আমার প্রিয় পোস্ট

বাধ ভাঙার এই আওয়াজ বোধহয় কারো কাম্য ছিল না (উৎসর্গ :বিদায়ী ধূসরছায়া বৃন্দ)

০৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:২২

শেয়ার করুন:                   Facebook

সাবেক গল্প:
প্রথম আলো বের হলো।আমাদেরই সাবেক সহকর্মীরা একটি ঝকঝকে এসি অফিসে,পায়ের নিচে কার্পেট নিয়ে,গদি আটা ইম্পোর্টেড চেয়ারে বসে বের করলেন সম্পুর্ণ রঙ্গীন ১৬ পৃষ্ঠার ঝকঝকে একটা পত্রিকা।

অপর পাশে আমরা আরেকদল যুদ্ধ শুরু করলাম সেই আম কাঠের হাতল ভাঙ্গা চেয়ারে বসে,২২ জন মানুষের জন্য ৩টা সিলিং ফ্যান ঘুরিয়ে,ট্যাপের পানি খেয়ে,সাদাকালো একটা ১২ পৃষ্ঠার পত্রিকা ভোরের কাগজকে বাচিঁয়ে রাখার যুদ্ধ।

দিন যায়,সপ্তাহ যায়,মাস যায়।প্রথম আলোর সার্কুলেশন ১২ থেকে ২০ হাজারে ঘুরেফিরে,আর আমরা ৯০ হাজার থেকে উঠে আসি ১ লক্ষ ৫ হাজারে।ভোরের কাগজের যে শক্তি,সেই পাঠকরা আমাদেরকে ঘিরে ধরে থাকেন।


সেই সময়ের কথা।কী নেই আমাদের।আমাদের আছেন অমিত হাবিব,অলক গুপ্ত,পুলক গুপ্ত,মইনুল হাসান সাবের,সঞ্জীব চৌধুরী,
মুন্নী সাহা,জ.ই.মামুন,অমুক তমুক...।

এক অন্ধ ডেডিকেশনে আমরা খাটতে থাকি প্রাণপন।
সাবের হোসেন চৌধুরী আমাদের মালিক,বনেদী পয়সাঅলা লোক,প্রতিমন্ত্রীর চেয়ারে আসীন,তিনি ভোরের কাগজের প্রকাশক।আমরা তার কাছে দেন দরবার করি ক্রমাগত,পত্রিকাটিকে রঙীন করে দেন,আমাদেরকে ১২ পৃষ্ঠার জায়গায় ১৬ পৃষ্ঠা করে দিন।আর কিছু চাই না,দেখবেন প্রথম আলোকে দৈনিক শ্যামবাজারের পর্যায়েই থামিয়ে রাখব,বাড়তে দিব না সহজে।

সাবের হোসেন শুনেন না।তিনি তখন ছিলেন মগন মন্ত্রীত্বের কাজে..।


তারপর মাস ঘুরে ২ মাস..৩ মাস...৪ মাস।
পাঠকদের চিঠি,এজেন্টদের করুন ফোন..ভাই রঙীন করুন..ভাই পৃষ্ঠা বাড়ান...।
আমরা চিৎকার করি,লাভ নেই।
এক সময় ধ্বস নামে খুব ধীরে।সার্কুলেশন কমে হয় ৮৫ হাজার,প্রথম আলো ৪০ হাজার।
মাসিক মিটিঙে তখন আমি বলেছিলাম,"আমাদের দৌড়ার ক্ষমতা ছিল,কিন্তু আমাদেরকে বস্তা দৌড়ে দেয়া হয়েছে,অথচ ট্র্যাকের বাকি সবাই দৌড়াচ্ছে ম্যারাথন।আল্লাহর ওয়াস্তে আমাদের পা খুলে দিন।"

মাসের বেতন বাকী পড়ে।এক মাস থেকে দুই মাস।তারপর তিন মাস।

প্রথম চাকরি ছাড়ে এক ছোট্ট জুনিয়ার সাবএডিটর।
তারপর লাইব্রেরিয়ান,তারপর একটা পিওন,তারপর এক শিক্ষনবীস রিপোর্টার।
সেই শুরু।আমাদের কোটিপতি মালিক আমাদের বেতন দেন না,পত্রিকা রঙীন করে দেন না,পৃষ্ঠা বাড়িয়ে দেন না।তার এক অন্ধ বিশ্বাস "ভোরের কাগজ"কে তার পাঠক ছেড়ে যাবে না।

কিন্তু কর্মীরা যায়,বাধ্য হয়েই যায়।ইটিভিতে চলে যায় এক ঝাঁক জাদরেল সাংবাদিক,এখানে ওখানে আরো কয়জন ভালো ভালো সুযোগ নিয়ে চলে যায়,আর ১৫ হাজার টাকার রিপোর্টারের শূণ্যস্থান পৌরন করা হয় ১৫শ টাকা বেতন দিয়ে কলেজ ছাত্রদের দিয়ে।

বাদবাকি ইতিহাস।
বহুদিন পরে ভোরের কাগজ রঙীন হয়,অফিস এসি হয়,নতুন নতুন ফিচার যোগ হয়।
শুধু ফিরে আসেনা সেই লক্ষ পাঠক।
ফিরে আসেনা সেই আবেদন,সেই ভালোবাসা।

বর্তমান গল্প:

এই দেশের একটি ব্লগিং সাইট।
ঝাকে ঝাকে তরুন লেখকরা রাতজেগে সেখানে লিখতে আসে।
নিজের খেয়ে একে তাকে এখানে লিখতে আমন্ত্রন জানিয়ে যায়।
হঠাৎই অজানা কারনেএক সময় এখানে বাড়তে থাকে তথাকথিত নষ্ট রাজনীতির মানুষরা।তারা তাদের নখের আচরে রক্তাক্ত করে মনিটর,কী বোর্ড,মাউস..।

আমরা ক্রমাগত এই দিকে সাইট মালিকের দৃষ্টি আকর্ষন করি।
ক্রমাগত তাদেরকে বুদ্ধি পরামর্শ দেই,প্রতিবাদ করি,প্রতিরোধের চেষ্টা করি।

সাইট মালিক চোখ মেলে তাকান না।

একজন জামাল ভাষ্কর চলে গেলেন,একজন অমিত আহমেদ লেখা বন্ধ করলেন,একজন হাসান মোরশেদ তার ব্লগ শিরোনামে লিখলেন "এই ব্লগে কোন মৌলিক লেখার দরকার নেই",একজন মিয়া মোহাম্মদ হুসাইনুজ্জামান ব্লগে লিখে গেছেন "এই খানে আর থাকলাম না,মন উঠে গেছে",একজন তাসনিম নুসরাত বিদায়ী পোস্ট দিলেন,একজন ধূসর ছায়ার লেখা আর ২০০ পোস্ট অতিক্রম করবে না।


আমি দেখছি সেই একই ইতিহাস আবার।
একদিন হয়তো সবই হবে,সেই ভোরের কাগজের মতোই তখন হয়তো খুব দেরী হয়ে যাবে।

এরকম আত্মহত্যার ইতিহাস দেখতে দেখতে আমি বড়ো ক্লান্ত।
কেন যে আমাদের মাথার উপরের মানুষগুলো বুঝেন না,
নদীর কোটীটাকার বাধ ভাঙা শুরু হয় কিন্তু ছোট্ট ইদুরের গর্ত থেকেই।

এখানে সেই গর্ত বড়ো হয়ে ফাটল হচ্ছে।
হয়তো এখনও খুব দেরী হয়ে যায় নি,তবে ক্রমাগত দেরী হয়ে যাচ্ছে।
বাধ ভাঙার এই আওয়াজ বোধহয় শোনা কারো কাম্য ছিল না।
কে জানে,কে বলতে পারে ?


 

 

  • ৫৩ টি মন্তব্য
  • ১৩৬৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩৫ জনের ভাল লেগেছে, ৩ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:২৬
comment by: আমিমানুষ বলেছেন: আমার লেকার ক্ষমতা নাই। আপনি চালাইয়া যান
২. ০৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:২৯
comment by: ফরিদ বলেছেন: কিছু মোটা চামড়ার দায়সারা মানুষ থাকবে আর কিছু নতুন মুখ আসতে থাকবে। তবে এই সাইটের সমান্তরালে মনে হয় ধর্মোন্মাদ আর যুক্তিন্মাদ কিছু সাইটের জন্ম নিবেন। যারা চলে গেছেন তাদের অনেকেই সেখানে উচ্চপদে রাজত্ব করবেন।
৩. ০৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:৩৪
comment by: ধূসর ছায়া বলেছেন: ধন্যবাদ আরিফ ভাই । শোকসে রেখে দিলাম । দ্রোহী আশরাফ রহমানকে ৫টা রাজাকারের নাম বলতে বলে । আজও উত্তর দেয়নি । আর কর্তৃপক্ষকে আমরা কত বার কত কত ভাবে আহবান করেছি । শুধু স্পষ্ঠ একটা ঘোষণা দেন, তারা ৭১ এর অনুভূতিকে সম্মান দিবেন । তাহলে আমি ফিরে আসবো । আপনাকে কথা দিচ্ছি । আমরা সবাই আলোচনা করে ঠিক করবো ৭১ এর অনুভূতির সম্মান । এখানে গায়ের জোড় বলতে কিছু থাকবে না ।
৪. ০৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:৩৬
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: আমরা ফুটছি যে কোন সময়ে,আর আপনি বলছেন ফিরে আসার কথা।
৫. ০৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:৪৪
comment by: ধূসর ছায়া বলেছেন: আরিফ ভাই, হাহাহা । যাই হোক ভাই একটা জিনিস খিয়াল কইরা দেখবেন, নির্বাচিত পোস্টে আপনার এ লেখা কোনদিন স্থান পাবে না । দ্রোহী কোনদিন আশরাফ রহমানের মুখ থেকে ৫জন রাজাকারের নাম বের করতে পারবে না । আর আমরা স্পষ্ঠ ঘোষণাও শুনতে পাবো না ।
৬. ০৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:৪৯
comment by: ধুসর গোধূলি বলেছেন: ঝেড়ে লিখেছেন আরিফ ভাই।
আবারো চোখে আঙুল দিয়েই দেখালেন, এবং আশা করা যায় আবারো ফলাফল একই হবে। যেই লাউ সেই কদু!


হর্তাকর্তারা এই পোস্ট ভুলেও পড়ে দেখবেন না। তারা পড়বেন সাদিক মোহাম্মদ আলম লেবানন বিষয়ে কী লিখলো, ত্রিভুজ কারে অমুসলিম বানালো, আশরাফরা বাংলাদেশের ইতিহাসের চাকায় কীরূপে নতুন সজ্জা দিলো- সেদিকে তাদের নেকনজর।
এখানে একজন জেবতিক আরিফ কি লিখলো তাতে তাদের কিছুই এসে যায় না, তাদের মূল কথা হলো যাদের আটকে রাখলে হুজুর খুশী তারা থাকলেই হলো, বাকিরা টাটা!!
৭. ০৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:৫০
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছিরে ভাই।চেষ্টা করছি ..এই আরকি।
৮. ০৬ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:৫২
comment by: আলী বলেছেন: এককালের তুখোড় কপিপেস্ট-ফ্লাডার সবসময়ের স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির ধারক বাহক সমর্থক ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসি আমি ছিলাম আছি থাকবো। আপনাদের কাছে বল্গ কি জানি না কিন্তু আমার কাছে এটা আমার পরিবার হয়তো পরিবারে আমার আয় কম তারপরও আমি পরিবারের সদস্য দিবো না কোনো নোংরামির প্রশ্সয় এখানে ততদিন যতদিন না আমার নিক ব্যান করে স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলার অভিযোগে।
৯. ০৭ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:১৭
comment by: ধূসর ছায়া বলেছেন: নদীর কোটীটাকার বাধ ভাঙা শুরু হয় কিন্তু ছোট্ট ইদুরের গর্ত থেকেই।

এখানে সেই গর্ত বড়ো হয়ে ফাটল হচ্ছে।
হয়তো এখনও খুব দেরী হয়ে যায় নি,তবে ক্রমাগত দেরী হয়ে যাচ্ছে।
বাধ ভাঙার এই আওয়াজ বোধহয় শোনা কারো কাম্য ছিল না।
কে জানে,কে বলতে পারে ?
১০. ০৭ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:২১
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: সাহসীরা জয়ী হয় ...হোপ ইউ এন্ড ইউ উইল
১১. ০৭ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:২২
comment by: ইরতেজা বলেছেন: ধূসর ছায়া আপনে পাশে থাকলে অনেক সাহস পেতাম। লড়াই ময়দান থেকে চলে জাচ্ছেন। খুব হালকা হয়ে গেলাম ত
১২. ০৭ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:২৩
comment by: ইরতেজা বলেছেন: আমার গুরু আরিফ ভাইয়ের পোষ্ট না পড়েই ৫ দিলাম।
১৩. ০৭ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:২৪
comment by: মামু বলেছেন: যায় দিন ভাল, আসে দিন খারাপ।

তারপর ও ভোরের আন্ধকার কেটে যাবে, পূর্বদিগন্তে ফুটে উঠবে নতুন দিনের আলো...

আমি আশাবাদী।
১৪. ০৭ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:৩২
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: চোর গেল গা!
১৫. ০৭ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:৩৭
comment by: ধূসর ছায়া বলেছেন: ব্লগটা সত্যি সত্যি এতিম হয়ে গেল । চোররে খুব মিস করবো ।
১৬. ০৭ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:৪৪
comment by: জ্বালাময় বলেছেন: আপনি কেন মিস করবেন? আপনিও চলে যাচ্ছেন না?!
১৭. ০৭ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:৫৪
comment by: ধূসর ছায়া বলেছেন: হুমমম চলে যাচ্ছি ।
১৮. ০৭ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:৫৬
comment by: ধূসর ছায়া বলেছেন: ভোরের সূর্য্য দেখার সাথে সাথেই বিদায় জানাবো ।
১৯. ০৭ ই জুন, ২০০৭ রাত ২:৪৪
comment by: গোলাপি বলেছেন: এইসব ঠিক না।
২০. ০৭ ই জুন, ২০০৭ রাত ২:৫১
comment by: ধূসর ছায়া বলেছেন: সবই ঠিক । আবার সবই বেঠিক । নতুন সূর্য্য দেখে শুরু করবো নতুন জীবন ।
২১. ০৭ ই জুন, ২০০৭ রাত ২:৫৪
comment by: ইরতেজা বলেছেন: হে আল্লাহ আজকে রাতটা যেনো আর ভোর না হয়
২২. ০৭ ই জুন, ২০০৭ রাত ২:৫৯
comment by: ধূসর ছায়া বলেছেন: ইরতেজা ভাই, আপনার ইমেইল এ্যাডটা দিয়েন আমার ব্লগে ।
২৩. ০৭ ই জুন, ২০০৭ ভোর ৪:১২
comment by: প্রজাপতি বলেছেন: ভাঙ্গন এতো বিচ্ছিরি একটা ব্যাপার! কিন্তু একটা পর্যায়ে কি সবই ভাঙ্গতে হয়? সামহোয়ারইনের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোয় আমার বারবারই "ভোরের কাগজ"এর কথা মনে পড়ছিলো, আপনি আবার জাগিয়ে দিলেন।

এখনও কি সময় আছে এই অচলাবস্থা কাটার? সব আগের মত হবার? দেয়ালে পিঠ ঠেকেও কেন পুরনো ভালোবাসা ডাক দিয়ে অলৌকিক আশা দেখায়?
২৪. ০৭ ই জুন, ২০০৭ সকাল ১০:০৪
comment by: মুহম্মদ জুবায়ের বলেছেন: ধূসর ছায়া, যেতেই হবে? একটা কথা ভেবে দেখতে বলি। যুদ্ধের ময়দানে অভিমান একদম দরকারি জিনিস নয়।
২৫. ০৭ ই জুন, ২০০৭ সকাল ১১:১০
comment by: সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: এই সপ্তাহের সেরা পোস্ট বললে ভুল বলা হবে না মনে হয়। জেবতিক শুধু একটা পোস্ট পড়ায় না, কিভাবে লেখার মধ্যে একটা পয়েন্ট তৈরী করতে হয় সেটাও শিখায়। এই লেখায় সেই পর্যবেক্ষনটা উপস্থিত।

সেই পয়েন্ট মেকিংটা এই ব্লগের সব কুতুবেরই শেখার আছে।

জেবতিক আমি জানি আপনি হতাশ পাড়ের মানুষ না। অপটিমিজম ছড়িয়ে দিয়েন যতখানি সাধ্য।
২৬. ০৭ ই জুন, ২০০৭ সকাল ১১:৪৬
comment by: যীশূ বলেছেন: আপনার লেখাটা না পড়েই একটা লেখা লিখে ফেলেছিলাম, এখন দেখি বিষয়টা প্রায় কাছাকাছি।
২৭. ০৭ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ১২:১৪
comment by: হোসেইন বলেছেন: হতাশাতে নাই,আয়েন গড়ার গান গাই।
২৮. ০৭ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ১২:১৫
comment by: মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: @ আরিফ,
সেই ভোকা, সেই প্রআ, সব কিছুর স্বাক্ষী আমিও ছিলাম। আসলেই তো... যাদের পুঁজি, যারা মালিক
তাদের একবিন্দু কষ্ট হয়না প্রতিষ্ঠানের ধ্বংসে।
অথচ আমরা যারা ... তাদের কষ্ট হয়,
ভাঙচুর হয়। বেকুব আমরা। ভালোবাসি, একাত্ব
হয়ে যাই, নিজের ভাবি।
লাভ নেই, ওদের হুশ সহসা হবে বলে মনে
হচ্ছে না। কথায় বলে না-' সময়ের এক ফোঁড়...'
২৯. ০৭ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ১২:৩১
comment by: হোসেইন বলেছেন: সময়ের এক ফোড়ঁ,সামহোয়্যারএ মুখফোড়।
৩০. ০৭ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ১:০৯
comment by: এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন: হুমম। জেবতিক ভাই আপনার লেখার স্টাইল নিয়ে একটা সমালোচনা ছিল। পরে কোন একসময় বলব।
৩১. ০৭ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ২:৩৭
comment by: তারেক রহিম বলেছেন: সেই ভাঙা টেবিলে চেয়ার আঁকড়ে ধরার মত আমরাও থাকি। দেখা যাক কতদূর কি হয়
৩২. ০৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ৯:৫৩
comment by: বাংলার মানুষ বলেছেন: বলতে পারেন- যাদের মন্তব্য এখন পর্যন্ত পরলাম এই পোষ্টের মতামতে তারা এবং তাদের বন্ধুদের লেখা পড়েই এ ব্লগে আসি। প্লীজ যাবেন না, অতীত থেকে শিক্ষার জোড়ে আসুন আমরা এবার বর্তমান ও ভবিষ্যত গড়ি।
৩৩. ০৮ ই জুন, ২০০৭ রাত ১০:১৬
comment by: হোসেইন বলেছেন: যামু না,যামু না,যামু না,
যামু না,যামু না,যামু না,
যামু না,যামু না,যামু না,
যামু না,যামু না,যামু না,
যামু না,যামু না,যামু না,
যামু না,যামু না,যামু না।

তৃণভোজগো খেদামু।
৩৪. ১০ ই জুন, ২০০৭ ভোর ৬:১৬
comment by: বন্ধনহীন বলেছেন: গত ৩/৪ দিন আপনাকে আর দেখি না। শেষপর্যন্ত আপনিও টাটা জানালেন নাকি?
৩৫. ১০ ই জুন, ২০০৭ সকাল ৮:২৩
comment by: মেজভাবী বলেছেন: লেখাটা কিন্তু খুব ভাল হয়েছে। খুব সত্যি কথা লিখেছে।
৩৬. ১১ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:৩৯
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: গুড টু সি ইয়া। যখন জীবিত তখন ফাইট দেয়াই ভালো..কি কও?
৩৭. ১১ ই জুন, ২০০৭ ভোর ৪:১৫
comment by: সলিল বলেছেন: অসাধারণ লেখা...চোখে পানি চলে আসে
৩৮. ১১ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:০০
comment by: গিয়াস আহমেদ বলেছেন: নস্টালজিক করে দিলিরে আরিফ্ফা!
তুইও কিন্তু কিছু জড়িয়েছিলি প্রথম আলোর সঙ্গে। নিয়মিত আসতি প্র.আ-র সেই জন্মক্ষণে। পরে কী এক দুর্বোধ্য কারণে ফিরে গেলি আবার ভোরের কাগজে।
আহা, কত কিছু-কত কথা মরন পড়ে...!
সেই প্রথম আলো আছে, বন্ধুসভা আছে, আছে ভো.কা, পাঠক ফোরাম। কেবল 'প্রাণটা' আর নেই...! পুঁজিওয়ালা মালিকরা ‌প্রাণ মেরে ফেলতে পারে সহজে'- এই গুণের (!) কারণেই তারা মালিক আর আমরা স্মৃতিভুক দুঃখী...
৩৯. ১১ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:০২
comment by: আ স ম মাসুম বলেছেন: গিয়াস ভাই ভালো আছেন?
৪০. ১১ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:২৫
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: গিয়াস ভাই,ব্যক্তি নয় প্রতিষ্ঠানে পরিনতি দেখছি চেয়ে চেয়ে...একজন আরিফ কোথায় ছিল আর কোথায় ছিলনা,কেন গেল কেন ফিরলো সেটা বড়ো কোন বিষয় নয়।
৪১. ১১ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:৩০
comment by: গিয়াস আহমেদ বলেছেন: আমি তা মিন করিনি। প্রতিষ্ঠানের ক্ষয়ের বিষাদই বলেছি। আমরা ছাগলরা চেষ্টা করেছি, প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়েছে, প্রতিষ্ঠান পড়ে গেছে- আমরা বেদনার চোখে দেখেছি... আর অসহাভাবে ইয়ে ছিঁড়েছি- এই তো!
তবে শালারা আমাদের ইউজ করেছে- এটা বুঝিস, পাঠা!
৪২. ১১ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৬
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: বস্,আপনে কি বলিয়াছেন,এই অধম তাহা পূর্বেই বুঝিয়াছে।আপনার কথা বুঝিতে পারি নাই,এমুন কি গত ১১ বচ্ছরে ঘটিয়াছে?

সামহোয়্যারের এই ভেজাল ভালো লাগছে না,তাই এখানেও তল্পিতল্পা গুছিয়ে রাখছি আর কি।
৪৩. ১১ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৯
comment by: গিয়াস আহমেদ বলেছেন: আমি তো এখানে রেগুলার না, কি আর বলব বল। তবে এক এক করে আশাগুলো যখন নিভে আসে- কষ্ট পাই কষ্ট...
৪৪. ১১ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:৪১
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: সেইটাই।
তবে সান্তনা পাই সায়ীদ স্যারের কথায়" কোন সংগঠনই চিরন্তন নয়,একটি নির্দিষ্ঠ সময়ের পর সংগঠনকে বিদায় জানানোই ভালো।"
৪৫. ১১ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৩
comment by: গিয়াস আহমেদ বলেছেন: হু।
৪৬. ১১ ই জুন, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩০
comment by: মম বলেছেন: খুব ভালো কথা বলসেন। চইলা যাওন খুব সোজা।
শিরসঠি ধইরা রাখন কঠিন কাজ।
মানুসের ধৈরজ বড় কম !!
৪৭. ১২ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৮
comment by: ফারজানা মিলি বলেছেন: জেবতিক, চলে গেলে জারজেরা মুক্ত মঞ্চ পেয়ে যাবে। তাদের জন্য আর কত জায়গা ছিাড়ব আমরা। শেষতক দেখা যাবে আমরাই সীমানার বাইরে। তাই থেকে যুদ্ধ করাই কি ভাল নয়?
৪৮. ২৫ শে জুলাই, ২০০৭ ভোর ৪:৪৮
comment by: রাশেদ বলেছেন: ৫। আগে চোখে পড়ে নাই।
৪৯. ২৬ শে জুলাই, ২০০৭ ভোর ৫:৩৩
comment by: রাশেদ বলেছেন: ঠেলা দিলাম...
৫০. ২৯ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩০
comment by: সাধক শঙ্কু বলেছেন: এইবার মোটামুটি একটা হাইপোথিসিস বানানো যায়।

১. একটা মাল্টি-ন্যাশনাল কোম্পানী সুপরিকল্পিতভাবে ধর্ম-ভিত্তিক ফ্যাসীবাদরে সমর্থন দিয়া যাইতাছে। পাকিস্থানের যেই মাদ্রাসার তালিবদের দিয়া তালেবান বানানো হইছে সেগুলা ফিনান্স করছে ইউনিকল।

২. আইয়ূব-জিয়া-এরশাদের মতো মদ-সূদী কারবারের লগে খিচুড়ি কইরা নারায়ে তকবীর মিশিনোর কাজে বরাবরই মুক্তচিন্তার লেখকরা অসুবিধাজনক। সুতরাং ছাগু ছাড়া কাউরে বাক-স্বাধীনতা দেওন যাইবো না। এইটা অস্বাভাবিক কিছু না। যেই যুক্তিতে হিটলার ইন্টেলেকচুয়াল মারছে একই যুক্তিতে জামায়াতে ইসলামীর মিলিশিয়া বাহিনি আল-বদর বুদ্ধিজীবি মারছে। প্রতি ক্ষেত্রেই আলটিমেট নিয়ন্ত্রণ ছিল জলপাই মামাগো হাতে। এইবারো তাই।

৩. বাংলা প্রাচীনকাল থিকাই বিদ্রোহ উপদ্রুত এলাকা। এই সমস্ত প্রতিরোধের কেন্দ্রে কোনদিনই আল্লাহ-ভগু-গডু-শিঙাবোঙা-উগাবুগাদের কোন ইনফ্লুয়েন্স ছিল না। রাজনীতিতে ধর্ম ঢুকাইছে রাষ্ট্র। এই বিষয়ে সবচেয়ে সফল ইংরেজ। ইংরেজের বিরুদ্ধে যতগুলা আপরাইজিং হইছে তার সবই সরাসরি উপনিবেশবিরোধী ইস্যুতে। ধর্ম এইখানে ঢুকছে এই আন্দোলনগুলারে ভান্ডা করার জন্য। পাকিস্থান হইয়াও টিকতে পারে নাই কারণ বাঙ্গালীর কালচার মারফতি-মুর্শীদী দেহতত্ত্ববাদী ঘরানার। হক্কুলু কুলু কুলু ঘরানার না। কিন্তু ঐ যে স্বাধীন মতপ্রকাশের চান্স দিলেই প্রতিবাদ করে । তাতে তো মামার অসুবিধা। ধান চাইল পাতালে পাঠানো যায় না। সুতরাং একের পর এক জলপাই নামাও, লাড়ায়ণ তকবীর গো পাট্টি বানাইয়া দাও নিজ খরচে।

এই ধারাবাহিকতাই হইছে সামহোয়ারইনব্লগে। আন্তর্জাতিকভাবে মামারা এইটারে একটা বিজ্ঞাপন হিসাবে দেখাইবো। দেখাইবো যে বাংলাদেশের লেখকরা মূলত ত্রিভুজ। পাঠকরা ভোদাইচোদা। একটু বেশী বুদ্ধি হইলে এরা সুফী হয়। কিন্তু কোন অবস্থাতেই এর উপরে না। এই বিজ্ঞাপন প্রচারের আর্থিক ক্ষমতা তাগো আছে। তারা এইটা পারে। ২০০৬ এর ফেব্রুয়ারীতে মাসুদার পোস্ট ডিলিট দিয়া শুরু অমি রহমান পিয়ালরে ব্যান করা দিয়া খতম তারাবী।

ছাগুচন্দ্র! সামুব্লগ এখন তোমাগু। খুশীতে এখন জিবলা দিয়া নিজের গোয়া চাটো আর বাললুডুস বানাও।

.....................................................

এই পোস্টখান ২য়বারের মতো মুইছা দিলেন সামহোয়ারের মডুরাম। আবার দিতাছি। পুরা ব্যান না করা পর্যন্ত চলবো।

ইনকিলাব জিন্দাবাদ!!




কৌশিকের মন্তব্যের জবাবে কইছিলাম :

আমি কোনজায়গায় অনপেক্ষ অবস্থানের কথা কইছি বইলা মনে পড়তাছে না। সব অবস্থানেরই নিজস্ব বক্তব্য আছে। কথা হইলো সেই বক্তব্য কি এবং সেইটা কোন পক্ষে যায়।

বাংলাদেশের মাটি থিকা পরিচালিত একটা ফোরাম/ব্লগ বা সোজা কথায় মিডিয়া প্রমাণিত বাংলাদেশবিরোধীদের পেট্রোনাইজ করলে তার বিরুদ্ধমত প্রচন্ডভাবে আঘাত করবোই। ইন্টারনেট তো লেখনের জাগা। এইখানে অক্ষর সমাবেশ দিয়াই আক্রমণ হইবো। এই বিষয়ে সদ্য ব্যান খাওয়া পিয়াল ভাই এর একটা মহাবাক্য মনে পড়তাছে

" থাকলে এমনেই থাকতে হইবো নাইলে ফুট "
৫১. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৮
comment by: আবুফয়সাল আহমেদ বলেছেন: পোস্ট পড়ে অনুপ্রানিত হলাম। কিন্তু ছেড়ে চলে গেলে যুদ্ধটা করবো কিভাবে?
৫২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:০১
comment by: এস্কিমো বলেছেন:

যামু না,যামু না,যামু না,
যামু না,যামু না,যামু না,
যামু না,যামু না,যামু না,
যামু না,যামু না,