ডিসক্লেইমার: মন্তব্য করুন নিজের মতই, কিন্তু তাতে আমার হৃদয়ের কাছাকাছি খুব প্রিয় মানুষদের কষ্ট পাওয়ার সম্ভবনা থাকলে সাথে সাথে ডিলিট হবে।

এক বছরে দুইশ পোস্ট (আস্তমেয়ে)
২২ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:২০
ব্লগে আমার এক বছর হলো মার্চের দশ তারিখ। ইচ্ছা ছিল দুইশ' তম পোস্ট তখনই দিব। লিখে কুলাতে পারি নি। অবশেষে সময় আসল, তবু হাত খুলছে না কিছুতেই। অনেক দিন একশ' নিরানব্বইতে আটকে ছিলাম। আজ মনে হল--লিখেই ফেলি।
হু, দুইশ পোস্ট করেছি। এক বছর থেকেছি। তো কি হয়েছে? এমন করে ঘোষণা দিয়ে বক্তৃতা ছাড়ার কি আছে? আমি জানি, নো বডি কেয়ারস। কিন্তু, আমার কাছে এই দুইশটা পোস্ট আর একটা বছরের মূল্য যে অনেক বেশি! লেখার লোভ সামলাতে পারলাম না একদম!
ব্লগে আর কারও এমন হয়েছে কি না জানি না, আমি কিন্তু যেদিন ব্লগ খুঁজে পেয়েছি তার পরের দিন থেকেই ধুমায়ে ব্লগ করা শুরু করেছি। একটুও অপেক্ষা করি নি, এদিক সেদিক তাকিয়ে দেখি নি ঘটনা কি, লোকে কি বলে, কি শুনতে চায়। লেখার শুরুটা হয়েছিল একান্তই নিজের জন্য। বাংলাকে একটু কাছে পাওয়ার জন্য।
আমি দেশ ছেড়েছি পনের বছর বয়সে। হাতে গোণা অল্প কিছু বাংলা বই ছিল সাথে। ওগুলো এত পড়েছি যে ওগুলোর কোন পাতায় কি আছে, সব বলে দিতে পারব। কয়েকটা চিঠি লিখেছি বন্ধুদের। পাঁচটা সিডিতে পাঁচশর মত গান এনেছিলাম বাংলা। আমার বাংলা চর্চা বলতে তো এতটুকুই!
প্রবাসীরা বাংলা চর্চা যেভাবে করে, সেই পথগুলোতে আমি যাই নি। আমি খবরের কাগজ পড়ি না। খবরের কাগজ পড়লে আমাকে বিষণ্নতা আর হতাশায় পেয়ে বসে তাই। লোকে দেশের বাইরে গেলে খুঁজে খুঁজে ইন্টারনেটে বাঙালীদের ফোরাম বের করে, সেখানে আশ মিটিয়ে বাংলা চালায়। প্রথম প্রথম খুঁজেছি বাঙালী ফোরাম, গিয়ে হতাশ হয়েছি... যেগুলো পেয়েছিলাম সেগুলোতে টাঙ্কি মারা ছাড়া আর কিছু হয় না। মানুষগুলোর স্বপ্ন নেই, কেবল হতাশা। মানুষগুলোর জীবনের কোন দর্শন নেই, শুধু ভেসে চলা।
চলে আসলাম। প্রবাসী বাঙালীদের স্ট্রেস রিলিফের আরেকটা উপায় হল--সাপ্তাহিক বাঙালী আড্ডায় বাংলাদেশ এবং বাংলা চর্চা করা। এই ব্যাপারটা থেকেও আমি বঞ্চিত ছিলাম, কারণ আমার ওঠা বসা 'এদেশে' বড় হওয়া বাংলাদেশীদের সাথে, বাংলাদেশকে দেখার চোখ ওদের বড় বেশি 'আন্তর্জাতিক'। আমার আটপৌরে মা, যার ছায়ায় ঘরে ফেরার শান্তি পাই, সেই বাংলাকে খুঁজে পাই না।
ব্লগ খুঁজে পাওয়ার এক মাস আগে মোটে আমি বাংলাদেশ থেকে দ্্বিতীয়বার আসলাম। আমার প্রবাস জীবন শুরুর পরে প্রথম বাংলাদেশ ভ্রমন। খুবই নস্টালজিক। ব্লগ পেয়ে আমি মুক্তি পেয়ে গেলাম। আর কোন কারণ দেখাতে হবে, ব্লগ খুঁজে পেয়ে কেন বিপুল আনন্দিত হয়েছি?
অনেক তো পেলাম। খুঁজে খুঁজে বলতে গেলে মহাভারত হয়ে যাবে। আসলে গত এক বছর আমার জীবনের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বছর ছিল। উহু, ব্লগিঙের জন্য না। গত বছরটা আমার ব্যক্তিগত জীবনের জন্য খুব খারাপ একটা মার্কা মারা বছর ছিল। অনেক শিখার বছর। বড় হওয়ার বছর। দু' দু'টো বড় সিদ্ধান্ত নেয়ার বছর, যেই দু'টো বড় সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে অনেকগুলো রাত নির্ঘুম কেটেছে। আমার স্বপ্নগুলো মাঝ পথে হুট করে হারিয়ে গিয়েছিল। রং হারিয়ে সাদা কালো হয়ে গিয়েছিল। সেই সময়েই ব্লগ এল।
ব্লগে একটা বড় সময় কাটা ছাড়াও, অনেক ঘুরেছি। অনেক কিসিমের মানুষের সাথে মিশেছি। প্রচুর বই পড়েছি। আমার প্রথম পাঁচটা ব্লগ, মাঝের পাঁচটা ব্লগ আর শেষ পাঁচটা ব্লগ পড়ে বুঝতে বাধ্য হবেন, মেয়ে পরিবর্তিত, অভিযোজিত হয়েছে। ব্লগের বাইরের আর ভিতরের চাপে পড়ে।
মাঝে কয়েকদিনের যেই প্রচন্ড অর্থহীন, আনফেয়ার, জঘন্য রকমের কান্ড ঘটেছে আমাকে ঘিরে, শুধু ওই সময়টার ক্ষত এখনও শুঁকায় নি, শুঁকাতে সময় লাগবে। মানুষ কতটা বোধহীন হয়, আমার ছোট্ট জীবনে এত ভাল করে আগে বুঝি নি। ওই সময়ে কে কোথায় কি বলেছে তার প্রতিটা গাঢ় হয়ে বসে গিয়েছে মনে, ওসবের হিসাব আমার মিলে নি।
এছাড়া আর প্রতিটা মুহূর্ত আমার কাছে মহামূল্যবান।
ব্লগে সবচেয়ে বেশি যেটা উপভোগ করেছি, নি:সন্দেহে, বিনা হিসেবে বলে দিচ্ছি--এতগুলো মানুষের জীবন ছোঁয়া। একটা বড় সময় তর্ক করে, গালি খেয়ে, অভিমান করে, কম্পিউটার দুম করে বন্ধ করে ঝর ঝর করে কেঁদে ফেলে তারপরে চোখ মুছে একটা ঝগড়াটে উত্তর লিখে, ভাল লাগার ঢেউয়ে দুলতে দুলতে, খুব খুশিতে আত্মহারা হয়ে... সময়গুলো কেটেছে ব্লগারদের সাথেই। তাঁদের জানা মতে, কিংবা অজানায়। বেশ কয়েকজন ব্লগারের সাথে সম্পর্কটা ব্লগের পরিধি টপকে জিমেইল/এমএসএন/ইয়াহু, এসএমএস এমনকি ফোনে কথা বলা পর্যন্ত গড়িয়েছে। আই লাভড ইট। মানুষগুলোর জীবন ছোঁয়া আমার জীবনের খুব বড় প্রাপ্তিগুলোর একটা। এভাবে না হলে কখনই, কোন হিসেবেই এই মানুষগুলোর সাথে আমার কথা হওয়ার কথা না। দিনে একবার কথা না হলে রাতে ঘুম হবে না, ওমন হওয়ার কথা না। ব্লগের জন্য হিসাব মিলে গেল।
এখানে মজার ব্যাপার হল, আমার ব্লগের চরিত্র তথাকথিত 'বিতর্কিত' বলে, ব্লগের বাইরের পিঠ চাপড়া চাপড়ি ব্লগে এসে পেঁৗছায় নি। একজনের নিজ মুখের ঘোষণা, 'আস্তমেয়ে'কে সে অপছন্দ করে, আসল আমিকে পছন্দ করে। ঝামেলা! এইটা শোনার পরে সত্যিই চিন্তায় পড়ে গেলাম, আমি তো কখনও অভিনয় করি নি, তবু আমার ভার্চুয়াল চরিত্র কেন অন্যরকম হবে?
[গাঢ়]ভেবে যা বের করলাম তা ব্লগিং শুরু করার একদম শুরুতেই জানলে আমার পুরো ব্লগিংটাই হয়তো অন্যরকম হতো।[/গাঢ়]
আমরা যত চেষ্টাই করি না কেন, আমাদের যেই চেহারা ভার্চুয়াল জীবনে ফুটে উঠবে, সেটা কখনই পূর্ণ চেহারা না। আমাদের আসল 'আমিত্বের' খুবই অল্প একটা অংশ। সমস্যা হল, আমাদের সামনে ব্লগারদের বিচার করার মানদন্ড ওই একটায়, বিভিন্ন সময়ে তার বলা নানা কথাগুলো। নিশ্চিত হন আপনারা, ব্লগারদের পিছনের এক একজন মানুষ আসল জীবনে এর চেয়েও অনেক বড় (কিংবা ছোট!)। এই আমি, প্রথম দিকে পুরাটা সময় চেষ্টা করে গিয়েছি মানুষের প্রশ্নের উত্তর দিতে। বোকা আমি বুঝি নি, মানুষগুলোর মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বিশ বছর ধরে। আমার বিশ মিনিটের উত্তরে তার কিচ্ছু বদলে যাবে না। এই আমির বেলাতেও তা সত্যি।
আরেকটা মজার ব্যাপার খেয়াল করলাম। সাইকোলজিতে ইনডিভিজুয়াল সাইকোলজি আর গ্রুপ সাইকোলজি আলাদা করে গবেষণা করা হয়। এর পিছনের কারণ হলো, আমরা মানুষের সামনে বদলে যাই। অল্প মানুষের সামনে আমাদের চরিত্র এক রকম। বেশি মানুষের সামনে আরেক রকম। পরিচিত মানুষের সামনে একরকম, অপরিচিতের সামনে আরেক রকম। সামাজিক আমরা খুব অন্যরকম। ইন্টারেক্টিভ ব্লগ বলে ব্লগটাও আস্তে আস্তে সমাজ হয়ে গিয়েছে।
একই মানুষকে ব্লগীয় পরিসরে চিনে, আস্তে আস্তে ফোন পর্যন্ত আবিষ্কারের ব্যাপারটা সত্যিই অনন্য। ওই যে, বড়ত্বটা বড় করে ধরা পড়ে চোখে, তাই। আমার দুর্ভাগ্য, সবার থেকে খুব দূরে থাকি। না হলে মানুষগুলোর সাথে সময় কাটাতাম কিছু। আরেকটু ছুঁয়ে দিতাম।
আমার খুব মানুষ দেখার শখ। উত্তর বঙ্গে খালি পায়ে ঠেলা গাড়িতে চলার পাশাপাশি ইউরোপের আল্পস মুগ্ধ চোখে দেখতে চাই। চীনের কোন গ্রামে বসে পূর্বপুরুষের বন্দনা করতে চাই। আফ্রিকার সুন্দর মানুষগুলোর সাথে আগুন ঘিরে বসে প্রকৃতির সাথে মিশে যেতে চাই। সাউথ আমেরিকার খোলা মনের মানুষগুলোর সাথে গলা মিলিয়ে হাসতে চাই, গান গাইতে চাই। মধ্যপ্রাচ্যের মাথা গরম মানুষগুলোর পাশে কালো বোরখায় নাক ঢেকে 'কেউ একজন' হয়ে যেতে চাই। মেয়ে আমি। আস্তমেয়ে। মেয়েদের অনেক বাঁধা, নিজের তৈরি, সমাজের তৈরি, ভালবাসার তৈরি। কতদূর পায়ের চিহ্ন ফেলতে পারব জানি না। কিন্তু এই একটা বছর আপনাদের সাথে থাকলাম, অনেকগুলো 'মানুষ' দেখলাম... আমার খুব বেশি ভাল লেগেছে। খুব।
কখনও 'হুমকি' দেই নি, ব্লগ ছেড়ে ভাগব। দিবও না। এত পেয়ে নিমক হারাম হই ক্যামনে? তবে আপাতত এখানে দুইশ পোস্টই থাকুক। লিখব mܨvevwZ হয়ে।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:২২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অতিথি বলেছেন:
এটা তোমার সবচাইতে ভালো পোস্ট। দ্্বিশতকের অভিনন্দন।
অতিথি বলেছেন:
অতিথি বলেছেন:
ভেবে যা বার করেছেন, তা বেশ খাঁটি জিনিস। দু'শ পোস্টের শুভেচ্ছা। হাতের ক্যাননটা নিশ্চয়ই আপনার পছন্দের জিনিস। আমারটাও একই ধরনের মডেল।
অতিথি বলেছেন:
অভিনন্দন আপু খুবই ভালো হয়েছে তবে আমি একটা মেইল করেছিলাম পারলে একটুপড়ো আবারো বলি খুবই সুন্দর এই ভাইয়ের থেকে অভিনন্দন নিও আর দোয়া করি আরো ভালো হোক তোমার সবকিছু
অতিথি বলেছেন:
আলহামদুলিল্লাহ।যাজাকাল্লাহ খাইরান!
199 দেইখা এমুন একটা ম্যারাথন পোস্টের অপেক্ষায় ছিলাম। ধর্ম বিষয়ে পোস্ট কইমা যাইতেছে। তারপরেও গুড এফোর্ট। কিপিটাপ।
অভিনন্দন।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
অসাধারন, অসাধারন লেখা............এতো সুন্দর যেদিন লিখতে পারবো সেদিন বলবো আমি বাঙলা শিখেছি।
-------
আগামি মাসে দেশে যাচ্ছি, 2 মাসের জন্য।
অতিথি বলেছেন:
সোনা মেয়ে,যদি বলি তোমার লেখা পড়তে গেলে আমি নিজেকে হারিয়ে ফেলি... খুব বেশী কি বলা হবে? তোমার বয়সী একজন মানুষের চিন্তার গভীরতা আমাকে সব সময় মুগ্ধ করেছে, কখনো ভাবিয়েছে কখনো কখনো একমত হতে পারিনি... তবে যেসব জায়গায় একমত নই দেখা গেছে আমি আমার আবেগের দ্্বারা তাড়িত আর তুমি যুক্তিতে অটল... আমি তর্ক করা পছন্দ করিনা কখনোই, ব্যক্তি স্বাধীনতায় বিশ্বাসী, তাই আবেগকে আবেগে এবং যুক্তিকে যুক্তিতে স্থান দিয়েছি।
এই একবছরের কোন এক সময়ে তোমার কাছ থেকে যে মানসিক সমর্থন পেয়েছি তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, তোমার সেই কথাগুলো আমাকে ভাবিয়েছে, জীবনের কোন কোন দিক যেগুলো হয়তো অবহেলিত ছিল খুঁজতে চেষ্টা করেছি। তোমার একবছর পূর্তিতে আর দুইশত পোস্টের অভিনন্দন। লিখে যাও অনন্তকাল, অনন্ত পোস্টে, মানুষের কথা, ভালোলাগার কথা, ভালোবাসার কথা; সাথে মন্দকথা, মন্দলাগাও সংযোজিত হতে পারে... এভ্রিথিং ইজ পার্ট অভ লাইফ।
ভালো থেকো সোনামেয়ে।
অতিথি বলেছেন:
তুমি যদি সময় পাও তবেই মেইলটা একটু পড়বে অনুরোধ করছি
অতিথি বলেছেন:
ফাটাফাটি ব্জ্বলখা ।ডাবল ব্জ্বসঞ্চুরী করব্জ্বলন ব্জ্বতা মিষ্টি কই।
অব্জ্বনক অভিনব্জগ্দদন ডাবল ব্জ্বসঞ্চুরী করার জন্য।
অতিথি বলেছেন:
অভিনন্দন আস্তমেয়ে ... চমৎকার লেখা সেদিন হঠাৎ মনে হলো, ব্লগিং জিনিসটা ভার্ডুয়াল তো নয়ই বরং মোর দ্যান রিয়াল... প্রত্যেক পীয়ারে বসে আছেন খোলা মন নিয়ে একেকজন রক্তমাংসের মানুষ...
অতিথি বলেছেন:
কুরাণ পড়া শুরু করছি এখনো বুঝতে পারিনি চেষটা চালাচ্ছি দেখি কি হয় তোমার এই লেখা পড়ে আপু আবরো ভাবছি কত কিছু শে খার এখনো বাকি তোমার জন্য দোয়া করি আমাকে একটু দোয়া দিও
কালপুরুষ বলেছেন:
তোকে এত্তো এত্তো অভিনন্দন আর শুভেচ্ছা। আমি মনে হয় তোর কাছে একটু পর হয়ে গেছি কিন্তু তোর জন্য আমার আদর/স্নেহ/ভালবাসা সব কিন্তু সেই আগের মতই আছে। ভাল থাকিস। দোয়া রইল।
অতিথি বলেছেন:
এন্ড অফ এ গ্রেট এপিসোড! দাড়িয়ে সম্মান জানালাম!
অতিথি বলেছেন:
ভালো লেখা আশা করি আরো সুন্দর লে খা পাবো আমার এই ছোট কিন্তুজানায় অনেক বড় এই বোনের লেখায়
আশরাফ রহমান বলেছেন:
পারস্য উপসাগরের পাদদেশ থেকে আপনাকে বিচিত্রসব গোলাপের শুভেচ্ছা ডাবল সেঞ্চুরীর জন্য। ক'দিন ধরেই লক্ষ্য রাখছিলাম আপনার নামের পাশে (199) এর প্রতি । আজ তা পূর্ণতা পেল। আমি ব্লগে আপনার শুরটা দেখিনি। কারণ এখানে আমার বয়স মাত্র তিন মাস। তবে সময় পেলেই আপনার পোস্টগুলো পড়ে কাযা আদায় করে থাকি। আমি মনেকরি আপনার সবগুলো পোস্ট-ই সুখাদ্য। মাঝে মাঝে ভাবি আস্তমেয়ের ব্লগিং নিয়ে একটা বই বের করবো। আমি আশাবাদী বইটি দারুণ চলবে! অবশ্য আপনার ব্লগিং নিয়ে আপনার নিজস্ব পরিকল্পনা কি তা আমি জানি না। তবে আমি চাই আপনার লেখাগুলো প্রচার পাক। এ যুগের আধুনিক মেয়েরাও যে ইসলাম নিয়ে এত পড়াশুনা করে; যুক্তি এবং রেফারেনস দিয়ে কথা বলতে পারে তা ভেবে আমি বিস্মিত হই! আপনাকে হযরত খাদিজা ,আয়েশা, ফাতিমার যোগ্য উত্তরসুরী বলেই আমি মনে করি। আবারো অভিনন্দন।
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ সুমন দা।অ্যালন,
আমার পোস্ট পড়ে পাবলিক বিলাপ করে, আপনিই ঠিক আছেন

এস এম মাহবুব,
ক্যানন কি না জানি না তো! মায়ের ক্যামেরা!
ফ্রুলিংক্স, ঝড়ো,
আপনারা কাজের না

মনশুধু,
দেখব।
চোর,
আমার পোস্ট পড়েন নাই, না?
আর ধর্মের কথা বলা কমায় দিছি কে বলল? আমার প্রত্যেকটা পোস্ট ধর্মের পোস্ট, একটাও অধর্মের পোস্ট নাই! চোরের না হয় ধর্ম থাকে না, আমার ধর্ম সব সময় এক মাহবুব সুমন,
ভাবিকে না এনে নিজেই যাচ্ছেন? গুড সিদ্ধান্ত!
অন্ধকার,
আপনার সাথে অল্প যা একটু কথা হয়েছে খুব ভালো লেগেছে। সোনামেয়ে ডাকটা আমাকে আর কেউ দেয় না। মাঝে মাঝে পোস্টের মন্তব্যে যখন খুঁজে পাই খুব ভাল্লাগে। ভাল থাকবেন সব সময়!
সোহান বাশার,
আমাকে মিষ্টি খাওয়ান। পোস্ট লিখে সুগার লো হয়ে গ্যাছে।
ধন্যবাদ জেবতিক আরিফ।
জি্বনের বাদশা,
ঠিক তাই। তবে মানুষগুলোর যত কাছে যাবেন, তত ভালো লাগার কথা! আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তাই!
রিউ বলেছেন:
ব্লগে আমার বয়স এক মাস ও হয়নি। ব্লগে লেখার উৎসাহটা বেশী পেয়েছি যার লেখা পড়ে, সেই আস্তমেয়ে কে সত্যি অভিনন্দন। তোমার সাহসী লেখার জন্যে অনেক অনেক স্নেহশীষ রইল। তোমার লেখার সারল্য আমাকে ভীষণ মুগ্ধ করে। তোমার আরো লেখার অপেক্ষায় থাকব।
মিসকল বলেছেন:
200তম পোষ্টটি পুরো পড়া হয়নি। আগের আপনার অনেক লেখাই পড়েছি। খুব ভাল লিখেন। সবচেড়ে বড় কথা ছোট একটা বিষয়ে আপনি সুন্দর, সাবলিল ভাবে বুঝাতে পারেন।
মিসকল বলেছেন:
ও ভাল কথা আসল কথাই বলা হয়নি। আপনাকে অনেক অনেক অভিনন্দন।
অতিথি বলেছেন:
অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ।
অতিথি বলেছেন:
আজকের পিজ্জাটা হেভী হইছে ।শালার ডাক্তারের গুষ্টি...। আমাকে বলে পিজ্জা খাওয়া নিষেধ
।আমি যে কাজের না সেইটা আমার বোন দৈনিক কম করে হলে ও 21 বার বলে। ভাবছিলাম তোমাকে দিয়ে ছোটবোনটাকে একটু উপদেশ দেওয়াবো। এখন আর সম্ভব না।
তোমার পোষ্টের প্রশংসা করে লাভ নাই। সব সময় পছা লেখো। এগুলো পড়লে শুধু দেশে যেতে ইচ্ছে করে
।
রাগ ইমন বলেছেন:
আস্ত ,আস্তা 200টা অভিনন্দন । শুধু তুই না, তোর সাথে সাথে আরও কেউ লেখা কমিয়ে দিয়েছে । ঠিক না।
সন্ধ্যাবাতি লিখে যাবে ? আস্ত কিলড?
অভিনন্দন সহ ইন্নালিল্লাহ
সত্যি যদি আর না লিখিস এই নিকে , তাইলে অবশেষে " আস্তমেয়ে ও রাগ ইমন " ধরনের একটা লেখা দিতে পারি ।
অনেক দিনের খায়েস, পায়েস রান্ধুম ।
তোর অনুমতি লাগবে , সোনা মেয়ে ।
জানায় দিস
আবারও শুভেচ্ছা । ভালো লেখা আর কইলাম না, কারন ঐটা তোর সাথে বহুত আলোচনা হইসে।
কনফুসিয়াস বলেছেন:
দুইশ! আমারো প্রায় বছর হয়ে গেলো, কিন্তু পোষ্ট হয়েছে মোটে একশ দশ না বারো যেন। অনেক শুভেচ্ছা!
আমার অবশ্য আস্তমেয়ে, এবং আসল মেয়ে, কোনটারেই পছন্দ নয়। :-))
ভালো থাকবেন।
অতিথি বলেছেন:
কালপুরুষ, পরে হয়েছেন কে বলল? আমাকে পর করতে চান?
আপনার বাসায় রাজ্যির সবাইকে যেভাবে দাওয়ার দিয়েন খাওয়ান, আমি কিন্তু দাবী টাবী ছাড়ব না। পর টর বলে পার পাওয়া যাবে না। আপনার এক একটা মন্তব্য খুব অনুপ্রেরনা দিয়েছে। আর টের পাই, কিচ্ছু কমে নি যে। অনেক ধন্যবাদ। মাঝে মাঝে একটু উঁকি দিয়ে মন্তব্য করে যাবেন, খুব ভাল্লাগে যে!কৌশিক,
এভাবে বলতে হয় না। আমারই খারাপ লাগছে!
আশরাফ রহমান,
অনুপ্রেরনার জন্য অনেক ধন্যবাদ। কখনও পেশার জন্য লিখব ভাবি নি, নেশা হিসেবেই লিখি। লিখতে ইচ্ছা করলে, তখন দেখা যাবে
ধন্যবাদ ত্রিভুজ, অ্যালন।
রিউ, এই রকম এক একটা মন্তব্য খুব ভালো লাগিয়ে দেয়। ধন্যবাদ!
ধন্যবাদ মিসকল, হাসান মোরশেদ।
ফ্রুলিংক্স,
হা হা হা। আয় হায়, একটা চাকরি হারালাম! তবে দিয়ে দেখতে পারেন, আপনিও চামে 'কাজের' হয়ে যাবেন
অতিথি বলেছেন:
রাগ ইমন আপু, হে হে। আরও কেউর নিজের হাত পা মাথা আছে! এইভাবে যদি জিজ্ঞাসা করো, 'সত্যি এই নিকে আর লিখবি না'... তাইলে ক্যামন ক্যামন জানি লাগে। আস্তমেয়ে নিকের সাথে কত স্মৃতি! কত মানুষের সাথে ঝগড়া হয়েছে, ভাব হয়েছে! তবে লিখবা না যখন বললাম, তখন লিখবই না। সেলিব্রিটি ব্লগার আমাকে নিয়ে পায়েস রান্ধার অনুমতি চাইসে, আমি দিব না ক্যান? অবশ্যই লিখতে পারও। একটু ভয়ে ভয়ে থাকব, আমার সম্পর্কে কি জানি কি ফাঁস করে দাও

কনফুসিয়াস,
আপনার মত ভারি মানের একটা পোস্ট লিখতে পারলেও আমার খুব বর্তে যেত। তবে সত্য কথাটা এই ভাবে না বললেও পারতেন
। মানুষের কষ্ট লাগে না? আপনিও খুব ভালো থাকবেন!
অতিথি বলেছেন:

200 তম পোস্টের শুভেচ্ছা

ব্লগে এত্ত বড় লেখা মনে হয় পড়ি নাই। আজকে একবারে এত্ত বড় লেখা শেষ করে রেকর্ড করলাম
অতিথি বলেছেন:
হা হা হা @ সাকিব। প্রথম দিকে আপনার সাথে হালকা ঝগড়া হইছিল, ওই রাগ ভেঙেছে? থ্যাঙ্কু পোস্ট পড়ার জন্য!
অতিথি বলেছেন:
ব্লগের মাধ্যমে অনেক মানুষের জীবন ছোঁয়া। সুন্দর হইছে এই জায়গাটা। মোদ্দা ব্যাপারটা সেইটাই। 200 পোস্ট পূর্তির অভিনন্দন। আস্তমেয়ে নিক নেওয়াটা প্রথম থেইকাই আমার ভালো লাগে নাই। ভালো হইছে সন্ধ্যাবাতিতে যাওয়া।
অতিথি বলেছেন:
কবে হালকা ঝগড়া হইলো?
(আম্মাআআ)তবে মিথ্যা বলবো না, আপনার ঐ রকম একটা রেসপনেস আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। এই রকম ব্যবহার হয়? যাহ...

তবে এখন (....) নাই... (ক্লোজআপহাসি)
কালপুরুষ বলেছেন:
আস্তরে,রক্তের সম্পর্কের চেয়ে অনেকসময় আত্মার সম্পর্ক মানুষকে অনেক বেশী বিচলিত করে, ভাবায়, আবেগতাড়িত করে। আমার সাথে তোর সম্পর্কটা হয়তো সেরকমই একটা সম্পর্ক। কাছে না থেকেও প্রতিক্ষণ যার সরব উপস্থিতি টের পাই। আত্মা অবিনশ্বর তাই সামাজিক ও জাগতিক সবকিছুর বেড়াজাল ছিন্নকরে যে আন্তরিক, মানবিক ও আত্মিক একটা সম্পর্ক গড়ে উঠেছে সেটা চিরকালই সমুজ্জ্বল থাকবে। আর আমার ঘরে ও অন্তরে তোর জায়গা অনেক অনেক সুরক্ষিত থাকবে, আছে এবং ছিল।
অতিথি বলেছেন:
যেই লাউ সেই কদু। মানুষ তো একটাই। যেখানে খুশি লিখতে থাকো।চাকরি করতে ডয়েচ লাগে।খুবই সহজ এবং মজার একটা ভাষা। শিখে ফেলো।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
শুভেচ্ছা জানাতেই এই নিকে ঢুকলাম। শুধু নারী ব্লগারদের মধ্যে রেটিং করলে মহুয়া মঞ্জরী ও তোমার মধ্যে একজনকে বেছে নিতে পারব না সেরা হিসেবে। আর সার্বিক মূল্যায়নে? ইউ আর ওয়ান অব দ্য বেস্ট। ক্যারি অন অ্যাজ সন্ধ্যাবাতি।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
এই ব্লগের সাথে পরিচয় প্রায় বছর খানেক হল ইলখতে পারি না, তাই লিখি না। শুধু পড়ে যাই। আর প্রয়োজন মনে করলে আজকের মত দুয়েকটি কমেন্ট পাঠাই। ব্লগে ডুকি সাধারণত আপনার নতুন কোন পোস্ট পড়ার জন্য। অসম্ভব সুন্দর লেখেন আপনি। আপনার বেশ কিছু লেখা আমি পিডিএফ করে অনেককে পড়তে দিয়েছি। অনেক কিছুই নতনি করে বুঝতে শিখেছি। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।সন্ধ্যাবতি, প্রায় আপনার বয়সী আমার একটা বোন আছে। আমার খুব ইচ্ছা আপনার মত করে গড়ে তোলা। এটা কি সম্ভব?
অঃরঃপিঃ বলেছেন:
তোমার স্তুতিতে আমার দুই স্বত্ত্বায় কোনো বিভেদ নাই। আদর্শিক বিভাজনের পরও তুমি শ্রদ্ধা আদায় করেছো আমার, স্রেফ ব্যক্তিত্ব দিয়েই। স্যালুট
রঙহীন বলেছেন:
অতিথি বলেছেন:
হুমমম... পড়লাম... যথারীতি অসাধারন.....এখানে আমরা যেভাবে ব্লগিং করি, তাতে কারো চিন্তা ভাবনা পরিবর্তন করে ফেলতে পারবে না তুমি। আসলে তর্ক কখনো সমাধান দিতে পারে না... আমরা শুধু কারো বক্তব্যের সাথে দ্্বিমতটা প্রকাশ করি এখানে.. সেই সাথে কেন দ্্বিমত তা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করি। তাতে যার সাথে দ্্বিমত পোষন করা হয়, তিনি ব্যাখ্যাটা মেনে নিলেও স্বীকার করতে চাইবেন না, স্বাভাবিক। তবে তাতে যে প্রচেষ্টা একদম ব্যার্থ তা কিন্তু নয়। মানুষের অবচেতন মনে র একটা বিশাল গুন হলো সত্যকে অনুধাবন করার ক্ষমতা। আজ হোক কাল হোক একদিন না একদিন সবার সচেতন মনে এই ব্যাপারটা নিয়ে আসে অবচেতন মন। সেটা তোমার, আমার এবং বাকীদের বেলাতেও। সুতরাং আলোচনা বা তর্ক যাই বলি না কেন, তা আমাদের চিন্তাভাবনার গন্ডি বাড়াতে ও সত্যকে আবিষ্কার করতে সাহায্য করে। আরেকটা ব্যাপার কি জানো, তোমার কথার জবাবে এখানে সরব পাঠকরা কি বলছে তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ন হলো নীরব পাঠকরা কি ভাবছে। অনলাইনে অনেক বন্ধু থাকার কারনে হোক অথবা আমাকে অনেকে চিনার কারনেই হোক, ব্লগ বিষয়ক প্রচুর মেইল পাই আমি। তারা কেউ ব্লগে লিখে না। হয়তো লিখে না বলেই তাদের মতামতটা সুন্দর হয়। কারন সেখানে গ্রুপ সাইকোলজি কাজ করে না... হেরে যাবার ভয় বা পাছে লোকে কি বলে নিয়ে চিন্তা থাকে না... সুতরাং তাদের মন্তব্যগুলো চমৎকার হয় (আমার ক্ষেত্রে বেশীর ভাগই অবশ্য উপদেশ মূলক ও সমর্থন মূলক)। তোমাকে হয়তো এমন অনেকেই মেইল করে (আমার চেয়েও বেশী করার কথা.. কারন তুমি অসাধারন লিখ).. আর মেইল না পেলে পরিচিতদের লিংক মেইর করে মতামত চাইতে পারো... মেইল করার ক্ষেত্রে শুধু তোমার মতের লোকদেইর না, যাদের সাথে একমত নও তাদেরকেও করো। অনেক কিছু বুঝতে পারবে।
ব্লগে যতটুকু দেখেছি তাতে মনে হয়েছে তুমি অনেক রিএ্যাকটিভ। রিএ্যাকটিভ হয়ে বেশীদিন তুমি নিজেকে ধরে রাখতে পারবে না মানে স্বকীয়তা বজায় রাখতে পারবে না। প্রোএ্যাকটিভ হয়ে যাও..... দেশে আসলে আমাকে একটা খবর দিও। যদি দেশে থাকি ঐ সময়টায়, তোমাকে চমৎকার একটা ব্যাপারের সাথে পরিচিত করে দেব, যা তোমার জীবনে কিছুটা হলেও ভূমিকা রাখতে পারবে।
আমি অনেক ব্যাস্ত হয়ে যাচ্ছি... মাঝে মাঝে দু'একটা পোষ্ট হয়তো দেব.. তবে আমার প্রিয় ব্লগারদের ও ভাল ব্লগারদের ব্লগগুলোতে ঢু মারতে একটুও ভুল হবে না.. তাই চাই লিখে যাও.. তা যেই নিকেই হোক না কেন।
এক বছর আগে তোমার ব্লগে একটা মন্তব্য করেছিলাম। সেটা আবার করি- 'কখনো লেখালেখি ছেড়ে দিও না।'
ভাল থাকো।
অতিথি বলেছেন:
ওফ!!! পোস্টা অনেক বড় আর মন্তব্যও বিশাল।জানিনা আমার কমেন্টটা কারো এতো নীচে চোখে পরবে কিনা।
আপনাকে অভিনন্দন দুইশতম সেঞ্চেুরি করার জন্য।
আর হা ইমরান ভাইকে সালাম ।অনেক দিন ধরে তার সাথে কথা হচ্ছে না।।।।।।।
অতিথি বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি . . . চমৎকার নিক। এত সুন্দর সুন্দর নিক কিভাবে পান ? আর কমেন্টসও ঠিক 200 হলে মন্দ হয় না। না কি বলেন ?
তাহসিন সাঈদা মুন বলেছেন:
দারুন একটা লেখা। আমার মনটা প্রচন্ড খারাপ ছিল। এই লেখাটা মনটা ভালো করে দিয়েছে অনেকটাই।তোমাকে ধন্যবাদ। আর আরও একজনকেও ধন্যবাদ।
সত্যিকার তোমাকে দেখতে ইচ্ছে করছে। আর বিশ্বাস করো ইনশাআল্লাহ একদিন দেখা হবে।তোমার এই লেখাটা পড়ে আমি বিশ্বাস করা শুরু করেছি। তুমি তো জানোই আমিও একটু ট্যান কার্ভিস। তাই দেখা হবে ইনশাআল্লাহ। তখন ঠিকই জড়িয়ে ধরে সত্যি সত্যি ছুয়ে দেখব আপু।

আর নকশি তুমিও আমার অনেক প্রিয়, কখনও বলা না হলেও তুমি জানো তুমি আমার অনেক কাছের একজন বন্ধু। তোমাকেও ধন্যবাদ।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
শুভেচ্ছা দ্্বিশতকীয়। আপনি খুব শক্ত গাথুনিতে লিখেন। যা লিখছেন তাতে জোর দিতে পারার মত দক।ষতা আছে আপনার। আমি মনে করি এটি একটি বড় গুন যেকোন লেখকের জন্য। যা অনেকেরই থাকেনা। যেমন আমি।শুভকামনা সন্ধ্যাবাতি'র জন্য।
আলী বলেছেন:
কেমন আছো?
আশরাফ রহমান বলেছেন:
200তম পোস্টে কমপক্ষে 200টি কমেন্ট হবে আশাকরি।
কনফুসিয়াস বলেছেন:
সর্বনাশ, মেয়ে দেখি মন খারাপ করে!আরে নাহ, আগেরটা মজা করে বলেছিলাম। ওসব কথা ধরতে নেই।
200 হলো, এবার সন্ধ্যাবাতিতে গিয়ে 200 এর নামতা পড়তে থাকুন। :-))
শুভ বলেছেন:
আস্তমেয়ে,আসলে আপনার জন্য পোস্টের সংখ্যাটা জরুরী কিছু না।
আমি আগেও বলেছিলাম সম্ভবত, আবারও বলি,
কখনও কখনও আপনার লড়ে যাওয়া দেখে আমি বিস্মিত হতাম, আক্ষরিক অর্থেই।
হুজ রাইট হুজ রং- এক্ষণ আমি সেই জটিলতায় যেতে চাচ্ছি না- কিন্তু আপনার লড়ে যাওয়ার ক্ষমতা আমায় অভিভূত করত।
ভাল থাকবেন গো- লড়াকু মেয়ে!
হযবরল বলেছেন:
পড়েই ফেললাম শেষ পর্যন্ত। বড় লিখাও যে অনেক তৃপ্তিদায়ক হয় সেটা দেখালে মেয়ে। বিদায়। দেখা হবে সন্ধ্যা বেলা ব্লগাকাশে যদি কখনো আসি।
অতিথি বলেছেন:
শেষ পর্যন্ত পড়েই ফেললাম। সবার মন্তব্য পড়ে মনে হলো ভালোই লিখছো। শুভ ভাইয়ের মন্তব্যের সাথে একমত। তোমার যুক্তি দিয়ে তর্ক করার ক্ষমতা প্রচুর। মাঝে মাঝে আমার ও প্রচন্ড রাগ হতো। কি দরকার এতো তর্ক করে। সবাই শিক্ষিত।বোঝাতে গেলে যদি উলেটা বুঝে।
ব্লগে যখন কাদা ছোড়াছুড়ি হয় তখন ভেবেছিলাম তোমাকে মেইল করে বলি চুপ থাকতে। পরে ভাবলাম, its ur life। হয়ত তুমি তোমার মতো করে সান্তনা পাচ্ছো।
সন্ধ্যাবাতীর (বানানটা বেশ কঠিন) জন্য শুভ কামনা।
অতিথি বলেছেন:
পোস্টটা যখন পড়েছি তখন 1ম পাতায় ছিলো কিন্তু মন্তব্য করার সুযোগ হয়নি.....তাই দেরীতে হলেও প্রথমে 200তম পোস্টের জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা.....
তা আস্তকে এখানে থামিয়ে দেওয়া কি ঠিক হলো????
সন্ধ্যাবাতির জন্য শুভ কামনা....
অতিথি বলেছেন:
অনেক অনেক শুভকামনা আস্তমেয়ে। আশা করি সামনের দিনগুলো শুভ হবে। জীবনকে সৌন্দর্যের পথ দেখাবেন ও নিজে সে পথেই এগুবেন...। আপনার লেখার হাত অস্বাভাবিক সুন্দর, তাই লিখে যাবেন সবসময়েই...।
অতিথি বলেছেন:
শুভেচ্ছা। তোমার সম্পর্কে শুভ'র উপমাটা সবচেয়ে যথাযথ হইছে। এ কারণে আমি ওটাই আবার বলছি। ভালো জিনিস ধার করাও ভালো। লড়াকু..সত্যিকার কোন লড়াইয়ে পড়লে এবং সেখানে তুমি হাজির থাকলে তোমাকে আমরা নেতা ঘোষণা করবো। তবে এটা ঠিক যে সব সিদ্ধান্ত তোমার হাতে ছেড়ে দেয়া যাবেনা।
অতিথি বলেছেন:
সাদিক, ওই জন্যই ব্লগানো ছাড়ার কথা বলি নাই একবারও, এত কিছু হওয়ার পরেও! আমি জানি আমি যত পেয়েছি, যত জানালা খুলেছে আমার জন্য, ওইটা ব্লগ ছাড়া সম্ভব ছিল না! আর আস্তমেয়ের কোন নিন্দা করবেন না খবরদার

সাকিব,
আসলে বললাম না, আমি ভেবেছিলাম আপনি আমার আরেকজন ফ্রেন্ড। ওর ইমেইল এডরেসটা কাছাকাছি। ওকে আমি এভাবেই বকে বকে কথা বলি

পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ফ্রুলিংক্স। আমাকে আর কোন কম্পিউটিঙের ভাষা শেখার কুবুদ্ধি দিবেন না খবরদার!
অতিথি বলেছেন:
কালপুরুষ, একদম বাদশাহ এর মত মন্তব্য হলো
। ঠিক ঠিক হাজির হবো 'আমার জায়গা' তে মাহমুদ রহমান,
এরকম এক একটা মন্তব্য পড়লে খুব বিব্রত লাগে আসলে। আমার লেখক স্বত্তাকে আপনার ভাল লাগে, আসল আমি কে ভাল নাও লাগতে পারে
। চিন্তা চেতনা যেভাবে বড় হয়েছে তার পিছনে সবচেয়ে বেশি হাত আছে আমার মা বাবার। ছেলেমেয়েরা দেখে দেখে শিখে, অন্তত: পাঁচ/ছয় বছর পর্যন্ত শেখাটা পুরাপুরি অবজারভেশনাল। আমি ভাগ্যবতী খুব পরিশুদ্ধ মা বাবা পেয়ে (যদিও ওদের কাছাকাছি নেই আমি)... ওরা আমাকে খুব স্বাধিনতা দিয়েছে বরাবর। আমার আমির বাকিটা আল্লাহ গড়েছে
অতিথি বলেছেন:
অমি রহমান পিয়াল, অ:র:পি:, আপনার লেখনী শক্তির ভক্ত তো আছিই... প্রথম থেকেই ভক্ত হয়েছি আনকমপ্রমাইজিং এটিচুড দেখে, আপনি একজন যোদ্ধা, সেটা নিজের জীবনের যতটুকু কথা বলেছেন তাতে বুঝা যায়। তাই সব সময় ভীষণ শ্রদ্ধা করেছি।
অতিথি বলেছেন:
ত্রিভুজ, হ্যা, অনেক ইমেইল পেয়েছি। পজেটিভ ফীড ব্যাক ব্লগে যা পেয়েছি তার চেয়ে বেশি পেয়েছি ইমেইলে। আমি চিনি না জানি না এমন মানুষগুলো যখন কিছু পড়ে অনুপ্রেরনা পায় তখন সত্যিই ভাল লাগে। তবে, আমি আসলে তক্ক বিতক্কের খুব ভক্ত না। যদি এমন হতো, কথা বলে 'ভুল ধারণা' ভেঙে যায়, তাহলে অন্য কথা ছিল। প্রথম প্রথম আমার তাই ধারণা ছিল, কথা বলা হবে 'সেতু বিনির্মানের' জন্য। কিন্তু আসলে সেতু নির্মানে দুই পক্ষকে আগ্রহী হতে হয়। যেই মুহূর্তে আমি বুঝেছি আগ্রহী না, এইটা সংলাপ নয়, বিতর্ক, আক্রমন আর লড়াই, সেই মুহূর্তে আমি সরে আসার চেষ্টা করেছি। আমার আত্মসম্মানবোধ খুব বেশি, (বিনয় কম তাই!), সেজন্যই হয়তো অনেক অর্থহীন তর্ক করে গিয়েছি তিতকুটে ভাব চলে আসার পরেও, 'হার মেনেছে' শুনতে রাজি না কখনই। যখন অবশেষে বুঝলাম এইটা ঝগড়া বাধানোর একটা পুরানো টেকনিক, তখন সরে এসেছি। তবে আমার লেখায় আমার মূল্যবোধ চুঁইয়ে পড়বে সব সময় ইনশাআল্লাহ, সেটা থামবে না! আর লেখার স্বাদ পেয়েছি, এখন বিদঘুটে স্বাদের হলেও, নিজের জন্যই লিখব! ভালো থাকবেন!
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ শেখ জলিল (কাকু!), দ্রোহী, অতন্দ্র প্রহরী।
অতিথি বলেছেন:
তাহসিন (আপু), দাঁড়াও বাংলাদেশে আসছি! তখন পালাতে পারবা না! ট্যান কার্ভিস মানুষদের আমার ভাল্লাগে
অতিথি বলেছেন:
নাজমুল আলবাব, আপনার লেখার (তার চেয়েও বেশি করে মনে হয় ব্লগার ব্যক্তিটার, যতটুকু বুঝা যায় ভার্চুয়ালি) ভক্ত আমি... মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ফারহান দাউদ,
ডোন্ট ওয়ারী ভাইয়া, করে যাবো পোস্ট। জনগণ আমাকে হাতে পায়ে ধরেও ছোট পোস্ট করাতে পারে নি, সংখ্যা নিয়ে বিরক্ত হয়েও লাভ হয় নি। আপনি চিন্তা কইরেন না একদম
।বোনদের সাথে আর শপিঙে যান নাই?

ভাল @ আলি
কেন?
@ আশরাফ
অতিথি বলেছেন:
ইচ্ছা ছিল 200 তম কমেন্টেসে 200 বার 200তম 200কেজি অভিনন্দন জানাব।তার আগেই জানিয়ে বসলাম। যদিও অফিসেই শুধু ব্লগ চেক করার সময়টুকু পাই, তারপরেও কিছু কিছু ব্লগের লেখার জন্য সময় নিজ থেকেই বের করে নিই।
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ জামাল ভাস্কর।শুভ,
কথাটা আগেও বলেছেন। শুনে কিন্তু আমি থমকে গিয়েছিলাম, আমি লড়াকু? আমি কিন্তু ভীষণ কাঁদতে পারি! একটাই দোষ, সেটা হল, আমি ভাঙলেও মচকাই না। বাঙালী মেয়েদের জন্য সবচেয়ে বড় দোষ! এতটা বাড়াবাড়ি না হলেও পারে, বিচক্ষণতা দিয়ে লড়াইটাই লড়াকু হওয়ার প্রমান.. তাই বুঝানোর চেষ্টায় আছি নিজেকে!
অতিথি বলেছেন:
হযবরল এর রুচির উপর আস্থা আছে। হযবরল যখন তৃপ্তিদায়ক বলে, তখন রাঁধুনিকে এ প্যাট ইন দ্যা ব্যাক দিতে ইচ্ছা করে
। পড়ার জন্য ধন্যবাদ!ফ্রুলিংক্স,
আমার লাইফ হইলেও, আপনার পরামর্শটা তো দিতে পারতেন। অনেক সময়ই তর্ক না করলে পারতাম, জানি
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ আবু সালেহ। আস্তের খেয়ালী মন বলে কথা!তীরন্দাজ,
কিছু মানুষ আছে যারা টলটলে। বিপরীত দিকে থাকলেও, যাদের দেখার ইচ্ছাটাকে মাথা নুইয়ে শ্রদ্ধা জানাতেই হয়। আপনি সে রকম একজন। অনুপ্রেরনার জন্য অনেক ধন্যবাদ!
অতিথি বলেছেন:
বাকী বিল্লাহ, তা যাবে না! সিদ্ধান্ত নেয়ার ব্যাপারে আমি খুব খারাপ। দুম দাম সিদ্ধান্ত নেই, কাজ করি, কিন্তু ভালো প্রভাবক থাকা লাগে আশে পাশে। না হয়, ডুবি, ডুবাই! ধন্যবাদ পড়ার জন্য!
অ:র:পি,
কার্ভস না, কার্ভিস বলেছে
সংক্ষিপ্ত চন্দ্রবিন্দু,
কিছু কিছু ব্লগের মধ্যে আমার ব্লগটা আজ রেখেছেন বলে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা! শুভ কামলা!
পাগলা দাশু বলেছেন:
দুশো মেরে দিয়েছে মেঘবরণ কন্যা, কুচবরণ কেশ । এক পশলা দমকা হাওয়ার শুভেচ্ছা ।
আনিকা বলেছেন:
তোমার লেখার মধ্যে অদ্ভুত একটা শক্তি আছে, প্রতিটা পোস্ট পড়ে মনে হয় এই মেয়েটা দেশের সংস্রবে না থেকেও যা লেখে তাতে করে আমার বোধকরি লেখা বন্ধ করে দেওয়া উচিত, কিঞ্চিত ঈর্ষাবোধ করি.... ডাবল সেঞ্চুরীর অনেক অভিনন্দন মেয়ে...
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ পাগলা দাশু! ছবিটা মনে হয় ভালো করে দেখেন নাই আনিকা আপু,
আপনার লেখা পড়ে আমি মুগ্ধ হই অকপট সততার জন্য। আপনি মানুষের সাথে সহজ হতে সময় নেন একটু না? চোখগুলো খুবই বুদ্ধিমতী, কষ্টিপাথরের মত যাচাই করতে পারে... আপনার পোস্ট পড়ে সেরকমই মনে হয়! খুব ভালো লাগে বরাবর.. লিখে যাবেন সব সময়।
অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য!
আরশাদ রহমান বলেছেন:
অনেক অনেক শুভেচ্ছা ! আমি এই সাইটে একেবারেই নতুন সবার লেখা পড়া হয়নি। আপনার সব লেখাও পড়া হয়নি। যে দু একটা পড়েছি খুব ভালো লেগেছে। এই লেখাটাও।
অতিথি বলেছেন:
পড়েছিলাম গতকালই; খুব মনোযোগ দিয়ে।একটা কথাই বলবো; যা দো'আও হতে পারে ; হতে পারে কি হলোই-
পৃথিবীকে দেখার দৃষ্টির পরিপক্কতায়ও এই বিংশতী মনটা বেঁচে থাকুক; দীর্ঘজীবী হোক।
এবার সন্ধ্যাবাতির আলোয় ঝলমল করুক চারপাশের পৃথিবী। শুভকামনা।
অতিথি বলেছেন:
আমি গাই কি আর আমার সারিন্দা বাজায় কি??কিছু কিছু জায়গায় তর্কের পরিবর্তে শুধু একটা শব্দই যথেষ্ট ।" সালাম"।এই কথাটাই তোমাকে তখন বলতে চেয়েছিলাম।তখন তোমার মেইল এড্রেস ছিলো না।খুজি ও নাই।
পাপড়ি বলেছেন:
অভিনন্দন।
পাশা বলেছেন:
আস্ত আপু,আমার আপনার মত একটি বোন আছে । আপনার লেখা পড়ার সময় বার বার
তার কথা মনে হয়। আমার বোনটা যদি আপনার মত হত।
সেইদিন টিচারস ক্লাবে একটি কিউট পিচ্চি মেয়ের সাথে দেখা। তার সাথে অনেকক্ষণ খেলা
করলাম আর দোয়া করতে থাকলাম, আল্লাহ মেয়েটাকে আমার আস্ত আপুর
মত কর।
আমার লেখা তত ভাল না তাই লেখা হয় না। তবে ব্রগে যখনই আসি
তখনই আপনার ব্লগ পড়ি। কেমন জানি এক আত্মিক টান থেকে এটা পড়ি
মনে হয় আমার বোনের ব্লগ পড়ছি।
সন্ধ্যাবাতি হলেও আপনি আমার আস্ত আপু থেকে যাবেন চিরকাল।
২০০তম পর্বে আপনাকে ২০০টি হলুদ গোলাপ দিতে পারলে ভাল লাগত।
তবে ২০০টি হলুদ গোলাপের শুভেচ্ছা দিতে ভুলব না।
অতিথি বলেছেন:
অতিথি বলেছেন:
দু'শ হয়ে গেলো?শুভেচ্ছা জানাতেও গরিমসী হচ্ছিলো, অলস মানুষ তার ওপর ভার্চুয়াল আর রিয়েলিটির ব্লেন্ডার মেশিনে পরে অবস্থা ব্যারাছ্যারা। কালকের সারারাত, আজকের সারাদিন এবং অর্ধরাতের সাথে কচলাকচলি করে শেষতক এলটন জন তার স্যাক্রিফাইস গানটা গেয়েই ফেললো।
ব্লগের কারো শতক, কিংবা জন্মদিবসের লগ্নতো চোখের সামনে দিয়ে শুভেচ্ছাহীন চলে যায় নি, আপনারটা কোনদিক দিয়ে চলে যাচ্ছিলো!
ধরে ফেল্লাম কৎ করে, যাবে কই? ব্লগের সবাই ই সমান, আলাদা কেউ নেই। সবাই পেলে আপনি কেন শুভেচ্ছাছাড়া থাকবেন?

নতুন 'নামে' সন্ধ্যা বেলায় বাতি জ্বালিয়ে যান, আরও উজ্ঝল হয়ে- শুভকামনা থাকলো- বেলাশেষের আলোর!
অতিথি বলেছেন:
তুমি আর আস্তমেয়ে নেই। ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছ।
Obhinondon apnar 2shoto post er jonno
By the way, apnar ki muslimspace e kono account ase ? na thakle register korun. Site kintu shotti bhao. R doshti sapce er moton na. Islamic rules r followed
May Allah bless us all. Ma'assalam.
অতিথি বলেছেন:
তাহসিন সাঈদা মুন বলেছেন:
সুস্বাগতম সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ.... 
তোমাকে এখানে দেখে অনেক ভালো লাগল বন্ধু....

তাহসিন সাঈদা মুন বলেছেন:
আপু... তোমার লেখাটাতো.... বলাই বাহুল্যদারুন...
কিন্তু কমেন্টগুলোও কি কম জোস.... খুব ভালো লাগল...
আর... আচ্ছা আমিও দোয়া দেই...
সফল হও আপু সব বিষয়ে... যেই সফলতা তুমি চেয়েছ... যা তোমার ভাষায় সাফল্য... সত্যিকার সাফল্য..
যীশূ বলেছেন:
দুইশ তম পোস্টের অভিনন্দন। সন্ধ্যাবাতিকে অভিবাদন।(হঠাৎ করে অনেকেই নাম পালটাচ্ছে। কাহিনী কি? নামের সাথে সাথে চরিত্রও পালটে যাবে না কি? বুঝি না।)
অতিথি বলেছেন:
এত সন্দর ছবি পান কোথায়.........................
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ তাহসিন,কিন্তু আমার কমেন্টস গুলো কই গেল?
আমি তো ইংরেজী বক্স এ ইউনিকোড দিয়ে লিখছিলাম.. (চিন্তিত)
যাই হোক কমেন্টটা একটু পর আবার দিচ্ছি.....
অতিথি বলেছেন:
আস্ত, আপনাকে 200তম পোষ্ট এর জন্য অভিনন্দন। আপনি খুব ভালো লিখেন মাশা-আল্লাহ। আপনার লিখা হয়ত অনেকজনকে লিখতে অনুপ্রেরণা যোগাবে.. তাই লিখা ছেড়ে দিবেন না। আল্লাহ হাফিজ।

এক বছর হয়ে গেল এখনো "শ" পুরা করতে পারলাম না। মনে হয় কাছা কাছি হয়ে গেছে।
তাহসিন সাঈদা মুন বলেছেন:
সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ, তুমি ইংরেজী বক্স এ কিছু লিখলে তা insert english button টা না ক্লিক করা পর্যন্ত আসবে না। তুমি main comment box এই ইউনিকোডে লিখতে পারো
অতিথি বলেছেন:
একশ' তম মন্তব্যটা করার জন্য আবার লগ ইন করলাম আস্তমেয়ে নামে। খেয়াল করলাম, আস্তমেয়ে নিকটা আমি মিস করছি। আশার আলোর ব্লগাস্ট্যাটিস্টিকস পড়ে আরেকটু বেশি। কি পাগলা ব্লগিং করেছি গত বছররে বাবা!ধন্যবাদ আরশাদ রহমান।
দোআ অব্যাহতি রাখবেন ফজলে এলাহী ভাই। মেটামরফিস চলছে, ভীষণ অস্থির আমি সব সময়। উজ্জ্বল হতে হলে অস্থিরতাটা কমানো চাই!
ফ্রুলিংক্স,
ছোট মানুষ আমি। মাফ কইরা দ্যান

ধন্যবাদ পাপড়ি।
পাশা,
আপনার ব্লগ কিন্তু পড়েছি আগা গোড়া, এই মন্তব্যের আগেই। ইদানিং মন্তব্য কম করা হয়। লেখা চালিয়ে যান! বোনের জন্য আরেকটু ভাল দোআ করতে কিপ্টামি করবেন না

লেনিন,
তুমি এনেছিলে, তাই আবারও ধন্যবাদ।
ধূসর গোধুলী,
এলটন জনকে একটা ধন্যবাদ দিয়ে দিয়েন, তবে টাইটেলটা পছন্দ হয় নি। স্যাক্রিফাইস না হয়ে আরেকটু ঐচ্ছিক কিছু হলে ভালো লাগত। ক্যান নট কমপ্লেইন!
আবদুল্লাহ,
আস্ত 'মেয়ে' ই আছি
ওয়ালাইকুম সালাম জারীর। একটু দেখে এসেছিলাম এক ফাঁকে। সময় পেলে যাব। মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। তুমি এইবার বাংলা টাইপিংটা শিখে ফেল ভাইয়া!
অতিথি বলেছেন:
মদন, অর্ভাস বলে কথা

অনেক ধন্যবাদ তাহসীন আপু। দোআ চালিয়ে যাও!
সমুদ্র,
আপনার সুন্দর চিন্তা দিয়ে ব্লগকে সমৃদ্ধ করুন!
নাজিরুল হক,
দুই 'শ' পুরা করে এট্টু লজ্জা লজ্জা লাগছিল। তাই ভাগা দিলাম
আস্তমেয়ে বলেছেন:
হ..
আস্তমেয়ে বলেছেন:
চ,,,
আস্তমেয়ে বলেছেন:
ছে...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















