আমার প্রিয় পোস্ট

ঘরকুনো বিদ্রোহী

বুয়েটের সাম্প্রতিক ঘটনা: যা হচ্ছে, আর যা হওয়ার দরকার ছিল

২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ৯:২৫

শেয়ারঃ
0 150 0

সবাই মোটামোটি জানেন, দেশের একটি পাবলিক ভার্সিটি - বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে হল খালি করার নির্দেশ দিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা ঘটেছে গতকাল। এর পর ব্লগে আপনারা এনিয়ে অনেক পোস্টই পড়েছেন। ফেসবুকেও অনেকে মেসেজ-স্ট্যাটাসের ছড়াছড়ি বুয়েটিয়ান-প্রাক্তন বুয়েটিয়ানদের প্রোফাইল জুড়ে। যেকোন কারণেই হোক, গতকাল বুয়েটে অবস্থানের কারণে ঘটনার সামান্য অংশের প্রত্যক্ষদর্শী আমি। আসুন, একটু আলোচনা করা যাক ঘটনাটি নিয়ে।

প্রথমত: কি ঘটেছিল আসলে? খেলা দেখার জন্য এই মারামারি'র সূত্রপাত?

খেলা দেখার কারণটা আসলে মূখ্য না, কারণ খেলা দেখার জন্য গেট অবরোধ করা হয়েছিল এটুকু ঠিক আছে, এরপর যা ঘটলো সেটা খেলার সাথে জড়িত না। কি ঘটলো? গুজব আর অতিরঞ্জন বাদ দিলে যা দাড়ায়, গ ব্যাচের একজন, ক ব্যাচের (বয়সের বিভাজনে: ক>খ>গ) বড়ভাই এর সাথে বেয়াদবি করে, ভালই বেয়াদবি করে, পরবর্তীতে ক ব্যাচের কয়েকজন ঐ ছাত্রকে চড় থাপ্পর দেয় - কাহিনীটা এখানেই শেষ হয়ে যেতে পারতো কিন্তু সেটা শেষ না হয়ে একটা আবাসিক হল পর্যন্ত গড়ায় - আরেকটি ব্যাচ খ ঘটনার সাথে ইনভল্বড হয়। এইখানে আসলে কি হয়েছিল সেটি মূখ্য নয়: প্রথম কারণ, একেকজনের কাছে একেক রকম তথ্য। একেক ব্যাচের মুখে আপনি একেক রকম তথ্য পাবেন, কোনটি বিশ্বাসযোগ্য সেটি যাচাই করা দূরহ।

আমি আবারও বলছি, এই হলের ঘটনায় এগজাক্টলি কি হয়েছিল সেটি মূখ্য নয়! কেন হয়েছে - এটি ভাবার সময় এসেছে।

একেবারে ঘটনার প্রথম দিকে যাই। বুয়েটে সিনিয়র-জুনিয়র রিলেশন বেশ উপভোগ্য - সবাই যেখানে এই জিনিসটা নিয়ে গর্ব করে - সেখানে নিচের ব্যাচের একজন বড়ভাইকে শাসিয়েছে! সে এই সাহসটা কোথা থেকে পেল?

বেশি চিন্তা করার দরকার নেই - সে যে পলিটিক্যাল আশ্রয়ে আশ্রিত এইটা মোটামোটি সবাই জানেন। অর্থাৎ, নোংরা পলিটিক্স এখন বুয়েটের চিরায়ত সম্পর্কে চিড় ধরাতে সক্ষম।

খেয়াল করুন, পুরো ঘটনায় সাধারণ ছাত্রদের কোন অবদান নেই।

বুয়েটের বড়ভাইরাও জুনিয়রদের বেশ ভালভাবেই ট্রিট করে, সেই রীতিটাও যেন ভেঙে গেল। তারা জুনিয়রদের ওপর চড়াও হল (যে যাই বলুক হয়েছে আসলেই) - সেটার ভিত্তি হয়তো আছে, জুনিয়র ব্যাচের পলিটিক্যাল ফিগারের কাছে মার খাওয়ার পর তারাও রিএ্যক্ট করবে। যে ঘটনাই হোক, আসল কাহিনীর সূত্রপাত কিন্তু পলিটিক্যাল ফিগারকে কেন্দ্র করেই। এরপর হয়তো হাতেগোণা দু'একজন সাধারণ ছাত্র ইনভল্বড হয়ে যেতে পারে - যেটা নির্ভর করছে আপনি ঘটনাটাকে কিভাবে রটাতে পারেন। যদি আপনাকে এই তথ্য দেয়া হয় - অমুক ব্যাচের লোকজন আপনার ব্যাচের লোকজনকে পিটিয়ে মাথা ফাটাচ্ছে, তাহলে অবশ্যই আপনি ছুটে যাবেন, যদি মেরুদন্ড থাকে। আসল ঘটনা কি সেটা আসলে তখন যাচাই করার মত পরিস্থিতি থাকে না, কারণ উত্তেজিত অবস্থায় মানুষের অতকিছু বিচার করার বুদ্ধি থাকে না।

যাই হোক - যে ভয়টা করা হচ্ছিল - হল ভ্যাকেন্ট করে দেওয়া হয়েছে। অনির্দিষ্টকালের জন্য - কবে যে খুলবে তার কোন ঠিক ঠিকানা নাই - প্রতিক্রিয়া হিসেবে বুয়েটিয়ানরাই বিশেষ করে, তাদের ফেসবুকের ওয়ালগুলো স্ট্যাটাসে ভরে ফেলেছেন। যে স্ট্যাটাসগুলো বুয়েটিয়ান হওয়ার প্রতি লজ্জ্বা, গ্লানি সহ অনেক উচ্চবাচ্যে ভরপুর এবং কেউ কেউ আসল ঘটনা না জেনেই "ব্যাচভিত্তিক সমস্যা" টাইপের কিছু আখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

মজার ব্যাপার হল, অনেক সাধারণ বুয়েটিয়ান ছাত্রছাত্রীই জানে না আসলে হয়েছে কি! তাদের কাছে এখন বিচিত্র সব উৎস থেকে বিচিত্র সব খবর যাচ্ছে - কেউ বিভিন্ন ব্যাচের মধ্যে, কেউ ডিপার্টমেন্টের মধ্যে ক্ষেপানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। আবার অনেকে এখনো ভেবে বসে আছেন - খেলা দেখার জন্যই এই মারামারির সূত্রপাত!!!

দেখুন, বুয়েটিয়ানরাই যখন আসল খবরটা কি সেটাই জানেনা, সেখানে বাইরের লোকজন সত্যটা জানবে - এমনটা ধারণা করাই বোকামি। অনেকে সিনিয়র-জুনিয়র ইস্যু তুলতে চাইছেন ঘটনার রেশ ধরে।

আমি বলবো, যেই ঘটনায় দোষী ছাত্ররা রাজনৈতিক মদদপুষ্ট, তাদের দায়ভার সাধারণ ছাত্রদের কাধে ফেলছেন কে কোন লজিকে? যেই ছেলেগুলো কাণ্ড ঘটিয়েছে, তারাতো ক্লাসও করেনা। সাধারণ ছাত্রদের সাথে তাদের কম্পেয়ার করাটাই প্রথমত: বড় রকমের বোকামি আর দ্বিতীয়ত: অসম্মানজনক। আর পুরো ব্যাপারটা কি আপনার কাছে কাকতালীয় মনে হয়? সামান্য কারণের জন্য লীগ করা জুনিয়র ছেলেটা বড়ভাই এর ওপর চড়াও হল কেন? ওদের উদ্দেশ্যই ছিল হয়তো ক্যাম্পাস বন্ধ করা। খুব স্বাভাবিক, কারণ একটি বিদায়ী ব্যাচ - যারা কয়েকমাস পরই ক্যাম্পাস থেকে বেড়িয়ে যাবে, সে ব্যাচের পলিটক্যাল লিডাররা যত পারে, চাইবে ছাত্রত্ব ধরে রাখতে। তাই ঝামেলা শুরু করা থেকে শেষ পর্যন্ত পুরোটাই রাজনৈতিক মদদপুষ্ট।

এরপর সবচেয়ে অবাক করা যেটা, অনেকে অনেক কথাই বলছেন কিন্তু দোষীদের বিচার চাই - একথাটা কারো মুখেই শুনলাম না। ছেলেপেলেরা এই যে এত সাহস পেয়েছে - কি জন্য? কর্তৃপক্ষের মেরুদণ্ডহীনতার জন্যই তো? হ্যা। মারামারির পর হল প্রভোস্ট দের মিটিং হয় এবং সবাই মিলে হল ভ্যাকেন্ট করার সিদ্ধান্ত নেয়। সাময়িকভাবে এটাই হয়তো সলুশন, কিন্তু এই ভ্যাকেন্ট যদি মাস গড়িয়ে যায় তাহলে প্রশাসন কে দিতে হবে ধিক্কার। যে হলে মারামারি হয়েছে, ঘটনার পরেই প্রভোস্ট (অথবা সহকারী প্রোভোস্টও হতে পারেন, সিউর নই) স্যারকে হলের সামনেই দেখা গেছে। তারা কিন্তু চাইলেই অভিযুক্তদের শাস্তি দিতে পারেন - যাতে ভবিষ্যতে কেউ নিয়ম ভাঙার আগে দু'বার চিন্তা করে। যদি জড়িতদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, দু'দিন পরই হয়তো আরো বড় কোন অপরাধে বুয়েটবাসীরা আবার খবরের শিরোনাম হবে!

অতএব হে লজ্জিত বুয়েটিয়ানরা, আপনারা গ্লানিবোধে জর্জরিত ঠিক আছে, তবে শুধু কি হল কি হল রে জাতীয়, বিশেষণে বিশেষণে ভরপুর স্ট্যাটাস দিয়ে দায়মুক্তি ঘটেছে না ভেবে, শক্ত কন্ঠে অপরাধীদের বিচারের দাবি তুলুন। এক শতাংশ কুলাঙ্গারের দায় কেন আপনারা নিজের কাধে নেবেন, এর থেকে সবাই একতাবদ্ধ হয়ে কুলাঙ্গারদের তাড়িয়ে দিয়ে ক্যাম্পাসে সুস্থ পরিবেশ ফিরিয়ে আনুন!

 

বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ৯:৩৫
সোহরাব সুমন বলেছেন: ক্যাম্পাসে সুস্থ পরিবেশ ফিরে আসুক!!



২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:০৭

লেখক বলেছেন: জ্বি, সেটা যদি করতে চান তাহলে এসব কঠোর হাতে এসব ঠেকাতে হবে, সাধারণ ছাত্রদের আরো অনেক একতাবদ্ধ হতে হবে।

২. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ৯:৪৫
পাসওয়ার্ড বলেছেন: কক সাহেব, তোমার চেহারা আমি চিনি। তোমার কমেন্ট মুছে দিলাম আর লাথি দিয়ে এই ব্লগ থেকে তাড়ালাম, যদি আবার ফিরা আস তাইলে ভবিষ্যতে মাইনাস দেওয়ার সুযোগটাও হারাইবা।

খুদাপেজ।
৩. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ৯:৫১
কক বলেছেন: না, আমি বলতে চাইসি বুয়েটের পুলাপাই খুব ভালো করসে.....বিশ্বকাপ দেখবো.....ক্লাস আবার কি? ওরা মাইরপিট করেসে.......ঠিকইতো করসে। সবাই করতে পারে ওরা কেন পারবো না?
সত্যকথা তিতা লাগলে ব্লগে লেখেন কেন? বাড়িতে খেতা গায়ে দিয়া ঘুমায় থাকেন গিয়া।
৪. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ৯:৫২
মুকুট বলেছেন: রাজনৈতিক ছায়াধারী গুটিকয়েক জনের জন্য সব ছাত্রকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এই নির্মম বাস্তবতা থেকে শিক্ষাঙ্গন কবে মুক্ত হবে কে জানে।


আমার এই পোষ্টটি পড়ার আমন্ত্রন রইলোঃ বিশ্বকাপ ফুটবলঃ আমাদের হুজুগেপনা সমগ্র!

২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:০৮

লেখক বলেছেন: একমত।

৫. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ৯:৫৩
কক বলেছেন: তুমি কি করবা আমারে? ব্লক করবা? করো.....আমারে ব্লক করলে যদি বুয়েটের পুলাপাইন দেশের খাইয়া দেশরে কিছু রিটার্ন করে মন্দ কি?
২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:০৬

লেখক বলেছেন: বেজন্মা কোনহানকার, তোমারে লাস্টবারের মত ওয়ার্নিং দিলাম। তোমার লগে কথা কইতে রুচিতে বাধে।

৬. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:০১
রোহান বলেছেন: ককের সমস্যা কি মাথায় না অন্য কোনখানে ??!!?? সব খানে আইসা লেবু কচলায়... আজব....

দেশের টা সবাই খায়... দেশরে দেবার দায়টা সবার, বুয়েটের একার না... আমি বাপের পয়সায় বনানীর এসি খাইলাম এর মানে এই না দেশ আমার কাছে ঋণী হইয়া পড়লো...
২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:০৯

লেখক বলেছেন: ওর কাজ তো একটাই - লাদি ছড়ানো।

৭. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:১১
বাঙ্গাল বলেছেন: এই কক লুক্টা ব্রেনে একটু সমস্যা আছে মনে লয়। কমেন্টে ফ্লাডিং করার নুতন কন্সেপ্ট নিয়া আশ্ছে!

যাইহোক, জুনিয়ররা ভূল কর্বেই...কিন্তু ০৫ এর লীগ খুবই মারাত্মক ভূল কর্ছে। মাথায় গোবর থাকলেও এত বড় ভূল করার কথা না
২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:০৩

লেখক বলেছেন: কক এর কথা বাদ দেন ভাই - তার ইতিহাস জানলে এর সাথে কথা বলতেই রুচিতে বাধে। এর সব পোস্ট ঘুরে ফিরে দেখবেন পাবিলক-প্রাইভেট বিতর্ক - বিশেষত: বুয়েট, ঢাবিকে নিয়ে নিচুমনের বিদ্বেষ, নিজের পরিচয় গোপন করে (এক পোস্ট মতে সে ন্যাশনাল ইউনির ছাত্র) জিপিএ ফাইভ পেয়ে কি কি লুলামি করবে তার বর্ণনাসমৃদ্ধ পোস্ট - যার নিজের পরিচয়ই ঠিক নাই তার সাথে কথা বলুম কি হিসাবে?

৮. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:১৬
মাহমুদ সিএসই বলেছেন:
আপনার লেখা পড়ে তো মনে হচ্ছে ঘটনা ভিন্ন। কিন্তু প্রথম আলোর মত দৈনিক পত্রিকা আজকে শিরোনাম করেছে "বিশ্বকাপের সময় ক্লাস করা নিয়ে মারামারি, উত্তেজনা :
বুয়েট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা"। এটা কি তাহলে সবাইকে ভুল মেসেজ দেবে না?? তাদেরই বা তথ্যের উৎস কোথায়?

প্রথম আলোর নিউজ লিংক : View this link
২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:০৫

লেখক বলেছেন: প্রথম আলো সবসময়ই উল্টাপাল্টা নিউজ দেয় - মনে আছে বাসের চাপায় বুয়েটের ০৯ ব্যাচের ছাত্রটি মারা যাওয়ার পর বাস ভাংচুর নিয়ে তারা যে অতিরঞ্জিত নিউজ দিল? বুয়েটের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য এইসব খবরগুলোর কোনটা আসল আর কোনটা অতিরঞ্জিত সেটা ধরতে পারি - অন্য ইনস্টিউটের খবরগুলোর সত্যতার ভিত্তি নিয়ে এখন সন্দেহ জাগে মনে।

৯. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:২৪
অক্টোপাস বলেছেন: অসাধারন বিশ্লেষণ! কিন্তু দেমের সংবাদপত্র গুলোতে যে ধরনের খবর বেরিয়েছে তাতে বুয়েটের মান নিয়ে টানাটানি।

রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কথা কেউই উল্লেখ করলো না!! X( X( X( X(
২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:১০

লেখক বলেছেন: করবে না তো..... আলুখোরেরা কোন দিন একটা নিরপেক্ষ আর সুষ্ঠ নিউজ দিছে কন তো..... সব শালার সুশীল ভণ্ড

১০. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:২৪
রাফাত সাদাত বলেছেন: পোষ্টে প্লাস। একজন প্রাক্তন বুয়েটিয়ান হিসেবে সঠিক তথ্য জানতে পারায় ভাল লাগল।
২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ... কয়েকটা ছেলের জন্য পুরা বুয়েটের ভাবমূর্তি নিয়ে যেভাবে প্রশ্ন উঠেছে সেটা সত্যিই খারাপ --- অবশ্য প্রশাসনের যা অবস্থা .... ভাবমূর্তি কয়দিন ভালো থাকে দেখেন না।

২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: সত্য সবাইকে জানতে হবে.... পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১২. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:০৮
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: মোটামোটিভাবে একমত। কর্তৃপক্ষকি নাকে তেল দিয়ে ঘুমায় নাকি?
২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:১৮

লেখক বলেছেন: জ্বী, তাইতো মনে হয়....

১৩. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:৪৫
ফিরোজ খাঁন তুষার বলেছেন: এ ঘটনায় আরেকটা জিনিস খুব পীড়া দিলো। শিক্ষকরা হবেন ছাত্রদের বন্ধু, আবার প্রয়োজনে তাদের শাসন করার মতন অভিভাবক। বুয়েটের গতকালের ঘটনায় তারা অভিভাবক হতে পারে নাই। কঠোর ভাবে বলতে পারে নাই, ক্লাশ হবে, আবার বন্ধুর মতন বলতে পারে নাই, ঠিক আছে, পরীক্ষাটা হবে না।কারণ চার বছর পরপর একটা বিনোদন তো বটে।
২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: বেয়াদব ছেলেগুলা তো টিচারের কথা শুনে না.. এডমিনিস্ট্রেশনের আরো কঠোর হতে হবে অবাধ্যদের বিরুদ্ধে।

১৪. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:৪৮
সাজিদ চৌধুরী বলেছেন: এটা আসলেই খুব দুঃখজনক যে ১০০ জন ছাত্রের কৃতকর্মের জন্য ৪০০০ জন ছাত্র suffer করবে।
২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: সেটাই।

২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ.....

১৬. ২০ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১২:১২
উদ্ভ্রান্ত পথিক বলেছেন: প্লাস। সবাই ঘটনাটারে যা বানাইছে।
২০ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১২:১৫

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

১৭. ২০ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:১২
বর্ণিল আধার বলেছেন: পোস্টের সাথে একমত।কালকে সকাল থেকে বুয়েটেই ছিলাম,সব ঘটনা নিজের চোখেই দেখছি।কিন্তু আজকের পত্রিকাগুলোতে যে রুপকথা পড়লাম তাতে দেশের সংবাদ মাধ্যম নিয়ে হতাশ হওয়া ছাড়া আর কিছু করার নেই।

প্রশাসনের দায়সাড়া মনোভাব এই ঘটনার জন্য কম দায়ী না।১০-২০ জন মিছিল করলেই বন্ধ দেয়া,ছোটখাট দলীয় কোন্দলে অপরাধীদের শাস্তি না দেয়া, এইসব ঘটনাতেই এইসব ছেলেরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে।কারন তারা জানে যে তারা যাই করুক তাদের বিচার করার কেউ নেই।আশা করি প্রশাসন অন্তত এবার দ্বায়িত্ব এড়িয়ে যাবে না।এই ঘটনার সকল অপরাধী এবং ঘটনার নেপথ্যে যারা ইন্ধন জুগিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যাবস্থা নিবে।
১৮. ২০ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:৩০
মাহি_শুভ বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন। মুষ্টিমেয় ছাত্রদের কুকীর্তির জন্য আমরা কেন অপমানিত ক্ষতিগ্রস্ত হব? ছাত্র রাজনীতি না হটালে এমন ঘটনা আরও ঘটবে।
১৯. ২০ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:১১
ফারহান দাউদ বলেছেন: কর্তৃপক্ষের মেরুদণ্ডহীনতা এইখানেই যে তারা রাজনৈতিক পোলাপানরে কিছুই বলবে না, কয়েকটা অবাধ্য পোলার জন্য সাফার করবে ৪০০০ ছেলেমেয়ে।
২০. ২০ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:২৯
কবি মৃত্যুময় বলেছেন: ঘটনার অন্তরাল আসলেই অন্যরকম!!! অথচ ভুল জেনেছিলাম প্রথমে!!!

সবারই সিনিয়রদের যথার্থ সম্মান দেখানো উচিৎ, কারো রাজনৈতিক ক্ষমতা থাকতে পারে, তাই বলে ন্যূনতম মূল্যবোধ দেখাবে না, এটা সবার জন্যই অত্যন্ত মর্মান্তিক।

আমি আবাসিক নই, তবুও সবসময় বড় ভাইদের সাথে জুনিয়রদের চমৎকার সম্পর্ক দেখেছি, সিংহভাগ ক্ষেত্রেই চিত্রটি এরকম। যদিও নির্বোধ অসভ্যোচিত রাজনীতিপুষ্ট কিছু অবান্ঞিতও আছে। এদের মূল্যবোধ জাগ্রত হোক এই কামনা করি।

অবশ্যই সবারি কিছু ভুল আছে।দ্রুত এই অনাকাঙ্ক্ষিত সংকটের উত্তরণ হোক।

সমস্যার সূত্রপাত এবং বিস্তার মোটেই বিশ্বকাপ নিয়ে নয় এটা স্পষ্টত:!! পত্রিকাওয়ালারা তাদের নির্বুদ্ধিতার স্বাক্ষর রেখেই চলেছে.......

পোষ্টির প্রয়োজন ছিল। ধন্যবাদ।
২১. ২০ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:২১
গন্ধমাতম বলেছেন: পত্রিকায় এ ধরণের অপপ্রচারের জন্য দায়ী সহ-উপাচার্জ জনাব হাবিবুর রহমান স্যার। উনি উনার আদরের ছাত্রলীগকে রক্ষা করতেই এমন অসত্য তথ্য দিয়েছেন।
২২. ২০ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৩
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: পোস্টের বটম লাইনই আসল কথা। এই সমস্ত ঘটনায় মূল দোষীদের চিহ্নিত করা হয় না, চিহ্নিত করা হলেও শাস্তি দেয়া হয় না, শাস্তি দেয়া হলেও পরে মানবিক (!!) কারণে মওকুফ করা হয়।

যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সকল সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে উদাহরণ হওয়া যায়, সেই দৃষ্টান্ত আসলে স্থাপন করার মতো প্রজ্ঞা বা নৈতিক তাড়না কোনটাই বুয়েট কর্তৃপক্ষের নাই। নষ্টবীজ রাজনীতি করে প্রভোস্ট, ভিসি, প্রোভিসি হলে তাদের কাছে অবশ্য সেটা আশা করাও বৃথা। আমাদের সময়েও হয় নি (২০০৬), এবারও হবে না!
২৩. ২০ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:০২
ইসতিয়াক আহমদ আদনান বলেছেন: আমাদের ব্যাচের ছেলেরাই বড় ভাইদেরকে পিটাইতে গেছিল। এটাই আমাকে খুব পীড়া দিচ্ছে। আমরা যেখানে বড় ভাইদের সামনে অসম্মান করার মত কোন কথাই বলি না সেখানে ওরা গায়ে হাত তুলল। হায়রে পলিটিক্স, মানুষকে কতটা নিচে নামাইতে পারে।

আমার দাবী হল, বুয়েট থেকে সকল প্রকার পলিটিক্স ব্যান করে দেওয়া দরকার।
২৪. ২১ শে জুন, ২০১০ রাত ১২:০৪
জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন: ঘটনা এইরকমই হবার কথা!!! ছাত্রলীগের ০৩ ব্যাচের শামীমের নাম দেখলাম কোথায় যেন। এই ছেলেতো মনে হয় বুয়েটের জাতীয় ফিগার...মাঝে চাদাবাজী নিয়েও এর নাম দেখলাম পত্রিকায়...বোঝাই যায়, ০৭ ব্যাচের যে বা যারা সিনিয়রের গায়ে হাত তোলার ঔদ্ধত্য দেখিয়েছে, তাদের পিছনে এইরকম কারো ইন্ধন আছে। বুয়েটে অতীতে ঔদ্ধত্যপূর্ণ রাজনীতিবিদদের কি অবস্থা হয়েছে সেটা হয়তো এরা জানেনা...
২৫. ২১ শে জুন, ২০১০ ভোর ৪:৫৬
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: বুয়েট কর্তৃপক্ষকে দোষ দেয়া খুবই সোজা। কিন্তু এর সাথে সাথে আরো কিছু ব্যাপার জেনে রাখা ভাল। বুয়েট কর্তৃপক্ষ চাইলেও অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে না। কারন সরকার থেকে বাধা আসে। সরকার চায় না যে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হোক। সরকার সরাসরি হস্তক্ষেপ করে। এটা দিনের আলোর মত পরিষ্কার যে বুয়েট কর্তৃপক্ষ সরকারের বিরুদ্ধে কিছু করতে পারবে না। আগের বিশ্বকাপের সময়ে কি হয়েছিল জানেন? উচ্ছৃংখল ছাত্রদের বিরুদ্ধে যখন ভিসি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানালেন, তখন মন্ত্রী সাহেব পালটা ঝাড়ি দিলেন, আপনারা খেলার সময় পরীক্ষা নেন কেন? অথচ পরীক্ষা কিন্তু খেলার আগেই ছিল। ছাত্ররাই আন্দোলন করে পরীক্ষা পিছায়। খেলার মাঝখানে গিয়ে পরীক্ষা পড়ে। বুয়েট কর্তৃপক্ষ অন্য ভার্সিটির মত সরকারের মদদপুষ্ট না। তাই সরকারের কাছ থেকে তারা তেমন সমর্থন পায় না। আর যেখানে লীগ জড়িত সেখানে বুয়েট কর্তৃপক্ষকে সরকার ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ দিবে বলে মনে হয়?
২৬. ২১ শে জুন, ২০১০ ভোর ৫:০৭
ত্রিভুজ বলেছেন: এই ছাত্র রাজনীতির কবল থেকে বুয়েটকেও মনে হয় শেষ পর্যন্ত রক্ষা করা যাবে না। ঢাকা কলেজের পরিনতির দিকে যাচ্ছে বুয়েট... স্যাড!
২৭. ২১ শে জুন, ২০১০ ভোর ৫:২৪
~অন্ধ~ বলেছেন: এখানে একটা ব্যাপার দেখলাম।বুয়েটের ভাইয়েরা একবাক্যে মানছেন জাতীয় দৈনিকগুলো ভুল সংবাদ দিয়েছে।ছাত্র ভাইয়েরা কিছু হলে গাড়ি ভাঙতে পারে আর যারা ভুল সংবাদ দিয়ে সারাদেশে ভূল তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামে না কেন?শিক্ষাঙ্গন নিয়ে ভুল সংবাদ পরিবেশনকারীদের পা ভাঙাটা জরুরী এটা কেন বুঝে না?
২৮. ২১ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১২:১৯
ব্ল্যাকমেটাল বলেছেন: সব ভার্সিটি গুলোকে মেধাশুন্য ঢাকা কলেজের অপচেষ্টাকে আমাদের প্রতিরোধ করতে হবে
২৯. ২১ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৩২
ঘাস ফুল বলেছেন: ভালো লিখেছেন।নোংরা রাজনীতির কল্যাণে ৪ বছরের কোর্স ৫ বছরেও পাস করা যাবে কিনা জানিনা।আফসোস .......বুয়েট কর্তৃপক্ষ একবার তাদের ক্ষমতার সঠিক প্রয়োগ করুক।
৩০. ২১ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৪১
ঘাস ফুল বলেছেন: কয়েকটা ঘটনা চোখের সামনেই ঘটেছিল সেদিন।কিন্তু সংবাদসংবাদ মাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে খুবই হতাশ।পোস্টের সাথে পুরোপুরি সহমত।দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
৩১. ২২ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১২:১৮
কাকপাখি ২ বলেছেন: ভেরি ব্যাড....সটুপিড পলিটিকস....

 

মোট সময় লেগেছে ২.১৭৭৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
May be, or may be not
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই