আমার প্রিয় পোস্ট

বাংলাদেশ নিয়ে ভাবনা, প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার সংগ্রহমালা

যাত্রা শুরু হলো সিডনী থেকে:

২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ৭:২৪

শেয়ারঃ
0 0 0

স্বাধীনতার ৩৬ বছর পর যাত্রা শুরু হলো সিডনী থেকে। অবশ্যই আমরা আশাবাদী। ঘটনা নাটকীয় মোড় নিয়েছিল গত বছর সেপ্টেম্বরের ৭ তারিখে যখন সিডনী থেকে শুরু হয় জাতিসংঘ সনদের অধীনে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য আইনগত প্রক্রিয়া। বাংলাদেশে একাততরের গণহত্যার বিচার নিয়ে যখন সামস্টিক অসচেতনতা আমাদের বিবেককে পীড়া দেয় তখন হয়তো এই প্রজন্মকে জাগাতে একজন রেমন্ডের প্রচেস্টা আশার আলো দেখাচ্ছে।

দৈনিক জনকন্ঠ মে মাসের ২২ তারিখের প্রতিবেদনে জানাচ্ছে, "একাততরের গণহত্যার দায়ে গোলাম আযম, মতিউর রহমান নিজামীসহ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে অস্ট্রেলিয়ার হাইকোর্টে মামলা দায়েরের সুপারিশ করেছে সিডনীর ফেডারেল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত"। বাংলাদেশের গণহত্যার বিচারের পরে রাস্ট্রীয় নীরবতা, রাজনৈতিক অসচেতনতা ও বিভ্রান্তি যখন প্রবলভাবে বিদ্যমান তখন সিডনীতে শুরু হয়েছে এই ব্যতিক্রমী আইনগত প্রক্রিয়া।

গণহত্যার বিচারের ব্যাপার কোন তর্কের বিষয় নয়। এটা রাজনীতির মাঠ গরম করার ইস্যুও নয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গণে শুরু হলেও রাস্ট্রীয়ভাবে আমরা আমাদের ভূমিকা স্পস্ট করতে পারি না। যেমনটা সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, বঙ্গবন্ধুর ঘাতক মহীউদ্দীনকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সরকারী উদ্যোগ থমকে থাকা। সেজন্যই গণসচেতনতার প্রয়োজন। সচেতন জনতার সোচ্চার হওয়ার প্রয়োজন। জনগণ একবার প্রতারিত হতে পারে, কিন্তু বারবার নয়।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গণহত্যাগণহত্যাগণহত্যা গণহত্যাগণহত্যা গণহত্যা গণহত্যা গণহত্যা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: সমাজ সংসার  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ৭:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ৮:০৯
অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন: হুমম..
পতঙ্গের দল একাত্তুর এর সাথে রাজনীতির প্রসঙ্গ তোলে কেন, আমি বুঝতে পারি না ।

একাত্তুর আমার, আপনার অস্তিত্ব -
নিজের মায়ের জন্যে সামান্য ভালবাসার অনুভূতি থাকলে কেউ যুদ্ধাপরাধীদের স্বীকৃতি দিতে পারে - এটা চিন্তা করাও কষ্টকর ।
৩. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:০৯
আড্ডাবাজ বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া সফল হোক।
৪. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:৩৫
দ্রোহী বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সফল হউক- এই কামনা করি।
৫. ২৩ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৫৪
কর্কট বলেছেন: মামলা যেখানে করা হয়েছে, সেই সংক্রান্ত তথ্যগুলো ইন্টারনেটেই আছে। আগ্রহী হলে কেউ দেখতে পারেন।

""দৈনিক জনকন্ঠ মে মাসের ২২ তারিখের প্রতিবেদনে জানাচ্ছে, "একাততরের গণহত্যার দায়ে গোলাম আযম, মতিউর রহমান নিজামীসহ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে অস্ট্রেলিয়ার হাইকোর্টে মামলা দায়েরের সুপারিশ করেছে সিডনীর ফেডারেল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত"।""


জনকণ্ঠের এই দাবীটা কিন্তু বিভ্রান্তিমূলক। কারণ মামলাটা করা হয়েছে 'পাকিস্তানি মিলিটারী এন্ড দেয়ার কোলেবরেটরস হু হ্যাড বিন ইনভলড উইথ ওয়ার ক্রাইম'... ঠিক এই ফ্রেইজের আওতায় যারা পড়ে তাদের বিরুদ্ধে। জনগণ্ঠ খুব সীমিত করে দিল মামলাটা কে। অথচ আন্তর্জাতিক ভাবে এখন পাকিস্তানকে দায়ী করে, গণহত্যায় জড়িত ছিল--সেটা প্রমান করাই এখন মূল উদ্দেশ্য থাকা উচিত।


কোলেবরেটরের সংজ্ঞা যতটুকু পড়লাম, ইনডিভিজুয়াল বলা হয়েছে মনে হল। বাংলাদেশেও কোন মামলা হতে পারে নি 'ওয়ার ক্রাইম' অর্থ্যাৎ গণহত্যা, ধর্ষণ, এগুলোর সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকার অভিযোগে, গোলাম আযম, নিজামীদের বিরুদ্ধে। এজন্য ওয়ার ক্রাইমের অভিযোগ ওরা এখনও অস্বীকার করে চলছে। যদি 'গণহত্যা, ধর্ষণ' এ গোলাম আযম, নিজামীদের 'সরাসরি সংযুক্তি' প্রমান করা যায় তাহলে ওদের আন্তর্জাতিক ভাবে ওয়ার ক্রিমিনাল ঘোষনা করা যাবে, ওদের ইন্টারন্যাশনাল মোবিলিটির উপর বাধা নিষেধ আসবে, অনেক দেশেই ওয়ার ক্রিমিনালদের ঢুকার ভিসা পাওয়া যায় না... এবং সবচেয়ে ইম্পরট্যান্ট--দেশের নির্বাচনে প্রতিনিধিত্ব করতে পারবে না কখনও।

কথা হচ্ছে, ওরা ফাঁসবে তো? মামলাটার ধরণই এমন যে আগে 'পাক মিলিটারী' তারপরে 'কোলেবরেটর' দের ঝুলানো হবে।
দ্বিতীয়ত, ওদের বিরুদ্ধে প্রমান যেরকম চাইবে অস্ট্রেলিয়ান কোর্ট সেটা পাওয়া যাবে তো?
তৃতীয়ত, মনে রাখতে হবে, ওরা ওয়ার ক্রিমিনাল হিসেবে ঘোষিত হলেও জামাত কিন্তু রাজনীতি করে যেতে পারবে। কারণ, জামাত নিজেস্ব নামে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কোন প্রচারণা চালায় নি। জামাতের নেতারা আল বদর, শান্তিকমিটির সাথে ছিল।

আরেকটা কথা, বর্তমান রাজনীতিতে জামাত সামনের দিকে বলে ওই দু'জনের কথাই বলা হয়। মনে রাখতে হবে, কোলেবরেটরের সংজ্ঞা শুধু নিজামী গোলাম আযমে সীমাবদ্ধ না। অনেক ভিন্ন ভিন্ন সংগঠনের প্রচুর মানুষ ছিলো, মামলায় ফোকাসটা সবার প্রতি সমান হবে।
৬. ২৩ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৫:২৪
আড্ডাবাজ বলেছেন: কর্কট,
মামলায় কিন্তু পাকিস্তানের নাম আছে। আন্তর্জাতিক কোর্টে শুরু হওয়াটা খুবই শুভ লক্ষণ। ধন্যবাদ।
৭. ২৪ শে মে, ২০০৭ রাত ১:২৭
অলৌকিক হাসান বলেছেন: টেকা পয়সা লাগলে কইয়েন...সাধ্যমতো দিমু নে।
৮. ২৪ শে মে, ২০০৭ রাত ৩:৪৭
ধুসর গোধূলি বলেছেন: এখনকার সরকার (কিংবা আর্মি চিফ) মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে কথা বলেও (ইতোমধ্যেই) শুরু হওয়া কাজে যোগ দিচ্ছেনা, এটা কি রহস্যজনক কোন জটিলতা নাকি অন্যকিছু!

বঙ্গবন্ধুকে স্বীকৃতি দিয়েও তাঁর খুনীকে ফিরিয়ে আনার সুযোগটা না নিয়ে কি দেখানোর চেষ্টা করছে এই সরকার?

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩৫৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ