আমগো রাসুল প্রথম যেই কামটা করতে পারসেন সেইটা হইলো গিয়া ভু-সম্পতির মালিক হওনের রাইটটা দিসে, এতে নারী গো সামাজিক মর্যাদা বৃদ্বি পাইসে। এটা হাজার বছরের ট্রাডিসন ভাইঙা কিন্তু সো এটারে নারী গো লাইগা আরবে ম্যাগনাকার্টা কইলে ভুল কওয়া হইবোনা। আর রাসুল নারীবাদী হিসাবে ধন্যবাদ পাওনের যোগ্য।
সমস্যাটা বাড়ে, যকন নারী নিজে কাম কইরা সম্পতি উপার্জন করতে পারে কিনা,। সুরা আল নিসার আয়াত ৩২ পড়লে মনে হয় মেয়েদের নিজের শ্রমের সম্পতি উপার্জনের রাইট আচে, মাগার সুরা আল নিসার আয়াত ৩৪ পড়লে আমার মনে হইসে মেয়দের বাইরে কাজ কর্মের রাইট নাই।
আয়াত ৩২
"আর তোমরা আকাáক্ষা করো না এমন সব বিষয়ে যাতে আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদের একের উপর অপরের শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন| পুরুষ যা অর্জন করে সেটা তার অংশ এবং নারী যা অর্জন করে সেটা তার অংশ| আর আল্লাহ্র কাছে তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা কর| নি: সন্দেহে আল্লাহ্ তা’আলা সর্ব বিষয়ে জ্ঞাত| "
আয়াত ৩৪
পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে| সে মতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা এবং আল্লাহ্ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে| আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর এবং প্রহার কর| যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে আর তাদের জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না| নিশ্চয় আল্লাহ্ সবার উপর শ্রেষ্ঠ|
সো আয়াত ৩২ কইতেসে যে মেয়েরা নিজের পরিস্রমের ফল ভোগ করতে পারবে আর নারী পুরুষের মইদ্যে ইকুইটি আচে, মাগার আয়াত ৩৪ কইতেসে যে পুরুষ নারীর ওপর কৃর্তত্বশীল যে হেতু নারীরা ইকুয়াল না

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

