হয়তো বিএনপি বলবে এটা আওয়ামীলীগের ষড়যন্ত্র, এরা আওয়ামীলীগের কর্র্মী !!!! আওয়ামীলীগের জনসভায়ও এটা হলে এটাই বিএনপি বলতো হয়তো। এই হলো আমাদের দেশের রাজনীতি সংস্কৃতি! কোনো জনসভার লোকসংখ্যা বেশী হলেই মনে করে উপচে পড়ছে জনগনের ভালবাসা।
আরে এত সংখ্যক মানুষের বেশির ভাগই যে টাকার বিনিময়ে আসে তা তাঁরা বুঝেও না বুঝার ভান করেন। তারা দলের প্রকৃত কর্মী নন। যারা এমন সমাবেশে এ ধরনের লুটপাট করতে পারেন তাদের কে দলের কর্মী বলা যায় না। এখান থেকেই উপরোক্ত বিষয়টা বোঝা যায়।
বিস্তারিত:
চট্টগ্রামের সমাবেশে গতকাল সোমবার খালেদা জিয়ার বক্তব্য শেষ হওয়ার পর লুটপাট হয়েছে। দুর্বৃত্তরা মঞ্চের আসবাবপত্র, সভাস্থলের বৈদ্যুতিক বাতি, মাইক, চেয়ারসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র লুট করে। এর মধ্যে পুলিশ সোমবার দিবাগত রাতে ৩২টি মাইক উদ্ধার করলেও অন্য জিনিসপত্র উদ্ধার করতে পারেনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, খালেদা জিয়ার বক্তব্য শেষ হওয়ার কয়েক মিনিট আগে থেকে কিছু লোক সভাস্থলে টাঙানো ব্যানার খুলতে থাকে। তিনি মঞ্চ ত্যাগ করার পর গণলুটপাট শুরু হয়।
মঞ্চ তৈরি, চেয়ার ও আলো সরবরাহের কাজে নিয়োজিত সাহাবউদ্দিন ডেকোরেশনের ব্যবস্থাপক খন্দকার মানিক আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, খালেদা জিয়ার চেয়ারে দেওয়া বালিশ থেকে শুরু করে মঞ্চ সজ্জার কাপড়, মেটাল বাতি এমনকি মঞ্চের শত শত বাঁশ খুলে নিয়ে যায় লোকজন। তিনি বলেন, দুর্বৃত্তরা তাঁদের ৫৭টি চেয়ার নিয়ে যায়।
জানা যায়, ঢাকার তাহের মাইক হাউসের ৩২টি মাইক লুট হয়। পরে পুলিশ মধ্যরাতে আইস ফ্যাক্টরি সড়ক থেকে মাইকগুলো উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, তাহের মাইক হাউস থেকে ২০০টি মাইক ভাড়া নেওয়া হয়। চট্টগ্রামের মুরাদ মাইক সার্ভিস থেকে নেওয়া হয় ৬০টি। অভিযোগ ওঠে, মুরাদ মাইক সার্ভিসের লোকজন নিজেদের যন্ত্রপাতি ব্যবহার না করে তাহের মাইক হাউসের যন্ত্রের সঙ্গে তাদের মাইকের সংযোগ দেয়। এতে তাহের মাইক হাউসের শব্দবর্ধক যন্ত্রের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। ফলে জনসভা শুরুর পর থেকেই অনেক মাইক বারবার বন্ধ হয়ে যায়। এ নিয়ে সমাবেশে আসা লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। মুরাদ মাইক সার্ভিসের লোকজন মাইক ঠিক করতে গিয়ে লোকজনের পিটুনির শিকার হয়।
কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক আরিফুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে মুরাদ মাইক সার্ভিসের কর্মীরা তাহের মাইক হাউসের ৩২টি মাইক নিয়ে যায়।
তবে মুরাদ মাইক সার্ভিসের কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, দুর্বৃত্তরা এসব মাইক চুরি করে। চুরির বদনাম থেকে বাঁচতে তিনি নিজে উদ্যোগী হয়ে মাইক উদ্ধার করে দেন।
কোতোয়ালি থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, মুরাদ মাইক সার্ভিসের লোকজনকে ধরে থানায় নিয়ে আসার পর উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়। তাই এ ঘটনায় মামলা হয়নি।
সূত্র: প্রথম আলো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

