আমার প্রিয় পোস্ট

চতুর্মাত্রিক.কম (choturmatrik.com)

মডুলেশন ৮৮

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫১

শেয়ারঃ
0 2 0



মডুলেট মডুলেট! মডুলেট মানে কী? গুণন?
যোগ। বিয়োগ। নাকি উপরিপাতন, অথবা পতন!

এহেন টানাপোড়েন মোটেই আকাঙ্ক্ষিত নয়। না! কেননা জন্মেই জানা গেছে
মানবজনম বড়ো বিসদৃশ প্রহার। নিরন্তর দুঃখবোধের সীমিত সাধ্যে
কেঁপে যাওয়া। সকল কম্পনেই কোনো না কোনো বৈষয়িক দিনাতিপাত মিশে থাকে।
আমি এবং তুমি ঝুম বৃষ্টিতে পুড়ে যাই
আমি এবং তুমি গতকাল মরেছি রোদের স্রোতে
এমন জীবন, এমন মরণ বাঁচিয়ে দিয়েছে আমাদের
আর তোমাদেরও তো অনেক শোক, তাই না?

তোমরাও জেনেছো প্রতিদিন কেন সবাই হাসিমুখে নীরব হয়ে কথা বলে। পাশাপাশি বসে থাকে। গা ঘেঁষে তাপ নেয়। তাপ দেয় অবলীলায়। তাপমাত্রার পারদ একেবারে স্থির থাকে। সকল জলের বাষ্প জমে থাকার ঘটনাও তোমাদের জানা আছে। বিষুবের কাছে হলে, এ'দেশে অনেক রোদ জন্মাতো, রবিশস্যের প্রচুর ফলনে ভরে যেত হাসিমুখ হাসিচোখ।
কিন্তু আমরা কর্কটের পথের পাশেই থাকি, দূরে বিষুবতীরে কালো মানুষেরা কলস্বরে মেতে উঠলে আমরা বিস্মৃত হই ঘাম। ভুলে যাই ধুলো-আর্দ্রতা।

এখানে সকলে গা ঘেঁষে বসে বসেই সবাইকে ভুলে যায়। আর ভুলে যায় বলেই হাসে, উদ্দাম, বিস্রস্ত হাস্য-কলরেখা চকচকে ঝিলিকের মতো আমার চেহারায় প্রসাধন হয়ে থাকে।

'থাকে' বললে নিজস্ব নিরুপায় নিষ্ক্রিয়তা প্রমাণ হয়। বোঝা যায়, এই দুঃসহ কাজ আমার কৃতকর্ম নয়। নেহাত দৈবাৎ। ঘটে গেছে ঘটমান দূর্ঘটনার মতোন। অপরের ভুলে যাওয়া নিয়ে আমার নিদারুণ অবহেলা ও হাসি-উপহাস কেবলই সয়ংক্রিয় নিষ্ঠুরতা। তবে আমি জানি ভাষার মারপ্যাঁচ। কূটনৈতিক শব্দের ছল, কূটিল চরিত্রের শব্দ দিয়ে খুব সহজেই তোমাদের ধর্ষণ করে ফেলা যায়!

কো-কারিকুলার অ্যাকটিভিটিজে আমাদের পারঙ্গমতা প্রকাশ্য। তাই কারিকুলামের বাইরে আমরা অ্যাকটিভ ভীষণ। দেখুন না, কী সুন্দর ভুলে যাই মনে রাখার সিলেবাসসমূহ! পদ্মপাতার কাঁপন লিখে রাখি খালি বইয়ে, সাদা খাতায়। তারপরে দলছুট বিজ্ঞাপনের মতোই বিবিক্ত উল্লাসে আমরা একে অপরের মাঝে সেঁধিয়ে শুয়ে পড়ি। সেঁধিয়ে গেলে খুব আরাম লাগে–– ওঃ!

কোথা থেকে কোথায় গড়িয়ে সরে যায় জলরেখা। নদীপথ। সেরকম আমার ভাষ্যও বিষম দূর্বোধ্য হয়ে পড়ে। ভাষায় অপ্রতুল, প্রকাশে অক্ষম। সেজন্যে শুরুর মডুলেশন খাই খাই করে ওঠে। ঘুণের জোরে কাটতেই থাকে ভেতরে ভেতরে, আমি টের পাই না। কারে কয় মডুলেশন? গুণ করি, যোগ করি। হাতের কড়ের মাঝে গুনতেই থাকে সাংখ্যিক বিয়োজন। হারিয়ে ফেললাম যেসব। খোয়া গেছে যেগুলো। নিশ্চিহ্নির খবর এসেছে যাদের। হারিয়ে যাবার আগে যারা চিৎকার করেছিলো। সেসব হিসেব আমার মডুলেট করতে হয় নিজের ভেতর, ঐ নিজেদের ভেতরে সেঁধিয়ে যাবার মতোই। ব্যথা লাগে–– কিন্তু কী আর করা!

কেউ কি জানে মডুলেট কেমন হয়? কি হয় এভাবে বদলে গেলে? কর্কটের পাশের ফুটপাতে কোন কোন বাষ্পকণায় আমার এবং তোমার কথা লেখা থাকে?


***
- অনীক আন্দালিব
১৫.৯.৯


 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কবিতা বা বিভিন্নগদ্য ;
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৭
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: উপস্থিতি জানিয়ে গেলাম,,, পাঠ-প্রতিক্রিয়াটা পেন্ডিং রেখে যাচ্ছি... মাথা স্টেডি না। একদম-ই না। ভাল থেকো।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: হোকে। হোয়েটিং।

২. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০২
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: দারুন ছন্ন ।

পড়ে আরাম পেয়েছি :)
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: আমিও লিখে আরাম পেলাম অনেক দিন পর।

ধন্যবাদ শূন্য!

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:২৮

লেখক বলেছেন: কী খবর হাছিব? কেমন আছো হে?

৪. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৩
একরামুল হক শামীম বলেছেন: পড়লাম। কিন্তু কমেন্ট করার ক্ষেত্রে তোমার বাতলে দেওয়া মডিউল ব্যবহার করলাম ;)

.......ঁঁঁঁঁঁঁঁঁঁঁঁঁঁঁঁঁঁঁঁ.......

ভালো লাগা রেখে গেলুম।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:২৯

লেখক বলেছেন: তা যা বলেছেন দাদা! আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ! ;)

৫. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১০
আকাশ_পাগলা বলেছেন: মাথার উপ্রে দিয়ে গেল যে !!!

তাও + রাইখা দ্যান।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩০

লেখক বলেছেন: আচ্ছা রাখলাম।

কিন্তু আরো ভালো লাগতো যদি মাথার মধ্যে দিয়ে যাইতো তাহলে। কী আর করা! সব চাওয়া তো পূরণ হয় না!

৬. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৩
সাদা কালো এবং ধূসর বলেছেন:
এমন জীবন, এমন মরণ বাঁচিয়ে দিয়েছে আমাদের
আর তোমাদেরও তো অনেক শোক, তাই না?


'থাকে' বললে নিজস্ব নিরুপায় নিষ্ক্রিয়তা প্রমাণ হয়। বোঝা যায়, এই দুঃসহ কাজ আমার কৃতকর্ম নয়। নেহাত দৈবাৎ। ঘটে গেছে ঘটমান দূর্ঘটনার মতোন। অপরের ভুলে যাওয়া নিয়ে আমার নিদারুণ অবহেলা ও হাসি-উপহাস কেবলই সয়ংক্রিয় নিষ্ঠুরতা। তবে আমি জানি ভাষার মারপ্যাঁচ। কূটনৈতিক শব্দের ছল, কূটিল চরিত্রের শব্দ দিয়ে খুব সহজেই তোমাদের ধর্ষণ করে ফেলা যায়!


হারিয়ে ফেললাম যেসব। খোয়া গেছে যেগুলো। নিশ্চিহ্নির খবর এসেছে যাদের। হারিয়ে যাবার আগে যারা চিৎকার করেছিলো।


হুমমম সহজেই ভয়ংকর।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০২

লেখক বলেছেন: কেনো জানি সবকিছুকেই এক ধরনের মডুলেশন বলে মনে হচ্ছে। বিশেষ করে আমাদের বাস্তবতাটুকু। আসলেও হয়তো তা প্রকৃতরূপে ভয়ংকর-ই। আমরা মডুলেটেড অবস্থায় দেখি বলে বুঝি না, বুঝে উঠি না!

৭. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০৬
সাদা কালো এবং ধূসর বলেছেন: বুঝতে চাই না আসলে, বুঝতে যে পারি সেটাও জানতে চাই না, তাই লিখি পদ্মপাতার কাঁপন
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০৯

লেখক বলেছেন: আমার কথায়ই সব জবাব লিখে রাখছি দেখি! হাহা! :)

আপনি অনেক মনোযোগ দিয়ে পড়তেছেন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সাকাধূ!

৮. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:১১
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: এই মাত্র সবগুলো পোস্টে এসে একজন মাইনাস দিলো! হা হা হা!

গুপ্তকেশ না উঠিলে এভাবেই কেউ কেউ সময় কাটায়!
৯. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:২৮
তামিম ইরফান বলেছেন: পেন্সিলদা নামটা একটু কষ্ট করে দিবেন??
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩২

লেখক বলেছেন: সাম্প্রতিক যারা ব্লগ দেখেছেন

* তামিম ইরফান
* সাদা কালো এবং ধূসর
* এ এম রােসল
* একরামুল হক শামীম

বুইঝা নেন।

১০. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৪
তামিম ইরফান বলেছেন: ধন্যবাদ.....

যে মাইনাস দিছে তার আসল নিকটাও আপনাকে প্রায় মাইনাস দেয়:)
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: জ্বি। এ এম রােসল ভাইসাহেব কার নিক এটাও বুঝা যায় সহজেই। কেউ এত শিশুতোষ রাগ করে বলেন? অন্যকে খুঁচাতে আসলে এটুকু টলারেন্স তো তার থাকা উচিত যে উল্টা খোঁচা তাকেও খেতে হবে।;)

দুঃখের বিষয়, ফাকিস্তানকে পঁচায়ে লেখা পোস্টেও সে মাইনাস দিলো। তার মানে এখন কি ধরমু? নীতির চাইতে ব্যক্তিবিদ্বেষ বড়ো! :)

১১. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:০৬
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: মুক্তগদ্য হিসেবে ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে কতগুলো মৌমাছি, একটা বুননের দায়িত্বে আছে। জড়ো হচ্ছে, আবার বিক্ষিপ্ত হচ্ছে।এভাবে ক্রমশ.....। নিচে থোকা থোকা অপ্রক্রিয়াজাত মধু পড়ে আছে।


(এটা মাঝে মাঝে হয়। আমারে-ও মাঝে মাঝে এসে দিয়ে যায়। এখন অবশ্য +/- নিয়ে মাতামাতি করি না।)
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১৫

লেখক বলেছেন: মৌমাছির আইডিয়াটা তো দারুণ বলেছো! তোমার ভিজ্যুয়ালাইজেশনের প্রশংসা করতে হয়! ধন্যবাদ আশরাফ। এখন তো আমার মাথায় নতুন দৃশ্য মৌমাছি হয়ে ঘোরা শুরু করলো! :)

[এমনিতে আমি খেয়াল করি না মাইনাস বা প্লাস নিয়ে। কিন্তু এই স্টুপিড ব্লগারটা আমাকে প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে জ্বালাচ্ছে, কোন কারণ ছাড়াই। মুখে এত বড়ো বড়ো কথা বলে অথচ মানসিকতা ঈর্ষাকাতর বালকের মতো। এই ভণ্ডামিটাই বিরক্ত লাগে বেশি।]

১২. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৯
বৃত্তবন্দী বলেছেন: ছন্নছাড়া কিছু অনুভুতিকে একটা ফ্রেমে নিয়ে এসেছেন এটা দারূণ লাগছে...
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বস। হঠাৎই এসে গেলো লেখাটা। পড়লেন, ভালো লাগছে।

১৩. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: তোমরাও জেনেছো প্রতিদিন কেন সবাই হাসিমুখে নীরব হয়ে কথা বলে। পাশাপাশি বসে থাকে। গা ঘেঁষে তাপ নেয়। তাপ দেয় অবলীলায়। তাপমাত্রার পারদ একেবারে স্থির থাকে। সকল জলের বাষ্প জমে থাকার ঘটনাও তোমাদের জানা আছে। বিষুবের কাছে হলে, এ'দেশে অনেক রোদ জন্মাতো, রবিশস্যের প্রচুর ফলনে ভরে যেত হাসিমুখ হাসিচোখ।

আমার গত কয়েকদিনের দিনযাপন বা সংগ্রামের সাথে মিলে গেল বলেই বোধ হয় এ অংশটা খুব ভাল লাগলো। বাকি লেখায় বেশ কয়েকটা থটের কোহেসিভ একটা উপস্থাপন পেলাম। ভাল লাগলো।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ধন্যবাদ।

সংগ্রামগুলো, দিনযাপনের ক্রমাগত আঘাতগুলো কোনো না কোনোভাবে মিলেই যায়! :)

১৪. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৩
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: মাঝে মাঝে ভাবনাকে এইভাবে ছড়ায়ে দেয়া ভালো
কে দিলো প্লাস কে দিলো মাইনাচ তা এর কাছে কালো..
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪১

লেখক বলেছেন: কে দিলো না দিলো, তাতে কিছু যায় আসে না। তবে এই অযথা বিরক্তিটা প্রায় এক বছর ধরে ঝুলতেছে। নিজস্ব ফিল্টার তাই মাঝে মাঝে দূর্বল হলে সেটা প্রকাশ পেয়ে যায়।

যাক্‌। সেটা এখন আর নাই।

বস, আপনার সাথে অনেকদিন দেখা সাক্ষাৎ নাই। ঈদে কি ঢাকায়ই থাকবেন?

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫১

লেখক বলেছেন: আবারো অনেক ধন্যবাদ! :)

১৬. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৮
দ্রোহি বলেছেন: ভাল লাগার এক মুক্ত গদ্য।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ দ্রোহি।

১৭. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২১
সাদা কালো এবং ধূসর বলেছেন: ভাবনাগুলোর সাথে হোল্ডেনের এমোমেলো ভাবনার মিল আছে।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: হাহা! টের পেয়ে গেছেন তাহলে।

বইটা পড়ছি, সেইসাথে কিছু কিছু চিন্তা (এবং চিন্তা করার প্রক্রিয়া) বদলে যাচ্ছে হয়তো।

১৮. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৬
আকাশ অম্বর বলেছেন: খুব ভালো লাগছিলো পড়তে। খুব ভালো।

ধন্যবাদ।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ বস। ভালো লাগলো আমারও!

১৯. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২৬
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: 'মাথার উপ্রে দিয়া গেল' বলতে পারলে আনন্দিত হতুম! বলতে পারলুম না! কোনদিক দিয়ে গিয়ে যে মর্মে পশিল তাহাও বুঝলুম না!!
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১১

লেখক বলেছেন: কমেন্টটা দুইবার পড়লাম বুঝে ওঠার জন্য। বুঝলাম যে আমি আপনাকে স্পর্শ করতে পারছি, কিন্তু তার প্রকৃতি আপনি ঠিক প্রকাশ করতে পারছেন না।

এই অব্যাখ্যাত, আনন্দঘন অনুভূতি আমাকে সুখ দিচ্ছে! ধন্যবাদ কামাল ভাই, পাঠের জন্য!

২০. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৩
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: আসলে কিছু বলতে পারিনা। ভালো লাগছে- এটুকু ছাড়া।


কেমন আছেন ছন্ন?
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৩

লেখক বলেছেন: বেশ ভালোই আছি সব মিলিয়ে। ভালো লাগা জেনে খুশি হইলাম প্রণব'দা। ভালো থাকবেন।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮৬৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
লেখালেখির সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত©লেখক

যোগাযোগঃ shunno.oronno@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই