বাবার ডায়েরীতে ১৯৭১ ( ১ম পর্ব)
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৩
শওকত হোসেন মাসুম ভাই তার মুক্তিযুদ্ধের কথ্য ইতিহাস তুলে আনতে চাই ব্লগে। সবাই লিখুন, আসুন ব্লগকে কাজে লাগাই ভিন্ন মাত্রায় লেখায় সবাইকে আহবান জানিয়ে বলেছিলেন-
আমরা ব্লগকে নতুন ভাবে কাজে লাগাতে চাই। নতুন কিছু যুক্ত হোক এখান। দেশেরে জন্য বিশেষ কিছু করতে চাই আমরা ব্লগাররা। যুদ্ধাপরাধীদরে বিচার চাই আমরা সবাই। এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে আমরা সবাই এক হয়ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হোক মৌলিক কিছু কাজ। কথ্য ইতিহাস ব্লগকে নিয়ে যাক অন্য এক মাত্রায়।
সেই লেখাটিতে আমি মন্তব্যের ঘরে লিখেছিলাম-
আমার বাবার ডায়েরী লেখার অভ্যেস। ১৯৩৯ সালে বাবার জন্ম। ওনার সতের বছর বয়েস অর্থাৎ ১৯৫৬ সাল থেকে ডায়েরী লেখা শুরু করেন তিনি, এখন পর্যন্ত লিখেই যাচ্ছেন। কত শত ঘটণার স্বাক্ষী ওগুলো ভাবলেই অবাক হয়ে যাই আমি। একাজে তার নিষ্ঠা দেখলে অবাকই হতে হয়। ১৯৭১'র ডায়েরীটা পড়েছি আমি। প্রতিদিনের খুঁটি নাটি সব ঘটণা (যাকে ইতিহাস বলা যায়), সব লিখা আছে এতে। আমার ইচ্ছে সেই ডায়েরীর কয়েকটি পৃষ্ঠা ব্লগে তুলে ধরি। আশাকরি কোন একদিন তা করবো।
মাসুম ভাইও উৎসাহ দিলেন কয়েক পৃষ্ঠা নয়, নয় মাস সময়ের পুরোটাই যেন ব্লগে তুলে দেই।
মাসুম ভাইয়ের উৎসাহে বাবাকে ফোন করি। বাবা থাকেন ফেনীতে। আমার আগ্রহের কথা শুনে বললেন, ঠিক আছে পাঠিয়ে দেবো, কিন্তু তুমি তো জানো এগুলো আমার কাছে কত মূল্যবান, হারিয়ে ফেলবেনাতো? আমি অভয় দিয়েছি, বলেছি পাঠিয়ে দাও।
বাবা ডায়েরীটি পাঠিয়েছেন। সাথে একটি চিঠি। চিঠিটিও ব্লগে তুলে দিলাম। অনেকদিন পর পিতার চিঠি পেয়েছি। আবেগ আমাকে পরাজিত করেছে, তাই ধৈর্যচ্যুতি ঘটাচ্ছি আপনাদের। চিঠিটি নিম্নরুপ-
তাং ৯/২/০৯
লিনা,
তোমার বিশেষ প্রয়োজন হওয়াতে ১৯৭১ সালের ডাইরীটি পাঠাইলাম। অন্য কেউ চাইলে এটা দিতামনা। তবে খুব সাবধানে এটার হেফাজত করবে। আমি ঢাকা আসলে দিয়ে দিবা। কাউকে দিবানা এবং এটি যেন না ছিঁড়ে যায়, সেভাবে হ্যান্ডেল করবে। শ্রেয়ার নিকট দিবেনা।
ইতি তোমার বাবা
আমার বাবা কাজী মোজাম্মেল হকের জন্ম ১৯৩৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর। সেই হিসেবে ১৯৭১ সালে বাবার বয়স ছিল ৩২ বছর। বাবা ছিলেন সরকারি চাকুরে। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার পোস্টিং ছিল চট্রগামের সীতাকুন্ডে। আমার পিতামহ ফেনী বারে ওকালতী ব্যবসা করতেন, বাবা আম্মা সহ আমার ভাইবোনদের কখনো ফেনী শহরে কখনো ছাগলনাইয়া থানার হরিপুর গ্রামে আমার দাদী বাড়িতে রেখে দিন কাটিয়েছেন।
ডায়েরী শুরু করি-
৩০ জানুয়ারী ১৯৭১
ভারতীয় যাত্রীবাহী একটি বিমান অদ্য দুইজন কাস্মীরি যুবক কর্তৃক লাহোর বিমান ঘাঁটিতে জোর পূর্বক অবতরনে সক্ষম হয়। যুবকদ্বয় তাদেরকে ভারতীয় কাস্মীরের অধিবাসী বলে জানায় (কাস্মীর যুক্তফ্রন্ট সদস্য)। পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ পরে বিমানের যাত্রীদের মুক্ত করে ভারতে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু ধৃত ঐ হাইজাকার কাস্মীরি যুবকদ্বয় লাহোর বিমান বন্দরে থেকে যায়।
২ ফেব্রুয়ারী ১৯৭১
অদ্য লাহোর বিমান বন্দরে জোর পূর্বক নিয়ে আসা ভারতীয় বিমানটি হাইজাকার কাস্মীরি যুবকদ্বয় ডিনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দেয়।
৬ থেকে ৮ ফেব্রুয়ারীর পাতা গুলোতে লেখা, Eid Holiday
১০ ফেব্রুয়ারীতে লেখা, আমার বড় ফুফা জনাব সামছুল ইসলাম অদ্য ইন্তেকাল করেন।
১৭ ফেব্রুয়ারী ১৯৭১
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান তার মন্ত্রীসভা ভেঙে দেন। এবং তদস্থলে উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেন।
১৯ ফেব্রুয়ারী ১৯৭১
President Yahya Khan had a meeting with people's party chairman Mr. Z. A. Bhutto at Rawalpindi.
১৯ ফেব্রুয়ারী ১৯৭১
East Pakistan Governor vice Admiral S. M. Ahsan arrived today from Rawalpindi via Lahore. He holds a talk today with Awami League chief Sk. Mujibur Rahman at Dacca. The Governor went direct to the house of Sk. Mujib & had a closed door meeting with him, probably about the N.A session on 3rd March.
চলবে.....................
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মুক্তিযুদ্ধ ;
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৩২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
চিকনমিয়া বলেছেন:
মাসুম ভাইরে ভালা পাই, লেকাডা চলুক
লেখক বলেছেন: চলবে......।
লেখক বলেছেন: চলবে। ধন্যবাদ।
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
আপনার বাবা লেখায় আমরাও ঘুরে আসি ৭১ থেকে। চলুক....+++
লেখক বলেছেন: ৭১'র প্রায় পুরোটাই আছে। প্রায় প্রতিদিনের ঘটনা। চলবে আশাকরি।
স্বজন বলেছেন:
চলুক++++
লেখক বলেছেন: চলবে.....।
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
চমৎকার। অসাধারণ। চলুক.......এগুলোইতো আমাদের ইতিহাস। এই মানুষগুলোর জন্যই তো ইতিহাস টিকে থাকবে। সঠিক ইতিহাস টিকে থাকবে। আপনার বাবাকে শ্রদ্ধা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। বাবাকে ফোন করে শ্রদ্ধা জানিয়ে দেব কাল সকালে। বাবা ঘুমিয়ে পড়েছে।
দুরের পাখি বলেছেন:
স্যালুট ! বস ।
লেখক বলেছেন: প্রিয় দুরের পাখি। ধন্যবাদ।
হাসান বায়েজীদ বলেছেন:
আমার বাবাকে দেখেছি, বুক ভরা কথা, হাতের কাওকে কাছে পেলেই বসিয়ে গল্প জুরে দিতেন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে অনেক কিছুই থাকতো তার গল্পে,বহুবার তাকে বলেছিও, বাবা তুমি লেখো...কিন্তু তা তিনি করেননি...তিনি এখন বেঁচে নেই। ভালো লাগলো আপনার উদ্যোগ
লেখক বলেছেন: ডায়েরী লেখাটা খুব কঠিন ধৈর্যের কাজ। বাবা তা করে যাচ্ছেন এত বছর ধরে.......।
ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: বাবাকে কাল জানিয়ে দেবো আপনাদের সবার শুভকামনার কথা।
ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: চলবে। দারুণ হবে কিনা জানিনা। তবে পুরোটাই তুলে দেবো।
লেখক বলেছেন: চলবে আশাকরি। ধন্যবাদ আপনাকে।
শেরজা তপন বলেছেন:
থেমে যেন না যায়-চলতে থাকুক। আমরা জানি নতুন করে কিছু ইতিহাস
লেখক বলেছেন: থামবেনা। চলবে। শেষ হবে।
সত্যান্বেষী বলেছেন:
এ ডায়েরীও একটি ইতিহাস। কে জানে বাংলার কত ঘরে আমাদের উজ্জলতম সময় একাত্তরের এমন কত ইতিহাস পড়ে আছে অপঠিত। লেখক বলেছেন: এ ডায়েরী অতি সাধারণ এক নাগরিকের তার নিজের প্রাত্যহিকের বিবরণ, দেশের চলমান ঘটণার দলিল। তা যদি ইতিহাসের পাতায় একটুও ভূমিকা রাখে, বাবার মেয়ে হিসাবে ওটাই হবে আমার স্বার্থকতা।
সত্যান্বেষী বলেছেন:
আমার মনে হয় এই পোস্ট এবং এর সিকোয়েলগুলোকে স্টিকি করা যেতে পারে অধিকতর এক্সপোজার পাবার জন্য।
কৌশিক বলেছেন:
গ্রেট।
লেখক বলেছেন: আমি কৃতার্থ।
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
দারুণ কাজ। আপনি অনেক সমৃদ্ধ ইতিহাসের উত্তরাধিকারী। এবং তার দায়িদ্ব পালনে আপনার ভূমিকায় আমি মুগ্ধ-সালাম নিবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শুভ্র। আমার বাবা, পিতামহ, প্রপিতামহ তিনজনই লেখক ছিলেন। বাবার লেখা দুটি বই আছে। সময় সুযোগ পেলে ওগুলোর কথা বলবো। একটির নাম 'ইতিহাসের রুপরেখায় ফেনী' আরেকটি 'তিন হাজার বছরের নোয়াখালী' । দায়িত্বের কথা বলে আমাকে আরো সচেতন করেছ। আশাকরি দায়িত্বটা পালনে শতভাগ সচেষ্ট থাকব।
সহেলী বলেছেন:
লীনা ,তুমি যে কাজটা শুরু করছো -- তোমার বাবার যোগ্য কন্যার স্বাক্ষী হয়ে তার জন্য তোমার কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই । আইরিনের এহেন উদ্যোগে কতবার চুপ করে বসে থেকেছি ; তোমরা আছো বলেই আমরা সবাই ডুবে যাই না ।ভাল থেকো ।
লেখক বলেছেন: আমি খুব খুশী হলাম, আমার বন্ধু হয়ে তুমি আমাকে সব সময় সাহস জোগাও বলে।
সহেলী বলেছেন:
এ লেখায় যে দুজন মাইনাস দিয়েছেন , তারা যদি কষ্ট করে কারনটা বলে যেতেন , মাইনাসের মর্মাথ বুঝতে পারতাম ! আসুন মাইনাস দিতে হলেও আসুন , লীনার পক্ষে বলি --তবু পড়ুন ।
লেখক বলেছেন: বন্ধু, যে দিয়েছে সে উজাড় করে দিয়েছে। পলায়নপর হয়ে আর কতো কাল! কালের ইতিহাসে এসব মাইনাসের কি দাম! তুমি, আমি, আমরা এসবকে উপেক্ষা করব, বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে, ঠিক কাজটি করে যাব। যারা মাইনাস দিয়েছে তারা রাজাকারের উত্তরাধিকারী, আর আমরা তো জানি ব্লগেও রাজাকার আছে।
মেহবুবা বলেছেন:
লীনা , জানি না তুমি এটা ঠিকমত শেষ করতে পারবে কিনা । বড় আশা করছি চালিয়ে যাও , শেষ পর্যন্ত । অনেক অনেক শুভকামনা , তোমার বাবাকে আমার সালাম জানাবে ।
লেখক বলেছেন: শেষ করতে পারবো। না পারার কোনো কারন নেই। তোমার সালাম বাবাকে পৌঁছে দেবো।
লেখক বলেছেন: প্রতি সপ্তাহের মতো করে লেখা নয় ডায়েরীটি। আমি চিন্তা করছি পাঠকের ধৈর্যের কথা মাথায় রেখেই পোস্ট করে যাবো। অনেক পৃষ্ঠা ইংরেজীতে লেখা।
পারভেজ বলেছেন:
খুব ভালো উদ্যোগ। তবে ইংরেজীর পাশাপাশি সেটাকে অনুবাদ করেও দিন।
লেখক বলেছেন: ভালো পয়েন্ট দিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
সেদিন আপনার বাবার বইপ্রীতির বৃত্তান্ত শুনেই তার প্রতি একটা ভীষণরকম শ্রদ্ধাবোধ তৈরি হয়েছিল, এখন তা চক্রবৃদ্ধি হারে বেড়ে চলেছে। মুক্তিযুদ্ধের গল্প-উপন্যাস-চলচ্চিত্রগুলোকে অধিকাংশ সময়ই আরোপিত মনে হয, মনে হয় কোথাও একটা কৃত্রিমতা রয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ডায়েরীর ব্যাপরটা একেবারে সদ্যধৃত টাটকা মাছের মত, আর যদি যুদ্ধের উপমা দেই তাহলে বলতে হবে "বারুদের গন্ধযুক্ত।".......................আপনার দায়িত্ববোধ এবং সেই বোধকে সবার সঙ্গে শেযার করার ব্যাপারটি অতিপ্রশংসার দাবিদার..........অপটপিক: please check out your mail.......
লেখক বলেছেন: হিমালয় তোমার মন্তব্য আমাকে আরো নিবেদিত করলো, অনুপ্রাণিত করলো। ধন্যবাদ তোমাকে।
জেরী বলেছেন:
লীনা,ভালো একটা উদ্যোগ.....লেখাটা চলুক.....+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। অনেক ধন্যবাদ।।
রেজওয়ান শুভ বলেছেন:
খুব ভালো উদ্যোগ ... অাপ্পি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ভাইয়া।
নুশেরা বলেছেন:
অসাধারণ কাজ করেছেন তোমার বাবা। ব্লগে দেয়ার জন্য সাধুবাদ। শ্রেয়ার হাতে ডায়েরী না দেয়ার কথা মনে থাকে যেন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বন্ধু।।
আর হ্যা, শ্রেয়াকে কোনো ভাবেই ডায়েরীতে হাত দিতে দেয়া যাবেনা।
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন:
ভালো একটা উদ্যোগ লীনা । লেখাটা চলুক ।
লেখক বলেছেন: লেখাটা চলবে......
নির্ঝরিনী বলেছেন:
পড়ছি আপনার বাবার ডায়েরিটা....ভালো লাগছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। পড়ুন।
জিনাত বলেছেন:
ভালো লাগছে কিন্তু বাংলা ছেড়ে ইংলিশ ধরলেন যে
লেখক বলেছেন: ডায়েরীতে কোনো কোনো তারিখে দিন গুলোর কথা ইংরেজিতে লেখা হয়েছে। পরের পর্ব গুলোতে বাংলা অনুবাদ করে দেয়া আছে।
ত্রিশোনকু বলেছেন:
"East Pakistan Governor vice Admiral S. M. Ahsan arrived today from Rawalpindi via Lahore"ইনি ভালো লোক ছিলেন। এজন্যে তাকে আগাম বদলী করা হয়।
_____________________________________________
আমার বাবার জন্ম, ৩রা অক্টোবর, ১৯৩৪।
রুবেল শাহ বলেছেন:
আপনার দাদার বাড়ী হরিপুর ............... হরিপুর আলী আকবর উচ্চ বিদ্যালয় চিনেন নিশ্চয়........ ?
লেখক বলেছেন: চিনিতো। আপনার স্কুল নাকি?
রুবেল শাহ বলেছেন:
আমার স্কুল মানে ওটাই আমার শৈশব......................
রুবেল শাহ বলেছেন:
আপনাদর দাদার বাড়ী কি কাজী বাড়ী............?
লেখক বলেছেন: জ্বি।
লেখক বলেছেন: না। আমি বা আমার পরিবার গ্রামে থাকেনি। আমরা ফেনী শহরেই থেকেছি। বাবার বদলির চাকুরির জন্য মাঝে মাঝে অন্য জেলায়। কিন্তু গ্রামের বাড়িতে যেতাম। যাই।
ছবিটার জন্য ধন্যবাদ।।
রুবেল শাহ বলেছেন:
ছবি বাংলা বাজারের যাবার রাস্তার একটু সামনেই দীঘি..........
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। স্মৃতিজাগানিয়া পথ।
লেখক বলেছেন: বটে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















