আত্মস্বীকৃতি - আমি কেন হালাল মাংস খাই না

২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৪৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

দেশে থাকতে কোনসময় হালাল হারাম নিয়ে চিন্তা করতে হয় নাই। সেখানে মাংস মাত্রই হালাল। সমস্যাটা হলো বিদেশে এসে। এটা খাওয়া যাবে না, ওটা ছোয়া যাবে না, কারণ ওটার মাংস হালাল নয়, আর হারাম খাওয়া মানে তো গুনাহ্। শুধু মাংসই নয়, যেকোন ভাজাপোড়া খাবারেও এই নীতি প্রযোজ্য। এর যুক্তি হলো, যেই তেলে সেটা ভাজা হয়, সেই একই তেলে তো তারা শুয়োরের মাংসও ভাজে। একফোটা গোচনা যেমন একমণ দুধকে নষ্ট করে দিতে পারে, তেমনি শুয়োর ভাজা তেল যেকোন খাবারকে হারাম করে দিতে যথেষ্ট। তাই কট্টরপন্থীদের ফতোয়া - দোকানের খাবার বর্জন কর। ঘরে তৈরী খাবার খাও। তাতে যেমন খরচ বাচবে, তেমনি হারামের হাত থেকেও রক্ষা পাবে। এই কট্টরপন্থীদের কথা ভিন্ন। তারা সবাই এই দেশের সিটিজেন। ভালো চাকরি করে। বাড়িতে বৌয়ের হাতের রান্না খায়। এদের অনেকে ক্লাবে গিয়ে মদ খায়, জুয়া খেলে। কিন্তু হালাল হারাম বাছাইয়ে অত্যন্ত সতর্ক তারা।

আমি ব্যাচেলর মানুষ। চাল নেই চুলো নেই অবস্থা। এমনিতেই মাথায় অনেক টেনশন, তার ওপর নতুন কোন বাড়তি ঝামেলা নিতে চাই না। জীবিকার তাগিদে সব সময় বাইরে বাইরে থাকতে হয়। বাসায় রান্না করে, বক্সে ভরে বয়ে নিয়ে যাওয়া তো সম্ভব না সব সময়। তাই বাইরের খাবারই ভরসা।

তবুও বাসায় রান্নার জন্য হালাল দোকান থেকে বাজার করতাম। কিন্তু সেখানেও বিপত্তি। ইসলামের খেদমতদার এই হালাল দোকানগুলো সুপার মার্কেটের চেয়ে বেশী দামে মাংস বিক্রি করে। কেন ? একথার জবাবে তারা বলে তাদের সাপ্লাইয়ারদের কাছ থেকে বেশী দামে কিনতে হয়। কেন সাপ্লায়াররা বেশী দামে মাংস বিক্রি করে ? কারণ তাদের কসাইখানা ভিন্ন, খরচও বেশী। তাই হালাল পেতে হলে বেশী খরচ করতে হয়। তাহলে আমার প্রশ্ন, হালালের উছিলায় বেশী দামে মাংস বিক্রি করা কি ইমানের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ?

সমস্যা আরো আছে। হালাল দোকান সবখানে পাওয়াও যায়না। এর জন্য যেতে হয় অন্য এলাকাতে। সেখানে যেতে হলে প্লানপ্রোগাম করে যেতে হয়। আমার পক্ষে তা সম্ভব না। কাজ শেষে ক্লান্ত শরীরে বাসায় যাবার পথে যে কয়টা দোকান পড়ে, সেখান থেকে বাজার করি আমি। হালাল দোকানে মাংসের যে কয়টা ভ্যারাইটি পাওয়া যায়, সেখান থেকেই কিনতে হয়। ন্যুনতম ১০ টাকার কমে এফ্টপস ব্যবহারের সুযোগ নেই। এজন্য এটিএম থেকে টাকা তুলতে হয়। সেই এটিএম মেশিন খোজাও আরেক জ্বালা।

এর বিপরীতে সুপার মার্কেট আমার সব চাহিদাই পূর্ণ করে। বাসায় যাবার পথেই পড়ে সুপারমার্কেট। সেখানে মাংসের অনেক রকম ভ্যারাইটি। দাম অনেক কম। সবচেয়ে বড় কথা, যত টাকার বাজারই করি না কেন, এফ্টপস দিয়ে দাম পরিশোধ করা যায়, যা আমার জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক।

শেষে ভাবলাম, জান রক্ষা ফরজ। জান বাচানোর জন্য নিয়ম একটু এদিক ওদিক করলে কত আর ক্ষতি হবে। সেই থেকে সুপারমার্কেটের মাংসই খাচ্ছি, যেমনটা খাচ্ছে আর সবাই। সেদিন দোকানদারকে জিজ্ঞাস করলাম, আপনাদের মাংস হালাল কিনা। জবাবে সে একটা পোস্টার দেখিয়ে বলল, এই দোকানের মাংস হালাল সার্টিফায়েড। শুনে খুশিতে আমি আটখানা। যদিও সন্দেহ আছে এগুলা হালাল কিনা, কিন্তু তাতে কি? দোকানদার বলেছে, তাই যথেষ্ট।

পরিশেষে একটা কৌতুক - দুই মাতাল মদ খাচ্ছে। নেশার ঘোরের মাঝেও একজন সতর্ক হয়ে অন্যজনকে বললো, "সাবধানে মদ খা, গোঁফে যেন মদ না লাগে। জানিস তো, গোঁফে লাগিয়ে কিছু খাওয়া হারাম।" আমার এক বন্ধুর কথা মনে পড়লো। সে বলেছিলো, আমি ড্রিংক্স করি, কিন্তু শুয়োরের মাংস ? ওয়াক থু... আসতাগফেরুল্লাহ্, জীবনেও খাই নাই।

আমি আমার সেই বন্ধুর মতো পাক্কা ইমানদার হয়ে উঠতে পারি নাই। কারন আমি মদ খাই না, শুধু নন-হালাল মাংস খাই।

 

সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৪৭

 

২. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৫২
অরণ্য সৌভিক বলেছেন: অনেকের কাছেই চুমু খাওয়ার ক্ষেত্রে হারাম-হালাল নেই কিন্তু মুরগি খাবার ক্ষেত্রে আছে
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: চুমু তো তাও ভাল। আরও কত কাজ করে মানুষ হালাল হারামকে তোয়াক্কা না করে। শুধু খাবারের বেলায় ভন্ডামি।

৩. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৫২
নাজমুল হক রাসেল বলেছেন: এরা কিভাবে মাংস হালাল করে আমি এতদিনেও বুঝে উঠতে পারলাম না। মাংস হালা করতে হলে পশুটিকে জবাই করতে হবে। কিন্তু এইসব দেশে তো মনে হয় জবাইয়ের সিষ্টেম নাই বা আমি জানিনা।

২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: ২০ নম্বর কমেন্ট দেখেন

৪. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৫৩
শাহাদাত তুষার বলেছেন: লেখকের এই লেখাটা লিখার উদ্দেশ্য ধরতে পারলাম না.
মানে কি এইটার??
দিন দিন কি তাইলে আমি সত্যিই টিউবলাইট হইয়া যাইতাছি?



২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: উদ্দেশ্য আর কিছুই না, মনের খেদ নিবারণ।

৫. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৫৬
আমি বিপ্লবী বলেছেন: যে কোন হারামকে হালাল মনে করা অথবা হালালকে হারাম মনে করা হচ্ছে: ঈমান বিনস্টকারী একটা বিষয়! আল্লাহ্ আপনাকে হালাল/হারাম বুঝে/মেনে চলার তৌফিক্ব দান করুন। আমীন!!
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: সেই সাথে সেইসব ব্যাবসায়ী, যারা হাশরের দিন নবী রাসুলদের সঙ্গে থাকতে চান, তাদের অন্তরে শুভবুদ্ধি দান করুন, আমিন!!

৬. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৫৭
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আমরা অনেক হারাম হালাল বাছাই করি। কিন্তু আয় যদি হালাল না হয়, তবে হালাল খাবারও হারাম হয়ে যায়। তাই সবচেয়ে আগে দরকার হালাল উপার্জন।
হাদিস মনে পড়ছে একটা। হাদিসে আছে - যদি কেউ হারাম উপার্জন করে, তবে সেই উপার্জন দ্বারা যা কিছু সে কিনে খাবে, তার সবই হারাম।
অন্য আরেকটি হাদিস - যে ব্যক্তি হারাম উপার্জন খায়, তার কোন এবাদত কবুল হয় না।
আরেকটা হাদিস - হারাম উপার্জন দ্বারা কোন খাবার কিনে খেলে তার দ্বারা যত ফোটা রক্ত সৃষ্টি হবে, সেগুলো দোযখের আগুনে না জ্বালানো পর্যন্ত কোন মুসলমানকে বেহেশতে যেতে দেয়া হবে না।
আমি মুলত বলতে চাই। আমরা খাবারের হালাল হারাম নিয়ে খুব উত্তেজিত থাকি। কিন্তু আয়ের ক্ষেত্রে হারাম উপার্জন হলে যে হালাল খাবারও হারাম হয়ে যেতে পারে সে খেয়াল নাই ।
সবার আগে একজন মুসলমানের দরকার হালাল উপার্জন।
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: অথচ দেখেন, এই বিষয় নিয়ে আমাদের কোন মাথাব্যাথা নাই। অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থে কেনা খাবার যে উৎসমূলেই হারাম তা আমরা জানি না। আমরা শুধু আল্লাহুআকবর বলে গরু খাসি জবাই হলো কিনা সেটা নিয়ে চিন্তা করি। এই ভন্ডামির শেষ কোথায় ?

৭. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৫৮
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আমার উপরের মন্তব্যটি অফ টপিক বলে ধরে নিতে পারেন।
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে, সমস্যা নাই। হাদিসগুলোর জন্য ধন্যবাদ।

৮. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:০০
আদনান ফারাদী বলেছেন: আমি ভাই বুঝি না এতকিছু। হারাম মাংসে রক্ত পরিষ্কার হয় না। ভিতরে জমে যায়। আমার ঘেন্না লাগে। আর আমার বিদেশি কলিগরাও হালাল মাংস প্রেফার করে।
২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। রুচিতে না বাধলে খেতে সমস্যা নাই। আমার বরং ঢাকার নোংরা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে জবাইকৃত মুরগী দেখলে আরও বেশী ঘেন্না লাগে।

৯. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:০০
পরমানন্দ বলেছেন: সবার আগে একজন মুসলমানের দরকার হালাল উপার্জন।
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন।

২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: হিসাব করছি - এপর্যন্ত ভুলে সাতবার শুয়োরের মাংস আমিও খাইসি।

১১. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:০৬
সুরঞ্জনা বলেছেন: হালাল মাংস কিনতে অসুবিধা হলে খাওয়া বাদ দিলেই তো হয়। মাছ, ডিম, সবজি এসব খেলে কোন অসুবিধা নেই। আর আজকাল ত বিদেশে শাক-সব্জির উপর খুব ঝোক বেড়েছে।
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: সবই ঠিক আছে। কিন্তু শাক সবজি কুটা, বাছার ব্যাপার আছে। যত্ন করে রান্না করতে হয়, নাড়তে চাড়তে হয়, সময় দিতে হয়। মাংসতে এত ঝামেলা নাই। মসলা মাখিয়ে সোজা ওভেনে, এক ঘন্টায় মামলা খতম।

১২. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১১
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: এবার টপিকের উপরে একটা মন্তব্য করি। আমার মতো মাংস খাওয়া বাদ দেন। শাক সব্জি আর মাছ খান। হারাম হালাল নিয়া টেনশন শেষ। শরীরটাও অনর্থক মোটা হবে না। সুস্থ থাকবেন দীর্ঘ দিন।
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: ভাইরে, জীবিকা নিয়ে টেনশনের শেষ নাই, শরীরের দিকে লক্ষ্য রাখার সময় কি আছে ? কতদিন যে সকালের নাস্তা বিকেলে, আর রাতে খালিপেটে ঘুমাতে গেছি তার হিসাব নাই। শাক সবজি তো সেখানে বিলাসিতা।

তারপরও ঠিক বলেছেন। এভাবে বেশীদিন টেকা যাবে না। রুটিন করে খাওয়া দাওয়া, শাকসবজি, মাছ খাওয়ার অভ্যাস করার ইচ্ছা আছে।

১৩. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১৮
সার্জন বলেছেন: হালাল মানলে বিরত থাকবেন, শরীয়তের তোয়াক্কা না থাকলে কনফিডেন্স নিয়ে খাবেন.. সোজাসাপ্টা হিসাব :| :|
২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: কনফিডেন্স তো আসে না, সবসময় নিজেরে চোরচোর মনে হয়। না খেয়ে তো পারিও না।

১৪. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১৯
আল বেরুনী বলেছেন: আল্লাহ্ আপনাকে সামর্থ অনুযায়ী হালাল/হারাম বুঝে/মেনে চলার তৌফিক্ব দান করুন। আমীন...... !:#P !:#P !:#P !:#P !:#P
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: আমিন....

১৫. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:২২
প্রদীপ মিত্র বলেছেন: শাক সব্জি আর মাছ খান। হারাম হালাল নিয়া টেনশন শেষ। শরীরটাও অনর্থক মোটা হবে না। সুস্থ থাকবেন দীর্ঘ দিন।

ভাল বলেছেন
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: শরীরের নাম মহাশয়, যাহা সহাইবেন তাহাই সয়
দেখবেন যাতে সবজী আর মাংসের ব্যালেন্স হয়

১৬. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৪৬
ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ান বলেছেন: আপনার সাথে আমার জীবনের এবং চিন্তা-চেতনার বিরাট মিল পাইতেসি। :D কোথায় থাকেন আপনি?
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: সিডনি, অস্ট্রেলিয়া। আপনি ?

১৭. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৫১
রো-দ্দু-র বলেছেন: আপনার কথাগুলো অযৌক্তিক তা নয়। আমিও প্রবাসে একা। ঘটনার প্রেক্ষাপট কাজেই একই বলা যায়।

আপনাকে প্রশ্ন- একজন ছাত্র সারা বছর ঠিক মত ক্লাস করল, ভাল লেখাপড়া করল। আর একজন পড়লনা; ঘুরে বেড়াল, এনজ্য করল। কার ফলাফল ভাল হওয়া উচিৎ বলে আপনার মনে হয়?

আপনি কষ্ট করবেন; আল্লাহ নিশ্চই তার ফল দিবেন।
২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: ভালো উদাহরণ দিয়েছেন। ফেল করা ছাত্রটি যদি ভূল বুঝে পড়াশোনায় মন দেয়, পরের পরীক্ষায় নিশ্চয়ই ভালো করবে, নাকি ?

১৮. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৫৪
এক্স বলেছেন: "... তবে কি তোমরা কিতাবের কিছু অংশ মান এবং কিছু অংশ মাননা? তবে তোমাদের জন্য দুনিয়াতে রয়েছে অবমাননাকর শাস্তি এবং আখিরাতে কঠিন আজাব.

So do you believe in part of the Scripture and disbelieve in part? Then what is the recompense for those who do that among you except disgrace in worldly life; and on the Day of Resurrection they will be sent back to the severest of punishment." বাকারাহ - ৮৫
২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: আল্লাহ মাফ করো। একটু সময় দাও। ভালো হইয়া যামু।

১৯. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৫৬
গুরু তুমি মহান, তোমারে করি প্রনাম বলেছেন: আমার এক বন্ধু তাদের পরিবারের একটা ঘটনা বলেছিলো।

তার বড় ভাবী বাঙ্গালী তবে আমেরিকাতেই বড় হয়েছেন। বিয়ের পর ওরা কেনাডাতে আমার বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলো। তখন তার ভাবী নাকি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলো "তোমাদের টরেন্টোতে কি হালাল শুকরের মাংশ পাওয়া যায়?" B:-) B:-) B:-) B:-) B:-) B:-) B:-) B:-) B:-) B:-) B:-) B:-)

প্রশ্ন শুনে বন্ধু আর উত্তর দিতে পরে নি.....

আপনে এখন থেকে ঘরের কাছের মলে হালাল শুয়রের মাংশের খোজ করতে পারেন। :P :P :P :P

আপনি যে সকল যুক্তি দেখিয়েছেন তা কিন্তু ধর্মের দৃষ্টিতে একটাও গ্রহন যোগ্য না। মাংশ না খেলে কি মানুষ বাচে না? মাংশের পরিবর্তে মাছ থেকেও প্রটিন পাওয়া যায়।
যাই হোক এগুলো ধর্মীয় ব্যপার। যে কেউ নানান অজুহাতে না মানতে পাররেন বা সরাসরী মানার জন্য অস্বীকার করতে পারেন। সেই স্বধীনতাটা সবারই আছে।

তবে পরকাল যারা বিশ্বাস করেন, এটা শুধু মাত্র তাদের জন্য। এগুলা নিয়ম কানুন অবিশ্বাসীদের জন্য না।
সুতরাং পরাকালে এগুলা বলে মাফ পাওয়া যাবে না। এটাই বড় সত্য।
২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: আপনি হয়ত বিদেশে থাকেন, আপনি বুঝবেন। ১০০% হারাম থেকে বাচা একরকম অসম্ভব। এজন্য শুধু ঘরে খাবারের ওপর নির্ভর করতে হবে। তাও সম্ভব না, যদি আপনি ব্যাচেলর হন। আপনাকে বাইরের খাবারের ওপর নির্ভর করতেই হবে।

বাইরের দোকানে বা হোটেলে কি খাবেন ? যাই খান, নিশ্চিত থাকেন, ০.১% হলেও আপনি হারাম খাচ্ছেন।

রেস্টুরেন্টে সাধারণত তিন কোর্সে খাওয়া হয়। অনট্রে, মেইন কোর্স, ডেসার্ট।

অনট্রেতে সালাদ বা ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার খাওয়া হয়। যেকোন অনট্রে আইটেম বিয়ার বাটারে মেখে ডুবো তেলে ভাজা হয়। বিয়ার বাটার তৈরী হয় বিয়ার, আটা, সোডা ওয়াটার দিয়ে। যেই তেলে ভাজা হয়, সেই একই তেলে শুয়োরের মাংস সহ আরও অনেক আইটেম ভাজা হয়।

সালাদও নির্দোষ না। সালাদ ড্রেসিংয়ে ওয়াইট হোয়াইন ভিনেগার দেয়া হয়। এই হোয়াইট ওয়াইন রুটিতেও দেয়া হয়। পিজাতে দেয়া হয় সালামি আর সসেজ, অথবা গরু বা মুরগীর মাংস।

আসুন মেইন কোর্সে। কোন মাংসই হালাল না। তার ওপর মুরগি বা গরুর মাংসে বেকন দিয়ে মুড়ে দেয়া হয়। মাছ রান্না করতে হোয়াইট ওয়াইন দিয়ে জ্বাল দেয়া হয়। একই নিয়ম পাস্তার ক্ষেত্রে।

আর ডেজার্ট তো জেলাটিন ছাড়া সম্ভবই না বানানো। জেলাটিন তৈরী হয় শুয়োরের হাড় থেকে। আবার প্রায় সব ডেজার্টে কোন না কোন লিকারের ফ্লেভার দেয়া হয়।

বাতাসের মধ্যে থেকে বাতাসকে তো আর অস্বীকার করা যায় না। অমুসলিমদের দেশে থেকে যদি আপনি ১০০% হালাল খাবার বায়না ধরেন, তাহলে তল্পিতল্পা গুটিয়ে দেশে চলে আসাটাই সমীচিন।

২০. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৫৮
ব্ল্যাকম্যাজিশিয়ান বলেছেন: টরেন্টো, ক্যানাডা।

আমিও প্রথম প্রথম হালাল মাংস খুজছি বেশ কিছুদিন। ধীরে ধীরে বাদ দিসি। আপনার বর্নিত কারনগুলি তো আছেই। সাথে আরও দুইটা ফ্যাক্টর আমার জন্য ছিল যেগুলি হয়ত সিডনিতে নাই বা আপনার লাইফস্টাইলে আসে নাই।

১) আমার ডেইলি রুটিনটাই এমন ছিল যে প্রায়ই ম্যাকডোনাল্ডস ইত্যাদি খেতে হইত। তো আমি চিন্তা করলাম, ভাই নন-হালাল মাংস তো খেতেই হচ্ছে। পুরা যেহেতু বাদ দিতে পারতেসি না, আধা বাদ দিয়ে কি লাভ?

২) কোনটা হালাল, কোনটা হারাম এই বিষয়ে ক্যানাডার হুজুর সম্প্রদায়ের বহুবিভক্তি। একেকজন একেকরকম বলে। সবচেয়ে ফ্লেক্সিবল থিওরি হইল, এই দেশে সবই হালাল কারন খ্রিস্টানরা আসমানী কিতাবপ্রাপ্ত। আরেকটু যারা গোড়া, তাদের মতে যেসব ফ্যাক্টরীতে মেশিন দিয়ে জবাই করে এবং বিসমিল্লাহর সিডি বাজাতে থাকে, সেইগুলিও হালাল। সবচেয়ে গোড়া হইল তাবলীগ জামাতের লোকেরা। এরা সব হালাল গ্রোসারী বা রেস্টুরেন্টের মাংস খায় না। প্রথমে ভালমত খোজখবর নেয় যে মাংসগুলি কোন ফ্যাক্টরী থেকে কেনা হইসে, সেই ফ্যাক্টরী যদি তাদের সব ক্রাইটেরিয়া পূরন করে, তাহলেই শুধু খায়। প্রায়ই এইখানে এক গ্রোসারী/রেস্টুরেন্ট তাদের ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দী সম্বন্ধে আড়ালে-আবডালে বদনাম করে যে অমুকের মাংস হালাল না ইত্যাদি। এইসব দেখে পুরা সিস্টেমটার উপরেই বিশ্বাস হারায় ফেলসি।
২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:১০

লেখক বলেছেন: কৃষ্ণ করলে লীলাখেলা আমি করলে পাপ
কিছু কইলে হাজী সাবের মুখটা খারাপ

আমি হারাম খাইয়া মহা অন্যায় করছি। পরকালে মাফ পাওয়া যাইবো না। তাইলে ঐ হুজুরগো কি হইবো, যারা নিজেদের সুবিধার্তে ধর্মকে নিজেদের মতো ব্যাখ্যা দেয়। ঐ ব্যাবসায়ীদের কি হইবো, যারা হালাল মাংস বিক্রির উছিলায় পাবলিকের পকেট কাটে। তারাই কি আসল নষ্টের গোড়া না ?

২১. ২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০৩
কবির বিটু বলেছেন: আহ্ বাংলাদেশে যদি শুকরের মাংস পাওয়া যেত...
২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: যায়তো, ঢাকার কমলাপুরে, অথবা মানিকগঞ্জে। আর ফরেনারগো সাপ্লাই চেইন যদি ধরতে পারেন, তবে আপনার হাউশও পূর্ণ হইবো।

২২. ২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০৫
গুরু তুমি মহান, তোমারে করি প্রনাম বলেছেন: লেখাজোকা শামীম @ আপনার কথার সূর ধরে বলা যায়, কেউ একজন যদি আজ অফিস থেকে ঘুষের টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় চিন্তা করল যে, এটা তো ঘুষের টাকা, তার মানে হারাম টাকা। সুতরাং এই টাকায় যা কিছু কেনা হবে সবই হারাম। সুতরাং আজ আর কষ্ট করে গরুর মাংশ না কিনে শুয়রের মাংশই কিনে বাড়ি যাই....একই তো কথা গো মাংশ ও হারাম হয়ে গেলো, শুয়োর ও হারাম.... :P

সেটা ধর্মের দৃষ্টিতে কতটা সঠিক হলো... প্রশ্ন থেকেই যায়।

আসলে প্রকৃতা বিষয় টা হলো, ইসলামে প্রতিটা অপরাধের জন্য আলাদা আলাদা শাস্তি হবে।
ঘুষের টাকার জন্য এক শাস্তি আবার জেনে শুনে হারাম খাবার খাওয়ার জন্য আলাদা শাস্তি হবে।
২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন: ধরেন এমন যদি হয়, কেউ মনে করে, আমি তো সুদ ঘুষ খাই-ই, আমার জন্য পরকালে তো শাস্তি নির্ধারিত হয়েই গেছে। তাহলে মদ আর জুয়া খেলে দুনিয়াটা উপভোগ করিই না কেন। তাহলে কি তার শাস্তি ডাবল হবে, না সিঙ্গেল।

আমার মনে হয়, সেই ঘুষ খাওয়া লোকটা যদি অনুতপ্ত হয়ে বলে, হে আল্লাহ্, জীবিকার তাগিদে ঘুষ খাইতে বাধ্য হইছিলাম, কিন্তু মদ জুয়া খেলে ফুর্তি করি নাই। আমাকে মাফ করো। তাহলে লোকটা ক্ষমা পাইতেও পারে।

২৩. ২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:১১
গুরু তুমি মহান, তোমারে করি প্রনাম বলেছেন: কেউ আবার মনে কষ্ট নিয়েন না, আমি আমার রুম মেটের কাছ থেকে এই সম্পকে জানলাম। সে যা বলল মূলত সেটাই লিখে দিলাম।
২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনার রুমমেটরে সালাম আর প্রণাম

২৫. ২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:২২
রাষ্ট্রপ্রধান বলেছেন: আল্লাহ আপনাদের কবুল করুন অনেক কষ্ট করছেন ।।
২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৫

লেখক বলেছেন: আল্লাহ আপনারে বাচায়ে রাখুক, যাতে দেশের সেবা করতে পারেন।

২৬. ২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:২৫
শ।মসীর বলেছেন: আল্লাহ আমাদের সহায় হউন.........
২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:৩৫

লেখক বলেছেন: আমিন

২৭. ২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৩০
রবিনহুড বলেছেন: ( আমি হারাম খাইয়া মহা অন্যায় করছি। পরকালে মাফ পাওয়া যাইবো না। তাইলে ঐ হুজুরগো কি হইবো, ....)

ভালই যুক্তি দেখালেন!!!!
কে কি করল তার সাথে আপনার কি সম্পর্ক? ওরা যদি দোজখে যায়, আপনিও কি বিনা কারনে যাবেন? আপনার পরকালের হিসাব নিকাশ হবে আপনার কর্মের উপর। অন্যের কর্ম দিয়ে তো হবে না। এটা কি এখনো বুঝেন না? অন্যের দিকে আঙ্গুল তুলে লাভ নেই, নিজের দিকে তাকান।

কে ভূল করল তার সাথে নিজেকে তুলনা করছেন ক্যান? পরকাল যদি বিশ্বাস করেন, তা হলে সেটা নিয়ে ভাবুন। সৃষ্টি কর্তা যেটা যেভাবে পালন করতে বলেছেন, সেভাবে মেনে চলুন।


সৃষ্টি কর্তা কি আপনার যুক্তিতে চলবে? তার নির্দেশে চলার চেষ্টা করুন। সেটাইতো বিশাবসীদের জন্য প্রযোজ্য।

আর অবিশ্বাসী হলে তো আপনি সব দায় থেকে মুক্তি পেলেন, তা হলে তো এত প্রশ্ন তুলে কি লাভ?। আর শাস্তিটা পরকালে পাবেন।


গুরু তুমি মহান, তোমারে করি প্রনাম @ যথার্তই বলেছেন..
"তবে পরকাল যারা বিশ্বাস করেন, এটা শুধু মাত্র তাদের জন্য। এগুলা নিয়ম কানুন অবিশ্বাসীদের জন্য না।
সুতরাং পরাকালে এগুলা বলে মাফ পাওয়া যাবে না। এটাই বড় সত্য।"



গুরু... @ আপনি কোন ধর্মের? শেষের মন্তব্য থেকে সন্দেহ হলো।
২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:৫৪

লেখক বলেছেন: এই ইসলামের তকমাধারী হালাল ব্যাবসায়ীরা কিছুটা আমার এই অবস্থার জন্য দায়ী। তারা মনে করে মুসলিম কমিউনিটি তাদের কাছে আসতে বাধ্য। তাই তারা সেচ্ছাচারীতা চালায়। এজন্য তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছি।

ত্রিভুজ ভাই বলেছেন ( ৩০ নং কমেন্ট ), ইসলামে মূর্খতাই একটা বড় পাপ। তাই যদি হয়, তাহলে হালাল মাংসের দোকানের খরিদ্দাররাও পাপ করে চলেছেন। কারণ, এসব দোকানের মাংস হালাল করার তরিকা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। খোজ নিলে দেখা যাবে, এদের মাংস আদৌ হালাল নয়। কিন্তু আমরা কেউই সেই খোজ করি না। শুধুমাত্র দোকানদারদের কথায় বিশ্বাস করে হালাল হারাম সার্টিফাইড করি। এটাওতো পাপ, নাকি ?

২৮. ২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৫৭
স্বল্পজ্ঞানী বলেছেন: শুনুন, অন্যে কি করল সেটা ধর্তব্য নয়। কেউ পাপ করলে সেটা পাপই। আপনি কি করছেন সেটাই মূখ্য। যেমনঃ অন্যের মাগীবাজী/ড্রিঙ্ক করে হালাল খাওয়া আর আপনার মাগীবাজী/ড্রিঙ্ক না করে হারাম খাওয়া এক কথা নয়।
২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪৫

লেখক বলেছেন: আমার ওজর আছে। আমি পরিস্থিতির চাপে বাধ্য হয়ে খাইতেসি, অন্যসব খারাপ কাজ করতেসি না। যদিও আমি পাপী, আল্লাহ কি আমাকে একটু ফেভার করবে না ? তিনি নিশ্চয়ই মুক, বধির, অন্ধ নন। কারা এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী সেটাও তিনি জানেন।

৩০. ২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:০৯
ত্রিভুজ বলেছেন: সমস্যা হচ্ছে আরেকজন কি করে না করে সেটা দিয়ে আপনাকে বিচার করা হবে না। আরেকজনের অন্যায় দেখিয়ে নিজের অন্যায়কে জাস্টিফাই করে মূর্খরা। ইসলামে মূর্খতাই একটা বড় পাপ।

আর আপনি হালাল না খেয়ে হারাম খেলে মুসলিম জাহানের এমন কোন ক্ষতি হয়ে যাবে না.. বা সৃষ্টিকর্তারও কোন ক্ষতি-বৃদ্ধি হবে না। সুতরাং জেনে বুঝে নিজ দায়িত্বে যখন খাচ্ছেন তখন খেতে থাকুন। শেষ বিচারে যদি বিশ্বাস থেকে থাকে তাহলে সেদিন নিজেই বুঝতে পারবেন কি করেছেন। আর যদি বিশ্বাস না থাকে, তাহলে হালাল-হারাম নিয়ে এত টেনশনের কিছু নাই, এটা নিয়ে পোস্ট দেয়ারও দরকার নাই।
২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: ভাইসাহেব, ভূল বুঝবেন না। এই হারাম খাওয়া নিয়ে আমি নিজেই অত্যন্ত পেরেশানিতে আছি। সর্বদা নিজেকে চোর চোর মনে হয়। মনের ভার লাঘবের জন্য এই পোস্টখানা দিয়াছিলাম। কোথায় কি.....সবাই এমনভাবে ধরছে যে....একটু সময় দেন, ভালো হইয়া যামু ইনশাল্লাহ্ ।

৩১. ২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:২৭
ভগ্নহ্রদয় বলেছেন: মেলবোর্নে একটা জিনিষ দেখলাম: বেশির ভাগ মাংশের দোকানে হালাল মাংশ বিক্রি করে।কারন হিসেবে বলে "মুসলিম, ক্রিস্টান, ইহুদী সবাই কিনতে পরে।"

আমরা আমুসলিম দেশে এসে এত বাছাবাছি করলে চলে না। হালাল খা্ওয়া ভাল তবে না পাওয়া গেলে স্বাস্হসম্মত খাওয়া হলে চলে। নামাজ পরে না ১ ওয়াক্ত কিন্তু হারাম/হালালের ব্যাপারে ১০০% সচেতন।
২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:২৪

লেখক বলেছেন: দেশে বসে প্রবাসের দুঃখের কথা কি করে বোঝা সম্ভব বলেন। প্রবাসে কিছু কিছু মানুষ ধর্ম নিয়ে অত্যন্ত বাড়াবাড়ি করেন, টু মাচ, এতটা দেশেও হয়তো করেন না। আমি তাদের ইহুদি নাসারাদের দেশ ত্যাগ করে সৌদি আরব চলে যেতে বলি।

প্রবাসে কিছু লোক খুব চালাক। আর সবাই যেখানে উদয়ান্ত পরিশ্রম করে কামাই রোজগার করে, সেখানে তারা বেছে নিয়েছে আরামের পথ। এত কষ্টে না গিয়ে, তারা শুধু ফতোয়া দেয়- অমুক প্রোডাক্ট হালাল, অমুক প্রোডাক্ট হালাল না। চ্যানেল নাইনে এই নিয়ে একটা প্রতিবেদন দেখলাম সেদিন। অস্ট্রেলিয়ান হালাল সার্টিফিকেশন অথোরিটি, যারা বুচার থেকে শুরু করে সব ধরনের পন্য, কসমেটিক্স হালাল সার্টিফিকেট দেয়। কিভাবে মুসলিম কমিউনিটির ডেভেলপ হবে, তাদের কর্মসংস্থান হবে তা নিয়ে তাদের মাথাব্যাথা নাই। তারা আছে শুধু হালাল হারামের কারবার নিয়ে।

৩২. ২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:৩০
ব্লগ মাফিয়া বলেছেন: যুক্তি গুলো ঠিক পছন্দ হয়নি।
খাবার না পেয়ে হারাম খাওয়া একজিনিস আর অল্টারনেটিভ থেকেও হারাম খাওয়া ডিফরেন্ট।

এব্যাপারে ব্যাক্তিগত মতামত দিয়েছেন ভালো কথা কিন্তু আরেকজনকে বুঝানোর চেস্টা করা ঠিক না।
২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: এই পোস্টে সবকিছু গুছিয়ে লিখতে পারিনি। অনুগ্রহ করে আমার পরের পোস্টটি পড়ুন, কিছুটা আভাস পাবেন।

৩৩. ২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:৪৪
ধীবর বলেছেন: পারিপার্শ্বিকতার কারনে সব সময় হালাল হারাম বিবেচনা করা মুশকিল হয়ে যেতেই পারে। ঠ্যাকায় পড়ে খাওয়া যখন তখন অন্তত আত্মগ্লানিমুক্ত থাকুন। বিদেশে নিশ্চই ফ্রিজ আছে? সময় করে না হয় বেশি করেই হালাল মাংস কিনে রাখুন। দুই রকম মাংস খাবার অভিজ্ঞতা রয়েছে আমার। স্বাদের বিচারে হালাল মাংসটা বেশি ফ্রেস লেগেছে। আর যদি দাম একটু বেশিওই পড়ে তাহলে বাজেট সামলাতে না হয় মাংস খাবার পরিমানটা কমিয়েই দিলেন।
২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩২

লেখক বলেছেন: আপনিই একমাত্র কাজের কথা বলেছেন। বেশী করে মাংস কিনতে হলে প্লান করে বাজার করতে হবে। আগেও করেছি, কিন্তু বেশীদিন কন্টিনিউ করতে পারি নাই। আলসেমীতে পেয়ে গেছে। ঘরের কাছেই সুপারমার্কেট যখন। তবে এখন করতে হবে। আর মাংস খাবার পরিমাণ আসলেই কিছুটা কমাতে হবে। অনেক বেশী মাংস খাওয়া হচ্ছে ইদানিং।

৩৪. ২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:০০
বক্ররেখা বলেছেন: পোস্ট প্লাস।


হারাম- হালাল বাদ দেন এটা একটা আপেক্ষিক বিষয়। যেটা খেতে ভাললাগে খান যদি শারিরীক ক্ষতির কারন না হয়। হারাম-হালাল সব ধান্ধবাজি। কিছুদিন আগে এদেশও হালাল সাবানে সয়লাব হয়ে গেছিল। হয়তো শীঘ্রই হালাল কনডমও বাজারে পাওয়া যাবে।
২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৩

লেখক বলেছেন: হা হা হা... যা বলেছেন

৩৫. ২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৪৫
নির্বাক সময় বলেছেন: Baida/ Steggels ar chicken kinte paren, Woolworths beshirbhag Baida product. KFC te anek time a baida chicken paowa jai. tobe asol kotha holo take away food a 100% halal paowa jabe nah. even je butcher halal meat bikri kore, bhitore sei blade diye aabr non-halal meat kate, contamination avoid kora jai nah. So, Jan bachano foraz. but majhae majhe oprradh lage moner bhitor. na ghorka , na ghatkaa obstha
২৩ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: উলওর্থের মাংসই খাচ্ছি। তারা নাকি হালাল সার্টিফাইড। আর আমি কেএফসি থেকে অপর্তোই ফেভার করি বেশী। তবে কিছু না থাকলে মাঝে মাঝে টেকএওয়ে খাবার না খেয়ে পারিনা। না ঘরকা না ঘটকা অবস্থা।

৩৬. ২১ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:১৩
নতুন বলেছেন: বত`মানে আমরা সুবিধা বাদি মুসলিম হয়ে যাচ্ছি,,,,

আমি বাজী ধরে বলতে পারি,.... অনেক মুসলিম আছে যারা মদ খায়...

কি্তু আপনি কিন্তু তাদের কে শুকরের মাংস দিয়ে মদ খাওয়াতে পারবেন না.,... আর ঘুষ তো আমাদের দেশে খুবই সুস্বাদূ

খুব কম মানুষই কিন্তু ব্যাংকের টাকার সুদ নিয়া চিন্তা করে...

সময়ের সাথে অনেক কিছুই পাল্টে যাবে...
২৩ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: এরা ভন্ড ছাড়া আর কিছুই না। হারাম উপার্জন দ্বারা ক্রয়কৃত খাবার উৎসমূলেই হারাম তা আমরা কয়জনই বা জানি। সবার আগে দরকার হালাল উপার্জন। ধন্যবাদ।

৩৭. ২১ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:৫২
আদনান ফারাদী বলেছেন: আমি আপনার কষ্টটা বুঝি। কি করব। কাজ করি যেখানে সেখানে হালাল পাওয়া যায় না। খালি চিপস্ রাইস গার্লিক ব্রেড এই রকম জিনিস খাই। উপাদান কি কি তা ফুড স্পেসিফিকেশন থেকে পড়ে নেই তাই হারাম উপাদান খাওয়ার সম্ভাবনা কম।
মাংস খাই দেশের মত। সপ্তাহে একবার বা দুইবার। ভালই আছি। আমার চিন্তা ভাবনা এইরকম না খেলে তো আর মারা যাব না। আর খুব বেশি ভয়ানক ব্যাপার না হলে এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। ধরুন আপনি গভীর সমুদ্রে। খাওয়ার কিছু নাই। মাছও ধরা যাচ্ছে না। আপনি অক্টোপাস ধরে খেতে পারেন নিরুপায় হয়ে। আল্লাহ মাফ করবেন। শুধু আলসেমির জন্য হারাম খেলে তিনি কি করবেন জানি না।
বি:দ্র: হোয়াইট ওয়াইন ভিনেগার টা নাকি আসলে ওয়াইন না। আমি সিওর জানি না। খোজ নিয়ে দেখবেন তো। মজার ব্যাপার বলি: আমার খ্রিস্টান ম্যানেজার সেইদিন বলল হালাল মাংস নাকি বেশি মজার।
হোপ ইট হেল্পস্।
২৩ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: আপনি নিশ্চয়ই বুঝেন, প্রবাসে এত কষ্ট, টেনশন আর অনিশ্চয়তার মধ্যে হালাল হারাম নিয়ে চিন্তা করার সময় কই। শুধু আলসেমিই না, নিরুপায় হয়েই খেতে হয় অনেক সময়।

আমারো মনে হয় হোয়াইট ওয়াইন ভিনেগারে ওয়াইনের পরিমাণ বেশী না। স্পেসিফিকেশন পড়ে দেখতে হবে। তবে আপনি নিশ্চয়ই একমত হবেন, যে কিচেনে শুয়োরের মাংস আর ওয়াইন দিয়ে রান্না হয়, সেখানে আপনি যাই খান, ১০০% হালাল খেতে পারবেন না।

৩৮. ২১ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:১৬
কঠিনলজিক বলেছেন: আমি খুব সাধু মানুষ তা না । একসময় একরাতে ২ লিটার পর্যন্ত হুইস্কি খাইছি । দুর্ভাগ্য ক্রমে সারা জিবনে বাংলাদেশে থাকছি সর্ব সাকুল্যে সাত/ কি সাড়ে সাত বছর ।
ব্যাপার টা যত টুকু হালাল হারাম আমার কাছে তার বেশী রুচি/অরুচির ব্যাপার।
প্রথম হইলো পোর্ক এটার স্ট্যু দেখতে যে কোন গরু ভুনার চেয়ে বেশি দৃস্টি নন্দন কিন্তু যে রেস্টুরেন্টে পোর্ক সার্ভ করে তাদের গ্লাসে মুখ দিতেও আমার ঘ্বনা করে আমার মনে পড়লেই বমি বমি লাগে।এটা একান্তই ব্যাক্তি গত ব্যাপার।
হংকং এর টাইম স্কোয়ারে যারা গিয়েছেন দেখবেন কত বিদঘুটে জিনিষ কি আকাশমুল্যে বিক্রি হয়, দামী খাবার এবং অভিজাত রেস্তোঁরা বলে মুসলমান অনেক পরের কথা ঢাকার সুইপার পট্রি থেকে একজন সুইপার কেও জোর করে ঐ খাবার খাওয়ানো সম্ভব না।
চিকেন ,মীট বা বিফ হালাল (হাতে যবাই করা )এবং প্রচলিত প্রডাকশন হাউসের মানে এবং দামে প্রচুর তফাৎ ।
আমি খালি হালাল সাইনের কথা বলছি না।
হাতে যবাই এবং অটো স্লটারিং হাউসের মধ্যে স্বাদ এবং মানের পার্থক্য টা রেডিমেইড এবং হেন্ডমেইডের ।
একটু নেট ঘাটলেই পাবেন স্বাদ এবং মানের পার্থক্যের কারণ কি ?
মূলতঃ যবাই প্রক্রিয়া গোস্ত থেকে রক্তের (দুই রকমের রক্ত থাকে একটা বহমান যা দুষিত এবং স্বাদ কে নস্ট করে, যে টা বিশুদ্ধ যা গোস্তের অংশ সেটা স্বাদ বৃদ্ধির কাজ করে ) নিঃসরন প্রক্রিয়া তে প্রভাব ফেলে থাকে।
মুসলমান কষাই এবং হিন্দু মিস্টির কারিগর একটা প্রবাদ এবং সত্য ।
আরেকটা বিষয় হলো ব্যাবসায়িক। হালাল ফুড ইন্ডাসট্রির মার্কেট সাইজ ২০০৯-২০১০ সালে ৫৮০ বিলিয়ন ডলারে দাড়িয়েছে। এই ইন্ড্রাস্ট্রির মুল লাভবান গোস্ঠি হবার কথা ১৮০ মিলিওন মুসলিম অধ্যুসিত গরিব মুসলমান জনগোস্ঠি (ভারত-পাকিস্তান-ইন্দোনেশিয়া-বাংলাদেশ) বাংলাদেশ ছাড়া সবাই বিশেষ করে ইন্দো-মালয়শিয়া এবং ভারত মুটামুটি ৬০% ব্যাবসা নিয়ন্ত্রন করছে ।
বর্তমান ব্রাজিল মিডিলইস্ট কে টার্গেট করে এই ইন্ড্রাস্টিতে উল্ল্যেখযোগ্য স্হান অর্জন করেছে। একজন মুসলিম এবং উন্নয়নশীল দেশের নাগরিক হিসাবে নিজেদের সার্থে উচিৎ হালাল কে প্রোমোট করা। এক্ষেত্রে শিক্ষনীয় সংখ্যালঘু ইহুদী সম্প্রদায়।
ইহুদী রা তাদের ধর্ম অনুযায়ী হালাল(কোশের ফুড) কে ১০০ ভাগ প্রতিস্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে । কোশের প্রশ্নে ইহুদী রা মুসলমান থেকে সহস্রগুন বেশি রক্ষণশীল । পৃথিবীর এমন কোন নামকরা এয়ারলাইন্স বা ৫ তারা হোটেল চেইন বা অস্ট্রেলিয়া থেকে বাহামা পর্যন্ত কোন অভিজাত শহর নাই যেখানে কোশের পাওয়া যায় না, এমন কি ঢাকা রেডিসন ,এবং শেরাটনে এখন সম্ভবতঃ ওয়েস্টিনেও কোশের ফুড এভাইলেবল।
এবং কোশের এর প্রক্রিয়া এতই কঠিন যে ভাবতে অবাক হবেন খাবার প্রস্তুত থেকে পরিবেশন পর্যন্ত যদি কোন নন ইহুদির স্পর্শ লাগে তা হলে কোশের এর শুদ্ধতা বিনস্ঠ হয়ে যায়। তাই এয়ার লাইনস থেকে রেস্টুরেন্ট সব জায়গায় এ খাবার পরিবেশনের সময় অবশ্যই গ্লাভস পরিধান করতে হয়।
সম্পূর্ণ মিল একটা সিল প্যাকে র‌্যাপ অবস্হায় ইহুদী ফেক্টরি থেকে খাবার টেবিলে আসে। প্যাকেট অবস্হায় প্রয়োজনে গরম বা ঠান্ডা করার সুবিধা থাকে।
এরকম কঠিন প্রক্রিয়ার কোশের যদি শুধু মাত্র ইহুদী দের সন্কল্পের কারণে প্রতিস্ঠা,সহজলভ্যতা এবং ব্যাবসায়িক সফলতা এনে দিতে পারে তা হলে ভাবুন মুসলমানরা যদি হালালে স্ট্রিক্ট হয় তা হলে এই ইন্ড্রাস্টি কোথায় যেতে পারে ?

হালাল সাবান বা বিচ্ছিন্ন হালাল মতামতের দিন এখন শেষের দিকে।
আগে সাবানের মত জিনিষে এবং যে কোন পৃন্টিং প্রেসে হালাল সিল ছাপা সম্ভব ছিল । এখন কিন্তু তা নয় । বিশ্বের সব চেয়ে নির্ভর যোগ্য (ওআইসি এবং অন্যান্য ইসলামিক আন্তর্যাতিক প্রথিস্ঠানের মান অনুযায়ী ) সবচেয়ে নির্ভর যোগ্য এবং কড়াকড়ির সাথে অনুসৃত হালাল মান রক্ষাকারী দেশের তালিকার উপরের দিকে দুটি দেশ হলো সিংগাপোর এবং আপনার অস্ট্রেলিয়া । মধ্য প্রাচ্যের মিট (ল্যাম্ব এবং মাটন) এর সবচেয়ে বড় রপ্তানীকারক দেশ অস্ট্রেলিয়া !!!

শেষ কথা হলো হালাল খোঁজার জন্য কষাই খানা পর্যন্ত যাবার দরকার নাই ।
যদি ঘেন্না জাতিয় সমস্যা না থাকে তা হলে যে হালাল সার্টিফিকেট দোকানে টানানো আছে বড়জোর সে সার্টিফিকেট প্রদানকারী প্রতিস্ঠানের ব্যাপারে খোঁজ খবর করেন, ঐ প্রতিস্ঠান কে অবিশ্বাস করার মত কোন পরিস্কার কারণ না থাকলে তারা প্রকৃত হালাল না দিলে দায় দায়িত্ব (ধর্মীয়) তাদের ,আপনি অবশ্যই দায়িত্বমুক্ত হবেন বলে আমার বিশ্বাস । যেমন ওজু ছাড়া ইমাম নামাজ পড়ালে (যদি অনুসারী রা না জানে ) তা হলে সবার নামাজের দায়ভার ইমামের ওপর বর্তাবে ।
২৩ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: মুসলমান কষাই এবং হিন্দু মিস্টির কারিগর একটা প্রবাদ এবং সত্য - কথাটা ভালো লাগলো শুনে। আমি খুতখুতে টাইপের মানুষ না, খুব বেশী বিস্বাদ না হলে খাবার নিয়ে আমার কোন কমপ্লেইন নেই। তবে এটা ঠিক, মুসলমান, তা যে দেশেরই হোক না কেন, তাদের রান্না আমার নিজের বাড়ির রান্নার মতো মনে হয়েছে।

হালাল ফুডের ব্যবসা মুসলমানদের হাতে নেই-এটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক একটা সত্য। ছোটবেলায় কেউ সৌদি আরব থেকে টুপি, তসবিহ, জায়নামাজ নিয়ে আসলে এগুলোর গায়ে "মেড ইন চায়না" লেখা দেখে অবাক হতাম। পরে বুঝেছি ব্যাপারটা আসলে ব্যবসায়িক। এক্ষেত্রে ইহুদিদের টেকনিক আমাদের জন্য শিক্ষানীয়। তারা যেমন ফতোয়া আবিষ্কার করেছে যে, ইহুদিদের খাবার নন-ইহুদি কেউ বানাতে পারবে না, সেরকম মুসলমানরাদের যদি এরকম ফতোয়া থাকত, তাহলে বাহামা থেকে অস্ট্রেলিয়া তথা তাবত দুনিয়াতে হোটেল রেস্টুরেন্টগুলোতে মুসলমানদের জন্য চাকরির অভাব হতো না। সেই সাথে টুপি, তসবিহ, জোব্বা, জায়নামাজ ইত্যাদির ব্যবসায়ও মুসলমানদের নিয়ন্ত্রণে থাকত, যার মার্কেটও বিলিয়ন ডলারের কম হবে না।

৪০. ২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৩
হোদল রাজা বলেছেন: আপনি সাহসী মানুষ!

তয় সিডনী গিয়া আমার মাথা খারাপ। লাকেম্বা নামে একটা জায়গায় গেসিলাম! হাজার হাজার বাংলা দোকান। হালাল ম্যাক, কেএফসি বা যে কোন দোকান! রেসটুরেন্টে বইয়া ইচ্ছা মত খাইছি। হালাল-হারামের চিন্তা নাই!

এনি ওয়ে, আমি যতক্ষন চান্স পাই হালাল খাই। মেলবোর্নে ড্যানডিনংয়ে থাকি। আসে পাসে অনেক হালাম মাংসের দোকান। ৫ মিনিটের ড্রাইভিংয়ে ৫টা বাংলা দোকান। কিন্তু কাজে আসলে, লোকাল টাউনে ১টা মাত্র উলিস! অপশন নাই!
২৩ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: লাকেম্বা বাঙ্গালী অধ্যুষিত মুসলমান এরিয়া। ওইখানে যারা থাকে, তাদের চিন্তা নাই, সব খাবারই বাই ডিফল্ট হালাল। মনে হয় ড্যানডিনং মুসলমান ডমিনেটেড সাবার্ব। এইসব জায়গার সুবিধা হল, সুপারমার্কেটেও হালাল মাংস পাওয়া যায়।

৪১. ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:০১
ডিস্কো ঘোড়া বলেছেন:
হুমায়ুন কবির হাকিম ওরফে নীল_পদ্ম ওরফে স্বল্পজ্ঞানী, নিজে গালি বাজ, আর পরেরে গালিবাজ কও?

Click This Link
২৩ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: কিসেই মইদ্যে কি....

৪২. ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:২৬
বিডি আইডল বলেছেন: প্রবাস লাইফে মাংস কিভাবে হালাল খাওয়া যেতে পারে এ নিয়ে বিস্তর রিসার্চ করেছেন স্কলাররা...সেগুলো পড়ে দেখতে পারেন সময় নিয়ে...আল্লাহর নামে জবাই না করলেই সে মাংস খাওয়া হারাম এটা একটা ভুল ধারণা
২৩ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: আমি নিজে স্কলার না হইলেও ছোটখাট একটা রিসার্চ করছি। সেটা হলো, বিয়ে করলে হাজারো ঝামেলার বিপরীতে গুটিকয়েক যে সুবিধা পাওয়া যায়, তার মধ্যে একটা হলো, রান্না আর হালাল মাংস খাওয়া নিয়ে অসুবিধা কিছুটা দূর হয়।

৪৩. ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:২০
মুক্ত মণ বলেছেন: হালালের চাইতেও দুস্প্রাপ্য কোশার। ৯৯% ইহুদী-ই কোশার ছাড়া খায় না। ড: মুহাম্মদ সহিদুল্লাহ ৩ বছর ইউ কে -তে থেকেছেন শুধু সব্জী খেয়ে। আপনার মধ্যে পুষ্টি নয় যেটার অভাব, তা হল principle.
Your excuses are all lame.
1. You can order your salad without dressing.
2. In a pub you can have coke, red bull or J2o. Believe me no one would think you as an unsocial person. They will think you are a man of strong morality.
3. It is almost a lie that they cook chicken and pork in the same oil.
4. When somebody promise you halal meat, it is not your responsibility to go behind the scene and investigate.
In western countries, there are millions of non alcoholic and vegetarian people. They strongly maintain their rule. It is only us who has to eat haram or we will die, is that you are saying? If you are a muslim, you already know what is wrong and what is right. You need no moulovi to tell you what to do (assuming you are 18+). Will you die if you stop eating meat? No. On top of that you can occasionally eat halal meat. Brother, why not be a good muslim? Eating pork (some people think), going to casino, having illegal sex with bunch of strippers/prost..... are not a big deal. They are not heroic. These are for looser. Be a man of principle. Being a Muslim is all about the relation between you and allah. Please pray (if possible cry) to Allah for forgiveness. Proper people will rather Starve to death but will never touch haram.
PS: I worked for Mcdonalds for 3 years, still don’t know how their chicken tastes. I used to make my bigmac with cheese and veg burger.
২৩ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন: আপনার ১ ও ২ নম্বর যুক্তি ঠিক আছে। যদিও আমি মদ বা বিয়ার খাই না, এবং একথা আমি সগর্বে বলে থাকি। কিন্তু ৩ নম্বর যু্ক্তি মানতে পারলাম না। আপনি ম্যাকডোনাল্ডে কাজ করেন, আপনার জানার কথা, একই ডিপ ফ্রায়ারের তেলে তারা চিকেন, পর্ক ও বিয়ার বাটার দিয়ে মাখানো ফিশ ভাজা হয়। অবশ্য অনেক দোকানে শুধু পর্ক ভাজার জন্য আলাদা ডিপ ফ্রায়ার থাকে। কারণ শুধু মুসলমানরা নয়, হিন্দুরাও পর্ক খায় না।

আপনার ৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর আমার পরবর্তী পোস্টে দেয়া আছে। আল্লাহ সবাইকে আপনার মতো ধৈর্য্য ধারণ করার ক্ষমতা দিন। আমিন।



৪৪. ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৫৫
মেহেদী_হাসান বলেছেন: কোশের মাংশও কিন্তু মুসলমানদের জন্য হালাল; তবে খাওয়ার আগে বিসমিল্লাহ পড়ে নিতে হয়।
নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে প্রাপ্ত মাংস হালালঃ
১। আল্লাহ নামে জবাই করা এবং ইস্লামি পদ্ধতিতে জবাই করা যাতে সব রক্ত ঝরে যায় এবং পশুর জবাইয়ের সময় সর্বনিম্ন কষ্ট হয়।
২। বাইবেল অনুসরণ করে জবাই করা। ইহুদিদের কোশের এ বাইবেলের নিয়ম অনুসারে জবাই করা হয় (ইসলামের সাথে যেটার মিল রয়েছে।)।
২৩ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: নতুন জিনিস জানলাম। কিন্তু ইহুদি আর খ্রীষ্টানরা তো আল্লাহর নামে পশু জবাই করে না। তাহলে সেটা কি করে হালাল হবে ?

৪৫. ২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৫৭
মেহেদী_হাসান বলেছেন: আমি ভাই দীর্ঘদিন মাংস খাই না; শুধু ভেজিটেবল খেয়ে থাকি। আমার এখানে একটা দোকানে হালাল ছাগলের মাংশ পাওয়া যায়; মাঝে মাঝে সেটা খাই।
২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: আসলে একটা ভূল করছি। আমার লেখার শিরোনাম দেখে মানুষ মনে করতেসে আমি নাস্তিক বা এন্টি মুসলিম। এই লেখার শিরোনাম হওয়া উচিত ছিলো - "আমি যে কারণে হালাল হারাম বাছি না"।

২৩ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: Electronic Funds Transfer at Point of Sale

৪৭. ২৩ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:২৫
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: বিডি আইডল বলেছেন: আল্লাহর নামে জবাই না করলেই সে মাংস খাওয়া হারাম এটা একটা ভুল ধারণা ।

আল্লাহর নাম নিলো কি নিলোনা তার চেয়ে হালাল-হারামের প্রসঙ্গ আসে পশ্চিমে কীভাবে পশু হত্যা করা হয় খাওয়ার জন্য, জবাই করা কী আদৌ হয়? নিচের ভিডিওটি দেখুন। গরুর মাথায় আল ঢুকিয়ে গো-হত্যা করে হচ্ছে, আর মুরগির গলায় যেভাবে পোচ দিচ্ছে, সেগুলোকে জবাই বলা যায়না। প্রতিটা গরু বা মুরগির জবাইয়ের বেলায় আলাদাভাবে আল্লাহর নাম নেবার নিয়ম (গলার কমপক্ষে তিনটি রগ কাটার শর্ত সহ) এবং এ নিয়ম রক্ষা করার ঝামেলা করতে গিয়ে খরচা/দাম বেশি পড়ে। তবে কোন মুসলিম বা বিশ্বস্ত লোক হালাল বলে মাংস বেচে, সেটি খেলে কোন সমস্যাই হবার কথা নয়। এমনকি বিশ্বাসী মুসলিমের বাসায় গিয়ে প্রশ্ন তোলা অবান্তর যে সেটি হালাল না হারাম।খ্রিস্টান ধর্মটা সূর্য উপাসক প্যাগানদের থেকে না আসলে পশ্চিমা বাজারে পর্ক থাকতোনা, তারাও ইহুদীদের মত পর্কমুক্ত, গডের নামযুক্ত হালাল মাংসই খেত।







২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: হালাল জবাইয়ের যে নিয়ম বললেন, খোজ নিলে দেখা যাবে খুব অল্পসংখ্যক মানুষই তা মানে। ঢাকায় তো দেখেছি, দুই হাটু দিযে মুরগির পাখা আর পা চেপে ধরে একজনই মুরগি জবাই করে। সাধারণত হালাল মাংসের বিক্রেতাদের সবাই বিশ্বাস করে, তাই তারা যাই দেক, কেউ কিছু সন্দেহ করে না।

শুনেছি খুব গোড়া খ্রীস্টানরা নাকি শুয়োরের মাংস খায় না। তারাও নাকি রোজা করে। অবশ্য সে রোজা দিনে নয়, রাতে।

এতদিন শুনতাম, মুসলমানরা অমানবিকভাবে পশু জবাই করে। কিন্তু ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, পশ্চিমের কসাইখানায় তার চেয়েও নির্দয়ভাবে পশু হত্যা করা হয়। দেখুন, চামড়া ছড়ানোর সময়ও গরুটা কেপে উঠেছিল।

৪৮. ২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:৩২
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: জবাই করে পশু হত্যা করাটা দৃশ্যত অমানবিক হলেও সেটি অন্য যেকোন পন্থার চেয়ে কম কষ্টদায়ক পশুর জন্য। ঘন্টার পর ঘন্টা ক্রুশবিদ্ধ করে রক্তপাত ঘটিয়ে যন্ত্রণা দিয়ে মারা আর জবাই করে সাথে সাথে প্রাণ নাশের মাঝে তফাতটুকু জানা দরকার ছিল। কোন পন্থায় মৃত্যু কতটুকু যন্ত্রণাদায়ক এ নিয়ে ব্রিটেনে বেশ কিছু গবেষণা হয়েছে, তাতে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে অন্য যেকোন পন্থায় হত্যার চেয়ে জবাই করে মারার সময়কার ইইজি (ইলেক্ট্রোএসেফালোগ্রাফি, মস্তিস্কের বৈদ্যুতিক তরঙ্গচিত্র) অনেক বেশি স্থিতিশীল। মুসলিমদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, পশু পুরোপুরি নিস্তেজ না হলে চামড়া না ছাড়াতে। হাত দিয়ে মুরগির মাথা রিপ অফ করেও সেটার সাথে তুলনা দিতে পারেন।
২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:০২

লেখক বলেছেন: আমিও সেই রকমই শুনেছি। হিন্দু বন্ধুদের অভিযোগ, জবাই করা পশু যন্ত্রণায় ছটফট করে মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের বলেছি, সঠিক নিয়মে পশু জবাই করলে সেটা কম কষ্টদায়ক হয়, এটা বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষিত। এটা নিয়ে এই ব্লগেই অনেকে লিখেছেন।

৪৯. ২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:৪৩
উইং কমান্ড্যার বলেছেন: যেহেতু আপনি একজন মুসলিম আপনার উচিত হালাল খাদ্য খাওয়া।
২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:০৬

লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন, দয়া করে আমার পরের পোস্টটা পড়ে আরেকটু বিস্তারিত জানুন।

২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:১২

লেখক বলেছেন:
পাপকে ঘৃণা করো, পাপীকে নয়।
যারা দুর্নীতি করে, ঘুষ খায়, আপনি বরং তাদের এই কথা বলুন। তারাই প্রকৃত হারামখোর। যারা প্রবাসে কষ্ট করে হালাল উপার্জন করে, আপনার উচিত তাদের সম্মান করা।

৫১. ২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:৫৩
বৈকুন্ঠ বলেছেন: কুন্দেশে থাকেন আপ্নে? আমগো এইখানেতো হালাল মাংস বাংগালিগো দোকানে সস্তাই পরে। খাজুরগো দোকানেও চলনসই দাম। আমি আইঠালি থিকা কৈতাছি
মোদ্দাকথা হৈল মাংস কম খাই, কিন্তু খাইলে হালালডাই খাই। কারন দাম কম। মদ এখনো হারামডাই খাই। হালাল মদের দাম নাকি বেশি
ইমান আমার এক্কেরে পাক্কা
২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:১৯

লেখক বলেছেন: আল্লাহ যেন আপনের মতো ইমানদার না বাসায় আমাকে।

৫২. ২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:২৮
বৈকুন্ঠ বলেছেন: খোদায় আল্লারে সেই তৌফিক দান করুন। আমিন
২৪ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:২৬

লেখক বলেছেন: আমিন

৫৩. ২৪ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৫:৫৭
মুক্ত মণ বলেছেন: কঠিনলজিকের কথা মনে হচ্ছে ভুল বুঝেছেন, উনি যখন বলেছেন যে কোশের খাবারের সর্বত্র ইহুদীর তত্বাবধান থাকতে হয়, আপনি জবাবে বলেছেন মুসলমানদের এরকম নিয়ম থাকলে অনেক মুসলমান ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হত। আমি ভুল না বুঝে থাকলে, উনি বুঝিয়েছেন এত ঝামেলার ব্যাপার হয়েও ইহুদীদের সংকল্পের কারনে, যেজন্য সর্বত্র কোশের রাখতে ওরা বাধ্য হয়েছে। আমাদের মতো নরম মেরুদন্ড হলে (কোশের দু:স্প্রাপ্য তাই সুপারস্টোরের মাংস-ই আমার সই) যা কখনো সম্ভব হতো না।
২৪ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:২১

লেখক বলেছেন: কঠিনলজিক হালাল খাবারকে প্রমোট করতে মুসলমানদের দৃঢ়সংকল্পের কথা বলেছেন, তা আমি বুঝতে পেরেছি। কিন্তু ভেবে দেখুন, শুধু ক্রেতারা সচেতন হলেই হবে না, মুসলমান নেতৃবৃন্দ যদি দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ হয়, তাহলে হালাল খাবারের গুণগত মান অক্ষুন্ন থাকবে, তেমনি এই ইন্ড্রাস্ট্রির নিয়ন্ত্রণ মুসলমানদের হাতেই থাকবে, বর্তমানে যা আর তাদের হাতে নেই। ভাবতে অবাক লাগে, মুসলমানরা যখন ধর্মকর্ম নিয়ে এত বেশী বাড়াবাড়ি করে, তারাই আবার পুরা হালাল খাবার উৎপাদনের ভার দিয়ে রেখেছে অমুসলিমদের হাতে। অমুসলিমদের হালাল উপায়ে পশু জবাই নিয়ে বিতর্ক আছে, তারা আল্লাহুআকবর বলে গরু জবাই করলে তা হালাল হয় কিনা আমার তা জানা নেই। তবে আমার মনে হয়, শরীয়তসম্মত ভাবে বিচার করলে দেখা যাবে, আমরা যে হালাল খাই, তার কোনটাই আসলে হালাল নয়।

৫৪. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:৩৩
অসূর্যস্পর্শী বলেছেন: ও মা - কমেন্ট পড়তে যেয়ে মাথা ব্যথা উঠে গেল! হালাল মাংসের ক্ষেত্রে লন্ডনে বেশ সুবিধা পাওয়া যায় :) আলহামদু্লিল্লাহ, হয়তো অন্যান্য পশ্চিমা কান্ট্রিগুলোতে এত সুবিধা নেই...

তবে যতটুকু সম্ভব হালাল খাবারের চেষ্টা করা উচিত, মানুষের ইনটেনশনটাই আসল- একথাটা আমরা অনেক সময় ভুলে যাই, আন্তরিক চেষ্টার পর-ও যদি হালাল খাবার এর জোগাড় করতে সমস্যা হয়, তাহলে কি আল্লাহ ক্ষমা করবেন না? উনি মানুষের অন্তরের কথা তো ভালোই জানেন, আর উনি-ই সব চাইতে বেশী ক্ষমাশীল (আমাদের কল্পনার-ও বাইরে)

আর শূকরের মাংস ভুল করে খাওয়া প্রসঙ্গে, যেহেতু আপনি জেনেশুনে খাননি, তাই মন থেকে তওবা করলে আল্লাহ পাক ইনশাল্লাহ মাফ করে দিবেন... জাযাকাল্লাহ খায়ের bro
৩০ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: অমুসলিম দেশে হালাল মাংস পেতে হলে একটু কষ্ট করতে হয়, তা যে দেশই হোক না কেন। এক্ষেত্রে যতদূর সম্ভব চেষ্টা করে দেখা উচিত। তবে সেটা যদি সম্ভব না হয়, আমার বিশ্বাস আল্লাহ ক্ষমা করে দেবেন। আপনি ঠিকই বলেছেন।

 

মোট সময় লেগেছে ০.২০০৯ সেকেন্ড

 

© somewhere in net ltd | terms of use | privacy policy
লেখাপড়া, কাজকর্ম আর ডিজিটাল বিনোদন - এই নিয়ে প্রবাস জীবন
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই