আমার প্রিয় পোস্ট
- সাংবাদিক জীবন ও কয়েকটা গল্প

- শওকত হোসেন মাসুম
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে হবেন পেশাদার ব্লগীয় রেসিডেন্ট ভাঁড়
- নাফিস ইফতেখার
- বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম সম্পূর্ণ (রিপোস্ট) - খলিল মাহমুদ
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই-১: একটা কমিশন গঠনের কাহিনী - শওকত হোসেন মাসুম
- মামোর গল্পু ৮ : মামো ২০২০ - চিন্তা ভাবনা করে ইদুর
ষৎ লুকদের জনগণ শুয়ারপিটা করে কেনু কেনু কেন?
০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৩৭
প্রথমালুর দুষ্টু সাংবাদিকরা এইসব কি ছাপতেছে ভাইডি? আল্লাহর আরশ তো কাপিতে কাপিতে কাপিতে কাপিতে ...
পড়েন।
আপত্তিকর বই বিক্রির অভিযোগ
ঠাকুরগাঁওয়ে ছেলেসহ জামায়াতের কর্মী গ্রেপ্তার
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
‘জামায়াত কোনোভাবেই যুদ্ধাপরাধী নয়, ’৭১-এর গণহত্যার সঙ্গে জামায়াত জড়িত নয়, যারা যুদ্ধাপরাধী ছিল তাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষমা করেছেন।’ এ তথ্যসংবলিত বই বিক্রির সময় সোমবার সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁওয়ের কলেজপাড়ায় জনতা জেলা জামায়াতের এক কর্মীকে পিটুনি দেয়।
খবর পেয়ে ওই কর্মীর ছেলে ধারালো তরবারি নিয়ে জনতার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। লোকজন তাঁকেও পিটুনি দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্িথতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ওই দুজনকে আটক করে। তাঁদের কাছ থেকে সাতটি বইও জব্দ করা হয়। গতকাল বুধবার হরিপুর উপজেলার বীরগড় মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের সময় বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন প্রধান শিক্ষক ও প্রশিক্ষক এ রকম বই প্রশিক্ষণার্থীদের কাছে বিক্রির চেষ্টা করছিলেন। এ সময় প্রশিক্ষণার্থীরা তাঁকে ধরে থানায় সোপর্দ করেন।
পিটুনির শিকার জাহিদুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে সুজনের বাড়ি শহরের কলেজপাড়ায়। সোমবার রাতেই কলেজপাড়ার দোলন কুমার মজুমদার নামের এক ব্যক্তি ওই দুজনকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন। পরে তাঁদের ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মঙ্গলবার পুলিশ তাঁদের ঠাকুরগাঁও মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করলে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
জব্দ করা বইয়ের নাম জামায়াত এবং জামায়াত নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ বানোয়াট, মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রকাশক হিসেবে মাওলানা আবু তাহের মো. মাছুম, চেয়ারম্যান, প্রকাশনা বিভাগ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ৫০৪/০১ বড় মসজিদ, মগবাজার, ঢাকা লেখা রয়েছে।
জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মো. আ. হাকিম জানান, জাহিদুল ইসলাম জেলা জামায়াতের একজন কর্মী। জামায়াতের অনেক প্রকাশনা রয়েছে। যে বইটি জাহিদুল বিক্রি করছিল তা আপত্তিকর নয়। তবে বইটির প্রকাশনা ও বিক্রির অনুমতির ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে পারেননি। জাহিদুল বা সুজনকে বই বিক্রির জন্য দল থেকে কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুব ইসলাম বলেন, জাহিদুল ইসলাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন কর্মচারী। বইগুলো উসকানিমূলক এবং আপত্তিকর−এ কথা মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
আহারে
অচেনা সৈকত বলেছেন:
ষৎ লুকদের দু:খে চক্ষে পানি চইলা আসল।
তনুজা বলেছেন:
কেনু কেনু কেনু .....বড়ই ভাবনায় পড়িলাম আর চউক্ষে ...................... তো ধরেন আছেই কয়েক গ্যালন
রশীদ বলেছেন:
কেনু কেনু কেনু .....?
রোহান বলেছেন:
আহারে... চক্ষু ফাইটা থুক্কু বুক ফাইটা কান্দন আইতাছে রে... এলাকাবাসীগো বিচার চাই, ষৎ লুক চিনলোনা রে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














