আমার প্রিয় পোস্ট

I realized it doesn't really matter whether I exist or not.

মাননীয় সরকার, বিদ্যুৎ ও পানির সমস্যা - আমাদের ভাগ্য কি চিরদিন অপরিবর্তিত থাকবে? MUST READ

১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:২২

শেয়ারঃ
0 0 0

গত ক'দিন ধরে ঢাকায় কী রকম অসহনীয় গরম পড়েছে তা নিশ্চয়ই ঢাকায় বসবাসকারীদেরকে বলে দিতে হবে না। ওয়েদার রিপোর্ট দেখিনি তাই সঠিকভাবে বলতে পারছি না তাপমাত্রা কত ডিগ্রী ছিল। তবে, অসহনীয় তাপদাহ যাকে বলে, ঠিক ততোটাই ভয়াবহ গরম পড়েছে ঢাকায়। এই গরমে ঢাকায় জীবনযাত্রা এমনিতেই কঠিনতর হয়ে পড়েছে। এরপর যখন গরমে একমাত্র রক্ষা পানিও না থাকে, তখন কেমন লাগে বলুনতো?

একবার কল্পনা করুন। অসহনীয় গরম। সহ্যের সীমা শেষ হয়ে যায়, তবুও গরম কমে না। একমাত্র উপায় দিনে গোসল করা দুই-একবার আর প্রচুর পানি পান করা। কিন্তু বিশ্বাস করুন, সাপ্লাইয়ে পানি নেই। নেই তো নেই-ই। এমনিতেই প্রতি তিন-চার ঘণ্টা পরপর কারেন্ট চলে যায়। ফ্যান বন্ধ থাকে বিধায় ঘামতে ঘামতে অবস্থা এতটাই খারাপ হয় যে তা একেবারেই অবর্ণনীয়। তারপর আবার যদি পানিও না থাকে, তাহলে মনে হয় যেন নরকে না হলেও নরকের ধারে-কাছে আছি। বিদ্যুৎ আর পানির সমস্যা এখন প্রতিটি মানুষের। গত দু'দিন পর আজ একটু আগে পানি আসলো। দু'দিন ধরে খাবার পানি গোসলের পানি কিছুই নেই। তাই এই গভীর রাতে ঘুমের কথা ভুলে গিয়ে পানির পাম্প চালু করলাম। আমাদের বাসা টিনশেড, পাম্প চালু করা মানে খালি সুইচ টেপা না। পাম্প চালু করে আবার হোস পাইপ দিয়ে বালতি-ড্রাম ইত্যাদি ভরতে হয়। পানি ভরতে গিয়ে লক্ষ্য করলাম নয়া প্রজাতির পানি। রং কুচকুচে কালো। বিশ্বাস করবেন না, এই পানিতে যদি একশো'টা কেঁচো আর তিনশ'টা জোঁক সাঁতার কাটে, বোঝার কোনো উপায় নেই। কথাটা অবশ্যই কাল্পনিক নয়। ওয়াসার পানিতে কেঁচো-জোঁক এসব পাওয়া এখন আমাদের নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এই অসহ্য গরমে, ঠিকমতো বিদ্যুৎ না পেয়ে, দু'দিন পর পানি আসার পর সেই পানির যদি এই দশা হয়, তখন ঠিক সেই মুহুর্তে মেজাজটা কেমন খারাপ হয় একবার কি একটু কল্পনা করে দেখতে পারবেন?

কেন? বাংলাদেশ গরীব দেশ। মানলাম। তাই বলে কি আমরা মানুষ নই? তীব্র গরমে আমাদের বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকতে হবে আর দু'দিন পর পর জোঁকের পানি খেতে হবে আর গোসল করতে হবে? আমরা বিল দিয়েও ঠিকমতো বিদ্যুৎ পাই না। বিল দিতে দু'দিন দেরি হলে লাইন কাটতে চলে আসে ওয়াসা-ডেসকো। অথচ ওনারা যখন পানি-বিদ্যুৎ কিছুই দিতে পারে না, তখন ওনাদের বিরুদ্ধে আমাদের যে অভিযোগগুলো উত্থাপিত হয়, সেগুলো শোনার মতো কেউ নেই কেন?

সরকার, সরকারী কর্মকর্তা, মন্ত্রী, ভিআইপি, সবাইকে যতদিন পর্যন্ত এসি রুম, এসি গাড়ি, ভিআইপি রোডে চলাচল (যানজটবিহীন) আর বাসভবনে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহ থেকে দূরে না রাখা হবে, ততদিন পর্যন্ত তারা এই দেশের সাধারণ মানুষের অমানবিক সমস্যাগুলোর কোনো সমাধান করবেন না। আজ আমি বলে রাখলাম। লিখে রাখুন আপনার খাতায়। আমি নির্দিষ্ট কারো কথা বলছি না। আমি বাংলাদেশ সরকারের কথা বলছি। যে যখনই ক্ষমতায় আসুক, তার জন্যই উপরের কথাগুলো প্রযোজ্য। মন্ত্রী হোক আর যাই হোক, ওনাদেরকেও আমাদের মতোই অবস্থানে রাখা হোক। দিনে দশবার লোডশেডিংয়ের অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করতে উনাদের বাধ্য করা হোক। প্রতিদিন পানির কষ্ট দেয়া হোক। উনারাও মানুষ, উনারাও বাংলাদেশি। উনাদেরকেও আমাদের মতো যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে তারপর বাসায় ফিরে পানি বিদ্যুৎ কোনোটাই না পাওয়ার যন্ত্রণা বুঝতে হবে। বুঝতে না, সেরকমভাবেই থাকতে হবে উনাদের। যদি এসি রুমে থাকা আর ভিআইপি রাস্তায় চলাফেরার সুবিধা কাউকে দিতেই হয়, মুক্তিযোদ্ধাদের দেয়া হোক। সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধাদের। যারা উপহার দিয়েছে এই বাংলাদেশ। যাদের হাতে ক্ষমতা আছে, তাদের বোঝা উচিৎ, ক্ষমতা এক প্রকার দায়িত্ব মাত্র। আর কিছুই না। তাদেরকে বিলাসিতা থেকে টেনে নামানো উচিৎ। নইলে বললামই তো, আমাদের ভাগ্য চিরদিনই অপরিবর্তিত থাকবে।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: সময়ের কথা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মে, ২০১১ বিকাল ৩:০৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৬
কখগঘ বলেছেন: ঠিক।

এখন তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি। ফিলস লাইক ৩৯.১ ডিগ্রি।

উনারা তো এখন আছেন ২০-২৫ এর মধ্যে।
১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন: ওনাদেরকেও আমাদের মতোই সাধারণ পরিবেশে জীবনযাপন করতে দিন। পানি আর বিদ্যুৎ ছাড়া থাকতে দিন। দু'দিন টিকবে কিনা সন্দেহ।

২. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৪
নিম গাছ বলেছেন: দুর ভাই ঢাকা শহর! ঢাকা শহর আছে বইল্যাইতো আমাগোর গেরামে এতো সমস্যা। পানি আছে বিদ্যুৎ নাই, সারাদিন রাতের মধ্যে ৬/৭ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাহে, গাছ তলা কাটে সারাদিন। কিন্তুক রাইতে বেলায় যে কি অবস্থা আমাগো না দেখলে বুঝবার পারবেন না।
১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: আমি ঢাকায় থাকি তাই শুধু ঢাকার কথা বললাম। তবে ঢাকাই বলুন আর গ্রামের কথাই বলুন, সবখানের দায়িত্বই ঐসব মন্ত্রী-মিনিস্টারদের উপর। তারা ক্ষমতা পেয়ে দায়িত্বের কথা ভুলে বসে আছেন। আমার মতে আমাদের দেশে এখন প্রধান সমস্যা পানি ও বিদ্যুৎ। এগুলো নিয়ে আগে ভাবা উচিৎ। অবশ্য আমার ধারণা ওনারা বুঝতেই পারছেন না পানি আর বিদ্যুতের সমস্যা যে কতটা কঠিন। তাই বলছি, আমাদের মতো জীবনযাত্রায় ওনাদের বেশি না দু'চার সপ্তাহ রাখুন। দেখবেন ঘি সোজা আঙ্গুলেই উঠতে শুরু করেছে।

৩. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:৫৬
আহছানউল্লাহ বলেছেন: আর কিছুদিন অপেক্ষা করুন দাদারা জলবিদ্যুতের জন্য টিপাইবাঁধ দিতেছে তখন আমাগো আর বিদ্যুৎ এর অভাব হবে না।আর পানি এখন আষাঢ় মাস চলতেছে(যদি বাসার ছাদ থাকে)বৃষ্টির পানি সংরক্ষন করার চেষ্টা করুন যা পুরো বছর চলবে। যানজট সুখবর হলো আমাগো অর্থমন্ত্রী আজ(১৭.০৬.০৯)বললেন সারা ঢাকা দোতলা রাস্তা তৈরি করবেন।আগামী ছয়মাসের মধ্য টেন্ডার হবে খরচ মাত্র ৮হাজার কোটি টাকা!বাংলাদেশ গরীব কে বলেছে?এখানে একটা ছোট তথ্য দিতে চাই আপনার জানার জন্য শুধু আমরা যারা মাথার ঘাম পাঁয়ে ফেলে প্রবাসে কাজ করছি তাদের পাঠানো রেমিটেন্স দিয়ে যে কোন সরকার বছরেরে কোয়াটার পার করতে পারে।অথচ বিনিময়ে প্রবাসীরা কি পায়?
১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: এরকম হাজারটা প্রশ্নের নেগেটিভ উত্তর দেয়া যেতে পারে। মানে, কিছু্ই পায় না।

৪. ১৮ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৬:২৫
বিবেক হীন বলেছেন: লেখক বলেছেনঃ "সরকার, সরকারী কর্মকর্তা, মন্ত্রী, ভিআইপি, সবাইকে যতদিন পর্যন্ত এসি রুম, এসি গাড়ি, ভিআইপি রোড (যানজটবিহীন) আর নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহ থেকে দূরে না রাখা হবে, ততদিন পর্যন্ত তারা এই দেশের সাধারণ মানুষের অমানবিক সমস্যাগুলোর কোনো সমাধান করবেন না। "

একদম খাঁটি কথা বলেছেন। আমিও চাই এমনটাই। কি যাতনা বিষে বুঝিবে সে কিসে, কভু আশী বিষে দংশেনি যারে।
১৮ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সাহিত্যিক জ্ঞান নেই আমার। তাই আপনার মতো সুন্দর করে কথাগুলো উপস্থাপন করতে পারিনি।

৫. ১৮ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৩৭
ফিরোজ-২ বলেছেন: কি যাতনা বিষে বুঝিবে সে কিসে, কভু আশী বিষে দংশেনি যারে।
বিবেক ভাই ভালো বলেছন আপনার সাথে সহমত।
১৮ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: :)

৬. ১৮ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৯
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: একমত। তবে লাভ নাই। পরিস্থিতি তেমন বদলাবে না।
১৮ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪

লেখক বলেছেন: হুমম, সেটাই সমস্যা। তবে মন্ত্রী-মিনিস্টারদের কয়েকমাস আমাদের সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপন করতে দিলে তারা খাওয়া-দাওয়া বাদ দিয়ে পানি-বিদ্যুৎ সমস্যা নিরসনের জন্য উঠে পড়ে লাগতেন।

৭. ১৮ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬
ত্রিভুজ বলেছেন: কিছুই করার নাই... বছরের পর বছর ধরে এসব দূর্নীতিবাজদের আমরাই তোয়াজ করে যাচ্ছি.. আমরাই ক্ষমতায় বসিয়েছি। সব দায়ভার আমাদেরই.... নেতাদেরকে বকাবকি করে লাভ নাই.....

১৮ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩

লেখক বলেছেন: ত্রিভুজ ভাই, আপনার মন্তব্যের বাকি অংশটুকু আমি লিখে দিচ্ছি।

....এবং তাদেরকে সাইজ করার তথা আমাদের জন্য কিছু করার এবং আমাদের সমস্যাগুলো সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করতে বাধ্য করার দায়িত্বও আমাদের।

৮. ১৮ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৮
নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা... বলেছেন: আমার মাঝে আস্তে ধীরে বোধহয় পশু ভাব চলে আসছে, কারেন্ট গেলে বা পানি না থাকলেই তেড়ে মারতে যেতে ইচ্ছা করে...
১৮ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৬

লেখক বলেছেন: হায় হায়, কাকে মারতে যেতে ইচ্ছে করে? :-/

৯. ১৮ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩
মাসুদ১৯২৪ বলেছেন: লিখে রাখুন আপনার খাতায়। আমি নির্দিষ্ট কারো কথা বলছি না। আমি বাংলাদেশ সরকারের কথা বলছি। যে যখনই ক্ষমতায় আসুক, তার জন্যই উপরের কথাগুলো প্রযোজ্য--------১মত

আমারটা পড়ুনঃ
Click This Link
১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

১০. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:১৮
অলস ছেলে বলেছেন: অবস্থা দেখি কেরোসিন। এখন কি হবে?
১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: কিছুই না মনে হয়।

১১. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:৪৬
বিবর্তনবাদী বলেছেন: হুম

আজকে চারঘন্টা টানা বিদ্যুৎ ছিল না :(
১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:৫৪

লেখক বলেছেন: আমাদের এখানে ছিল না ছয় ঘণ্টা। অবশ্য টানা না। ঘণ্টা তিনেক পরপর গিয়ে প্রতিবার একঘণ্টা করে।

১২. ১৯ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:৪৪
আকাশ_পাগলা বলেছেন: আমি একটা নতুন আইন করার কথা ভাবি। যেখানে কোন রাজনীতিবিদ তাদের চিকিৎসার জন্য বাইরের দেশে যেতে পারবে না। বাইরের স্কুলে ছেলেকে পড়াতে পারবে না।

তাহলে হয়ত দেশের কিছু উন্নতি হত।
১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: হুমম।

১৩. ২২ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ২:০৬
মাজেদুল ইসলাম বলেছেন: ঘড়ির কাটা এক ঘন্টা এগিয়ে কোন লাভ হয়নি,বরং লোডসেডিং বেড়েছে সেদিন থেকে।সারা দেশের কথা জানিনা,আমি রংপুরে আছি এখানে আধ ঘন্টা পর পর বিদ্যুত চলে যাচ্ছে।এই লেখাটা পড়তে আমার দুইদিন লাগল,যতক্ষন বাসায় থাকি ততক্ষন পিসি অন করলেই ইলেক্ট্রিসিটি চলে যাচ্ছিল।স্বাধীনতার এত বছর পেরিয়ে গেল তাও আমারা এ অবস্থার মধ্যে আছি কারণ দুর্নীতিবাজ রাজনিতিবিদ।
২২ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: কথা ঠিক। আমাদের এখানে অর্থাৎ ঢাকায়ও একই অবস্থা। প্রতি এক ঘণ্টা পরপর বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। প্রতিবারের ডিউরেশন এক ঘণ্টা। (মাঝেমাঝে ভুলে দুই এক মিনিট কম হয়।)

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৩৪৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
একঘেয়েমি আমাকে তাড়া করছে নাকি আমি একঘেয়েমিকে তাড়া করে বেড়াচ্ছি, বোঝা দায়।



http://aisjournal.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ