কারণ, এর কনসেপ্টটা ভিন্ন আর এটি দেখার সময়ই প্রথম আমার মাথায় এসেছে যে আমরা ভয় পাই কারণ আমরা ভয় পেতে শিখেছি (আগের পোস্টটি না পড়ে থাকলে অনুগ্রহ করে আগে পড়ে নিন)।
সুপার হাইব্রিড ছবিটি কম বাজেটের ছবি। যারা প্রচুর অ্যাকশন বা গ্রাফিক ভায়োলেন্স দেখতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য এই ছবিটি উপভোগ্য না হলেও যারা ব্যতিক্রমধর্মী ঘটনার ছবি দেখতে পছন্দ করেন তাদের জন্য এটি দারুণ একটি ছবি হতে পারে। সুপার হাইব্রিড সেইসব ছবিগুলোর মধ্যে একটি যেটি আইএমডিবি-তে দুঃখজনকভাবে খুবই কম রেটিং পেয়েছে যার কারণে হয়তো অনেক আগ্রহী দর্শক ছবিটি দেখেননি।
ছবির কাহিনী অনেকটা এরকম, মধ্যরাতে পুলিশের একটি গাড়ি মেরামতের গ্যারেজে অদ্ভূত একটি গাড়ি 'জেগে ওঠে'। কর্মরত সবাই বুঝতে পারে গাড়িটির রয়েছে নিজস্ব সত্ত্বা। সে বুঝতে পারে, দেখতে পারে, যে কোনো সময় যে কোনো গাড়ির রূপ নিতে পারে, শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়, এবং তার বেঁচে থাকার জন্য তেল বা গ্যাস নয়, নেয় রক্ত!
এই অদ্ভূত সুপার হাইব্রিড গাড়ির বিরুদ্ধে বেঁচে থাকার লড়াই নিয়েই পুরোটা মুভি।
সাধারণত আমরা ভূত বা থ্রিলার/হরর মুভিগুলোতে সাসপেন্স থাকে একা যখন চরিত্রগুলো বিভিন্ন ঘরে অন্ধকারে ঘুরে বেড়ায়। কিন্তু এই মুভিতে দেখা যায় গ্যারেজে পার্ক করা প্রচুর গাড়ির মধ্য দিয়ে চরিত্রগুলো হাঁটে এবং দর্শকের মনে একটা ভয় সৃষ্টি হয় এই বুঝি গাড়িটা এলো!
ঠিক তখনই আমার মনে হলো আমরা ভয় পাই কারণ আমরা জানি ঠিক কোন জিনিসটাকে ভয় পেতে হবে।
যাই হোক, মুভি থেকে ফিলোসফি বের করে সেটা নিয়ে পোস্ট করলাম।
ডাউনলোড লিংক
http://www.mediafire.com/?kfjii24585j8tlc
http://www.mediafire.com/?bu5kltissrlbyaj

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



