[সম্পূর্ণ কাল্পনিক মস্তিষ্কের অবদান। বাস্তব কোন ঘটনা কিংবা চরিত্রের সঙ্গে মিলে গেলে নিতান্তই কাকতালীয় বলে বিবেচিত হবে।]
প্রথম পর্ব
এলাকায় নতুন এসেছে তমালরা। আমাদের পাশের বাড়িতে উঠেছে। আমাদের পাশের বাড়ির ভাড়াটে বান্দর ছেলেগুলো বিদেয় হওয়ায় মনে মনে আমার চেয়ে বেশি খুশি কেউ হয়নি। আজ মাসের এক তারিখ। বরাবরের মতো এবারও পাশের বাড়ির নতুন ভাড়াটেদের সমস্ত জিনিসপত্র ও পরিবারের সদস্যদের মনোযোগ দিয়ে লক্ষ্য করছি আমি। তমাল নামের একটা মাত্র ছেলে। আর মা-বাবা। তমাল ছেলেটাকে দেখতে ভালোই মনে হয়েছে। কে জানে, আবার ভালো নাও হতে পারে। চেহারা দেখে মানুষ চেনা যায় না। যাই হোক, সেদিনের মতো "ভাড়াটে পর্যবেক্ষণ" ক্ষান্ত দিয়ে ঘরে চলে এলাম। সময়ই বলে দেবে ছেলেটা কেমন।
পরদিন সকালে ছেলেটার সঙ্গে দেখা হলো। নিতান্তই কাকতালীয়ভাবে আমি বাইরে বের হওয়ামাত্রই ছেলেটা আমার সামনে পড়লো। আমার দিকে একবার চোখ তুলে তাকিয়েই আবার চোখ অন্য দিকে সরিয়ে নিলো ও। হুমম, মেয়েদের দিকে খুব একটা তাকায় না বোধহয়। যাক, তাহলেই ভালো! মনে মনে আপাতত ওর চিন্তা বাদ দিয়ে সামনের ছুটিটা কীভাবে কাটাবো চিন্তা করতে লাগলাম। বিকেলে আম্মুর সঙ্গে আলোচনায় বসলাম কী করা যায় এ নিয়ে। আম্মু প্রস্তাব দিলো কক্স'স বাজার বেড়াতে যাওয়ার। প্রথম কথায়ই আমি রাজি হয়ে গেলাম। সমুদ্রের নৈসর্গিক সৌন্দর্য্য মিস করতে চাইলাম না। কিন্তু সমস্যা হলো যখন জানতে পারলাম সঙ্গে পাশের বাড়ির নতুন ভাড়াটেরাও যাচ্ছে শুনলাম। আম্মুর সঙ্গে রীতিমতো রাগ দেখিয়ে বললাম, ওদেরকে নেবার প্রয়োজন কী?
-আরে কী আশ্চর্য, সমস্যা কোথায়?
-কোনো সমস্যা নেই। ওদেরকে নিতে হবে কেন সেটা আমাকে বোঝাও।
-কারণ ওরা আমার পূর্ব-পরিচিত। তাছাড়া সৈকত থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে ওদের এক আত্মীয়ের নিজস্ব মোটেল আছে। সেখানে রুম বুক করলে খরচাপাতিও কম পড়বে।
আর কথা বাড়ালাম না। আম্মু অমনই। তমালের মা মানে আন্টি খুব মিশুক মহিলা। তাছাড়া ওনারা পূর্ব-পরিচিত। সুতরাং বকবক করার সুযোগ ছাড়বেন কেন? বেড়াতে তো যাবে না, বরং সারাক্ষণ এই দু'জন জ্বালিয়ে মারবেন আশেপাশের মানুষকে!
তিন সপ্তাহ পর।
সকাল থেকেই খুব উত্তেজিত বোধ করছি। কিন্তু কেন? যতবারই নিজেকে এই প্রশ্নটা করেছি, ততবারই অবাক হয়েছি। কক্স'স বাজার যাচ্ছি, সেজন্য নয়; বরং তমালদের সঙ্গে যাচ্ছি, সেজন্য উত্তেজিত বোধ করছি, আনন্দিত হচ্ছি। নিজেকে ধমক দিলাম কয়েকবার। কিন্তু কে শোনে কার কথা। নিজের মনই নিজের কথা শুনলো না। অবশেষে মন সামলানোর কাজ বাদ দিয়ে কাপড়-চোপড় সামলানোর দায়িত্ব নিলাম। ব্যাগ-ট্যাগ গুছিয়ে তৈরি হয়ে নিলাম। আম্মুর ব্যাগটাও আমাকে গোছাতে হবে। আর যাচ্ছি আমি, আম্মু, আন্টি আর তমাল। রোমান্টিক ভ্রমণ! আরে! এটা কী বললাম? ভ্রমণ আবার রোমান্টিক হয় নাকি? আর হলেও বা কি, এটা রোমান্টিক নয়। মনে মনে খুব অবাক হলাম। কী হয়েছে আমার? উদ্ভট সব চিন্তাভাবনা করছি কেন?
শেষে মাথা থেকে সব ঝেড়ে বিদেয় করে আম্মুর রুমে গেলাম। আম্মুও প্রায় তৈরি। আমি ব্যাগটা গোছাতে সাহায্য করলাম। তারপর আম্মু বললেন, যা এবার তুই রেডি হয়ে নে। আমি তমালের মা'র বাসায় যাচ্ছি। দেখি ওদের হলো কি না।
আমি আমার রুমে এসে ড্রেসিং টেবিলটার সামনে বসলাম। জানালা দিয়ে নাগরিক ব্যস্ততার গণ্ডি পেরিয়ে দূরের কিছু প্রাকৃতিক দৃশ্য চোখে পড়ে। প্রতিদিন ওগুলো দেখে চোখ জুড়িয়ে যায় আমার। কিছুদিনের জন্য ওই দৃশ্যগুলো মিস করতে যাচ্ছি। তাই একটু মন খারাপ লাগলো। পরে ভাবলাম নাহ, এরচেয়ে ভালো ও মনোরম দৃশ্য দেখতে যাচ্ছি। মন খারাপ করার কোনো কারণ নেই।
ড্রেসিং টেবিলের আয়নায় নিজেকে দেখলাম। এর আগেও একবার রেডি হয়েছি। কিন্তু কী মনে হতে যেন নতুন করে আবার মেক-আপ করলাম। আহামরি কিছু না, ঠোঁটে হালকা রঙ্গের লিপস্টিক দিলাম। চোখে কাজল দিবো কি না ভাবছি, এমন সময় আম্মু এসে তাগাদা দিলো। তখন কাজলটা আর দেয়া হলো না। ছোট্ট একটা আয়না হাতব্যাগে নিয়ে নিলাম। শেষবারের মতো বাসায় চোখ বুলিয়ে নিলাম। কিছু ফেলে যাচ্ছি না তো? না মনে হয়। তারপর রওনা হলাম বাংলাদেশের অপরূপ সৌন্দর্য্যমণ্ডিত উপকূলী অঞ্চল কক্স'স বাজার ভ্রমণের উদ্দেশ্যে।
ড্রাইভার গাড়ি বের করে এনে রেখেছে আরো ঘণ্টা দুয়েক আগেই। গাড়িতে আমি আর আম্মু পাশাপাশি বসতে চাইলাম। কিন্তু বিপত্তি ঘটলো যখন আম্মু আর তমালের মা একসঙ্গে বসতে চাইলেন। তাহলে আমাকে হয় একেবারে পেছনে একা বসতে হবে, নয়তো তমালের সঙ্গে বসতে হবে যেটা আমি চাচ্ছিলাম না। পেছনে বসতে না চাইলে ড্রাইভারের সঙ্গের সিটটাতেও বসতে পারি। কিন্তু আম্মু যখন তমালের সঙ্গে বসতে বললেন, তখন না করতে পারলাম না। আশ্চর্য! মনে মনে একটুও ইচ্ছে নেই। কিন্তু সেটা মুখে প্রকাশ করতে পারলাম না। অগত্যা গিয়ে বসলাম তমালের সঙ্গে। গাড়ি রওনা হলো কক্স'স বাজারের উদ্দেশ্যে।
গাড়ি স্টার্ট নেবার সঙ্গে সঙ্গে স্টার্ট নিলো আম্মু আর আন্টির মুখ। যত বিষয়ের কথা আছে পৃথিবীতে, সব তারা দু'জন বলা শুরু করলেন। আমি দু'বার বললাম আম্মু থামো। কিন্তু আমার প্রতি অগ্নিদৃষ্টি নিক্ষেপ করে সঙ্গে সঙ্গেই আবার আন্টির সঙ্গে হাসি নিয়ে আরেকটা "আরো ইন্টারেস্টিং" বিষয় নিয়ে কথা বলতে শুরু করলেন তিনি।
শহর ছেড়ে হাইওয়েতে উঠলো গাড়ি। আমি ভেবেছিলাম একটু গান শুনবো। আইপডটা ড্রেসিং টেবিলের উপরে রয়ে গেছে। আনতে মনে নেই। গাড়ির সেটে সিডি আছে কিন্তু মা জননীর বক্তৃতার মধ্যে গান শোনে সাধ্য কার।
-আচ্ছা ভাইয়া, আপনি কী করেন? মানে, প্রফেশন?
-এসডি, সিআইএ।
-সরি?
-সিআইএ। সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির সিনিয়র ডিটেকটিভ। বাংলাদেশে এসেছি কয়েকমাসের ছুটিতে। আগামী গ্রীষ্মে চলে যাবো।
আমার তো চোখ ছানাবড়া। এএক্সএন চ্যানেলে আর হলিউডের ছবিতেই দেখেছি এফবিআই আর সিআইএ জাতীয় তদন্তকারী দলগুলোর তৎপরতা। তখন অবশ্য খুব শখ হতো ওদের মতো গোয়েন্দাগিরি করার। কিন্তু বললেই কি হয় নাকি? গোয়েন্দাগিরি চাইলেই করা যায় না। তীক্ষ্ণবুদ্ধি, অনেক মেধা আর জ্ঞান থাকা লাগে। যেকেউ চাইলেই গোয়েন্দা হতে পারে, কিন্তু সফল গোয়েন্দা হওয়া যায় না। তমাল সিআইএ'র ডিটেকটিভ। তারমানে তীক্ষ্ণবুদ্ধি, অসাধারণ মেধা আর অবিশ্বাস্য ধৈর্য্যর সবগুলোই উপস্থিত ওর মধ্যে। এটা জানার পর ওর সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ বেড়ে গেল। আমি একটু নড়েচড়ে বসে আম্মুর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তমালের সঙ্গে ওর সত্যিকারের ডিটেকটিভ স্টোরি নিয়ে কথা বলতে থাকলাম। কথাবার্তার এক পর্যায়ে আমরা দু'জন দু'জনকে তুমি সম্বোধন করতে শুরু করলাম। তখন আলাপচারিতার ঘনিষ্ঠতা বেড়ে গেল। বেড়ে গেল ওর প্রতি আমার দুর্বলতাও।
ঘণ্টাখানেক পর। আকাশ কেন যেন মেঘলা হয়ে গেল। আমরা তখন চট্টগ্রামের কাছাকাছি কোন একটা অঞ্চলে। পাহাড়ী রাস্তার আঁকাবাঁকা পথ দিয়ে ধীরগতিতে এগিয়ে চলেছে আমাদের গাড়ি। অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম, রাস্তায় আমাদের গাড়ি ছাড়া আর কোন গাড়িই নেই। খুব অবাক লাগলো ব্যাপারটা। হঠাৎ করেই রাস্তা ফাঁকা হয়ে যাবার কারণটা ঠিক বুঝতে পারলাম না। আমার পাশে বসে থাকা তমালকে জিজ্ঞেস করলাম, ব্যাপার কী বলো তো? রাস্তা খালি কেন?
-আমিও বুঝতে পারছি না। এই রাস্তা তো ব্যস্ত থাকার কথা।
আমি বিস্ময়ের ঘোরের মধ্যেই রইলাম। সামনের সিটে বসে আম্মু আর আন্টি এখনো তাদের বকবক অব্যাহত রেখেছে
আম্মুও ব্যাপারটা এতক্ষণে খেয়াল করলো। ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করলো, এই রাস্তায় আসার আগে কোনো নোটিশ ঝুলানো দেখোনি? রাস্তা তো বন্ধ মনে হচ্ছে।
ড্রাইভার জোর গলায় বললো রাস্তার শুরুতে কোনো নোটিশ ছিল না। আরো বললো, তার সঙ্গে নাকি বেশ কিছু গাড়ি এই রাস্তায় ঢুকেছেও। কিন্তু গতি কম থাকায় ওগুলো পিছনে পড়ে গেছে।
আম্মু বললো, বেশ চিন্তার ব্যাপার তো। ড্রাইভার এক কাজ করো, দাঁড় করাও গাড়ি। দেখি দু'একটা গাড়ি আসে কি না।
পড়ন্ত বিকেলে গাড়ি থামলো অজানা অচেনা পাহাড়ী পথের মাঝখানে। আমরা অপেক্ষার প্রহর গুণতে গুণতে একসময় লক্ষ্য করলাম সন্ধ্যা নেমে এসেছে। রাস্তায় একটাও ল্যাম্পপোস্ট নেই। সামনে নিকষ কালো অন্ধকার। সিদ্ধান্তহীনতায় পড়ে গেলাম আমরা সবাই। ড্রাইভার, আন্টি আর আম্মু বলছেন দাঁড়িয়ে না থেকে এগোতে। কিন্তু তমাল জোর গলায় না করছে। কেন যেন আমারও সামনে এগোতে সাহস হচ্ছে না। মনে হচ্ছে ফিরে গিয়ে অন্য রাস্তায় আসতে। ড্রাইভার জানালো, অন্য রাস্তা দিয়েও আসা সম্ভব। কিন্তু ওগুলো সব শর্টকাট। শর্টকাটে অনেক ঝামেলা। রাস্তাও খারাপ। তাই এই রাস্তা ধরে এসেছে। বোঝা গেল শর্টকাট থাকায় এই রাস্তায় ততটা ভিড় নেই। কিন্তু তাই বলে একটি গাড়িও থাকবে না? থাকবে না প্রাণের কোনো চিহ্নও? এ বিষয়টা মানতে পারলাম না আমি। আমি প্রস্তাব দিলাম সামনে না গিয়ে পেছনে যেতে। কিন্তু এই রাতে সামনে-পিছনে উভয় দিকেই ভয়াবহ অন্ধকার। আকাশ প্রচণ্ড মেঘলা। যেকোন সময় বৃষ্টি নামতে পারে। সেক্ষেত্রে পাহাড়ী রাস্তায় চলাচলের চেয়ে চুপচাপ বসে থাকাটাই বেশি নিরাপদ।
অবশেষে বসে রইলাম আমরা সবাই গাড়ির ভিতরে। রাত কাটার অপেক্ষা। ব্যাগ থেকে মোবাইল বের করলাম। কিন্তু নেটওয়ার্কের ছিটেফোঁটাও নেই দেখে মনটা অজানা আশঙ্কায় ভরে উঠলো। প্রতিদিনের মতোই একটি সুন্দর সকালে জেগে উঠার আশা নিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করলাম। এক সময় চোখ লেগে আসলো। সারাদিনের জার্নির ক্লান্তিতে এবং একটানা বসে থাকার কারণে গাড়ির মধ্যেই সিটে হেলান দিয়ে গভীর ঘুমের কোলে ঢলে পড়লাম।
হঠাৎই ঘুম ভাঙলো। বুঝতে পারলাম এমনি এমনি ভাঙেনি। হয় কেউ ডাক দিয়েছে, অথবা কোনোকিছুর শব্দে ঘুম ভেঙ্গেছে। ঘুম ভাঙ্গার কারণ খুঁজতে গিয়ে প্রচণ্ড ভয় পেয়ে গেলাম। মেরুদণ্ড বেয়ে ভয়ের শীতল এক শিহরণ নেমে এলো। শিরশির অনুভূত হলো। গাড়িতে আমি ছাড়া আর কেউ নেই!
গাড়ি থেকে নেমে আশেপাশে যতদূর চোখ যায় কাউকে দেখলাম না। তিন তিনটা মানুষ স্রেফ গায়েব। রাস্তা ও গাড়ির কাঁচ ভেজা। বৃষ্টি হয়েছিল বোঝা যাচ্ছে। তারপর আকাশ পরিষ্কার হয়ে আকাশে চাঁদ উঠেছে। সেই চাঁদের আলোয় স্বস্তির বদলে অস্বস্তি লাগছে। কাউকে দেখা যাচ্ছে না কেন? কোথায় সবাই? জোরে চিৎকার করে ডাকতেও ভয় করছে। মনে হচ্ছে আম্মু বা আন্টিকে ডাকলে তাদের পরিবর্তে ডাক শুনে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসবে ভয়াবহ "কিছু একটা"। অতিরিক্ত ভূতের ছবি আর স্টার ওয়ানের "শশশ, ফের কই হ্যা" দেখার জন্য নিজেকে প্রচুর ধমক দিলাম। ভয়ে হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে আসলো। ব্যাগ হাতড়ালাম ঘড়ির জন্য। রাত আর কতক্ষণ আছে জানা দরকার। সূর্য উঠলে দিনের আলোয় একটু সাহস হবে। কিন্তু মাথায় বাজ পড়লো যখন দেখলাম হাতঘড়িটা বন্ধ। গাড়ির চাবিও নেই। গাড়ির ইঞ্জিনটা স্টার্ট করলেই ডিজিটাল ঘড়িটা দেখা যেত। কী করবো? এই চাঁদ কখন নামবে? রাতের আর কতক্ষণ বাকি আছে? তিন তিনটা মানুষ কোথায় গায়েব হয়ে গেল? আমাকে একা ফেলেই বা কেন গেল?
প্রশ্নগুলোর উত্তর জানার দু'টো উপায় আছে। সামনের দিকে অথবা পেছনের দিকে হাঁটতে থাকা, অথবা গাড়ির ভেতর বসে বসে ভয়ঙ্কর প্রতিটি মুহুর্ত কাটিয়ে সকালের অপেক্ষা করা। ভেবেচিন্তে অপেক্ষার সিদ্ধান্তই নিলাম। ভয় কাটানোর জন্য ঘুমানোর চেষ্টা করলাম। কিন্তু ঘুমানো আর সম্ভব হলো না। শেষে বসে থেকে অপেক্ষা করতে থাকলাম এই রহস্যময় ঘটনার শেষের উদ্দেশ্যে।
[চলবে]
পরবর্তী পর্ব যথাশীঘ্র প্রকাশিত হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

