গত ১৯/৯/২০১১ রাত ১২ টার সময় অনুষ্ঠিত স্পানিশ লা লীগার রিয়াল মাদ্রিদ বনাম লেভেন্তো এর মধ্যকার খেলাটি দেখেছেন নিশ্চয়।
এমন দৃষ্টিকটু শরীর নির্ভর খেলা যে লা লীগার মত বড় আসরে হতে পারে ভাবতেই কষ্ট লাগে। তাও যদি আবার তারকা খচিত রিয়াল মাদ্রিদের নিকট কখনও কাম্য হতে পারে না। যে দলে খেলে কাকা, রোনন্দো, ওজিল,হিউগুয়িন, ক্যাসিয়াসদের মত তারকা খেলোয়াড়গন।
কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে বরাবরের মত এবারও খেললেন অত্যন্ত দৃষ্টিকটু একটু ম্যাচ।
সবাই হয়তো আশা করেছিল যে হোসে মরিনহো সবে মাত্র সাশপেন্ডশন কাটিয়ে দলে যোগ দিলেন এজন্য রিয়াল মাদ্রিদ হয়তো কয়েকটি ম্যাচ ভদ্র খেলা উপহার দেবে দর্শকদের। কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি। যেই না মরিনহো দলের সঙ্গে যোগ দিলেন অমনি খেলোয়াড় ভিতরের পশু সুলভ আচরনও যেন মাথা চাড়া দিয়ে ওঠল। যদিও কালকে ঝামেলায় মরিনহোর কোন মদত ছিল না। তবুও যেন সেন মাঠে উপস্থিত থেকেই সবাইকে প্রেরনা যুগিয়েছে।
খেলার শুরু থেকে দুদলেই মারমুখি মনোভাব নিয়ে বিপক্ষের খেলোয়াড়দের আক্রমনে ব্যস্ত ছিল। তবে ১ না ১০ কাঠি উপরে ছিল তারকা খচিত রিয়াল মাদ্রিদ।
ঘটনার সুত্রপাত ডি মারিয়া কর্তৃক ফাউল থেকে। দুদলের খেলোয়াড় কথা কাটা কাটির এক পর্যায়ে ডি মারিয়া যেভাবে অভিনয় করে মাটিতে চিৎপটাং হয়ে পড়ে গেল তাতে মনে হলো সে খেলোয়াড় না অভিনয় জগতে নাম লেখালে অনেক সাইন করত। পরের ঘটনা:
পড়ে যাওয়া ডি মারিয়াকে লেভেন্তোর এক খেলোয়াড় কিছূ বলতে গেলে খিদারী যে ভাবে তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন তা ছিল অমানবিক। ফলশ্রুতিতে লাল কার্ড খেয়ে মাঠের বাহিরে চলে যান।
এতে যেন রিয়াল মাদ্রিদ আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। যার নমুনা দেখা যায় পেপে (আমার দৃষ্টিতে সবচেয়ে বাজে খেলোয়াড়), মার্সেলোসহ সহ অধিকাংশ খেলোয়াড়দের আচরনে।
পুরো ম্যাচ জুড়ে ছিল হলুদ কার্ডের ছড়াছড়ি। শক্তি নির্ভর দৃষ্টিকটু ফুটবল খেলেও শেষ রক্ষা করতে পারেন নাই তারা ১-০ গোলে ম্যাচ হেরে মাঠ থেকে মাথা নিচু করে বিদায় নিতে হয়।
এখানেই রিয়াল মাদ্রিদ এবং বার্সেলোনা দলের খেলার পার্থক্য ১ম দলের খেলা হলো দৃষ্টিকটু,শক্তি নির্ভর,হঠকারীতা, এবং অশালীনতায় ভরপুর অপর দিকে ২য় দলের খেলা নান্দনিক, কৌশল নির্ভর, ভদ্রতায় ঘেরা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


