ডিসক্লেইমার: মন্তব্য করুন নিজের মতই, কিন্তু তাতে আমার হৃদয়ের কাছাকাছি খুব প্রিয় মানুষদের কষ্ট পাওয়ার সম্ভবনা থাকলে সাথে সাথে ডিলিট হবে।

বাংলাদেশ! আমার বাংলাদেশ!
১৮ ই মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৫৫
ক্রিকেট দেখা হয় না একদম। কোন খবরই রাখি না ক্রিকেটের। কারণটা হতে পারে, একা একা খেলা দেখায় আরাম নাই। ক্লাস সেভেনে, যেবার পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশ জিতে গেল, সেবারের কথা মনে আছে। বাসার সবাই মিলে খেলা দেখছিলাম। এশার নামায পড়ে রীতিমত হাত তুলে দোআ, আল্লাহ বাংলাদেশকে জিতায় দাও! উত্তেজনা, টীম স্পিরিট আমাকে খুব স্পর্শ করে। ওই দিনটার কথা ভাবলে এখনও মনে হয় হার্ট পজিশন বদলে কয়েকটা ডিগবাজী দিয়ে ফেলে। পরের দিন ক্লাসে গিয়ে মুখ ছুটিয়ে ক্রিকেটালোচনা, কিচ্ছু পড়াশোনা হল না। মাঝখান দিয়ে টিফিন টাইমে বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে মাঠে বের হয়ে গেলাম আমরা, আনন্দ মিছিলে। রং ছিটাতে পারি নাই, নিষেধ ছিল স্কুলে, কিন্তু পানি ঢালাঢালি করলাম তীব্র আনন্দে। কি দিন!
ক্রিকেটারদের নাম সহ পুরা প্রোফাইল ঠোঁটস্থ ছিল তখন। এখানে আসার পরে ক্রিকেটের আনন্দ, দু:খ ভাগা ভাগি করার মত কেউ নেই বলেই উৎসাহ মরে গেল। এখানে সেখানে বাংলাদেশের বিজয়ের খবর ঠিকই চলে আসে মুখে মুখে, তখন উল্লসিত হই। গর্ব হয়। নস্টালজিয়া হয়। এই তো।
কালকের খেলা দেখি নি। কিন্তু রাত থেকে খেলার খবর ফলো করছিলাম। ব্লগে সবার চাপা উত্তেজনা আমাকে অনেক দিন আগের ওই সময়টায় নিয়ে গেল, পাকিস্তানের সাথে খেলার সেই তীব্র উত্তেজনামূলক সময়ে। এই অনুভূতিটা কি যে চমৎকার একটা অনুভূতি, কায়োমনো বাক্যের একান্ত প্রার্থনা, রক্তে রগবগে উত্তেজনা। বাংলাদেশের বিজয়ের পরে নিজেকে বড় বিচ্ছিন্ন দ্্বীপের মত মনে হল। কোথায় গেল সেই রক্তে ক্রিকেট ধারণ করার দিনগুলো? হৃদযন্ত্র ঠিকই জায়গা বদল করছে, বড্ড বেয়ারা হয়ে লাফালাফি করছে। বাংলাদেশ টীম জিতে নি তো রে, আমি জিতেছি, আমি! নইলে এত আনন্দ হবে কেন?
আমার বাংলা মায়ের মুখের হাসিটা এত সুন্দর কেন?
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৫৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
তথাগত বলেছেন:
কালকে খেলা দেখেছি একসাথে প্রায় পাঁচ-ছয় শ জন। ভারতের ইনিংসের শেষ দিকে শুরু হলেঅ তালে তালে সবার একসাথে চিৎকার- বাংলাদেশ! বাংলাদেশ!! নিজের দেশকে বহুদিন এভাবে অনুভব করি নি। আপনার লেখাটা ভালো লাগলো।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
বাংলাদেশের সব দিনই যদি এরকমটি হতো !! কি ভালোই না লাগতো ...........কোনো রাজনীতি নাই, সবাই একমত, সবাই হাসছে........আহ্........একি সাথে আনন্দে .......স্বপ্ন।
অতিথি বলেছেন:
পাকিস্তানের চেয়ে ভারতকে হারানোতে আস্তরা বেশি খুশি হন।'রক্তে রগবেগ উত্তেজনা' জিনিসটা কি পাকিস্তানকে হারানোর সময় এতটা এসেছিল।
নিশ্চয়ই সেদিন আস্তর গুরু পাকিস্তানি মৌদুদীর আত্মা কষ্ট পেয়েছিল।
অতিথি বলেছেন:
ভাই, দেশের বিজয়ে নাইবা টানলাম রাজনীতি... আমরা সবাই খুশি, সেই আনন্দ ভাগাভাগি করার দিন আজ।
অতিথি বলেছেন:
ভাই, দেশের বিজয়ে নাইবা টানলাম রাজনীতি... আমরা সবাই খুশি, সেই আনন্দ ভাগাভাগি করার দিন আজ।
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ মন্তব্যের মাধ্যমে একা দ্্বীপের আমি কে আনন্দে শরীক করে নেয়ার জন্য, মিসকল, তথাগত, মাহবুব সুমন।[গাঢ়]সাঈফ শেরিফদের[/গাঢ়] কাছ থেকে এর চেয়ে ভাল মন্তব্য আশা করি না।
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ অন্ধকার। ভাল আছেন?
অতিথি বলেছেন:
সাঈফ শেরিফএখানে রাজনীতির কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা হয়নি....
আমাদের দেশের জয় নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে ...আমরা সকলে তাতে খুশি ...
অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য করা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন...
অতিথি বলেছেন:
ভালো আছি সোনা মেয়ে। ধন্যবাদ।
নয়া সুশীল সমাজ বলেছেন:
সাইদ শেরিফ আসলে ভারত হারায় খুশী হতে পারে নি। তাই আস্তমেয়ের উপর ক্ষোভ ঝাড়ার চেষ্টা করেছে।
বিজলীর খড়ি বলেছেন:
যথার্থ নয়া সুশীল সমাজ। চাপা কথা অনেক সময় ফুরুৎ কইরা বাইর হয়, সেই রকম............মনে মনে হাহাকার, কেনযে ভারত হারল........প্রায় সব ইন্ডিয়ান সাপোর্টারের মনে তা দেখলাম কাল। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জেতার পর ঢাকায় কিরকম আনন্দ হয়েছিল তা নিশ্চয় সবার মনে আছে। ইয়ং পোলাপান কালে ভদ্রে ভারত সাপোর্ট করে। কোন বিবেকবান মানুষই এক্ষেত্রে ভারত পাকিস্তান চিন্তা করে না, করে যে একটা বড় দলকে হারাতে পারলাম।যাক, কি আস্ত অনেকদিন পর লেখলাম, ভাল থাকবেন।
আলী বলেছেন:
পাকিস্তান-ভারত কিছুই বুঝি না বাংলাদেশ আমার জান সম্মান জয়বাংলা
পাশা বলেছেন:
সাইফ শেরিফ,পাকিস্তান কেন সৌদি আরবকে হারালেও আস্তরা খুশি।
কারন খেলা তো খেলাই এখানে আবার ধর্ম আসে কোথা থেকে।
নিশ্চয়ই ভারত হারাতে আপনি খুশি হননি। দাদাদের দেশ বলে কথা।
সবশেষে, আলী ভাই এর সাথে তাল মিলিয়ে বলছি আমি পাকিস্তান ভারত কিছুই বুঝি না।
বাংলাদেশ, আমার বাংলাদেশ।
আমার প্রানের বাংলাদেশ।
অতিথি বলেছেন:
বাংলাদেশের গৌরবের ভাগীদার শুধুই বাংলাদেশী কিংবা বাঙালী হতে পারে, কোন রাজাকার নয়।বাংলাদেশী কিংবা বাঙালী কোনটাতেই তাদের বিশ্বাস ছিলো না কোন কালেই।
কারন তাদের আম্মাজানদের শাড়ী-পেটিকোর্ট বহু আগেই উনারা (গো.আ) খুলে নিয়েছেন।
তার বদলে গো.আ দের আম্মাজানরা এখন সেলোয়ার কামিজ পড়ছেন বিধায় উনারা পাকিদের (বেজন্মা) সাপোর্টার।
আমি বাংলাদেশের কথা বলছি, আমি আমার নিজস্ব গৌরবের কথা বলছি।
অতিথি বলেছেন:
দালালদের মনে এত কষ্ট কেন।নয় পাকিস্থানী ,নয় ভারতী
আমারা বাংলাদেশী।
তাই আমরা বলি..
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ..
অতিথি বলেছেন:
সাইদ "রাজাকার" উপাধি থেকে রেহাই পাবেন তো ? আপনার লেখাটাও অনেকের সহ্য হবে না ..... বাংলাদেশ জিন্দাবাদ লিখেছেন বলে , অদ্ভূত প্রতিক্রিয়াশীলদের তো অভাব নেই ।আস্তমেয়ে সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ , পরের ম্যাচের জন্য দোয়া করতে থাকুন , আরেকটা বিজয়ের স্বপ্ন যেন সত্যি হয়
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














বুঝন কেমন উত্তেজনায় আমরা আছি।