ডিসক্লেইমার: মন্তব্য করুন নিজের মতই, কিন্তু তাতে আমার হৃদয়ের কাছাকাছি খুব প্রিয় মানুষদের কষ্ট পাওয়ার সম্ভবনা থাকলে সাথে সাথে ডিলিট হবে।

সংগ্রহের ছবি: আগের পোস্টের সাথে
১৫ ই মার্চ, ২০০৭ ভোর ৪:৫৪
আগের পোস্টের সাথে কমপিমেন্টারি্ল হিসেবে দেয়া উচিত ছিল। এই ছবিটা আমার ব্যক্তিগত সংগ্রহের ছবি। এইচ বি এম ইকবালের প্রসারিত হাতের সামনে পুরষ্কার হাতে আমি। ওই অংশটা কেটে দিলাম। পয়েন্ট ইজ, ভদ্রলোক আমাদের স্কুলে গিয়েছিলেন, পুরষ্কার দিয়েছিলেন এবং আমাকে একটা 'না' বলা সিচুয়েশনে ফেলেছিলেন। আমি স্যরি বলে চলে আসলাম। মজার ব্যপার হলো, প্রফেশনাল ফটোগ্রাফাররা ঠিক ওই মুহূর্তের ছবি তুলে রেখেছে, আমাকে সেটাই বিশ টাকা দিয়ে কিনতে হল। আফটার অল, বেশি ভাল ছাত্রী না, প্রতিদিন তো আর স্টেইজ থেকে পুরষ্কার নেই না। দ্্বিতীয় মজার ব্যাপার হল, এরপরে সারা বিকাল এইচ বি এম ইকবাল আর কোন মেয়ের সাথে হ্যান্ডশেইক করেন নাই
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অতিথি বলেছেন:
এটা আমার ব্যক্তিগত সীমারেখা, যা আমি মেনে চলি। যতটুকু জানি ইসলাম সম্পর্কে, তাতে মনে হয়েছে জেন্ডার রিলেশনস খুব ওয়েল ডিফাইন্ড। এখনকার সমাজে সব সীমারেখা মেনে চলা সম্ভব হয় না, অনেকটুকু পর্যায় পর্যন্ত কম্প্রোমাইজ করতে হয়। আমি আমার নিজের জন্য সীমারেখা নির্দিষ্ট করে নিয়েছি, যেটা আমি ভাঙবো না। এই তো! ছবিটা মজার না?
অতিথি বলেছেন:
ইসলামিক মতে পরপুরুষের সাথে হ্যান্ডশেক করা নিষেধ। যে মানে সে তো মানবেই।
অতিথি বলেছেন:
মজার মানে..ভাল শিক্ষা হইছে..ওই পাবলিকের..
অতিথি বলেছেন:
শিক্ষা হইছে?
অমনিবাস বলেছেন:
ছবি দেইখ্যা মনে হইতাছে তার হাইট টেবিলের চাইতে এট্টু কম
পুরাটা না দিলে আসলে বুঝা যাইব না কেউ মাটিতে পড়ার পর ব্যাডায় উঠার লাইগ্যা হাত বাড়াইয়া দিছে কিনা
মাহবুব সুমন বলেছেন:
যদি ইসলাম মানতেই হয় তা হলে পুরোপুরি মান উচিৎ, নিজের সুবিধা মতো ইসলাম কে ডিফাইন্ড করলে !! বুঝলাম না, জিনিস টা সুবিধাবাদীর মতো মনে হলো।যে হাত বারালো তার জন্য এটা চরম অবমানকর যদি আপনি হাত ফিরিয়ে নেন না বা না বলেন না হাত না বাড়ান।
অতিথি বলেছেন:
কোন পুরুষ , মহিলার সাথে হ্যান্ডশেক করাটা আমাদের ংড়পরড়পঁষঃঁৎধষ সসিওকালচারাল ঐতিহ্যের পরিপন্থী।
অতিথি বলেছেন:
থাকেন অস্ট্রেলিয়া,সেখানে ইকবালরে পাইলেন কিভাবে একটু জানতে ইচ্ছা হচ্ছে।
অতিথি বলেছেন:
এতো সুন্দর একটা পুরুষ আপনার হাত ধরতে চাইলো,আর আপনে না কইরা দিলেন!!!!!!এতো পাষান কেন আপনি @আস্ত!!!
অতিথি বলেছেন:
আস্ত বয়কট !!!
অতিথি বলেছেন:
অমনিবাস, আমি 5'2''। না হয় একটু ছোট খাট মানুষ, তাই বইলা এইভাবে বলবেন? 
হোসাইন,
হে হে। আমি ভিকারুননিসায় ক্লাস নাইনের শেষে এসেছি এখানে। ক্লাস এইটের পুরষ্কার বিতরনীর ছবি এটা। ক্লাস নাইনেরটা হওয়ার আগেই চলে এসেছিলাম
অতিথি বলেছেন:
আসলে ইসলামে বিধান নেই যে পর পুরুষের সাথে হ্যান্ডশেখ মিলানো।কিন্তু অনেকেই আধুনকিতার নামে এটা ছাড় দিতে চায়, এটা তার একান্ত ব্যাপার, ইসলামের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই।
অতিথি বলেছেন:
বুইচ্ছি।
অতিথি বলেছেন:
[গাঢ়]"তোমাদের মধ্যে সেই সর্ব প্রথম জান্নাতে প্রবেশ করিবে যে বেগানা পুরিষের সহিত করমর্দন করে নাই"
[/গাঢ়]
অতিথি বলেছেন:
পর পুরুষের সাথে কি কি বিধান ইসলামে দেওয়া আছে?@ অতন্দ্র প্রহরী
অতিথি বলেছেন:
মানুষের ব্যাক্তিগত পছন্দ/অপছন্দকে শ্রদ্ধা করা উচিৎ। যদিও পৃথিবীটা বড়ই বর্নবাদী সব কিছুরই সরলীকরন হয় ও একই নিক্তিতে মাপা হয়। মালিটকালচারিজম বহু চর্চা ও সহনশীলতার বিষয়।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ইসলামের পদার নামে এমন কিছু বিদান দেয়া আছে যেইটা মানলে ঘরের বাইরেও যাওয়া যাবে না।
অতিথি বলেছেন:
করমর্দন কইরা সবচাইতে মজা পাইছি খালদার লগে। পুরা মাখনের লাহান!সেইডা স্কুল লাইফের কাহিনী। আমি এমনিতেই বাইট্টা। আর তখন ছিলাম পুরা গিট্টুমার্কা। তো, খালদা সবাইরে পুরস্কার ধরাইতেছে, অনেক পোলায় হাত বাড়াইয়া দিলেও খালদা ইসলাম মাইনা হাত আগাইতেছে না। আমিও চান্স টেরাই করতে হাত বাড়াইলাম। মনে হয়, পিচ্চিপাচ্চা দেইখা খালদা রাজি হইলো।
...
তারপরে পদ্মা-মেঘনায় অনেক জল গড়াইয়া গেলো। কিন্তু সেই হাত ভুলতে পারি নাই। অনেক চেষ্টা কইরা ফালুরেও আর ক্ষমা করতে পাইরলাম না।
---
পোস্ট ভালৈছে। কি নিয়া পুরস্কার পাইছিলা? অভিনন্দন।
রাগ ইমন বলেছেন:
অতঃপর , তাহারা দেখিলো যে আয়াত নাযেল হইলো। নিশ্চয়ই তাহারা আয়াত নাযেল হওয়া অবলোকন করিলো ।আস্ত , মজা পাইলাম। কেন পাইলাম সেইটা বলবো না।
অতিথি বলেছেন:
আমাদের লিবিয়ার সিরত বাংলাদেশী স্কুলের ব্যাপারটা আরও ইন্টারেস্টিং। এখানে কোন অনুষ্ঠানে অ্যম্বাস্যাডর যখন সপরবিারে আসেন, তখন মেয়েরা তো অ্যাম্বাস্যাডরের সাথে হ্যান্ডশেক করেই না, ছেলেরাও অ্যম্বাস্যাডরের ওয়াফের সাথে হ্যান্ডশেক করে না!
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ, শ্রেষ্ঠ মন্তব্য দেয়ার জন্য @ রেজওয়ান।এইটা কোন পর্দার পোস্ট না, নিজেকে খুব ভাল ঈমানদার প্রমানিত করাও এই পোস্টের উদ্দেশ্য না। একে ধর্মীয় বিধান মানতে না চাইলে এতটুকু ভাবতে পারেন, এটা আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। একটা স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে এতটুকু শ্রদ্ধা আমার পাওয়ার কথা। আমার এইচ এসসির গ্র্যাজুয়েশনের সময়, সার্টিফিকেট নেয়ার জন্য যখন স্টেইজের পাশে দাড়িয়ে আছি, তখন আমার ইয়ার এডভাইজার এসে জিজ্ঞাসা করলেন, প্রিনসিপালের সাথে হ্যান্ড শেইক করতে আমার সমস্যা আছে কি না। আমি বলেছি, হ্যা। তিনি জানতেন মুসলিম নারীরা হ্যান্ডশেইক করে না পুরুষদের সাথে। উনি আমার নামের পাশে সেটা লিখে রাখলেন, প্রিনসিপাল হাতই বাড়ালেন না, আমাকে খুবই স্বস্তি দিয়ে। আমি দেখেছি, একাডেমিকরা ব্যাপারটা সহজ ভাবে নিতে পারে। আরও বেশ কয়েক জায়গায়, সিডনীতে, স্টেইজে উঠে কিছু নেয়ার সময়, যিনি দিচেছন তিনিই হাত বাড়ান নি। ভাল লেগেছে, আমার সীমারেখাটা অবমূল্যায়িত হচ্ছে না তাই।
এই ছবিটা দেখলে আমার হাসি পায়। নেহায়েত সেই কারণেই তুলে দেয়া!
অতিথি বলেছেন:
চোর, পড়াশোনা। এইটা ছাড়া আর কিছু পারি না
। গান টান গেয়েছি একসময়, কিন্তু সেটা নারী মহলে। এইচ বি এম ইকবাল পর্যন্ত যায় নি
অতিথি বলেছেন:
হুম। পড়াশুনার ঠিক কোন কৃতিত্বের জন্য? জুনিয়র স্কলারশীপে প্রথম?
অতিথি বলেছেন:
জুনিয়র স্কলারশিপে পঞ্চম হয়েছিলাম। ওটার জন্য কোন বিশেষ পুরষ্কার নাই
অতিথি বলেছেন:
চোরদা পুরস্কার পাইছিলেন ক্যান?
অতিথি বলেছেন:
মেন্টাল ভাই, চুরিতে ফাস্টো হইছিলাম। 
বাঙালী ভাই,
দিমু, না (খাইয়ালামু) দিমু বুঝতাছি না। আপনের মোটিভ কি, আগে বুইঝা লই।
অতিথি বলেছেন:
** কোথায় যেন একবার শুনেছিলাম , মানুষ ধর্ম কর্ম পালনে দু'ভাবে ধোকার শিকার হয় == আমি পুরোটা মানতে পারছি না , এই অযু হাতে , বাকি অংশটাও ছেড়ে দেয়া ।
== আমি অনেক মানছি এরকম মনে করা ।
পুরোটা পালনে সীমাবদ্ধতা যে কারও থাকতেই পারে , সেটা কাটিয়ে উঠার চেষ্টার পাশাপাশি , যতটা পারছি করে যাওয়াটা আমার কাছে অনেক গ্রহনযোগ্য মনে হয় ।
আস্তমেয়ে আপনাকে ধন্যবাদ , বাধা সত্তেও অটল রয়ে গেছেন বলে
আধুনিকা বলেছেন:
ঠিক করেছ।সুযোগ পেলে একটু নছিয়তও করো । এই সকল ব্যপারে কোন কমপ্রাইজ নেই .....................................
অতিথি বলেছেন:
আধুনিকার সাথে 1মত। এই সব ব্যাপারে খালি বেশিপ্রাইজ থাকবো। প্রাইজ কম দিলে হরতাল।(খাইয়ালামু)
আধুনিকা বলেছেন:
সরি । কমপ্রোমাইজ হবে
অমিত আহমেদ বলেছেন:
আপনার অংশটা কেটে দিলেন কেন? একটু blur করে দিলেই তো হতো। বাড়ানো হাতের সামনে ছোট্ট একটা মেয়ে গুম হয়ে দাঁড়িয়ে আছে দেখতে পেলে মজা আরও বাড়তো!
চিরকালই গাধা বলেছেন:
হ্যালো আস্তমেয়ে, হাত মিলাও নাইক্যা ভালো করছো। তবে নিজস্ব অবস্থান ঠিক রাইখো। কেননা আজকাল অনেক জাদরেল ইসলামী চিন্তাবিদগন পর নারীর সাথে হাত মিলাইতে একটুও দ্্বিধা করে না। আমি অনেক ইসলামের নামধারী জাদরেল মানুষদের দেখেছি মার্কিন রাষ্ট্রদূত বা ফরেন নারীর সাথে সানন্দে হ্যান্ডশেক করতে।
অমনিবাস বলেছেন:
ইকবালের হাত আসলেই ভালো না। ছবি দেখলেই বুঝা যায়। নাহ আস্ত মেয়ে আমি ছবির বিশ্লেষণে গেছি আপনার পোস্টরে সত্যি মাইনাই। মানে ছবির তিন জনই নিচের দিকে তাকাইয়া আছে দেইখ্যা হাস্যকর কথাটা মাথায় আসল। এনিওয়ে গুড ডিসিশন
অতিথি বলেছেন:
আমার মত ফেলটুস ছাএ দের জন্য এই পোস্ট পড়া নিষেধ করা উচিত...
আশরাফ রহমান বলেছেন:
সত্যিই ভাল লাগলো। আপনার এ কান্ডটা ইকবালকে কিছুক্ষণের জন্যে হলেও ইসলামের সীমারেখা নিয়ে ভাবিয়েছে হয়তো।
অতিথি বলেছেন:
ঠিক আছে!
পাশা বলেছেন:
আস্ত আপু,সিটিজেন হওয়া যাইবো কিভাবে?তাড়াতাড়ি কন।
আপনার দেশে পড়াশুনা এত সহজ। আর আমার দেশে অনেক অনেক কঠিন। মেধা আছে কিন্তু মেধার মূল্যায়ন নাই।
তাইতো দেশের এই অবস্থা।
ইকবাল ভাইরে দেইখা মজা পাইলাম।
এমনটা করলে অবশ্য আগ্রহি হ্যান্ডশেইক ওয়ালা প্রচন্ড লজ্জা পায়।
সূর্য বলেছেন:
যুক্তি দিয়ে দেখলে আপনার করমর্দন না করার কোন কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। কোন পরিস্থিতিতে কে আপনাকে ছুঁতে চাইছে সেটাই বিবেচ্য। যেসব পরিস্থিতিতে আপনি করমর্দন রিফিউজ করার কথা বলে আত্মতৃপ্তি নিচ্ছেন সেগুলো ছিল পাবলিক ফাংশন। এক লহমার ছোঁয়ায় আপনার শরীর অপবিত্র হয়ে যাবে, এ ধরনের চিন্তা মানসিক অসুস্থতা ছাড়া আর কিছুই নয়। কখন বা কোন পরিস্থিতিতে একজন পুরুষ আপনাকে ছুঁতে পারবে? শুধুমাত্র আপনার সাথে যার বিয়ে হবে? বিবাহপূর্ব এবং উত্তর পুরুষটির কি বদলাবে যাতে তাকে ছুঁতে আপনার কোন সমস্যা হবে না? ইসলামে তো বিয়ে একটি কনট্রাক্ট বা চুক্তি ছাড়া আর কিছু নয়। কোন অলৌকিক কিছু তো তা না। কাজেই এক সেকেন্ড আগে যে পুরুষটিকে ধরলে আপনার মানসিক বিপর্যয় ঘটে যেত, এক লহমা পরেই আপনি তার সাথে সহবাসে প্রবৃত্ত হবেন কারন কিছু চুক্তিনামায় আপনারা সই করেছেন।আপনি আপনার আত্মকেন্দ্রিকতা সমাজের ওপর চাপিয়ে দেবেন বারবার কিন্তু ওরা কিন্তু আপনাকে কনসিডার করছে, প্রয়োজন না থাকলেও। কে বড় তাহলে?
আর আপনার নিক আস্তমেয়ে মানে কি? আপনি একজন অক্ষতযোনী কুমারী? আনটাচড্ ভার্জিন?
কিন্তু কি বলেছেন:
হা হা এট সুর্য!!!
কিন্তু কি বলেছেন:
হা হা এট সুর্য!!!
অন্য একটা ব্লগ পড়ে জানলাম আমার এখানে মন্তব্য করেছেন, তাই এখানে আসা। সেই মন্তব্যটা পড়ে কিছুদিন আগের দেখা একটা পাঁচ বছরের ছেলের কথা মনে পড়ল। নতুন নতুন দুষ্টামি শিখছে, একটা বাজে কথা বলে, ধরুন টয়লেট সম্পর্কীয়, তারপরে, খুব কৃতিত্ব নিয়ে আশে পাশে তাকায়। ওর বন্ধুরা হি হি করে, হাত তালি দেয়, বড়রা স্তম্ভিত দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকে, এতেই ওর আনন্দ।
না, আস্তমেয়ে বলতে আমি অক্ষতযোনী বুঝাই নি, অত সহজে যোনী চিন্তা আসে না, কোন অবসেসিভ মানসিক রোগ নেই বলেই হয়তো। আস্তমেয়ে বলতে আমি 'টোটাল গার্ল' মানসিকতার কথা বুঝিয়েছিলাম, যা বন্ধুদের কাছে প্রায়েই শুনতে হতো। আমার ২য় পোস্ট পড়লে বুঝতে পারবেন--http://www.somewhereinblog.net/blog/AstoMeyeblog/4237
এবার প্রশ্নের উত্তর।
আমি মনে করি না ছুয়ে দিলেই কেউ অপবিত্র হয়ে যায়। তারপরেও, এটা ইসলামের নিয়ম। একেবারে জীবন মরনের প্রশ্ন না হলে সম্পর্কহীন নারী পুরুষদের স্পর্শ বাচিয়ে চলা একে অপরের। এটা 'নিয়ম'। রাসুল (সা), অবশ্যই বোদ্ধা ছিলেন আমাদের সবার চেয়ে বেশি, আমাদের সবার চেয়ে পাপও করেছেন অনেক কম, কিন্তু তিনিও শপথ নেয়ার মত 'ফরমাল' কাজের সময়ও নারীদের হাত ধরতেন না, যদিও পুরুষদের হাত ধরতেন। হি ইজ মাই হিরো, তাই সব কিছুর মত এই দিক দিয়েও ফলো করার চেষ্টা করি। সব নিয়মের মতই, এই 'নিয়ম' টা কিছু কিছু ক্ষেত্রে কম গুরুত্বপূর্ণ, মাঝে মাঝে অকওয়ার্ডও, কিন্তু তবু নিয়ম যেহেতু, আমি মেনে চলি। কোন অবস্থাতেই আল্লাহর নির্দেশটার অমান্য যেন না হয় সেই চেষ্টা করি। এই চেষ্টার জন্য আল্লাহ যদি খুশি হয়, তাহলেই আমার হবে।
কোন অমুসলিম যদি সমাজের অবস্থা আর 'নর্ম' এর জন্যই, আমার হ্যান্ড শেইক করা রিফিউজ করাকে খারাপ চোখে না দেখে, বা অফেন্ডেড না হয়, আমি খুবই কৃতজ্ঞ বোধ করি। সাধারনত সুযোগ পেলে পরেও কথা বলি, মনে কিছু মাত্র খারাপ লাগা যেন না লাগে সেটা নিশ্চিত করতে। আমি জানি, আমাকে এক্সকিউজ করছে, কৃতজ্ঞতা বোধটা আমারই হওয়া উচিত, হ্য়ও।
কিন্তু একজন মুসলিমের কাছে আমার কিছু এক্সপেক্টেশন থাকে, কিছু আলাদা দাবী থাকে। এইচ বি এম ইকবাল একজন মুসলিম। তিনি নিজেকে নাস্তিক বলেও কখনও দাবী করেছেন বলে শুনি নি। আমি হিজাব পরি। একটা হিজাব পরা মেয়ে হ্যান্ডশেইক করবে না সম্পর্কহীন একজন পুরুষের কাছে, এইটা তাঁর না জানার কথা নয়। তারপরেও হাত বাড়ালেন, আমি শুধু শুধুই বিব্রত হয়েছি। আমাদের সমাজে এখনও ইসলাম প্রিয় প্র্যাকটিসিং মুসলিম অনেকেই আছে, যারা অসম্পর্কীয় নারী পুরুষের হ্যান্ড শেইক মানতে পারেন না। এমন একটা দেশের পার্লামেন্টের নির্বাচিত মেম্বার হিসেবে তিনি এটা জানবেন না... আমি এটা বিশ্বাস করবো না। তাই, অমুসলিম বা স্বঘোষিত নাস্তিকদের ব্যাপারে আমার যেই অস্বস্তি আর কৃতজ্ঞতা বোধ থাকে, এই ক্ষেত্রে সেটা অনুপস্থিত ছিল।
বিবাহটা আমার কাছে একটা কনট্রাক্টের চেয়েও বড় কিছু। এটা বিশ্বজগতের মালিক আল্লাহর সামনে একটা প্রতিজ্ঞা--বিশ্বস্ততা, ভালোবাসা, ত্যাগ আর দায়িত্ব পালনের প্রতিজ্ঞা। স্বীকৃতি। তবে অবশ্যই এই ভাবে ভাবতে হলে, খুব করে আস্তিক হতে হবে।
কিন্তু কি বলেছেন:
" বিবাহটা আমার কাছে একটা কনট্রাক্টের চেয়েও বড় কিছু। এটা বিশ্বজগতের মালিক আল্লাহর সামনে একটা প্রতিজ্ঞা--বিশ্বস্ততা, ভালোবাসা, ত্যাগ আর দায়িত্ব পালনের প্রতিজ্ঞা। স্বীকৃতি। তবে অবশ্যই এই ভাবে ভাবতে হলে, খুব করে আস্তিক হতে হবে। " হাদিসটা কি মোসাম্মাত সন্ধ্যাবাতি/আস্তমেয়ে
হেমায়েতপুরী বলেছেন:
আবার মাইনাস।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














ইসলামে কি নিষেধ আছে ?
নাকি ব্যক্তিগত কারনে ?