আমাদের আপনাদের সবার নেত্রী খালেদা জিয়া (!!!) শুনলাম মহাখুশীতে কেক কাটিয়া গিলিতে পারিতেছেন না । তাহার ডায়েবেটিক্স এর ঝুকি আছে বলিয়া । যাহারা যাহারা খাইতে চান তাহার উচ্ছিষ্ট তাহারা খালেদা ম্যাডাম এর বাড়ির সাম্নের ডাস্টবিন এ লক্ষ রাখুন । কেননা ৪টা ৬৭ পাউন্ড এর কেক তিনি তো ভাল , তার চামচারাও শেষ করতে পারবে না । আর তিনি যে একজন না খেয়ে থাকা শিশুর মুখে একদানা ভাত তুলে দিবেন না সেটা শিওর কেক তো দুরের কথা । তাই সেই অর্ধ বারতি কেক ডাস্টবিন এই হয় ত ফেলবেন ।
যে দেশের রমজান এ লক্ষ মানুষ থাকে অনাহারে অর্ধাহারে , সেই দেশের নেত্রী ইনি, চিনে রাখুন ।
যারা মানবতাকে বড় করে দেখেন তাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন,
একজন রাজনীতিবিদ যিনি নিজেকে দাবী করেন দেশ মানুষ কে তিনি ভালবাসেন , তার এই বিলাসিতার মানে কি?? ৬৭পাউন্ড ওজোন এর ৪টা কেক কি দরকার ছিল?? যে দেশের মানুষ না খেয়ে মারা যায় , সে দেশের নেত্রি কিভাবে মনে এত সুখ রাখতে পারে ।
হায়রে অভাগা বাঙ্গালী , নেত্রীরা শুধু বিলাসিতা করতেই শিখেছে , খালেদা ম্যাডাম কেক দিয়ে বিলাসীতা করেন , আর সরকার প্রধান হাসিনা স্বর্ণ দিয়ে বিলাসিতা করেন । ধ্বিক এই রকম রাজনীতি ।
আর এদের কে নিয়েই চামচামি করে কিছু মানুষ । দ্রব্য মূল্য বাড়লে কথা ফুটে মুখে , যেন সব কিছু বিরোধী রাজনৈতিক দলের ষড়যন্ত্র । খালেদা জিয়া দোষ দেয় সরকারের , হাসিনা দোষ দেয় বিরোধীদলের ।
আমার প্রশ্ন এই কেক আর সোনা দিয়ে কি একটা জেলার ভাগ্য পরিবর্তন করা যেত না?? একটা বস্তির , রাস্তার না খেয়ে থাকা শিশুর মুখে ভাত তুলে দেওয়া যেত না???
এদের দুইজনকেই মাটিতে হাটা শিখানো উচিত । আর আমাদের উচিত অন্ধভাবে এদের বিশ্বাস না করা । বাঙ্গালীর জেগে উঠার সময় এসেছে ।
হয় তাদের পরিবর্তন করুন , না হয় তাদের মন কে পবিত্র করুন ।
আর তাদের শিখান রমাজান মানুষ কে সংযমী হতে শিখায় , বিলাসীতা না ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



