আমার প্রিয় পোস্ট

চতুর্মাত্রিক.কম (choturmatrik.com)

ভ্রমে বিভ্রমে ভ্রমণ ২

০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩৩

শেয়ারঃ
0 0 0

[[ডিসক্লেইমারঃ ছবি আর কথা সম্বলিত পোস্ট। লোডাইতে সময় নিবে, পড়িতে অবশ্য ততটা সময় নিবে না। পড়িয়া ভালো লাগিলে জানাইবেন।]]

আগের পর্ব

সিঙ্গাপুরে গিয়ে মোটামুটি সাতশ থেকে আটশ'র মতো ছবি তোলা হয়েছে। সেগুলো থেকে বেছে বেছে কয়েকটা দিলাম, তাও কেবল মাত্র প্রথম দিনের ঘোরাঘুরির।

সকালে এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে হোটেলের দিকে আসতে আসতেই তুমুল বৃষ্টি। সেই বৃষ্টির কারণে সব পরিকল্পনা ভেস্তেই যাচ্ছিলো। শেষমেশ দশটার দিকে বৃষ্টি থামলো। আমরা প্ল্যান মোতাবেক রওনা দিলাম চিড়িয়াখানায়। মোটামুটি দর্শনীয় স্থান! দেখে মুগ্ধ হয়েছি, ছবিতে অবশ্য সেই রূপের বেশিটুকুই আসেনি।


ঢাকা এয়ারপোর্টে বসে ইমিগ্রেশনের ফর্ম ফিল-আপ করছি। মহা বিরক্তিকর কাজ। এটা করতে করতে "সীমানাহীন পৃথিবী"র অবাস্তব প্রস্তাবেও সমর্থন দিতে ইচ্ছা করে!


ফিল-আপকৃত ফর্ম। দেখেন প্রচুর কাটাকুটি আর হিজিবিজি। এগুলো বিরক্তি আর রাতের ক্লান্তিজনিত ঘুমের লক্ষণ।


সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি এয়ারপোর্টে নামার পরে এই ফলকটা চোখে পড়লো।


ইমিগ্রেশন পেরিয়ে একটু সামনে এমনই কতগুলো পাবলিক ফোন। দেশে ফোন করা যায় সহজেই, সরাসরি। ৩০ সিঙ্গাপুরিয়ান সেন্ট/মিনিট।


এয়ারপোর্টের ডিউটি-ফ্রি শপ। থরে থরে নিশ্চুপ বোতল। অনুপস্থিত পেয়ালা। নিখোঁজ সাকী। আর আমার পকেট ফুটা!


সকাল সকাল ক্ষিদে লাগলো। আমরা ভাবলাম হোটেলে যাবার আগে নাশতা করে যাই। ওখানে তো আর রুটি-সবজি মিলবে না। ঘাড় ঘুরাতেই ম্যাকডোনাল্ডস আর ম্যাকক্যাফে। বহুদিনের খায়েশ মিটাতে সবাই 'মেগা-মীল' অর্ডার করলাম। খেয়ে ঝাল লেগে গেলো, আর আমেরিকান "আহা-উহু"বাচক কোন শব্দই বেরুলো না আমাদের মুখ দিয়ে। ডিড নট লাভ ইট্‌!


ট্যাক্সিতে চড়ার পরে ফ্লাইওভারের জাল। এই ছবিতে ঠিক বোঝা যাচ্ছে না কি মনোহর নিয়ম বানিয়েছে। একেবারে বেড়ার বুননের মত রাস্তা একে অপরকে বুনে গেছে। কোনো সিগন্যাল নাই, কেউ লেইন বদলায় না হুট করে। পাশাপাশি এক ফুট বা তারও কম দূরত্বে গাড়িগুলো শা শা করে একশো কিমি বেগে ছুটছে। দারুণ অভিজ্ঞতা।


মাঝের আইল্যান্ডে কেমন মাশরুমের মত ছায়াবৃক্ষ। পুরোটা পথ ছায়ায় ঢেকে রেখেছে।


লম্বা গাছগুলোর চারপাশে বোগেনভেলিয়া ফুল! বেগুনি, লাল আর গোলাপি!


বৃষ্টি শেষ হলে আমরা চিড়িয়াখানায় ঢুকছি। টিকেট কাউন্টারের সামনে তোলা। এখানে পুরো এলাকার মানচিত্র, স্যুভেনির এগুলো দেদারসে বিলানো হয়।


ঢুকেই চোখ জুড়ানো সবুজ। একটু আগের বৃষ্টিতে আরো সজীব সতেজ লাগছে। মনে ভ্রম হলো- কোনো গহীন বনের ভেতরে চলে আসছি। চারপাশে পাখপাখালির ডাক, পোকামাকড়ের শব্দ, পানি বয়ে চলা ঝর্ণার গান। সবুজ! আলো!


এটার নাম ম্যাকাও পাখি। টিয়ার জাত, চিল্লায়া কান ঝালাপালা করে ফেলে! ভাগ্যিস এগুলো আমাদের দেশে নাই, থাকলে কাকের দল পাত্তাও পেত না! (কাকভূ' ডোন্ট ও'রি;))


এটা একটা ওটার। বাংলা বলে ভোঁদড়। ওরে খোকন ফিরে চা', ভোদড় নাচে দেখে যা'
তবে ভোদড়ের নাচ দেখা হলো না।


এরকম অনেক ঘোরানো বিলীন সবুজ পথে পুরো চিড়িয়াখানা ছেয়ে আছে।


প্রথম অবাক করা জীব। মনে হলো সুকুমারের কবিতার বই থেকে সোজা সিঙ্গাপুরে চলে আসছে। নাম- গুয়ানাকা। মুখের দিকে হরিণ, কানের কাছে গাধা, পিঠের কাছে উট! বড়ই কেরফা প্রাণী। আবার লাফিয়ে পাতা খায়, দু'পায়েও দাঁড়ায়! ;)


এটা ওরাংওটাংদের আখড়া। ছবিতে কাঠের কাঠামোর সাথে মিশে গেছেন তাহারা। বড়োই সুশীল, নড়ে চড়ে ধীরে। কান চুলকায়, অবসর কাটায়। মাঝে মাঝে বেরসিকের মতো আমাদের দিকে চায়...


চিড়িয়াখানার মাঝে একটা কাঠের বানানো রেস্টুরেন্ট। নাম- "আহ মেঙ"। আসলেই তৃপ্তির স্বর বেরুলো যখন এখানে পৌঁছালাম। রোদ উঠে গেছে ততক্ষণে। সবারই তৃষ্ণা পেয়েছে। তাই অর্ডার হলো- কাঁচা ফল আর ঠাণ্ডা লেবু-চা।


এইটা শামীমের সৌজন্যে। খাবারের ছবি চেয়েছিলে না? ;)


তৃষ্ণা মেটার পরে আবার বেরুলাম। পথে পড়লো প্রজাপতি পার্ক। একটা জায়গায় অসংখ্য ছোট ছোট মধুবাহী ফুল আর তার উপরে উড়ন্ত প্রজাপতি। হরেক রকমের। কালো-খয়েরি-লাল-নীল। মোটামুটি রঙের মেলা। এত চমৎকার দৃশ্য খুব কমই দেখেছি!


হা হা হা! এগুলো এক জাতের বেবুন। পশ্চাৎদেশের ছালবাকল নাই। প্রথমে ভাবলাম দূর্ঘটনা। পরে বুঝলাম জেনেটিক ফাজলেমি। নিশ্চয়ই বানর সম্প্রদায়ে তারা হাসির পাত্র! আহারে বেচারা পুচ্ছবিহীন বেবুন!!


তিন কৃষ্ণাঙ্গ যুবতীর সাথে আমি। কেমন বোধ করছি তা মুখভঙ্গিতেই প্রকাশ্য!


শ্বেত বাঘ। বিরাট আকার। পানিতে সাতার কাটে একজন, আর বাকিরা পাথরের 'পরে বসে বসে ঝিমোয়। গায়ে কালো ডোরাকাটা।


হাতির খুলি। পুরা হাতি আঁটলো না!:P


এটা চিড়িয়াখানার অ্যাম্ফিথিয়েটার। এখানে অনেক রকমের পশুপাখির খেলা, প্রদর্শনী হয়। ভালোই লেগেছে। যদিও খাদ্যের বিনিময়ে খাটানো পশুপাখিগুলোর জন্যে মায়াও লাগছিলো। নিষ্ঠুর এবং সদানির্বোধ মানুষের বিনোদনের কারণে তাদেরকে কতকিছুই না করতে হয়!


শো'য়ের একটা মুহূর্ত।


এইটাও শামীমের পেটুকচরিত কৃতার্থের জন্য দিলাম। খাবারের নাম- লাকশা। ডিম, নুডুলস, নারকেল আরও কি কি দিয়ে যেন বানায়।


এটা বেশ পরিচিত। মুরগি বার-বি-কিউ, আলুভাজি, সালাদ।


এটা রাইস, চিকেন আর স্যুপের একটা ডিশ।

খাওয়ার পরে ক্লান্ত অথচ পরিতৃপ্ত মনে হোটেলে ফিরে এলাম। প্রথম দিন ভালোই কাটলো! :)


** পর্ব তিন লেখা হবে কি না ঠিক শিওর না। না লেখা হলে নিজ গুণে সবাই ক্ষমা করিবেন। :)



***
- অনীক আন্দালিব
২.১০.৯

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ভ্রমণভ্রমন্থনভ্রমলিপি ;
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: দেখার জন্য আপনাকে তিনশ পেলাচ! :)

২. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৩
আরিয়ানা বলেছেন: ভাল লিখেছেন। আর এই আমার শহর যেখানে আমি বাস করি ভাল লাগলো আপনার চোখে দেখতে।!!
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: সিঙ্গাপুরে তিন দিন ঘুরেই চমৎকার লেগেছে। খুবই সাজানো গুছানো একটা শহর। ব্যস্ত কিন্তু ঝঞ্ঝাটহীন।

পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ আরিয়ানা।

৩. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৩
কালপুরুষ বলেছেন: ভাল লাগলো ছবি ও বর্ণনা।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কালপুরুষদা।

৪. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৩
রানাকবির বলেছেন: ভালই ঘুরলাম আপনার সাথে!!!!
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: আপনি তাহলে ভ্রমণসাথী, নাকি? :)

আমি ঘুরেছি অনেক, এগুলো মাত্র একদিনের ছবি। বাকি দিনগুলোর কথাও ভাবছি লিখবো, ছবি কমিয়ে।

পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ রানা।

৫. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৬
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: ছবিগুলো এতো রঙিন! মন-ভাল করা রং! চিড়িয়াখানার পথের ছবিটা চরম আর্টিস্টিক! সাদা বাঘ পছন্দ হয়ে গেসে বেশি! [আর সেই সাদার প্রতি আমার তীব্র টান! :P] কি পার্সোনালিটি!!! জুশ দেখে খেতে ইচ্ছা করলো! :(
আর তোমার ছবিটা সেইরকম ভাল এসেছে! তরুনী-ঘেরা জেমস্‌ বন্ড টাইপ! মাঝের লেখাগুলাও হিউমারাস লাগলো! পরের পোস্টের অপেক্ষায়...
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৬

লেখক বলেছেন: সাদা বাঘগুলো বেশ সমীহদর্শন ছিলো। অলস নড়াচড়া, তবে মনে হচ্ছিলো যে কোনো সময়ে ক্ষেপে যেতে পারে।

ছবির কৃতিত্ব অবশ্য আমার না, সুতরাং আলগা ভাব নিতে পারলাম না। তবে জেমস বন্ড বানাইলে কি আর সমস্যা! :D:D

পরের পোস্ট আশা করি এখন আসবে!

৬. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৮
একরামুল হক শামীম বলেছেন: খাবারের ফটুকগুলা বড়ই সৌন্দর্য্য :):) :D

ধইন্যা

তিন কৃষ্ণাঙ্গ যুবতীর সাথে তোলার তোমার ফটুকটা সেইরাম হৈছে ;)
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন: হে হে হে! জহুরি জহর চিনে। খাবারের ছবি যে তোমারই সবচে' ভালো লাগবে তা আগেই বুঝছিলাম!

তবে খাওয়াদাওয়া ঠিকমত করো। আমাকে দেখো, খেয়ে সেটার চিহ্নও বহন করছি! ;)

৭. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
একরামুল হক শামীম বলেছেন: ওহ ভালো কথা, পরের পর্ব অবশ্যই চাই।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: হুম। দেখি। একটা লিখে শেষ করতে পারলাম না, সাথে সাথে আরেকটা! :-*

রসো বৎস! আ-সি-তে-ছে! ;)

৮. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫২
নাঈম বলেছেন: তিন সুন্দরী(;););)) সাথে ছবিটা জুশ হৈসে
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৪

লেখক বলেছেন: খেক খেক। সুন্দরীরাও দাঁত বের করে হাসি দিতেছে। বুঝতে হপে, তাদের পাশে কেডা! ;)

৯. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৪
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: কাউয়া হাজিরররররররররররর.............;)

আয়ায় দেহুক না ম্যাকাউ না খ্যাকাউ (ঢাল তলার লৈয়া খারানির ইমো হৈবে)

ফটুক্গুলা জোশ লাগ্তেছে,

কৃষ্ণতরুনী গো লগে লগে আপ্নের বেশ সুখী সুখী আরেক্টা জিনিস দেখা যাইতেছে ;) ঐডিও জুশ ;)
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: ম্যাকাউ এখানে আসলে আপনের জারিজুরি ফাঁস হওয়া যাইবো। ঢাল তলোয়ারে কাজ হবে না, অ্যাম্পলিফায়ার লাগবেক! :D

খালি কৃষ্ণযুবতী (তরুণী নহে ;)) -রাই দেখাইবে? আমার কি কিছু নাই যে আমি দেখাইতে পারিবো না! ;)

নামে ছন্নছাড়া বলে সবাই হয়তো ভাবে আমি অসুখী কেউ, তাই ছবিতে প্রমাণসমেত দিয়ে দিলাম সুখের চিহ্ন! :)

অট. কালকে আসতেছেন তো?

১০. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: হেব্বি জোশে ছিলেন এতদিন মনে হয়। :):):)
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: আবার জিজ্ঞেস!

মাঝে ক্যাসেটের ভুলে প্যাঁচানো ফিতের মতো জটে পড়ে গিয়েছিলাম। এই ছয়দিনের ভ্রমণে মোটামুটি সরল আর সিধে হয়ে ফিরছি। এটাকেই মনে হয় "আনওয়াইন্ডিং" বলে!

আপনার খবর কি প্র??

১১. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৫
ব্যতিক্রমী বলেছেন: ছবি ও বর্ণনা দুটোই মনোমুগ্ধকর। দুর্দান্ত লিখা ছারুন জলদি।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: দুর্দান্ত হবে কি না জানি না। তবে চেষ্টা থাকবে।

ভাল থাকো ব্যতিক্রমী।

১২. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৪
মমমম১২ বলেছেন: টিয়াগুলো তো দারুন সুন্দর

সুন্দরী কন্যার সাথে আপনাকেও বেশ লাগছে
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন: টিয়াগুলো আসলেই অদ্ভুত সুন্দর। এদের মাঝে রঙভেদে আবার অনেকগুলো ভাগ আছে, ঠোঁটের আকৃতির ওপরেও শ্রেণীবিভাগ করা হয়!! কত বিচিত্র এই জীবজগৎ।

সুন্দরী কন্যার সুবাদে আমি দেখি বেশ হিট হই গেলাম! :)

১৩. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩২
মুক্ত বয়ান বলেছেন: ভাইয়া.. আপনি এই কর্ম কর্তে গেছলেন ঐখানে.. আর আমি ভাবছি কি না কি কাজে বিজি!!!! :-/ :-/
তবে, জায়গাটা ফাটাফাটি সুন্দর। :)
ছবি পোস্টানোর জন্যে ++
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: কাজে বিজি থাকি তো দেশে। ইজি কাজে বিজি থাকতে থাকতে মাথা হলো গরম, মেজাজ টং।

নাকবোঁচাদের বললুম, তোমাগো দেশ কেমুন? আলো হাওয়া আছে? বাতাসবয় তো? নাকবোঁচারা চি চি কইরা কহিলো, তা বটে, আলবৎ!

তারপরে উড়াল দিলাম। নামলাম, দেখি তেলেসমাতি! :):)

পড়ার জন্যে তোমাকে দুইশ পেলাচ!

১৪. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৩
আমি রোদের ছেলে বলেছেন:
ম্যালা খানাপিনার ফটু আছে ;)
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: কি করবো বলেন। পেটুক মানুষ, বিদেশ বিভুঁইয়ে খাবার দাবার চেখে দেখার লোভ সামলাতে পারলাম না! :)

ছবি দেখার জন্য ধন্যবাদ রোদপুত্র!

১৫. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৪
তারার হাসি বলেছেন:
চাঙ্গি এয়ারপোর্ট দেখার মত। একটু বেশিই সাজানো গুছানো......
আমার চিড়িয়াখানা দেখা হয়নি।
সুন্দর একটা দেশ সিঙ্গাপুর (শহর বলাই ভাল)।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: সিঙ্গাপুরের এই সাজানো গুছানো ব্যাপারটাই চোখে পড়েছে বেশি। অল্প একটা খাল, তাকেও নদী নাম দিয়ে রেস্টুরেন্ট আর হোটেলে ভরিয়ে ফেলেছে। পুরোটাই ট্যুরিজমের খেলা!

চিড়িয়াখানা'টা দেখেন। দারুণ একটা জায়গা বানিয়ে রেখেছে।

১৬. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৯
বৃত্তবন্দী বলেছেন: ডেফিনিট্লি আসবো। আর্লি আসবো... আপ্নে???
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন: বিকেলের দিকে আসছি। ফোন করবো'নে।

১৮. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৩
রথে চেপে এলাম বলেছেন: দারুন ছবি। পারলে সবগুলো ছবিতে একটা করে প্লাস দিতাম। :)
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: আরে! আমি ধরেই নিলাম না হয় সবগুলো প্লাস। ছবি আপলোডের কষ্ট দূরে হয়ে গেলো পুরাপুরি!

১৯. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১৭
ফারহান দাউদ বলেছেন: চিড়িয়াখানা দেইখা মনে পড়লো, গত এক সপ্তাহ ধইরা আমাগো দ্যাশেরটায় সমানে জন্তুজানোয়ার ইন্তেকাল ফরমাইতাসে, বা জোর কইরা ইন্তেকাল করানি হইতাসে, মনে হয় না আর বেশিদইন আছে ঐটার আয়ু।
খাবারের ছবি দিয়া কাজটা ভালো করলা না, রাতের বেলায় খিদা লাগলো।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:০৩

লেখক বলেছেন: সিঙ্গাপুরে গিয়ে আমার মন এই দিক দিয়ে ভয়ানক খারাপ হয়েছে। সবদিক দিয়েই আমরা এমন গরীব, বেহাল! আমাদের মানুষগুলোও সদামলিন, ক্লিষ্ট। রাস্তাঘাট ময়লা ঘিঞ্জি। এগুলো আমাদেরই ঘরবাড়ি অথচ আমরা পরিষ্কার রাখি না। বাইরে থেকে যখন ট্যুরিস্টরা আসে, তখন কী ভাবে সেটা চিন্তা করতেই মন খারাপ হয়ে গেছে! :(

০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:০৬

লেখক বলেছেন: হুম। মজার ভ্রমণ করলাম!

২১. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৫৬
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন: ভাই দেখি দারুণ মউজে আছেন। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম। আর একটা কথা। এরকম জুম করা খাবার দাবারের ছবি আর আপলোডায়েন না। রাইত বিরাইতে ক্ষিধা এবং তেষ্টা জাগে।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:০৭

লেখক বলেছেন: হা হা!

সব দোষ আসলে একরামুল হক শামীমের। সে আসার পর থেকে খাবার কৈ খাবার কৈ বলে অস্থির করে দিলো। তাই এই পর্বে কিছু ছবি দিয়ে তাকে শান্ত করবো ভাবছিলাম। এখন দেখি রাতের বেলায় সবার ক্ষিদে পাইয়ে দিলাম।

সবাই মিলে শামীমকে ধরা হউক! ;)

০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:০৯

লেখক বলেছেন: হিংসা করা ভালো! জরুরি এবং শক্তিশালী অনুভূতি এভাবে অনুশীলন করলে, হৃৎপিণ্ড সবল হয়! ;)

২৩. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৫২
সায়েম মুন বলেছেন: ফটুকে লাল আভাটার তেজ খুব বেশী। চোখ জলে গেল ফটুকের ঝাঝে :)
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: হুম। খাবারগুলো লাল ছিলো। আর ছবি যে তুলেছে, সে ন্যাচারাল লাইটে তুলতে পছন্দ করে। আমি খালি ছবি-প্রদর্শক। :)

২৪. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৬
সৈয়দ আফসার__১৯৭৯ বলেছেন:
ছবিগুলো খু-উ-ব সুন্দর!!!!

আমার ডেরায় যাবেন কিন্তু...
ভাল থাকুন।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: অবশ্যই যাবো সময় নিয়ে! :)

ছবিগুলো দেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ আফছার।

২৫. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৪০
হুমায়রা হারুন বলেছেন: খুব সুন্দর।
আরো ছবি দিয়ে পোস্ট দিবেন।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯

লেখক বলেছেন: অবশ্যই করবো। আপনার ভালো লাগা জেনে খুশি হলাম।

২৬. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:০৭
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: বেশ বেশ। চমৎকার সব ছবি। অনেক কালারফুল।
আপনার ছবি তোলার হাত যে চরম ভালো সেটা আবার কইতে হলো।:)
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১০

লেখক বলেছেন: আরে! আমার ছবি তোলার হাত মোটামুটি। তবে এই ছবিগুলো আমার ছোট বোনের তোলা। সে আসলেই ভালো ছবি তোলে। :)

কেমন ঘুরলাম বুঝেছেন তো!

২৭. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৫০
আকাশ_পাগলা বলেছেন: ভাল হইছে।

আরও খাবারের ছবি চাই। সিঙ্গাপুরের মানুষ কই? ওদেরও ছবি তুলেন।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১১

লেখক বলেছেন: খাবারের ছবি দিলে দেখি সবার ক্ষিদে পেয়ে যায়। ক্ষুধার্ত মানুষকে কষ্ট দিতে নাই।

আর সিঙ্গাপুরের মানুষদের ছবি তেমন একটা তোলা হয়নি। রাস্তাঘাট আর আশেপাশের ছবি তুলেই সময় পাই না!

২৮. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২৫
ত্রিশোনকু বলেছেন: সিংগাপোরে ছিলাম টানা তিন সপ্তাহ। সংগে ছিল দুজন বৃদ্ধ রোগী (দুজনেই অধুনা মৃত)। একজন তার মধ্যে হাঁটতে পারতেন না। হুইল চেয়ারে ঠেলে নিতে হত। আমার সাথে আর কেউ ছিলনা। স্মৃতিতে শুধু পাঁচতারা হোটেলের মত কতগুলো হাসপাতাল, হাসপাতালের ফুড কোর্ট, চুইংগাম না চিবুতে পারার দূঃখ, সিগারেট খাবার বিড়ম্বনা আর অগ্নিজলের দূর্মুল্যই প্রবল। আপনার ছবিগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র রাস্তার পাশের বোগেনভেলিয়ার দৃশ্যটিই পরিচিত।

অনেক ধন্যবাদ, অদেখা সিংগাপোর দেখার সাধ মেটানোর জন্যে।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৭

লেখক বলেছেন: আপনার কথাগুলো শুনে মন খারাপ হলো। মৃতের আত্মা শান্তি পাক!

আপনার অভিজ্ঞতার সাথে দ্রব্যমূল্যের সাথে পরিচিত। এক সিঙ্গাপুরিয়ান ডলারে হয় পঞ্চাশ টাকা। যা-ই কিনতে যাই, দামের সাথে পঞ্চাশ গুণ করলে দেখি আর কেনাই যায় না!

আপনার সাধ মিটাতে পেরে খুব ভালোও লাগছে। সময় ও সুযোগ পেলে আরেকবার ঘুরে আসুন। তখন অদেখা সিঙ্গাপুরকেও না'হয় দেখলেন। :)

২৯. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৪
বড় বিলাই বলেছেন: যেমন সুন্দর ছবি, তেমনই সুন্দর বর্ণনা।

সুন্দরীদের পাশে দাঁত কেলাইছেন ভালাই। :)

পরের পর্বেও যেন অনেক ছবি থাকে।
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৪

লেখক বলেছেন: সুন্দরীদের পাশে থাকলে কে না দাঁত কেলায়? ;)

চেষ্টা করবো। নিশ্চয়ই পরের পর্বেও ছবি থাকিবেক।

৩০. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৯
নষ্ট গিটার বলেছেন: মানুষগুলা সুন্দর না সিঙ্গাপুরের। :S
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯

লেখক বলেছেন: না না। সুন্দর তো! সব দেশের মানুষই কোনো না কোনোভাবে সুন্দর (খালি পাকিস্তান ছাড়া)। :)

৩১. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:০১
ত্রিশোনকু বলেছেন: @নষ্ট গিটার: আমি একটা সুন্দরী ডাক্তার আর গোটা দশেক সুন্দরী নার্স দেখেছিলাম!
৩২. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৬
ফারহান দাউদ বলেছেন: ঘটনা হইলো, সবকিছু কিন্তু আমাদের পয়সা নাই এইজন্য হয় তা-ও না। যেমন চিড়িয়াখানার এই কয়টা প্রাণী বাঁচায়া রাখা কোন ব্যাপার না, বাজেটো দেয়া হয় কিন্তু সবাই মিলে সেই বাজেট মেরে খায়। রাস্তাঘাট খানিক পরিষ্কার রাখা, সেটাও ব্যাপার না, একটু সচেতন হলেই হয়, তা-ও করবো না। গাড়িটা রাস্তার মাঝে আড়াআড়ি পার্কিং না করা, সেটাও একটু অন্যদের কথা ভাবলেই হয়। কিন্তু নিজের পায়ে কুড়াল মারায় আমরা বিশ্বে এক নম্বর, কে শোনে কার কথা!
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: দুঃখ তো সেই জায়গাতেই। যেগুলো ফ্যাক্টর আমাদের হাতে নাই, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা এরকম প্রাকৃতিক দূর্যোগ নিয়ে কোনো আফসোস হয় না। আমাদের দেশটাই এমন। কিন্তু মানুষের কাজকর্ম-- এই ফ্যাক্টরটা আমরা চাইলেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, উন্নয়নও কঠিন নয়। টাকা পয়সা দেশে কম আছে, তবে যা আছে তার সুষ্ঠু ব্যবহার করলেও অনেক কিছুই হতে হতে দাঁড়িয়ে যাবে বলেই অনুমান করি।

এগুলো বারবার বলা কথা, সিঙ্গাপুরে গিয়ে সবকিছু দেখে এগুলাই আবারও মনে পড়েছে।

৩৩. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৪
পারভেজ বলেছেন: চমৎকার সব ছবি!
৮০০ ছবির কথা শুনে ইর্ষা জাগলো। ডিজিটাল ক্যামেরার কত্তো সুবিধে :(
বিখ্যাত মুস্তফা ভাইয়ের দোকান বৃত্তান্ত কই?
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: প্রথম দিন ওদিকে যাইনি। চিড়িয়াখানায় আর চৈনিক শহরে ঘুরেছি।

পরের দিন দোকানে গিয়ে বিষম টাশকি। সেগুলোর কথা সামনের পর্বে আসবে আশা করি।

আর বেশি ছবি তোলার কারণ হলো কয়েকটাই তার মাঝে দর্শনোপযোগী হবে। এই কারণে। ক্যামেরাম্যান (ওম্যান) বয়সে নবীন ও অস্থির। সে ফটাফট ছবি তুলেছে, দিনশেষে আমাকেই সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে ফ্ল্যাশড্রাইভে সেসব ছবি ট্রানস্ফার করতে হয়েছে! :(

৩৪. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০২
নুশেরা বলেছেন: দারুণ, দারুণ!

আজ তোমার ব্লগে এসে শুধু স্মৃতিকাতর হচ্ছি। ন'বছর আগে প্রথম সিংগাপুর যাবার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে... চাঙ্গিতে নেমেই এক রাম আছাড় খেয়েছিলাম; তারপর জুতো খুলে হাতে নিয়ে হাঁটা...

ইমিগ্রেশনের কাগজপত্রে আমারও এমনই কাটাকুটি হয়, কিন্তু ওরা কেউ পড়েও দেখেনা :)
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:০৭

লেখক বলেছেন: আছাড় কেমনে খেলেন? কোন সুপুরুষের দিকে জুলজুল তাকিয়ে ছিলেন বলেন! ;)

ইমিগ্রেশনের কাগজ মনে হয় প্রতিদিন হাজার হাজার জমা হয় ওদের কাছে। নিশ্চয়ই ফেলে দেয় পরে কোথাও! অযথা পরিশ্রম। :(

৩৫. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:২২
আকাশ অম্বর বলেছেন: বেশ মজা করা হচ্ছে!


ছবি ও বর্ণনা চমৎকার, ছন্ন।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: হুম, অনেকদিন ঢাকায় বসে ভালো লাগছিলো না আর। তাই বের হয়ে পড়লাম। :)

পড়ার আর দেখার জন্য ধন্যবাদ আকাশ!

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: ডটঅসমাপ্ত! থেঙ্কু থেঙ্কু! :)

৩৭. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩
নুশেরা বলেছেন: লেখক বলেছেন: আছাড় কেমনে খেলেন? কোন সুপুরুষের দিকে জুলজুল তাকিয়ে ছিলেন বলেন! ;)

সুপুরুষ পাবো কই ভাই, একা গিয়েছিলাম তো :(
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৯

লেখক বলেছেন: একা গেলেন বলেই তো সুপুরুষ দেখার সুযোগ বেশি! হাহাহা! :)

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: আসলেই...

৩৯. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:২৯
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ছন্ন -- ছবি আর বর্ননা দারুন লেগেছে ।

++++
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শূন্য!

(আপনার তিমি মাছের পোস্টটা এখনও সময় করে পড়াই হলো না!:()

৪০. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৫
সাদা কালো এবং ধূসর বলেছেন:
সবচে মজার লাগছে পেড্রোর সাইনটা।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: সবগুলো প্রাণীর আবাসের পাশে এমন এক একটা সাইন দেয়া ছিলো। সেখানে নানা মজার তথ্য, বা কার্টুন আঁকা। ছোট-বড়ো সবাইকে আকর্ষণ করার বা আনন্দ দেয়ার কি চমৎকার উদ্যোগ, তাই না? :)

৪১. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১২
নম্রতা বলেছেন: অনেক চেনাজানা এই শহর --- স্মৃতিগাঁথা !
ভাল লাগলো আবারো আপনার চোখে দেখে !
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১

লেখক বলেছেন: স্মৃতিতে নাড়া পড়লো বুঝি।

শহরটা আমার অল্পদিন ঘুরেই খুব ভালো লেগেছে। আপনাদের সাথে সেই স্মৃতি ভাগ করলাম এই লেখায়।

শুভেচ্ছা নিন নম্রতা।

১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: দেন ইট সামথিং!

৪৩. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩৪
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: ৮০০ ছবি থেকে বাছাইকৃত সেরা ছবিগুলান দেখে প্রীত হলাম; আমি একটু ঘরকুণো মানুষ; ঘুরাঘুরির প্রচণ্ড ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও নানান করাণ ঘরেই থাকা হয় শেষাবধি।।। সেজন্যই ছবির প্রতি অন্যরকম একটা ফিলিংস কাজ করে; ভিজুয়ালাইজেশনে সহায়ক হয়।।।

সময় পেলে পরের পর্ব লিখে ফেইলেন।।। তাতে ৮০০ এর ঝাঁপি থেকে আরও কিছু ছবির অবমুক্ত হওয়ার সুযোগ আনবে...............
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: তা ঠিক, পরের পর্ব লিখলে সেখানে আরো কিছু ছবি দিবো। দেখা যাক। তোমারও সুযোগ পেলে ঘুরে আসা উচিত। ভ্রমণ সবসময়েই চিন্তার পরিধি আর বৈচিত্র বাড়িয়ে দেয়!

 

মোট সময় লেগেছে ১.৪৮২১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
লেখালেখির সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত©লেখক

যোগাযোগঃ shunno.oronno@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই