আমার প্রিয় পোস্ট
- আহা!
সামুতে কি চমতকার দেখা গেলো !!
- জামাল ঊদ্দিন
- 100% কাজের রেপিডশেয়ার মেগাআপলোড প্রিমিয়াম লিঙ্ক জেনারেটর সাইট লিষ্ট - স্স্পরসের বাহিরে
- বিখ্যাত লোকজনদের অফিস
- বিডি আইডল
- উবুন্টুতে গ্রাফিক্যালি সবকিছু
: টিউটোরিয়াল । এরপর খালি বলে দেখেন উবুন্টু কঠিন
, খবর আছে!!! - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- সামহয়ারইন ব্লগ সংকলনঃ টপ টেকি পোষ্ট!!
- ইসানুর
- মুভি বিষয়ক কিছু পোষ্ট - নতুন রাজা
- এক ক্লিকে ঘুরে আসুন নিজ জেলা থেকে - যাযাবর রাজিব
- মিল-অমিল: নারী বনাম পুরুষ
- রিজভী
- মুভি : ২০১২ : সম্পূর্ণ কাহিনী - আমিনুল ইসলাম
- ঈদ স্পিশাল এলবাম ফুয়াদ ফিচারিং ঈউঠার্ন

:: ঢাকা সিটি রিডিফাইন্ড - মুক্তি পাচ্ছে কয়েক ঘন্টা পড়েই
- আমড়া কাঠের ঢেকি
- “ভালোবাসার কাজটি খুঁজে নিতে হবে” – স্টিভ জবস এর বিখ্যাত সমাবর্তন বক্তৃতা - বিলাশ বিডি
- নতুন AVATAR বানামু ফাইনেনসার চাই


- সেতূ
- একটি চরম বাটপাড়িমূলক পোষ্ট!!! - জেনুইন করুন আপনার প্রায় সকল প্রকার উইন্ডোজ(উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ ভিসতা এবং উইন্ডোজ সেভেন)। - নির্ভয় নির্ঝর
- শেয়ার করার মত কিছু চমৎকার ছবি -৫ [ Gooooooogle অফিস ] - কুঁড়ের বাদশা
- জাগরণের গান - মহসিন০৮
- চলে গেলেন ব্রিট্যানী মার্ফি - স্নিগ
- সাবধান, গুগল যা বলে সবই বিশ্বাস করবেন না
আবার অবিশ্বাসও করবেন না
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- কিছু শকিং মুভি। - হাসান মাহবুব
- হস্ত চিত্র......................
- টনি
- আই.ডি.এম (Internet Download Manager) নিজের করে নেবার সহজ সমাধান !! - মেহেদী ইকবাল রমি
- আহ প্রথম আলো ! হায় বসুন্ধরা ! - সুপান্থ রহমান
- র্যাপিডশেয়ার প্রিমিয়াম লিঙ্ক জেনারেটরের লিস্ট (আপডেটেড - ৩০শে নভেম্বর ২০০৯, সন্ধ্যা ৬টা ২০)
- অরণ্যচারী
- এক্সপি জেনুইন করার একটি সহজ উপায়। - অমিত০৯৭
- একাধিক কম্পিউটারে ইন্টারনেট শেয়ার করা - এস. এম. মেহেদী আকরাম
- কমপিউটারের কিছু শর্টকাট/ কীবোর্ড কমান্ড টিপস - জোবাইর
- ভড়কে যান ভড়কে দিন(নোটপ্যাড এর কারিশমা) - আল-আমিন হোসেইন
- মাননীয় সরকার, বিদ্যুৎ ও পানির সমস্যা - আমাদের ভাগ্য কি চিরদিন অপরিবর্তিত থাকবে? MUST READ - আমিনুল ইসলাম
- পেনড্রাইভ থেকে পিসিতে ভাইরাস ঢোকবার পথটাই বন্ধ করে দিন - মোঃ রফিকুল আলম (পাভেল)
- ব্যতিক্রমী বিশ্ব রেকর্ড ও হবু বিশ্বরেকর্ড [সচিত্র] - আমিনুল ইসলাম
- ইংলিশ সাহিত্যের বিশাল পিডিএফ ভান্ডার - সোহেল চৌধুরী
- একটি গুলি....একজন পুলিশকে বাঁচানোর চেষ্টা....এবং তারপর......মৃত্যু! - আমিনুল ইসলাম
- ইয়াহু মেসেন্জারে এক চ্যাট উইন্ডোতে একাধিক চ্যাট ট্যাব
- কাঙাল মামা
- Google এর আরো কিছু রসময় গুপ্ত (Easter Egg)
- নাফিস ইফতেখার
- এক ছাগু কারাগারে ... - রাগিব
- গুগলের বাংলা ইন্টারফেইসে কী সমস্যা? জানিয়ে দিন সরাসরি গুগলকেই ... - রাগিব
- গুগল সার্ভিসেস ::: আমার লেখা - আমিনুল ইসলাম
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া -- ব্লগে বসে বিশ্বভ্রমণ - রাগিব
- কিছু ইংরেজী ছবির মাথাপাগল বাংলা অনুবাদ
- জিগ স
- অর্পিত [পর্ব ১] - আমিনুল ইসলাম
- হাইব্রিড নয়, হরলিকস নয়, আমিনুল বেড়ে উঠুক স্ব-প্রতিভায় - নার্ভাস নাইনটিজ
- নবম শ্রেণীর ছাত্র আমিনুলের বিবর্তন ওয়েবসাইটি নিয়ে আমার কিছু ভাবনা - কৌশিক
- ক্লাস নাইনে আমার ছিল প্রকৃতি - আর এখন বিষ্ময় বালক আমিনুলের আছে প্রযুক্তি - কৌশিক
- এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের পাসওয়ার্ড খোলা - পথিক মানিক
- মোবাইল নিয়ে কিছু জানা ও অজানা - দুঃখবিলাস
- বাংলা ইউনিকোড ভিত্তিক ওয়েব সাইট - ক্যামেরাম্যান
আমার ব্লগে ইতিবাচকের পাশাপাশি নেতিবাচক মন্তব্যও আসবে, সেটাই স্বাভাবিক। নেগেটিভ কমেন্টগুলো নিয়ে ঝগড়া না করে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া এবং এপ্রেশিয়েট করাই আমার বৈশিষ্ট্য। :) twitter.com/aisajib

এটি জীবনের সবচাইতে কষ্টদায়ক ব্যাপার
২২ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৩
বাংলাদেশের আজ সুদিন। সমগ্র বিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম ছড়াচ্ছে। হাতে কলমে না হলেও সমগ্র বিশ্ববাসীও জানে যে বাংলাদেশে প্রচুর সংখ্যক প্রতিভাবান মানুষ জন্মে। যথাযথ মর্যাদা কিংবা সুযোগের অভাবে অধিক জনঅরণ্যে তারা আবার হারিয়েও যায়। প্রতিভাচর্চার পর্যাপ্ত ক্ষেত্র আর সুদৃষ্টির অভাবে বাংলাদেশের প্রতিভাবানদের শতকরা কতজনের প্রতিভার যে বিকাশ ঘটছে, তা আজও অজানা।
যাই হোক, আজ বাংলাদেশেরই সুদিন। কারণ বাংলাদেশের এক যুবক যে বিবিসিতে সংবাদকর্মীর দায়িত্ব পালন করে থাকে, সে বিশ্বের সবচাইতে ক্ষমতাধর ব্যক্তির ইন্টারভিউ নিতে যাচ্ছে। প্রথমে খবরটা সে বিশ্বাস করতে চায়নি। কিন্তু তার ব্যক্তিত্বতায় মুগ্ধ হয়ে বিবিসি কর্তৃপক্ষ তাকেই নির্বাচিত করেছে সেই মহান (!) ব্যক্তিটির এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার নেবার। যার নামে আজ সমগ্র বিশ্ব কাঁপে। যার কথায় জাতিসংঘ উঠে-বসে। যাকে সবাই মনে মনে ঘৃণা করলেও সামনে সম্মান করে। তাকে যে সম্মান করতেই হবে। পৃথিবীটাযে তারই! তার সামনে পান থেকে চুন খসলেই যে পৃথিবী থেকে বাইরে পাঠিয়ে দেয়া হবে!
এই মহামান্য ব্যক্তিটি আর কেউ নন, জর্জ ডব্লিউ বুশ। বর্তমান বিশ্বের নিঃশব্দ আতঙ্ক।
এই নিয়ে বিশ্ব প্রেস মিডিয়া আর সাধারণ মানুষের উৎকণ্ঠার কোন শেষ নেই। বাংলাদেশের মত নিম্নমানের দেশের সাধারণ একজন অল্পবয়স্ক ছেলেকে কেন এই গুরুদায়িত্ব দেয়া হল, তা নিয়ে সমালোচনায় উঠে পড়ে লাগল সিএনএন রয়টার্স এপি এএফপি, সবাই মিলে। কে জানে, কেন তারা এটা সহ্য করতে পারছে না। তবে যে যাই বলুক, স্বয়ং বুশ এই অনুষ্ঠানে স্বশরীরে উপস্থিতির সম্মতি দিয়েছেন। প্রথম দিকে তিনিও অবাক হননি এমনটা নয়, কিন্তু তার একান্ত কাছের একজন কূটনীতিক তাকের পরামর্শ দিয়েছেন এই প্রস্তাবে রাজি হয়ে যেতে। কূটনীতিকের মতে, বাংলাদেশের একজন নাগরিকের সাথে টক শো তে বসতে অসম্মতি জানালে বিবিসি সেটা ঢালাওভাবে প্রচার করবে এবং বাংলাদেশের মানুষ স্বাভাবিকভাবেই আপনার উপর আস্থা ও সম্মান হারাবে। কারণ, ক্ষমতা ও নেতৃস্থানীয় লোকেরা যেমনই হোক, বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ অত্যন্ত দেশপ্রেমী। পাকিস্তানের ট্রেনিংপ্রাপ্ত অস্ত্রসুসজ্জিত সেনাবাহিনীকে সাধারণ কিছু গোলাবারূদ এবং পর্যাপ্ত ট্রেনিং ছাড়া বাঙ্গালীরা হার মানিয়ে দিয়েছিল। এই কথা আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। ঘূর্ণিঝড় সিডর আঘাত হানার পর মার্কিন সরকার যথেষ্ট আর্থিক ও খাদ্য সাহায্য দিয়েছে। এতে বাংলাদেশের মানুষ কিছুটা হলেও আমাদের উপর খুশি (!)। আর আপনার মতো উঁচুমানের একজন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের একজন যুবকের সাথে সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে বসেন, তাহলে তো বাংলাদেশ বর্তে যাবে।
সম্মানিত বুশ রাজি হলেন।
সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানটি ধারণ করা হল। সাহসী চালাক যুবক জর্জ বুশের সাথে সম্মতি রেখেই কথাবার্তা চালাল। কারণ সে জানতো, এটা অনিল কাপুরের অভিনীত "নায়ক" ছবি নয় যে জর্জ বুশের অত্যাচারের বিবরণ তুলে ধরবে। তাকে বুঝতে হবে সে কার সাথে কথা বলছে। বিশ্বের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তি!
যথারীতি অনুষ্ঠান সম্প্রচার হল। সমগ্র বিশ্ব আরেকবার বাংলাদেশকে শ্রদ্ধার চোখে দেখল। কিন্তু সেই উপস্থাপক যুবক কয়েকদল জঙ্গি'র প্রধান টার্গেট হয়ে রইল। যেইমাত্র তাকে সেই সব জঙ্গিদের কাউকে দেখবে, সেইমাত্র তাকে যেকোন উপায়ে হত্যা করতে হবে। জঙ্গি লীডারদের কাছ থেকে আল জাজিরা ও ভয়েস অব আমেরিকায় ভিডিও টেপ পাঠানো হল। জঙ্গি লীডাররা ঘোষণা করলেন, জর্জ বুশের বন্ধু, বিশ্ব মানবতা ও ইসলামের চরম শত্রু। তাকে হত্যা করা ফরজ, ঠিক যেমনিভাবে জর্জ বুশকে হত্যা করাও ফরজ। এদের কাউকে হত্যা করলে আল্লাহ বেহেশতের গ্যারান্টি দিয়েছেন। বিনা হিসাবে নিশ্চিত বেহেশত। তাই বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ গোপন জঙ্গি সদস্যদের উন্মুক্ত আহ্বান করা হলো, সেই বাংলাদেশী যুবককে হত্যা করার জন্য তক্কে তক্কে থাকতে। বেহেশত নসীবের এই অপূর্ব সুযোগ যেন কোনভাবেই হাতছাড়া না হয়!
এবার বাংলাদেশের ভয়ের পালা। তবে ঐ ছেলের ভাগ্য ভাল ছিল যে সে বুশের পক্ষে (আপাতঃদৃষ্টিতে) ছিল। তাই স্বয়ং বুশ ঐ যুবকের জন্য চিন্তিত হয়ে পড়লেন। তিনি ঐ যুবকের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ফোর্স গঠনের নির্দেশ দিলেন। ঘোষণা দিলেন, এই যুবক চব্বিশ ঘন্টা সাতশ' রাইফেল ও চৌদ্দশ' প্রহরীর কড়া প্রহরায় থাকবে যাতে বাইরের একটি ধূলিকণাও ওকে স্পর্শ করতে না পারে।
শুরু হলো ঐ যুবকের বন্দি জীবন। একে তো বন্দিই বলে। চব্বিশ ঘন্টা প্রোটেকশনের মধ্যে থাকতে হয়। ইচ্ছে করলে প্রোটেকশন বাদ দিতে পারে, কিন্তু তার জীবনের প্রশ্ন এতে জড়িত। তাই প্রোটেকশন ছেড়ে বেরিয়েও আসতে পারেনা। কী করবে এখন সে? এই বন্দী জীবন কদ্দিন?
--
আজও সেই যুবক নিরাপদ আছে। রাইফেল তাকে খুব কড়া প্রহরাই দিয়েছে। তার কিছু হয়নি। সে আপন দেশ, বাংলাদেশে বেড়াতে যেতে চায়। কিন্তু নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে কড়াভাবে নিষেধ করল। বলল, বাংলাদেশে জঙ্গিরা রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। কখন কোনদিক দিয়ে কী ঘটে যায় তা বলার কোন উপায় নেই। বাংলাদেশে গেলেই আমাদের প্রোটেকশনের এই মিশন ব্যর্থ হবে। না, এই জীবনে বাংলাদেশে যাবার নাম আর নয়। বাকী জীবন প্রবাসে কড়া নিরাপত্তা জালের মধ্যেই কাটাতে হবে।
কী আর করে সেই অসহায় যুবক। এই আদেশ জারি হবার পর বিবিসি'র অফিসে তার নিজেরই রুমে তার সিনিয়র সংবাদকর্মী তার সাক্ষাৎকার নিতে বসলেন। সেই সাক্ষাৎকার প্রচার হল টিভিতে। সাক্ষাৎকারটা ছিল এমনঃ
(কুশল বিনিময়ের পর)
রিপোর্টারঃ সম্প্রতি সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সী আপনাকে (ভদ্রতার খাতিরে আপনি করে বলা হচ্ছে) নিজ জন্মভূমি বাংলাদেশে আর জীবনেও না যাবার পরামর্শ নয়, একেবারে নির্দেশ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে আপনার কী প্রতিক্রিয়া?
বাংলাদেশী যুবকঃ আমার প্রতিক্রিয়া অবশ্যই খারাপ। আমি আমার নিজ ভূমিতে, যেই মাটিতে আমার সবচাইতে বেশি অগ্রাধিকার, সেই দেশ- বাংলাদেশে যেতে পারবো না, এটা নিঃসন্দেহে শুধু দুঃখজনক নয়, বরং জীবনের সবচাইতে বড় কষ্টদায়ক ব্যাপার। আমি সি.আই.এ'র বিরোধিতা করব না, কারণ আমি জানি তারা যা বলছে সঠিক বলছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় উন্নতি যদি সফল হয় তাহলে হয়তোবা সি.আই.এ আবার আমাকে দেশে যাবার অনুমতি দিবে। আমি সেই আশায় দিন যাপন করছি।
রিপোর্টারঃ আপনাকে আপনার দেশে যেতে মানা করা হচ্ছে তার একমাত্র কারণ জঙ্গিবাদ, আমরা সবাই জানি জঙ্গি বাহিনীর নেতারা ইসলামের নামে কী সব ঘোষণা এবং তাদের বিশ্বব্যাপী গোপন সদস্যদের প্রতি কী আহ্বান জানিয়েছে। এ ব্যাপারে আপনার মতামত কী?
বাংলাদেশী যুবকঃ আমার মতে, পৃথিবীতে যদি মানুষরূপী সত্যিকারের গাধা থেকে থাকে, তাহলে তারা হচ্ছে এই জঙ্গিবাদের সদস্যগণ। এদের মত বোকা আর হাঁদারাম পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই। মানলাম ওরা আমাকে পছন্দ করতে পারেনি কারণ আমি জর্জ ডব্লিউ বুশের সাথে ভাল আচরণ করেছি। কিন্তু এর পরিণতি কি মৃত্যুদন্ড? পৃথিবীর কোন ধর্ম কি এই মত দেবে? আর সে স্থানে তারা পৃথিবীর সর্বোৎকৃষ্ট ধর্ম ইসলামের নামে এইসব ভুল তথ্য প্রচার করছে। তারা কি মুসলমান? একজন মুসলমানের দায়িত্ব কী? যদি সে ধর্ম প্রচার করতে চায় বা অন্যায়ের বিরোধিতা করতে চায় তাহলে তাকে তো আগে অবশ্যই ধর্ম গ্রন্থ আল-কুরআন এবং এরপর ক্রমানুসারে হাদীসগ্রন্থগুলো গভীর ভাবে অধ্যয়ন করে বুঝতে হবে। তাই নয় কী? অথচ তারা কী করছে, তারা বলছে আমাকে বা জর্জ ডব্লিউ বুশ সাহেবকে মৃত্যুদন্ড তথা খুন করতে পারলে আল্লাহ নাকি বেহেশতের গ্যারান্টি দিয়েছেন। আশ্চর্য, ঐসব জঙ্গি বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে কি এমন কেউ আছে নাকি যার উপর নতুন করে সুরা নাযিল হচ্ছে? যার কাছে প্রতিদিন ফেরেশতা এসে সমসাময়িক বিশ্বে করণীয় সম্বন্ধে আল্লাহর মতামত পৌঁছে দিয়ে যাচ্ছে (নাঊযুবিল্লাহ)? পৃথিবীর এমন একজন মুসলমান যে ইসলামের নূন্যতম জ্ঞানটুকুও অধিকার করে, সেও মত দিবে যে, "না"। তাহলে ঐসব জঙ্গিদেরকে বোকা গাধা ছাড়া আর কী বলে আখ্যায়িত করতে পারি?
-----সমাপ্ত-----
উপরের ঘটনাটুকু পুরোটাই কল্পনার অবদান। বাস্তবের সাথে এর কোন মিল নেই। উক্ত ঘটনা গুলো কখনো কোথাও ঘটেনি। শুধুমাত্র বর্তমানে জঙ্গিবাদের বোকামীর একটি চিত্র তুলে ধরতে গল্পটুকু রচিত হয়েছে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ইসলাম, জঙ্গিবাদ, জঙ্গি, বাংলাদেশ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ইসলাম, কল্পনা থেকে রচিত, ফীচার্ড, সময়ের কথা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২৭
বলাক০৪ বলেছেন:
Very cleverly written. Good.
লেখক বলেছেন: ধৈর্য্য ধরে পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ![]()
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
এই পোস্টে মাইনাস দিলো কে কওতো ছোট ভাই?মস্তিষ্কের ভেতরে থাকা পরিণত চিন্তাগুলোকে সুন্দরভাবে গল্পাকারে সাজিয়েছো ভাই, সবাই পারেনা এটা; ধন্যবাদ তোমাকে, শ্রদ্ধামিশ্রিত।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
প্লাস...
কঁাকন বলেছেন:
thank you boss
লেখক বলেছেন: ওয়েলকাম।
রহস্য বলেছেন:
খুব ভালো লেখা।+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
তসলিম আহমেদ বলেছেন:
সত্যিই দারুন লেখা।+ লেখা পড়ে মনে হলো তুমি সময়ের চেয়ে এগিয়ে।
আমরা তোমাদের খুজছি ভাই, যারা আমাদের এই অভাগা দেশকে এগিয়ে নেবে সামনে।
তোমার মধ্যে যে দেশপ্রেম দেখছি , অনুরোধ থাকবে তা তোমার বন্ধু-বান্দ্ধব সহ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিবে।
আর যারা দেশের বিরুদ্ধে কথা বলে তারা যেন তোমার এই লেখা পড়ে একটু লজ্জিত হয়।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ধৈর্য্য নিয়ে লেখাটা পড়ার জন্য।
সুমাইয়া মুনিরা বলেছেন:
অসাধারন লেখা একটা , আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন।কিভাবে কে এই পোষ্টে মাইনাস দিল বুঝলাম না
লেখক বলেছেন: সব পোস্টে মাইনাস দেবার মত মানুষই ব্লগে আছে।


















