আমার প্রিয় পোস্ট
- আহা!
সামুতে কি চমতকার দেখা গেলো !!
- জামাল ঊদ্দিন
- 100% কাজের রেপিডশেয়ার মেগাআপলোড প্রিমিয়াম লিঙ্ক জেনারেটর সাইট লিষ্ট - স্স্পরসের বাহিরে
- বিখ্যাত লোকজনদের অফিস
- বিডি আইডল
- উবুন্টুতে গ্রাফিক্যালি সবকিছু
: টিউটোরিয়াল । এরপর খালি বলে দেখেন উবুন্টু কঠিন
, খবর আছে!!! - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- সামহয়ারইন ব্লগ সংকলনঃ টপ টেকি পোষ্ট!!
- ইসানুর
- মুভি বিষয়ক কিছু পোষ্ট - নতুন রাজা
- এক ক্লিকে ঘুরে আসুন নিজ জেলা থেকে - যাযাবর রাজিব
- মিল-অমিল: নারী বনাম পুরুষ
- রিজভী
- মুভি : ২০১২ : সম্পূর্ণ কাহিনী - আমিনুল ইসলাম
- ঈদ স্পিশাল এলবাম ফুয়াদ ফিচারিং ঈউঠার্ন

:: ঢাকা সিটি রিডিফাইন্ড - মুক্তি পাচ্ছে কয়েক ঘন্টা পড়েই
- আমড়া কাঠের ঢেকি
- “ভালোবাসার কাজটি খুঁজে নিতে হবে” – স্টিভ জবস এর বিখ্যাত সমাবর্তন বক্তৃতা - বিলাশ বিডি
- নতুন AVATAR বানামু ফাইনেনসার চাই


- সেতূ
- একটি চরম বাটপাড়িমূলক পোষ্ট!!! - জেনুইন করুন আপনার প্রায় সকল প্রকার উইন্ডোজ(উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ ভিসতা এবং উইন্ডোজ সেভেন)। - নির্ভয় নির্ঝর
- শেয়ার করার মত কিছু চমৎকার ছবি -৫ [ Gooooooogle অফিস ] - কুঁড়ের বাদশা
- জাগরণের গান - মহসিন০৮
- চলে গেলেন ব্রিট্যানী মার্ফি - স্নিগ
- সাবধান, গুগল যা বলে সবই বিশ্বাস করবেন না
আবার অবিশ্বাসও করবেন না
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- কিছু শকিং মুভি। - হাসান মাহবুব
- হস্ত চিত্র......................
- টনি
- আই.ডি.এম (Internet Download Manager) নিজের করে নেবার সহজ সমাধান !! - মেহেদী ইকবাল রমি
- আহ প্রথম আলো ! হায় বসুন্ধরা ! - সুপান্থ রহমান
- র্যাপিডশেয়ার প্রিমিয়াম লিঙ্ক জেনারেটরের লিস্ট (আপডেটেড - ৩০শে নভেম্বর ২০০৯, সন্ধ্যা ৬টা ২০)
- অরণ্যচারী
- এক্সপি জেনুইন করার একটি সহজ উপায়। - অমিত০৯৭
- একাধিক কম্পিউটারে ইন্টারনেট শেয়ার করা - এস. এম. মেহেদী আকরাম
- কমপিউটারের কিছু শর্টকাট/ কীবোর্ড কমান্ড টিপস - জোবাইর
- ভড়কে যান ভড়কে দিন(নোটপ্যাড এর কারিশমা) - আল-আমিন হোসেইন
- মাননীয় সরকার, বিদ্যুৎ ও পানির সমস্যা - আমাদের ভাগ্য কি চিরদিন অপরিবর্তিত থাকবে? MUST READ - আমিনুল ইসলাম
- পেনড্রাইভ থেকে পিসিতে ভাইরাস ঢোকবার পথটাই বন্ধ করে দিন - মোঃ রফিকুল আলম (পাভেল)
- ব্যতিক্রমী বিশ্ব রেকর্ড ও হবু বিশ্বরেকর্ড [সচিত্র] - আমিনুল ইসলাম
- ইংলিশ সাহিত্যের বিশাল পিডিএফ ভান্ডার - সোহেল চৌধুরী
- একটি গুলি....একজন পুলিশকে বাঁচানোর চেষ্টা....এবং তারপর......মৃত্যু! - আমিনুল ইসলাম
- ইয়াহু মেসেন্জারে এক চ্যাট উইন্ডোতে একাধিক চ্যাট ট্যাব
- কাঙাল মামা
- Google এর আরো কিছু রসময় গুপ্ত (Easter Egg)
- নাফিস ইফতেখার
- এক ছাগু কারাগারে ... - রাগিব
- গুগলের বাংলা ইন্টারফেইসে কী সমস্যা? জানিয়ে দিন সরাসরি গুগলকেই ... - রাগিব
- গুগল সার্ভিসেস ::: আমার লেখা - আমিনুল ইসলাম
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া -- ব্লগে বসে বিশ্বভ্রমণ - রাগিব
- কিছু ইংরেজী ছবির মাথাপাগল বাংলা অনুবাদ
- জিগ স
- অর্পিত [পর্ব ১] - আমিনুল ইসলাম
- হাইব্রিড নয়, হরলিকস নয়, আমিনুল বেড়ে উঠুক স্ব-প্রতিভায় - নার্ভাস নাইনটিজ
- নবম শ্রেণীর ছাত্র আমিনুলের বিবর্তন ওয়েবসাইটি নিয়ে আমার কিছু ভাবনা - কৌশিক
- ক্লাস নাইনে আমার ছিল প্রকৃতি - আর এখন বিষ্ময় বালক আমিনুলের আছে প্রযুক্তি - কৌশিক
- এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের পাসওয়ার্ড খোলা - পথিক মানিক
- মোবাইল নিয়ে কিছু জানা ও অজানা - দুঃখবিলাস
- বাংলা ইউনিকোড ভিত্তিক ওয়েব সাইট - ক্যামেরাম্যান
আমার ব্লগে ইতিবাচকের পাশাপাশি নেতিবাচক মন্তব্যও আসবে, সেটাই স্বাভাবিক। নেগেটিভ কমেন্টগুলো নিয়ে ঝগড়া না করে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া এবং এপ্রেশিয়েট করাই আমার বৈশিষ্ট্য। :) twitter.com/aisajib

একটি গুলি....একজন পুলিশকে বাঁচানোর চেষ্টা....এবং তারপর......মৃত্যু!
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১০
চারিদিকে প্রচণ্ড গোলাগুলির শব্দ। মানুষের দিগ্বিদিক ছোটাছুটি। এরই মাঝে ছুটে এসে একুশ বছরের এক ছাত্রের হাঁপাতে থাকা। হঠাৎই পাশে হাতে গুলি খেয়ে পুলিশের একজন কর্মকর্তা মাটিতে লুটিয়ে পড়া। পুলিশের লোকটিকে বাঁচাতে সেই ছাত্রের দৌড়ে যাওয়া। সঙ্গে সঙ্গে আরেকটি গুলির শব্দ। তারপর পুলিশকে বাঁচাতে যাওয়া সেই ছাত্রেরও মাটিতে লুটিয়ে পড়া। বার দুয়েক "আরাফাত আরাফাত" নাম উচ্চারণ করা। এবং তারপর...মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়া।
না, যেকোন যুদ্ধের সিনেমার চেয়ে ভয়াবহ হলেও ঘটনাটি একটি বাস্তব সত্য। গত বুধবার বিডিআরের তথাকথিত বিদ্রোহে অসংখ্য সেনা কর্মকর্তার পাশাপাশি নিহত হয় তিনজন সিভিলিয়ান। তাদের মধ্যে একজন হচ্ছেন পিপলস ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের বিবিএ'র ছাত্র খন্দকার তারেক আজিজ (ডাকনাম সজীব)। একুশ বছর বয়সী এই যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যুর সচিত্র প্রতিবেদন প্রচারিত হয়েছে দেশের প্রায় সবক'টি স্যাটেলাইট চ্যানেলে। কাকতালীয়ভাবে তারেক আজিজ সজীবের বড় বোন আমার বড় বোনের খুব কাছের বান্ধবী। তাই মর্মান্তিক মৃত্যুর দুঃসংবাদটা আমাদেরকেই প্রথম পেতে হয়েছিল।
তারেক আজিজ (সজীব) মা-বাবার দ্বিতীয় সন্তান। তার বড় বোন পায়েলের বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট ভাই শুভ। বয়স আট কি নয় বছর। ঢাকার টোলারবাগে একটি ফ্ল্যাটে সপরিবারে থাকতো সজীব। খুব উচ্ছল, প্রাণবন্ত একটি ছেলে ছিলো সে। প্রচুর কথা বলতো। খুব হাসাতে পারতো সবাইকে। এছাড়াও খুব মিশুক প্রকৃতির ছিলো। সবাইকে খুব সহজেই আপন করে নেয়ার ক্ষমতা ছিলো ওর। আমি অবশ্য সজীব ভাইয়াকে দেখিনি। আমি শুধু পায়েল আপু আর শুভকেই চিনতাম। দুঃসংবাদটি শোনার পর দেরি না করে আমি, আমার বোন আর দুলাভাই রওনা হলাম সজীব ভাইয়াদের বাসায়। রাত প্রায় এগারোটার দিকে পৌঁছলাম টোলারবাগস্থ ফ্ল্যাটে। সেখানে ছিল এক করুণ পরিস্থিতি। কেউ কল্পনাও করতে পারেনি গতকালের প্রাণচঞ্চল যুবক আজ লাশ হয়ে পড়ে থাকবে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে। অথচ কল্পনাকেও হার মানিয়ে ঠিকই নিষ্ঠুর বাস্তবতা সজীবকে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের গুলিতে নিহত করে মা-বাবার সান্নিধ্য থেকে অনেক দূরে সরিয়ে দিয়েছে।
সজীব ভাইয়ার মা বারবার জ্ঞান হারাচ্ছিলেন। ছেলের রক্তাক্ত চেহারা টেলিভিশনের পর্দায় দেখে বারবার চিৎকার করে উঠছিলেন। বিডিআরের একটি গুলি তারেক আজিজ সজীবের মাথার একপাশে লেগে মাথা ভেদ করে অন্যপাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। ফলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। তার মৃতদেহ কয়েকজনে মিলে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য বারবার প্রদর্শিত হয় চ্যানেল আইসহ বেশকিছু চ্যানেলে, যা দেখে বারবার কেঁদে উঠছিলেন সজীব ভাইয়ার মা। অন্যদিকে সজীবের বাবা অনেক শক্ত। নিজেকে সামলাতে পেরেছিলেন তিনি। কারণ তিনি জানতেন, পরদিন (বৃহস্পতিবার) তাকে অনেক কাজ করতে হবে। ঢাকা মেডিকেলের মর্গ থেকে পোস্ট মর্টেম করানোর পর লাশ আনতে হবে। তারপর আবার তাকে তাদের দেশের বাড়ি নিয়ে যেতে হবে। ভেঙে পড়লে চলবে না। তবে তার চোখও সময় সময় ভেজা দেখা যাচ্ছিলো। টেলিভিশনের পর্দায় ছোট ভাইয়ের ছবি দেখে বড় বোন পায়েল আপুও চোখের পানি ধরে রাখতে পারছিলো না। বড় আদরের ভাই ছিলো ওর।
আর ছোট ভাই শুভ। ওর কান্না থামানো মুশকিল হয়ে পড়েছিল। সজীব ভাইয়ের রক্তাক্ত মৃতদেহ টিভিতে দেখার পর তার সে কি প্রশ্ন! "বিডিআররা আমার ভাইকেই কেন মারলো? বিডিআররা আমার ভাইয়ার কাছে টাকা চাইতো, তাহলেই তো টাকা দিয়ে দিতো। কী দোষ করেছিলো আমার ভাইয়া? গুলি মাথায়ই লাগলো কেন? পায়ে বা হাতেও তো লাগতে পারতো? বিডিআর গুলি কেন করলো? আমি বিডিআরকে ছাড়বো না!" এরকম শত শত জবাব না জানা প্রশ্ন করে যাচ্ছিল শুভ একনাগাড়ে। এভাবে একসময় জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়লো শুভ।
ঘরের অন্যান্য সদস্যদেরও একই অবস্থা। কেউ কথা বলছিলো না, কেউ পাথরের মতো চুপচাপ বসেছিলো। কেউ বা আবার স্মৃতিচারণ করছিলো সজীবের বেঁচে থাকার সময়কার স্মৃতিময় কথা। সজীবের খুব কাছের বন্ধু আরাফাত, যার নাম গুলি খাওয়ার পরপর মুখে এনেছিল সজীব। সে বললো, দুপুর আড়াইটার দিকে অচেনা এক নাম্বার থেকে ফোন রিসিভ করে সে। অপরিচিত একজন লোক জানায়, পুলিশের লোককে বাঁচাতে গিয়ে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তারেক আজিজ। প্রথমে আমি বিশ্বাস করতে পারিনি তিনি সত্যি কথা বলছেন। পরে অবশ্য ইবনে সিনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করে পোস্ট মর্টেমের জন্য ঢাকা মেডিকেলে পাঠিয়ে দেয়।
রাতে থমথমে এক পরিস্থিতি বিরাজ করছিল সজীবের ঘরে। কারো চোখে ঘুম নেই। কেউ বিশ্বাস করতে পারছিলো না সজীব আর নেই। আর কোনোদিন কথা বলে সারা ঘর মাথায় তুলবে না সজীব। সজীবের বাবা জানায়, কিছুদিন আগেও নাকি সজীব বলছিলো, "আমাকে ঘরেই সবাই শুধু অভদ্র অভদ্র বলে ডাকে। বাইরে সবাই আমাকে ভালো জানে। দেখে নিয়ো, আমি এমন কোন ভালো কাজ করবো, যাতে সব টিভি চ্যানেলে আমাকে ফলাও করে দেখানো হয়।" তখন তো আর সে ভাবতেও পারেনি, টিভি চ্যানেলে তাকে দেখানো হবে ঠিকই, তবে জীবিত সজীবকে নয়, নিহত ও রক্তাক্ত সজীবের লাশকে।
রাতে জোরাজুরি করে শুতে যেতে বলল বাসার সবাই। সজীব ভাইয়ার খাটেই আমি শুয়েছিলাম। পাশে ছিলো শুভ ও তার বাবা। উল্লেখ্য, আমার ডাকনামও সজীব। তখন আঙ্কেল বলে উঠলেন, কাল এই বিছানায় শুয়েছিল সজীব। আজও এই বিছানায় সজীব শুয়ে আছে। কিন্তু আমার সজীব আর নেই!
রাত তিনটায় বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলাম। তখন সজীব ভাইয়ার বড় বোন পায়েল আপুও বারান্দায় গেলো। বললো, গতকালও এই সময় সজীব পাশের ঘরে ঘোরাঘুরি করছিল। আমার আগে ও কোনদিন শুয়ে পড়তো না। অথচ আজ ও আমার আগেই শুয়ে আছে। মর্গে।
পায়েল আপুকে সান্তনা দেবার ভাষা আমার জানা ছিলো না।
[এতো এতো উচ্চপদস্থ সেনাকর্মকর্তার মৃত্যুর আড়ালে হারিয়ে গেছে তিনজন সাধারণ মানুষের করুণ মৃত্যুর কথা। আমরা যদি স্বাভাবিকভাবে বিচার করি, তাহলে দেখবো, উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তার আগে তাদের প্রত্যেকেরই একটা পরিচয় আছে। সেটা হলো এই যে, তারা মানুষ। একইভাবে নিরাপরাধ তিনজন বেসামরিক ব্যক্তিও মানুষই ছিলেন। সাধারণ রিক্সাওয়ালা বা সজীবের মতো তরুণদের বেঁচে থাকার অধিকার সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের চেয়ে কোন অংশে কম নয়। কিন্তু তাদের কথা বলার কেউ নেই। মূলত এজন্যই এই পোস্টটি লিখি আমি।]
মো. আমিনুল ইসলাম সজীব,
মিরপুর-১, ঢাকা।
যোগাযোগ: 01911911122
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিডিআর বিদ্রোহ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: জীবনের ডায়েরী, ফীচার্ড বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০৩
লেখক বলেছেন: ঠিক এই কথাটাই আমিও বলতে চাচ্ছিলাম রাগিব ভাইয়া। এতো এতো মেজর জেনারেল কর্নেল ইত্যাদির মৃত্যুতে সাধারণ পরিবারের এই মৃত্যুর কথা ভাবার সময় নেই কারো। অথচ একজন পুলিশকে বাঁচাতে গিয়েই মৃত্যু হয়েছে তারেক আজিজ সজীবের।
আমার কথা হচ্ছে, বিদ্রোহ বা ক্ষোভের অনেক উপায় থাকতে পারে। তাই বলে এভাবে মৃত্যু কোনভাবেই মার্জনীয় নয়। তাদের ফাঁসি নয়, আমি চাইবো তাদেরও আর্মির ব্রাশফায়ারে মৃত্যু হোক।
আর মাইনাস নিয়ে আমি ভয় পাই না। সা.ইনে কিছু ব্লগার আছেন যারা সাইন ইন করেন মাইনাস দেবার জন্য।
কাবিল কৈতর বলেছেন:
কি বলব বুঝতেছি না...। সমবেদনা রইল। আর রইলপরকালের সজীবের জন্য বুকভরা ভালোবাসা।
লেখক বলেছেন: তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতো সজীব।
লেখক বলেছেন: এই শোক তারেক আজিজ সজীবের পরিবার কীভাবে সহ্য করবে! রোগাক্রান্ত হয়ে বা সন্ত্রাসের গুলিতে মারা গেলে তাও একটু শান্তনা থাকতো। কিন্তু সীমান্তরক্ষী বিডিআরের গুলিতে!
আল্লাহ যেন তাকে বেহেশত নসীব করেন।
শূন্য আরণ্যক বলেছেন:
@রাগিব আপনি যেমন তেমনই সবাইকে বিচার করেন এইরকম একটা পোষ্টেও তাই আপনার মাইনাস প্লাসের কথা মনে আসে
@লেখক: মন খুব খারাপ হলো পোষ্ট টা পড়ে ~
লেখক বলেছেন: রাগিব ভাইকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। সবরকম পোস্টেই মাইনাস দেবার মতো মানুষ ব্লগে আছে। যদিও তারা সংখ্যায় গুটিকয়েক। যাই হোক, মন খারাপ করার মতেই ঘটনা। তারেক আজিজের ঘরের পরিস্থিতি যে কেমন ছিলো তা বর্ণনা করার মতো ভাষা আমার নেই। যতটুকু বলতে পারলাম, বললাম।
বিদ্রোহী রণক্লান্ত বলেছেন:
খুনীদের বাঁচাতে কিছু পিশাচ উঠে পড়ে লেগেছে।ন্যায্য দাবীর জন্য নাকি খুন আর ধর্ষন জায়েজ!!
লেখক বলেছেন: কোনভাবেই নয়। বিদ্রোহের অনেক পথ থাকতে পারে। জিম্মি করে রাখতে পারতো। তাই বলে এভাবে গণহত্যা কোনভাবেই কাম্য নয়। এটি একটি অমার্জনীয় অপরাধ। জড়িত সব বিডিআর সদস্যদের আর্মির ব্রাশ ফায়ারে হত্যা করলে খুশি হবো।
রাতমজুর বলেছেন:
আমারো জানা নেই কিভাবে আমি শান্তনা দেবো সেই মেয়েটাকে যে কটাদিন আগেই ভালোবেসে বিয়ে করছিলো আপনাদের ঘৃনিত একজন ফৌজীকে।
লেখক বলেছেন: নো কমেন্টস।
রাজর্ষী বলেছেন:
লেখাটা পড়ে আরেকবার চোখভিজে গেলো। কেমনে বোঝাবো সব মৃত্যুই সমান কষ্টের।
লেখক বলেছেন: সব মৃত্যু সমান কষ্টেরই তবে স্বজনদের কাছে সেই শোকটা সমান নয়। রোগাক্রান্ত হয়ে বা সন্ত্রাসের গুলিতে নিহত হলে হয়তোবা এতোটা কষ্ট পেতো না তারেক আজিজের পরিবার, যতোটা সীমান্তরক্ষী বিডিআরের নারকীয়তায় নিহত হওয়ায় পেয়েছে।
রাগিব বলেছেন:
"শূন্য আরণ্যক বলেছেন: @রাগিব আপনি যেমন তেমনই সবাইকে বিচার করেন "আসলেই আমি যেমন সেরকমই ভাবি। সাদাকে সাদা কালোকে কালো বলাই ভালো।
কয়েকদিনে এখানে যা দেখলাম, আর বলার কিছুই নাই। গণকবর শব্দটা পাকবাহিনীর শব্দকোষে ছিলো জানতাম। এখন দেখি অনেকেরই তাতে কিছু যায় আসে না। আমরা মানুষ হিসাবে খুব নির্লিপ্ত হয়ে গিয়েছি।
----
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
সহমর্মিতা জানিয়ে গোলম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রাগ ইমন বলেছেন:
সজীবরা সূর্য সন্তানদের চেয়ে সামান্য নিচের মানুষ । এই ডামাডোলে তারা তুচ্ছ একটি সংখ্যা মাত্র ।আপনার আমার মত ছাগোলরাই তার জন্য চোখের পানি ফেলে ।
রাত মজুর, মেয়েটাকে বলো যেই " উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সীমাহীন অন্যায়ের " কারনে তাকে বিধবা হতে হলো তাদের এবং হত্যাকারী বি ডি আর সদস্য , কাউকেই যেন না ছাড়ে ।
সমবেদনা জানাতেও নিজেকে ছোট লাগছে । কত গুলো পিশাচের জন্য শত শত মানুষ স্রেফ নাই হয়ে গেলো ।
লেখক বলেছেন: সজীবরা সূর্য সন্তানদের চেয়ে সামান্য নিচের মানুষ । এই ডামাডোলে তারা তুচ্ছ একটি সংখ্যা মাত্র ।
আপনার আমার মত ছাগোলরাই তার জন্য চোখের পানি ফেলে ।
কথাটার মর্ম বুঝতে পারলাম না। সজীবরা মেজর জেনারেল বা কর্নেল পদমর্যাদার কেউ নয়, তাই বলে কি ওরা মানুষ নয়?
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
রাগিব ভাই @ কারো কারো কথা বার্তা শুনে আর লেখা পড়ে আমিও প্রচন্ড হতাস হয়ে আছি। আমরা খালি পাকীদের দোষ দেই। এই আমাদের দেশ? এরা আমাদের মানুষ?
লেখক বলেছেন: দৃষ্টান্তমূলক বিচার আমিও দাবি করছি সকল দোষীদের।
মিলটন বলেছেন:
এ মুহুর্তে সহানুভুতি ছাড়া আর কিইবা দেবার আছে।
লেখক বলেছেন: আসলেই কিছু করার নেই। আমরা শুধু দাবি করছি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির। এতে হয়তো নিহতের পরিবার-পরিজন কিছুটা হলেও শান্তনা পাবে। যদিও যা হারানোর, তা হারিয়েই গেছে। সেসব নিহতরা আর কোনদিন ফিরে আসবে না। তাদের সবার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
এরকম পোস্টগুলোকে +/- দিয়ে বিচার করবনা আমরা । সকল মৃত্যুই শোকের এই কথা বুঝতে হবে আমাদের। দু:খ এটা কোন নাম, কোন কান্না সব সময়ই আমাদের চোখের আড়ালে থেকে যায় ।
ধন্যবাদ তোমাকে, বিষয়টি তুলে আনার জন্য।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। এতো এতো আর্মি অফিসারদের মৃত্যুতে সাধারণ তিনজন মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যুর কথা কারও মনে ছিল না। অথচ কষ্ট কিন্তু কারো জন্যই কম নয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ায় আর্মি অফিসারদের পরিবারের যেমন কষ্ট লেগেছে, যেমন শোকাহত হয়েছে, ঠিক তেমনি, বরং তারচেয়ে একটু বেশিই দুঃখ ও শোকাহত হয়েছে তিনজন সিভিলিয়ানদের পরিবারের সদস্যরাও।
জটিল বলেছেন:
রাগিব ভাই এর সাথে একমত ।
লগ বলেছেন:
রাগীব ভাইএর সাথে একমত। ব্লগের তথাকথিত বুদ্ধিজিবীদের এ কয়দিনকার আচরণ দেখে বুদ্ধিজিবী শব্দটার প্রতি ঘৃনা ধরে গেছে।সব খুনীদের জন্য ফায়ারিং স্কোয়াড চাই।
লেখক বলেছেন: আমিও চাই।
লেখক বলেছেন: আমিন।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, আমিও বিচার চাই। দৃষ্টান্তমূলক এবং উপযুক্ত বিচার।
লেখক বলেছেন: বাকরুদ্ধ হওয়া ছাড়া আর একটি কাজ করার আছে আমাদের। সেটি হচ্ছে, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক ও উপযুক্ত শাস্তির দাবি করা।
তারার হাসি বলেছেন:
এভাবে প্রত্যেক লাশের একটা গল্প আছে ... যে ছিল একজন মানুষ, বাবা, সন্তান, ভাই, বন্ধু এবং কারো স্বামী ...
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, ঠিকই বলেছেন। ভয়ঙ্কর এই পৈশাচিকতা যেন একাত্তরকেও কোন কোন অংশে হার মানিয়েছে। একাত্তরে তো মুক্তিযোদ্ধারা খুন হয়েছিল পাকিস্তানী কর্তৃক। আর এই হত্যাকাণ্ডে তো দেশেরই সীমান্তরক্ষীদের দ্বারা নৃশংসভাবে খুন হতে হলো তাদের।
লবঙ্গ বলেছেন:
এইদেশে কারো জান মালের কোনো নিরাপত্তা নাই আর একবার স্পষ্টভাবে বুঝবার পারলাম।
লেখক বলেছেন: ঢাকা মেডিকেলের মর্গে পড়ে থাকা এক মেজরের স্বজন মিডিয়াকে বলছিলেন, দেশের একজন মেজর এভাবে মর্গে দুর্গন্ধযুক্ত পানি ও মাছির মধ্যে পড়ে আছে। এটা কেমন দেশ হলো? এটা কেমন বিচার?
প্রশ্নের উত্তর আমিও খুঁজছিলাম।
পজিটিভ২৯ বলেছেন:
তারার হাসি বলেছেন: এভাবে প্রত্যেক লাশের একটা গল্প আছে ... যে ছিল একজন মানুষ, বাবা, সন্তান, ভাই, বন্ধু এবং কারো স্বামী ..চাই সকল খুনীর সঠিক বিচার।
লেখক বলেছেন: এবং সেটা হতে হবে স্পষ্ট, দৃষ্টান্তমূলক এবং উপযুক্ত।
মদন বলেছেন:
তার রুহের মাগফেরাত কামনা করছি, আল্লাহ তার পরিবারের সদস্যদের শোক সহ্য করার শক্তি দিন।
কণা বলেছেন:
সজীবের আত্মার শান্তি কামনা করছি...
অলস ছেলে বলেছেন:
অনেক গুলো মৃত্যুকে বিভিন্ন সময় কাছ থেকে দেখেছি। তাই বুঝতে পারছি, লেখক হিসেবে এই পোষ্টে আপনার ব্যর্থতা। কিন্তু লেখার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।এমন টগবগে তরুণ যখন মারা যায়, তাঁর পিতামাতা ভাই বোন যে কষ্ট পায়, সেই অনুভূতি ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝবে না।
হৃদয় নামের যে টোকাই ছেলেটা মাথায় গুলি খেয়ে পড়ে ছিল, বৃদ্ধ শ্রমিক আমজাদ হাপানির ঔষধ কিনতে গেয়ে গুলি খেয়ে মারা গেলেন, আরো অনেকেই গুলিবিদ্ধ, সেই সাধারণ মানুষগুলোর কষ্ট এই নির্মম হুজুগে বাঙ্গালী কখনো বুঝবে না, যতক্ষন না পর্যন্ত তার নিজের পরিবারের কেউ এমন ঘটনার স্বীকার হবে।
আল্লাহর কাছে দোয়া করি, জাতির জন্য কলংকজনক এবং সুদুর প্রসারী লক্ষ্য নিয়ে ঘটে যাওয়া এই নির্মম ঘটনার পরও যে শিক্ষিত মানুষগুলোর হুশ হয়না, তাদের কে সেই কষ্ট পাওয়ার অভিজ্ঞতা তিনি দিন।
লেখক বলেছেন: ব্যর্থতা স্বীকার করে নেব। কারণ এমন পরিস্থিতি ও এর অনুভূতি অবর্ণনীয়।
ড়ৎশড় বলেছেন:
সজীব ভাইয়া তুমি অল্প বয়সে অনেক বড় একটা কষ্টের সংস্পর্শ পেয়ে গেছো।যে ছেলেটি মারা গেছে তাকে নিয়ে এই তুমি প্রথম লিখেছ ব্লগে।আর কেউ কিছু বলেনি।হায়রে জাতি!! লজ্জা লাগে আমারই।আমি ছেলেটির কথা শুনেছি ২৫ তারিখেই।ঘন্টার পর ঘন্টা সে রাস্তায় পড়ে ছিলো।কেউ এগিয়ে যেতে পারেনি গোলাগুলির ভয়ে।একজন ব্লগার কোন এক পোস্টে মন্তব্য করেছিলো,"বিডিআর বিদ্রোহ করেছে,কিছু রক্ত তো যাবেই"।লজ্জা পেয়েছিলাম আবার!
খেয়াল কর মানুষজন তোমার এই পোস্টেও মাইনাস দিয়ে গেছে।কারণ তাদের কাছে এই বিদ্রোহ পবিত্র,বড়ই আকুতিপূর্ণ।টাকার ভাগ নিয়ে যুদ্ধ করা মহান কিছু বিডিআর গুলি করতেই পারে,দুটি প্রাণ তো যাবেই তাই না?আমি দেখেছি দু এক ব্লগার একে ৫২ আর ৭১ এর সাথেও তুলনা করেছে।প্রমাণ চাইলে লিঙ্ক দিয়ে দিবো।বড় লজ্জা পেয়েছিলাম।
এই তোমার পোস্টেই দেখো,এক বিশাল জ্ঞানী(??) ব্লগার এমন শো্কাবহ পরিবেশেও এক বিশেষ শ্রেনীর প্রতি তার বিষেদাগার জানিয়ে দিয়ে গেলো।হায়রে মানুষ!!
এই অমানবিক হত্যাগুলো সমর্থন করিনি।তাই পোস্ট দিয়েছিলাম এক স্বজনহারানো অফিসারের জবানবন্দির...আহা! তাতে আমি লাঠিবাজ উপাধি পেয়েছি,জ্ঞানী ব্লগার আমাকে ঔপনিবেশিক বলে গেছে।অথচ তাদের চোখে পড়েনি যে যারা মারা গেছে তারাও মানুষ ছিলো।যে নিরাপরাধ তরুণের নির্মম পরিণতি হয়েছে,সে কি অপরাধ করেছে??
এই ব্লগে এসে দেখলাম আর্মিকে অপছন্দ করে বলে তাদের কুকুরসম হত্যা যারা করে,যারা নিরাপরাধ রিক্সাওয়ালা,তরুণ সজীবকে মেরে ফেলে তাদের জন্য বুকভরা মমতা দিয়ে ব্লগিং করে চলেছে।তারা আর্মির দোষ ধরতে ব্যস্ত।কিন্তু গণকবর দেয়া নিষ্ঠুর হত্যাকারীর দোষ তারা দেখতে পায়না।আর্মি দোষ করেনা এটা কে বলেছে?কে চায়নাই বিডিআরের দাবী পূর্ণ হোক।যারা এই হত্যা মেনে নেয়নাই,দোষীদের শাস্তি চেয়েছে,তারা সবাই ওদের দাবী পূরণ করার কথাও বলেছে।কিন্তু হায়!আগে তারা পক্ষ বিপক্ষ নিয়ে ভাববে,কোন দল দোষী সেটা আগে জানাবে।তারপর সময় বুঝে বলবে,"ন্যায়ের পথে বিদ্রোহ করলে রক্ত তো যাবেই।"
আমি হতভম্ব হয়ে যাই,অনেক লজ্জা পেয়েছি ভাই।কোথায় মনুষত্ব হারিয়ে গেছে?যে মানুষটি দেশের জন্য এতো কিছু করেছে তাকে বলে বুর্জোয়া।এই রাগিব স্যারের জন্য ব্লগে এসেছিলাম,কাল আমার লিখা পোস্টে তাকে পাশে পেয়েছি।পেয়েছি আরো অনেককে।বুঝতে পেরেছি আমি একাই শুধু এমন ভাবিনা।
যারা তাদের অন্তরের ঘৃণা জানাতে গিয়ে সহানুভূতির ভাষা,নিজের বিবেকবোধ হারিয়ে ফেলে তাদেরকে ধিক্কার জানাই।ডাল ভাতের ভাগ পায়নি বলে যে নির্দিষ্ট ব্যক্তিরা হত্যা করেছে ওই নিরাপরাধ ছেলেটিকে,তাদের ধিক্কার দেই।
তোমার লিখায় অনেক বড় মন্তব্য করে গেছি।আমি দুঃখিত।কিন্তু এই কথাগুলো বলতে চাচ্ছিলাম,বলার দরকার ছিলো,কিন্তু বলার জায়গা পাচ্ছিলাম না।এখানেই তাই বলে গেলাম।
সজীবের জন্য বলি,ও বেঁচে আছে,থাকবে।অন্তত ততদিন যতদিন এই নির্মম দিবসের কথা মানুষের মনে থাকবে।এমন দুঃখ দিবসেও কোন কোন মা তার সন্তানের দিকে তাকিয়ে বলবেন "একটা নিরাপরাধ ছেলে ছিলোনা মারা গিয়েছিলো আরেকজনকে বাঁচাতে গিয়ে! পারলে বাবা ওর মত হয়ো।"
আমার অন্তরের সমস্ত বোধ দিয়ে সজীবের প্রতি ভালবাসা জানাই।আর শ্রদ্ধা রাখলাম তার পরিবারের প্রতি,এমন ছেলেটিকে জন্ম দিয়েছেন বলে।
লেখক বলেছেন: অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা গুছিয়ে সুন্দর করে উপস্থাপনের জন্য ধন্যবাদ। আমিও আপনার সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত। সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনায় লক্ষ্য করার মতো অনেকগুলো বিষয় আছে। যেমন, প্রথমেই বলি বিদ্রোহের কথা। বিদ্রোহ করার অনেক উপায় আছে। এতোই যদি অবিচার করে থাকে আর্মি পারসনেরা, তাহলে তাদেরকে জিম্মি করে রাখতে পারতো সর্বোচ্চ। তাই বলে এভাবে নিষ্ঠুর গণহত্যা কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য বা মার্জনীয় নয়।
দ্বিতীয়ত, এতো এতো উচ্চপদস্থ সেনাকর্মকর্তার মৃত্যুর আড়ালে হারিয়ে গেছে তিনজন সাধারণ মানুষের করুণ মৃত্যুর কথা। আমরা যদি স্বাভাবিকভাবে বিচার করি, তাহলে দেখবো, উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তার আগে তাদের প্রত্যেকেরই একটা পরিচয় আছে। সেটা হলো এই যে, তারা মানুষ। একইভাবে নিরাপরাধ তিনজন বেসামরিক ব্যক্তিও মানুষই ছিলেন। সাধারণ রিক্সাওয়ালা বা সজীবের মতো তরুণদের বেঁচে থাকার অধিকার সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের চেয়ে কোন অংশে কম নয়। কিন্তু তাদের কথা বলার কেউ নেই। মূলত এজন্যই এই পোস্টটি লিখি আমি।
আপনার দারুণ মন্তব্যটির জন্য আবারও ধন্যবাদ।
রোহান বলেছেন:
সাধারণ রিক্সাওয়ালা বা সজীবের মতো তরুণদের বেঁচে থাকার অধিকার সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের চেয়ে কোন অংশে কম নয়। কিন্তু তাদের কথা বলার কেউ নেই-------------------------------------------
একমত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
কষ্টের বিষয়ে কষ্ট লাগাটাই স্বাভাবিক। এখন সেইসব দোষী খুনীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হলেই নিহতদের পরিবার কিছুটা হলেও শান্তনা পাবে।






















---
সজীবের আত্মা শান্তিতে থাকুক, আর যেই কুকুরসম বিডিআরের গুলিতে সজীবের জীবনাবসান হয়েছে, তার অবিলম্বে ফাঁসী হোক।