somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ষৎ লুকের দলের নামে এইসব কি শুনি গো?
দেখেন পথমালু কি লিখছে।

"চট্টগ্রামে অটোরিকশা ধর্মঘটের নামে নৈরাজ্য
জামায়াত সমর্থিত সংগঠনের তিন নেতাসহ গ্রেপ্তার ১৫
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
সিএনজিচালিত অটোরিকশা ধর্মঘটের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টির অভিযোগে জামায়াত সমর্থিত শ্রমিক সংগঠনের তিন নেতাসহ ১৫ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল বুধবার দুপুর ও আগের দিন মঙ্গলবার রাতে নগরে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে। ধর্মঘটের তৃতীয় দিনে গতকাল দুপুর থেকে সীমিত আকারে নগরে সিএনজি-চালিত অটোরিকশা চলাচল শুরু হয়।
নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী গতকাল দুপুরে নগরের সদরঘাট এলাকা থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেন। তাঁদের মধ্যে আছেন জামায়াত সমর্থিত অটোরিকশা, অটোটেম্পো ও সিএনজি শ্রমিক কল্যাণ ইউনিয়নের সভাপতি মো. কামালউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ ও সহসভাপতি মোতালেব হোসেন। অন্য তিনজন হলেন অটোরিকশাচালক মোহাম্মদ বশির, গোলাম মোস্তফা ও সোলায়মান।
এ ছাড়া মঙ্গলবার রাতে নগরের বিভিন্ন জায়গা থেকে আরও নয়জন চালককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁরা সোমবারের ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। সোমবারের ঘটনায় পুলিশ ১০৮ জন চালকের বিরুদ্ধে মামলা করে। এর মধ্যে ৪২ জন গ্রেপ্তার হয়েছে।
নগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. আবদুল জলিল মন্ডল প্রথম আলোকে বলেন, মামলার আসামি ছাড়া আমরা কোনো চালককে গ্রেপ্তার করব না। চালকেরা নির্ভয়ে অটোরিকশা রাস্তায় নামাতে পারবে। তবে অবশ্যই মিটারে গাড়ি চালাতে হবে। আর নির্দিষ্ট পোশাক পরতে হবে।
পুলিশ সুত্র জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া জামায়াত সমর্থিত সংগঠনের নেতাদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে।
জামায়াত সমর্থিত নেতাদের বক্তব্য: অটোরিকশা শ্রমিক কল্যাণ ইউনিয়নের সভাপতি মো. কামালউদ্দিন গতকাল গোয়েন্দা কার্যালয়ে প্রথম আলোকে বলেন, মালিকেরা চালকদের কাছ থেকে দৈনিক জমা বেশি নিয়ে আসছিলেন। এ কারণে চালকেরা সোমবার মিছিল-সমাবেশের আয়োজন করেন। সবাই এ ধর্মঘটে যোগ দেয়।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ বলেন, রোববার দুপুরে আমরা দুই হাজার লিফলেট পাঁচটি কার্যালয়ে বিলি করি। আন্দরকিল্লার একটি প্রেসে লিফলেটগুলো ছাপা হয়। পরে চালকেরা নগরের বিভিন্ন জায়গায় তা বিলি করেন। সহসভাপতি মোতালেব স্বীকার করেন, অটোরিকশা, অটোটেম্পো ও সিএনজি শ্রমিক কল্যাণ ইউনিয়ন জামায়াত সমর্থিত শ্রমিক সংগঠন।
গ্রেপ্তার হওয়া শ্রমিক কল্যাণ ইউনিয়নের নেতারা আরও জানান, জামায়াতের শ্রমিক সংগঠন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের খান অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা। সোমবারের সমাবেশে আবু তাহের খান বক্তৃতা করেন। পুলিশের ভিডিও ফুটেজ ও স্িথরচিত্রে তাঁর উপস্িথতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।
গতকালের চিত্র: ধর্মঘটের তৃতীয় দিনে গতকাল দুপুরের আগ মুহুর্ত পর্যন্ত নগরে অটোরিকশা চলাচল করেনি। তবে দুপুরের পর অটোরিকশা চলাচল কিছুটা বাড়ে। অটোরিকশা কম চলাচলের কারণে গতকাল নগরে যানজট ছিল না। যাত্রীরা বাস, টেম্পো, রাইডার ও রিকশায় চড়ে যাতায়াত করেছে।
উপপুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. ময়নুল হক প্রথম আলোকে বলেন, চালকেরা নির্ভয়ে অটোরিকশা নামাতে পারে। সরকারের নিয়মনীতি মেনে তারা রাস্তায় নামলে আমরা সহযোগিতা দেব।
মিটারে গাড়ি না চালানো ও নির্দিষ্ট পোশাক পরা বাতিল ও মামলা না করার দাবিতে অটোরিকশাচালকেরা গত সোমবার থেকে ধর্মঘট শুরু করেন। ধর্মঘটের প্রথম দিনেই কিছুসংখ্যক চালক শতাধিক গাড়ি ভাঙচুর করে নগরজুড়ে নৈরাজ্য চালান।
"]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28944396 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28944396 2009-04-30 04:13:48
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না হলে কি হবে? ১দেশে ধনী গরীব বৈষম্য থাকবে না?
২.দেশে কোন ধর্ষন হবে না?
৩.কোন খুন রাহাজানি হবে না?
৪.নারী নির্যাতন থাকবে না?
৫.মাদকের নেশায় ধ্বংস হবে না কেউ?
৬. গরীবেরা সুচিকিৎসা পাবে?
৭.পেটের দায়ে কেউ পতিতাবৃত্তি করবে না?
৮.শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনসন্ত্রাস থাকবে না?
৯.পাচার হবে না কোন নারী , শিশু?
১০.দ্রব্যমূল্য কমে যাবে?
১১. শিশু শ্রম থাকবে না?
১২.মঙ্গা থাকবে না?
১৩.টিজিং থাকবে না?
১৪.লোডশেডিং থাকবেনা?
১৫.দুর্নিতী থাকবে না?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28940643 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28940643 2009-04-21 02:11:05
যুকরুফার দেওয়া নিচের লিঙ্কে ক্লিক করিয়েন না http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28933624 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28933624 2009-04-04 19:11:01 ষৎ লুকের ছাত্র সংগঠনের পুলাপান এইসব কি করে??
পড়েন।
নওয়াব ফয়জুন্নেসা সরকারি কলেজ শিবিরের কোটা বৃদ্ধি না করায় অধ্যক্ষ লাঞ্ছিত! লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি কুমিল্লার লাকসাম নওয়াব ফয়জুন্নেসা সরকারি কলেজে স্মাতক (সম্মান) শ্রেণীতে ভর্তির কোটা বাড়ানোর দাবি না মানায় গত বৃহস্পতিবার শিবিরকর্মীদের হাতে অধ্যক্ষ লাঞ্ছিত হয়েছেন। এ সময় তাঁকে প্রায় চার ঘণ্টা অবরোধ করে রাখা হয়। পরে পুলিশ এসে তাঁকে মুক্ত করে। কলেজ সুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে অধ্যক্ষ ওয়াজেদ মাহমুদ ব্যবস্থাপনা বিভাগ পরিদর্শন শেষে বেরিয়ে আসার সময় শিবিরকর্মীরা তাঁর জামা ধরে টানা-হেঁচড়া ও ধাওয়া করে। একপর্যায়ে তিনি দৌড়ে গিয়ে তাঁর কার্যালয়ে অবস্থান নেন। এ সময় শিবিরকর্মীরা তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখে। লাকসাম থানার উপপরিদর্শক মাহবুবুর রহমান জানান, অধ্যক্ষ অবরুদ্ধ হওয়ার সংবাদ পেয়ে তিনি পুলিশ নিয়ে কলেজে গেলে অবরোধকারীরা পালিয়ে যায়। পরে তিনি অধ্যক্ষকে উদ্ধার করে বাসায় যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেন। শিবিরকর্মীদের অভিযোগ, অধ্যক্ষ সরকারদলীয় ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের হিসাববিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগে স্মাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষে ভর্তি করান। তবে অধ্যক্ষ ওয়াজেদ মাহমুদ এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শিবির নেতারা ভর্তি কোটার ব্যাপারে অনুরোধ জানালে তাঁদের মাধ্যমে পাঁচজন শিক্ষার্থীকে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়েছে। একইভাবে অন্য ছাত্রনেতাদেরও সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু শিবিরের নেতারা আরও বেশি কোটা দাবি করলে তা তিনি প্রত্যাখ্যান করেন। এতে শিবিরকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে লাঞ্ছিত, ধাওয়া ও অবরুদ্ধ করে রাখে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28933379 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28933379 2009-04-04 04:54:08
ষৎ লুকের নামে বরাদ্দ করা জমিটি বাজেয়াপ্ত করা হউক
তাহার নামে বরাদ্দকৃত জমিটি বাজেয়াপ্ত করিয়া তাহা পিলখানায় নিহতদের জন্য ফ্ল্যাট নির্মানে কাজে লাগান হউক। পিলখানায় নিহতরা দেশের জন্য নিজামীর চেয়ে অনেক বেশি কাজ করছে।

পড়েন।
নিজামীর বিবৃতি খালেদা জিয়াকে বাড়ি ছাড়ার আহ্বান কুটরাজনীতি বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে তাঁর সেনানিবাসের বাড়ি ছেড়ে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানকে কুটরাজনীতি ও প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোভাবের প্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে নিজামী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় নেত্রীর সেনানিবাসের বাড়িটির স্থানে ফ্ল্যাট বানিয়ে বিডিআর সদর দপ্তরে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারকে দেওয়ার ঘোষণা এক ঢিলে দুই পাখি মারার অপকৌশল। এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী একজন সাবেক শহীদ রাষ্ট্রপতির পত্নীকেই শুধু বিব্রত করেননি, তিনি বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিবার-পরিজনদেরও বিব্রত ও অপমানিত করেছেন। জামায়াতের আমির বলেন, শহীদ সেনা পরিবারকে বাড়ি বা ফ্ল্যাট দেওয়ার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সরকার যদি আন্তরিক হতো, তাহলে উপযুক্ত স্থানের অভাব ছিল না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28933378 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28933378 2009-04-04 04:50:23
প্রিয় লেখক সুমন রহমান আমাকে ব্লক মেরে রেখেছেন
দীনু ভাইয়ের কাছে আকুল আবেদন, উনার পুন্যব্লগে এই গরীবকে কমেন্টের সুযোগ দিয়া বাধিত করিবেন।

বিনীত
আসিফ রহমান
মালিবাগ, ঢাকা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28933115 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28933115 2009-04-03 16:04:45
ষৎ লুকদের জনগণ শুয়ারপিটা করে কেনু কেনু কেন?

পড়েন।

আপত্তিকর বই বিক্রির অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ে ছেলেসহ জামায়াতের কর্মী গ্রেপ্তার ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ‘জামায়াত কোনোভাবেই যুদ্ধাপরাধী নয়, ’৭১-এর গণহত্যার সঙ্গে জামায়াত জড়িত নয়, যারা যুদ্ধাপরাধী ছিল তাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষমা করেছেন।’ এ তথ্যসংবলিত বই বিক্রির সময় সোমবার সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁওয়ের কলেজপাড়ায় জনতা জেলা জামায়াতের এক কর্মীকে পিটুনি দেয়। খবর পেয়ে ওই কর্মীর ছেলে ধারালো তরবারি নিয়ে জনতার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। লোকজন তাঁকেও পিটুনি দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্িথতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ওই দুজনকে আটক করে। তাঁদের কাছ থেকে সাতটি বইও জব্দ করা হয়। গতকাল বুধবার হরিপুর উপজেলার বীরগড় মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের সময় বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন প্রধান শিক্ষক ও প্রশিক্ষক এ রকম বই প্রশিক্ষণার্থীদের কাছে বিক্রির চেষ্টা করছিলেন। এ সময় প্রশিক্ষণার্থীরা তাঁকে ধরে থানায় সোপর্দ করেন। পিটুনির শিকার জাহিদুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে সুজনের বাড়ি শহরের কলেজপাড়ায়। সোমবার রাতেই কলেজপাড়ার দোলন কুমার মজুমদার নামের এক ব্যক্তি ওই দুজনকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন। পরে তাঁদের ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মঙ্গলবার পুলিশ তাঁদের ঠাকুরগাঁও মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করলে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। জব্দ করা বইয়ের নাম জামায়াত এবং জামায়াত নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ বানোয়াট, মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রকাশক হিসেবে মাওলানা আবু তাহের মো. মাছুম, চেয়ারম্যান, প্রকাশনা বিভাগ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ৫০৪/০১ বড় মসজিদ, মগবাজার, ঢাকা লেখা রয়েছে। জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মো. আ. হাকিম জানান, জাহিদুল ইসলাম জেলা জামায়াতের একজন কর্মী। জামায়াতের অনেক প্রকাশনা রয়েছে। যে বইটি জাহিদুল বিক্রি করছিল তা আপত্তিকর নয়। তবে বইটির প্রকাশনা ও বিক্রির অনুমতির ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে পারেননি। জাহিদুল বা সুজনকে বই বিক্রির জন্য দল থেকে কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুব ইসলাম বলেন, জাহিদুল ইসলাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন কর্মচারী। বইগুলো উসকানিমূলক এবং আপত্তিকর−এ কথা মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28932488 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28932488 2009-04-02 03:37:45
ষৎ লুকের দলের ব্যাঙ্কের কান্ডারিদের নামে এইসব কি লিখালিখি হয়? সুবহানাল্লাহ! প্রথমালুর দুষ্টুরা ষৎ লুকজনের নামে এইসব কি লেখে? কেয়ামত নজদিক! সূর্য কালকেই পচ্চিম দিকে উঠবে। মাটি ফাইটা পানি আর আসমান ফাইটা আগুন পড়বে। খোদার আরশ কাপিতেছে রে ভাইডি কাপিতেছে!!!



ইসলামী ব্যাংকে পরিচালকদের নানা অনিয়ম নানা অজুহাতে আমানতের টাকায় বিদেশ ভ্রমণ মনজুর আহমেদ নানা উপলক্ষ বের করে ব্যাংক আমানতের টাকায় অনৈতিকভাবে বিদেশ ভ্রমণ করেছেন ইসলামী ব্যাংকের পরিচালকেরা। রেমিট্যান্স বা প্রবাসী-আয় বাড়ানোর তৎপরতা, সভা, সেমিনার, প্রশিক্ষণ, পুরস্কার নেওয়ার জন্য বছরের পর বছর ব্যাংকের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে পরিচালকেরা ঘুরে বেড়িয়েছেন বিভিন্ন দেশে। ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান আবু নাসের মোহাম্মদ আব্দুজ যাহের ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম ফরিদউদ্দিন আহমদ নিউইয়র্কভিত্তিক ‘গ্লোবাল ফাইন্যান্স পুরস্কার-২০০৮’ আনতে গত বছরের শেষভাগে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য যান। এক দিনের এ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে এমডি বিদেশে থাকেন ১১ দিন, আর চেয়ারম্যান ২১ দিন। দুজনের ভ্রমণে ব্যয় হয়েছে ১৯ লাখ টাকা। পরিচালনা পর্ষদের যে সভায় এই ভ্রমণ অনুমোদিত হয়, সেখানে চেয়ারম্যানকে বাংলাদেশিদের সঙ্গে আলোচনার জন্য কানাডায় যাওয়ারও অনুমোদন দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিশেষ পরিদর্শন প্রতিবেদনে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ ও ২ মার্চ ব্যাংকটিতে এই বিশেষ পরিদর্শনকাজ চালায় বলে জানা গেছে। যোগাযোগ করা হলে আব্দুজ যাহের দাবি করেন, ইসলামী ব্যাংক কোনো দিন তদারকি সংস্থার কোনো নির্দেশ অমান্য করেনি। গ্লোবাল ফাইন্যান্স পুরস্কার নিতে তাঁরা গিয়েছিলেন ব্যাংকের পর্ষদ সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের বিআরপিডির সার্কুলারের কোথাও ব্যাংকের পরিচালকেরা ব্যাংকের টাকায় বিদেশ যেতে পারবেন না, এমন কথা নেই। এর আগেও আমানতের টাকায় ব্যাংকের পরিচালকদের বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০০৮ সালের প্রথম দিকে এমডিকে ডেকে এনে সতর্ক করে দিয়েছিল। সুত্র জানায়, ২০০২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে ব্যাংকটিতে বিদেশ ভ্রমণে পরিচালকদের ব্যয় ছিল প্রায় দুই কোটি টাকা। সে সময় বিদেশি পরিচালকেরাও বাংলাদেশে পর্ষদের সভায় যোগ দিতে প্রচুর পরিমাণে অর্থ খরচ করেন। সে সময় নয়জন সাবেক বিদেশি পরিচালক পর্ষদের সভায় যোগ দিতে এসে খরচ করেন এক কোটি ১৫ লাখ টাকারও বেশি অর্থ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক বিশেষ তদন্ত প্রতিবেদনে ১১ জন পরিচালকের সবাই ব্যাংকের খরচে সময় সময় বিদেশ ভ্রমণ করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বেশি অর্থ খরচ করেছেন আব্দুজ যাহের, মমিনুল ইসলাম পাটওয়ারী, কাজী হারুন-অর-রশিদ, শহিদুল ইসলাম ও এ কে এম সদরুল ইসলাম। বিশেষ প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে, আব্দুজ যাহের ব্যাংকটিতে চেয়ারম্যান ও পরিচালক থাকাকালে ২০০২ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিদেশ ভ্রমণ খাতে খরচ করেছেন প্রায় ৫০ লাখ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও প্রধান নির্বাহীদের দায়দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা সম্পর্কে বিধি আরোপ করে ২০০৩ সালে। সেখানে পর্ষদ, চেয়ারম্যান ও ব্যাংক ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এমডি) দায়িত্ব ও কর্তব্য সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে। এই বিধি অনুসারে ব্যাংকের ব্যয়ে প্রবাসী-আয় দেশে আনতে সংগঠিত করা, শাখা স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইসংক্রান্ত বিষয়ে বিদেশ ভ্রমণ করার কোনো সুযোগ ব্যাংকের চেয়ারম্যান বা পরিচালকদের দেওয়া হয়নি। কিন্তু চেয়ারম্যান ও এমডিকে গ্লোবাল ফাইন্যান্স পুরস্কার আনতে গিয়ে পর্ষদ আরও যে তিনটি দায়িত্ব দেয়, সেগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত এক্সচেঞ্জ হাউস বা ব্যাংকের সঙ্গে প্রবাসী-আয় আনার ব্যবসার চুক্তি করা, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যাংকের সঙ্গে সভা করা এবং নিউইয়র্কে ইসলামী ব্যাংকের শাখা স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা। এ ছাড়া ব্যাংকটিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধি লঙ্ঘন করে বিশেষ কমিটি গঠন, ব্যাংকের গাড়ি কয়েকজন পরিচালক নিজস্ব সম্পত্তির মতো করে ব্যবহার করার তথ্য-উপাত্ত পায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শকদল। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধি অনুসারে, জরুরি বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য কোনো ব্যাংকের পর্ষদের পরিচালকদের সমন্বয়ে নির্বাহী কমিটি গঠন করা যায়। এই নির্বাহী ও অডিট কমিটি ছাড়া পর্ষদ কর্তৃক অন্য কোনো কমিটি বা সাব-কমিটি গঠন করা যায় না। কিন্তু ইসলামী ব্যাংকে এই বিধান লঙ্ঘন করে ‘স্পেশাল কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির কার্যপরিধি ঠিক করা হয়েছে এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট ও তাঁর দুই ধাপ নিচের এক্সিকিউটিভ নিয়োগ এবং ডেপুটি এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে পদোন্নতি দেওয়ার জন্য। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধি অনুসারে, ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর অব্যবহিত দুই স্তর নিচ পর্যন্ত নিয়োগ ও পদোন্নতি পর্ষদের ওপর ন্যস্ত। অন্য সব পদের নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের হাতে। পর্ষদ এসব ক্ষেত্রে কেবল নীতি প্রণয়ন করতে পারে; কোনো কমিটি গঠন ও নিয়োগ, পদোন্নতি বা বদলির সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারে না। কিন্তু ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও পরিচালকদের নিয়ে গঠিত স্পেশাল কমিটির কার্যপরিধির মধ্যে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট স্তরের কর্মকর্তাদের পদোন্নতির বিষয়টি রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধান অনুসারে কোনো ব্যাংকের পর্ষদে সিদ্ধান্ত নিয়ে চেয়ারম্যানের জন্য ব্যবসায়িক স্বার্থে অফিস কক্ষ, একজন ব্যক্তিগত সচিব বা সহকারী, অফিসে একটি ফোন ও একটি গাড়ি দেওয়া যাবে। কিন্তু ইসলামী ব্যাংকে এই নির্দেশ ভঙ্গ করে চেয়ারম্যান, নির্বাহী, অডিট কমিটির চেয়ারম্যানসহ সাতজন পরিচালকের ব্যবহারের জন্য গাড়ি দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান মওলানা জয়নুল আবেদিন, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম পাটওয়ারী, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান কাজী হারুন-অর-রশিদ, পরিচালক এ কে এম সদরুল ইসলাম, এসকান্দার আলী খান ও শামসুল হুদা প্রায় সার্বক্ষণিকভাবে ব্যাংকের গাড়ি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখেন। এ ছাড়া নির্বাহী কমিটি, অডিট কমিটি ও স্পেশাল কমিটির চেয়ারম্যানের পৃথক অফিস কক্ষ ও অফিস স্টাফ, ফোন সুবিধা দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধান অনুসারে, এসব কমিটির চেয়ারম্যানের অফিস কক্ষ, স্টাফ ও ফোন সুবিধা থাকার কোনো সুযোগ নেই। ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুজ যাহের সামগ্রিক বিষয়ে বলেন, ইসলামী ব্যাংক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য। ফলে এসব সংস্থার বিভিন্ন কর্মসুচিতে নির্বাহীদের সঙ্গে পরিচালকদেরও বিদেশে যেতে হয়েছে। ব্যাংকের পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুসারে পরিচালকেরা বিদেশে গেছেন; কেউ নিজের খুশিমতো যাননি। ব্যাংকের একাধিক পরিচালকের গাড়ি ব্যবহার সম্পর্কে তিনি বলেন, কয়েকজন পরিচালক গাড়ি ব্যবহার করলেও তাঁরা নিজের টাকায় জ্বালানি কিনে থাকেন। চেয়ারম্যান ছাড়া অন্যান্য কমিটিপ্রধানের অফিস কক্ষ সম্পর্কে আব্দুজ যাহের বলেন, নির্বাহী কমিটি ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যানরা অফিস কক্ষ ব্যবহার করেন, এটা ঠিক; তবে ব্যাংকের ওপরে অতিথি কক্ষ আছে, যেগুলো কমিটির চেয়ারম্যানরা প্রয়োজনে ব্যবহার করেন। বিশেষ কমিটির বিষয়ে তিনি বলেন, জরুরি কাজের জন্য এই কমিটি করা হয়েছে। কিন্তু কোনোভাবেই বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধানের বাইরে নিয়োগ, বদলি বা পদোন্নতির বিষয়ে এই কমিটি কোনো কাজ করে না; এগুলো ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষই করে থাকে বলে তিনি দাবি করেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28932053 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28932053 2009-04-01 04:15:42
বাড়িষ্টার রাজ্জাক সহ আরো ১০-১২ জনের সাথে বিডিআরের খুনীদের আলাপ
হুমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমম।

আমরা আগেও দেখছি যে জামাতশিবির খুনখারাপি করলে লাশ গণকবর দেয় (বুদ্ধিজীবী হত্যা কমিটেড বাই ইসলামি ছাত্র সংঘ আন্ডার দ্য নেইম আলবদর) অথবা ময়লার মধ্যে ফেলে (প্রফেসর ড: তাহের হত্যা কমিটেড বাই সালেহী এন্ড কোং)। কাজেই লাশ গুম নিয়া যে দুইখান পরামর্শ বিডিআরের খুনীরা কামে লাগাইছিল, তার সাথে মগবাজারের কর্মকান্ডের বড়ই মিল পাওয়া যায়।

রাজ্জাক ছাহেবের জুবানি অনুযায়ী, লেটস ওয়েট এন্ড সি।


পিলখানার ঘটনায় জামায়াত নেতা রাজ্জাককে আজ জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিআইডি তালিকায় আরও কয়েকজন আইনজীবী নিজস্ব প্রতিবেদক পিলখানার বিডিআর সদর দপ্তরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাককে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তলব করেছে। আজ সোমবার সকালে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সিআইডির তলব আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন আবদুর রাজ্জাক। আদালত জিজ্ঞাসাবাদের ব্যাপারে নির্দেশন না দিয়ে আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে হয়রানি বা গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ দেন। এদিকে পিলখানার ঘটনার সময় হাজারীবাগ এলাকায় মিছিল করার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেওয়া হয়। সিআইডির কর্মকর্তারা জানান, গত ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় হত্যাকান্ডের সময় বিডিআর জওয়ানেরা এ নিয়ে কয়েকজন আইনজীবী ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা এদের কাছ থেকে সহানুভুতি ও আইনগত সহায়তা চান। তাঁরা লাশ গুম করা নিয়েও কথা বলেন। জওয়ানেরা তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন পরামর্শ পান বলে জানা গেছে। বিডিআর জওয়ানদের স্বীকারোক্তি ও তাদের টেলিফোন আলাপ থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে বলে তদন্ত কর্মকর্তাদের সুত্রে জানা গেছে। এরপর সিআইডি এঁদের জিজ্ঞাসাবাদের সিদ্ধান্ত নেয়। এরই অংশ হিসেবে জামায়াত নেতা আবদুর রাজ্জাককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সিআইডি সুত্র জানায়, এ তালিকায় আরও ১০-১২ জনের নাম আছে। পর্যায়ক্রমে এঁদের সবাইকে ডাকা হবে। এঁদের মধ্যে ঘটনার সঙ্গে কারও জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে বলে সিআইডি কর্মকর্তারা জানান। এর আগে পিলখানা হত্যাকান্ডের ঘটনায় প্রায় আড়াই শ লোককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সুত্র জানায়, গত শনিবার জামায়াত নেতা আবদুর রাজ্জাককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিআইডি সদর দপ্তরে তলব করা হয়। পিলখানা হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাহার আকন্দ চিঠি দিয়ে তাঁকে সিআইডির কার্যালয়ে আসতে বলেন। একই সঙ্গে পর্যালোচনার জন্য তাঁর পাসপোর্ট সঙ্গে নিয়ে যেতে বলা হয়। আবদুর রাজ্জাক এই চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গতকাল হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। সিআইডি চিঠি দেওয়ার পর এই জামায়াত নেতা আশঙ্কা করেছেন, তিনি গ্রেপ্তার হতে পারেন। এই কারণে রিট আবেদনের পাশাপাশি তিনি আগাম জামিন চেয়েছেন। তাঁর আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চের একক বিচারপতি মো. শহিদুল ইসলাম আগামী ৫ এপ্রিল পর্যন্ত আবদুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার ও হয়রানি না করার নির্দেশ দেন। ওই দিন জামিনের বিষয়ে নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির নির্দেশ দেন। শুনানিতে অংশ নিয়ে আবদুর রাজ্জাকের পক্ষে আজমালুল হোসেন কিউসি বলেন, ‘সরকার উদ্দেশ্যমূলকভাবে রাজ্জাককে বিডিআর সদর দপ্তরের ঘটনায় জড়াতে চাইছে। ব্যারিস্টার রাজ্জাক এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যায় না।’ আদালত এ সময় বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি এই ঘটনায় জড়িত নয়। এই ধরনের হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তা না হলে দোষীদের খুঁজে বের করা সহজ হবে না।’ এ পর্যায়ে আদালত আবদুর রাজ্জাককে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনি যাবেন। তদন্ত কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। পাসপোর্ট ফেরত নিয়ে চলে আসবেন।’ আদালত পাসপোর্ট পর্যালোচনার পর তা ফেরত দিতে তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। শুনানির পর জামায়াত নেতা আবদুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ডে আমি আদালত অবমাননার মামলা করেছি। তাই সরকার বিডিআর সদর দপ্তরের ঘটনায় আমাকে জড়াতে পারে। সে জন্য আগাম জামিনের জন্য আদালতে এসেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিদেশে যেতে চাইলে সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আমাকে বিমানবন্দরে বাধা দিয়েছে। পরে এর বিরুদ্ধে আমি হাইকোর্টে রিট করি। হাইকোর্টের আদেশ নিয়ে বিদেশে যেতে চাই। কিন্তু আবার বাধা দেওয়া হয়। আমি আদালত অবমাননার মামলা করি। ওই মামলা থেকে রক্ষা পেতে আমাকে বিডিআর হত্যাকান্ডে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’ আবদুর রাজ্জাক বলেন, আজ সকাল ১০টায় তিনি সিআইডি অফিসে যাবেন। তদন্ত কর্মকর্তা সকাল ১০টায় মালিবাগে সিআইডি অফিসে হাজির হতে অনুরোধ করেছেন চিঠিতে। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘ব্যারিস্টার রাজ্জাককে গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করার নির্দেশ দেওয়া হলেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের ব্যাপারে কোনো নিষেধাজ্ঞা দেননি।’ তিনি বলেন, আদালত অবমাননা থেকে বাঁচার জন্য পুলিশ তাঁকে বিডিআর হত্যাকান্ডে জড়াতে চায়, এই বক্তব্য সঠিক নয়। সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকায় গত ১৯ মার্চ বিমানবন্দরে জামায়াত নেতা আবদুর রাজ্জাককে বিদেশে যেতে বাধা দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বাধা উপেক্ষা করে তিনি ও তাঁর স্ত্রী জোর করে বিমানবন্দরে ঢুকতে চান। এ কারণে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা হয়। আদালত প্রতিবেদক জানান, পিলখানার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বিডিআর জওয়ানসহ ছয়জনকে রিমান্ডে নিয়েছে সিআইডি। গতকাল হাজারীবাগ এলাকার থেকে গ্রেপ্তার করা সিরাজ ওরফে কালু, কামাল হোসেন, মামুন হোসেন এবং বিডিআরের জওয়ান মঞ্জুর আলমকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায় সিআইডি। মহানগর হাকিম তোফায়েল আহমেদ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালত সুত্রে জানা যায়, হাজারীবাগ এলাকায় মিছিল মিটিং, বিডিআর বিদ্রোহের সময় মাইকিং করে সেনা কর্মকর্তা হত্যায় সহযোগিতা করার জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল এই তিনজনকে লালবাগ থানায় দায়ের করা এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেয় সিআইডি।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28931158 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28931158 2009-03-30 06:24:17
দেহঘড়ি সন্ধান করি কোন মিস্তরি লেখে প‌্যাকেজ নাটক? সামুব্লগ মাঝে মাঝে ঝিমিয়ে পড়ে।

তখন ডাক পড়ে সামুর প‌্যাকেজ নাটক রচয়িতাদের। অফিসে বা বাসায় নানা কাজের ফাঁকে, ইতিউতি ফোন আর মেইল চালাচালি করে দ্রুত সিদ্ধান্ত হয়, কিভাবে আবার সামু জমিয়ে তোলা যায়।

সবচে কার্যকর উপায়, কাউকে ব্যান করা।

তবে সবার চামড়া সমান মোটা নয়, কেউ কেউ আছে সেফ থেকে জেনারেলে গেলেই আন্দোলন শুরু করে দেন। তাদের ওয়াচ করা মানে কেয়ামত।

তখন কেয়ামত ( ) ফাংশনটিকে কল করা হয়। ডানে বামে কয়েকজনকে জেনারেল বা ওয়াচ করা হয়।

পড়তে থাকে পোস্টের পর পোস্ট। ব্লগ জমে ওঠে।

নাট্যকার খুশি, মালিকও খুশি। কফির আসরে নাট্যকারের পাতে টফিও যোগ করা হয়।

তবে যারা একটু ঝুনা, তাদের নিয়ে সমস্যা। তারা এইসব রচিত নাটক চায় না, তারা চায় স্বাভাবিক সিনেমা।

কাজেই মেঘ ওয়াচ হলেই কি, আর আসিফ রহমান জেনারেল হলেই কি। সবই নাট্যকারের খেল। বাকি সবাই ডুগডুগি হাতে বানর।

এই বালতু নাটকের অবসান হোক। ত্রিভুজকে সামুতে ফিরিয়ে আনা হোক। ছাগু ন্দানোর নানা রঙের দিনগুলি ফিরিয়ে দেয়া হৌখ। ত্রিভুজ সামুব্লগের প্রাণভোমরা (প্রাণছাগু আসলে), সে বিনে সকলই পানসে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28903314 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28903314 2009-01-28 04:54:41
গরুর মাংস আর খাসির মাংসের কেজিপ্রতি দাম সমান করার ঘোষণা দেয়া হোক এসএসসি আর এইচএসসির সাথে দাখিল আর ফাজিলকে সমমানের ঘোষণা করে গেছে ঝুট সরকার।

এই নিয়ে কিছু ছাগু চিল্লাচিল্লি করছে।

গরুর মাংস আর খাসির মাংসকেও সমমানের ঘোষণা করে সমান মূল্য রাখা হৌখ। প্রয়োজনে আদালতে মামলা করে গরুর মাংস ও খাসির মাংসের ভিন্ন দাম রাখাকে অবৈধ ঘোষণা করে কসাইদের উপর রুল জারি করা হোক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28902153 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28902153 2009-01-25 12:50:47
হান্ড্রেড ইয়ারস অফ কলুটিউড আলুব্লগের মডা মহাশয়, মাননীয় মাহবুব মোর্শেদ মান্না ভাই এক অভূতপূর্ব পরিবর্তনের সাক্ষর রেখেছেন। বিশ্বব্যাপী উচ্চারিত পরিবর্তনের শ্লোগানে কণ্ঠ মিলিয়ে তিনিও নিজের বয়ান আমুল পরিবর্তিত করেছেন। এখন তার কথাবার্তা চলনেবলনে একটি মারমুখী আওয়ামী গন্ধ পাওয়া যায়।

এই বইমেলায় হয়তো মামো লিখবেন নিজের আত্মজীবনী, হান্ড্রেন ইয়ারস অব কলুটিউড। পয়তিরিশ বছরের এই জীবনেই হয়তো তিনি শতবছরের তৈলমর্দনের অভিজ্ঞতা হাছিল করেছেন। যৌবনে সেলিমালদিন আর মোহাম্মদ রফিককে তেলানোর জন্য তার প্রাণান্তকর সংগ্রামের চাক্ষুষ সাক্ষী তো এই ব্লগেও কম নেই, পুস্তকখানা পাঠ করিলে হয়তো আমরা জানতে পারবো, শৈশবে আর কৈশোরে তিনি কাদের কাদের তেল ডলেছেন।

আপসোস, এরশাদ সরকারের আমলে মামোর ভূমিকা জানার উপায় আমাদের নাই। অনুসন্ধানী রিপোর্ট করলে হযতো এরশাদ বা তার কোন পান্ডার বগলে তেল মর্দনরত হাস্যোজ্জ্বল মামোর ছবি বেরিয়ে আসবে। প্রতিটি সরকারের বিশেষ অঙ্গকেই মামো তার ক্ষুরধার জিভ দিয়ে লেহনের যে সংকল্প করেছেন, তা বিস্ময়কর। মওদুদ আহমেদ ছাড়া এই কর্ম আর কেউ করতে পেরেছে কি না, তা আমরা জানি না।

মামোকে অভিনন্দন। আসুন আমরা তাঁর প্রতিটি সরকারপ্রেম ও প্রতিটি সরকারের সাথে বুদ্ধিবৃত্তিক বিবাহকে স্বীকৃতি দিতে তাঁর নামের শেষে "সরকার" উপাধি যোগ করি। জয় মামো সরকার।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28894029 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28894029 2009-01-07 05:23:39
লেখকের মৃত্যু, পুরান মালের আড়ত আর জলেস্থলেঅন্তরীক্ষে একই কুমীরশিশুর প্রদর্শনী লেখকের মৃত্যু ঘটলে কি হয়? সে কি প্রেত হিসাবে বিচরণ করে তার পাঠকদের মধ্যে? সে কি ভূত হয়ে ঘাড়ে চাপে? সে কি মিশরের ফেরাউনের মতো আমসি আচার হয়ে শরীরটা নিয়ে প্রতিদিনের জাদুঘরে দ্রষ্টব্য হয়? নাকি সে ব্লগার হয়ে ওঠার প্রাণপন চেষ্টায় ঘামতে ঘামতে ঘামাচি ছোটায় শরীরে?

উত্তর পাওয়া যায় সুমন রহমানের সাম্প্রতিক ব্লগিং এর দিকে চোখ রাখলে। পাঠকের মনোযোগলোভী রহমান তার সামহোয়ার ইন, সচলায়তন, আমারব্লগ, প্রথম আলো ব্লগ, তার নিজের বিদ্যাকূট, হেন জায়গা নেই যেখানে নিজের এবং ইয়ারস্যাঙাতদের পুরাতন লেখা নিয়ে হাজির হচ্ছেন না।

শেষ নতুন লেখাটি কবে লিখেছিলেন সুমন রহমান? উত্তর জানা নেই। তবে সেটি কোন গল্পকবিতা নয়, সে ব্যাপারে পাঠক নিশ্চিত। কোন অভাগার পাছায় আছোলা বাঁশ ঢুকাতে জনাব রহমান জীবনে যত আনন্দঘন মূহুর্ত কাটিয়েছেন, তার ভগ্নাংশ পরিমানও বোধহয় গল্পকবিতার পেছনে ব্যয় করেননি। তার পুলক অপরের পায়ু প্রাচীরে চিড় ধরাতে। তাই দেখি, গল্পকার আর কবি হিসাবে ব্লগে স্বীকৃতির ব্যর্থ আকাংখা নিয়ে সুমন রহমান তার পুরান মালের আড়ত ঘেঁটে ঘেঁটে বার করছেন একের পর এক গল্প। সেই ধূর্ত শৃগালের মতোই সেই একই কুমীরের ছানা দেখতে দেখতে ব্লগজগতের পাঠকেরা ক্লান্ত, হাই তুলতে তুলতে তারা দেখে যাচ্ছে সুমন রহমানের হিটখোরি।

লেখক সুমন রহমানের মৃত্যু ঘটেছে। যে জীবিত, সে ব্লগার সুমন রহমান, যে নিজের ব্লগটিকে বেহুলার বাসরঘর বানিয়ে তার ভেতরে শুয়ে কাঁপছে শুশুকের ভয়ে, আর পুলকের আশায় মুখ ঘষছে কর্পোরেট কুমীরের বুকে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28887494 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28887494 2008-12-24 23:47:34
আলুব্লগে তীব্র পাঠক সঙ্কটঃ সামু ফিরছে মাইগ্রেটরি "ব্লগার"রা আলুব্লগের মুখে শক্ত থাপ্পড়ের মতো করে এসে পড়েছে আঘাতটি। পাঠক নেই। অর্ধশিক্ষিত মাহবুব মোর্শেদের অসভ্য আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে যা-ও বা পাঠক-লেখক জড়ো হয়েছিলেন সেখানে, একে একে ফিরে আসছেন সামুব্লগের জলাশয়ে, পাঠকের সন্ধানে।

কিছু বিশ্বস্ত সদস্য সেখানে নামে-বেনামে প্রাণপণে লিখে চলছে বইকি, কিন্তু এভাবে কি ব্লগ টানা সম্ভব? তাই তো দেখি, ত্রিভুজ, সুমন রহমান নামগুলি আবারও বাম প‌্যানেলে শোভা পাচ্ছে, হয় বস্তাপঁচা পোস্ট নয়তো গুদামের বাসি-পঁচা মাল সামনে সাজিয়ে আবার তারা পসরা সাজিয়ে বসার চেষ্টায়।

এ আচরণ মনে করিয়ে দেয় পানির সন্ধানে মরুছাগলের পালের মাইগ্রেশনকে। কিংবা নতুন স্থাপনার আশেপাশে কাষ্টমার না পেয়ে পুরনো ফুটপাথে ফিরতে থাকা হকারের দলকে। কিংবা ভিনপাড়ায় খরিদ্দার না পেয়ে পুরনো ল্যাম্পপোস্টের আবছায়ায় দাঁড়িয়ে ঊরু প্রদর্শনীতে ব্যস্ত দেহপসারিণীর সারিকে।

খদ্দের এর খোঁজে এই সিজনাল ব্লগারদের ব্লগ থেকে ব্লগান্তরে আসর জমানোর ব্যর্থ চেষ্টার অবসান কবে দেখবো?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28884310 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28884310 2008-12-18 14:03:07
আর মাত্র ৩১ দিন পরই সামহোয়ার থেকে বিদায় নিচ্ছে বাংলা সাহিত্যের ক্রাইমমাস্টার গোগো আর মাত্র ৩১ দিন পরই সামহোয়ার থেকে বিদায় নিচ্ছে বাংলা সাহিত্যের ক্রাইমমাস্টার গোগো, কবি, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক (পাটর্টাইম চিত্রকর) ব্রাত্য রাইসু। ভক্তদের অনুনয় বিনয়কে থ্রি-কোয়ার্টার্স ঢাকা পায়ে ঠেলে তিনি ছেড়ে যাচ্ছেন সামুব্লগকে।

তাঁর এই করুণ মহাপ্রস্থান উপলক্ষে কাউন্টডাউন শুরু হয়েছে দিন চারেক আগে তাঁর এই মহাঘোষণার পর থেকেই। ব্লগাররা অস্থির চিত্তে বার বার ক্যালেন্ডার উল্টে দেখছেন, সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, সেই জানুয়ারির ১৫ কবে আসবে।

এ উপলক্ষে ফেয়ারওয়েল ও মিলাদমাহফিল আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন বহু ভক্ত। কেউ রাইসুকে ছাতা, কেউ বা জুতা উপহার দিতে চেয়েছেন বিদায়লগ্নে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28882901 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28882901 2008-12-15 21:43:02
রুখে দাঁড়ালো মামো একটি সাম্প্রতিক কর্পোরেট ব্লগের পাহারাদার মামো রুখে দাঁড়িয়েছে তার এককালের ওস্তাদ ব্রাত্য রাইসু ও মানস চৌধুরীর বিরুদ্ধে।

এই পোস্টে নীলপিরানধারী মামোর প্রতিবাদী চিঁ চিঁ কণ্ঠস্বর শোনা যাবে।

মামো তার যৌবন অতিক্রান্ত করেছে রাইসু-মানসদের কথায় জ্বি হুজুর জ্বি হুজুর করে। কিছুদিন আগ পর্যন্ত এই সামহোয়ারেই রাইসুর উদ্ভট কাজকামের প্রতি চোখ বুঁজে সমর্থন ও স্তুতি গেয়ে এসেছে মোসাহেব মোর্শেদ। আজ হঠাৎ সেই ওস্তাদের বুকে উঠেই দাড়ি ওপড়াচ্ছে কেন সে? এ কি রাইসুকে গালি দিয়ে সামহোয়ারের লোকজনের কাছে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর একটি দুর্বল চেষ্টা মাত্র? নাকি চোরের ওপর বাটপারি করে বর্ষসেরা লেখক হবার একটি ক্ষীণ উদ্যোগ?

কেন মামোর এই হঠাৎ এই খোশপাঁচড়ার মতো করে মেরুদন্ড গজিয়ে উঠলো এত বছর পর? এ কি গদির জোর? কিন্তু রাইসু-মানস গং এর ইয়েসম্যান মামোর তো কোন গদি নেই!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28881855 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28881855 2008-12-13 17:08:49
বিস্কুটটি আসুন মানসকেই দেই মানস চৌধুরীর বয়স হয়েছে, তিনি আর দৌড়াতে চান না। বয়স হয়েছে ব্রাত্য রাইসুরও। থ্রি-কোয়ার্টার্স পরে তিনি শাহবাগ-আলিয়াস-সামহোয়ারইন-এ ছুটা কাজে ছুটাছুটি করতে পারলেও বিস্কুটের জন্য দৌড়াতে পারবেন না।

তাই বিস্কুটের জন্য যারা দৌড়াতে সক্ষম, আসুন তাদেরকেও বসিয়ে দেই। বিস্কুট তুলে দেই মানসের হাতে, কিংবা রাইসুর মুখে। যারা দৌড়াতে চেয়েছিলেন, তারা ভাই পা কাজে না লাগিয়ে হাত কাজে লাগান, তালিয়া বাজান এই গুরুভারদের জন্য। তালি ওনাদের বড় দরকার।

সেরা লেখক ঘোষণা করা হোক মানস চৌধুরী আর ব্রাত্য রাইসুকে। বাকি সবাই অফ যান।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28881626 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28881626 2008-12-13 01:03:27
"জানুয়ারির ১৫ পর্যন্ত দেখবো", জানালেন ব্রাত্য রাইসু, শুরু হোলো কাউন্টডাউন বহুল আলোচিত বর্ষসেরা পোস্ট নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোথিতযশা প্রথাবিরোধী উত্তরাধুনিক গবেষক-অধ্যাপক মানস চৌধুরী এবং বিডিনিউজের বিভাগীয় সম্পাদক প্রথাবিরোধী কবি ব্রাত্য রাইসু।

ব্রাত্য রাইসু সামহোয়ার ইন ব্লগের লোকজনের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, এই বর্ষসেরা পোস্ট নির্বাচন বিলোপ করা না হলে তিনি সামহোয়ার ইন ব্লগ ত্যাগ করবেন।

ব্লগারদের ধারণা, আলোচ্য দুই ব্যক্তি নিজেদের নামের পাশে সেরা লেখক হিসেবে অন্যান্য ব্লগারদের নাম দেখে বিরুপ হয়ে এই প্রচারণায় নেমেছেন। তাদের কবিসভা গোষ্ঠীর বাইরের লোকজনের লেখা সেরা বিবেচিত হতে পারে, এমন আশঙ্কা থেকেই তারা প্রেসিডেন্ট বুশের বুশ ডকট্রিন অনুসরণ করে এই আগ্রাসী প্রচারণায় লিপ্ত হয়েছেন। উল্লেখ্য যে বর্ষসেরা লেখায় মানস চৌধুরীর মাত্র দুইটি এবং ব্রাত্য রাইসুর মাত্র একটি লেখা দয়াপরবশ হয়ে কেউ একজন মনোনয়ন দিয়েছে।

ব্রাত্য রাইসুর সামহোয়ার ইন ত্যাগের আর মাত্র পঁয়ত্রিশ দিন বাকি। শুরু হোলো কাউন্টডাউন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28881098 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28881098 2008-12-11 18:15:42
কী হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকায়?

আমাদের দেশের পত্র-পত্রিকায় বিদেশের খবর খুব কম থাকে।
আমেরিকা কিংবা ভারত-পাকিস্তান হলে ভালো গুরুত্ব পায় যদিও। অনেক দূরের পৃথিবী যেমন, জিম্বাবুয়ে অথবা দক্ষিণ আফ্রিকা এই দেশগুলোর রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ ব্যাপারগুলো আমাদের অগোচরেই থেকে যায়।

দক্ষিণ আফ্রিকায় গত কয়েক সপ্তাহ আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় বেশ প্রচার পাচ্ছে। কেনো, জানেন কী?

এই মাসের শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদেশী ইমিগ্রান্টদের উপরে হঠাৎ আক্রমণ শুরু হয়। ইমিগ্রান্টদেরকে অপরাধ ও বেকারত্বসহ দেশটির অনেক সমস্যার জন্যে দায়ী করা হয়। ইমিগ্রান্টদের নিজেদের দেশে ফিরে যাবার জন্যে নেটিভ দক্ষিণ আফ্রিকানদের পক্ষ থেকে প্রচারণায় আহবান জানানো হয়।
ইমিগ্রান্টদের বেশিরভাগই আশপাশের দেশগুলো থেকে অভিবাসন করা জিম্বাবুয়ে এবং মোজাম্বিক এর মানুষ। গত এক মাসের আক্রমণে ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে, গৃহহীন হয়েছে ২৫০০০ এর মতো মানুষ।

এই দাঙ্গা হঠাতই শুরু হয় জোহানেসবার্গে, এরপর ছড়িয়ে পড়ে পুরো সাউথ আফ্রিকায়। সাধারণ বিদেশীদের উপরেও আক্রমণ চলছে। প্রেসিডেন্ট থাবো এমবেকি দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারী করেছেন।

বিস্তারিত জানতে বিবিসি পড়ে দেখুন
http://news.bbc.co.uk/2/hi/africa/7417590.stm

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28805630 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28805630 2008-06-03 00:04:07
চলচ্চিত্রের সেই সময় গান নয় জীবনকাহিনী। বন্দিনী ছবি থেকে নেয়া।

গান শুনতে শুনতে নতুন করে উপলব্ধি করলাম, কী এক সোনালী সময় ছিলো আমাদের চলচ্চিত্র জগতে। অসাধারণ ক্যামেরামুখের সুন্দরী নায়িকা, অথবা রুনা লায়লার মতো কণ্ঠ। এক অদ্ভূত সম্ভাবনাময় সে সময়।

আজ আর এইসব নেই। বাণিজ্যিক ছবি যেন আর মুভ্যি নয়, অসুস্থ হওয়ার প্রতিযোগিতা।
সময় পেলে ইউটিউব থেকে এই গানটি দেখার অনুরোধ থাকলো।
http://www.youtube.com/watch?v=91Czhlzrrm0 ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28802459 http://www.somewhereinblog.net/blog/AsifRahman/28802459 2008-05-25 10:17:36