চারদলীয় ঐক্যজোট প্রার্থীদের ১৬০ থেকে ১৭০ টি আসনে বিজয়ী হবার সম্ভাবনা : জরিপ রিপোর্ট
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২২
জরিপটি করা হয়েছে অত্যন্ত নিরপেক্ষভাবে। এমনকি নির্বাচনী এলাকাগুলোর বিএনপির নেতা কর্মিদেরকেও জরিপ সম্পর্কে অবহিত করা হয়নি। প্রতিটি আসনকে আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এসব বিশ্লেষণের মধ্যে প্রার্থীরযোগ্যতার পাশাপাশি নির্বাচনে তাদের ব্যয়ের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪ দলীয়জোট ১৬০ থেকে ১৭০টি আসনে জয়লাভ করতে পারে। মাঠ পর্যায়ে জরিপটি পরিচালনা করেন সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান। বৃহত্তর ময়মনসিংহ, মুন্সীগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও বরিশাল ছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকায় ৪ দলীয় জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে অনেক নতুন ভোটার এসেছেন। তাদের ভোটদানের ট্রেন্ড সম্পর্কে এখনি কিছু বলা যাবে না। তাদের সম্পর্কে বলা যাবে ২৯ তারিখ নির্বাচনের পরে। সাধারণ একটি ধারনা হলো নতুন ভোটাররা যদি ৫০ শতাংশ ভোট আওয়ামী লীগকে দেয় তবে বাকি ৫০ শতাংশ ভোট বিএনপিকেও দিবে। কারণ এ নতুন ভোটারদের সম্পর্কে বিএনপির যেমন ধারনা নেই তেমনি আওয়ামী লীগেরও ধারনা নেই।
কিন্তু গত কয়েকটি নির্বাচনের ফলাফল ভোটারদের মানসিকতা ও এলাকায় প্রার্থীদের গ্রহণযোগ্যতা বিচার করে বলা যায় বিএনপি নুন্যতম ১৬০ টি আসনে জয়লাভ করবে।
আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় পার্টির জোটভূক্ত ভোটের ব্যাপারে বলা যায়, জাতীয় পার্টির ভোট প্রধানত আওয়ামী লীগ বিরোধী ভোট। যেখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী দূর্বল কিন্তু জাতীয় পার্টির ভাল প্রার্থীও নমিনেশন পায়নি সেখানে জাতীয় পার্টির ভোটাররা অবশ্যই ৪দলীয় প্রার্থীকে ভোট দিবেন।
সরকারের মধ্যে ধারণা ছিল তাদের ২ বছরের অত্যাচারে বিএনপি দূর্বল হয়ে পড়েছে। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়ার রাতদিন নির্বাচনি প্রচারণার ফলে জনমত ৪ দলীয়জোটের পক্ষে চলে এসেছে।
গতবারের নির্বাচনের হিসাব করা হলেও আওয়ামী লীগকে ১৫১টি আসনে নির্বাচিত হয়ে আসতে হলে ৭৫টি আসনের বিএনপি প্রার্থীকে পরাজিত করে আসতে হবে। কিন্তু চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বৃহত্তর নোয়াখালী, বগুড়া, বৃহত্তর ঢাকা ও সিলেটের সংসদীয় আসনগুলোর হিসাব থেকেই বলা যায় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ৭৫টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসতে পারবে না।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ২২২ থেকে ১৭০ এ নামলো কেন ? সেই প্রশ্ন করেন , প্রশ্নে ওয়েট থাকবে ![]()
আদৃতা আবৃত্তি বলেছেন:
কৌতুকটি ভাল লেগেছে..................হেহে
লেখক বলেছেন: আমারো
আদৃতা আবৃত্তি বলেছেন:
এ সেই মাহমুদুর রহমান.........যে উত্তরা ষড়যন্ত্রের নায়ক। এ সে মাহমুদুর রহমান যে জ্বালানী উপদেষ্টা থাকায় ফুলবাড়ীতে এশিয়া এনার্জির হাতে কয়লা ক্ষেত্র তোলার উদ্দেশ্যে মানুষ খুন করা হয়েছে। এ সে মাহমুদুর রহমান..........যে ড. দেবপ্রিয় এর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করে বালখিল্লতার পরিচয় দিয়ে সারাদেশে কৌতুকের উৎসে পরিণত হয়েছে। পরে নিজের মান সম্মানের চেষ্টা হিসেবে রণেভঙ্গ দিয়েছে।
লেখক বলেছেন: তো... বোঝেন তাহলে এই লোকটার কি মেধা আর "কিছু একটা" করে ফেলার ক্ষমতা !
অদ্ভুত কাজী বলেছেন:
তাহলে যুবরাজ কে দুদক চেয়্যারম্যান হিসেবে দেখতে চাই ।এটাও একটা কৌতুক ।হে হে হে
লেখক বলেছেন: ইহুদী তরুনীর স্বামী যুবরাজ জয়-শেখ হাসিনার পুত্র ফিল্ডে আছেন ।
হমপগ্র বলেছেন:
মাহমুদুর রহমান সাহেব বিএনপির লোক। তিনি নিরপেক্ষ জরিপ করেছেন? হাসতে হাসতে পড়ে গেলাম...
লেখক বলেছেন: আপনি একটা জরিপ করেন । আমরা গাম্ভীর্যের সাথে ফলাফল উপভোগ করি !
হাসতে হাসতে পড়ে গেলাম...
লেখক বলেছেন: আওয়ামীলিগের সন্ত্রাস , দেশ ও ধর্মবিরোধীবিরোধী অপপ্রচার-নাস্তিক-স্বৈরাচারের জোটকে ভোট দেবেনা মানুষ । মাহমুদ রহমানের জরিপে এটাই আসছে । সে কোন পন্থী সেটা গুরুত্বপুর্ন না ।
শ্রাবণ সমুদ্র বলেছেন:
আমজনতার মতামত উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নাই। তবে জরিপ অনুযায়ী এগিয়ে থাকলেও ক্ষমতায় যাবে আওয়ামীলীগ।
ওপরের ২ ছাগল আর ১ ছাগীর মন্তব্য পড়ে আপনি থেমে যাবেন না আশা করছি।
লেখক বলেছেন: আওয়ামীলীগের ষড়যন্ত্র আর ক্ষমতাসীনদের সাথে আঁতাতের কথা মানুষের জানা দরকার ।
হাসান বিপুল বলেছেন:
ভাইজান, বিএনপি সাপের্ট করলে কোনো সমস্যা নাই, তবে এইরকম জরিপ না দেখানোই ভাল।
লেখক বলেছেন: জরিপটা বিশ্বাসযোগ্য । আচ্ছা, আপনিই বলবেন , চারদল কয়টা আসন পাবে ? ![]()
লেখক বলেছেন: সত্য কথা তিতা হয় জানতাম ।
স্বপ্নিক বলেছেন:
অরণ্যচারী বলেছেন: হমপগ্র বলেছেন: মাহমুদুর রহমান সাহেব বিএনপির লোক। তিনি নিরপেক্ষ জরিপ করেছেন?হাসতে হাসতে পড়ে গেলাম...
লেখক বলেছেন: আওয়ামীলিগের এই রিল্যাক্সড মুডটা দেখে আমাদের কিছুটা ভালোই লাগে । হাসতে থাকেন ।
মো মুজাহিদ আলম বলেছেন:
জরিপের হিসাব পাল্টে দেয় একেবারে সাধারণ ভোট গুলা.
লেখক বলেছেন: সাধারনদের সাথেই হিসেবগুলি করা হয়েছে । একেবারে কাছে গিয়ে ।
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
khub mojak pelum......
লেখক বলেছেন: মজা পাবার কথা না ।
মাহমুদুর রহমান আবার জোতিসী............ য়ইল কবে।
কত বড় হইছে ২৯ তারিখে দেকাযাবনি.................
লেখক বলেছেন: জনগনের রায় নিয়ে যদি ষড়যন্ত্র করা না হয় তবে এই ফলাফল খুবই যৌক্তিক ।
আদৃতা আবৃত্তি বলেছেন:
আচ্ছা ৭৫টি আসনটির মধ্যেতো প্রায় ৫৫টিতে বেশি ভোট কাস্ট করে..সোজা কথায় কারচুপি করে জিতেছিল। যেটি এনডিআই ও নির্বাচন কমিশনের যৗথ তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। মাত্র কয়েকদিন আগে প্র'আলো এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন করেছে। এনডিআই এর ঢাকা অফিস আছে। প্র আলোর প্রতিবেদনের কোন প্রতিবাদ তারা করেনি। তার মানে ঘটনা সত্যি। যদি তাই হয় তাহলে আর কয়টি সিট বাকী থাকে????????????????
লেখক বলেছেন: কিন্তু এইটা তো সুক্ষ্ম কারচুপি ছিলো
আপনার কথায় মনে হচ্ছে সেটা স্থুল হয়ে গেছে হা হা হা !!
লেখক বলেছেন: ‘জয়ের ২ হাজার ১০০ কোটি টাকার উৎস জনগণ জানতে চায়’ Click This Link
মানবাধিকার সংগঠন ভলান্টিয়ার্স অব আমেরিকান কমিউনিটি ইউএসএ ইনক-এর প্রেসিডেন্ট আবুল হাসেম বুলবুল ও সেক্রেটারি কাজী সাকাওয়াত হোসেন আজম অভিযোগ করেছেন, শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় যুক্তরাষ্ট্রে একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বিপুল সম্পত্তির মালিক।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তার মা যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন জয় তখন বিভিন্ন নামে-বেনামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। জয় যুক্তরাষ্ট্রে কোনো চাকরি করেন না। তারপরও জয় ২০০৬-এর ১২ মে নিজের নামে ভার্জিনিয়ায় ১০ লক্ষ ডলারে একটি বাড়ী কেনেন।
জানা গেছে, বাড়ির আসল মূল্য লুকাতে চতুরতার পরিচয় দিয়েছেন জয়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে জয় ও তার স্ত্রী যৌথ মালিকানায় আরেকটি বাড়ি ৭ লক্ষ ৪৯ হাজার ডলারে কিনেছিলেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন (পুতুল) এবং তার স্বামী খন্দকার এস. হোসেনও যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা শুরু করেন। তার ব্যবসাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বাংলাদেশ মেটাল এন্ড পাইপ ট্রেডিং করপোরেশন, সোনালী ইনক করপোরেশন, ডগস হোলসেল ইন্ক, আফসানা ইন্ক ও জাম্পি করপোরেশন।
যুক্তরাষ্ট্রে পুতুল ও তার স্বামীর ৩টি বাড়ী রয়েছে। জয় এবং পুতুল ও তার স্বামীর যুক্তরাষ্ট্রে অঢেল সম্পদ রয়েছে, যা অস্বাভাবিক। এক বিবৃতিতে ওই সংগঠনের নেতারা বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয় যুক্তরাষ্ট্রে আইন লঙন ও অনৈতিক কাজে বেশ কয়েকবার গ্রেফতার হন এবং বিচারে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত হন। উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের ১৪ জুন টেক্সাসে টারন্ট কাউন্টিতে জয় গ্রেফতার হন। তার বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র রাখা এবং মাতাল অবস্খায় গাড়ী চালানোর অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে ১২০ দিন কারাবাস, ২ বছরের প্রোবেশন এবং ৫০০ ডলার জরিমানা করেন।
২০০৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ভার্জিনিয়ার হ্যানোভার কাউন্টিতে গ্রেফতার হন তিনি। বিচারে দোষী প্রমাণিত হলে তাকে শাস্তি ও জরিমানা করা হয়। ২০০০ সালের ১৯ মার্চ ভার্জিনিয়া ফেয়ারপ্যাক্স কাউন্টিতে জয় গ্রেফতার হন। গ্রেফতারের পর অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেয়া হয়। ২৯ এপ্রিল ২০০১ ভার্জিনিয়ার রাপাহ্যানোক কাউন্টিতে এবং ২০ মে ২০০৪ আরলিংটন কাউন্টিতে আইন ভঙের অপরাধে তাকে শাস্তি দেয়া হয়।
সংগঠনটি বলেছে, সজীব ওয়াজেদ জয় এবং তার বোন সায়মা ওয়াজেদ হোসেন (পুতুল) ও তার স্বামী খন্দকার এম হোসেনের ব্যবসা-বাণিজ্য ও সম্পদের দিকে তাকালে আলাদিনের চেরাগের মতোই মনে হয়।
শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তারা এ সম্পদ গড়েছেন বলে অভিযোগে বলা হয়। তারা বলেন, ‘বর্তমানে জয় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের (২ হাজার ১০০ কোটি টাকা) মালিক। এ অর্থের উৎস জনগণ জানতে চায়।’
রবিনহুড বলেছেন:
জরিপে যাদি এটাও উঠে আসে যে ৪দল ২৫০টা আসন পাবে তাতে উল্লাসিত হবার কোন কারন নেই, সবার উপর যে আসন ওয়ালা বসে আছে উনি হলেন "ইলেকশন ইন্জিনিয়ার"। এই ইন্জিনিয়ার সাহেবের দোয়া ছাড়া কোন বাপের বেটা ক্ষমতায় যেতে পারবে না। উনার কথাটা একটু খেয়াল রাইখেন। তাইলে সঠিক ফলাফল পাবেন।
লেখক বলেছেন: এটা তো জানি । তবে মনে হয় না কোনরকম ষড়যন্ত্র করে এবার কেউ পার পাবে ।
লেখক বলেছেন: আওয়ামিলীগের রিল্যাক্সড মুড বলে দেয় যে তাদের সাথে কারো আঁতাত হয়েছে ।
জানপরী বলেছেন:
@ আদৃতা আবৃত্তি, আপনি কি পরে নির্বাচন কমিশনের কথা শুনেছেন?ইচ্ছা করলেও যে কেন্দ্রের ভোটারের চেয়ে বেশি ভোট দেওয়া যায় না তা কি আপনি জানেন???
আর প্রথম আলো আর এনডিআই এতদিন কোথায় ছিল ???????
তবে ব্যক্তিগতভাবে এমন জরিপ প্রকাশ পছ্ন্দ করিনা।
গিফার বলেছেন:
ফ্রি মাইনাস
লেখক বলেছেন: আপনি একজন হাফেজে কোরআন হয়ে কোন হিসেবে আওয়ামী-নাস্তিক জোটকে সমর্থন করেন, আমি বুঝিনা । নাস্তিকরা আছে যে জোটে, তাদের সমর্থন করাটা মানাচ্ছে না ঠিক আপনার সাথে । একটু ভাবার অনুরোধ করি ।
ইসলামকে বাচাতে চান - দাড়ি পাল্লায় ভোট দেন
ঈমানকে বাচাতে চান - দাড়ি পাল্লায় ভোট দেন
মৌলবাদ বাচাতে চান - দাড়ি পাল্লায় ভোট দেন
জঙ্গীবাদ বাচাতে চান - দাড়ি পাল্লায় ভোট দেন
জবাইয়ের ট্রেনিং চান - দাড়ি পাল্লায় ভোট দেন
গ্রেনেড মারার ট্রেনিং চান - দাড়ি পাল্লায় ভোট দেন
রগ কাটার ট্রেনিং চান - দাড়ি পাল্লায় ভোট দেন
জঙ্গী ট্রেনিং চান - দাড়ি পাল্লায় ভোট দেন
মিডিলিস্টে ভিক্ষার ট্রেনিং চান - দাড়ি পাল্লায় ভোট দেন
ধর্ম ব্যাংকের চাকরী চান - দাড়ি পাল্লায় ভোট দেন
হাসপাতালে ফ্রী ট্রিটমেন্ট চান - দাড়ি পাল্লায় ভোট দেন
টেন্ডার বাজী করতে চান - দাড়ি পাল্লায় ভোট দেন
মডারেট ইসলামী হতে চান - দাড়ি পাল্লায় ভোট দিন
ঈমানকে বাচাতে চান - দাড়ি পাল্লায় ভোট দেন
রাজাকারের চরিত্র - ফুলের মতন পবিত্র
রাজাকার বিএনপি ভাই ভাই - মুক্তিযোদ্ধাদের রেহাই নাই
জান জান পাকিস্তান- দিল দিল পাকিস্তান
জুতা খাওয়ার ট্রেনিং চান - দাড়ি পাল্লায় ভোট দেন
লেখক বলেছেন:
ইসলামকে বাচাতে চান - চারদলীয় ঐক্যজোটকে ভোট দেন
ঈমানকে বাচাতে চান - চারদলীয় ঐক্যজোটকে ভোট দেন
দেশের সার্বভৌমত্ব বাচাতে চান - চারদলীয় ঐক্যজোটকে ভোট দেন
স্বাধীনতা রক্ষায় ভুমিকা রাখতে চান - চারদলীয় ঐক্যজোটকে ভোট দেন
হোঁদল কুঁত কুঁত বলেছেন:
যত জরিপি করুক ইলেকশান ইঞ্জিনিয়ারিং আমলিকের পক্ষে। এইডা যত তারাতারি বুঝবেন ততই ভালা। জুকস কইরেন না। জয় বাংলা
লেখক বলেছেন: সেটা অন্য হিসাব । সবাই জানে । আমি বলেছি জনরায়ের পাল্লা কোনদিকে ভারী সেকথা । জরগনের রায় পাল্টানোর চেষ্টা করলে তার ফল দেশের জন্য ভালো হবেনা । মানুষ ই তা দেখে নেবে ।
আউটসাইডার বলেছেন:
আদৃকা আবৃত্তি: অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী যেমন, তেমন ভয়ংকর অল্প পড়া আর অল্প জানা। প্রথম আলোর ঐ রিপোর্টে আছে যে বিএনপি একা না, আওয়ামিলীগ, জাপা, এরাও অনেকগুলি কেন্দ্রে বেশী ভোট পাইছে। আরো লিখছে প্রথম আলো যে এই অতিরিক্ত ভোট ফলাফলে কোন প্রভাব ফেলে নাই। এগুলি পড়েন নাই??আর এইটা কোন যৌথ তদন্ত হয়নাই। উল্টা-পাল্টা তথ্য দেন কেন? পরের দিন আমার দেশ পত্রিকায় লিখছে নির্বাচন কমিশনের লোকেরা এই রিপোর্টে বিস্মিত এবং প্রথম আলো কেমনে মিথ্যাচার করছে তাঁর উল্লেখ ও করছে আমার দেশ তাঁদের রিপোর্টে তথ্যের সুত্র সহ।
এখন বলতে পারেন আমার দেশ বিএনপির দালাল। আমিও বলতে পারি প্রথম আলো বাআল এর দালাল। ভোটের ঠিক আগে আগে উদ্দেশ্যমূলক ভাবে উল্টা-পাল্টা খবর দিতাছে, যেমন দূদক তদন্তের আগেই সংবাদ সম্মেলন করে কোকো'র বিরুদ্ধে খবর দিছে, যেটা সচরাচর তারা করেন না।
লেখক বলেছেন: জটিল কইছেন ।
সাদাসিধা বলেছেন:
ভাল ভোটরঙ্গ বটে।
লেখক বলেছেন: জ্বী, দেখতে থাকেন ।
বাশার বলেছেন:
আমার বলার কিছু নাই,বিএনপির লোকের নিরপক্ষ জরিপ।বড়ই হাসি পাইলো
লেখক বলেছেন: পাইতেই পারে । আমি তো কইনাই আপনি হাসতে পারবেন না ।
আদৃতা আবৃত্তি বলেছেন:
@জানপরীআমি যে তথ্যের কথা বলছি তা নির্বাচন কমিশন ও এনডিআই এর যৌথ প্রকল্প ছিল। বাংলাদেশ সরকারের এমন অনেকগুলো যৌথ প্রকল্প আছে।
আপনার সাথে আমিও একমত। ভোটারের চেয়ে বেশি ভোট দেয়া যায় না। কিন্তু এগুলো কীভাবে হয়েছে, কারা করেছে তাতো প্রতিবেদনটিতেই উল্লেখ আছে। আপনার আগ্রহ থাকলে তা পড়ে নিবেন।
শুধু বলে রাখি..........অন্ধ হলে প্রলয় বন্ধ হয় না.........
লেখক বলেছেন: দামি কথা
দূর্ভাষী বলেছেন:
আদৃতা আবৃত্তি বলেছেন: এ সেই মাহমুদুর রহমান.........যে উত্তরা ষড়যন্ত্রের নায়ক। এ সে মাহমুদুর রহমান যে জ্বালানী উপদেষ্টা থাকায় ফুলবাড়ীতে এশিয়া এনার্জির হাতে কয়লা ক্ষেত্র তোলার উদ্দেশ্যে মানুষ খুন করা হয়েছে। এ সে মাহমুদুর রহমান..........যে ড. দেবপ্রিয় এর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করে বালখিল্লতার পরিচয় দিয়ে সারাদেশে কৌতুকের উৎসে পরিণত হয়েছে। পরে নিজের মান সম্মানের চেষ্টা হিসেবে রণেভঙ্গ দিয়েছে।ভূয়া জরীপের তথ্য দিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা বাদ দেন।
লেখক বলেছেন: এইটাই গণরায় , জনগনের ইচ্ছা অনিচ্ছার যৌক্তিক ফলাফল । চারদলীয় জোটের সমাবেশগুলোতে গত দুবছরের অত্যাচারীত নির্যাতিত দরিদ্র মানুষগুলোর ঢল নামা দেখেও এর বাস্তবতা উপলদ্ধি করা যায় !
বিস্কুট পাগলা ... বলেছেন:
ইনশাল্লাহ আমরা ২৫০ আসনে বিজয়ী হব । পুর্ব পাকিস্থান কে আবার আবাদ করব।
লেখক বলেছেন: উহু, কথাটা হবে আপনারা পার্বত্য চট্টগ্রামে অখন্ডভারতের পতাকা ওড়াবেন ।
লেখক বলেছেন: এইটা দেখায়া যদি আমার কোন লাভ না হয়, তাইলে মনে রাইখেন বিএনপি-চারদলীয় জোটের সাথেও এইসব ফালতু কথা বইলা আপনারো কোন লাভ নাই । মানুষ এইসব বোঝে । দেশের স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি এখন আওয়ামীলিগ । গণতন্ত্র বিরোধী শক্তি জাতীয় পার্টি আর ধর্ম বিরোধী নাস্তিক ১৪ দল । সব মিলিয়ে দেশ বিরোধী মহাজোট ।
লেখক বলেছেন: দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হত্যাপ্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানাই ।
... ভাই যে অবস্থা তাতে মনে হয় নির্বাচনে যদি আওয়ামী লীগ হারেও, তারপরও মনে হয় এরা বলবেন ক্ষমতায় তারাই যাবেন..
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
মাহমুদুর রহমান মেধাবী কৌশলী লোক।বিনিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে চমৎকার কাজ দেখিয়েছেন। সিপিডি যখন তার বিরুদ্ধে বাজে একটি কথা বলেছিল তখন আর যে কেউ হলে খুব চাপে পড়ে ব্যাপারটা মিমাংসার দিকে যেত।কিন্তু তিনি সিপিডিকে ঘোল ঘাইয়ে ছেড়েছেন।
কিন্তু এই জরিপটি বিশ্বাসযোগ্য হয় নি। ১৬০ সীট বিএনপির জন্য বর্তনাম প্রেক্ষাপটে অসম্ভবের মত।
আমার ধারনা মাহমুদুর রহমান এর এই জরিপ সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের মানসিক ভাবে চাঙ্গা করার একটা কৌশল।
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
ছাগল
নাজিল আযামী বলেছেন:
আউটসাইডার ভাল বলেছেন। একমত ।
এস বাসার বলেছেন:
এস বাসার বলেছেন:
মাহমুদুর রহমান একটা ছাগল এবং আপনিও
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















কোন মাহমুদুরের কথা বলছেন ? দূর্নীতি মামলার আসামী যে !