আমার প্রিয় পোস্ট
- নিজের ওয়েবসাইট বানানো ( অবুঝ প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশুদের উপযোগী টিউটোরিয়াল) সূচীপত্র - ই য়া দ
- ইভটিজিং লইয়া ইহা কোন আলগা আলোচনা না। অপ্রিয় সত্যের আঘাতে আহত হইতে পারেন। (পর্ব-২) - পারভেজ আলম
- দেইল্যা রাজাকার ওরফে দেলোয়ার হোসেন সাইদী - পঙ্খিরাজ
- বিবর্তনের ফলে মানব দেহে রয়ে যাওয়া কয়েকটি অপ্রয়োজনীয় অঙ্গ এবং মাস্ল। - হোরাস্
- বর্ষা-বরণ ও কতিপয় ব্লগারগণ - অন্যমনস্ক শরৎ
- হাইপেশিয়া—আলেকজান্ড্রিয়ার বাতিঘর - ম্যাভেরিক
- বাধ্যতামূলক ধর্মশিক্ষা এবং একজন নাস্তিক পিতার অসহায়ত্ব - সন্যাসী
- মেঘবাজি সমগ্র-১ - মেঘবাজি
- আমরা যা বলতে পারি না, সেখানে নীরবতাই উত্তম কথক - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- এ ধরনের যুদ্ধশিশুদের জন্য আমাদের করনীয় কি - শয়তান
- THE P A U S E . - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- আমার রাজ রাজেশ্বরী - ফেরারী পাখি
- গটমট ডায়েরী - অনাহুত আগন্তুক
- আমি তোমাকে উপর থেকে দেখি - অন্যমনস্ক শরৎ
- ~ রুপকথা ২ ~ - ~স্বপ্নজয়~
- অপ্রকাশিত জীবনানন্দ - সুদীপ চৌধুরী
- কোন এক পশ্চিমা শহরের কবিতা বা গল্প - জামাল ভাস্কর
- আমিও লিখলাম - আকাশ_পাগলা
- Wish you were here-'RICK' (1943-2008) - ফয়সালরকস
- অস্পষ্ট শেষ পৃষ্ঠার হাসি - মুক্তি মণ্ডল
- অভিমান: আমার লেখা ব্ল্যাক-এর সেই অভিমানী গান ... - ইমন জুবায়ের
- অলৌকিক ইস্টিমারটা আর ফিরে এলোনা বন্দরে (শ্রদ্ধা হুমায়ুন আজাদ) - অন্যমনস্ক শরৎ
- বন্ধু, তোমার পথের সাথীকে চিনে নিও - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- একজন অপ্রকৌশলীর বুয়েট প্রেম - সাহোশি৬
- বৃত্ত অতিক্রমণের চেষ্টা (দুটি বেঞ্চিতে মুখোমুখি চারজন) - বৃত্তবন্দী
- অলৌকিক বৃষ্টি - প্রতিধ্বনি, তুমিতো
- ভার্চুয়াল সম্পর্কগুলো.... - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- * * ছ .*. ন্ন .* * ত .*. র ** . ঙ্গ . ** * - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
এই শহরে আমার পথে মগ্ন হয়ে যায় বাসের শিস
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২২
এই যে ঢাকা শহরে হেঁটে চলে বেড়াই, দিন যায়, মাস যায়, গরমের দিনগুলো পেরিয়ে শীতের বাতাস আসে। তারও আগে বৃষ্টি ঝুম করে দারুন ভিজিয়ে যায়। সিক্ত নগরীও একসময় শুকিয়ে ওঠে। তারপরে আবার কুয়াশা কেটে চরাচরে উৎসব জমে ওঠে। এরকম দিনাতিপাতে খেয়াল থাকে না কখন বেড়ে উঠছি। বয়েসের কোঠা একটা একটা ধাপ পেরুচ্ছে। সেখানে ধাপে ধাপে কতমুখঃ চেনা-অচেনা-সাদা-তামাটে-কালো-কালিমাখা। এইসব মুখের ভীড়েও কাউকে চিনে ফেলি স্বজন মনে করে। কাউকে দু'চোখে ঘৃণা করি শত্রু ভেবে। এভাবেই দিন কাটাই। ঘুড়িওড়া দিন শেষে টের পাই, বয়েস বাড়ছে। যেসব সময় পিছনে ফেলে এসেছি সেসব কেমন বিবর্ণ হয়েও জ্বলজ্বল করছে। ফিরে তাকালে হাসিমাখা কিংবা কান্নাভেজা দু' চোখ দেখি। পুরোনো আমি'র সেই দু'চোখ আমাকে মাঝে মাঝে সাহস দেয়ঃ "এই দেখো, পুরোনো আমাকে ফেলে তুমি কতো কতো পথ এগিয়ে গেছো! সেখানে তোমার ত্বকে ভাঁজের সাথে জমেছে স্মৃতিরা।" আবার মাঝে মাঝে সেইমুখটাই আমার দিকে তাকিয়ে ঠা ঠা হেসে দেয়ঃ "কী অদ্ভুতভাবে তুমি ব্যর্থ হচ্ছো! এতকিছু শিখেও বুঝে উঠলে না জীবনের মানে!"
শহরের কথা বলছিলাম। কিছু কিছু রাস্তা এখানে আমার হাতের তালুর মতো আপন মনে হয়। এমনও হয়েছে, দিনে দু'তিনবার করে একই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেছি। আজকে যেমন ফিরে আসছিলাম, সোজা শাহবাগ থেকে ক্যান্টনমেন্ট। রাত ঘড়িতে নয় ছুঁই ছুঁই। রেডিয়াম জানিয়ে দেয় খুব বেশি বাকি নেই, নিশুতি রাত নেমে আসবে এই জরাক্লান্ত শহরটাতে। রাস্তার আলোগুলো আরও ম্লান হবে আর ঢাউস পেতনি-র মতো সিটিবাসগুলো ভাঙাচোরা বাম্পার আর চটে-থেবড়ে যাওয়া বডি নিয়ে নিঃশব্দ হবে। আমি মোড় থেকে একটা মিশুক নেই। সিএনজি পেলাম না। ওরা আসার পরে এই মিশুক কেমন জানি দত্তক-নেয়া সন্তানের মতো হয়ে গেছে। দাঁড়িয়ে থাকলেও কাছে ডাকি না। সিএনজি-কে খুঁজি। এখন যেমন, না পেয়ে অগত্যা! উঠে পড়ে টের পেলাম কী অবহেলায় মিশুকটা দিনে দিনে পাশের বারডেমের বহুমূত্র রোগীর মতো শুকিয়ে ছিবড়ে হয়ে গেছে। গিয়ার বদলাতে গেলে অদ্ভুত ঝাঁকুনি দেয়। পিঠের পেছনে ফোমটাও চিমশে গেছে বলে আমাকে শিরদাঁড়া সোজা করে রাখতে হয়। বাস্তবতার কঠোর চাপে ওটা প্রায় বেঁকে গেছে বলে এখন সোজা করতে অস্বস্তি হয়, টের পাই।
চারপাশে ডাইনিগুলো খেদিয়ে আমাদের ড্রেনের কাছে নিয়ে যায়। দীর্ঘ বন্ধ্যাকালীন জ্যামে বসে বসে আমি ফুটপাতের দ্রুতগামী মানুষ দেখি। কাজ শেষে সবাই ফিরছে। কতো কতো দূর এরা এভাবেই হেঁটে যাবে। আমিও মাঝে মাঝে যেতাম, যেতে হতো- যখন কিছুই পেতাম না রাত বেড়ে গেলে, তখন পায়ের জোর বেড়ে যেতো কোন কারণে। একটু পরে, বেশ একটু পরে আমরা দাড়িয়ে থাকাদের ফাঁকফোঁকর গলিয়ে দাহ্য-গ্যাসোলিনের ইঞ্জিনের পাশে এসে যাই। সিগন্যাল ছাড়ে অনেকক্ষণ পরে। ওপাশে অসহায় বন্ধ্যাদের ফেলে আমার মিশুক আবার গুঙিয়ে এগুতে থাকে।
বাতাসটা ঠাণ্ডা হয়ে আসছে। সামনে শীতে অনেকগুলো মানুষ মারা যাবে। পেপারে লিড হবে সেটা। তারপরে পেছনের পাতায় যাবে, সেখান থেকে ভিতরে ময়লাটে পাতায় স্থান পাবে কারণ আর কোন খবর নেই এই দেশে। শীতে কুঁকড়ে মানুষস্বরূপ প্রাণীদলের মরে যাওয়াতে পেপারকাটতি, মানবাধিকার-সংগ্রামীদের উদ্যোগ এসবই সার। এরপরে আর কিছুনাই- এটাই বড়ো সত্য! তারপরে বসন্ত এসে গেলে আমরা অপরাধবোধের জোয়াল নামিয়ে রেখে হাঁপ ছাড়বো।
এখন আমার মিশুক বেগবান! এঁকেবেঁকে ছুটছে, যদিও বৈমাত্রেয় সিএনজি টপকে যায়, কুৎসিত প্রতিবেশী কালো কিংবা হলুদ ট্যাক্সি টপকে যায়। রাস্তার মাঝখানে কয়েকটা ম্যানহোল, ওগুলোর চারপাশে একটা সিমেন্টের বর্ডার দেয়া। আমার মিশুক ওগুলো টপকে যাবার সময়ে জোরে ঝাঁকুনি খায়। মসৃণ ত্বকের ওপরে জড়ুল!! আমি সামনের জংধরা রডটা শক্ত করে ধরে থাকি। পথে সার্ক ফোয়ারার বিষন্ন গোলক দেখি। গোলকের গায়ে হেডলাইট-টেললাইট-স্ট্রিটলাইট পড়ে পড়ে কী মোহময় ছবি আঁকছে। এই শহরেও সুন্দর জন্ম নেয় তাহলে! চুপচাপ দু'সেকেন্ড বেঁচে থাকে। তারপরে কর্কশ হর্ন-ধোঁয়া-ধুলোয় ওদের মৃত্যু হয়। আমি ঐ জীবন্ত সৌন্দর্যের জীবনকাল দেখি, কিন্তু শেষকৃত্যে সঙ্গী হতে পারি না।
বিজয় সরণি পেরিয়ে নাখালপাড়ার পাশ দিয়ে এগিয়ে যাই। এখানে রাস্তা ফাঁকা-প্রায়। ঠাণ্ডাটা গায়ে লাগছে এখন। আরো কয়েকটা জড়ুল পড়ে পথে। মিশুকওলা একটু আগে র্যাঙগস-ভবনের সামনে তার হাতের কড়াপরা তালু দেখাচ্ছিলো। সারাদিন খ্যাপ মেরে, গরমে রাবারের হাতল মসৃণ করে ফেলেছে, সেখানে তার হাতও কালশিটে পড়ে মসৃণতর হয়ে গেছে। দেখে আমার ত্বকেও চর পড়ে যায়!! তোবড়ানো গালের লোকটা অনেক বেশি ভাড়া চেয়েছে, নিরুপায় হয়েই উঠেছি। তবে সেসব কিছু ছাপিয়ে ওঠে অন্যকিছু। আমার খুব তাঁর কাঁধে হাত রাখতে ইচ্ছা হচ্ছিলো। রডের পাশেই তো! তার আগেই সিগন্যাল ছেড়ে দিলো। আবার ঝাঁকুনিতে সামলে বা বেসামলে নিই আমি।
ঢোকার মুখে জিজ্ঞেস করে কোথায় যাবেন? উত্তর দেই স্বাভাবিকভাবে। এই পাহারা, কড়াকড়িতে সন্ত্রস্ত হয়ে যাই, অপরাধী লাগে আর হাওয়াই মিঠাইয়ের মতো সংকুচিত হতে থাকি। বাসার কাছাকাছি এসে ডিরেকশন দেই। মিশুক থেকে নেমে ভাড়া মিটিয়ে বাসায় পৌঁছে গেলে টের পাই গত একঘন্টায় শরীরে কয়েক পরত ধুলো আর ময়লা জমেছে। আমার শহরের ধুলো। চকিতে শহবাগ থেকে বাসা অবধি পথ মনে ভেসে ওঠে! ডাইনি বাসকে বৃদ্ধ-পিতামহের মতো মনে হয়। অনাত্মীয় ট্যাক্সি কিংবা প্রিমিও গাড়ীগুলোকেও অতো বেশি পর মনে হয় না! শিরদাঁড়া সোজা করে রাখতে রাখতে এখন বেশ আরামও পাই। তখনই টের পাই এই শহরটা আমাকে কীভাবে মায়ায় বেঁধে ফেলছে। শিকড়ের সন্ধান জানি না, তবে আমি পিচমেশানো শহরের মাটিবিহীন জমিনে নিজের কিছু ত্বকছায়া পড়ে থাকতে দেখি।
***
-অনীক আন্দালিব
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ছন্নছাড়ার ডায়েরি ;
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ঝাঁকুনিচিন্তা নিয়ে লেখা। সাথে সহোদর মাথাব্যথা। মন্তব্য পড়ে একটু আরাম লাগতেছে! ![]()
উপমা চলে আসে। কী যে করি! ![]()
[তবে তুমি হুমম বলা থামালে না?
]
রাশেদ বলেছেন:
হুমম...
লেখক বলেছেন: আরে রাশেদ ভাই!! আপনিও হুমম?? ![]()
লেখা কেমন লাগলো?
[কেমন আছেন?
]
রুবেল শাহ বলেছেন:
বস আপনার ছবিটা সেই রকম হইছে................. তবে একটু শুকিয়ে গেছেন মনে হয়ভাল থাকা হউক
লেখক বলেছেন: না রে ভাই। এটা পুরানো ছবি। অনেক পুরানো। এক বছর আগের তোলা। সেসময়ে শুকনা পাতলা ছিলাম। এখন মোটা হয়ে গেছি বসে থেকে থেকে।![]()
তোমারও ভালো থাকা হউক!![]()
লেখক বলেছেন: নগরেই শুয়ে বসে দিন পেরুচ্ছে! তোমার গল্পের জন্যে অপেক্ষা তো শেষ হচ্ছে না শামীম! পরের পর্ব ছাড়ো ভাইটু।![]()
লেখক বলেছেন: হে হে ![]()
ঠিক আছে। ভালো থাইকেন! ![]()
সুমন রহমান বলেছেন:
বাহ্! খুবই আনন্দ পেলাম মিশুক-বৃত্তান্ত পাঠ করে!
লেখক বলেছেন: আনন্দ দিতে পেরে খুশি হলাম সুমন রহমান।![]()
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
"বিলাসী" ছোটগল্প হিসেবে সাথৃক কিনা, এই প্রশ্নের দায়ভার এড়াতে শরৎচন্দ্র "জনৈক স্কুলছাত্রের ডায়েরী হতে পাওয়া" জাতীয় কথা বলেছিলেন, যদিও শরৎচন্দ্রের লেখা আমার খুবই একঘেয়ে লাগে, তবু এই কথাটিতে বৈচিত্র আছে এবং আপনার লেখাটির ব্যাপারে একই প্রশ্ন করলে স্কুলছাত্রের বদলে "মাথামোটা নাগরিক" শব্দটি লিখলেই কার্যসিদ্ধ হয়ে যাবে আশা করি।।। তবে পার্থক্য হচ্ছে শরৎ বাবু কাজটি করেছিলেন দায় এড়াতে,আর আপনি করলে সেটা নেহায়েৎ শখের বসে...কারণ এই লেখাটিতে সে প্রসঙ্গের অবতরণটাই অবান্তর।।। তবে ব্যক্তিগতভাবে, আমি এই লেখাটিতে কিছু একটা মিস করছি....এখনো ধরতে পারছিনা....হতে পারে এটা আমার পণ্ডিত সাজার অপচেষ্টা, কিংবা বোঝার ভুল।।।অফটপিক: আমার "..র্দাপ" এবং "critics fear criticism most" লেখা দুটি সময় করে পড়বেন।।। আর রম্য লেখাগুলোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আপনার।।।
লেখক বলেছেন: কাকতাল বলতে পারো। এই মাত্র তোমার পাতাতেই ছিলাম। শেষের আগেরটায়।
পণ্ডিত সাজার দরকার কি? লেখাটার জন্ম-রসায়ন মাত্র ৩/৪ ঘন্টা (লিখে ফেলার সময়টা ধরে!)। সুতরাং এর ভেতরে বা বাইরে অন্য কিছু থেকে থাকলে সেটা পাঠক হিসেবে তোমার চিন্তার বৈচিত্র্য বইকি!
শরৎবাবুর ঘটনাটা জানতাম না। এখন বেশ মজা লাগলো শুনে! "মাথামোটা নাগরিক"(!?!) হা হা হা!!
এটা বেশ যুৎসই উপমা আমার জন্যে।![]()
[..র্দাপ আমি অফলাইনে পড়েছি কয়েকবার, খালি ওখানে সময় করে কিছু বলা হয়নি। অন্যটাও পড়েছি মনে পড়ে যদ্দুর। তবে দেরিতে হলেও ভালো লাগার যায়গাগুলোতে আমি বারবার যাই! তো, কথা হবে!
]
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
হ্যাঁ, এই শহর মায়ায় বেঁধে ফেলেছে। অহরহ গালাগালি করি, তবু, এই শহর ছেড়ে বেশিদিন থাকতে পারিনা!লেখা যথারীতি চমৎকার! ভাবায়, বিষণ্ন করে দেয়, নিজের দিকে ফিরে তাকাতে বাধ্য করে।
[এত অল্প সময়ে এত চমৎকার লিখলেন কীভাবে?]
লেখক বলেছেন: আমি ব্যক্তিগত জীবনে একটা টানাপোড়েনে আছি। সামনে বছরে হয়তো এই শহর ছাড়তে হতে পারে। আবার আমারই একটা অংশ চাচ্ছে না সেটা। এজন্যই হয়তো দিনে দিনে শহরটা এরকম প্রিয় হয়ে উঠছে!
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার কথাগুলো সবসময়ই আশা জোগায়!
[ঠিক জানি না, কীভাবে। ভাবনাগুলো এসে গেলো, তাই লিখে ফেললাম!
]
লেখক বলেছেন: বুড়া বুড়া ভাব? নাহ্, ওটা ক্ষণিক। আমি এখনও শিশু আছি, ধুলোকাদা মেখে হামা দিচ্ছি উঠানে!
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
কাল রাতে ঢুকছিলাম। তো নেটের এমন অবস্থা ছিল যে একবার ঢুকতেই জান কাবাব হয়ে যাচ্ছিলো। এজন্য আর ভাল লাগাটা জানানো হয়নি। ছন্ন, ভাল হচ্ছে লেখা।
লেখক বলেছেন: হুম, রাতে খুব মাথাব্যথা নিয়ে তাড়াতাড়ি লিখে ফেলেছি। তারপরে বেশিক্ষণ ছিলাম না আমিও।
অনেক ধন্যবাদ মুক্তি'দা।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
কইছিলাম না আপনার গদ্য নিয়া আমি আশাবাদী।। হে হে হে। লেখা ভালো হইছে।
লেখক বলেছেন: এইসব কইরাই আমার মাতাডা খাইতেছেন! আমিও উড়তাছি ফূর্তিতে! ![]()
থ্যাঙ্কু আপনেরে!!
রাজর্ষী বলেছেন:
Hey Nice to read. thanks
লেখক বলেছেন: আচ্ছা।
নম্রতা বলেছেন:
আপনার রিক্সা এ ঢাকাতেই রূপবতী হয় , তাইতো ...এ সবচাইতে প্রিয় শহর আমাদের ! জানি বেঁচে থাকবেন বিষাক্ত কালো ধোঁয়ার মাঝেও।
লেখক বলেছেন: আপনি মনযোগী পাঠক। তাই শহরের গল্পে এতটা রিলেট করতে পারছেন। আমি নিজেও রিকশার কবিতার কথা খেয়াল করিনি!!
এই শহরের মাঝেই জীবন কাটছে, এজন্য হয়তো মায়া জন্মে গেছে। শহরটা টিঁকে থাকুক।
আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমি আসলে একটা বেকার মানুষ। চাকরি করি, কিন্তু কাজ কর্ম নাই, সারাদিন মাথায় চিন্তা বলতে এগুলোই! এজন্য হয়তো একটা লেখা দাঁড়িয়ে গেছে। এখন মেন হচ্ছে খুব "আন-এডিটেড" লেখাগুলো ভালো হয়!
[বুঝেই যখন গিয়েছো, তখন একটা লেখা দিয়ে দাও না!
]
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মুকুল ভাই!
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
হুমাইয়া গেলাম তয় পর্ছি +
ধরেন...
ঢাকার শহরের মাঝে বসুন্ধরাটা যানি কিরম। রাস্তার দুইদিকেই গাছ। চারিদিকে শুনশান নিরবতা। রাতের বেলায় জুনাক পোকার লাইটিং... ... ... ব্লা ব্লা
লেখক বলেছেন: আরে টুটল ভাই, আপনার বর্ণনাও দারুন লাগছিলো। শুরুতেই ছেড়ে দিলেন কেনো?? ব্লা ব্লা-খানি চলুক না!![]()
![]()
পড়বার জন্যে অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: তাই নাকি হে?![]()
[ভালো আছো তো?]
মাথা থেকে কয়েকটা লাইন বের করতে পারছিনা কোনও ভাবেই...
অনেক ভাবিয়েছে, ভাবাচ্ছে....
"যেসব সময় সময় পিছনে ফেলে এসেছি সেসব কেমন বিবর্ণ হয়েও জ্বলজ্বল করছে। ফিরে তাকালে হাসিমাখা কিংবা কান্নাভেজা দু' চোখ দেখি। পুরোনো আমি'র সেই দু'চোখ আমাকে মাঝে মাঝে সাহস দেয়ঃ "এই দেখো, পুরোনো আমাকে ফেলে তুমি কতো কতো পথ এগিয়ে গেছো! সেখানে তোমার ত্বকে ভাঁজের সাথে জমেছে স্মৃতিরা।" আবার মাঝে মাঝে সেইমুখটাই আমার দিকে তাকিয়ে ঠা ঠা হেসে দেয়ঃ "কী অদ্ভুতভাবে তুমি ব্যর্থ হচ্ছো! এতকিছু শিখেও বুঝে উঠলে না জীবনের মানে!"
লেখক বলেছেন: তোমার কোটেশন দেয়াতে কয়েকটা ভুল চোখে পড়লো এখন নিজের! সময় সময় দুবার লিখেছি!
ভাবনা যতো হতে থাকবে ততই মজা। লেখার পরত খুলে খুলে নতুন আলো নতুন প্রভা বেরিয়ে আসবে। সেখানেই আনন্দ!
মেহবুবা বলেছেন:
নাগরিক জীবনের কথন --- আপনার নিজের চিন্তার প্রতিফলন ,ভাল লাগল ।
লেখক বলেছেন: আপনার পঠনে আমিও আনন্দিত হলাম। শুভেচ্ছা রইলো!
সিম্পলি ব্রিলিয়ান্ট কাজকারবার এই ছেলেটার....
এতো টুপি কই পাই!!
লেখক বলেছেন: হা হা হা, ওহে মিতে! আপনি দিন দিন আমার সখা হয়ে যাচ্ছেন। সপ্তাশেষের দিনগুলার জন্যে মাঝে মাঝে অপেক্ষা করি। সেদিন বেশি সময় থাকতে পারি নাই। সাথে বেশ কিছু টাকা ছিলো, সেটা না জানিয়েই চলে আসতে হলো। আসার পথের সময়টুকু কী চমৎকার কাজে লেগে গেলো দ্যাখেন!! ![]()
আপনি আর টুপি বিয়োজন করেন না। বরং যা বলে যাবেন সেটাই সই!![]()
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
ism!
লেখক বলেছেন: কোন ইজ্ম??
লেখক বলেছেন: অসাধারণ টাইপের লেখা হইছে নাকি!!
হায় হায়!! তাহলেই তো বিপদ!
ওর উপরে আর প্রকরণ নাই। এখন খালি নিচে নামবে গড়ায়ে গড়ায়ে!! ![]()
লেখক বলেছেন: অ্যাটেনশান হয়ে স্যালুট রিসিভ করলাম!! ধন্যবাদ হে ফাহমিম।
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
আন্দালিব, এরমধ্যে বহুবার পড়ে গেছি...
লেখক বলেছেন: সেটা জেনে খুবই খুশি হলাম প্রণবদা!!![]()
লেখক বলেছেন: একটু ভাইটু। কাজের চাপে পড়ে গেছি। কিছু লেখা হচ্ছে টুকটাক, কিন্তু পুরো মনযোগ দিতে পারছি না। এজন্য অপেক্ষা করছি। দেখি!![]()
তোমার খবর কী??
নিবিড় বলেছেন:
কঠিন লিখা তো !!।আগে আপনার ব্লগে আসি নাই এখন আফসুস হচ্ছে
লেখক বলেছেন: আরে!!! ভালো ভালো আফসুসিত হয়ে এখন থেকে আসিয়েন মাঝে মাঝে! অনেক লিখে ফেলেছি গত দু'তিনমাসে। সেগুলা পড়েন সময় করে! খুশি হবো খুব!!![]()
![]()
পারভেজ বলেছেন:
শহর কিংবা চেনা পথগুলি। অচেনা শহরে কয়েকটা রাত কাটানোর পর, যখন হেটে চলি একটু চেনা পথের পাশ দিয়ে, নিজেকে সংযুক্ত করতে ইচ্ছা করে- ছোট খাট অযুহাতগুলির সাথে! এখনটায় চা খেয়েছি, এই বুকস্টল থেকে পেপার কিনেছি। এখানটায় এই দোকান দেখে পথটা চিনে নিয়েছিলাম - এসব ই নাগরিকতার অভ্যেস হয়তো। শেকড়ে তো কোন হারিয়ে যাবার ভয় থাকেনা!লেখক বলেছেন: পারভেজ ভাই, আপনার এই মন্তব্যে মনে হলো আমি আপনার মধ্যে একটা সলতে উস্কে দিলাম। কয়েকটা লাইনে অদ্ভুত একটা কাব্যময়তা ছড়িয়ে দিলেন। মনে হয় আপনিও ভাবতে শুরু করেছেন কোনও টানা রাজপথ নিয়ে!!
সে গল্পটা শুনতে, বা পড়তে পেলে খুশি হবো! আশা করি নিরাশ করবেন না! ![]()
[তার মানে লিখে ফেলেন, আরকি!]
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
'বন্ধ্যাকালীন জ্যামে বসে বসে আমি ফুটপাতের দ্রুতগামী মানুষ দেখি',... অনীক আপনাকে দিয়ে হবে। নতুন গল্প চাই।
লেখক বলেছেন: গল্পের জাদুকরের মুখে এ কথা মানায় না। আমি উল্টা ভাবলাম বলবো আপনাকে নতুন গল্প দেন!![]()
গল্পের পেছনে যে সময় দেয়া দরকার তা আসলে এ মুহূর্তে দিতে পারছি না, এজন্যেই যতো সমস্যা!![]()
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
প্রথম আলো ব্লগে আপনার ছবি দেখলাম। ভেবেছিলাম, এতো ভারী ভারী লেখা যিনি লিখে যাচ্ছেন, তিনি নিশ্চয় তার শব্দের মতোই জোয়ান-মর্দ। ছবিতে দেখলাম এক কিশোরকে।
লেখক বলেছেন: কিশোর!
কী বলেন!! আমি মনে হয় মগজে বেড়ে গেছি, শরীরে বাড়ি নাই! কিন্তু তাও বা সত্যি বলি কিভাবে। অনেকদিন তও হয়ে গেলো পৃথিবীতে ঘুরে বেড়াচ্ছি!![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















