সতেরোই নভেম্বর
সতেরোই নভেম্বর আমার মৃত্যুদিন হতে পারতো ! যেদিন আমার হাড়ের ভেতরে জেগে উঠেছিলো সমস্ত পালতোলা নৌকো, প্রজাপতি,
এশিয়ার বিষন্ন আকাশ। আমার দেহকে বিদীর্ণ করে যেদিন খুব গাঢ় হয়ে নেমে এসেছিলো অন্তস্থ শীত, কোলাহলপরবর্তী এক ভীষণ নৈঃশব্দ।
রেস্তোরাঁর চেয়ারগুলো কী ভীষণ নিঃস্ব দাড়িয়েছিলো বিমর্ষ ওয়েইটারের চোখের ভেতরে ! আহা বিরহকাতর শেফ; নিভৃতে বসে ছিঁড়ে ফেলেছিলো তাদের ঊনূনসম্পর্কের মসৃণ সুতোগুলো।
সতেরোই নভেম্বর সন্ধ্যেটা খুব সুস্পষ্ট আমার মৃত্যুক্ষণ হতে পারতো ! যা এক আন্তরিক আঁধারের মতো নুয়ে পড়েছিলো এসে আমার বাহুপাশে। তার মুখাবয়বে আমি দেখতে পেয়েছিলাম লুসিফারের জ্বলজ্বলে চোখ কতোটা নির্লিপ্ত ও মেধাবী হতে পারে ! তার মুখাবয়বে আমি একাগ্র দেখতে পেয়েছিলাম- সতেরোই নভেম্বর সন্ধ্যেটা কী এক অন্তর্গত ত্রাস হয়ে ঢুকে পড়েছিলো আমার হাড়ের সুড়ঙ্গে- মাইল মাইল ! শাদা-শাদা !! স্পর্ধিত একদল তাতারের স্বভাবে!!!
----------------
আন্দালীব
১৯.১১.০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

