জানালায়
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৪
জানালায়
রুপান্তরিত ঘুমেরা গহ্বরে থেকে যায়...পরিপার্শ্ব আমার,
আধোজাগ্রত জানালায় দৃশ্যেরা জাগে এবং স্থলজ মেঘ
স্পর্শ কতোটা আর দেহজ; এইঘুমে প্লেটোনিক যতোটা !
সুতীব্রতায় মরে যেতে যেতে গাঢ়তর নকটার্ন এঁকে দেয়া যায়,
পিয়ানো বা অন্ধকারে ।
দূরবর্তী জানালায় দেখো,
আঁধার ও স্পর্শেরা ঝরে গেছে কেমন, রোদের পিরামিডে !
---------------------
আন্দালীব
২০০৬ প্রথমার্ধ
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কবিতা, আন্দালীব ;
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আমার কাছে কিন্তু দু'বছর আগের বলে মনে হচ্ছেনা...
---------
এর মানে দুইরকম হইতে পারে।
১. তথ্যবিভ্রাট করা হইছে যে এইটা আসলে দুই বছর আগের লেখা না। ২. এই লেখনীর উৎকর্ষ আপনাকে এইটাকে দুই বছর আগের লেখা বলে ভাবতে দিচ্ছে না, হয়তোবা এখানে আপনি আমার খুব সমসাময়িক লেখার ধাঁচ পাচ্ছেন।
যাইহোক, ইনফো দেই। মুক্তমঞ্চের পাঠকেরা দুই বছর আগেই এই লেখাটি পড়েছেন। এইটা আমার কবিতার বইয়েও ইনক্লুড হওয়ার চান্স ছিলো গতবছর। পরে, আর গ্রন্থভুক্ত হয়নি লেখাটা।
আপনার প্রতিক্রিয়ায় পেটেন্টশব্দ পেয়ে আমি আনন্দিত। ধন্যবাদ বৃত্ত..
লেখক বলেছেন: ইহা কেন কহিলেন জনাব?
যাইহোক, যোগচিহ্নগুলো তো সদর্থক পাঠানুভূতি প্রকাশ করে। সেই হিসেবে লেখা আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমারো মন ভালো।
ধন্যবাদ মোস্তফা কামাল।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
অনেকদিন পর এলাম আন্দালিবের বাড়ি।
কেমন আছেন?
ভালো লাগলো।
শেষ দু'লাইন মাথায় নিয়ে আজ যাই।
ভালো থাকবেন।
শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: সাজি, ধন্যবাদ নিয়েন। শুভেচ্ছা আপনাকেও। ভালো থাকুন।
নম্রতা বলেছেন:
দৃশ্যেরা ঘুমিয়ে পরেছে , পিয়ানোকে একা রেখে ,কবিতার জানালায় উকিঁ ঝুকি দিয়ে এটুকুই দেখতে পেয়েছিলাম।
লেখক বলেছেন: অনেকটুকুই দেখতে পেয়েছেন নম্রতা....
ধন্যবাদ নিয়েন।
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই যাওয়া হবে। আমি বেজায় ফাঁকিবাজী করি... ![]()
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য
কালপুরুষ বলেছেন:
এমন উপমা সৃষ্টি আমার দ্বারা কখনোই সম্ভব নয়- তাই আন্দালীবীয় ভাবনা সবসময় আমাকে উপমা খুঁজতে শেখায়- তবে উপমা ব্যবহারের কৌশল রপ্ত করতে পারিনা কিছুতেই। বরাবরের মতোই সুন্দর- ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দাদা। আমি অবশ্য উপমাবহুলতা থেকে দূরে থাকবার পক্ষপাতী...সেই চেষ্টাও জারি আছে।
শুভেচ্ছা নেবেন অনেক। ভালো থাকবেন।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
আপনার প্রতিটা কবিতা বেশ ক'বার পড়ি একটু গভীরে যেতে ...........আজও ব্যতিক্রম হলো না।
লেখাটা মনে হচ্ছে বেশ তরতাজা। আগের মনে হলো না।
এভাবে ঘুমিয়ে থাকলে রোদের দেখা মিলবে কি??
জানালায় অনেক দেখতে চেষ্টা করলাম, অন্ধকারে তেমন কিছু দেখা গেলো না। প্রিয়তে গেলো বিনা অনুমতিতে।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ চিটি। সুন্দর করে বল্লেন...
-----------------------------------------------------------------
রুপান্তরিত ঘুমেরা গহ্বরে থেকে যায়...পরিপার্শ্ব আমার,
আধোজাগ্রত জানালায় দৃশ্যেরা জাগে এবং স্থলজ মেঘ
স্পর্শ কতোটা আর দেহজ; এইঘুমে প্লেটোনিক যতোটা !
সুতীব্রতায় মরে যেতে যেতে গাঢ়তর নকটার্ন এঁকে দেয়া যায়,
পিয়ানো বা অন্ধকারে ।
দূরবর্তী জানালায় দেখো,
আঁধার ও স্পর্শেরা ঝরে গেছে কেমন, রোদের পিরামিডে !
----------------------------------------------------------------
লেখক বলেছেন: হাহাহা।
তোমার (!) মন্তব্য জটিল লাগলো...সব লাইনই লাপাডাসে ঢুকছে। ![]()
থ্যাঙ্কস।
...অসমাপ্ত বলেছেন:
...চমৎকার। যদিও মন্তব্য করার সময় ভয়ে ভযে করলাম।
...বোদ্ধা নই... খুব সাধারণ পাঠক। ....কিন্তু মনে হয় ...এটাকেই শব্দ নিয়ে খেলা বলে। খুব কম মানুষই মনে হয়ে খেলাটা পারে। বিশেষ করে কবিতায়...
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যে উৎসাহিত হবার রসদ আছে। আমি উৎসাহিত...
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
কাতরতাটুকু স্পর্শ করলো। নকটার্ন এখানে কী অর্থে ব্যবহৃত? বুঝতে না পারায় একটা অবোধ্য অনুভব হচ্ছে এখানে।
লেখক বলেছেন: নকটার্ন (তর্কস্বাপেক্ষে নকচার্ন) এইখানে দুইঅর্থেই ব্যবহৃত। খেয়াল করলে দেখবেন...নকটার্ন আঁকবার কথা বলা হচ্ছে পিয়ানো বা অন্ধকারে।
এখন দেখা যাক, নকটার্নের শব্দগত অর্থটা কি? অর্থ হলো দুইটা।
১. পিয়ানোয় তোলা মৃদুধরনের সুর যা আচ্ছন্নতা বা একধরনের ঘোরের ভেতরে নিয়ে যেতে পারে। যেমন ধরেন শ্যঁপা নামে একজন পোলিশ কম্পোজার ছিলেন, ইতিহাসখ্যাত ওনার কিছু পিয়ানো নকটার্ন খুঁজলে পেতে পারেন....নেটেই। এরকম আরকি...
২. কোন রাতদৃশ্যের বর্ণনা দিয়ে কোন পেইন্টিংকেও নকটার্ন বা নকটার্নাল পেইন্টিং বলে।
নিবিড় বলেছেন:
প্লেটনিক এবং নকটার্ন আমার কাছেও ক্লিয়ার না ।একটু অবোধ্যতা ঐ দুটা শব্দের কারনে।তবে ওভার অল ভাল লেগেছে।++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নিবিড় (এইটা কি আপনার প্রকৃত নাম? হয়ে থাকলে সেটা খুবই চমৎকার ব্যপার। অবশ্য নিক হলেও চমৎকার...)।
নকটার্ন বিষয়ে উপরে বলা হয়েছে। আর প্লেটোনিক দিয়ে স্পর্শহীন প্রেম বা নিষ্কাম প্রেম বোঝানো হয়। মানে ননফিজিক্যাল আরকি।
ভালো থেকেন।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
হ্যাঁ, আমি মোটামুটি দুটাই ধরে, হয় এটা নাহয় ওটা এরকম দশায় ছিলাম। এখন মাঝে স্তবকটি খুব ইঙ্গিতবাহী মনে হচ্ছে যদি রাত বিষয়ক ধরে নিই, তাহলে। তবে আবার এটাও ভাবছি যে এই প্রকাশটা কোনওভাবে বাংলাশব্দে আনা যায় কি না, বা আনলেও সেটার চরিত্র কতটা বদলে যেতে পারে? আপনার কি মত?
লেখক বলেছেন: সেইটা যে সম্ভব না তা হয়তো না। তবে বাংলায় এই টোনটা ঠিক এরকমভাবে কতোটা ধরা যাবে এইটাও ভাবা দরকার।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
দূরবর্তী জানালায় দেখো,
আঁধার ও স্পর্শেরা ঝরে গেছে কেমন, রোদের পিরামিডে !
আমার কাছে এই দুইটি লাইন ভালো লেগেছে বেশি।
লেখক বলেছেন: পাঠক হিসেবে আপনাকে পেলে ভালো লাগে।
অদৃশ্য বলেছেন:
আন্দালীব ভাই.............উপরোক্ত বিশ্লেষনের কারনে আমার বুঝতে অনেক সুবিধা হলো। অনেক ভালো লাগলো।সবসময় ভালো থাকুন।
আমার ঘরে যাবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
জ্বী, যাবো।
সবাক বলেছেন:
এক দীর্ঘ শীতের প্রস্তুতির ভেতরে ঢুকে পড়েছে সমস্ত পাখিকূল
লেখক বলেছেন: কি অবস্থা আপনার?
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
স্পর্শ কতোটা আর দেহজ; এইঘুমে প্লেটোনিক যতোটা !
সুতীব্রতায় মরে যেতে যেতে গাঢ়তর নকটার্ন এঁকে দেয়া যায়,
পিয়ানো বা অন্ধকারে।
----------------------------------------------------------------------
সমস্তই সুন্দর; তবে এইসব বেশি
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নির্ঝর আপনাকে
স্পর্শ কতোটা আর দেহজ
...................................
আঁধার ও স্পর্শেরা ঝরে গেছে কেমন রোদের পিরামিডে!
চমৎকার কবিতা পড়লাম, এবং প্লেটোনিক,নকর্টান দুটি শব্দের গূঢ় মরতবাও জেনে গেলাম।
ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আফসার। আপনার পাঠ ও মন্তব্য ভালো লেগেছে। আপনিও ভালো থেকেন।
উত্তরাধিকার বলেছেন:
এক কথায়- চমৎকার।
দুই কথায় আলবৎ বাজিমাৎ।।
যে পারে - বিন্দুর মাঝে অবলীলায় সিন্ধু পুড়ে দিতে পারে।
আমি তা স্বচক্ষে দেখে তৃপ্ত হলাম।
লেখক বলেছেন: মেজোকত্তার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম। ![]()
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
রুপান্তরিত ঘুমেরা গহ্বরে থেকে যায়...পরিপার্শ্ব আমার,আধোজাগ্রত জানালায় দৃশ্যেরা জাগে এবং স্থলজ মেঘ
লেখক বলেছেন: হুমম, স্থলজ মেঘ.... ![]()
একজন সৈকত বলেছেন:
"দূরবর্তী জানালায় দেখো, আঁধার ও স্পর্শেরা ঝরে গেছে কেমন, রোদের পিরামিডে ...।"
আমি সেই জানালার দিকেই তাকিয়ে থাকি এখন- বাংলাদেশ সেই রোদের পিরামিডে ঝলমল করে উঠবে- এই আশায়-
লেখক বলেছেন: আরে আপনার খবর কী? ছিলেন না অনেকদিন....
লেখক বলেছেন: ![]()
রিফাত হাসান বলেছেন:
বহুদিন পর আন্দালীবের কবিতা পড়লাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রিফাত ভাই পড়েছেন বলে
ভালো থাকা হোক
লেখক বলেছেন: হায়হায় বলো কী, জ্বরে পড়লা কেমনে? দাড়াও পথ্য আর থার্মো নিয়া আইতাছি...কম্বলচাপা দিমু।
লেখক বলেছেন: ওহ, নতুন কবিতা লিখতে পারিনা মাসাধিককাল হয়ে যাচ্ছে....। বিবর্ণ-রূপসী একটা শীত চলে যাচ্ছে...! আঙ্গুলের খিল ভাংছেই না ![]()
লেখক বলেছেন: আপনাকে্ও শুভেচ্ছা জানাই চিটি। হ্যাপ্পি ন্যুইয়ার ![]()
আধোজাগ্রত জানালায় দৃশ্যেরা জাগে এবং স্থলজ মেঘ
স্পর্শ কতোটা আর দেহজ; এইঘুমে প্লেটোনিক যতোটা !
সুতীব্রতায় মরে যেতে যেতে গাঢ়তর নকটার্ন এঁকে দেয়া যায়,
পিয়ানো বা অন্ধকারে ।
দূরবর্তী জানালায় দেখো,
আঁধার ও স্পর্শেরা ঝরে গেছে কেমন, রোদের পিরামিডে !
...................................................................................................এক লাইনও ভাল লাগার বাইরে রাখতে পারি নাই।
তবে
স্পর্শ কতোটা আর দেহজ; এইঘুমে প্লেটোনিক যতোটা !
সুতীব্রতায় মরে যেতে যেতে গাঢ়তর নকটার্ন এঁকে দেয়া যায়,
পিয়ানো বা অন্ধকারে ।
.........................
এই লাইনগুলো অতিরিক্ত মনোযোগ পেয়েছে.........চারবার পড়লাম একটানা এর আগে ৫ বার পড়েছি.........আরো পড়ব বলে মনে হচ্ছে।
ভাল থাকুন...........নতুন বছরের শুভেচ্ছা।
যদিও শুভেচ্ছা এবং ভালবাসারা কখনও পুরোনো হয় না। একজনের লাইন আজই চুরি করেছি. তার বাড়ি থেকে.......
লেখক বলেছেন: আপনার মনোযোগীতা ভালো লেগেছে। মনোযোগী পাঠকদের বরাবরই ভালো লাগে।
আপনার জন্যে "ঘোরতর" শুভেচ্ছা....সবকিছু শুভ হৌক।
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
দারুণ হইছে।লেখাটার মধ্যে নাগরিক মননের বহিরঙ্গ এবং অন্তরঙ্গ দুটো জায়গায়-ই যেন ফুটে উঠছে। অনুভূতির দৃশ্যরাজি ও তার তলে মানুষেরা যেসব আচরণ করে তা এখানে অনুপস্থিত, তাতে কিছু আসে যায় না, কিন্তু মানুষেরা যেসব কল্পনাসমূহ নিয়ে বাঁচে ( আধুনিক মানুষেরা, নাগরিক শেযালেরা এইসব আরকি), তাদের ভেতরও এক শ্রেণির মানুষ আছে, যারা দেওয়ালে গেঁথে থাকতে দেখে নিজেদেরকে, চার পাশের মানুষদেরকে, এইসব মনে হচ্ছে এইটা পড়ার পর থেকে।
এই কবিতায় আধুনিক চিত্রকলার যে ফর্ম আর তার ভেতর যে মননের জগত গড়ে ওঠে - এখানেও সেই জগত। যেন ব্যক্তির গূঢ় মনো বেলুনের ফেটে যাওয়া শব্দরা চিত্রে এসে হাজির হচ্ছে।
ব্যক্তির সামষ্টিক ভাবনার স্পেস এখানে নাই, এইটা সব কবিতায় থাকতে হবে তাও মনে করি না। তবে, আশা আপনার কবিতায় ভবিষৎ এ তা পাবো।
এইটা ভাল লাগছে।
লেখক বলেছেন: বাহ আপনার ডিটেইলিং এ তো আমি মুগ্ধ....
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: লিখতে পারতেছি না বস। তবে আপনাদের লেখাগুলা এই যন্ত্রনাটা অনেকটাই লাঘব করে দিচ্ছে...
লেখক বলেছেন: আরে, আপনি তো দেখি খোদ প্লেটোনিক প্রেমকেই ভালোবাসেন!
বাহ...!
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন:
আপনার অনেক কবিতাই আমার এখনো পড়া হয় নাই।কোন ধরনের আরোপিত রিলেশনশিপ ছাড়া লাইন গুলো বেশি আকর্ষনীয় হয়।তৈজসরেখা বেয়ে পিঁপড়ের ক্যারাভান নামে একটা কবিতা ছিলো আপনার।অবসরে এখনো পড়ি।পুরো কবিতা ভালো লাগলেও
"স্পর্শ কতোটা আর দেহজ; এইঘুমে প্লেটোনিক যতোটা ! " লাইনটা কতোটা-যতোটা টাইপের রিলেশনের কারনে খানিকটা হলেও দূর্বল মনে হল।
অবশ্য এটা আমার একান্তই নিজের অনুভূতি।
লেখক বলেছেন: হুম, এটা ভালো বলেছেন। এই রকমের সমস্যাকে আমিও লেখবার সময়েই কখনো লোকেট করতে সক্ষম হই। যেমন খুব সাম্প্রতিক যেই লেখাটা দেয়া হয়েছে (পাড়ি) ওখানেও এরকমের একটা ইন্টার-রিলেশন লেখবার সময়েই ধরতে পেরেছিলাম। ওখানে একটা পংক্তিতে "যখন-তখন" এই রিলেশেনটা রক্ষা করা হয়েছে। এই কবিতায় যেমন আপনি বল্লেন "কতোটা-যতোটা" এই রিলেশনের কথা, এরকম আরকি। তো, আমার কাছেও মনে হয় যেটা যে- এই রকমের প্রয়োগগুলো বেশিরভাগ সময়েই কবিতার কাব্যিকতার দাবিকে মেটাতে খুব বেশী সক্ষম নয়। তবে সামগ্রিকতার কারনে বা তার দিকে তাকিয়ে কখনো এরকমরে প্রয়োগ চলে আসে, আসতে উদ্যত হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে এরকমের প্রয়োগকে কমিয়ে আনতে চেষ্টা করছি। হয়তো পুরোপুরি পারিনি। এই আরকি....
আপনার চমৎকার পাঠ ভালো লেগেছে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















এবং প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া বিচ্ছিরী...