আমার প্রাইমারি স্কুল ছিল কাপাসগোলা প্রাইমারি বালক বিদ্যালয় চট্টগ্রাম।
আমি ছোট বেলায় খুব বেশি দুষ্টুমি করিনি। তবে স্কুল লাইফে করেছি কিছু
কিছু। । আমার বরাবরই স্কুলে ক্লাস করতে ইচ্ছে করত না। স্কুলের বেশি দূরে ছিলনা বাসা। টিফিন ছুটির সময় স্কুল ফাঁকি দিতাম বেশ।তখন পড়ি ক্লাস ফাইভে, ক্লাস হতো স্কুলের দোতলায় গেটের কাছে। যেদিন টিফিন আওয়ারে স্কুল পালাবো বলে সিদ্ধান্ত নিতাম সেদিন অন্য বন্ধু কে বলতাম ওপরে উটে দোতলার জানালা দিয়ে যেন ব্যাগটি নিচে ফেলে দেয়। আর আমি নিচ থেকে দু'জনের ব্যাগই ক্যাচ ধরতাম। পড়ে ঐ বন্ধু নিচে নামার পর দু'জনকে আর পায় কে? বাসায় এসে বলতাম, আজকে টিফিন আওয়ারে স্কুল ছুটি দিয়ে দিয়েছে। পরের দিন ভাগ্য খারাপ থাকলে.........?
এরপর আসা যাক হাই স্কুল পর্বে। হা্ই স্কুল ছিল মহসিন উচ্চ বিদ্যালয় (চট্টগ্রাম কলেজের বিপরীতে পাহাড়ের উপর)। তখন ক্লাস ৬এ। মহসিন কলেজ এবং মহসিন স্কুলের একটা পাহাড়ও বাদ রাখিনি, সব পাহাড়েই আমাদের চরন ধুলি পড়েছে। একদিন আমি আর আমার বন্ধু রাসেল
স্কুল ফাঁকি দিয়ে হাটতে হাটতে (তখন পকেটের অবস্থা অত ভালো ছিল না,
ছোট ছিলাম বলেই। বড়জোর দু-পাঁচ টাকা পাওয়া যেত।) ফয়স লেকে চলে গিয়েছিলাম, আর দুপুর বেলা বিনা দাওয়াতে কিশলয় ক্লাবে বিয়েতে পেট পূজা করা হয়েছিল। আর যথারীতি বাসায় এসে বলা হয় যে টিফিন আওয়ারে স্কুলে ছুটি দিয়ে দিয়েছে।
এবার আসা যাক ক্লাস ৭ এ। যেহেতেু আমাদের মহসিন স্কূল ছিল পাহাড়ের
উপর, প্রতিদিন পাহাড় বেয়ে উঠে সবাই টায়ার্ড হয়ে যেত। প্রতিদিন
এস্মিব্লি হতো। আমাদের অনুরোধ সত্তেও বন্ধ করা হতো না। একদিন
এক সিনিয়র ভাইয়া বগলের নিচে রসূন চাপা দিয়েছিলো। এবং এস্মিব্লি তে দাঁড়ানোর কিছুক্ষন পড়ই মাথা ঘুড়ে পড়ে গিয়েছিলেন। এরপর পুরস্কার স্বরুপ ১৫ দিন এস্মিব্লি বন্ধ ছিলো
চলবে............

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

