগুনের সাথে বাস্তবের রঙ্গিন আগুনকে মিলিয়ে দেখেন। কখনো কাশির দমকে বাঁকা হতে হতে বারেককে আরেকটা আদা চা’র অর্ডার দেন কেউ। কেউ বা বাবলার শরীরে, মধ্যমায় লেগে থাকা চুনের শেষাংশ মুছতে মুছতে রক্তের মত পানের পিক ছুড়ে দেন রাস্তার ধুলোর দিকে।

নানা বয়েসী শিশুরা প্রায় সারাটা দিনই আশেপাশে খেলা ধুলা করে। আর বড়দের উচ্চারিত নানান শিক্ষা জমা রাখতে থাকে মগজের বিভিন্ন কুঠুরীতে। মাঝে মাঝেই সেগুলোর সফল প্রয়োগ চলে অপেক্ষাকৃত কম শক্তির অধিকারীর উপরে। কখোনো সখোনো দোকানে আসার উপলক্ষ্য পেলে মন্ত্রমুগ্ধের মত চেয়ে থাকে সাদাকালো শিশু বা বয়স্ক লোকেদের দিকে। কচি মনে হয়তো সাদাকালো আর রঙ্গীন বাস্তবের পার্থক্য করতে পারে না। তাদের বিস্ময় হয়ত এতটুকুই যে, এত সুন্দর করে সেজে থাকা মানুষ গুলোর মুখ বা জামা-কাপড়ে আমাদের মত রঙের ছোঁয়া নেই কেন?.

সন্ধ্যায়, দোকানীরা তাদের পসরা বন্ধ করে ঘরে ফেরার আগে, পারস্পরিক বিকি-কিনির তুলনা মূলক আলোচনার জন্য আসে। আসলে প্রতক্ষ্য আলোচনার থেকে বেশি প্রাধান্য পায় চা’র সাথে সাথে টা’র বিল দেবার সময়কার পরোক্ষ লাভ-ক্ষতির বিবরণ। এখানেও স্পষ্টতঃ দু’টো শ্রেণী দেখা যায়। যাদের সামর্থ কম তারা বেশী সময় নষ্ট না করে কোনোমতে এককাপ চা খেয়ে চলে যায়। যাবার আগে অবশ্য টিভির সাদাকালো ছবির সাথে নিজেদের সাদাকালো জীবনের মিল দেখে একটু হাসির রঙ মনের ভিতর নিয়ে ঘরে ফিরে যায়। আর দ্বিতীয় শ্রেণীটা বেশ আয়েশ করে অনেক সময় নিয়ে চা খায়। সাথে টিভির সাদাকালো রঙ এর দিকে খানিকটা উপহাস নিয়েই তাকিয়ে থাকে।

রাত অনেকখানি গভীর হলে ঝলমলে গাঢ় রঙ এর জামা-কাপড় পরা কিছু মেয়ে দোকানের আশপাশ দিয়ে ঘোরাফেরা করে। তাদের কেউ কেউ এসে বসে দোকানে। তবে তারা শুধু চা’ই খায়। শুন্য দৃষ্টিতে তারা সাদাকালো টিভির মানুষ গুলোর সাথে সাথে নিজেদের কৃত্রিম রঙ্গীন সাজ আর তাদের ক্রেতাদের ভেতরের কালো চাহিদাটাকে মেলাবার ব্যর্থ চেষ্টা চালায়।

বারেক নিজে কখনো আগ্রহ নিয়ে তার সাদাকালো টিভির দিকে তাকায় না। সে বরং তার খদ্দেরদের মনের ভিতরের নানা রঙের খেলা যেভাবে মুখের পর্দায় ফুটে ওঠে তা নিয়েই মগ্ন থাকতে ভালবাসে। দোকানের ঝাঁপ নামাতে নামাতে বারেক ডাক দেয় “আয় আয়... তু তু তু”। কোথা থেকে জানি একটা কুকুর ছুটে আসে, বাসি বনরুটি গুলো সামনে নিয়ে কৃতজ্ঞতার রঙ ছড়িয়ে দেয় রাতের অন্ধকারে। দোকানের ভিতরে শুয়ে বারেক অনুভব করতে থাকে সাদাকালো জীবনে রঙের খেলা গুলো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29099627 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29099627 2010-02-17 12:50:26
আত্মমগ্ন কথামালা (একই বিষয়... পৌনঃপুনিক) ঘন হয়ে আসে রাত, শরীর ও নিশ্বাস।
উদ্ধত মোরগের ঝুটির রক্তিম
নির্দেশ করে দ্রুততর বেগের
হৃদস্পন্দন, সময় এবং বাস্তব
কাঁপতে থাকে
পৌনঃপুনিক; পৌনঃপুনিক।

দিনের কোলে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পরে রাতের আঁধারেরা।
আর যৌনগন্ধী স্বর নিয়ে জলকেলি রত রাজহাঁসটি
হেসে ওঠে অনিঃশেষ,
ঠোঁটে বেঁধে নিহত বেড়ালের সঘন অশ্রু।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29097846 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29097846 2010-02-14 21:58:49
আত্মকথন... ইংরেজি গান শোনার অভ্যাস ওভাবে ছিলনা কখনো। মূলতঃ ইন্টার জীবন থেকে একটু একটু ইংরেজি গানের জগতে হাঁটা চলা। তবে এখনও ইংরেজি গানের প্রতি তেমন কোনো আগ্রহ গড়ে ওঠেনি। আর আমার টেস্টও খানিকটা ভেজাইল্যা। কোনো স্টেশন নাই। গান শোনা শুরু জ্যাকসন দিয়ে। বন্ধুর পাল্লায় পড়ে মারকস, এডামস, বোল্টন, ডেনভার, ম্যাডোনা, টয়াইন, মেটালিকা, মেগাডেথ, এমিনেম ব্লা ব্লা ব্লা... সবরকম হাবিজাবিই শুনি। ভালো লাগে কিংবা লাগে না।

৯৭ বা ৯৮ এ মনেহয় একুশে টিভিতে একটা অনুষ্ঠান হ’ত এমটিভি কাউন্টডাউন বা এমটিভি টপ টেন নামে। ইউকে বা ইউএস টপ চার্ট দেখান হ’ত অনুষ্ঠানটাতে। সেখানেই প্রথম এই গানটার মিউজিক ভিডিও দেখি। এবং দেখেই পুরা তব্ধা। এরপর খোঁজাখুঁজি করে গানটা রেকর্ড করাই। লিরিক্স জোগাড় করি।

এখন পর্যন্ত এই গানটা আমার কাছে সবরকম প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করছে। যখনই আমি হতাশায় ডুবে যেতে শুরু করি তখনই এই গানটা আমাকে সেই নিমজ্জমান অবস্থা থেকে বের করে আনে। যখনই আমি বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিকুলতার সম্মুখীন হই এই গানটাই আমাকে নিজের পথে অটল দাঁড়িয়ে থাকতে সাহায্য করেছে। আশা রাখি এবারও গানটা আমাকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে।

গানটা জন বন জোভি এর ইট’স মাই লাইফ

আমার আজীবনের জন্য প্রিয় একটা গান।

_________________________________________

This ain't a song for the brokenhearted
No silent prayer for the faith departed
And I ain't gonna be just a face in the crowd
You're gonna hear my voice when I shout it out loud

It's my life
It's now or never
I ain't gonna live forever
I just wanna live while I'm alive

(It's my life)
My heart is like an open highway
Like Frankie said, "I did it my way"
I just wanna live while I'm alive
'Cause it's my life

This is for the ones who stood their ground
For Tommy and Gina who never backed down
Tomorrow's getting harder, make no mistake
Luck ain't even lucky, gotta make your own breaks

It's my life
And it's now or never
I ain't gonna live forever
I just wanna live while I'm alive

(It's my life)
My heart is like an open highway
Like Frankie said, "I did it my way"
I just wanna live while I'm alive
'Cause it's my life

You better stand tall
When they're calling you out
Don't bend, don't break
Baby, don't back down

It's my life
It's now or never
'Cause I ain't gonna live forever
I just wanna live while I'm alive

(It's my life)
My heart is like an open highway
Like Frankie said, "I did it my way"
I just wanna live while I'm alive

(It's my life)
And it's now or never
I ain't gonna live forever
I just wanna live while I'm alive

(It's my life)
My heart is like an open highway
Like Frankie said, "I did it my way"
I just wanna live while I'm alive
'Cause it's my life!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29093797 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29093797 2010-02-09 02:03:45
হাতুড়ে গদ্য (ক্যাকফনি**)
সন্ধ্যার ঝিম ধরানো সিগন্যালে; এলোমেলো কিন্তু সারিবদ্ধ ঝিঁঝিঁ পোকাগুলোর চিৎকার শুনতে শুনতে অতিষ্ঠ আলফেসানী, কানে ইয়ার-প্লাগের হোসপাইপ লাগিয়ে মগজের শুকনো জমিতে কিছু শব্দ আর ছন্দের চাষে ব্যাস্ত ছিলো। হঠাৎই রিয়ার ভিউ মিররে তাকিয়ে স্মৃতির কলসি ভেঙ্গে একঝাঁক কোমল ছবি ছড়িয়ে ফেলল এদিকে সেদিকে।
-----------
চন্দ্রলোপার ছিপছিপে শরীরটা জড়িয়ে আছে দুধসাদা কামিজ যার উর্বর জমিন জুড়ে অসংখ্য সীমের ফুল। আংগুলের সকল মমতা দিয়ে ধরা কালো কালির একটা বলপয়েন্ট। একচিলতে বিকেলের রোদ তার চুল আর চোখের কার্ণিশ বেয়ে নেমে এসে খাতার এক কোণে লক্ষী বেড়াল হয়ে বসেছে।
------------
বেশ অনেকদিন ধরেই হাল্কা ধুসর মনখারাপের ধুলো জমা হচ্ছে আলফেসানীর ঘরের মেঝেতে। আজকে সেখানে ঢুকে দেখলো আনন্দের পায়ের ছাপ গুলো প্রায় অদৃশ্য হয়ে এসেছে। কোনায় কোনায় বাস্তবতার মাকড়শার ঝুলে ছেয়ে গিয়েছে। চোখ বন্ধ করে এগুলোই দেখছিলো সে। হয়ত ঘরে ঝুলিয়ে রাখা কোমল ছবিগুলোও খুঁজে ফিরছিলো।
-----------
সন্ধ্যাভিমুখী মৃদু আলোর রাস্তায় চন্দ্রলোপা আর তার সাথীদের সামনে দিয়ে উদাসীন ভঙ্গীতে হেঁটে যেতে যেতে; সদ্য যৌবন ছোঁয়া ঠোঁটে, শো-অফের চিন্তায় উদ্বিগ্ন ধোঁয়ার আড়াল তৈরী করা। সাথে আড়চোখে চন্দ্রলোপার চোখের কুঁড়ির পূর্ণাঙ্গ ফুলে পরিণত হয়ে ওঠা উপভোগ।
------------
আলো-আঁধারীতে যে আবছা বয়েসের আদল ফুটে উঠেছে তাতে মেয়েটার চন্দ্রলোপা না হবার সম্ভাবনাই বেশি। কিছুক্ষণ আগের অবস্থান থেকে পেটমোটা রিকশাটা এগিয়ে আসাতেই এই বিপত্তিটা দেখা দিয়েছে। আলফেসানীর তখনকার মোলায়েম মাটির হৃদয়ে যেই কোমল ছবিগুলো আঁকা হয়েছিলো সেগুলোর বয়েস একবিন্দুও বাড়েনি। রিকশায় বসে থাকা চন্দ্রলোপাও সেই সদ্য যৌবনের সবটুকু গৌরব নিয়ে অবিচল।

আলফেসানীর একই সাথে খুব ইচ্ছে হচ্ছে পিপড়ের পেটের ভিতর থেকে বের হয়ে এই চন্দ্রলোপার সাথে পরিচিত হতে, আবার মনের গহীণ কুয়ার ভেতর থেকে পুরোনো চন্দ্রলোপার প্রতিধ্বনি শুনতে পাচ্ছে। যেই শব্দের প্রতিটা ছোঁয়া মনখারাপের ধুলো পড়া ঘরের কোমল ছবিগুলোর স্পটলাইট এক এক করে জ্বালিয়ে তুলছে।







____________________________________________

**cacophony

1. harsh discordance of sound; dissonance: a cacophony of hoots, cackles, and wails. 2. a discordant and meaningless mixture of sounds: the cacophony produced by city traffic at midday. 3. Music. frequent use of discords of a harshness and relationship difficult to understand.
_____________________________________________]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29088904 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29088904 2010-01-31 14:35:14
আত্মমগ্ন কথামালা (কবি ও নগ্ন গিটার)
একটা নগ্ন গিটার শুয়ে আছে কবির কোল জুড়ে |

ষড়-রিপুর টিউনিং নিয়ে ব্যস্ত অস্থির আঙ্গুল,
জ্বলতে থাকা নিকোটিনের পলি জমা হতে থাকে
আঁধো আলোকাচ্ছন্ন গাছের এবং ফুসফুসের পাতায়;

অমোঘ বীণ-বাদকের কড়ি চালানে ছুটে আসা
বিবিধ সাপের সুরেলা হিসহিসে
মগ্ন হয়ে পড়ে ঘড়ির তিনটি কাঁটা,
সময়েরা, গলিত জোছনার সাথে তাল মিলিয়ে
বয়ে যেতে থাকে চায়ের কাপ থেকে কাপে,
অচেনা আলোর জেব্রা-ক্রসিংয়ে নিশি যাপনের স্বপ্নরা
ফিরে যায় বাস্তবের কোমল আহ্বানে |]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29085160 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29085160 2010-01-25 02:06:42
...চিত্রগ্রাফী


জীবন্ত রঙ...
____________________________




ফুলেল...
____________________________



জীবনের নানা রঙ...
____________________________



অপাপবিদ্ধ...
____________________________




বিচিত্রিতা...
_____________________________



ঋজু...
_____________________________



ভিন্ন কৌণিক...

______________________________



দীর্ঘ উড্ডয়নের প্রাক্কালে...

____________________________


ফ্লিকার ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29080160 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29080160 2010-01-17 12:28:17
আত্মমগ্ন কথামালা (মৃত্যু) আয়না তে দেখি দু'টো অপরিচিত চোখ তাকিয়ে রয়েছে;
সকালের জুতো গুলো চিত্কার করে বলে চিনি না তোমাকে।
শার্ট বা টি-শার্টেরা, মনিব গন্ধ ভুলে যাওয়া কুকুরের মত
দুরে দুরে সরে যেতে চায়।
গলার স্বরে শুকনো পাতাদের প্রতিধ্বনি
চমকে দেয়,
দুপুরের রোদ-বিকেলের প্রলম্বিত ছায়া-রাতের নিঃশব্দ ঘেরা অন্ধকার।

ধুলিকনার চুমু তে শিহরিত, মৃত এবং উত্থান রহিত দেহের প্রতিটি কোষ |]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29076188 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29076188 2010-01-11 10:14:33
হাতুড়ে রুপকথা (পান্না চৌখি জল ফরিং আর নারিকোলিয়া চন্দ্রহার)
অন্ধ সোলেমান সদাগর জীবনের শ্যাষ সদাগরী করতে গিয়াছিল রইদের পাহাড়ে। সতের শহর আর দশটা মহাশহর পাড়ি দিয়া। পান্না চৌখি জল ফরিঙের খোঁজে, এইবার তার লগে আছিল তার জওয়ান পোলা আমিরজান।

জবরদস্ত জমিদার সাব কইয়া দিসিলেন তার মাইয়ার বিবাহের লাগিয়া অলংকার আননের কথা। মাইয়ার নাম ছালেহা গুণবতী। আমিরজানের মনের ভিতর আছিল ছালেহা গুনবতির লাগিয়া ভাব-ভালবাসা। ছালেহা গুনবতিও আমিরজানের লাগিয়া দিলের ভিতর হাহাকার শুনিতে পাইত |

জবরদস্ত জমিদার সাবের একই কথা আমার কন্যার লাগিয়া নিজেরে প্রমান করিতে হইব আমিরজানেরে। আনিতে হইব নানান কিসিমের অলংকার |

নারিকোলিয়া চন্দ্রহার, কালা রুপার পায়ের খারু, লাল স্বর্ণের কাঁকন, সাদা স্বর্ণের টিকলি, হইলদা হীরার কানপাশা যদি আনিতে না পারো তবে তোমার বদন আর আমার সম্মুখে আনিব না। গোপনে আমিরজানরে ডাকিয়া বইলা দিসিলো জবরদস্ত জমিদার |

জওয়ান আমিরজান। কোনো বিপদরেই সে বিপদ মনে করে না। বাপের লাহানই হইছে। গলায়ও বাপের চাইতে বেশি সুর খেলে তার। ছালেহা গুনবতিরে লইয়া গান বান্ধে মনের হুতাশ তাড়ানোর লাগিয়া। রাইতে যখন ঝকমক চান্দ আকাশের সমুদ্দুরে ভাইসা বেড়ায় আমিরজানের ভরাট স্বরের গান তার কানে সুধার ভান্ড উপচায়া দেয় |

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

গুণবতীর কথা আমি কি বলিব আর সারা দেহ ভরা কেবল গুণেরই আধার গুনভরা হাত ও রে তার গুণভরা মন তাহার গুনের কথা করিব বর্ণন হাতের মাঝে আছে যে তার রন্ধনের ফুল চোখের মাঝে আছে য্যানো সকল সুখের মূল...

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

রইদের পাহাড়ে হাজারে-বিজারে পান্না চৌখি জল ফরিং। সোলেমান সদাগরের নির্দেশ পাইয়া আমিরজান হাতে মিহি জাল লইয়া পান্না চৌখি ফরিঙের পিছনে দৌরঝাঁপে নামে। নিমেষেই খাঁচায় পুইরা ফেলে শ'য়ে শ'য়ে পান্না চৌখি ফরিং |

এই যাত্রায় মহাশহর গুলাতে পান্না চৌখি জল ফরিংয়ের চাহিদা অনেক আছিল। সদাগরি করিয়া জওয়ান আমিরজান সদাগরের লাভের অংক আশার দরজা পার হইয়া যায়। সোলেমান সদাগর এইবেলা নামে পোলার বিবাহের সওদায়। নাম ধরিয়া ধরিয়া সকল কিছুই খরিদ করে সোলেমান সদাগর। কেবল খুঁজিয়া পায়না নারকোলিয়া চন্দ্রহার।

খোঁজ লাগায় এই শহরে
খোঁজ লাগায় ওই মহাশহরে
খোঁজ লাগায় কালাপানিয়ায়
খোঁজ লাগায় ধলাদরিয়ায়
খোঁজ খোঁজ খোঁজ...

শেষতক খোঁজ মেলে সরু নদের গাঁওয়ে।
খোঁজ দেয় নারাণ কোবরেজ। ছয় পহরের তপ্ত মরু পার হইয়া, তিন রাতের নারকোল বন। সেই বনের নারকোলের পাতায় চুঁইয়া পড়ে চান্দের জোছনা। আর গাছের তলায় জমে নারিকোলিয়া চন্দ্রমধু। এই মধু, তুলিতে হইব যেই কন্যা চন্দ্রহার পড়িবে তাহার নামে। রাখিতে হইবে নারকোল বনের পাতার তৈরি মধু ভান্ডে। এইবেলা মধু লইয়া যাইতে হইব নয় আঙ্গুলের সোনারুর কাছে। সে কেবলমাত্র সেই পারে নারিকোলিয়া চন্দ্রহার বানাইতে।
খবরদার মধু সংগ্রহের কালে জানি দুলা একা থাকে। আর কন্যার নাম ছাড়া অইন্য কারো নাম জানি দুলার মনে না থাকে। বাপের কতা মনে আছিল আমিরজানের। কানে তুলা গুইজা, চক্ষু চেককাটা গামছায় বাইন্দা রওয়ানা হইল সে। নারিকোলিয়া বনে গিয়া চক্ষুর বান্ধন খুইলা, কানের তুলা ফেলাইয়া আমিরজানে নারকোলের পাতার ভান্ড তৈয়ার করে। সেই ভান্ডে জমা করে নারিকোলিয়া চন্দ্রমধু। এরপর পৌছায়া যায় নয় আঙ্গুলের সোনারুর দরোজায়। শব্দ করতেই দরোজা খুলতে আসে নয় আঙ্গুলের সোনারুর মাইয়া।

// কে গা আপনে? \\ অন্ধ সোলেমান সদাগরের পোলা আমিরজান। আপনের পরিচয়? // নয় আঙ্গুলের সোনারুর কইন্যা আমি, নাম স্বর্ণা রাণী সোনারু। বাপজানের কাছে কি কাম? \\ নারিকোলিয়া চন্দ্রহার তৈরীর লাগিয়া নারিকোলিয়া চন্দ্রমধু নিয়া আসছি।

নয় আঙ্গুলের সোনারুর হাতে নারিকোলিয়া চন্দ্রমধু তুলে দিবার কালে আমিরজান জপ করতেছিলো ছালেহা গুণবতীর নাম। একবার খালি মনের ভুলে তাকায়া ফেলছিলো স্বর্ণা রাণী সোনারুর পানে। ঐ একবারই। নয় আঙ্গুলের সোনারু চক্ষু রক্তবর্ণ হইয়া উঠল। দাঁড়ির জঙ্গল থিকা জানি রাগী বাঘ ডাইকা উঠল।

- এই হার তৈয়ার হইবে না। তুমি জানোনা হারের মালকীন ছাড়া অন্য কারো নাম লইলে হার তৈয়ার অসম্ভব? = সোনারু হুজুর এমন কথা বইলেন না। ছালেহা গুণবতী আমার পথ চাইয়া দিন গুনতেছে। - নারিকোলিয়া চন্দ্রমধু শুদ্ধ করতে হইবো। তবেই সম্ভব হার তইয়ার। = কেমনে শুদ্ধ করিব? - তোমার হৃদয় ছিদ্র কইরা পঞ্চ ফোঁটা রক্ত আর তোমার ডাহিন হস্তের কবজি।

~~~~~~~~~~~~~~
ছালেহা গুণবতীর দিলে আমিরজানের লাগিয়া হাহাকার আছিল। ভাব-ভালবাসা নহে।
~~~~~~~~~~~~~~

লুলা আমিরজান নয় আঙ্গুলের সোনারুর কাছে ফিরিয়া তাহারে ওস্তাদ মানিয়া কর্ম শিখিতে লাগিল। আর অন্ধ সোলেমান সদাগর তাহার স্ত্রী শরীফা সুন্দরীরে লইয়া অজানার উদ্দেশ্যে নাও ভাসাইয়া দিল।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29071501 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29071501 2010-01-04 11:18:06
প্রশ্নত্তোর পোস্ট নতুন বছরে আমার প্রথম পোস্ট...


নিজেকে জানো এবং অন্যকে নিজের সম্পর্কে জানতে দাও এরকম একটা থিম নিয়েই এই পোস্টের অবতারণা...

যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন...

একান্ত ব্যক্তিগত প্রশ্ন ছাড়া সব কয়টার উত্তরই দেয়া হবে...







||| পোস্টটা রোবোটাংকেল কে উৎসর্গ করা হ'লো |||]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29070255 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29070255 2010-01-02 11:00:41
...চিত্রগ্রাফী

নার্সিসাস সিন্ড্রোম...
__________________



অগ্নি দৃষ্টি...
__________________



অগ্নি দৃষ্টি-২...
___________________



আলোয় জটা...
___________________



আস্থার আঙ্গুল...
____________________



ড্রাকুলারা তফাৎ যাও...
____________________



ভিন্ন কোন...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29069324 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29069324 2009-12-31 22:23:56
হাতুড়ে গদ্য (স্বপ্নাহত) মেয়েটা দাঁড়িয়ে। শীতার্ত রাতের শুরুর দিকে, মৃতপ্রায় জানালা ধরে। অসাবধানে বানানো শরবতে; গ্লাসের কার্ণিশে যেমন এক-দু’দানা চিনি লেগে থাকে, তেমনি তার চুলের কার্ণিশ ঘেঁষে কয়েকটা রোদের দানা চুপটি করে বসে ছিলো একটু ছোঁয়াতেই মিলিয়ে যাবার অপেক্ষায়। নীচে রাস্তায় টুনটুন ছন্দে রিকশার নুপুর, সাথে হাইওয়ে থেকে ভেসে আসা দুরপাল্লার যানের বেস; অন্যরকম আবহ সংগীতে ভরিয়ে তুলছে পরিবেশ।

স্বপ্নগুলো তাকে ছেড়ে যাওয়া শুরু করেছে বহুদিন থেকেই। সেই যখন সাধারণ একটা মথের জীবন ছিল। পরিবারের রেশমী সুতোর আচ্ছাদনে বছরগুলো কেটে যাচ্ছিল, তখন থেকেই স্বপ্নের ভাঙ্গণ শুরু। বাস্তবতার খরস্রোতা নদী স্বপ্নের পাড় ভেঙ্গে নতুন চর জাগার সম্ভাবনা নিয়মিত ভাবে বিলীন করে দিতো। এরপরও একটা খড়ের মতো স্বপ্নকে আঁকড়ে ধরেছিলো সে প্রজাপতি জীবনের শুরু থেকেই। সেই খড়ের টুকরোটাও হাতছাড়া হয়ে গিয়েছে গত দুপুরে।

কথাছিলো, দুপুরে যখন রোদমাখা কলেজ-বারান্দার মায়া কাটিয়ে সে পুরোনো এসফল্টের রাস্তাটা দিয়ে চিরচেনা গন্তব্যের বিপরীতে হাঁটবে, তার সঙ্গী শুধু নিজের ছায়াই হবেনা। স্বপ্ন থেকে বেরিয়ে আসা একটা কায়াও থাকবে। প্রজাপতি জীবনের শুরুতে যে খড়কুটো স্বপ্ন আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকা তারই বাস্তবায়নের শুরু হবে।


ছেলেটা বসে। নিত্য-নৈমিত্তিক আনন্দবাহনে চালকের ভুমিকায়। তার বাহনে বাইরের রুক্ষ শীতেলা বাতাসের প্রবেশাধিকার নেই। বরং কৃত্রিম মসৃণ শীতল পরিবেশেই তার বেশি স্বাচ্ছন্দ্য। উদ্দাম ছন্দের গানে বাহনের ভেতরটা হাল্কা হয়ে আছে। পাশে বসা জনের মৃদু খুনসুটি ভেতরের পরিবেশকে বরং আরো হাল্কা করে তুলছে।

তার জন্ম, বসবাস স্বপ্নের ভিতরেই। বা এভাবে বলা যায় সে বাস্তবতাকে সবসময় স্বপ্নের সুগার-কোটিংএ পেয়েছে। যার জন্য বাস্তবতার স্বাদ কেমন, তা তার জেনে ওঠা হয়নি। যেটা তার কাছে বাস্তবতা বলে মনে হয়েছে, সেটা যে অন্য অনেকের কাছেই স্বপ্নেরও ধরাছোঁয়ার বাইরের জিনিস, তা সে কখনো চিন্তাও করে দেখেনি। সেজন্যই কারো কাছে যেটা খড়কুটো স্বপ্ন ধরে বাঁচার আশা, সেটা তার কাছে সাময়িক খেলার বিষয় হিসেবেই ছিল। গতদুপুরের আগ পর্যন্ত খেলনাটা বেশ দামী ছিল। এখন নতুন খেলনা নিয়ে খেলার সময়।

মুলতঃ গতসপ্তাহে পুরনো খেলনাটার আনাচ-কানাচ চেনার পর থেকেই তার নতুন খেলনায় আগ্রহ হয়েছে। এই পুরোনো খেলনাটাকে চিনতে অনেক সময় লেগে গিয়েছে। এর মাঝে যে অন্য খেলনা নিয়ে খেলা হয় নি তা না। তবে অচেনা জিনিসের প্রতি আগ্রহ বেশি থাকাটা স্বাভাবিক বলেই এত সময় দিতে তার কোনই সমস্যা হয় নি।



শিশু রাত এখন পূর্ণ যুবতী। কপালে অর্ধ-চাঁদের টিপ দিয়ে তারার ওড়নায় সাজিয়ে নিয়েছে নিজেকে। মেয়েটার অশ্রুতেও যার ছায়া পড়েছে। আরো একটা স্বপ্ন জেগেছে মরা নদীতে জাগা চরের মতোই। অর্ধ-চাঁদের টিপটাকে ছুঁয়ে দেখার স্বপ্ন। মেয়েটা ঘুটঘুটে অন্ধকার সিঁড়িঘর দিয়ে উঠে গিয়েছে ছাদে। এখান থেকে চাঁদের টিপ ছুঁয়ে দেয়া অনেক সহজ হবে। রাতও বোধহয় চায়না মেয়েটার স্বপ্ন সফল হোক। নাহলে হঠাৎ নিজের মুখটা কুয়াশার চাদরে ঢেকে ফেলার কোনোই মানে হয় না। তবে মেয়েটা এখন প্রতিজ্ঞায় অটল। প্রয়োজনে সে ভেসে যাবে রাতের বুকে। চাঁদের টিপ তাকে ছুঁতেই হবে...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29067353 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29067353 2009-12-28 23:22:38
হাতুড়ে মুক্তগদ্য (শরীরের গান)
আমি দুরে বসে সিগারেটের সাথে কুয়াশার মিল খুঁজে ফিরি| আর টুপটাপ করে ক্লান্ত শিশির ঝরতে থাকে রাতের মসৃন সমভূমি বেয়ে| গানওয়ালারা সকল সুর ভুলে হামাগুড়ি দিয়ে চলে গেছে বহুদূরের বিছানায়| লেপের ওম|
বিন্দু বিন্দু ঘাম জমা করে শরীরের কানাগলিতে| কাগজের নৌকায় ভেসে আসা শব্দগুলো... চিরে চিরে ফেলে নিস্তব্ধতার জমাট বরফ|

**

দুই শরীরজাত গান হয়তো দারুন শ্রুতিমধুর| তা নাহলে নারী ও পুরুষ কেন সারাক্ষণ এই গানে আরো বেশি পারফেকশন আনবার চেষ্টা চালিয়ে যায়?

***

ঠোঁটের আর্দ্রতায় ভিজে আসে ঠোঁট| প্রত্যেকেরই জোড় বাঁধবার প্রবণতা| সকালের রোদ যেমন তোমার আলতো গালে ছুঁয়ে যায়| অশ্রুরা উথলে ওঠে নেশাতুর দু'চোখের ভিতর| চেপে রাখার চেষ্টায় ফুলে ফুলে ওঠে এলোমেলো পিঠ| থরথর কাঁপতে থাকে পুষে রাখা পায়রা দু'টো| অদম্য ভালোলাগার তাল তাল রঙ ছড়িয়ে যায় মনের আনাচে কানাচে...

****

সর্ষে তেলের পিদিম জ্বলে ঘরের কোণে| কাজলদানীতে জমা হতে থাকে কালো রক্তের কাজল| ঘুম ঘুম দুপুর বেড়ালদের নিঃশব্দ পায়ের শব্দে মুখর হয়ে ওঠে| আর কার্নিশ থেকে ডানা ঝাপটে উড়ে যায় নিঃসঙ্গ শালিক...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29065213 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29065213 2009-12-25 11:57:01
আত্মমগ্ন কথামালা- (স্বপ্ন ব্যাবচ্ছেদ: ব্যবচ্ছেদ পর্ব)
প্রজাপতির পাখায় জমা আনন্দ গুলো একে একে তুলে নেয়া হয়

পুঞ্জাক্ষীতে কালো ধোঁয়া, শশ্মানের গন্ধ জমাট।
জ্যামিতিক সময়ের সমকোনে বেদনা আর সমান্তরালে অশ্রু
নিখুঁত খন্ডচিত্র।

স্বপ্নের উল্লম্বচ্ছেদে রোদেরা মৃদু পায়ে সরে যেতে থাকে
________দুরে
_________________দুরে থেকে
_____________________________আরো দুরে
__________________________________________অনেক অনেক দুরে

জলসুত্র লেখা হয় বাঁ-চোখে, অন্ধবিন্দুর গহীন প্রান্তর জুড়ে
কিংবা, কিংবদন্তীর সকল পাতায় ও রাজপুত্রের কিংখাবে।


______________________________________

স্বপ্ন ব্যবচ্ছেদ: প্রস্তুতি পর্ব]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29044385 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29044385 2009-11-16 15:20:41
গন্ধপূরাণ
আম্মুর গায়ের গন্ধ

যখন কিছু কিছু বুঝতে শিখেছি তখন থেকে আম্মুর গায়ের গন্ধকে আমি খানিকটা পোলাওয়ের চাল সাথে খানিকটা অন্য কিসের জেনো মিক্সড একটা গন্ধ হিসেবে ডিফাইন করি। এখনও মাঝে মাঝে আম্মুর গন্ধটা নিতে ভালোবাসি...

নেইলপলিশের গন্ধ

দাদু (বড় বোন) যখন নেইলপলিশ দিতো। আমি দাদুর পাশে বসে থাকতাম শুধুমাত্র নেইলপলিশের গন্ধটা নেবার জন্য। পাঁচ বা দশ পয়সার কয়েন দিয়ে রাখতো বোতলটার উপর যাতে তাড়াতাড়ি না শুকিয়ে যায়। আর আমি সেই কয়েনটা সরিয়ে নাকের কাছে বোতল ধরে প্রাণভরে নিতাম নেলপলিশের গন্ধ। কিছু গন্ধ আছে যেগুলো আমার খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করে। নেলপলিশের গন্ধ তার ভিতর একটা।

শিশুদের মুখের গন্ধ

যেই পিচকিরা মায়ের দুধ খায় তাদের মুখে একটা অলৌকিক গন্ধ পাওয়া যায়। আমার ছোটবোনটা যখন ছোট ছিলো তখন তাকে কোলে নেবার অন্যতম আকর্ষণ ছিলো এই গন্ধটা। এখনো পিচ্চিদের কোলে নিয়ে আমি প্রথমেই গন্ধটা খুঁজি। দুঃখের কথা হ'লো যে আমি এখন খুব কম পিচকির মুখেই এই গন্ধটা পাই।

ফিডারের গন্ধ

আমার একটা ফিডার ছিলো। কাঁচের। দুই পাশে নিপল ওয়ালা। সেইটায় একটা মজার গন্ধ পেতাম। এখন ঐ গন্ধটাকে খুবই মিস করি।

বার্নিশের গন্ধ

কাঠে যখন বার্নিশ করা হয় তখন মিথাইল এ্যলকোহলের একটা অন্যরকম গন্ধ পাওয়া যায়। এটাও আমার খাবার ইচ্ছা জাগানো একটা গন্ধ।

ওষুধের গন্ধ

ফাইমক্সিল বলে একটা সিরাপ। এখন বুঝি ওটাকে নাকি ভ্যানিলা ফ্লেভার বলে। শিশুবেলায় ওটাকে কলা ওষুধ বলতাম। গন্ধটা কলার মতো না, কিন্তু এখনো ওটাকে কলা ওষুধ বলতেই বেশি ভালো লাগে।

এছাড়াও ভালোলাগা গন্ধের ভিতর আছে কেরোসিনের গন্ধ, পেট্রলের গন্ধ, শুকনো পাতা পোড়ানোর গন্ধ।

এটা একটু বয়স্ক বয়সে যে গন্ধটার প্রেমে পড়েছি সেটা হ'লো

মাটির গন্ধ

ঠিক মাটির গন্ধ না। দুই-চার দিন কড়া রোদে রাস্তাঘাট ঝলসে যাবার পর যখন কয়েক ফোঁটা বৃষ্টি পড়ে তখন মাটি থেকে যেই মিষ্টি গন্ধটা আসে সেটার প্রেমে আমি এখন দিওয়ানা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29040504 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29040504 2009-11-09 16:17:01
আত্মমগ্ন কথামালা (স্বপ্ন ব্যবচ্ছেদ: প্রস্তুতি পর্ব) জিভের ডগায় বয়ে নিয়ে সকল ফুলেল
স্বপ্ন ভরা মগজ, চোখ; খুবলে তুলে নেয় যান্ত্রিক হাত
একটি স্বপ্নের ব্যবচ্ছেদ করা হবে
স্কালপেল,
হাইপোডরমিক নিডল,
স্প্লিন্টার ফরসেপ,
স্টেরিলাইজড থ্রেড
সব সাজানো হয়েছে চকচকে স্টীল ট্রে'তে।
শুধু নির্দেশের অপেক্ষা
তারপর দাঁতাল বাঘ,
নিজেই নেমে পড়বে স্বপ্ন নিয়ে কাটা-ছেঁড়া করতে।





______________________

নিজের সাইটে পুর্ব প্রকাশিত ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29039706 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29039706 2009-11-08 09:37:00
হাতুড়ে গদ্য – (একটি আত্মহত্যামূলক নোট) _______________________________________
“আমার মৃত্যুর জন্য কাউকে যে দায়ী করবো অতটা নির্মম এখনো হয়ে উঠিনি। তাই নিজের মৃত্যুর দায় কারো উপর দিয়ে যাবো না। আর জীবন থেকে পালাবার মতো কাপুরুষ হয়ে উঠার দায়ভারও আমি নিজের কাঁধেই তুলে নিলাম। যদিও জীবনের আর কতটুকুই বা বাকি ছিলো? ভালো থেকো সবাই ভালো থেকো ফুল ভালো থেকো পাখি ভালো থেকো আমার প্রিয় শহরের বিষাক্ত বাতাসেরা ভালো থেকো কয়েক হাজার ঘনফুট ধোঁয়ারা যাদের উড়িয়ে দিয়েছি ভালোবেসে কিংবা অবহেলায়”
_________________________________________

লোকটা একটা দোকান দিয়েছিলো। সারা জীবনই যার কেটেছে নিঃসঙ্গতায়। অনেকের ভীড়েও সে একাকী ভাবতো নিজেকে। দোকানে শ’য়ে শ’য়ে মানুষের আনাগোনা ছিলো। তাদের সাথে সে কথা বলতো, হাসতো, দুঃখে কিছুটা হ’লেও নিজের ভিতর দুঃখ অনুভব করতো। তারপরও সে ছিলো একা। দোকান বন্ধের সময় হ’লে কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে থেকে জীবনের পাওয়া না পাওয়ার হিসাব হয়ত মেলাতো, টাকা পয়সার হিসাব মেলানোর সাথে সাথে।

ছেলেটা চাকরী করতো, তার স্ত্রীও। স্বপ্ন ছিলো নিজের একটা বাড়ি। হোকনা সেকেন্ড হ্যান্ড, তবুও, নিজের একটা গাড়ি। কিছুটা স্বাচ্ছল্য। বাবা তাদেরকে কিছুরই ব্যবস্থা করে দিতে পারেনি। ক্ষোভ কি জেগেছিলো ভিতরে? জাগতেও পারে। নিজের চেষ্টা আর অক্লান্ত পরিশ্রমে তিল তিল করে একটা বাড়ির সংকুলান করছিলো। মাঝে মাঝে স্ত্রীর সাথে আলোচনাও করতো, কিভাবে কি করা যায়?

~~~~~~~~~~~~~~~~~

> দেখো বাবা কিন্তু আমাদের জন্য কিছুই করতে পারেনি। সব আমার নিজের কষ্টের ফসল।
- কিন্তু তাই বলে কি বাবাকে এসব বলা উচিত তোমার?
> কি করবো বলো? বাবা যদি নিজে থেকে না বোঝে তাহলে…
- তারপরও। এটা ঠিক হচ্ছে না।

বা

- তোমার বাবা তো আধাবেলা ঘরেই বসে থাকে। তাকে দিয়ে এই কাজগুলো করানো যেতো।
> উঁহু। বাবাকে আমি কোনো কাজ করতে বলতে পারি না। হাজার হ’লেও আমার বাবা।
- তা পারবে কেনো। আজকে যদি আমার বাবা হ’তো তাহলেতো তোমার মুখেই এই কথাগুলো শুনতে হ’তো।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~

বাবার কানে যে একেবারে যেতো না এই কথাগুলো তা না। নিজেই লজ্জায় লাল হ’তো হয়তো বাবা। হয়তো ছেলের আশ্রিত হিসেবে থাকলে এসব মেনে নিয়েই চলতে হ’বে ভাবতো।

লোকটার দোকানে অন্যান্য বাবারা আসতেন। তাদের মুখে নানা কথা শুনতো সে। দুঃখের কথা- ছেলে হয়তো বাবার দিক থেকে চোখ ঘুরিয়ে নিয়েছে।
কিংবা সুখের কথা- বাবা না চাইতেই ছেলে বাবার জন্য এটা করেছে ওটা করেছে।
শুনতো আর ভিতরে ভিতরে আরো নিঃসঙ্গ হয়ে উঠতো লোকটা। নিজের বাবার কথাও মনে পড়তো হয়তো তার।

মফস্বলের সরু রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া ছেলেটা। ভোর বেলা স্কুলে যাবার পথে পুকুরটা। যেখানে মাছেরা প্রত্যহিক অক্সিজেন নেবার জন্য আসতো। মাঝে মাঝে স্মৃতিগুলো খুব জ্বালিয়ে বেড়ায়। বাবা তাকে কখনও মারে নি, যেখানে অন্য বন্ধুদের বাবার হাতে মার খাওয়া ছিলো স্কুলের রুটিনের মতো। একবার, শুধুমাত্র একবার বাবা তার কান ধরেছিলো। তারপর বাবার সেকি কান্না। অপরাধটা সেই বয়সে আর যাপিত জীবনে বেশ ভয়াবহই ছিলো। প্রতিদিন যেখানে স্কুল ছুটি হবার ঘন্টা খানেকের ভিতরই বাসায় ফিরতো সে, সেখানে সেদিন কি ভুত মাথায় চেপেছিলো দু’ আড়াই ঘন্টা বন্ধুদের সাথে স্কুলের পাশের মাঠে খেলা ধুলা করে বাসায় ফিরেছিলো। এই অপরাধটাও আসলে বড় কিছু ছিলো না, বড় ছিলো দেরী হবার কারণ হিসেবে মিথ্যে গল্পটা তৈরী করা। বাবা চুপি চুপি গিয়ে দেখে এসেছিলো তাকে।

একটা সাইকেলের খুব বেশি শখ ছিলো ছেলেটার, কিন্তু সামর্থ ছিলো না। সেটা সে বুঝেও গিয়েছিলো ঐ বয়সেই। তাই বাবার কাছে কখনও আবদারও করে নি। শুধু রাস্তার পাশে যেখানটায় চোরাই অথবা সেকেন্ডহ্যান্ড সাইকেল গুলো বিক্রি হ’তো সেখানে গিয়ে মাঝে মাঝে সাইকেল নেড়েচেড়ে দেখাটা তার অন্যতম একটা দায়িত্ব হয়ে গিয়েছিলো।

বাবার নিজ হাতে লেখা আত্মহত্যার নোটটা দেখে ছেলেটার মনের সৈকতে একে একে এসে আছড়ে পড়ছিলো স্মৃতির ঢেউগুলো। চোখের কোনায় জমা হচ্ছিলো সাগরের নোনা পানি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29035898 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29035898 2009-11-01 16:28:26
আত্মমগ্ন কথামালা - (কাদামাটিতে লেখা হয় গান)
রাত বিছানায় বাৎসায়ন অভিনয়, সূর্য্য ও চাঁদের
শৃঙার নিসৃত শঙ্খবায়ু
আর
মৃত বৃক্ষের যোনীতে ঘর বাঁধা
শুকরের হাড়,
সুর তোলে বাঁশিতে
প্রলম্বিত কোমল গান্ধার।

গানগুলো লেখা হয় কাদামাটিতে, সাপের চলন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29033919 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29033919 2009-10-29 11:16:27
ধন্যবাদ... " style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29030775 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29030775 2009-10-23 21:56:27 হাতুড়ে মুক্তগদ্য (দু'টো সাপ)... একা সিঁড়ি ঝুলে থাকে সিঁড়িঘর জুড়ে। একপ্রান্ত অন্ধকারে ডুবে গিয়েছে, আরেক প্রান্ত হারিয়ে গিয়েছে মেঘের ভিতরে। দু'টো সাপ (শংখচুড় এবং লাউডগা) আটকা পড়েছিলো মাঝামাঝি কিছু ধাপে। তাদের নরম মেরুদন্ড ভেঙ্গে ক্লান্তি জেগেছে। আর ঘাম জমে পিচ্ছিল হচ্ছিলো বিবিধ প্রথা।

**

লোকেরা কথা বলে এবং সামজিকতা রক্ষা করে চলে অনুষ্ঠানে। বদলে চলে এক বা একাধিক মুখোশ। চোখে চকচক করে কাম, ঠোঁট প্রসারিত হয় লোভের ছোঁয়ায়। কথারা কালনাগ ফণা তুলে প্রস্তুত, ছোবলে সংক্রমিত করবে লালসা। ঘিনঘিনে শরীর নিয়ে লোকেরা ফিরে আসে নিজ নিজ কোনে। দু'টো সাপ রয়ে যায়।

***

ঘরের কোনাগুলোই সবচে অবহেলিত। যখন আগুন লাগে, কেউ সেটা খেয়াল করে না। কোনায় পুঞ্জীভুত ময়লার ভেতর থেকে এক এক করে বের হয়ে আসে ধোঁয়ার বিভিন্ন ভাঁজ। ঘ্রানগ্রন্থিতে সাড়া জাগায় কিন্তু উত্তেজনা জাগিয়ে তোলে না। চুপিচুপি বেড়ে চলে আগুনের সাপ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29030036 http://www.somewhereinblog.net/blog/0shuvoblog/29030036 2009-10-22 13:42:08