আমার প্রিয় পোস্ট
- নিজের ওয়েবসাইট বানানো ( অবুঝ প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশুদের উপযোগী টিউটোরিয়াল) সূচীপত্র - ই য়া দ
- ইভটিজিং লইয়া ইহা কোন আলগা আলোচনা না। অপ্রিয় সত্যের আঘাতে আহত হইতে পারেন। (পর্ব-২) - পারভেজ আলম
- দেইল্যা রাজাকার ওরফে দেলোয়ার হোসেন সাইদী - পঙ্খিরাজ
- বিবর্তনের ফলে মানব দেহে রয়ে যাওয়া কয়েকটি অপ্রয়োজনীয় অঙ্গ এবং মাস্ল। - হোরাস্
- বর্ষা-বরণ ও কতিপয় ব্লগারগণ - অন্যমনস্ক শরৎ
- হাইপেশিয়া—আলেকজান্ড্রিয়ার বাতিঘর - ম্যাভেরিক
- বাধ্যতামূলক ধর্মশিক্ষা এবং একজন নাস্তিক পিতার অসহায়ত্ব - সন্যাসী
- মেঘবাজি সমগ্র-১ - মেঘবাজি
- আমরা যা বলতে পারি না, সেখানে নীরবতাই উত্তম কথক - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- এ ধরনের যুদ্ধশিশুদের জন্য আমাদের করনীয় কি - শয়তান
- THE P A U S E . - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- আমার রাজ রাজেশ্বরী - ফেরারী পাখি
- গটমট ডায়েরী - অনাহুত আগন্তুক
- আমি তোমাকে উপর থেকে দেখি - অন্যমনস্ক শরৎ
- ~ রুপকথা ২ ~ - ~স্বপ্নজয়~
- অপ্রকাশিত জীবনানন্দ - সুদীপ চৌধুরী
- কোন এক পশ্চিমা শহরের কবিতা বা গল্প - জামাল ভাস্কর
- আমিও লিখলাম - আকাশ_পাগলা
- Wish you were here-'RICK' (1943-2008) - ফয়সালরকস
- অস্পষ্ট শেষ পৃষ্ঠার হাসি - মুক্তি মণ্ডল
- অভিমান: আমার লেখা ব্ল্যাক-এর সেই অভিমানী গান ... - ইমন জুবায়ের
- অলৌকিক ইস্টিমারটা আর ফিরে এলোনা বন্দরে (শ্রদ্ধা হুমায়ুন আজাদ) - অন্যমনস্ক শরৎ
- বন্ধু, তোমার পথের সাথীকে চিনে নিও - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- একজন অপ্রকৌশলীর বুয়েট প্রেম - সাহোশি৬
- বৃত্ত অতিক্রমণের চেষ্টা (দুটি বেঞ্চিতে মুখোমুখি চারজন) - বৃত্তবন্দী
- অলৌকিক বৃষ্টি - প্রতিধ্বনি, তুমিতো
- ভার্চুয়াল সম্পর্কগুলো.... - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- * * ছ .*. ন্ন .* * ত .*. র ** . ঙ্গ . ** * - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
এই লেখাটা তোমার জন্য
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৯
২৪ শে ডিসেম্বর ২০০৩, তোমার সাথে আমার বন্ধুত্বের শুরু। মাঝখানে কতটা সময় কেটেছে রে? কতটা বড় হয়েছি আমরা দুইজন? হিসেব করতে গিয়ে যুক্তি আর আবেগ মারামারি করে মরে পড়ে থাকে। আর তাদের দিকে হতাশ দৃষ্টিতে আমি তাকিয়ে থাকি।
কাল তোমার ওপর অনেক অভিমান হয়েছিল। কী ঘটেছিল একবার বলে নিই, নাহলে এই লেখা পড়ে আমাকে মারতে আসবা। তোমাকে অনেকবার ফোন করেছিলাম তার আগের দিন, মেসেজও ছেড়েছিলাম গোটা দুই, তুমি লা-পাত্তা। মাঝে অনেক বার ট্রাই করতে গিয়ে মোবাইল বন্ধও পেলাম, কিছু বুঝে উঠছিলাম না। বাজে লাগছিল অনেক। আরেকবন্ধুর বিয়ের দাওয়াতে যাচ্ছিলাম, এজন্য শেষমেষ তোমার সাথে সি.এন.জি-তেই কথা সারতে হলো।
এখন মনে হচ্ছে একটু বেশিই রি-অ্যাক্ট করে ফেলেছিলাম, আমার অর্বাচীন ভাবালুতায় তোমাকে অনেকদিন জ্বালিয়েছি, আজও সেটা বন্ধ করতে পারি নাই। আমার এই বদভ্যাসটা মনে হয় আর ছাড়ানো গেলনা!
আজ একটু আগে তোমার সাথে কথা বলতে বলতে মনে হলো যে একটা লেখা তোমার আমার বন্ধুত্ব নিয়ে লেখা দরকার। ঢাকায় এসে ইউনিভার্সিটি পর্যায়ে পড়তে আসাতক শুনছি ছেলে আর মেয়েতে বন্ধুত্ব হয় না। একজন না একজনের দূর্বলতা, অতঃপর হয় ভালোবাসা নয়ত বন্ধুত্বের ইতি। প্রথম থেকেই ব্যাপারটা আমার কাছে খুবই কনফিউজিং, কারণ ক্লাস ফোর এর পর থেকে মেয়ে সংসর্গে পড়াশোনা করা হয়নি, ক্লাস সেভেন থেকে তো ক্যাডেট কলেজ। তাই ওখান থেকে বেরিয়ে বাইরের জগৎটাকে একটু রঙিন লাগলো বই কি! নিজের ক্যাম্পাসের "মোহময়ী হাসি"র উপর থেকে আমার বাউন্ডুলে "ক্র্যাশ"টা কাটাতে না কাটাতেই তোমার সাথে পরিচয়! তাও আবার এই সদা-প্রতারক ইন্টারনেট এর মাধ্যমে! শুধু একটা জিনিস একটু সুবিধার ছিল যে তোমার আমার পরিচয়ের মানুষটা আমাদের দু'জনেরই (তৎকালীন) কাছের মানুষ।
তখনকার তুমি আর এখনকার তুমি কত বদলে গেছ! একদিকে আমি ছিলাম ভদ্রগোছের ছা-পোষা, আর অন্যদিকে তুমি একদম একটা ঝড়ের মত! এত উচ্ছলতা আর তার সাবলীল প্রাণবন্ত প্রকাশ দেখে আমি তখন কতটা অবাক হয়েছিলাম তা আজ ঠিকমতো মনেও পড়ছেনা! কী নিয়েই না আমরা কথা বলতাম! মোবাইলের মিনিট তখনো ৭ টাকা। তাকে তুচ্ছ করে চলতো কথা, আর তার কী তোড়! মাঝে মাঝে তোমার আমার কথা ওভারল্যাপ হয়ে যেত। তুমি তোমার সকল কু-(এবং সু)কর্মের ফিরিস্তি দিতে, আর আমি আমার একঘেঁয়ে যান্ত্রিক আটটা-পাঁচটা ক্লাসের ক্লান্তিকর দিন কাটানোর হাপিত্যেশ করতাম। ঝগড়াও লাগতো কতো। একবার তুমি আমার নামের সবগুলো অক্ষর দিয়ে একগাদা গালি লিখে পাঠালে, আমিও তার জবাবে কী কী জানি লিখেছিলাম। কতোদিন কতোরাত কতোকথার কথকতা (ফালতু কাব্য করার ভেজাল স্বপ্রণোদিত অভ্যাসটাও আছে এখনো!)। কোন এক জন্মের স্মৃতি বলে মনে হয়!
ইদানীং মাঝে মাঝে মনে হয়, মানুষ যত দিনদিন বড় হয়,বুড়ো হয় ততই পিছন ফিরে ফেলা দীর্ঘশ্বাসগুলোর মাত্রা লম্বা হতে থাকে। হয়তো আমরা কেউই বর্তমানটাকে ঠিক মতো বুঝে উঠতে পারি না, যতোদিনে বুঝে উঠি ততোদিনে মেঘে মেঘে অনেক বেলা হয়ে যায়। মনের পরতে পরতে সময়ের সাথে এক এক পরত ধুলো জমে, আশে পাশের বাস্তবতা পারমানেন্ট মার্কারের মতো কালির পোঁচ বুলিয়ে আমাদের কেমন খোল-নলচে বদলে ফেলছে, তাই না? আজ তোমার একটা কথা আমার খুব কানে বাজে, ক'দিন আগে বলেছো, আমার কাছে "ঐসময়" (তুমি জানো কোন সময়!) ঐ ব্যবহার না পেলে আজ হয়তো তুমি এমন হতে না। কী অবলীলায় বলা কঠিন এক সত্যকথা!
লেখার শুরুতে এটা লিখে বোধহয় ভুল করলাম যে ছেলে-মেয়ের বন্ধুত্ব হয় না। হয়, কিন্তু তার মাঝে কিছু একটা ব্যাপার থাকে। কী থাকে এটা বুঝাতে গিয়ে আজ বাঙলা ভাষাটাকে বড়ই অপ্রতুল মনে হচ্ছে। মানুষের সম্পর্কগুলোর এই আটপৌরে নাম দিয়ে তো তোমার আমার সম্পর্ক সংজ্ঞায়িত করা যাবে না। তাই সে চেষ্টায় যাবো না আর। শুধু একটা জিনিস আজকাল ভাবছি খুব করে। তোমার আমার জীবন যেন দূরে-দেখা দিগন্তরেখার মতো মনে হয় আমার। দূর থেকে যাকে দেখে মনে হয় ছোঁয়া যাবে, একছুটে দৌড়ে গেলে ছুঁয়ে ফেলবো সেই অপার্থিব তীর! কিন্তু যতই তোমার আমার জীবন কাছে আসে, ততই যেন আমাদের মাঝে যোজন যোজন চর পড়ে, সময়ের চর। এই পথ কীভাবে পাড়ি দিব বলে দাও, বলে দাও কীভাবে ছেঁড়াতার জোড়া লাগে, কীভাবে ঢিল ছুঁড়ে মারা শান্ত পুকুর আবার নিস্তরঙ্গ হয়! হয় না বোধহয়।
আমি তবু নচ্ছাড় আশাবাদী, আজও তোমার মত করে জীবনটাকে বুঝে নিতে পারলাম না, প্র্যাকটিক্যাল হতে পারলাম না। এজন্যই আজ তোমার জন্য এই লেখা--যখন পড়বে, মনে করো সেই বন্ধুটিকে, আজ এত টানাপোড়েনেও যার কাছে তুমি অনেক দামী।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: বুঝতে পেরেছেন মনে হয়!
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। সবটুকু কথা আর চিন্তা গুছিয়ে বলতে পারিনি হয়তো, খালি চেষ্টা করে গেছি। ভালো লেগেছে জেনে খুব ভালো লাগলো
লেখক বলেছেন: কী বলেন!! আমার তো মনে হলো খুব ভালো মতোই ব্যবহার করতে পারলাম পেন্সিলের!
লেখক বলেছেন: কী হুমমম....??
নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
প্রিয়তে আছে কিন্তু।।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস্। এই লেখা টা আমার খুব প্রিয় একটা লেখা , খুব প্রিয় একজনকে নিয়ে।আপনার ভালো লেগেছে এটা জেনে ভালো লাগছে![]()
এই আমি মীরা বলেছেন:
অসাধারন লেখা! কিন্তু বাস্তবে এরকম ঘটতে দেখলে খুব খারাপ লাগে।
লেখক বলেছেন: এটা বানিয়ে বানিয়ে লিখি নাই। এই লেখার মানুষগুলো বাস্তব আর আপন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















আহারে!!