ইস কোথাও একটা সিট পেলে মাথাটা এলিয়ে কিছুটা ঘুমিয়ে নেয়া যেত...এভাবে দাড়িয়ে তো ঘুমানো সম্ভব না।।। বাসটা কদ্দুর পরপরই থামছে....প্রতিটা স্টপেই উঠছে আর নামছে।।।। আজ কত ঘন্টা হলো....হিসাব করে মামুন।। সপ্তাহ শেষে ৬৫/৭০ ঘন্টার মতো না হলে তো হবে না। বাসা ভাড়া, খাবার খরচ, ট্রাভেল কার্ড, দেশে পাঠানো....আবার টিউশন ফী দেবার সময়টাও হয়ে এল।।আজ কত....চৌদ্দ ঘন্টার শিফট্ ছিল।। এখন আবার বাসায় গিয়েই রান্নাটা সারতে হবে।
কাল আবারো মরনিং শিফ্ট। সেই সকাল ৬টা থেকে।।। লোকজন কি আজ এটা ছাড়া আর কোন বাস দেখছে না নাকি??? এমনিতেই ২৫ নং বাসে সবসময় ভীড় লেগে থাকে!!!
নাহঃ এই সপ্তাহের ঘুমের ঘাটতি টা থেকেই যাবে।। যেভাবেই হোট টিউশন ফী টা ম্যানেজ করতেই হবে। রাব্বিকে বলেছিলাম দুটা মুরগী বের করে রেখে যেতে...কে জানে করেছিল কিনা??? রান্নার মধ্যে মুরগিটাই যা একটু তাড়াতাড়ি হয়...আর রান্নায় ঝামেলাও কম।। কিন্তু এই মুরগী খেতে খেতে কোনদিন না আবার কক্কক্ শুরূ করি।।। নজরূল শালাটা (!!!) ভালই রাধেঁ....কিন্তু হারামজাদা নবাব।।। রেগুলার রান্না করবে না।।। তার মুড়টা ভাল থাকলে ভাল মন্দ কিছু হয়।
নাহঃ আজ আর সিট মিলবে না.....যেতে যেতে ঘুমটা আর হলো না।।।। পা দুটা মনে হচ্ছে খুলে কোথাও তুলে রাখি।।।
দেশে কথা হয় না অনেক দিন.....কি কথা হবে???? কথা বললেই মা টা ঠিক বুঝে ফেলে ভাল নেই!!!! যতই বলি ভাল আছি...খাওয়া দাওয়া নিয়ে কোন সমস্যা নেই....ছোট ভাইয়ের অভিযোগ, আমি আমার পর থেকেই মায়ের ভাল মন্দ রান্না আর হয় না....ছেলে যেন শুধু আমি একাই!!!! শুধু আমার খাবার নিয়েই চিন্তা!!!
ব্যাপারটা কি??? আজ পথ কি লম্বা হয়ে গেল নাকি??? আর কতক্ষন???
এসাইনমেন্টটা তো এখনো ধরাই হলো না....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


