আমার প্রিয় পোস্ট
- নিজের ওয়েবসাইট বানানো ( অবুঝ প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশুদের উপযোগী টিউটোরিয়াল) সূচীপত্র - ই য়া দ
- ইভটিজিং লইয়া ইহা কোন আলগা আলোচনা না। অপ্রিয় সত্যের আঘাতে আহত হইতে পারেন। (পর্ব-২) - পারভেজ আলম
- দেইল্যা রাজাকার ওরফে দেলোয়ার হোসেন সাইদী - পঙ্খিরাজ
- বিবর্তনের ফলে মানব দেহে রয়ে যাওয়া কয়েকটি অপ্রয়োজনীয় অঙ্গ এবং মাস্ল। - হোরাস্
- বর্ষা-বরণ ও কতিপয় ব্লগারগণ - অন্যমনস্ক শরৎ
- হাইপেশিয়া—আলেকজান্ড্রিয়ার বাতিঘর - ম্যাভেরিক
- বাধ্যতামূলক ধর্মশিক্ষা এবং একজন নাস্তিক পিতার অসহায়ত্ব - সন্যাসী
- মেঘবাজি সমগ্র-১ - মেঘবাজি
- আমরা যা বলতে পারি না, সেখানে নীরবতাই উত্তম কথক - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- এ ধরনের যুদ্ধশিশুদের জন্য আমাদের করনীয় কি - শয়তান
- THE P A U S E . - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- আমার রাজ রাজেশ্বরী - ফেরারী পাখি
- গটমট ডায়েরী - অনাহুত আগন্তুক
- আমি তোমাকে উপর থেকে দেখি - অন্যমনস্ক শরৎ
- ~ রুপকথা ২ ~ - ~স্বপ্নজয়~
- অপ্রকাশিত জীবনানন্দ - সুদীপ চৌধুরী
- কোন এক পশ্চিমা শহরের কবিতা বা গল্প - জামাল ভাস্কর
- আমিও লিখলাম - আকাশ_পাগলা
- Wish you were here-'RICK' (1943-2008) - ফয়সালরকস
- অস্পষ্ট শেষ পৃষ্ঠার হাসি - মুক্তি মণ্ডল
- অভিমান: আমার লেখা ব্ল্যাক-এর সেই অভিমানী গান ... - ইমন জুবায়ের
- অলৌকিক ইস্টিমারটা আর ফিরে এলোনা বন্দরে (শ্রদ্ধা হুমায়ুন আজাদ) - অন্যমনস্ক শরৎ
- বন্ধু, তোমার পথের সাথীকে চিনে নিও - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- একজন অপ্রকৌশলীর বুয়েট প্রেম - সাহোশি৬
- বৃত্ত অতিক্রমণের চেষ্টা (দুটি বেঞ্চিতে মুখোমুখি চারজন) - বৃত্তবন্দী
- অলৌকিক বৃষ্টি - প্রতিধ্বনি, তুমিতো
- ভার্চুয়াল সম্পর্কগুলো.... - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- * * ছ .*. ন্ন .* * ত .*. র ** . ঙ্গ . ** * - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
দুঃসহ বন্দীত্বের কথা...
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৫
ঘটনাগুলো খুব দ্রুত ঘটছে বা ঘটে গেছে। আমি খুবই টেনশনে ছিলাম বাকি সবার মতোই। কী ঘটেছিল, তার নানা টুকরো দৃশ্য আমাদের সামনে আসবে। আমি যেটুকু জেনেছি, তাই তুলে ধরছি।
অনেকেই হয়তো দেখেছেন, কর্ণেল সালাম নামক একজন অফিসার বেরিয়ে এসেছেন আজকে আটকাবস্থা থেকে। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে চিনি, আমার বাবার বন্ধু। তাঁর মুক্তির খবর পেতেই বাবা দেখা করতে গিয়েছিলেন। ফিরে আসার পরে সেইদিনের কাহিনী শুনলাম।
অনেকের সাথে কর্ণেল সালামও ছিলেন দরবার হলে, সেদিন সকালে। সেখানে দরবারের এক পর্যায়ে ডাল-ভাত কর্মসূচীর টাকা ইত্যাদি নিয়ে কথা ওঠে। তখন কিছু সিপাহী তাদের দাবি জানানোর চেষ্টা করেছিলেন। এক পর্যায়ে ডিজি শাকিল তাদের থামিয়ে দেন। কর্ণেল সালাম যেখানে বসেছিলেন, সেখান থেকে উনি তার একটু পরেই দুটো গুলির আওয়াজ পান। সেটি দরবার হলের বাইরে থেকে ভেতরের দিকে। সেই শব্দে সবার মাঝে একটা চাঞ্চল্য শুরু হয়। একটু পরেই দেখা যায় পাঁচজন সৈনিক সশস্ত্র অবস্থায় দরবার হলে ঢুকে পড়ে। হুড়োহুড়ির এক পর্যায়ে সকল অফিসারই পেছনের জানালা ভেঙে পালানোর চেষ্টা করেন। তখন চারপাশ দিয়ে জনাপঞ্চাশেক সৈনিক সশস্ত্র অবস্থায় ঢুকে পড়ে। পালানোর শুরুতেই কর্ণেল সালাম একদল সৈনিকের সামনে পড়ে যান, তাদের সবার হাতে অস্ত্র ছিল না, তবে লাঠিসোটা ছিল। এক সৈনিক তার বুকে লাঠির আঘাত করলে উনি বলতে থাকেন যে আমি ডাক্তার, আমি তোমাদের কোনদিন পানিশমেন্ট দেই নাই। আমাকে মেরো না। ইত্যাদি। সেসময়ে যে কোনভাবেই হোক বার বার এভাবে বলার কারণে একজন সৈনিক তার কথা বিশ্বাস করে এবং তিনি তার বিশ্বাস অর্জনে সক্ষম হন। সেই সৈনিকই বলেন যে স্যার আপনি এখানে থাকলে ওরা আপনাকে মেরে ফেলবে, আমার সাথে আসেন।
এর পরে তিনি সেই সৈনিকের সাথে রওনা দেন। পথে আরো বেশ কিছু দলের সামনে পড়েন এবং সৈনিকটি তাঁকে বাঁচানোর জন্যে সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে। এক পর্যায়ে একদল বেশ উগ্র সিপাহীদের মধ্যে একজন তাঁর মুখে বাঁট দিয়ে আঘাত করে। তিনি পড়ে যান এবং আবারও বার বার অনেক বুঝানোর পরে তারা তাঁকে ছেড়ে দেয়। সেই সৈনিকের সাথে তিনি সিপাহীদের বিল্ডিঙে আশ্রয় নেন। তবে সৈনিকটিও এই পর্যায়ে তাঁকে বাসায় আশ্রয় দিতে পারেননি। কারণ তাহলে তার নিজের জানের আশঙ্কা দেখা দিত। কর্ণেল সালাম সেখানে সিঁড়িঘরেই বসে থাকেন। পাশের ফ্ল্যাটের এক মহিলা তাকে পানি (সম্ভবত পরে খাবারও) দিয়েছিলেন। দুপুর থেকে পরের সময়টুকু তিনি ওখানেই ছিলেন। সিঁড়িতে আসা যাওয়ার মধ্যে অনেকবার তাঁকে সৈনিকরা ধরেছে, চার্জ করেছে এবং প্রতিবারই তিনি তাঁদের বুঝাতে সক্ষম হয়েছেন। এর মাঝে তিনি শরীরের উর্দিটি খুলে রেখেছিলেন। অন্ধকার ঘনিয়ে এলে সাহায্যকারী সৈনিকটি বাইরে চলে যায়। ঘন্টা দুয়েক পরে ফিরে এলে কর্নেল সালামকে না চেনার ভান করে কারণ তার সাথে আরো সিপাহীরা ছিল।
অন্যান্যরা চলে গেলে সৈনিকটি তাঁকে বলে চলে যেতে নাহলে রাতে তার নিজের জীবনই বিপন্ন হতে পারে। এই সময়ে তিনি একবার দোতলা একবার তিনতলা এভাবে সিঁড়িতেই অবস্থান করেন কারণ বাইরে গেলেই নিশ্চিত মৃত্যু। আশার কথা, অন্ধকারে তাঁকে বসে থাকতে দেখে অনেকেই সিনিয়র সিপাই ভেবেছে। ওস্তাদ বসে আছেন কেন? এমন প্রশ্ন করেছে।
সারারাত নির্ঘুম কাটানোর পরে সকালে তিনি নিজের ইউনিটের তিনজন সৈনিকের দেখা পান। তাদের কাছেই জানতে পারেন যে সেনা অফিসারদেরকে ছেড়ে দেয়া হতে পারে। তখনই জানতে পারেন যে কোয়ার্টার গার্ড-এ বাকি সেনা অফিসার-রা আটক আছেন, ওখানে চলে গেলে উনি দ্রুত মুক্তি পাবেন। তারপরে সেই তিন সৈনিক তাঁকে ঘিরে ধরে সেখানে নিয়ে আসেন। পথে যতবারই মৃত্যুর আশঙ্কা হয়েছে, তারা চিৎকার হুঙ্কার দিয়ে সেগুলো ঠেকিয়েছেন।
অবশেষে সেনা অফিসারদের ছেড়ে দেয়ার সময়ে তিনি আরো অনেকের সাথে বেরিয়ে আসেন। এখন সম্ভবত উনি সিএমএইচে আছেন।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিডিআর বিদ্রোহ ;
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
কি যে হইছে ভিতরে একেকজন একেক কথা বলে। বায়াসড মনে হইতাছে সবকিছুই। আর্মি আর্মির কথা বলে, বিডিআর তাদের কথা বলে!
লেখক বলেছেন: যে যার মতো বলছে। আশা করছি তদন্ত হবে, আসল ঘটনাগুলো বেরিয়ে আসবে।
তবে খুব খারাপ ব্যাপার ঘটে গেল কয়েকদিনেই... সবার জন্যেই খারাপ! আরো কিছু না ঘটুক সেই কামনাই করি!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আমার বাবা সরাসরি শুনেছেন, আর আমি তার কাছে।
আরো প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা জানতে চাই। সম্ভব হলে বিডিআরের সৈনিকদের কারো।
নেহাল হাসনাইন সার্জা বলেছেন:
উফ!!! শ্বাসরুদ্ধকর। আল্লাহ নিজ হাতে বাঁচিয়েছেন উনাকে!!
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, প্রতিবার সৈনিকদের মুখোমুখি হলেই ওনার মনে হয়েছে এখন বুঝি শেষ। সন্তানের চেহারাটা আর দেখা হলো না। অবশ্যই সৌভাগ্য যে উনি বেঁচে, সুস্থাবস্থায় ফিরে এসেছেন।
এখন বাকি নিখোঁজ অফিসারদের দ্রুত খোঁজ পেলেই হয়।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
এই রকম ওরাল হিস্ট্রী আরো দরকার। জেনে ভাল লাগলো যে আপনি ভালে আছেন।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, আরো দরকার সকলের অভিজ্ঞতা জানার, জানানোর।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
পাশের বাসায় যে মহিলা ছিলেন, ভোরবেলা অনেক কাকুতি মিনতি করার পরে উনি মোবাইলে মেসেজ করতে দেন। তখন কর্ণেল সালাম তাঁর পরিবারকে জানিয়েছিলেন যে তিনি সুস্থ আছেন।নিজের মোবাইলটি সৈনিকদের চার্জ করার সময়ে এক সৈনিক বুটের আঘাতে ভেঙে দিয়েছিল। ওটা দিয়ে কল করতে পারেন নি। তবে রিসিভ করছিলেন (সেটাও গতকাল গভীর রাতে সকলে নিশ্চুপ হলে)। প্রচণ্ড শক পেয়েছেন।
মোতাব্বির কাগু বলেছেন:
এটা বিশ্বাসযোগ্য লাগলো
ব্লগে নতুন বলেছেন:
একেই বলে ভাগ্য। ওনার আর ওনার পরিবারের মানুশের ভাগ্য ভাল।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ। সাথে সেই সৈনিকটি, পরেরদিনের তিন সৈনিককেও অশেষ ধন্যবাদ। এমন গণহত্যার ভিতরেও তাঁদের ভেতরের মনুষ্যত্ব জীবিত ছিল!
আপনার বাবার বন্ধুর জন্য শুভকামনা।
রাজর্ষী বলেছেন:
ধন্যবাদ
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
অনেক বিশ্বাসযোগ্য। তবে শুরুর দিকটা অন্যভাবে শুনেছি।
জানজাবিদ বলেছেন:
তথ্যবহুল পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
শিলু এবং লেখাজোকা শামীম, শুরুর দিকের ঘটনাটি আমিও অনেকরকম শুনছি। এর পেছনে একটা কারণ দৃশ্যমান। তা হলো একজন সিনিয়র এবং বিতর্কিত অফিসার মারা গেছেন। এখানে এনকোয়ারি হলে অনেকের জবানবন্দী নেয়া হবে। অনেক ঝামেলার ব্যাপার বলে হয়তো সবাই এটি খোলাশা করে বলতে চাইছেন না। আরো একটা ব্যাপার মনে হয়েছে, দরবার হলে এক একজন অফিসারের অবস্থান ভিন্ন ছিল। এবং গোলাগুলি শুরু হলে একেকজন এক এক দিকে গেছে। হয়তো সেসময়ে অনেকেই ঠিকমতো খেয়াল করে নাই, তাই এই অংশটি আরো অনেকের কথা শুনে ঠিক করতে হবে যে কী ঘটেছিল।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
আপনি শুনেছেন প্রত্যক্ষদর্শি পিতার বন্ধুর কাছে আর হমপগ্র শুনছেন প্রত্যক্ষদর্শী মামার কাছে।link|http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/28917046|হমপগ্র'র পোষ্ট]
দুটো দুই রকম।কোনটা সত্য!কোনদিকে যে যাই!
লেখক বলেছেন: শুরুর ঘটনাটি এক একজনের বর্ণনায় এক একরকম আসছে। আমিও এখন পর্যন্ত কয়েকরকম শুনেছি। তবে হমপগ্র'র মামার অবস্থান সম্ভবত ডিজি'র কাছে ছিল। ডাক্তাররা এমনিতেই একটু পেছনে থাকে। এবং এই অংশের বর্ণনায় টিভিতেও দেখছি সবাই বেশ আড়ষ্ট। আমার বাকি অংশটুকু প্রচণ্ড ভয়ের এবং কষ্টের লেগেছে। ২৪ ঘন্টা একভাবে একটা খোলা জায়গায় শত্রু(!)বিল্ডিঙের মাঝে থাকা- বেশ অভাবনীয়।
আতিকুল হক বলেছেন:
@শিমুল: আকিরা কুরাসাওয়ার রাশোমন দেখুন।
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
সুত্রপাতের বিভিন্নতা কনফিউশন ঘন করছে
লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় শুরুর ঘটনাবলি তদন্ত না হওয়ার আগে বের হবে না, আসল সত্যটি এখনও শিওর হওয়া যাচ্ছে না।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
@আতিকুল, কুরোসাওয়ার রশোমন আমি সেই ২০০২/২০০৩ সালেই দেখছি।আমার অতিপ্রিয় ছবি।৪/৫ বার দেখা।তবে এই ঘটনা রশোমনের কাহিনী হলে তো মুশকিল।তবে এখন পর্যন্ত তো সেটাই মনে হচ্ছে।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
ঘৃনায় ও শোকে আমি বাকরুদ্ধ।
লেখক বলেছেন: আমিও আপনার সাথে সেই সারিতেই দাঁড়িয়ে!
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
পুরাই কনফিউজড। কোনটা ঠিক, কোনটা বানোয়াট কিছুই পরিষ্কার না। সবাই যার যার সুবিধামত বলতেছে।
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন:
===========================================
খুব জানতে ইচ্ছে হচ্ছে ঐ তিনজন সৈনিক এখন কেমন আছে?
লেখক বলেছেন: আমারও...
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
এই টপিক নিয়ে আর কথা বলতে ভাল লাগেনা।। আজ দিনের অধিকাংশ সময় ক্যাডেট কলেজ ব্লগে ছিলাম ভিজিটর হিসেবে।। লেখাগুলো পড়ে খুবই মন খারাপ হল, এর সঙ্গে গত কয়েকদিন ধরে ব্লগীয় বুদ্ধজীবীদের লেখাগুলো পড়ে চরম বিতৃষ্ণা ভাব ভর করেছিল।। Click This Link এই লেখাটা হয়ত ক্যাডেট কলেজ ব্লগে ছিল, আজ এই ব্লগে কেউ একজন পোস্ট করেছে। পইড়েন। পড়ে মন খারাপ হওয়াটা আরও বেড়েছে।।।
আজ (শিমুল/আমিন) ভাই আমার রুমে এসেছিলেন, শুনলাম আপনি ব্লগ বর্জনের পরিকল্পনা করছেন।। আমার মনে হয় না, এটা কোন ভাল পরিকল্পনা হবে।।। ব্লগে ভিন্নমতের-লঘু মানসিকতার অনেক মানুষই হয়ত থাকতে পারে, তাই বলে বর্জন কেন? এটা কি এসকেপিস্ট মেন্টালিটি হয়ে গেলনা?তাছাড়া, আপনার লেখা অনেকেই পছন্দ করে, তাদেরটাও ভাবা উচিৎ।।।
লেখক বলেছেন: অনেক বড় একটা জবাব লিখেছিলাম, নেট সংযোগের বিটলামিতে পোস্ট হলো না।
এখন অল্প কথায় বলি।
যে লেখাটি সিসিবি থেকে আনা, ওটা আমিও এখানে পোস্ট করেছিলাম। তবে পরে লেখকের অনুরোধেই মুছে দিয়েছি। সবকিছুর গ্রহণযোগ্যতা সব খানে থাকে না।
আমি মনে হয় এই ব্লগ বর্জন করবো না। তবে নতুন লেখা, সেগুলো এখানে লেখা হবে না। সবার সাথেই যোগাযোগ থাকবে, তোমার সাথেও। আমি তোমার লেখালেখি নিয়েও অনেক আশাবাদী, উৎসুক। ভালো থেকো হিমেল! ![]()
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
আপনার ক্ষোভটা খুব ভালমতই বুঝতে পারছি, বিশেষ করে কাল শিমুল ভাইয়ের সঙ্গে এটা নিয়ে প্রায় দেড়-দুই ঘণ্টা কথা হয়েছে।। সেক্ষেত্রে আপনি প্রথম পাতা বর্জন করতে পারেন, তবুও লেখাগুলো নিজের ব্লগে হলেও প্রকাশ করেন।।। এই ব্লগে যখন এসেছিলেন তখন তো কাউকেই চিনতেন না, ধরেন এখনো কাউকেই চিনেননা, আর ব্লগ মানে হচ্ছে "ডিজিটাল ডায়েরি"....এখন তাহলে ডায়েরিটা সচল রাখতে আপত্তি কোথায়?আমি ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রে স্বার্থপর, কোন পোস্টে রেটিং করিনা, আমার পোস্টের রেটিংয়েও নজর দেইনা, লেখা ভাল লাগলে ভাল বলি, খারাপ লাগলে সমালোচনা করতে দ্বিধা করিনা....তো আপনিও সেরকম কবেন না কেন? আপনার সঙ্গে জনৈক ভুদ্ধীজিভীর(!) বচসা আমি দেখেছি, তো তিনি কিন্তু ঠিকই লিখে যাচ্ছেন।।। আপনি লেখা না দেয়া মানে তার মনস্তাত্ত্বিক জয়ের পথ সুগম করা, এটা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায়না।। নাফিস ব্লগ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিল, আমি কোন অনুরোধ করার প্রয়োজন বোধ করিনি ওর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য, তবে আপনাকে একটানা অনুরোধ করতেই থাকবো, বলতে পারেন এটা দাবীর মত।। কারণ , আপনি নতুন লেখা না দিলে আপনি ব্লগে থাকা-না থাকারর মধ্যে কোন পার্থক্য দেখিনা, পঙ্গু ঘোড়ার চেয়ে মৃত ঘোড়াটাই আমার কাছে অধিক প্রার্থিত, কারণ পঙ্গু ঘোড়া কাজ তো করেইনা, ঝামেলা বাড়ায়, পক্ষন্তরে মৃত ঘোড়ার স্মৃতিটা এক্ সময় ঠিকই ফিকেহয়ে যায়।।।। যাইহোক , অনুরোধ নাম্বার ১..........
রাহামনি বৃষ্টি বলেছেন:
পঙ্গু হয়ে গেলো জাতি
মেহবুবা বলেছেন:
এ লেখাটা আগে চোখে পড়েনি আমার । আপনার শোনা ঘটনার মত করে আমিও শুনেছি দু একটি ঘটনা । এখন আশা করছি সুষ্ঠু তদন্ত হবে , দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা দেয়া হবে ।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
কি রে ছন্ন, তোর আবার কি হল? তোর কি আমার মত মন খারাপ? বিশেষ করে ২৫ ২৬ এর পর একেবারেই ব্লগে ঢুকিনি।কিছুই বুঝতে পারছি না।
আচ্ছা ভাই, আমার একটা কাজ করে দিবি? শ্রীকান্ত আচার্যের খেলা খেলা দিয়ে শুরু গান টার একটু লিংক বের করে দিবি, ভাই?
আমার লেখাটার সাথে এ্যাড করতে চাই।
লেখক বলেছেন: আমার কিছু হয় নাই, আমি ভাল আছি! ![]()
আমিও অনেক কিছু বুঝি না। বা বুঝার চেষ্টা-ও করি না। মাথায় ঘিলু নাই, খালি সিএনজি গ্যাস ভরা! হা হা হা!
আমি দেখি গানটা আমার কাছে আছে কী না। থাকলে এখনই লিঙ্ক দিচ্ছি!
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
ভাই, সচলে একাউণ্ট খুলে কিভাবে? আমি ২দিন ঘুরলাম...........কিন্তু একাউণ্ট খুলতে পারতেছিনা।।।।আপনাকে সচলে দেখলাম, এখানকার লেখা কই?
লেখক বলেছেন: সচলে সদস্য নিবন্ধন করলে সেটা জমা পড়ে, তারপরে অতিথি লেখক হিসেবে লিখতে হয়। লেখা মডারেশনের পরে প্রথম পাতায় আসে। আর যখন সময় হবে, আপনা আপনি আপনাকে সদস্য করে দিবে। অতিথি হিসেবে সাইন ইন করে মন্তব্য করো, লেখা দাও। নিচে নিজের নাম আর ইমেইল দিয়ে দিও।
নাম: guest_writer
পাস: guest
------
আমার পুরোনো লেখা তো সব এখানেই আছে। নতুন লেখা এখানে এখনও দেই নাই। ![]()
লেখক বলেছেন: আপনা আপনি তোমাকে* (সম্বোধনের ত্রুটি!
)
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
কেমন আছেন আন্দালিব?
লেখক বলেছেন: এই তো একরকম আছিই!...
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, বাচ্চামশাই, আপনাকে চিনে ফেলেছি। লুকোচুরিতে আমি পাকা খেলোয়াড়! ![]()
নতুন লেখা নাই।... ![]()
লেখক বলেছেন: নাই... নাই.... ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















