আমার প্রিয় পোস্ট

বাংলাদেশ নিয়ে ভাবনা, প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার সংগ্রহমালা

ধমর্ীয় উগ্রতা ও শান্তির উৎস:

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ৯:১৫

শেয়ারঃ
0 0 0

ইসলাম শান্তির প্রবক্তা, সহনশীলতা ও সহিষ্ণুতার ধারক। সেই চিরায়ত ইসলামী মূল্যবোধ মুসলিম আচরণ থেকে দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে? ডেনমার্কে প্রকাশিত ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুনের প্রতিবাদের যথোপযুক্ত অস্ত্র মুসলমানদের হাতে থাকলেও তা তারা ব্যবহার করতে ব্যর্থ হচ্ছে। লাভবান হচ্ছে দু'টি দল। একটি হচ্ছে মুসলমানদের শএুরা আর অন্যটি হচ্ছে ধমর্ান্ধ ও উগ্র মুসলিম শক্তি। যারা বিশ্বে শান্তি চায় না, সহনশীলতার বিকাশ চায় না, যারা মুসলিম-অমুসলিম দ্বন্ধ জিঁইয়ে রেখে ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক মুনাফা করছে তারা সবসময়ই চায় উন্মাদনার বিস্তৃতি। এতে তারা প্রমাণ করতে পারে মুসলমানদের বিচক্ষণতার অভাবকে, হেয় করতে তাদের শক্তিকে ও সুসংহত করতে পারে দ্বন্ধের রাজত্বকে। তাই প্রশ্ন যারা হানহানি আর রক্তাত্ব প্রতিবাদ ও ঘেরাও'র আন্দোলন করছে তারা কেবল সাহায্য করছে অমুসলিম শক্তিকে।

আমি তো দেখছি না মুসলমানরা একাত্ম হয়ে বলছে, "চলুন বয়কট করি ডেনীশ পণ্য"। কই তারা তো মিছিল করছে না তাদের সরকারকে এর বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেয়ার জন্য? তারা সম্মিলিতভাবে কি উদ্যোগ নিয়েছে যা প্রমাণ করবে তথাকথিত ইউরোপীয় শক্তিগুলোর অসহষ্ণিুতার কথা? আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিবে সারা বিশ্বকে তারা (ডেনীশরা) মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে মুসলমানদের ধমর্ীয় অনুভূতিকে আঘাত করে তাদের সংকীর্ণতার প্রমাণ করেছে। কই সেধরণের কথাতো তথাকথিত ইসলামী আন্দোলনের ধ্বজাধারীদের মধ্যে দেখা যায় না? হায়, এই নিবের্াধ মুসলিমরা একসময় ইংরেজীকে বিসর্জন করে এদেশের মুসলমানদের কয়েক শ' বছর পিছিয়ে দিয়েছিল, নজরুলকে কাফের ঘোষনা করেছিল, সেই উগ্র মুসলিম গোষ্ঠী এখনো শক্তিশালী শুধু মুসলমানদেরকে অপাংক্তেয় করার জন্য।

তাই, বিসর্জন করুন তাদেরকে যারা ইসলামের নামে অসহষ্ণিুতার প্রসার ঘটায়, ঘেরাও করার কথা বলে, জনৈক "অপবাকের" হাল্কা লেখাকে নিয়ে প্রলয় ঘটাতে চায়। এরা সবই নিবের্াধের দল। এরাই ইসলামের নামে সারাজীবন হানাহানি করেছে, মানুষের রগ কেটেছে, নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। এরা মুসলমানদের জন্য কলংক বহন করে নিয়ে আসে। এরা অমুসলিম শক্তির চেয়েও আরও অনেক ভয়াবহ ও বিপজ্জনক। এরা শুধুই ফেতনাবাজের অংশ। বাতিল ফেরকার রক্ষক। পরম করুণাময় যাতে আমাদেরকে তওফিক দেন সত্যিকারের ইসলাম বুঝার ও নবী (স:) আদর্শকে পরিপূর্ণ অনুসরণ করার। আমীন।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: মৌলবাদ ও ধর্মান্ধতা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১০:২০ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ৩:০২
অতিথি বলেছেন: কোন মুসলমান চুপ আছে? কোন মুসলমান নজরূলকে কাফের বানালো? কোন মুসলমান রগ কাটে? কোন মুসলমান ঘেরাও কর্মসূচী পালন করে? কোন মুসলমান পণ্য বয়কট করে?

সব মুসলমানরেই তো আনলেন বাকি থাকলো কেডা? আপনেইবা কোন টাইপের মুসলমান? এই খানে কি মুসলমান ছোট করলেন নাকি জামাতরে ছোট করলেন?

মেলা প্রশ্ন হয়ে গেছে পারলে এইগুলোর উত্তর দিয়েন।
২. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ ভোর ৪:০২
অতিথি বলেছেন: বুঝেন তো সবই, তাহলে এতো ন্যাকামি করেন কেন? ভাল করে পড়ে দেখলে বুঝবেন, অবশ্য জামাতী হলে বুঝবেন না, কারণ জেহাদী জোশে বহু অপকর্ম করেছেন, রগ কেটেছেন, মানুষ হত্যা করেছেন। আর সামহোয়্যার ইন-এর পাতা ও ইতিহাস ঘুরে দেখলেই দেখবেন ইসলামের নামে কারা উন্মাদনা সৃস্টি করছেন এবং করেছেন।নজরুলকে কাফের বলেছেন। জেগে অন্ধ হলে দেখবেন কি করে?
৩. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ ভোর ৫:০২
অতিথি বলেছেন: প্রথম বক্তব্য তথাকথিত রাজাকারের বাচ্চার।
৪. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ ভোর ৫:০২
অতিথি বলেছেন: প্রথম মন্থব্য অপ বাকের । অপ বাক মুক্ত ব্লগ চাই।
৬. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৯:০২
ভূত বলেছেন: যাক! অবশেষে খুব ভালো একটি লেখা আড্ডাবাজ আমাদের উপহার দিলেন। ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি নিজের মতো করে ইসলামকে যে জানার চেষ্টা করছেন এটা পজিটিভ একটা ডেভেলপমেন্ট।

কিন্তু একটু সমালোচনা না করলে আমার আবার পেটের ভাত হজম হয় না। এই পোস্টে আপনার একটা পজিটিভ চিন্তাধারা প্রকাশ পেয়েছে। তারপরও কিছু সমস্যা আছে। সেটা হচ্ছে সাজুজ্যের। আপনি অনেকগুলো ঘটনার উল্লেখ করেছেন এই পোস্টে যেগুলোকে সরাসরি আপনি ইন্টার-রিলেটেড দাবী করতে পারেন না। প্রতিটি ঘটনাই ইউনিট এবং প্রতিটি ঘটনার প্রেক্ষাপট ভিন্ন। আজকের বাস্তবতার সাথে তার কোন সংযোগ নেই। তাই আপনি বলতে পারেন না, যে "নিবের্াধ" মুসলমানরা ইংরেজি শিক্ষাকে "বিসর্জন" দিয়ে মুসলমানদের কয়েক'শ বছর "পিছিয়ে" দিয়েছিলো তারাই আজ মুসলিম-অমুসলিম দ্বন্দ্ব জিইয়ে রেখে "ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক মুনাফা" হাসিল করছে।

আবার যারা নজরুলকে কাফের বলেছিলো তাদের উত্তরসূরীরাই যে আজ ডাক্তারী পড়াশোনা না করে রগ কাঁটাকাঁটি করছে এটাই আপনি কিভাবে দাবী করেন?

আক্রোশের বশবর্তী হয়ে ঠোঁটের আগায় যেটা আসলো সেটাই বলে ফেল্লেতো আপনিও অন্ধদের কাতারে পড়েন।
৭. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৯:০২
ভূত বলেছেন: সংশোধনী: 2য় প্যারার 5ম লাইন
লেখা আছে: প্রতিটি ঘটনাই ইউনিট ...
পড়তে হবে: প্রতিটি ঘটনাই ইউনিক ...
৮. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ৩:০২
অতিথি বলেছেন: আরে ভূত ভাই,
ধন্যবাদ। স্বাগমত আবার। ইসলাম সম্পর্কে আমার লেখাপড়া কখনো বন্ধ হয়নি। রাজাকার-জামাতীরা ইসলামের নামে আমাদেরকে বিভ্রান্ত করতে পারে, তাই বলে আমরা তো ইসলামকে বিসর্জন দিতে পারি না।মনোযোগ দিয়ে আমার লেখাটা পড়লেই বুঝবেন, ধর্মান্ধতা ও উগ্রতা কিছু মুসলমানরা সবসময়ই সযত্নে লালন করেছে। তারা সবসময়ই ইসলামের ক্ষতি করেছে। জামাতীরা সেই মৌলবাদী ধর্মান্ধ ধারার বাহক। কাজেই মওদুদী -জামাতী ফেরকার থেকে বের হয়ে আসতে পারলে আপনার মতো অনেক অপচ্ছায়াদের মংগল হবে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩৯৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ