আমার প্রিয় পোস্ট

চতুর্মাত্রিক.কম (choturmatrik.com)

পাপবোধ সংক্রান্ত টুকিটাকি বা হেনো তেনো

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৫

শেয়ারঃ
0 1 0

আমার পাপবোধের অনুভূতিটা বেশ টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। আসলে চারপাশের মানুষগুলোর সাথে দিন দিন সম্পৃক্ততা কমে যাবার ফলেই মনে হয় এমন চিন্তার মোড় ঘুরে যাওয়ার সূত্রপাত।

পাপবোধ খুব সম্ভব একটা আপাত আরোপিত অনুভূতি। একটা শিশু কখনোই এই চেতনার অধিকারী হয়ে জন্মায় না। ধীরে ধীরে বড়ো হয়ে ওঠার সময়টাতে, রঙ-রূপ-বর্ণ-শব্দগুলো চিনে চিনে চারপাশকে বোঝার সময়টাতে কোন এক অদৃশ্য প্রক্রিয়ায় এই অনুভূতি তার ত্বকে অভিস্রবণের মতো ঢুকে যেতে থাকে। মনে হয় সে নিজেও টের পায় না সে কখন পাপী হতে শুরু করে- কিংবা বলা যায় নিজেকে কখন পাপী ভাবতে শুরু করে।

একটি শিশু বড়ো হয়ে উঠতে উঠতে নিজেকে একটা সময় দোষী ভাবছে এই চিন্তাটা পীড়াদায়ক। তার স্বাধীনতার পরিপন্থীও বটে। কেননা মূলত শিশুদের দ্বারা আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হই না। নিতান্ত দুরন্ত শিশুও তুচ্ছ বা মূল্যবান তৈজস ভেঙে ফেলা ছাড়া তেমন কোনও গুরুতর অপরাধ করে না। অথচ সেই সময়টায় তাকে বেশ বিরূপতা পেতে হয়, বাবা-মা- বড়োদের কাছ থেকে। শিখে নিতে হয় উচিত-অনুচিতের লিস্টি। মা-বাবা শিখিয়ে দিতে থাকেন, চলা-বসা-কথা-হাঁটা-থামা। অপরাধী সত্ত্বাটির হয়তো তখনই জন্ম ঘটে।

উচ্চারণে যেসব শব্দেরা দূষিত, বা পঙ্কিল, সেগুলো আমরা বড়োরা খুব সযত্নে পরিহার করতে চেষ্টা করি একটা শিশুর সামনে। কেননা একটা সময়ে সে আমাদের সামনে কুৎসিত সেই শব্দ বা ভঙ্গিগুলো শিখে ফেলবে এটা জানার পরেও আমরা সেগুলো যতটা সম্ভব আড়াল করতে চাই। কিন্তু এতে করে যখন তারা শব্দগুলো শেষমেশ শিখেই যায়, তখন সেগুলোকে পরিচয়পত্রসহই শিখে নেয়। এমনকি অভিধানেও আমরা তাদের সেভাবেই চিহ্নিত করে রেখেছি।

এত গেল শব্দেরা, আশেপাশের দৃশ্যাবলিও যথেষ্ট কুৎসিত আমাদের এই জনপদে। বিরাট আকাশ-সংস্কৃতি না হয় ছেড়ে দিলাম, সচেতন অভিভাবকেরা হয়তো বেছে বেছে কাদা-ময়লা এড়িয়ে চলেন। কিন্তু রাস্তাঘাটে, বাজারে, দপ্তরে আমরা ক্রমশই অশ্লীল হয়ে উঠছি দিনে দিনে। ইদানীং কিছু পোশাকে নগ্নতা দারুন প্রকাশ পায়। গোপন রতিতে হয়তো তা তুমুল-কামনাজড়িত সুখের প্রভাবক হবে, হয়তো পুরুষ বা নারীটির সঙ্গীর দ্বারা প্রশংসিতও। কিন্তু প্রকাশ্যে আমরা চোখ দিয়ে চেটে-পুটে খেয়ে নিতে নিতে ভুলে যাই, পাশেই কোমর-উচ্চতার ছেলেটি বা মেয়েটিও দুচোখে গিলছে। তার দুচোখে নেমে নেমে পড়তে থাকা যুবকের প্যান্ট, আর উঠে উঠে যেতে থাকা যুবতীর টপস্‌ খুব সহজেই জানলা খুলে হাট করে তীব্র রোদ ঢুকিয়ে দিচ্ছে। সাথে করে ব্রীড়াজনিত সঙ্কোচটুকুও ঝরে পড়ছে।

আমরা এগোচ্ছি সামনে, ধীরে ধীরে আমাদের পদক্ষেপের দ্রুততা বাড়ছে। সেক্ষেত্রে বাইরের জগতের আলো প্রবেশ করার সময়ে অতিবেগুনিরশ্মির মতো কিছু রঙ আমাদের বালক-চোখদের খুব দ্রুতই বয়স্ক করে দিচ্ছে। আমি জানি এটা ঠেকানোর কোনও উপায় নেই। ফ্যাশন নামক বিদঘুটে অসংজ্ঞায়িত শব্দটির ফাঁদে পড়ে অশ্লীলতা ক্রমশই শ্লীল হয়ে যায়।

বালক থেকে বড়ো হয়ে উঠলেই অনেকটাই আগল খুলে যায়। অনেক আপাত রহস্যেরা সহজ-কঠিন সত্যরূপে প্রকাশ পায়। শরীর সশব্দ হয়। সেসময়ে ভাঙা-গড়ার খেলা খেলতে খেলতে একেকজনের নিজস্ব পাপবোধ গড়ে উঠে। এখানে ধর্ম হয়ত একটা বিরাট সর্বগ্রাসী ভূমিকা পালন করে। স্কুলের নতুন-বদলি-হয়ে-আসা হেডমাস্টারের মতন খুব সীমা-নির্ধারিত হয় সবকিছুর। ভালো-মন্দকে বার্লিন দেয়াল তুলে আলাদা করে দেয়া হয়। তবে আগের এই একচেটিয়া অধিকারটুকু ধর্ম দিন দিন হারাচ্ছে। সেটা কতটা হতাশার বা কতটা আশার তার তুলনা করা সম্ভব না। তবে তার মসনদে নতুন যে বসবে তাকে ভালভাবে চিনে নেয়াটা জরুরি। আমরা যখন এক স্বৈরশাসককে সরিয়ে আরেক স্বৈরশাসক টেনে আনি- তখন অনেকসময় বেশ দেরিতে টের পাই, আগেরজনই ভালো ছিলো!

ধর্ম খুব প্রয়োজনীয় রূপ ছেড়ে এই ঢাকা শহরের ইট-কাঠের চাপে পড়ে জুম্মাবার আর রোজার মাসে আটকে যাচ্ছে। অন্য ধর্মগুলোর পালনে অতোটা প্রাবল্য নাই। গুরুজনেরা বলেন, আগে সেগুলোর অনেক উচ্ছ্বাস এখন গলাবন্ধ কোটের মতন গরমে আটকে হাঁসফাঁস করছে। আর ইসলাম দারুন জোশে ছড়িয়ে পড়ছে। ব্যক্তির পালনের মাঝে ধর্মই ঠিক করে দেয় পাপবোধ কেমন হবে। দিনের পর দিন নামাজ ক্বাযা করে আমাদের ত্বকে যে বোধ আঁচড় কাটে না, সেই বোধই সাঁড়াশি আক্রমণ চালায় একদিন রোজা না রাখলেই (যদিও দুটোর মূল্যমান ধর্মমতে সমান)! এখন আমাদের ক্ষয়িষ্ণু প্রজন্ম সেটাও মানছি না। সমস্ত মাল্টিমিডিয়ার তোড়ে নিবিড় ধর্মপালন বইয়ে চাপা-দেয়া ফুলের পাঁপড়ি হয়ে গেছে। সেখানে ধর্মের সামাজিক উচ্চারণ প্রবল উচ্চকিত।

এখানে তখন মনে হয় কোন বোধে তাহলে আজ আমরা নিজকে যাচাই করি? কেউ কেউ হয়ত মধ্যবিত্ত মূল্যবোধগুলোকে আষ্টেপৃষ্ঠে আঁকড়ে ধরছে। বাবা-মায়েরা কুইনাইন-গোলানো গ্লাসে করে তা সন্তানকে গিলিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু তার মধ্যেও এর রূপ পরিবর্তিত হয়। মানুষ থেকে মানুষে যাবার সময়ে বোধেরা বদলে যায়। নজরুল-রবীন্দ্র-গানেদের রিমিক্সের মতোই! বিলাসিতার মাত্রা আর অপচয়ের পরিসীমা নতুন করে নির্ধারিত হয়। টাকার গন্ধ অনেকটা আফিমের মতো রক্তে প্রবেশ করলে আমরা তাতে বিমোহিত আচ্ছন্ন হতে থাকি আর ক্রমশ ভুলে যাইঃ আমাদের প্রপিতামহেরাও দুপুরে খররোদে ঝলসে যেতে যেতে লাঙলে কাঁধ জুড়ে ঠেলে ঠেলে নীরস মাটি খুঁড়ে সোনা ফলাতেন। তার ত্বকের কালোরঙা জিন আমার অসূর্যম্পশ্যা মাতামহী-মাতার শরীর ঘুরে আমার মাঝে আসতে আসতে চাপা পড়ে গেছে। দুধ-সাদা ত্বকে ঘামেরা জমতেও পারেনা। তাই টিনটেড গ্লাসের ওইপাশে দাঁড়ানো বৃদ্ধ হাত বাড়ালে তাকে আমরা চিনতেও পারি না।

এভাবে ভাবনাটা খুবই একপেশে মনে হয়। একটা এক্সট্রিম-কে প্রকাশ করতে মনে হয় আরেকটা এক্সট্রিম-কে টেনে আনতেই হয়। রুপোর টাকার ঝনঝনানিতে কানে তালা লেগে যেতে যেতে আমরা পাপবোধ কাটিয়ে উঠতে থাকি। এই জনপদের অনেক নিচে, অনেক গভীরে আমাদের প্রপিতামহেরা হাড়-গোড়ে শুয়ে থাকতে থাকতে কেবলই ক্ষয়ে যেতে থাকেন!



***
গতহপ্তা'জুড়ে লেখা।

 

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৯
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: চমৎকার, সহজীয়া অন্র্তপ্রবিষ্ট লেখা। আমি খুবই আশাবাদী আপনার গদ্য নিয়া।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন: আপনাকে আশাবাদী দেখে ভালো লাগতেছে। আমি যদিও অতটা আশাবাদী নই! :)

কয়েকদিনের বিক্ষিপ্ত চিন্তাগুলোই সব...

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: হা হা হা...

চিত্রময় মন্তব্য। ভালো লাগছে বুঝতে পারলাম। অন্যার্থে, পড়ে একেবারে হট্‌ (!) হয়ে গেছেন কি?;)

৩. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১০
রাতমজুর বলেছেন: না রে ভাই, ফ্যান হইয়া গেলাম :)
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: ওহ্‌! হে হে ... বুঝি নাই প্রথমটায়! :`>

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: :) :) :D

৫. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৯
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
@ লেখক:

আপনার পোস্টটি হয়তো কোনদিন পড়বো, হয়তো পড়বো না। কিন্তু
আপনার এ লাইনটি - তোমার দিকে আসছি আমি কত শত বছর ধরে - আমার কাছে অপার গভীরতাময় মনে হয়েছে।

এই আসা, শত বছর ধরে কেবলই এই আসতে থাকা কোনদিন ফুরাবার না, তাকে পাওয়ার সময়গুলোতেও না।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫৬

লেখক বলেছেন: এই আসা, শত বছর ধরে কেবলই এই আসতে থাকা কোনদিন ফুরাবার না, তাকে পাওয়ার সময়গুলোতেও না।

এই কথাটুকুর মাঝে মনে হয় আমার না-বলা কথাটা রয়ে গেছে। এভাবে কেউ আমার অনুভবে অনুরণিত হলে একটা প্রগাঢ় আলো আমাকে আচ্ছন্ন করে। এই মন্তব্যের জন্যে আপনাকে ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

খুব খুশি হবো যদি লেখাটি পরে কখনও পড়ে নেন।:)

৬. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১১
একরামুল হক শামীম বলেছেন: কি আর বলবো!!
দারুন লিখেছো।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:০২

লেখক বলেছেন: আরো কি কি বলবা!! :)

দারুন লিখি নাই- ক্ষ্যাপাটে চিন্তাগুলো লিখিয়ে নিলো! ;)

৭. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:২১
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
আপনার গদ্য নিয়ে আগেও বলেছি। দারুণ চিত্রকল্পময়, ঋজু, টানটান গদ্য। পড়তে ভালো লাগে। এই লেখার ব্যাপারে অনেক কথাই বলা যায়। কিন্তু টেকিনক্যাল কারণে বলতে পারছি না! কী-বোর্ড ঝামেলা করছে!! :( :(
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:০৬

লেখক বলেছেন: কী-বোর্ডকে মাইনাচ! :(
এই ঝামেলায় আপনার কথাগুলো জানা হলো না। ঠিক আছে, সময় পেলে পরে জানিয়ে যাবেন কি?

গদ্য আমি খুব কম লিখি, হাতে আসে না। আর এই চিন্তাগুলো তো আরো উদ্ভট- লেখা গুছানোর নিয়মটা জানি না, তাই এলোমেলো যা মনে পড়ছে সেটাই লিখে ফেলছি।

আপনার প্রশংসায় সবসময়ই অন্যরকম আনন্দ আর বেহিসেবী সাহস পাই। মনে হয় কিছু "একটা" লিখতে পেরেছি।

অনেক ধন্যবাদ আহমাদ ভাই।:)

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২০

লেখক বলেছেন: কবিতাতেও হুম, গদ্যেও হুম। হলোটা কি তোমার? :(

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২২

লেখক বলেছেন: আরে রাশেদ ভাই যে!!

অনেকদিন পর... কেমন আছেন??

১০. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:০১
কঁাকন বলেছেন: এতদিন শুধু কবিতার ভক্ত ছিলাম

এটা পড়ে তো পুরা পান্খা ভালো থাকুন
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২২

লেখক বলেছেন: সবাই এই গরমে পাখা হয়ে যাচ্ছে!! এখন আমি কী করি??:|:|

কেমন আছেন?

১১. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৩৯
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: অসাধারণ একটা লেখা হয়েছে। অপূর্ব।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: অসাধারণ মন্তব্যের জন্যে অসাধারণ সাইজের একটা ধন্যবাদ দিলাম! কেমন আছো আশরাফ?

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪২

লেখক বলেছেন: তাই নাকি??:)

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: এইডা কি গো মনু?? :-*

১৪. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২৯
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: বড় পাপ হে!

ওহে বিদ্যুত মিত্র, ভাল্লাগছে।

(এক সময় সেবা প্রকাশনী থেকে 'আত্মউন্নয়ন সিরিজ' নামে বেশ কয়েকটি বই ছাপা হয়েছিল। বিদ্যুত মিত্র ছদ্দনামে কাজী আনোয়ার হোসেন নাকি ওগুলো লিখেছিলেন; শোনা কথা। যাহোক, সেগুলো ছিল আমার কৈশরের প্রথম দিককার ভালো মানুষ হবার চেষ্টা থেকে পড়া। আসলে কথাটা ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা নয়, বইগুলোই ছিল ভালো- সুলিখিত। যদি সুযোগ হয় পড়ে দেখতে পারেন। কাজেও লাগতে পারে।)

আপনার গদ্যের হাত, এরমাঝে অনেকেই বলেছেন- চমৎকার। আমিও তা-ই বলি। আরো লেখা চাই। গদ্য, পদ্য- সবকিছু।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৩

লেখক বলেছেন: বিদ্যুত মিত্রকে ভুলে গেছিলাম। ছোটবেলায় পরা বইগুলোর কথা মনে করিয়ে দিলেন!! কাজীসাহেব যে ছদ্মনামে লিখতেন এটা জানা ছিল না যদিও! আপনি মন্তব্য করলেই সেটা থেকে কিছু শিখি, কিছু জানি। এজন্যেই অপেক্ষায় থাকি।

আসলেই বড়ো পাপ হে!!

লেখা চলুক আমার আপনার সবার!

১৫. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২২
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: অনেক ভাল লাগল।মোবাইল থেকে লিখতেছি তো ,লেখা নিয়ে পরে ডিটেইল কিছু লিখব।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে দোস্ত! ঈদে ঢাকায় থাকবি না বাইরে?

১৬. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪
আমি ও আমরা বলেছেন: দারুন লিখা, আপনার গদ্য বিবাহযোগ্যা এক কন্যা। ঘরে আর রাখা যাবেনা দেখছি।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: বাপ্পী ভাই, দাদরা'র খবর কী? কেমন আছে?

১৭. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫২
আমি ও আমরা বলেছেন: দাদরার আজ রক্ত লেগেছে। আমার বাবা রক্ত দিয়েছে। এখন তার অক্সিজেন খুলে ফেলা হয়েছে। দাদরা আজ অনেক অনেক ভাল। আমার মন ও ভালো। আপনাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৮

লেখক বলেছেন: দারুন! দারুন!! দারুন!!! :D:D


এবারের ঈদ তাহলে একটা খুব খুব সুন্দর সংবাদ নিয়ে এলো।:):)

ভালো হয়ে উঠুক দাদরা পুরোপুরি। এত মানুষের ভালোবাসা যে জন্মেই পেয়েছে সে বড়ো হয়ে একটা বিরাট কিছু করবে শিওর! :D

১৮. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০৯
নুশেরা বলেছেন: এটা কী হল ছন্ন? এত্ত ভাল একটা লেখার প্রথমার্ধের পাপবোধ থেকে দ্বিতীয়ার্ধে একটু যেন তড়িঘড়ি করেই ধর্মে... মাঝখানে আরও পাওনা রয়ে গেল কিন্তু।

অভ্যাসগত অথচ আন্তরিক "ঈদ মোবারক"।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: এখনও রমজান শেষ হয় নাই। ক্লান্ত লাগে ধর্মীয়-পুরুষোত্তমদের সাথে হইহই করে মারামারি করতে। রমজানে পাপবোধের ব্যাপারে আমার নিজস্ব চিন্তা জানলে তারা ক্ষেপতে বাধ্য। রাগান্বিত মানুষ আবার খুব আনপ্রেডিক্টেব্‌ল!

আর ধর্ম নিয়ে বেশি কথা বলার কারণ হলো সম্প্রতি টাকাপয়সা বেশি হওয়ায় সেটা ধর্মের আড়াল নিয়ে ভোগে খরচ হচ্ছে বলে। আমরা খুব অবলীলায় হাজার কোটি উড়িয়ে দেই, টাকার গায়ে একটা ধর্মীয় লোবান পরানো থাকে, যে ধর্মই বলেছিলো অপচয় না করতে আর ভাগাভাগি করে খেতে।

লেখাটা বিক্ষিপ্ত আগেও বলেছি আপা, আরও গুছিয়ে লেখা শিখতে হবে... আপনার মতো!!:):)

আপনাকেও ঈদের শুভেচ্ছা রইলো। সাথে অপনার জন্যে এই মামা-র ঈদি!!

১৯. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২৯
নুশেরা বলেছেন: গুছিয়ে লেখা শিখতে হবে... আপনার মতো!!:):)
হা হা হা হা, ঈদরঙ্গ আর কাকে বলে!!!

ভাইরে, ভার্সাচি, কেলভিন ক্লেইন, পিয়েরে কার্ডিন, গুচি'র মতো ব্র্যান্ড বোরখা, স্কার্ফ, হিজাব বানায়... আর মধ্যপ্রাচ্য তো বটেই, আমাদের ফকিরনী দেশেরও কিছু গালিযোগ্য পাবলিক এগুলো ব্যবহার করে পরকালের স্বর্গসুখে বিনিয়োগ করে। এর চেয়ে খুব বেশী অশ্লীল আর কী হতে পারে!
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৩

লেখক বলেছেন: তাহলে আমার দেখা উদাহরণটা বলি, এক বন্ধুর সাথে দেখা হলো, গায়ের টি-শার্ট দেখায়ে বললো, "এটা অমুক স্টোর থেকে কিনছি, ২০০০ টাকা দাম।" আমার গায়ে ঢাকা কলেজের সামনে থেকে কেনা ৫০ টাকার টি-শার্ট! বললাম, এটা কী সুতো দিয়ে বানাইছে? এত দাম হবার কারণ কি?
বন্ধু আমার দিকে এমনভাবে তাকালো মনে হলো আমি কোনও রুটের বাসে করে মাদারীপুর থেকে আসছি।
মনে মনে বললাম, বাসায় গিয়ে গেঞ্জিটা খুলে ফেললে সেই ৫০০টাকার বেতনে কাজ করা বুয়া তো ৫০০ টাকা দিয়ে কেনা ডিটারজেন্টেই ধুইবে। তোমার ফুটানির দৌড় জানা আছে!...

----
পরকালে বিশ্বাস নাই। ইহকালেই পুরাপুরি বিশ্বাস আসে না এইসব অবিশ্বাস্য ঘটনার তোড়ে!:(

২০. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৭
এই আমি বলেছেন: ভাইয়া, লেখাটা অনেক ভালো লাগল................ভাইয়া আপনার কি মনখারাপ????

ভালো থাকবেন ভাইয়া.............
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১০

লেখক বলেছেন: না আপু, মন ভালো আছে। ইদানীং মন বেশ ভালো থাকছে (যেটা একটা আশংকাজনক ব্যাপার!)।

তোমার ভালো লাগা জেনে খুশি হলাম। ঈদের শুভেচ্ছাসহ সালামি!!:)

২১. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৩
এই আমি বলেছেন: ভাইয়া আজকে তো ঈদ না...........তারপরও যখন ঈদের সালামী দিলেনই তাহলে ঈদের দিনও দিতে হবে..........কি মজা..........দুইবার পাবো ভাইয়ার কাছ থেকে.........

ভাইয়া মন ভালো থাকাই তো ভালো..............

ভালো থাকবেন ভাইয়া আর সবসময়ই মন ভালো থাকুক...........ভাইয়ার....
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: ঈদের সময়ে ব্লগে আসা হবে না। তখনকারটা এখন অগ্রীম দিয়ে দিলাম।:)

তোমার মন ভালো তো? ভালো থেকো।

০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: আপনার জন্যেও ঈদের শুভেচ্ছা রইলো।

২৩. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮
নিহন বলেছেন: ঈদ এলোরে ......
আমার , আপনার ...
পথের মাঝে ঘুমিয়ে আছে যে ,
পথ শিশু তার ।
তুলে নিন সেই শিশুদের
বুকের মাঝে ,নতুন সাঝে ।

.............ঈদ মোবারক ..........
০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন: তোমাকেও ঈদের শুভেচ্ছা। আশা করি একদিন আমরা ঈদের আনন্দে সবাই একইভাবে উদ্বেলিত হতে পারবো- ধনী-গরীব সবাই!

২৪. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:২২
নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
খুব বেশি ভালো লাগল পোস্টটা। এত বড় লেখা পড়ব না পড়ব না করেও পড়ে ফেললাম।
আর সুচিন্তিত মন্তব্য করার জন্য প্রিয়তে রেখে দিয়েছি, আরও কয়েকবার পড়তে হবে।:)
শুভেচ্ছা রইল।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: তোমার মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম। আসলে নিজের ভাবনাগুলো অন্যের সাথে ভাগ করলে তাদের ধারণাগুলোও জানতে ইচ্ছা করে।

শুভেচ্ছা রইলো তোমার জন্যেও!!

২৫. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮
দখিনা বাতাস বলেছেন: সাম,ইনে ইদানিং ভালো লেখার বড় আকাল। এর মাঝে আপনার এই লেখাটা পড়ে খুব ভাল লাগলো। নাহ, এখনও কিছু ভালো ভালো লেখা আসে সাম, ইনে।

ভালো থাকবেন। ঈদের শুভেচ্ছা।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: ভালো লেখার আকাল তা মনে হয় না আমার। হয়তো আমরা এখন একটা অস্থির সময় পার করছি বলে ভালো লেখা লিখতে বা পড়তে পারছি না।

যাহোক, আপনাকে এখানে পেয়ে ভালো লাগলো। ঈদের শুভেচ্ছা রইলো।

২৬. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭
আরিফ জেবতিক বলেছেন: দেখেন কারবার । সবাই এখন আপনার গদ্যের প্রশংসা করছে । আমি তো সেই কবেই বলেছি ....। ;)


"আমরা এগোচ্ছি সামনে, ধীরে ধীরে আমাদের পদক্ষেপের দ্রুততা বাড়ছে। " এই লাইনটি আলাদা করে বুকে গেঁথে গেল ।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: হুম, সেই উৎসাহটুকুর জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ জেবতিক। :)

বেকে লাইন গেঁথে দিতে পেরে খুশি হলাম। অহিংস মানুষ, আর কিছু গাঁথার ইচ্ছা নাই।

শুভেচ্ছা রইলো।

২৭. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:১৮
মরিয়ম বলেছেন: এসময়ে আমাদের বোধের পাড়ায় পাপাবলী নেয়ে কথা বলা ভাল এবং প্রয়োজনীয় মনে হচ্ছে। আমরা ক্রমশঃ মূল্যবোধ নিরপেক্ষ হতে গিয়ে নিজেরা যে সকল বিষয় সহজাত ভাবে অর্জন করেছি অর্থ্যাৎ ভার-মন্দ ফারাক বা নানান রকম বিবেচনা- এসবকে আমি আমাদের সভ্যতারই অর্জন ভাবি। যদিও সংস্কৃতি ভেদ আছে। তাই সভ্যতার অর্জনকে বাদ দিয়ে হুট করে নতুন ভাবে শুরু করাটা বোকামি হবে ভাবি।

আপনি একটি পর্যায়ে ঠিকই ধরেছেন যে, আমরা একটা এক্সট্রিম-কে প্রকাশ করতে মনে হয় আরেকটা এক্সট্রিম-কে টেনে আনতেই হয়। বিষয়টিকে আমি এভাবে নেই যে, আমরা আসলে একটি এক্সট্রিম নেতি থেকে উত্তরিত হতে যেয়ে অন্য একটি এক্সটিমে যাই- কিন্তু ভুলে যাই মধ্যে অন্য অনেক সৃষ্টিশীল ও নান্দনিক পথ আছে।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: ভাল-মন্দ ফারাক বা নানান বিবেচনা কি আসলেই সভ্যতার দান? আমার মনে হয় না। সেখানে সংস্কৃতির প্রভাব আরেকটু বা বেশিমাত্রায়ই বেশি বলে মনে হয়। দেখুন আমরা যখন থেকে জ্ঞান-বুদ্ধি হয় তখন থেকেই সামাজিক জীব হতে শুরু করি। তার আগে ঐ শিশুকালেই নিজের সত্ত্বা বাদে আর কিছু নিয়ে সচেতন থাকার প্রয়োজন ছিলো না। কিন্তু কিছুদিন পরেই কৃষ্টিকালচার শরীরে মননে ঢুকতে থাকে। এটার কথাই বলছিলাম। সভ্যতার প্রভাব মনে হয় আরো পরে পড়ে। বিদ্যার্জনের সময়ে গিয়ে। তখন আরো সাবলীল আর নিয়ম মেনে পাপবোধ শিখিয়ে দেয়া হয়।

মূল্যবোধ নিরপেক্ষ কি কারো পক্ষে হওয়া আদৌ সম্ভব?? আমরা ক্রমশই মূল্যবোধের খোলসটা বদলে ফেলছি, কিন্তু পুরোপুরি নিরপেক্ষ হতে পারি নাই।

আপনার পরের ভাবনাটার সাথে আমি একমত। মাঝের পথগুলোর অভাববোধ থেকেই এই লেখার অবতারনা। সেখানে আরেকটা কথা না বললেই নয়। এই দ্রুত/আশু সমাধান নামক পথ বেছে নেয়াতে মনে হয় একটা টিউমার-গোছের কিছু তৈরি হয়েছে। বড় বিসদৃশ তার অবয়ব।

আলোচনা চলুক। আপনার সময় নিয়ে করা মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ!

২৮. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০০
মেঘাচ্ছন্ন বলেছেন: ঈদ মুবারক !!
ভালো থেকেন ভাইয়া ।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: তুমিও ভালো থেকো। অনেক অনেক ঈদের শুভেচ্ছা!

২৯. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৩
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
হুম, এজন্যি আমি পাপ বোধ করি না । অবশ্য পূন্য বোধ ও করি না । গুরু বলেছিলেন, পাপ পূন্যের কোন পরম রূপ নেই ।

আপনার লেখায় যত্নের ছোয়া পেলাম । বস, হবে , আপনাকে দিয়েই হবে । :)
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সিহাব প্রশংসাবাক্যের জন্যে।

পাপবোধ না করাটা তো একরকম কঠিন একটা কাজ! পূণ্যবোধ না করা তবুও কিছুটা সহজ। বেশ চমৎকৃত হলাম তোমার কথায়।

ভালো থেকো।

৩০. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:০৮
মরিয়ম বলেছেন: দেখুন আমরা যখন থেকে জ্ঞান-বুদ্ধি হয় তখন থেকেই সামাজিক জীব হতে শুরু করি।- এখানে আপনি ঠিক বর্তমান সময়ের সমাজ বা কাছাকাছি বর্তমানের সমাজ ভাবনা নিয়ে বলছেন। কিন্তু মানুষ যখন গুহা জীবন হতে সমাজে জীবনে উত্তরনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলো- এটিকে তার সভ্যতায় উত্তরণের প্রাথমিক অর্জন বলতে হবে। সে অর্থে ভাল-মন্দ বিচার করবার যে জ্ঞান/পদ্ধতি তা সমাজ জীবনের জন্য বা সামাজিক সংহতির জন্য জরুরী মনে করেছে মানুষ- তা-ই সভ্যতার অর্জন। ব্যক্তি আমি মূল্যবোধ নিরপেক্ষ নয় বটে, কিন্তু সমাজ জীবনের জন্য বা সামাজিক সংহতির জন্য একটি নৈর্বত্তিক নিরপেক্ষতার প্রয়োজন আছে।

আলোচনা সমাজ শিক্ষা ধরনের হয়ে গেছে মনে হচ্ছে। আমি অন্য কোন ভাবে বুঝিয়ে বলতে পাছিলাম না।

ঈদ মোবারক।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, এবারে আপনার কথাটি বুঝতে পারলাম। সভ্যতার উত্তরণের ধাপে ধাপে পাপবোধ, মূল্যবোধ তৈরি হয়েছে, আবার পরিবর্তিতও হয়েছে। একসময়ে যা অন্যায়, অন্যসময়ে অন্যসমাজে তা আর অন্যায় থাকেনি। সেটা সভ্যতা নির্ধারণ করে দেয়।

কিন্তু এই নৈর্ব্যক্তিক মূল্যবোধটি ঠিক পরিষ্কার না আমার কাছে। একটা সমাজ (যে কোন নির্দিষ্ট সময়ে) একটা স্থির মূল্যবোধের মাপকাঠি ধরে রাখে। সেটা সংস্কৃতি-সভ্যতার মিলিত মিথস্ক্রিয়ায় তৈরি হয়। ওটাকেই কি নৈর্ব্যক্তিক বলছেন?

আলোচনায় উদ্দীপিত বোধ করছি। অযথা কুণ্ঠা সেখানে স্থান নাই। যেভাবে যতটা কথায় দরকার, বুঝান।

ভালো থাকুন।

৩১. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৩৭
~টক্স~ বলেছেন: মানবজীবনের বিভিন্ন দিকগুলোর বিশ্লেষণী লেখা পড়ে ভাল লাগল খুব।
কিছু কিছু ভাবনাগুলো মনের গভীরে দাগ কেটে গিয়েছে। এখনো ভাবছি সেগুলো নিয়ে। আর কতগুলো ভাবনায় মিল দেখতে পেলাম। ভাল লাগল তো অবশ্যই।

ঈদের অনেক শুভেচ্ছা আপনার ও আপনার পরিবারের জন্য।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: কী কী ভাবলে জানিও। আমি সর্বদাই অন্যের দৃষ্টিভঙ্গিতে কৌতুহলী হই!

তোমাকেও অনেক শুভেচ্ছা।

৩২. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৮
সবাক বলেছেন: বিবাহিত লেখা
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: বিবাহ কবে হইলো??:-*
বোরহানি আর কাচ্চি খাই না বহুদিন!!

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শামীম ভাই। আপনার লেখাটি কিছুটা প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে, এজন্যে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৩৪. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫৯
মরিয়ম বলেছেন: ব্যক্তি আমি মূল্যবোধ নিরপেক্ষ নয় বটে, কিন্তু সমাজ জীবনের জন্য বা সামাজিক সংহতির জন্য একটি নৈর্বত্তিক নিরপেক্ষতার প্রয়োজন আছে।

একটু পূর্বের রেশ ধরে নিলাম।
এখানে নৈর্বত্তিকতা মূলতঃ অবজেক্টিভ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। সেই অর্থে সমাজ সংহতির প্রয়োজনে ব্যক্তির (যে ব্যক্তি আমি মূল্যবোধ নিরপেক্ষ নই বটে) নিরপেক্ষতার কথাই বলছি। ব্যক্তির মূল্যবোধ বিশ্বাসের বিষয়, এটি ব্যক্তি বিশ্বাস করে; কিন্তু নৈর্বত্তিক নিরপেক্ষতা তার আচরণের বিষয়, সমাজের প্রয়োজনে তার আচরণের বিশুদ্ধতা। যে ব্যক্তি আমি মূল্যবোধ নিরপেক্ষ নই, তার আচরণ নৈর্বত্তিক ভাবে নিরপেক্ষ- বিষয়গত- বাস্তব; খামখেয়ালিহীন, একগুয়েমী বিবর্জিত।

একটি সমাজের 'স্থির মূল্যবোধ' কিন্তু অনেক গুলো মানুষের ব্যক্তি মূলোবোধের ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। এখন ব্যক্তির মূল্যবোধ কোন ভাবে তার সামাজিকীকরনের মাধ্যমে অথবা নিজস্ব বিবেচনায়ও গড়ে ওঠে। ব্যক্তির নিজস্ব বিবেচনা তার জ্ঞানীয় পরিসর দ্বারা নির্ধারিত হয়। সেক্ষেত্রে ব্যক্তি নিজস্ব বিবেচনায় তার সমাজের প্রচলিত মূল্যবোধ-এর সাথে মিথস্ক্রিয়া করে মেনে নেয় অথবা অস্বীকার করে। অস্বীকার করাটা সমাজ সংহতির জন্য ক্ষতিকর। যে সমাজ জীবন ছাড়া বেঁচে থাকা বা ব্যক্তিমানুষ টিকে থাকতে পারেনা জানি তার ক্ষতির দিকটি আগেই মূল্যায়নে নিতে হবে বলে আমার ধারনা। তাই সমাজের 'স্থির মূল্যবোধ' বললে যে নেতি-দ্যোতনা তৈরী হয় তাকে এড়িয়েও কথা বলা যেতে পারে।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: স্থির মূল্যবোধ' একটা বিপজ্জনক প্ল্যাটফর্ম। সেখানে দাঁড়িয়ে সমাজে ঘটমান অনেক পরিবর্তনকেই নাকচ করে দেয়া যায় যেগুলো হয়তো সমাজের, এমনকি ব্যক্তির বিকাশের সহায়ক হতো! মূল্যবোধের স্থিরতাকে একটা অচলায়তনও মনে হতে পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রে সেটাই আবার চোরাস্রোত বন্ধ করতে পারে। এখানে কোন সময়ে কোনটা গৃহীত হবে সেটা বিরাজমান মানুষগুলোই স্থির করবে।
----
তবে মূল্যবোধ-নিরপেক্ষতা আর নৈর্ব্যক্তিকতার আলোচনায় আপনার সাথে পুরোপুরি একমত হতে পারছি না। মনে হয় একটা দিক একটু ভেবে দেখবেন। একজন মানুষ যখন বিচারক বা নীতি-নির্ধারকের আসনে বসেন তখন তার মধ্যে কিন্তু চিরায়ত একটা দ্বন্দ্বও শুরু হয়ে যায়। প্রচলিত আইন বা সমাজের নিয়মের বাইরে যাওয়া তার জন্যে অসম্ভব। কিন্তু কোন কোন সামাজিক/রাষ্ট্রিক আইন হয়তো এই পরিবর্তিত সমাজে অপরাধীকে আর ততটা অপরাধী ভাবছে না। ব্যক্তিবিশেষে সেটা হয়তো ছাড় দেয়া শুরুও হয়েছে। সেটা ভালো খারাপ এই প্রশ্নের চাইতেও বড়ো হয়ে দাঁড়ায় সেটা গ্রহণযোগ্য-অযোগ্য কি না সেটা। সেখানে নির্ধারণ-প্রক্রিয়া "করাপ্টেড" হয় এমনটা কি বলা যায়?

এর সাথে পাপবোধের সম্পৃক্ততা এইখানেই যে মানুষের পক্ষে যেকোনও পক্ষ নেয়াটা এক জিনিশ, আর সেই পক্ষ নেবার কারণে কাজেকর্মে সেটার দায়ভার তোলাটা আরেক জিনিশ। প্রচলিত মতের বাইরে মনের মধ্যে অনেক ধারণাই পুষে রাখা যায়- কিন্তু তার প্রকাশ করাটাকে বেশ আয়াসসাধ্য মনে করেন অনেকেই। সেজন্যে পাপবোধের মূল্যায়নেও আমাদের পুরোপুরি নিশ্চিত হবার সম্ভাবনা নেই যে এই সমাজ কতটা নিজের সমস্যা বা অপরাধকে চিহ্নিত করতে পারছে!

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অপ্সরা।

৩৬. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০০
পারভেজ বলেছেন: কিছু কিছু জায়গায় কথার পিঠে কথা তো বলতে ইচ্ছে করেই,। কিন্তু আর হয়ে উঠে না। আপাততো প্রিয়তে থাক। সময় নিয়েই বসবো।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পারভেজ ভাই। সময় করে বললে বেশ খুশি হবো। এখানে যারাই কিছু বলছেন, আমার চিন্তার সলতেটিতে একটু বেশি করে উস্কানি দিচ্ছেন। এই নিবিড়তা উপভোগ্য খুব!

ভালো থাকুন।

৩৭. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৮
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: ভালো লিখেছেন আন্দালিব



কেমন আছেন ইদানিং?
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:২৯

লেখক বলেছেন: ভালোই আছি প্রণবদা। আপনি কেমন?

৩৮. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৩৪
আমি ও আমরা বলেছেন: নতুন কবিতা দিয়েছি।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৩১

লেখক বলেছেন: দেখছি।:)

০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: ?

৪০. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৬
আইরিন সুলতানা বলেছেন: পর্যবেক্ষণ, বিশ্লেষন সমসাময়িক পরিবর্তন, অস্থিরতাকেই সূক্ষ-স্থূল রূপে ইঙ্গিত করে ...

তবে শতাব্দী/যুগের পরিবর্তনে বোধহয় এই অস্থিরতা, বিভেদ, ফাঁক-ফোঁকড় গুলো আসবেই .... এখানে থেকেই জন্ম নেবে আলোচনা, পর্যালোচনা...তৈরী হবে গ্রহণ-বর্জনের মানসিকতা.....
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:১৩

লেখক বলেছেন: পরিবর্তনটা সহজাতভাবেই হলে ভালো হয়। কেন জানি মনে হচ্ছে অস্থিরভাবে সবকিছু অ্যামিবার মত বদলাচ্ছে। সেখানেই টিউমার টিউমার মনে হচ্ছে।

আপনার কি মনে হয়?

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: অনেকদিন পর! কই থাকেন??

৪২. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:১৭
নিবিড় অভ্র বলেছেন: শান্তির দেবদূত বলেছেন: এক কথায় দারুন ........


আসলে পোস্টটা আগে পড়েছি...... গতকাল রেটিং দিয়েছি......
কিন্তু কি বলব এখনো বুঝে উঠতে পারিনি....... তাই শেষ পর্যন্ত পাইরেসিই করতে হল! :)
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:২২

লেখক বলেছেন: পাইরেসি জিন্দাবাদ। তবে এখানে ওটার নাম বোধহয় "কপি-পেস্ট" বা "কর্তন-সাঁটানো"!:)
এর চেয়ে বরং নিজের কথাই বলেন, ভালো লাগবে শুনতে। না বুঝে ওঠা কথাও ভালো।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৫৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
লেখালেখির সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত©লেখক

যোগাযোগঃ shunno.oronno@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই