মহাশূন্যে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ
০৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৯
মহাশূন্যে কৃত্রিম উপগ্রহ ছাড়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। এ জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) একটি বিশেষজ্ঞ টিম এর অর্থনৈতিক সম্ভাবতা যাচাই শুরু করেছে। বিশ্লেষণ করছে এর অর্থনৈতিক নানা দিক। মহাশূন্যে কৃত্রিম উপগ্রহ ছাড়তে হলে ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) থেকে কক্ষপথ (অরবিট) বরাদ্দ নিতে হয়। বিটিআরসি এরই মধ্যে কক্ষপথ বরাদ্দ চেয়ে আইটিইউএর কাছে আবেদন করেছে। টেলিকম বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, মহাশূন্যে কৃত্রিম উপগ্রহ ছাড়তে পারলে বাংলাদেশ প্রতি বছর শত শত কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি হাজার হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্র তৈরি হবে। সেই সঙ্গে দেশের অভ্যনত্দরীণ নিরাপত্তা আরো সুরক্ষিত হবে।
টেলিকম বিশেষজ্ঞরা জানান, ভয়েস ও ডেটা কমিউনিকেশন খাত ছাড়াও দেশের স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলগুলো তাদের সম্প্রচারের জন্য বিদেশি স্যাটেলাইট প্রতিষ্ঠানকে প্রতি বছর মোটা অংকের বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে থাকে। বাংলাদেশের নিজস্ব স্যাটেলাইট (কৃত্রিম উপগ্রহ) থাকলে এই টাকা দেশেই থাকতো।
রোববার বেটার বিজনেস ফোরামের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেছেন, সরকার বেসরকারি খাতের মাধ্যমেই স্যাটেলাইট ছাড়ার প্রকল্পটি বাসত্দবায়ন করতে চায়। তিনি ব্যবসায়ীদের জানিয়েছেন, আগামী দু'বছরের মধ্যে বাংলাদেশ মহাশূন্যে কৃত্রিম উপগ্রহ ছাড়তে পারবে। ম্যাঙ্গো টেলিসার্ভিসের এমডি টেলিকম বিশেষজ্ঞ মীর মাসুদ কবির জানান, মহাশূন্যে বাংলাদেশের জন্য যে জায়গা রয়েছে তা অন্যরা ব্যবহার করছে। আমাদের জায়গায় স্যাটেলাইট ছেড়ে অন্যেরা লাভবান হচ্ছে। আমাদের জায়গায় নিজস্ব স্যাটালাইট থাকলে এই লাভের অংশীদার আমরাও হতাম। তিনি বলেন, আরো অনেক আগেই মহাশূন্যে উপগ্রহ ছাড়ার উদ্যোগ নেয়া দরকার ছিল।
সূত্র: আমাদের সময়
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
এই উদ্যোগটি আরও আগে নেয়া দরকার ছিল
কাকতারু্য়া বলেছেন:
ঠিক কইসেন। খাওয়ার দরকার নাই। কৃত্রিম উপগ্রহ দেইখাই প্যাট ভরবো। সাগল কইসে কারে। কৃত্রিম উপগ্রহ , ম্যাগনেটিক ট্রেন, আর ও কত কি !
আশরাফ রহমান বলেছেন:
নিঃসন্দেহে এটি একটি ভাল খবর্। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
কাকতারু্য়া বলেছেন: ঠিক কইসেন। খাওয়ার দরকার নাই। কৃত্রিম উপগ্রহ দেইখাই প্যাট ভরবো। সাগল কইসে কারে। কৃত্রিম উপগ্রহ , ম্যাগনেটিক ট্রেন, আর ও কত কি ! ভাই কাকতাড়ুয়া , স্যাটেলাইট টিভি দেখেন কিনা। নাকি চালের দাম বাড়ার কারণে স্যাটেলাইট টিভি দেখা বন্ধ করে দিয়েছেন। আপনি কি জানেন, এই স্যাটেলাইট টিভি চালানো বাবদ কত টাকা দেশ থেকে চলে যাচ্ছে ? চালের দাম না কমা পর্যন্ত আপনার তো টিভি দেখা উচিত না।
শেষ প্রহর বলেছেন:
খবর টা শুনে খুব ভালো লাগল।
মাইনুল বলেছেন:
good news . thanks.
নতুন বলেছেন:
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: কাকতারু্য়া বলেছেন: ঠিক কইসেন। খাওয়ার দরকার নাই। কৃত্রিম উপগ্রহ দেইখাই প্যাট ভরবো। সাগল কইসে কারে। কৃত্রিম উপগ্রহ , ম্যাগনেটিক ট্রেন, আর ও কত কি ! ভাই কাকতাড়ুয়া , স্যাটেলাইট টিভি দেখেন কিনা। নাকি চালের দাম বাড়ার কারণে স্যাটেলাইট টিভি দেখা বন্ধ করে দিয়েছেন। আপনি কি জানেন, এই স্যাটেলাইট টিভি চালানো বাবদ কত টাকা দেশ থেকে চলে যাচ্ছে ? চালের দাম না কমা পর্যন্ত আপনার তো টিভি দেখা উচিত না।
সহমত শামিম ভাই...
মুকুট বলেছেন:
শেষ পর্যন্ত স্যাটেলাইট পাঠালে, তবেই সার্থকতা, তা নাহলে এই ফাঁকা আওয়াজ ছাড়া কিছুই হবে না!
এত ভাল খবর দেবার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আর আপনার মুখে ফুল-চন্দন পড়ুক। বাংলাদেশ মহাকাশে নিজস্ব স্যাটেলাইট পাঠাচ্ছে, আমাদের ভূখন্ড থেকে আমরা রকেট লঞ্চ করছি, এমন একটা দিনের জন্য অনেক দিন ধরে অপেক্ষা করে আছি।
খুব আশা বেচে থাকতে থাকতে এ দিন দেখে যেতে পারবো।
কাস্তের মত চাদঁ বলেছেন:
কাকতারুয়ার সাথে সহমত--ঠিক কইসেন। খাওয়ার দরকার নাই। কৃত্রিম উপগ্রহ দেইখাই প্যাট ভরবো। সাগল কইসে কারে। কৃত্রিম উপগ্রহ , ম্যাগনেটিক ট্রেন, আর ও কত কি ! 'কৃত্তিম উপগ্রহ ছাড়তে কি মানের প্রযুক্তি আর টাকা লাগতে পারে তার কোন ধারনা নাই আপনার মনে হচ্ছে। মাত্র অল্প কয়টা দেশ উপগ্রহ ছেড়েছে।
একটা গাড়ি পর্যন্ত তৈরি হয়না যে দেশে সেখানে স্যাটেলাইট!!! দিল্লী বহুদূর............, পথিক।
রোকন বলেছেন:
নিঃসন্দেহে ভালো খবর। আনীলা, কোনো সোর্স দিতে পারেন রেফারেন্স হিসেবে?শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
রোকন বলেছেন:
দুঃখিত, আমাদের সময়ের তথ্যসুত্রটা চোখে পড়েনি।
নেমেসিস বলেছেন:
বহুরূপী মহাজন বলেছেন: বাংলাদেশ মহাকাশে নিজস্ব স্যাটেলাইট পাঠাচ্ছে, আমাদের ভূখন্ড থেকে আমরা রকেট লঞ্চ করছি, এমন একটা দিনের জন্য অনেক দিন ধরে অপেক্ষা করে আছি।
খুব আশা বেচে থাকতে থাকতে এ দিন দেখে যেতে পারবো।
>>> ধারনাটা ভুল হচ্ছে ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















.jpg)



চমৎকার খবরটি জানানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ ।