দেয়ালিক
নৈঃশব্দ্য ভাঙার টুলস্ হিসেবে বহুদিন
ব্যবহৃত হয়েছে হাওয়ার শব্দ, করতালি, বনমর্মর।
প্রান্তর থেকে আসা মানুষের হ্রেষা
পৌছেঁছে দেয়ালের কানে কানে। জ্ঞানত দেয়াল
স্বস্তিপ্রদ বধির। শ্রুতি খোলে মৌল-নৈঃশব্দ্যে।
হাড়ের কফিন পাশে রেখে আসি মৃতের নিরবতা।
আর ডালা ভেঙে ওড়াই লক্ষ পাখির ঝাঁক। যাদের কুজন
গাঁথা আছে সুনসান দেয়ালের কানে কানে। নাদব্রহ্ম,
মেঘের হারমোনি - কেউ জানলোনা তারা
শিস ও শীৎকারে টলে ওঠে কতোটা
পৃথিবীর বধির দেয়াল! এই সান্ধ্যনদী,
পেরিয়ে চলে গেলো যারা; তারা জেনেছিলো শুধু
বধিরতার কোন মিথ কলোতানে ধরা নেই।
সেইসব রাখা আছে দেয়ালের কানে কানে, গূঢ়তরঙ্গে,
নৈঃশব্দ্যবিধুর।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


