অস্হিরতার অপ-রাজনীতি বন্ধ হউক-আর তার সময় এখনই।
২২ শে আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৬
নীচে যা বলা হবে তা এ টিমের অভিমত নয় একান্তও ব্যাক্তিগত মতামত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। যার দায়িত্ব ছাত্র এবং সিপাহী দুই দলেরই। প্রথমে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা যাক
সেনাবাহিনীর দায়িত্ব নয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তি শৃন্খলা রক্ষা করা, তাদের দায়িত্ব দেশ রক্ষা করা। আর আমার মনে হয় সেনাবাহিনী সে দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন। যে ঘটনা ঘটেচে, অবশ্যই সে ঘটনা একটি ব্যাক্তিগত অপ-আচরনের কারনে। আমাদের সমাজে বে-সামরিক অথবা সামরিক প্রশাসনে এ ধরনের মানসিকতার লোক কম নয়। বাংলাদেশে নিজেকে বড় অথবা গুরত্বপুর্ন বোঝানোর জন্য সকল সময় অন্য কাউকে নিম্নে বোঝাতে হয়। এ সেনাবাহিনী থেকে এ ধরনের অপগন্ড বের হয় আবার হাসান মশহুদের মত নিপাট নিরস্বার্থ ভদ্রলোকও আচে। এ আচরনের জন্য সরকার একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত করচে, উপদেষ্ট এবং প্রধান উপদেষ্টা ক্ষমা চেয়েচেন। সবচেয়ে বড় ব্যাপার সরকার নিজের ভুল অবস্হান বুঝতে পেরে ক্ষমা চেয়েচেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা তাদের পুর্ববর্তি অবস্হানের কারনে একটি বিশেষ জায়গা দখল করে আচে এ দেশের ইতিহাসে, তাদের মূল দায়িত্ব শিক্ষা হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট দের কাচে রাজনিতীক সচেতনতা দেশ বাসী প্রত্যাশা করে। যে ঘটনা ঘটেচে, সেটা কি রাজনীতিক নয়। আবারও একটি ব্যাক্তিগত আচরন। ছাত্ররা একটি সমস্যার মুখে পড়েচে এবং সেটার সমাধান করেচে। আমাদের মনে রাকতে হবে এ বিশ্ববিদ্যালয় বসুনিয়াকে জন্ম দিয়েচে, আবার রব-শাহাজাহান সিরাহ, আর আমানের মত পথভ্রষ্টদের জন্ম দিয়েচে। ছাত্ররা আন্দোলন করেচে এবং তাদের ন্যায় সন্গত দাবী মেনে নিয়েচে। সরকারের উপদেষ্ট পরিষদ দুঃখ প্রকাশ করেচে। কিন্তু ছাত্ররা একনো সেনাবাহিনীর ক্ষমা চাওয়াকে বেসী মূল্য দিচ্ছে। এ আচরন সেনাবাহিনীকে ছাত্ররা সরকারের উপরে বসাচ্ছে যা ছাত্রদের লজ্জা জনক। দেশের অনান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে হঠাত আন্দোলন আমাদের সহনশীলতার অভাব। একটি সমস্যা সমাধানের জন্য দরকার সমঝোতা এবং সমবায়িক ধৈর্য। দুটি দলকেই এ আচরনে ছাড় দিতে হবে। সরকার যকন তদন্তের নির্দেশ দিয়েচে আর দূঃখ প্রকাশ করেচে তকন আমাদের সচেতন ছাত্র সমাজের উচিত সরকারকে সময় দেয়া।
একটি ফুটবলের মাঠের আচরন গত ৭ মাসের প্রচুর আচরনকের মিলিয়ে দিতে পারেনা। একটি চ্যালেন্জিং সময়ে এ সরকারকে ক্ষমতা নিতে হয়েচে। প্রশাসন, বিচার ব্যবস্হা কে দলীয় করন থেকে মুক্ত করন তাদের একটি বড় সাফল্য। দ্রব্য মুল্য বৃদ্বি একটি বড় ব্যর্থতা। কিন্তু মাত্র ৬ মাসে একটি সরকারের কাচ তেকে সকল সমস্যার সমাধান চাওয়া আকাশ-কুসুম কল্পনা। আমরা বড় বেসী চাই কম সময়ে। আমাদের কে বাস্তব বুজতে হবে, সম্পদের সীমিত যোগান, একটি অনুতপাদনশীল সমাজ ব্যবস্হা। আর প্রবল দারিদ্রতা ৬ মাসে দুরিকরন সম্ভব নয়। আমাদের সহনশীলতার আর অধৈর্য আচরনের জন্য আমরা অন্যায় ভাবে জাতির পিতাকে হারিয়েচে স্বাধিনতার ৩ বছরে, বারবার গনতান্ত্রায়ন বাধা পড়েচে আর উর্দিরা ব্যারাক থেকে বের হয়েচে। এ দায়িত্ব আমাদের উপরেও পরে। গত পনের বছরের নীতিহীন রাজনীতি একটি অস্হিরতার সৃষ্টি করেচে। সে অস্হিরতার জন্য আজ জরুরি অবস্হ. ৯৬ র ফেব্রুয়ারি একই সমস্যা হয়েচিল আর তখন বে-সামরিক প্রশাসন একই দায়িত্ব পালন করেচিল। আমাদের মনে রাখতে হবে দেশটা সামরিক এবং বেসামরিক দেরও। কারো অধিকার কম নয়। তারা যদি অন্যায় ভাবে ক্ষমতা জবরদখল করে সেটার দায়িত্ব আমাদের উপরে বর্তায়। একটি অস্হিরতার জবাবে আরেকটি অস্হিরতা আর তার বদলে আরেকটি অস্হিরতা সৃষ্টি আমাদের ভবিষ্যত কে ধ্বংস করবে। আর নয় অস্হিরতা । সরকার ডিসেম্বর -০৮ পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট ভাবে সময় চেয়েচে। আমাদের সে সময় দেয়া উচিত, একটি ব্যাক্তিগত অপ-আচরন সারা দেশের জন্য অস্হিরতা সৃষ্টি করতে পারেনা। আমাদের এ ব্যাক্তি বেইস চিন্তা থেকে বের হয়ে আসতে হবে আর তার সময় এখনই।
মদন বলেছেন:
চমতকার বিশ্লেষন ধর্মী লেখা।
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
ডঃ আইজউদ্দিন লিখিত আর দ্যা এ টীমের মাধ্যমে প্রকাশিত। মূল বক্তব্যর সাথে এ টীমের ভিন্ন মত থাকতে পারে।
রামারাও সিদ্ধা বলেছেন:
জনাব ,কিছুদিন আগে এক রাজমিস্ত্রীকে পিটিয়ে মেরেছে সেনাবাহিনী। তার অপরাধ সে বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাবার জন্য দৌড়ে এক ছাতার নিচেই আশ্রয় নিয়েছিল। আর সেই ছাতা ছিল জলপাই এর এক পদস্থ কর্তা।
তা নিয়ে কিছু হয়নি, হবেও না। কারন ঐ তুচ্ছ রাজমিস্ত্রী জীবনের কি আর মূল্য!!
কিন্তু এই রকম করতে করতে এখন অভ্যাস হয়ে গেছে- সবাইকে মারধর করা, আর তার ফলাফল আমরা দেখছি।
আপনাকে তো একদিন দেখলাম না ঐ রাজমিস্ত্রীকে নিয়ে একটা কথা বলতে? তিনি কি মানুষ ছিলেন না? না মনে করেন না?
এসব খবর পেপারেও জায়গা হয় এক কোনায়, ছোট্ট করে।
রামারাও সিদ্ধা বলেছেন:
হ্যাঁ, ১ দিয়েছি।
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
রামারাও সিদ্ধা আপনি আমার বক্তব্য রচনার এ লাইন গুলো পড়েচেন আমাদের সমাজে বে-সামরিক অথবা সামরিক প্রশাসনে এ ধরনের মানসিকতার লোক কম নয়। বাংলাদেশে নিজেকে বড় অথবা গুরত্বপুর্ন বোঝানোর জন্য সকল সময় অন্য কাউকে নিম্নে বোঝাতে হয়। এ সেনাবাহিনী থেকে এ ধরনের অপগন্ড বের হয় আবার হাসান মশহুদের মত নিপাট নিরস্বার্থ ভদ্রলোকও আচে।
নিন্দুক বলেছেন:
সহমত (১০০%), মদনও বুঝে কোনটা ভাল আর কোনটা মন্দ, আর আমি বুঝবনা।
শাহরীয়ার বলেছেন:
৫......একমত......... এবং সুন্দর লিখা।
নিন্দুক বলেছেন:
রামারাও দুই/তিনটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার বর্ণনা দিয়ে কি ফায়দা লুটার ব্যবস্থা করছেন?
রামারাও সিদ্ধা বলেছেন:
যার যেখানে মানায় তার সেখানেই থাকা দরকার।সেনাবাহিনী ক্যান্টে আর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি থাকবে সরকারে।
ইকোলজি বলে একটা সিসটেম আছে সেই চেইনের একটা অংশ ভেঙ্গে গেলে পুরা সিসটেমটাই নষ্ট হয়ে যাবার চান্স থাকে। আর দেশের জন্যও একই কথা।
পড়ুয়া বলেছেন:
সরকার ডিসেম্বর -০৮ পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট ভাবে সময় চেয়েচে। আমাদের সে সময় দেয়া উচিত, একটি ব্যাক্তিগত অপ-আচরন সারা দেশের জন্য অস্হিরতা সৃষ্টি করতে পারেনা। আমাদের এ ব্যাক্তি বেইস চিন্তা থেকে বের হয়ে আসতে হবে আর তার সময় এখনই।যে কান্দা অখন কানতাছেন তা আরো মাস দুই আগে কান্দা দরকার ছিল আইজুদ্দিন।
যে বুলেট বাইর হয়া গেছে সেইটা আর ফিরত আসবে না।
ব্যক্তি ব্যক্তি কইরা অখন আর ঘটনা ঘুরাইতে পারবেন না।
ব্যক্তির ঘটনায় অতো মানুষ রাস্তায় বাইরায়?
যে যার কারণে বাইরাইছে।
ক্যান্টনমেন্টের ছাতার নীচে থাইকা মানুষের মন বুঝা যায় না ডাক্তার সাব।
সেইটা বুঝা গেলে কামাল হোসেনের জামানত বাজেয়াপ্ত হইতো না।
@ মদন তুমি ভালো মানুষ। বান্দরের কার্টুনটি মানায় না।
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
রামারাও সিদ্ধা আমরা যে গনতন্ত্রে গত ১৬ বছর প্র্যাকটিস করসি সেটা কি আসলে কি প্রশ্নসাপেক্ষ। আর এ প্রশ্ন কি সেনাবাহিনীকে বারবার বের হয়ে আসার সুবিধা দেয়না। দোষটা কার? সকলের নয় কি?>
আসল ট্র্যাপ বলেছেন:
সেনাবাহিনীরে রাস্তায় দেখতে চাই না, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের সময় দেয়ার পক্ষপাতি।
চানাচুর বলেছেন:
আপনি এত ঠিক কথা কেন বলেন!
আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন:
অকুণ্ঠ ৫।
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
শক্তিমান/মোহাম্মদ আলী আকন্দ আপনার পায়ুপথ ধৌত করেন। গন্ধ পাই
রামারাও সিদ্ধা বলেছেন:
একটা কথার উততর দেবেন জনাব?শুধু মোবাইল ব্যবহারকারীদেরকেই কেন সংযোগ বিছিন্ন করা হল -- (বিডি নিউজ কারেন্ট আপডেট)
আর ল্যান্ড ফোন ওয়ালারা কেন এর বাহিরে থাকবে?
এইটা একটা চরম শ্রেনি বৈষম্য আর তা শুধুমাত্র কেবল ঐ জলপাইদের পক্ষেই সম্ভব কারন তাদের কোন জবাবদিহিতার দরকার নাই, প্রয়োজনও নাই।
নির্বাচিত সরকারের কম করে হলেও পরের বার ভোটের চিন্তা থাকে।
নিন্দুক বলেছেন:
নির্বাচিত প্রতিনিধি? হাসালেন। চেইনের উপরের স্তরে আছে রাঘব বোয়াল দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবীদরা, তাদেরকে ঘিরে আছে কিছু পরজীবি সম্প্রদায়। আর সাধারণ মানুষ শুধু ভোগের বলি।
আবুল বাহার বলেছেন:
মইনুল আর মতিন গত সাত মাসে যত মিথ্যা কথা বলেছে পাচ বছর বয়সী একজন মন্এী ও তত মিথ্যা বলে নাই ।
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
" নির্বাচিত সরকারের কম করে হলেও পরের বার ভোটের চিন্তা থাকে। " সেটা কি সত্য ছিল লাষ্ট ১৫ বছর। একটা সাধারন ব্যাপার চিন্তা করো, হলে যে পুলিস দিয়া মেয়েদের কে পিটাইসে, উপার্চাযের চাকরী গেলো, মন্ত্রি পরিষদ ক্ষমা চাইসিল, এ সরকার কিন্তু প্রকান্তরে ক্ষমা চাইলে আর দুঃখ প্রকাশ করলো
ফ্রুলিংক্স বলেছেন:
একমত। আমরা খুব অল্প সময়ে বেশি কিছু চাই বলেই আজকের এই পরিনতি। ধৈর্য্যর বড়ই অভাব। সেটা '৭১ থেকে আজ অবধি।
অদ্ভুত ভালবাসা বলেছেন:
যুক্তিসঙ্গত বিশ্লেষন। ৫ দাগানো হল
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
আবুল বাহার খালেদা জিয়া আর শেখ হাসিনা গত পনের বছরে যে ভাবে তাদের পরিবারে সদস্যদের অবাধে রাষ্ট্রিয় সম্পদ চুরি করার সুযোগ দিয়েচেন আপনাকে সেটা মনে রাখতে হবে
রামারাও সিদ্ধা বলেছেন:
আবুল বাহার একদম সঠিক কথা বলেছেন।গতকাল উনার কাছে ঢাবিঃ র ব্যাপারে জানতে চাইলে উনি বললেন উনি কিছু জানেন না।
মনে হচ্ছিল মুখে একটা লাথি মারা দরকার, ক্ষমতায় বসে সুবিধা খাবে আর কিছু জিজ্ঞাসা করলেই বলবে জানি না।
হযবরল বলেছেন:
কথা সবই সুন্দর এবং শুনতে ভালো লাগে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে গতকাল সারাদিন পুলিশ কেন পেটাল, কেন প্রো-ভিসি ইউসুফ হায়দারের ফোন আইজিপি, কমিশনার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক প্রধান এবং কোন উপদেষ্টা ধরেনি ? কারণ ইউসুফ হায়দার হামলা বন্ধ করতে বলতেন। ছাত্ররা ঢিল ছুঁড়ছে এবং সেটা থেকে অক্ষত থাকবার ব্যবস্থা পুলিশের আছে ভালোভাবেই, তবুও কেন টিয়ারগ্যাস মারা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের অনুমতি ব্যতীত পুলিশের মহাপরিদর্শকেরও অনুমতি নেই উর্দি পরে সেখানে প্রবেশ করা, তবে কোন অধিকারবলে হলে পুলিশ ঢুকলো। এগুলো বললাম নিজের অভিজ্ঞতা থেকে, কিভাবে পুলিশ ইচ্ছাকৃত ভাবে ছাত্রদের ইনসাইট করে সেটা দেখেছি বলে। ছাত্রদের মধ্যেও অস্থিরতা সৃষ্টিকারী কিছু সদস্য থাকে। কিন্তু সেটাকে ইচ্ছা করে ব্যবহার করে ফায়দা লোটে উপস্থিত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। এটা আমাদের এখন একটা কমন কালচার। ছেলেরা দুষ্ট এই কথাটা বলে, ইস্যুকে পাশ কাটানো। কথা হচ্ছে পুলিশ এবং সেনা দুটোই দেশের ট্যাক্সে গড়ে তোলা যন্ত্র। তাদের কাজ অর্পিত
দায়িত্ব পালন করা, নিজের থেকে দায়িত্ব তুলে নেওয়া নয়। কোনো পরিস্থিতিতে, আমি খুব জোর গলায় বলতে পারি বহিঃশত্রুর আক্রমণ বাদে অন্য কোনো পরিস্থিতিতে সেনাদের ব্যারাক ছাড়বার কোনো যুক্তি দেখিনা। রাজনীতির ব্যর্থতা, রাজনীতিবিদদের যতখানি ততখানিই আমজনতার। কষ্টসাধ্য প্রসেসে রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মেই সেটার শোধন করতে হবে। কোনভাবেই সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে নয়।
নিন্দুক বলেছেন:
রামারাও মোবাইল আর ল্যান্ড ফোন এক করে দেখছেন! এর মধ্যে শ্রেণীবৈসম্য? মাথা ঠিক আছে?
সালাউদ্দিন আইউবী বলেছেন:
যাইহোক, ডাক্তার সাহেব কি সংযত কারনেই আকন্দ সাহেবের পায়ু পথে ...................যাক, লেখাটি মন্দ হয়নি...........
ধন্যবাদ
রামারাও সিদ্ধা বলেছেন:
এইবার লাইনে আসছেন। মানে কি দাড়ালো? ক্ষমা চেয়েও জাত রক্ষা হচ্ছে না। তার মানে জনগনের আরও অনেক রাগ আছে এই সরকারের উপর আর তারই প্রকাশ ঘটছে একটা উছিলায়।
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
হযবরল একমত কিন্তু তাদের এবং বেসামরিক কর্তাদের সচিবালয় থেকে বের হাবর সুযোগ অস্হিরতা করে দেয়। আর সে সমস্যার সমাধান আরেকটি ব্যাপক অস্হিরতা দিয়ে হবেনা। ধৈর্যসীল আচরন, সহনশীলতা আর সমবায়িক আচরন বড় প্রয়োজন একটি সাফল্য এবং সিষ্টেমের জন্য
রামারাও সিদ্ধা বলেছেন:
কেন নয়? দেশের মধ্যবিত্তরা মোবাইল ইউজ করে আর উচ্চবিত্তরা তা ইউজ করলেও সাথে তাদের ল্যান্ড লাইন থাকে।আর গ্রামে ১০০ % মোবাইল ফোন। আর বাংলাদেশের কত % গ্রাম জনাব?
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
"জনগনের আরও অনেক রাগ আছে এই সরকারের উপর আর তারই প্রকাশ ঘটছে একটা উছিলায়। " রামারাও ফকরুদ্দিন গেলে আরেক ফকরুদ্দিন আসবে আর ৬ মাসে আরেকটা ফকরুদ্দিন সমাজ, রাষ্ট্র আর দেশ বদলাতে পারবেনা
জায়দান বলেছেন:
১ দাগানো হইল। অনির্বাচিত কাউকে অনির্দিষ্টকালের জন্য পাছা মারতে দিতে চাই না।
সফদর আলী বলেছেন:
একমত। প্রথম ঘটনাটা ছাড়া আর কোথাও সেনাবাহিনীর হাত ছিল না। তবে সম্প্রতি সরকারও খেয়াল-খুশিমত চলা শুরু করেছে। এটাও বন্ধ হওয়া দরকার।
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
জায়দান ডিসেম্বর -০৮। অনির্দিষ্ট পাইলি কই ভাইডি?
জায়দান বলেছেন:
পাছা মরলেও তাকে নির্বাচিত হয়ে আসতে হবে। কে পাছা মারবে, সেটা আমিই ডিসাইড করতে চাই। এই মিনিমাম স্বাধীনতাটুকুও বেঁচে দিবো না।
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
আসলে কি সিলেক্ট করতে পারসেন কে পাছা মারবে গত ১৫ বছর।
একটা দেশ চালানো খুব সোজা কাজ না। লাঠি দিয়ে সাময়িক ভাবে সবকিছু ঠান্ডা করা যায় হয়তো, ফলাফল এরশাদের মতোই হবে।
জায়দান বলেছেন:
ডিসেম্বর-০৮ এইডা আপনিই বা কই পাইলেন? এদের মুখের একটা কথা 'সম্ভাব্য' ডেটকে আপনি কোন যুক্তিতে বিশ্বাস করবেন? সিটিজির সবাই ধোয়া তুলসী পাতা, যে তাদের কথায় অন্ধভাবে বিশ্বাস করতে হবে? যাদের ক্ষমতা ধরে রাখাই অবৈধভাবে, তাদের কথায় কেন বিশ্বাস করবো?
আবুল বাহার বলেছেন:
একজন অধ শিক্ষিত মেজর একজন ডক্টরেট সচিবকে হুকুম/কমান্ড করবে তা মেনে নেয়া যায় না ।।
জায়দান বলেছেন:
বাংলাদেশের ইতিহাসে আপনি আমাকে একটা এক্সাম্পল দেন, যেখানে আর্মিব্যাকড সরকার এসে সব সমস্যা দূর করে দিয়েছে। সারা পৃথিবীতে একটা উদাহরণ দেন, যেখানে স্বৈরতন্ত্র সাধারণ মানুষকে একটি শান্তিপূর্ণ জীবন দিতে পেরেছে।লীগ-দল খারাপ। সেই খারাপের মোকাবেলা জনগণকে করতে দিন। জনগণ মোকাবেলা করতে পারলে করবে, না করতে পারলে না করবে। সিটিজি কোন বোকাচোদা যে ক্ষমতায় গিয়ে নিজে কবে ক্ষমতা ছাড়বে, সেই ডেডলাইন দেয়? লেট দ্য পিপল ডিসাইড। রাইট অর রং, দে'ল লিভ উইথ ইট।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
চমত্কার বললেও কম বলা হয় এবং ৫ দাগানো কিছুই না । অনেকগুলো ৫ দাগানো গেলে শান্তি পাইতাম । ৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫এরকম এ টিম-ই বেশীর ভাগ ব্লগার চায়বে ।
জায়দান বলেছেন:
এই যে, আরেকটা গে রাজাকার এসে গেছে তার ছাগুপার্টনারের বিজ্ঞাপন নিয়া।
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
গেলমানটা র পিকচার পুরা পেটেন্টেড গেলমান
জায়দান বলেছেন:
ডঃ ভাই, এখন বলেন, আমি ভুলটা কি কইলাম।
রামারাও সিদ্ধা বলেছেন:
ডঃ আইজউদ্দিন সাহেব,আমি দেখেন আপনার সাথে কথা বলছি এর মধ্যে একজন এসে আমাকে রামছাগল বলে গেলেন। আর দোষ টা কোথায় বলবেন কি?
আপনার উচিত আমাকে অথবা উনাকে আপনার ব্লগে ব্যান করা। তা না হলে উনার সাথে আর আলোচনা আস্তে আস্তে খারাপ হবে। নতুবা উনার বাজে কথাটা মুছে দেওয়া।
বিষয়টা আপনার উপরেই নির্ভর করে।
ধন্যবাদ
রামারাও সিদ্ধা বলেছেন:
ধন্যবাদ
মামু বলেছেন:
সেনা বাহিনীর একজন সদশ্য যা করেছে সেটা অবশ্যই সেনা বাহিনীর মিলিত প্রয়াস না। এটা একটা একজনের ব্যক্তিগত আইন ভঙ্গ করে উদ্বৃত প্রকাশ।এর মানে এই না যে এটা সমগ্র সেনা বাহিনীর আচরন। এই কথাটা অনেকেই মানতে চান না।
যে ছাত্রকে পেটানো হয়েছে সেটা সমগ্র সেনা ক্যম্পের সেনা সদস্য মিলে মারা হয় নাই। সে ক্ষেত্রে এটা কখনোই বলা যায়না যে এটা সমগ্র সেনাবাহিনীর একটা কর্ম।
অত্যন্ত দুক্ষের ব্যপার এই যে বেশির ভাগ মানুষই এই একজন সেনা সদস্যের আচরনকে সমগ্র সেনাবাহিনীর দোষ হিসাবে দেখছেন।
এর পরবর্তীতে যা বারাবাড়ি করা হয়েছে, তাতে যা দেখা গেল যে জলপাইদের ক্ষমতায় যাবার পথ আরো পরিষ্কার করে দেয়া হল।
সেই সাথে দূর্নিতি বাজদের বিচারের পথ অবরুদ্ব হবার সম্ভাবন সৃষ্টি হল।
জয় দূর্নিতি বাজ জয় তোমাদেরই সামনে।
এস্কিমো বলেছেন:
পুরো একমত হতে পারলাম না। কারন বিষয়টা যেভাবে দেখা হয়েছে - সেই দেখার মধ্যেই একটা সমস্যা আছে।
বিগত ৭ মাস সরকার একটা বিরাট জনসমর্থন উপভোগ করেছে। কিন্তু বিনিময়ে কিছু চমক ছাড়া তাদের অর্জন যা ছিল - তা একজন মানুষ বাজারে গেলেই শূন্যে মিলিয়ে যাচ্ছে। সরকারের প্রথম এবং প্রধান ব্যর্থতা হলো বাজার নিয়ন্ত্রনে।
খালেদা হাসিনার জেলে যাওয়ার চেয়ে তিন বেলা হাড়ি চড়ানো অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ন।
তারপর সরকার সঠিক ভাবে তাদের লক্ষ্য আর উদ্দেশ্য জনগনের কাছে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। একটা অনিশ্চয়তা সরকারের ইমেজকে ঢেকে দিয়েছে।
আরেকটা বিষয় হলো - মানুষ দেখছে দেশে একটা দ্বৈত শাসন চলছে। সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর প্রধানের বৈধ পদ না থাকার পরও দেশের প্রধান নীতিনির্ধারকের ভূমিকায় তাকে দেখা যাচ্ছে - অন্যদিকে উপদেষ্টাদের কেহ কেহ তাদের আচরনে সরকারকে বিতর্কিত করে তুলছে।
শেষ কথা হলো, ঢাকার রাস্তায় হাজার হাজার বেকার হকার, দ্রব্যমূল্যের চাপে পিস্ট নিম্নবিত্ত আর সুযোগ সন্ধানী রাজনৈতিক দলের কর্মীদের সুযোগ দিয়ে সেনাবাহিনী যদি শক্তি প্রয়োগ করে সব শান্ত করতে যায় ..সেটা হয়তো সাময়িক কাজ করবে।
এখন দ্রুত সরকারের চরিত্র ঠিক করা দরকার - এটা হলো সংবিধানের অধীনে একটা সাময়িক সরকার এবং সেনাবাহিনীর ভুমিকা পরিষ্কার ভাবে আউটলাইনড করা দরকার।
নতুবা ...মইনের প্রিচিং আর মইনের মকারী মানুষের মধ্যে আস্তার পরিবর্তে হতাশাই আনবে।
রাহা বলেছেন:
লেখাটা পড়ে তো সরকারী প্রেস নোট মনে হচ্ছে ... নাকি সরকারী প্রেস নোট লিখতে লিখতে আর মর্দন মর্দন করতে করতে
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
এস্কিমো আপনার বক্তব্য সাথে অনেক অংশে একমত। কিন্তু এ সমস্যা গুলো সমাধান করার জন্য সময় প্রয়োজন, ৬ মাস যথেষ্ট না। আমি নতুন অস্হিরতা সৃষ্টির বিপক্ষে। আমি মনে করি একটা নির্দিষ্ট সময় চাই সকল সমস্যার জন্য আর দিস ইজ টু আরলী ফর এ নিউ এডমিনিষ্ট্রেস.রাহা নো কমেন্ট।
ওবায়েদ বলেছেন:
যদি ও ব্লগে অস্হিরতার মুল হোতা ডাঃ আইজুদ্দিন। কিন্তু সে দেশে অস্থিরতা চায় না। খুব ভালো লাগলো।
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
ওবায়েদ রাজাকারের নাতিরা আর পুতেরা, তোরা রাজাকার আমারে সার্পোট দিয়া লাভ নাই। নট গনা ওয়ার্ক
ওবায়েদ বলেছেন:
ডাঃ রাজাকার ছাড়া দেশে আছে কি? বর্তমান সরকার রাজাকার, তার আগের সরকারও রাজাকার, তার আগেও রাজাকার। তো রাজাকার না কে?
সোনার বাংলা বলেছেন:
কেউ শুনবে না!কারন আমাদের বিবেক মাপার যন্ত্র বহু আগে বন্ধক
দেয়া হয়েছে, শুধু দুঃখ করা ছাড়া!
আমারা কোন দিন মানুষ হবো?
দেশের মাথায় পচন ধরেছে বহু আগে স্বাধীনতার পর।
আর এখন যে কয় খানা মাথা আছে তা তরল গুয়ে
একাকার।
সাবাশ জননী!
তোমার মাথাদের সালাম।
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
সরকারে রাজাকার থাকলে আমার কি? আমার দেশে কোন রাজাকার থাকবনা সোজা হিসাব।
জায়দান বলেছেন:
চোায়েদ রাজাকারের বিষ্টা হইতে উৎপন্ন। যার কাছেই যায়, দেখে গন্ধ থেকেই যায়। ভাবে সবার গায়েই গু। কিন্তু সে নিজেই যে গুয়ের উৎস, তা বুঝে না। বুঝবে কিভাবে? মাথায়ও যে মগজের পরিবর্তে গু আর গু। থু, রাজাকার, থু!
এস্কিমো বলেছেন:
ডাক্তার, আমার ভয় হলো ...সেনাবাহিনীর প্রধানের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ। গত কয়েক মাসে সে নিজেকে রাষ্ট্রের মালিক হিসাবে উপস্থাপিত করেছে। অন্যদিকে সরকার রাজনীতিবিদদের মধ্য থেকে ভাল অংশকে আলাদা করে গুরুত্ব না দিয়ে সবাইকে এক ভাবে ট্রিট করছে..কিন্তু জামাতের বেলায় বিষয়টা উল্টা। জামাত তাদের মগবাজার দূর্গে বসে তাদের স্বাভাবিক কর্মকান্ড চালাচ্ছে। সেটাই আশংকার।
@ওবায়েদ - আপনার রিমোট কন্ট্রোল সিস্টেম কাজ করছে? আপনাকে বলেছিলাম জামাত নেতৃত্বে নারীদের বিষয়ে তথ্য দিতে. কই গেলেন?
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন :
২০০৭-০৮-২২ ২১:২৮:৪৭
মামু এবং মাহমুদ রহমান জামাতের সমর্থক। এদেরকে বিশ্বাস করবেন না
মামু বলেছেন :
২০০৭-০৮-২২ ২১:৪৬:১৭
ডঃ আইজউদ্দিন তুমার মায়ের পুটকিতে লিখা আছে কারা কারা জামাত করে। ওই খানেই এই নাম গুলা খুইজ্যা পাইছ, তাই না?
লিষ্ট টা পাবলিক রে দেখাও। লিষ্টের একটা ফটুক তুইলা আনো।
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন :
২০০৭-০৮-২২ ২১:৪৯:৫৩
হ আমার দেশমাতার গায়ে লেখা আচে তোমাগো নাম কিভাবে বিক্রি করস আর ধর্ষন করস আমার দেশমাতাকে
মামু বলেছেন :
২০০৭-০৮-২২ ২১:৫৬:১০
এতদিন পরে স্বীকার করলি তোর মায়েরে যে রাজাকাররা ধর্ষন করছিল। আর তার থেকে তুই পয়দা হয়ছস।
এ ল্যাগ্যাই শয়নে স্বপনে শুধু রাজাকার দেখস। তোর বাপেরে রাজাকার মনে হয় না? ওই তো তোরে পয়দা করছে।
অমিত বলেছেন :
২০০৭-০৮-২২ ২১:৫৯:৩৭
দেশমাতাকে ধর্ষণ করে মামু নামক বেশ গর্বিত
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন :
২০০৭-০৮-২২ ২১:৫৯:৪২
দেশমাতা আর নিজের মাতার মধ্য পার্থক্য নাই আর সেজন্যই রাজাকারদের আটকাবো, প্রতিরোধ করব যেখানে পাই। আমার দেশমাতা রক্ত চায়। প্রতিশোধ চায়।
মামু বলেছেন :
২০০৭-০৮-২২ ২২:০৪:১০
সমস্যা নাইক্যা তো মায়েরে তো তোর বাপেই ধর্ষন করছে।
রাশেদ বলেছেন:
@ আইজু ভাই ও এস্কিমো...একমত
বাকী বিল্লাহ বলেছেন:
সরকারের ডিসেম্বর পর্যন্ত নেয়া সময়ের (তাদের ভাষায় রোডম্যাপ) বিশ্বাসযোগ্যতা কতখানি আছে সেটির বিবেচনাও দরকার। এতকাল তা বিশ্বাস করতে পেরে আরামেই ছিলাম। কিন্তু আরাম দিনদিন ব্যারামে পরিণত হচ্ছে।১. অর্থনীতিকে পুরোপুরি আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের কব্জায় দেয়া হয়েছে। শুধু বামেরা নয়, পুজিবাদী অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা পর্যন্ত খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসে সরকারের বর্তমান অর্থ ও মুদ্রানীতিতে আইএমএফ- আত্মঘাতী পরামর্শে বিচলিত। এমনকি অর্থ উপদেষ্টা এর আগে সিপিডি প্রকাশিত এক সংকলনে তার লেখা প্রবন্ধে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের যেসব সমালোচনা করেছেন, দেখা যাচ্ছে সেসব বিষয়গুলি আবারো নীতি নির্ধারণীতে জায়গা করে নিচ্ছে।
২. পাট শিল্প বিষয়ে (বন্ধ করায়) তার অতি আগ্রহ পূর্বাপর কিছু ঘটনা মনে করিয়ে দেয়।(পড়ুন, পাটের মৃত্যুঘন্টা, প্রথম আলোতে শরিফুজ্জামান পিন্টুর ধারবাহিক রিপোর্ট)।
আজকে আর থাক!
শেহাব বলেছেন:
৫


















