আইরিন আপু, বয়সে আমি আপনার থেকে অনেক ছোট, আর ব্লগে তো বটেই! সেইসাথে আমি আপনার একজন অনুরাগীও। গত আড্ডায় আপনার সাথে আমার কিছুটা পরিচয়ও হয়েছে। সে হিসেবে কিছুটা অধিকার নিয়েই বলছি, এই পোস্ট দেয়াটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত হয়েছে? ডাক্তার আইজুদ্দিন আমার ব্লগে আপনার বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করেছে। আপনি সেখানে গিয়ে এর কিছুটা জবাবও দিয়েছেন। তারপর ঐ ব্লগের ক্যাচালটা এখানে টেনে না আনলেও পারতেন।
কিন্তু হলো কি, এক পর্যায়ে আপনার সাথে এখানেও অনেকেই বিবাদে জড়িয়ে পড়ল। সেটা গায়ে পড়ে হোক, কিংবা যৌক্তিক কারণে হোক। আপনিও তাদের সাথে মল্ল যুদ্ধ চালিয়ে গেলেন। একপর্যায়ে কিছু ব্লগারের শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়ে গেলো। কিছু ব্লগার অবশ্য বরাবরই এ রকমের। বলা যায় এটা ওনাদের ঐতিহ্য। আমিও তাদের দলে বৈকি! সবচেয়ে অবাক লাগলো যখন আপনিও নিজেকে কিছুটা অবনমন করে তর্কে লিপ্ত হলেন।
এতে আপনার লাভটা কি হলো? আপনার বিরুদ্ধবাদীরা কি পরিশুদ্ধ হয়ে যাবে? তারা কি তাদের অশ্লীল আবৃত্তি বন্ধ করে দিবে? অকারণে কাউকে হেয় করার মানসিকতা কি বদলে যাবে? কিছুই হবে না। শেষ পর্যন্ত আপনারই ক্ষতি হয়েছে বা হবে। আপনি ঐ পোস্টে যে ভাষায় জবাব দিয়েছেন এই আইরিন আপুকে আমার অপরিচিত মনে হচ্ছে। প্রকৃত অর্থে আপনি সে রকম নন! তাকে আমরা একজন ভদ্র ও বিনয়ী ব্লগার বলেই জানি। যিনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আমার মতো অনেক ব্লগারকেই যূথবদ্ধ করেছেন। কিন্তু ঐ পোস্টে আপনি রাগের বশবর্তী হয়ে নিজের সংযত ভাব এতটা ধরে রাখতে পারেননি। কিন্তু আপনার মতো একজন ব্লগারের কাছ থেকে কি আপনার শ্রদ্ধাভাজন, স্নেহভাজন ও অনুরাগীরা অধিক সংযম আশা করে না? চরম মূহুর্তেও সুরুচিবোধের প্রকাশ চায় না? ব্যক্তিত্বের অটলতা আশা করে না? এই বিষয়গুলো একটু ভেবে দেখবেন।
আপু, ঐ পোস্টে আপনার ইমেজ কিছুটা হলেও ক্ষুণ্ন হয়েছে। যা আমি কখনোই চাইনি। আইডল বা রোল মডেল হিসেবে যখন কাউকে ভাবি, তখন তার নীতিবোধ কিংবা চারিত্রিক দৃঢ়তা কিছুটা স্খলন হলেই বড্ড বেশী পীড়া দেয়। যার জন্যেই এর অবতারণা। যদি ভুল কিংবা অপরাধ করে থাকি তাহলে ক্ষমা করবেন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আপনার সামান্য আপত্তিতেই আমি পোস্ট মুছে ফেলতে বাধ্য।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

