আমার প্রিয় পোস্ট

অনেক হাসি-কান্না মিথ্যা হতে পারে কিন্তু প্রতিটি দীর্ঘশ্বাস

আমি মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধের বিপক্ষে, আপনি?

২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫

শেয়ারঃ
0 0 0

যারা মাদ্রাসা শিক্ষা উচ্ছেদের পক্ষে তারা কি বলবেন ইসলাম ধর্ম শিক্ষার বিকল্প ব্যবস্থা কি? এদেশের অধিকাংশ মানুষ মুসলিম কাজেই
যেখানে ইসলাম ধর্মশিক্ষা দেওয়া হয় সেই প্রতিষ্ঠান গুলোকে কুলষ মুক্ত করে সময় উপযোগী করার পরিকল্পনা করা উচিত কিন্তু তানা না করে বরং বন্ধ করার পরিকল্পনা হচ্ছে। খুবই দঃখজনক। আপনি যদি দায়িত্ববোধ সম্পন্ন হয়ে থাকেন তাহলে মুসলিম হিসাবে আপনার কিছু দায়িত্বের কথা ভুলে যাবেন না আশা করি। কেউ আমাকে ছাগু বলবে এই ভয়ে যেন আমরা ইসলাম থেকে সরে না যায়।

কোন শিক্ষা ব্যবস্থা কি কাউকে সন্ত্রাসী হতে শেখায়? এদেশে টপ টেরর হিসাবে যারা পরিচিত যেমন- সুব্রত, সুইডেন আসলাম, এরশাদ শিকদার(মৃত) ইত্যাদিরা কোন মাদ্রাসার ছাত্র? সন্ত্রাসী যদি মাদ্রসার ছাত্র না হয়ে অন্য সাধারন প্রতিষ্ঠানের হয়ে থাকে তাহলে কি ঐ প্রতিষ্ঠান গুলোও বন্ধ করে দিতে হবে?

ছাত্র শিক্ষক মিলে ধর্ষন বিষয়ে জাবি'র যা রেকর্ড তাতে মাদ্রাসা বন্ধের সাথে সাথে জাবিও বন্ধ হওয়া দরকার কি?

লক্ষনীয় যে, বিভিন্ন সন্ত্রাসী ঘটনাই জড়িত মাদ্রাসার ছাত্ররা তাদের ব্যাক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে সন্ত্রাস করেনা। একটা গোষ্ঠি বিভিন্নভাবে বঞ্চনা আর অবজ্ঞার স্বীকার এই ছাত্রদের ব্যবহার করছে তাদের ধারার একটা সিষ্টেম চালু করার জন্য। কিন্তু সাধারন শিক্ষায় শিক্ষিত সন্ত্রাসীরা ব্যাক্তিগত লাভের আশায় সন্ত্রাস করে। দলপতির দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টায় দ্রুত প্রমশনের জন্য। টেন্ডারবাজী করে টাকা কামায়ের জন্য এমনি আরও অনেক কারনে।

লাদেন কোন মাদ্রাসার ছাত্র কি না জানিনা তবে বুশ তো কোন মাদ্রাসার ছাত্র নই, এই দু জনের মধ্যে পার্থক্য কি খুব বেশী?

উত্তর কোরিয়াতে কোন মাদ্রাসা নাই তবুও উত্তর কোরিয়া কে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ঘোষনা করেছেন বুশ প্রশাসন। উত্তর কোরিয়া কোথাও সন্ত্রাসী কার্যকলাপে লিপ্ত কিনা আমার জানা নাই। এ্যম্রেকিদের সাথে হাত মিলিয়ে এ দেশে মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করার পরিকল্পনা করছেন যারা তারা কি নিজের দলটিকে সন্ত্রাসী মুক্ত করতে পেরেছেন?

মাদ্রাসা বন্ধের জন্য যত জোর গলায় বক্তব্য রাখেন মহান আল্লার বানী, রসুলের(সাঃ) আদর্শকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তেমন কোন উদ্যোগ নিয়েছেন কি ?

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮
মো. বাকীবিল্লাহ বলেছেন: ধন্যবাদ চমৎকার যুক্তির জন্য। আমিও আপনার সঙ্গে একমত।
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সাথে থাকার জন্য।

২. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০০
বিবেক সত্যি বলেছেন: আমি মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধের পক্ষে , তবে তার আগে অবশ্য অবশ্যই ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার বিকল্প পন্থা দেখিয়ে দিতে হবে ...
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০২
উন্মোচক বলেছেন: আরো চমৎকার যুক্তির অবতারণা করা যেতে পারত।
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৫

লেখক বলেছেন: আপনাকে স্বাগতম, আরও কিছু যুক্তি দিয়ে একটা পোষ্ট দিন। ইসলামের বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চলছে তা রুখতে হবে আমাদেরকেই।

৪. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৪
রাতমজুর বলেছেন: মাদ্রাসা শিক্ষাব্যাবস্থার পরিবর্তন আনা দরকান, না পারলে বন্ধ করাই শ্রেয়, অন্তত: কোথায় থামতে হয় এটা জানা দরকার।
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৩

লেখক বলেছেন: কেউ যদি মাদ্রাসা ছাত্রদের পথভ্রষ্ট করার কু মন্ত্রনা দিতে পারে তবে আমরা কেন তাদের সত্যের পথ দেখাতে পারি না? আসুন আমরা সবাই চেষ্টা করি কোথায় থামতে হয় এটা জানাতে।

৫. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৪
আখেরি রাস্তা বলেছেন: ধন্যবাদ ভাল লেখার জন্য। কিন্তু ভাই চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী।

তবে আপনার সাথে একমত।
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১১
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: আমি মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধের বিপক্ষে ।
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৪
ওবায়েদ বলেছেন: আমি মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধের পক্ষে, তাবে তার আগে আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার করতে হবে। স্কুল গুলোতে ১০০% ধর্মীয় শিক্ষা অর্জনের ব্যবস্থা করতে হবে।
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২১

লেখক বলেছেন: সেই সাথে সুবিধা বঞ্চিতদের জন্য শিক্ষার ব্যায় সহনীয় করতে হবে।
বর্তমানে সুবিধা বঞ্চিতদের শিক্ষার শেষ আশ্রয় মাদ্রাসা, কারন সাধারন স্কুল কলেজ গুলোতে শিক্ষা এখন অত্যান্ত ব্যায় বহুল।

৮. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৭
মো মুজাহিদ আলম বলেছেন: মাদ্রাসায় পড়ুয়া সন্ত্রাসী ছেলেটির গড ফাদাররা কিন্তু মাদ্রাসা ছাত্র না । ওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্তা নিলে মাদ্রাসা শিক্ষা সুন্দর হয়ে যাবে ।
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: নিঃসন্দেহে তাই। তবে কোন গড ফাদার মাদ্রাসার ছাত্র হওয়াটা অসম্ভ নয়। সন্ত্রাসী যেই হোক না কেন ওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরী।

৯. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৩
সত্যের মত বদমাশ বলেছেন: আমরা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত তথাকথিত জেন্টেলম্যানরা ধর্মকেতো কিছুই দেয়নি; বরং ধর্মশিক্ষিত ঐসব নিরীহ লোকদেরকে পদে পদে ঠাট্রা করি। আর যোগ্যতায় যদি কেউ আমাদের পাশে এসে দাঁড়াই তাদেরকে ম্লেচ্ছ বলে নাক সিঁটকাই।
আমার মতে মাদ্রাসা শিক্ষা হলো ধর্মের আলোকবর্তিকা। যদি আমি এই আলোকবর্তিকাকে নিভিয়ে দেই, তবে ধর্ম হয়ে যাবে অন্ধ ।
আমার ধর্ম আমাকে শিখায় যে ধর্ম আমাকে কী শিক্ষা দিবে!
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫০

লেখক বলেছেন: মাদ্রাসা ছাত্রদের আমরা যেন দুর দুর করে অবজ্ঞা না করি। বন্ধুত্ব সঙ্গতা সবারই প্রয়োজন। আমাদের অবজ্ঞাই ওদের মনকে বিদ্রহী করে তোলে, তারা তখনই সমাজকে দেখতে চাই একান্ত তাদের মত করে যেখানে তাদেরও আত্ম সম্মান থাকবে। তখনই তারা আশ্রই খোজে অন্যের কাছে। এই সুযোগে কিছু সুবিধাবাদী তাদেরকে খেপিয়ে তোলে প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে।

১০. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৯
মাহমুদ৬৯ বলেছেন: Click This Link
Click This Link

লেখাটা আপনাকে উদ্দেশ্য করেই লেখা কিন্তু তা আপনার নজরে পড়েছে কিনা বুঝতে পারছিনা, তাই লিংক গুলো দিলাম। আপনার সুচিন্তিত মতামত দিয়ে বাধিত করবেন। ধন্যবাদ।
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৭

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে বলে সত্যিই দুঃখিত। লেখাটি তখই পড়েছিলাম কিন্তু ব্যস্ততার কারনে মন্তব্য করতে পারি নাই।

ঐ ছবিটিতে আমি হেজাব পরা মেয়েটির হাত টা মার্ক করেছিলাম কারন হাতটা কোন বারবির হাত বলে মনে হয়েছে, যদিও হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলটা উল্টা দিকে বলে মনে হচ্ছে তবুও ধরে নিলাম ছবিটি বাস্তব। এধরনের ছবি উপস্থাপনের মাধ্যমে আপনি কি বলতে চাইছেন তা স্পষ্ট নয়। কিন্তু ছবির ক্যাপশনে যা লিখেছেন তাতে আমার মনে হয়েছে আপনি হিজাবকে কটাক্ষ করার জন্যেই ঐ পোস্টটি করেছেন।
কোন মুসলিমের কাছ থেকে এধরনের উপস্থাপন দুঃখ জনক।
আর যদি নেহাত কৌতুক করার জন্য পোষ্ট করে থাকেন তাহলে এ ধরনের কৌতুক থেকে বিরত থাকতে আহ্বান করছি। সারা পৃথিবী জুড়েই বিধর্মীরা ইসলামের গিবত গাইছে আমরা মুসলিমরা তার প্রতিবাদ না করলেও অন্তত সঙ্গ যেন না দিয়।

আপনার স্যারকে নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাই না, বিষয়টা অনেক পুরান। তবে একটা জিনিস মনে রাখবেন ধর্মকে অনুভব করতে হলে অতিরিক্ত ইন্দ্রিয় খুজবেন না। যে ধর্মই হোক না কেন ধর্মকে অনুভব করতে হলে প্রত্যেকটি ইন্দ্রিয়ের সম্মিলিত অংশ গ্রহন প্রয়োজন। যারা অনুভব করেছে এটা কেবল তারাই বুঝে। আর সে জন্যই এত লাগে।

১১. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৫
প্রেসক্রিপশন বলেছেন: যে সকল যুক্তিতে মাদ্রাসা শিক্ষা বন্দ্বের আবদার করেন আমাদের দেশের বুদ্বিরঢেঁকিগুলো, (তথাকথিত সুশীল বুদ্বিজীবি) সে কারনগুলেঅ যদি যুক্তিযুক্ত হয় তবে প্রথমে দেশের কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ব্ন্দ্ব করে দেয়া উচিত।

কারন এ যাবৎ কালের সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, চোর, ডাকাত, দুর্নীতিবাজ মন্ত্রী এম পি সবাই কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া, এমনকি শীর্ষ নেত্রীদ্বয় ও।

এক্ষেত্রে মাদ্রাসা শিক্ষিতের হার দশমিক শুন্যের কোঠায়ও নেই।
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩০

লেখক বলেছেন: একমত।

১২. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৭
আলী বলেছেন: মাদ্রাসা শিক্ষাব্যাবস্থার পরিবর্তন আনা দরকান, না পারলে বন্ধ করাই শ্রেয়, অন্তত: কোথায় থামতে হয় এটা জানা দরকার।
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪

লেখক বলেছেন: আমরা যদি মাদ্রাসা পড়ুয়াদের হেয় করে দুরে ঠেলে দিয় তাহলে তারা কখনই শিখবে না কোথায় থামতে হয়। সবাই মিলে মিশে চললেই চেতনা বিনিময় সম্ভব। তাছাড়া আয়জোন করে খুব সামান্যই হয়।

১৩. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪
মাহমুদ৬৯ বলেছেন: পড়লাম। যাদের আপনি সন্ত্রাসী বলে উল্লেখ করেছেন তারা ব্যাক্তিগত স্বার্থে সন্ত্রাস করছে এবং তারা সন্ত্রাসী বলেই চিহ্নিত। কিন্তু মাদ্রাসা ছাত্ররা কি উদ্দেশ্যে একসাথে সারা দেশ ব্যাপী বোমা হামলা করছে? কেনো একটি স্বাধীন দেশের সংবিধান সম্মত আইনকে নিশ্চিহ্ন করে ইসলামী বা কোরানী আইন প্রতিষ্ঠা করতে চায়? বাংলাদেশ তো ইসলাম ধর্মকে ভিত্তি করে স্বাধীন হয়নি। তাহলে তাদের এই প্রচেষ্টা সন্ত্রাসী হবেনা কেনো?
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন: সন্ত্রাসী তো সন্ত্রাসীই। আমি তাদের শ্রেনী বিন্যাস করতে চাই না। ব্যক্তি স্বার্থ বা দলীয় স্বার্থ, দেশ ব্যাপি বা মোড় ব্যাপি সব সন্ত্রাসী কাজই ঘৃন্য। সব সন্ত্রাসীর ই শাস্তি হওয়া উচিত। কিন্তু একটা শ্রেনী সন্ত্রাসকে কেবল ইসলামের সাথে জুড়ে দেয় আর আমরা কেউ কেউ মুসলিম হয়েও তাদের সাথে সুর মেলায়। খুবই দুঃখ জনক।

১৪. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৬
সত্যান্বেষী বলেছেন:

মাদ্রাসা নয়। কোরান বন্ধ করতে হবে। যারা ইসলামী শাসন কায়েমের লক্ষ্যে বোমাবাজী করে, মানুষ হত্যা করে তারা কোরানের ভিতর থেকেই সমস্ত রসদ সংগ্রহ করে। বাইরে থেকে নয়।

আর যারা সাধারণ লাইনে পড়াশোনা করে তাদের অতি সংক্ষেপিত ইসলামিয়াত বইতে সেই সমস্ত আয়াত থাকেনা যা দেখলে বিধর্মী, মুরতাদ, নাস্তিকদেরকে হত্যার জন্য হাত চুলবুল করে।

কোরানে ভাল ভাল কিছু আয়াত যেমন রয়েছে তেমনই রয়েছে মানবতা বিধ্বংসী আয়াতও। বিষয়টা হচ্ছে কে কোনটাকে নিবে। মাদ্রাসার ছাত্ররা যদি জেহাদের আয়াতগুলোর উপর জোড় দিয়ে দেয় আপনি তাদের দোষ দিতে পারেন না। দোষ দিতে হবে তাদের জ্ঞানের উৎসকে।

ভাগ্য ভাল, সাধারণ ছাত্ররা তাদের ধর্ম বইয়ে প্রাপ্ত কিছু বাছা বাছা আয়াত ছাড়া তেমন কিছু জানেনা। জানলে তারাও মাদ্রাসা ছাত্রদের চেয়ে কোন অংশে কম হতো না।
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৭

লেখক বলেছেন: মানবতা বিধ্বংসী কোন আয়াত কোরআনে নাই। কিছু আয়াতের সুবিধা জনক ভুল ব্যাখ্যা তৈরী করে কেউ কেউ স্বার্থ সিদ্ধির চেষ্টা করছেন মাত্র।
আপনার মত মহাজ্ঞানীকে জ্ঞান দেওয়ার ধৃষ্টতা আমার নাই।
আপনার নিকের স্বার্থকতা রক্ষা করুন। সত্যঅন্বেষন করুন।
আপনার সহায়ক হবে ডাঃ জাকির নায়েকের লেকচারের কিছু সিডি যা বাংলা এবং ইংরেজী উভয় ভাষাতে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে আপনি যে ভাষা বোঝেন সেটা সংগ্রহ করে দেখেন কিছু শিখতে পারেন কি না।
ডাঃ জাকির নায়েক চ্যালেঞ্জ করেছেন মানবতা বিধ্বংসী কোন আয়াত কোর আনে নাই। পিস টিভির ওয়েব সাইটের মাধ্যমে ডাঃ জাকির নায়েকের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। হিন্দু ধর্মের পন্ডিত শ্রি রবি শন্কর, খৃষ্টান ধর্মের পন্ডিত ডঃ ক্যম্পবেল ব্যর্থ হয়েছেন। চেষ্টা করে ধেখেন আপনি কিছু করতে পারেন কিনা।

১৫. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮
শাহ্‌রিন বলেছেন: মাদ্রাসা শিক্ষাব্যাবস্থার পক্ষে আপনার সুচিন্তিত মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেউ ধন্যবাদ।

১৬. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৭
আলাউদ্দীন বলেছেন: সত্যান্বেষী বলেছেন:
মাদ্রাসা নয়। কোরান বন্ধ করতে হবে। যারা ইসলামী শাসন কায়েমের -------------------------চেয়ে কোন অংশে কম হতো না।

//-------------------------------------------------

বলি কোরআন নিয়ে আপনার এত গাঁ জালা করে কেন? আর আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে আপনি একজন কোরআনের পন্ডিত।কোরান শান্তির বানী বহন করে এটা বহু আগেই আপনার চেয়েও বড় বড় পন্ডিত দ্বারা প্রমাণিত।আমি এই প্রথম কোন গাঁদার মুখে কোরান সম্পর্কে এধরনের কথা শুনলাম।
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২১

লেখক বলেছেন: আখেরি রাস্তা বলেছেন : চোরাই না শোনে ধর্মের কাহিনী।

১৭. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১১
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: আপনি কি মাদ্রাসায় পড়েছেন?
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: মাদ্রাসাই পড়িনি। মাদ্রাসা পড়ুয়াদের পেছনে দাড়িয়ে নামাজ পড়ি।

১৮. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২২
সতেজ বলেছেন: এটা বোধ হয় ঠিক জে মাদ্রাসার গুটিকয়েক ছাত্রকে জংগী কার্যকলাপে প্ররোচিত করা সহজ । কিন্তু মাদ্রাসা বন্ধ করলে পরিনতি আরো খারাপ হবে । তখন বেশির ভাগ ধর্মান্ধ পিতামাতা তাদের বাচ্ছাদের কওমী মাদ্রাসাতে পাঠাবেন ।

তবে মাদ্রাসা সংস্কার করার সাথে সাথে সাধারন শিক্ষা টাও সংস্কার করা জরুরী । আমার মনে হ্য় প্রচুর মেট্রিক পাস লোক পাওয়া যাবে যারা একটা চিঠি লিখতে পারেনা ।

আমি ওনেক আগে মাদ্রাসা কারিকুলাম দেখচিলাম । যতদুর মনে পরে ওখানে উর্দু নামে একটা সাবজেক্ট ও আছে । বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপটে উর্দু জিনিষটা কি কাজে লাগে জানিনা ।
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৫

লেখক বলেছেন: কোন ভাষা শিক্ষায় দোষের কিছু নয়। পালি ভাষার কথা কজন শুনেছে জানিনা তবে এ ভাষার জন্য কিছু ইউনিভার্সিটিতে নির্দিষ্ট ফ্যাকাল্টি আছে। বাংলা ভাষায় পর্যাপ্ত ইসলামী সাহিত্য, তথ্য ও হাদিস ইত্যাদির বই থাকলে হয়তো এক সময় উর্দুর আর দরকার হবেনা।

১৯. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৬
সত্যান্বেষী বলেছেন:
@ আলাউদ্দীন:

ধ্বংস হোক আবু লাহাবের হস্তদ্বয়। - এখানে যদি আপনি শান্তির বানী খুজে পান তাহলে ইরাক আক্রমনের পিছনে বুশের ব্যাখ্যাগুলোকে শান্তির বানী বলতে সমস্যা কোথায়?
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন: কোন সমস্যা নাই আপনি বুশের সাথে তাল দিয়ে আপনিও বানী দিতে থাকেন। ইসলামের অপব্যাখ্যাকারীদের সাথে এ রকম দু একটা যোগ হলে কোন সমস্যা হবে না।
তবে ইসরায়িল-ফিলিস্তিনির ক্ষেত্রে আপনার বুশ কোন শান্তির বানী দেয় সে দিকেও খেয়াল রাইখেন।

২০. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩২
টিউলিপফুল বলেছেন: এই ব্যাডায় এসব কি কথা কয়। মাদরাসা শিক্ষা বন্ধ হওয়ার কি আছে তবে সংস্কার অবশ্যই আনতে হব।ে
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৭

লেখক বলেছেন: উন্নয়নের শর্তই সংস্কার। সংস্কার অবশ্যই আনতে হবে। ধন্যবাদ।

২১. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৮
েপচাইললা বলেছেন: মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়নের ব্যবস্থা করতে না পারলে বন্ধ করে দেয়াই উচিৎ। শুধুমাত্র ধর্ম কোন একটি শিক্ষাব্যবস্থার মূল নিয়ামক হতে পারে না, অন্তত এই যুগে। ধর্ম মানুষের জীবনকে সুন্দর করবে, একজন মানুষের চালিকাশক্তি হবে না-তার পথকে সুন্দর করে তুলবে, কিন্ত তার জীবনকে গতিরুদ্ধ করে তুলবে না। বিজ্ঞানের এই যুগে পৃথিবীকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়ার জন্য মানবতাকে আরও নতুন কিছু দেয়ার জন্য চেষ্টা করতে হবে।

ধর্ম শিক্ষা জীবনকে সুন্দর করবে জীবনের মূল নিয়ামক হয়ে উঠবে না। জীবনকে সামনে নেয়ার পথকে সুন্দর করবে, পথ রুদ্ধ করে তুলবে না।

শিক্ষাকে গুরুত্ব দেয়া হোক যা জীবনকে, মানবতাকে, সভ্যতাকে এগিয়ে নেয়। ধর্মীয় শিক্ষা ততটুকুই দরকার যা জীবনের ভালমন্দ নিরুপণে সাহায্য করে।

২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৪

লেখক বলেছেন:
ভাল বলেছেন।

ইহ জীবনের ভাল মন্দের উপরই পরজীবনের ভাল মন্দ নির্ভর করে।

২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: লিন্কে ইরোর দেখাচ্ছে। পরে চেষ্টা করব।

২৩. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৭
ফজলে এলাহি বলেছেন: ব্যাপারটা এরকম অনেকটা- হুজুর চাইলে দোষ আর অন্যেরা চাইলে মশকরা।

যত ধরনের অপরাধ আছে, সেগুলোর কোন একটি যদি কোন দুর্বল ঈমানের হুজুর করে বসে, তবে তো কথাই নেই "হুজুরেরা এসব করে"।

পক্ষান্তরে হুজুরেরা ছাড়া বাকী সবার জন্য সেসব অপকর্ম জায়েয। তারা সব করতে পারবে, এতে কারো কোন আপত্তি নেই।

উপরে বর্ণিত দূর্নীতি আমাদের সমাজের একটা সাধারণ চিত্র। আর সেই সাথে যোগ হয়েছে এই সাধারণ চিত্র থেকে সুবিধা হাসিলকারী ইসলাম বিরোধী চক্র।

স্কুল-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা শিক্ষকদেরকে ঠেঙ্গালে, নকল ধরার অপরাধে(?) রাস্তায় আটকে মারধোর করলে, ক্লাসরুমে ধরে পিটালে এমনকি হত্যা করলেও সেটা ঐ সব দালালচক্রের নিকট বৈধ।

পক্ষান্তরে আজো শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধার প্রতীক মাদ্রাসার ছাত্রদেরকে কিছুসংখ্যকের জন্য অপরাধী করা হচ্ছে। মাদ্রাসার ছাত্ররা তো আর ফেরেশতা নয়, মানুষ তারা। দোষত্রুটি নিয়েই মানুষ। কেউ যদি তাদেরকে চোর সাব্যস্ত করার জন্য কৌশলে হাতে চুরির মাল ধরিয়ে দেয়, তবে তা উপলব্ধি করার দায়িত্ব আমাদের। তারউপর এ বিষয়ে অনেক কথাই হয়েছে যে, পরিবারের হাবাগোবা ছেলেটাকেই দেয়া হয় মাদ্রাসায়, আল্লাহর রাস্তায়(!)। এ অপরাধের জন্য দায়ী কে? অবশ্যই গার্জিয়ানগণ; প্রকাশান্তরে আমরাই।

উচিত যা তা হলো- মাদ্রাসা শিক্ষাকে সংস্কার করে সে খাতে আরো বিনিয়োগ বাড়িয়ে দেশের ও দেশের অধিকাংশ জনগোষ্ঠীর চরিত্র সংশোধনের কাজে সরকারকে এগিয়ে আসা।
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: সত্য উপস্থাপনের জন্য ধন্যবাদ।

২৪. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৩
মামু বলেছেন: আপচুস লাগতাচে
যে আপনি মাদ্রাচার পক্ষে কতা কওয়া ছত্বেও...
এ্যামি রহমান পিযাল আর এছকিমুত গং রা একনো আপনারে "রাজাকার" কইতাচে না ক্যান?

-----------------------------------------------------------------
আপনে তো দেকি টপ রেজাকার হইয়া গেচেন? !!!!!!

২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪০

লেখক বলেছেন: রাজাকার শব্দটার যত্রতত্র ব্যবহার শব্দ টাকে পচিয়ে ফেলেছে।
সঠিক শব্দ সঠিক জায়গায় ব্যবহার হওয়া উচিত এটা হয়ত উল্লেখিতরা বুঝতে পেরেছেন।

২৫. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৪
আরিফুর রহমান বলেছেন: মাদ্রাসা শিক্ষাব্যাবস্থা বন্ধ করা হোক্
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪১

লেখক বলেছেন: কেন ? থাকলে সমস্যা কি ?

২৬. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১১
মাহমুদ৬৯ বলেছেন: আমি কিন্তু আপনার মতামতের অপেক্ষায় আছি।
২৭. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৯
মামু বলেছেন: এ দেছের মানুছ ধার্মিক এবং দরিদ্র, এই ধরনের মানুছের জন্য তার ছেলে মেয়ে কে এমন কুনু ছিক্ষা প্রতিষ্ছান নাই যেকানে পাটাইলে তার পুলাটা ৩বেলা খাওন পাইব আর একটু ছিক্কিত হইব।

৩বেলা খাওন আর বাবার ইচ্ছা মত ধার্মিক হওনের ব্রাবস্তা মাদ্রাছা ছারা আর কোন জায়গায় কি ছম্ভব?

ছন্তারের প্রাতমিক ছিক্ষার ছিদ্বান্ত তো বাবা মায়ের কাচ তেকেই আছে?

সুতরাং যেকানে ছন্তান ও অবিভাবক ছিদ্বান্ত নিচে পুলারে মাদরাচায পড়াইব হেইডা নিয়া অন্যা কারো বিরুপ মন্তব্য করা উচি ত না....

-------------------------------------------------------------
মাদরাছার ছিক্ষা ব্যাবস্তায় অনেক ভূল ত্রুটি তাকতে পারে, সেইগুলা সংশুদনের প্রস্তাব আসা দরকার, তাই বইলা বন্দের কতা ক্যান?

আর মাদরাচা বন্দ করতে হইলে সেই পুললাপাইন গুলারে ইমুন একট ইছকুলের কতা কন যেকানে সব গুলা পুলাপাইন ৩ বেলা খাওন আর ছটিক ধর্মীয় ছিক্ষা পাইব......

বিকল্প না তৌরি কইরাই বন্দের চিদ্বান্ত মানে মত লব অন্য কিচু...
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪২

লেখক বলেছেন: ঠিক বুঝেছেন, ধন্যবাদ।

২৮. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০০
কাজরী... বলেছেন: েপচাইললা বলেছেন: মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়নের ব্যবস্থা করতে না পারলে বন্ধ করে দেয়াই উচিৎ। শুধুমাত্র ধর্ম কোন একটি শিক্ষাব্যবস্থার মূল নিয়ামক হতে পারে না, অন্তত এই যুগে। ধর্ম মানুষের জীবনকে সুন্দর করবে, একজন মানুষের চালিকাশক্তি হবে না-তার পথকে সুন্দর করে তুলবে, কিন্ত তার জীবনকে গতিরুদ্ধ করে তুলবে না। বিজ্ঞানের এই যুগে পৃথিবীকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়ার জন্য মানবতাকে আরও নতুন কিছু দেয়ার জন্য চেষ্টা করতে হবে।

ধর্ম শিক্ষা জীবনকে সুন্দর করবে জীবনের মূল নিয়ামক হয়ে উঠবে না। জীবনকে সামনে নেয়ার পথকে সুন্দর করবে, পথ রুদ্ধ করে তুলবে না।

শিক্ষাকে গুরুত্ব দেয়া হোক যা জীবনকে, মানবতাকে, সভ্যতাকে এগিয়ে নেয়। ধর্মীয় শিক্ষা ততটুকুই দরকার যা জীবনের ভালমন্দ নিরুপণে সাহায্য করে।
২৯. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩
অচেনা সৈকত বলেছেন: কাজরী আপা@এগুলো বলে কোন লাভ নাই।সব আজকাল পাক্কা মুসলমান, সাচ্চা দেশপ্রেমিক।আমি-আপনি এগুলো বলে শুধু রোষানলেই পড়ব।উচিত কথা বলি তো,সবার গায়ে লাগে।
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: পরাজয়ে ডরে না বীর। আমি নির্ভিক, আমি বলবই। এক মাত্র আল্লাহকে ভয় করুন।

৩০. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৪
হমপগ্র বলেছেন: ধর্ম একটা শিক্ষাব্যবস্থার নিয়ায়মক হতে পারে না। যদি মাদ্রাসাকে স্কুল বানাতে পারেন, যদি সব ধর্মের লোকেরা সেখানে পড়তে পারে তাহলে সমস্যা কোথায়?

আগেকার দিনে ব্রাক্ষণরা নিজেদের স্কুল কলেজে মুসলমানদের ঢুকতে দিত না। শুধু তাই নয়, শুদ্রদের কেউ ঢুকতে দিত না। তাহলে তাদের আর আমাদের মধ্যে পার্থক্য থাকল কোথায় আজকে?
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: মাদ্রাসা গুলোতে ধর্ম বিষয় ছাড়াও আরও সাধারন বিষয় গুলিও পড়ানো হয়, তবে কোর্স কারিকুলাম সংস্কার করে আরও উন্নত করা যেতে পারে।
তবে মাদ্রাসা একটি বিশেসায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এর বিশেষত্ব হলো ইসলাম ধর্ম শিক্ষা এখানে ভিন্ন ধর্মের ছাত্র মানানসই নই।
যেমন: বুয়েটে মেডিক্যাল স্টুডেন্টদের কোন দরকার নাই।

৩১. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৮
সাদা কাগজ বলেছেন: গু খায় সব মাছে ,
দোষ হয় মাগুর মাছের ++++++++++++++++++
৩২. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২০
অচেনা সৈকত বলেছেন: লেখক বলেছেন: পরাজয়ে ডরে না বীর। আমি নির্ভিক, আমি বলবই। এক মাত্র আল্লাহকে ভয় করুন।
হ ভাই, আপনেরে দেইখা আমি ডরাইছি।বিরাট বীর দস্তগীর,খালি দন্ত কিড়মিড়, ইঁদুর দেখে চৌচিড়...খ্যাক খ্যাক খ্যাক।
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১১

লেখক বলেছেন: আমাকে ভয় পাওয়ার কোন কারন নাই। আর আমি কারো জন্য ভিতিকর হতেও চাইনা। এক মাত্র আল্লাহকে ভয় করুন। কারো রোষানলকে ভয় করে মত প্রকাশে বিরত থাকবেন না।
ছন্দটা ভালই লাগল। ধন্যবাদ।

৩৪. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২১
হমপগ্র বলেছেন: দেখুন, বুয়েট মেডিকেল এ পড়তে হলে শিক্ষার্থীদেরকে পড়াশোনা করে সে যোগ্যতা অর্জন করতে হয়। আর মাদ্রাসায় পড়তে হলে ধর্ম বদলাতে হবে। একটু খোলা মাথায় চিন্তা করতে শিখুন। কীসের সাথে কীসের তুলনা করলেন?

যে লোকটা খ্রীষ্টান হয়ে জন্মায় সে কী পাপ করল যে সে মাদ্রাসায় পড়তে পারবে না?
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৫

লেখক বলেছেন: বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলতে কি বুঝায় সেইটা জানুন।
বুয়েটর বিশেষত্ব হলো এখানে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ানো হয় কাজেই এখানে মেডিক্যাল স্টুডেন্টরা আসবে না।
তেমনি মাদ্রাসার বিশেষত্ব হলো এখানে ইসলাম ধর্ম পড়ানো হয় কাজেই এখানে খৃষ্টান ধর্মের কেউ পড়তে চাওয়ার কথা না।
খৃষ্টান ধর্ম পড়ানোর জন্য দিনাজপুরে আলাদা প্রতিষ্ঠান আছে। দিনাজপুর ছাড়াও আরও আছে যেখান থেকে ডিগ্রি নিয়ে তারা বিশপ, ফাদার ইত্যাদি হয়।

৩৫. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৪
বড় হুজুর বলেছেন: মাদ্রাসার সিলেবাস পরিবর্তন করা ফরজ।
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৯

লেখক বলেছেন: সিলেবাস এমনভাবে বদলানো উচিত যাতে স্বকীয়তা বা বিশেষত্ব বজায় থাকে। কেউ কেউ আবার মাদ্রাসায় খ্রষ্টানদেরও পড়াতে চাই। সিলেবাস যেন এ পর্যন্ত বদলে না যায় যে, বুয়েটে পড়তে গিয়ে ডাক্তার হয়ে বের হচ্ছে......

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৪৫১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই