আমার প্রিয় পোস্ট

ডিসক্লেইমার: মন্তব্য করুন নিজের মতই, কিন্তু তাতে আমার হৃদয়ের কাছাকাছি খুব প্রিয় মানুষদের কষ্ট পাওয়ার সম্ভবনা থাকলে সাথে সাথে ডিলিট হবে।

নারী স্বাধীনতা, কোরআন ও অজ্ঞতা (কিংবা বিকৃতি): দীক্ষক আপনাকে

১০ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১১:১৫

শেয়ারঃ
0 2 0

দীক্ষকের আসল পোস্টটা না পড়লে আমার পোস্টের সূত্র ধরতে একটু কষ্ট হতে পারে। পোস্টটা এখানে পাবেন: http://www.somewhereinblog.net/ Dravirblog/post/4075#comment
কোট করছি একটা অংশ: "যদিও এখন ইসলামী পণ্ডিতরা সুরা নিসা'ঐ আয়াতের একটু নরম ব্যাখ্যা দিয়ে প্রতিক্ষকে সন্তুষ্ট করতে চান তবুও এর সরাসরি অর্থই তো পৃথিবী জোরা মুসলিমদের প্রভাবিত করবে। নতুন ব্যাখ্যা কথা ক'জনের জানার সুযোগ পায়?"
উহু আমি কোন নতুন ব্যাখ্যার কথা বলবো না, অতি পুরানো ব্যাখ্যার কথা বলবো। মুহাম্মদ (সা:) 1400 বছর আগে যেই ব্যাখ্যা করে গেছেন সেই ব্যাখ্যার কথা। কিন্তু তার আগে, "এর সরাসরি অর্থই তো পৃথিবী জোরা মুসলিমদের প্রভাবিত করবে" এই মন্তব্যের ব্যপারে আমার একটু খুতখুতি আছে। কোরআনের আবার সরাসরি আর আঁকাবাঁকা ব্যাখ্যা কি? হ্যা, হাদিস ছাড়া কোরআনের ব্যাখ্যা অসম্পূর্ণ। যেমন ধরুন নামাজের কথা... কোরআনের 25 টা জায়গায় নামাজ কায়েমের কথা বলা আছে। একটা জায়গা আমাকে দেখান যেখানে বলা হয়েছে একবার রুকু, দুইবার সিজদা করতে হবে? অথচ পৃথিবীর 1.5 বিলিয়ন মুসলিম তো তাই করে। কোথা থেকে করে? এখানে কোরআনের সরাসরি অর্থ কি? উত্তর হচ্ছে রাসুল (স) নিজে যেভাবে নামাজ পড়েছেন সেভাবেই সব মুসলিম নামাজ পড়ে। সেটাই কোরআনের "সরাসরি" অথ।
আমাদের সমাজে "ধর্মান্ধতা" দূর করতে গিয়ে ধর্ম সম্পর্কে "সচেতনতা" দূর করা হচ্ছে। অল্প শিক্ষিতরা যেমন অনেক জানার অহামিকায় ভুল জিনিষ নিয়ে উত্তেজিত হচ্ছে তেমনি অসৎ ব্যবসায়ীরা দারুণ আরামে আছে। হাজার হোক, "এখানে প্রস্রাব করিবেন না, করিলে 10 টাকা জরিমানা করা হইবে" --প্রবল বেগের সময় এটা মানার চেয়ে কমার স্থান বদল করাই বেশি সহজ। আর যারা বিরতিচিহ্নের নিয়ম জানে না তাদের তো আরও সুবিধা, মাথা ঊঁচু করে নিজের মতো অর্থ বানিয়ে নেয়।
শিক্ষিত মুসলিমরা তালিবানদের অত্যাচার ইত্যাদি নিয়ে ঠিকই বলেছে কিন্তু স্ট্র্যাটেজিক কারণেই ওগুলো মিডিয়া হাইলাইট পায়নি, ফলে সাধারণ মানুষ জানতেও পারেনি। ওতোসব ভাল ভাল আতেল মার্কা কথা শুনে কার মন ভরে বলেন? রস লাগবে না? খুলে দেখেন মাসলার বই, বকুল আপাকে যা করা হতো সেটা কোন মুসলিম স্কলাররাই ঠিক বলে সায় দিবে না। (মুসলিম স্কলার আর পাড়ার মসজিদের ইমামের মধ্যে অনেক পার্থক্য। যে কেউ নামাযে ইমামতি করতে পারে। মোল্লা, শায়েখ এসব টাইটেল নামের আগে বসানো কঠিন কিছু না। "স্বামী আর শিক্ষকের মারের জায়গা বেহেস্তেযাবে"-যেই ব্যটা বলেছে সে ফ্যান্টাসি লিখা শুরু করলে ভাল নাম করতে পারতো। কনভিনসিং টোনে দারুণ গল্প বানাতে পারে।) ওরকম অমানুষ পুরুষদের আমার একজন প্রিয় মানুষ বলেন, "আয়াতের সীল মারা মানুষ"। নিজেরা শয়তানী করতে করতে চায়, দোহাই দেয় আয়াতের। আসলে যে দোষ আয়াতের না, বরং তাদের গোবর ঠাশা ব্রেইনের, সেটা যেমন তারা নিজেরা বুঝে না তেমনি আপনারাও বুঝতে চান না। জিজ্ঞাসা করুন নিজেকে, আপনি কি মানেন না মানুষগুলো ইসলামের বাইরে থাকলেও একই রকম বা তার চেয়েও বেশি জঘন্য মানুষ হত? ওরা ইসলাম প্র্যাকটিস করছে না, স্বেচ্ছাচারীতা করছে। আয়াত দিয়ে মানুষের চোখে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করছে মাত্র।
"মুসলিমদের" আল্লাহ আর রাসুলের (সা:) জন্য এতো মহব্বত (আল্লাহ কোরআনে বলেছেন, এখন বউ না পিটায় যাই কই!?!... উহ আহ ডেনিশ কার্টুন নিয়ে পুরা দুনিয়া জ্বালিয়ে দেয় মহব্বতে! এই সব আলগা মহব্বত দেখলে গা জ্বলে যায়।) তাহলে রাসুল (সা:) যেভাবে চলেছেন সেভাবেই কি তাদের চলা উচিত না? তিনি সারা জীবন নিজের স্ত্রী তো দূরে থাক, কোন নারীর গায়ে হাত তুলেননি। আমি মুসলিমদের মেয়েদেরও দোষী ভাবি। আবারও পুরান সময়ের কথা টানছি। এমন একটা সময়ে যখন খ্রীষ্টানরা মেয়েদের "মন" আছে কিনা ভাবছিল, তখন নবীর স্ত্রী আয়েশা (রা:) রীতিমতো পুরুষ-নারী সবার শিক্ষিকা ছিলেন, নিয়মিত ফর্মাল ক্লাস নিতেন। আমাদের সময়ে কয় জন মুসলিম তাদের স্ত্রীদের একাডেমীক/প্রফেশনাল দিকে উৎসাহিত করে? আচ্ছা, ফতোয়াতো সব সময় শুনে আসছি ছেলেরাই দেয়, কই মেয়েরা কেন দেয় না? আয়েশা (রা:) দিয়েছেন না? যেই হাদীসে বলা হয়েছে "তারাই তোমাদের মধ্যে সব চেয়ে ভাল যারা তাদের স্ত্রীদের কাছে ভাল।" (তিরমিজী, আবু দাউদ)... কই কোন মেয়েও তো এগিয়ে এসে এটা ছেলেদের দেখিয়ে দিচ্ছে না! এটা আমাদের সমাজের সমস্যা, আপনাদের সমস্যা। দেখতে চান না, দেখাতে চান না। "আয়াতের সীল মারা" মানুষগুলো সানন্দে আয়াতের বাকি অংশ না দেখে থাকেন, আপনারাও। যেসব ছেলেদের বউ পিটানোর স্বভাব আছে তারা কিন্তু মারের আগের স্টেইজগুলো পার হয়ে আসে না, শর্টকাট ধরে। এবং, এবং, ভুলে যেতে ভালবাসে যে কোন ছুতায় মারার নিয়ম নেই...
প্রথমে আসে ডিসকাশন, সেনসিবলি, কথা দিয়ে বুঝানো। তাতে কাজ না হলে বিছানা আলাদা করা, কিছু দিনের জন্য সব ধরণের ইনটিমিসি বাতিল। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে "সুস্থ্য" সম্পর্ক থাকলে, ভালবাসা থাকলে এতোটুকুর পরে আর তো কিছু দরকার নাই। মার হচ্ছে লাস্ট রিজর্ট। তাও রাসুলের (সা:) এর স্পষ্ট নির্দেশনা আছে এ ব্যপারে, মুখে মারা যাবে না, দাগ ফেলে মারা যাবে না। মারটা শারিরীক কষ্টের চেয়ে মানসিক শাস্তিহবে। এ ব্যপারে প্রচুর হাদীসের মধ্যে একটা দিচ্ছি:
'How could any of you beat your wife as if she was a slave, and then lie with her in the evening without feeling shame at your action?

 

সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মে, ২০০৬ রাত ১০:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৫:০৩
অতিথি বলেছেন: ভবিশ্যতে আপনার কাছ থেকে এরকম আরো লেখা আশা করছি। ধন্যবাদ।
২. ১১ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৬:০৩
অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ আস্তমেয়ে (সত্যিই আস্তমেয়ে কি না কে জানে) । তথ্যভিত্তিক একটা লেখা উপহার দেয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ । এই লেখাটার দরকার ছিল এখানে ।
আপনিকে মানবে'র "ইসলামে কাম ও কামকেলি" পড়েছেন ? http://www.somewhereinblog.net/manobik/
না পড়ে থাকলে লিংকটা ট্রাই করতে পাড়েন ।
আরও অনেক তথ্যভিত্তিক লেখা আশা করছি ।
৩. ১১ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ৭:০৩
অপ বাক বলেছেন: চমৎকার লেখা তবে একটা প্রশ্ন এই যে প্রচলিত ধারনা আরবের লোকেরা কন্যা সন্তান পুতে ফেলতো এটাকে বহন করছেন কেনো?
আরব জাহানের সবার একটা করেই বৌ ছিলো, এবং এর পরও বেলেল্লাপনা করার জন্য তারা নাকি বাড়তি মেয়েও পেতো , এত এত মেয়ে কোথাথেকে আসে যদি মেয়েদের পুতে ফেলা হতো। কিংবা এইযে সব বিধর্মিদের বৌগুলো ওরা কি কোম্পানি থেকে তৈরি করতো, নাকি মাটির নীচ থেকে বের করে আনতো।
আবর্জনার মতো এটুকু অংশ পরিহার করলে ভালো হতো।
এটা একেবারেই ভ্রান্ত একটা ধারনা যেটা ভেবে মুসলিমরা আনন্দ পায় যে ইসলাম মেয়েদের হ্যান করেছে ট্যান করেছে, এর আগে আরবে মেয়েদের হালত খুব খারাপ ছিলো, ইসলাম এসে একটা মহা বিপ্লব করে ফেলেছে,
অন্ধকারাচছন্ন যুগ বলে ইসলামের প্রসার করা সহজ হয়েছে হয়তো তবে এটার বস্তুগত প্রমান নেই তেমন। যদি প্রমান( নৃতাত্তি্বক) দেওয়া সম্ভব না হয় তাহলে এটা চেপে যাওয়াই ভালো।
৫. ১১ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ৮:০৩
দাদা বলেছেন: চমৎকার লেখা । ধন্যবাদ আস্তমেয়ে ।
৬. ১১ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ৮:০৩
অতিথি বলেছেন: কয়েকটা জায়গায় আলোচনা আমার আরোপিত মনে হয়েছে, যেটা ছাড়াই হয়তো লেখাটা সম্পুর্ন করা যেতো।
পরকীয়ার ধারনাটাকে টেনে এনে কোরানের আয়াতের যাস্টিফিকেশন এর একটা, বৌ পিটানোর আগে অনেকগুলো ধাপ আছে, এসব দিয়েই শেষ করা য েতো, অযথা কেনো পরকীয়ার কথা তুলে মেয়েদের ঘারে দোষ চাপানো, একই অপরাধে অপরাধী পুরুষদের কেনো পেটানোর নিয়ম নেই কোরানের আয়াতে?? এটা তাহলে এক অর্থে নির্যাতনের ক্ষেত্রে নারীকে একক করেছে,
আর 2য়টা সম্পুর্ন বায়াসড মন্তব্য, পশ্চিমে সিংগেল মাদার
আপা আপনি বাংলাদেশের গ্রামে যান মধ্যবিত্ত বা এর উপরের জায়গায় এ জিনিষ এখনও পৌছায় নি, তবে কোরানের কোনো আয়াতই প্রান্তিক পুরুষদের দায়িত্ব অবহেলাকে রূখতে পারে নি, ধর্ম মেনে চলা মানুষ সব সময়ই একটু পয়সাওয়ালা তার কারন তাদের বিলাসিতার সময় এবং সুযোগ থাকে, গরীব রা মানববোমা আর ব্যাভৃত হওয়ার অপেক্ষায় থাকে, কিন্তু বাংলাদেশে 80% এর বেশী জনসংখ্যা মুসলিম এবং তাদের এমন ধর্মবোধ থাকা সত্তেও এখানেও সিংগেল মাদারের সংখ্যা অনেক, অনুপাতে পশ্চিমা দেশের কাছাকাছি না হলেও বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে বেশী। আর পশ্চিমে নারীর অর্থনৈতইক মুক্তির বিষয়টা বিবাহ বিচ্ছেদের হার বাড়িয়েছে, একই ধারায় চলছে বাংলাদেশ, এখানেও মেয়েদের অর্থনৈতইক স্বাধীনতা বাড়ার সাথে সাথে বিবাহবিচ্ছেদের হার বেড়েছে। এবং এখানেও ভবিষ্যতে আপনার পশ্চিমা কূফল এ্যবরশন এবং সিংগেল মাদার কনসেপ্ট পুরা দমে শুরু হবে বছর 10এর মধ্যেই।
কোরান এসব সস্তা দিকে কখনও নজর দেয় নি। এটাও আপনার মহাকল্পনার অংশ।
আর মেয়েরা ইমামতই করতে পারবে না এটা এসেছে এই হাদীসের বদৌলতে যেখানে বলা আছে মেয়ে নেতৃত্ব হারাম। ইমাম পক্ষান্তরে নেতা বটে।
৭. ১১ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ৮:০৩
তানভীর রহমান বলেছেন: খুব ভালো একটা টপিক্স উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ
১০. ১১ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ৯:০৩
লুনা রুশদী বলেছেন: আস্তমেয়ে, লেখা ভালো লাগলো।

অপবাক, আপনার মত কি নিজেই বানাইলেন? ইসলাম পূর্ব সময়ে আরবে গিয়ে কি দেখে আসলেন এইমাত্র? তা না করে থাকলে দয়া করে রেফারেনস দেন ইতিহাসের।

রাসেল: আপনার প্রশ্ন গুলির উত্তর আমি দেয়ার চেষ্টা করি।

1. পরকীয়ার উদাহরণ আনা হলো কেন এবং মেয়েদেরকে মারার নিয়ম আছে পুরুষদের মারার নিয়ম নাই কেন।

ইসলাম অনুসারে বউয়ের দোষের ফল স্বামীর ভোগ করতে হয়। অথর্াৎ আমি যদি আনইসলামিক পথে চলি, আমার স্বামীর তার জন্য জবাবদিহি করতে হবে, যেহেতু আমার দ ায়িত ্বতার ঘাড়ে। (আহারে বেচারা)। অথচ তার খারাপ কাজের কর্মফল কিন্তু আমার ভোগ করতে হবে না। সেই দায়িত্বতার নিজের। একজন মুসলিম মেয়ে হিসাবে আমার শুধু এইটুকু দেখলেই চলবে যে আমার বর মুসলিম কিনা। অর্থাৎ ঈমান ঠিক আছে কিনা। তা না থাকলে তার সাথে বিয়েই লিগ্যাল না (ইসলাম অনুসারে) ।কাজেই মেয়েদের দায়িত্ব কম, তাই শাসন করার ক্ষমতাও কম। কারণ তার প্রয়োজনও কম।
আর দ্্বিতীয়ত, পালোয়ান টাইপ বউ না হইলে, জামাইকে মাইর দিতে যাওয়া রিস্কি বিজনেস। আমি চেষ্টা করছিলাম, সুবিধা হয় নাই।

2. বাংলাদেশে শুধু মেয়েদের না অনেক মানুষেরই খারাপ অবস্থা। যারা না খাইয়া থাকে তাদের মধ্যে মেয়ে পুরুষ সবাই আছে। এর কারন তো ইসলাম না। ধর্মের নামে অনেক কিছু হয় ঠিকই, তবে ধর্মান্ধতা আর ধর্ম তো এক জিনিস না।

3. মেয়েদের লিডার হওয়া যাবে না এমন কথা কি ইসলামে আছে? আমি এ বিষয়ে পরিষ্কার না। আমি যতটুকু জানি মেয়েদের ইমামতি করা নিষেধ। তার কারণ ছেলেদের সংযম কম। তারা যদি মেয়েদের পিছনে দাঁড়াইয়া নামাজ পড়ে, তাইলে নামাজ মনে হয় পড়বে না...

১১. ১১ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ৯:০৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: তীর্থকের মন্তব্যটা একটু ভেবে দেখুন। আমার অবশ্য ওই বিশেষ লেখাটার জবাব দিতে রুচিতে কুলোয়নি। আপনাকেও তাই জোর মুখে বলতে পারছি না। তবে আপনার রেফারেনস এত ভালো , যে ভণ্ডটা একটুশিক্ষা পেত। সে যেসব বইয়ের উল্লেখ করেছেতার অস্তিত্ব সম্পর্কে আমি সন্দিহান
১২. ১১ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ১১:০৩
অতিথি বলেছেন: লুনা আপনার বক্তব্য আসলে কি ?
১৩. ১১ ই মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১২:০৩
অতিথি বলেছেন: (আপনার পুরো লেখা পড়ে পরে জবাব দেবো। তার আগে গা টা রি রি করে উঠলো। তাই মন্তব্যটা এখনই করছি)

ছিঃ ছিঃ আস্তমেয়ে ছিঃ। আপনার হাত কাঁপে না। আপনার গলা শুকায় না। আপনি ধর্মের নামে অথবা ধর্মের ব্যাখ্যা দিয়ে কিভাবে স্বামী স্ত্রীকে পিটাবে তার ব্যখ্যা দেন। কত জোরে মারবে? দাগ ফেলে মারবে না দাগ ছাড়া মারবে? মুখে মারবে না কি পায়ে মারবে? ছিঃ আস্তমেয়ে ছিঃ।
একজন মেয়ে হয়েও পুরুষের হাতে ধর্মের নামে এই বেত্রদন্ড তুলে দেয়ার নিন্দা আপনি করতে পারেন না। ধিক আপনাকে ধিক।
১৪. ১১ ই মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১২:০৩
অতিথি বলেছেন: দীক্ষক সে যদি মাইর খাইয়া মজা পায় তো কি কইবেন ? স্প্যাঙ্কিং তো একটা জনপ্রিয় কায়দাই
১৫. ১১ ই মার্চ, ২০০৬ দুপুর ২:০৩
অতিথি বলেছেন: প্রথমে অপ বাক:
স্যরি নৃতত্ত্ব মানে আমি জানি না। ডিকশনারী থেকে যা উদ্ধার করলাম তার আগা মাথা বুঝিনি।
অতো আগে ঘটে যাওয়া যে কোন ঘটনার একটা প্রমাণ হতে পারে তখনকার সাহিত্য। কোরআন আর হাদীসের শুরু সে সময়েই। দু'টো থেকেই প্রমাণ দিতে পারবো। কোরআন:
"When the female (infant) who was buried alive will be asked for what sin was she killed." (Al-Qur'an, 81:8-9)
আরেকটা আয়াত পরোক্ষভাবে জরিত:
"And do not kill your children for fear of poverty" (Al-Qur'an, 17:31)
এ ব্যপারে হাদীস আছে বেশ কিছু, আগে পড়েছি, এখন রিসার্চ করে খুজে বের করতে পারছি না। আপনি এখানে যান:
http://www.islamonline.net/English/ ram2002/10/youngmuslim/islamicstory /article07.shtml
গল্পটা একটা হাদীস অবলম্বনে লেখা। আপনি চাইলে আমি যেভাবেই হোক অরিজিনাল হাদীস খুজে দিবো।
আমার জন্য আল্লাহ আর রাসুলের (সা:) এর যে কোন কথাকে সত্য বলে মেনে নিতে কষ্ট হয় না। আপনার ব্যক্তিগত অভিমতের কথা জানি না। এগুলোকে যদি "নির্ভুল" হিসেবে মেনে নিতে নাও পারেন, ঐতিহাসিক সূত্র হিসেবে দেখেন শুধু। ঐতিহাসিক সূত্রের বিশ্বাসযোগ্যতার শর্ত হচ্ছে একই কথা কয়েকটা সূত্রেআসতে হবে। শুধু একটাতে একবার আসলে ভুল হওয়ার সম্ভবনা থাকে, কিন্তুএকাধিকবার একাধিক জায়গায় আসলে এটুকু মেনে নিতেই হবে: there are AT LEAST some element of truth in it.

এবার একটা ইতিহাস বই থেকে কোট করবো, বইটা আরববিশ্বেখুব বিখ্যাত। "আর রাহেকুল মাখতুম" (The Sealed Necture)। খুব comprehensive and historically authentic। 1978 সালে লেখা বইটা অনলাইনে পাবেন:
http://www.witness-pioneer.org/
vil/Books/SM_tsn/index.htm

কোট করছি Aspects of Pre-Islamic Arabian Society অধ্যায় থেকে:
"With respect to the pre-Islam Arab
১৬. ১১ ই মার্চ, ২০০৬ দুপুর ২:০৩
অতিথি বলেছেন: অদ্ভুত কথা শোনালেন দীক্ষক, মেয়ে বলে কি সত্য আমার কাছে বদলে যাবে? আমি শকড কারণ এরকম নারী-অবমাননাকারী কথা আপনার মুখে শুনবো তো আশা করিনি। আমার পোস্টের জবাব দেয়া লাগবে না, তর্কের খাতিরে তর্ক আমার ভাল লাগে না। আমরা কথা বলছিলাম কোরআন নিয়ে, ব্যক্তিগত আক্রমণে তাই খুবই বিরক্ত হলাম। একই পোস্ট একটা ছেলে লিখলে আপনার মন্তব্য সম্পূর্ন ভিন্ন হতো ভাবতে সত্যিই প্রবল বিরক্তি হচ্ছে...
১৭. ১১ ই মার্চ, ২০০৬ বিকাল ৩:০৩
অতিথি বলেছেন: আস্তমেয়ে, আপনাকে আবার ধন্যবাদ না দিয়ে পারলাম না । কিন্তু আপনার ঐ "টিন এজার" কথাটি নিয়ে আমার আপত্তি আছে । আপনি কলামিষ্ট, আপনার "এজ" আমরা জানিনা । আসলে জানতে চাই না । আপনার এজ জানবো যখন আপনি আড্ডাঘরে আসবেন । আপনি কি লিখছেন আমরা তাই পড়ব । আর এখন না লিখলে হয়ত পরে লিখার সুযোগ না ও পেতে পাড়েন । আসলে আমরা তথ্যভিত্তিক লেখা চাই । আর এইজন্যেই আপনার লেখা এত ভাল লেগেছে ।
ধন্যবাদ
১৮. ১১ ই মার্চ, ২০০৬ বিকাল ৩:০৩
অপ বাক বলেছেন: লুনা হাসবো না কাঁদবো বুঝতেছি না। আলেকজান্ডার কে আমরা কেউ দেখেছি?? তার কথা বিশ্বাস করি কেনো। ইতিহাস বলেই বিশ্বাস করি তাই না??
আমি আরবের মেয়েরা খুব খারাপ অবস্থায় ছিলো এটার বিরোধিতা করায় আপনার কোথায় লাগলো বুঝলাম না, আস্ত মেয়ে কি বলবো আমি হতবাক, কোরানের উদ্ধৃতি দিলে যেখানে বলা আছে দারিদ্্রতার কারনে মেয়েশিশু হত্যা করো না, অবশ্যই মুসলিমদের উদ্দেশ্যে বলা, এটার অর্থ কি করবো? মুসলিম হয়ে যাওয়া মানুষের কন্যা শিশু হত্যাকরার অভ্যাস ছিলো??
আর গোত্রগত দাঙ্গার কথা বললে ওটাতো মুসলিমদের ভিতরেও ছিলো, ওসমান আলি হাসান হোসেন এরা মারা গেলো তার উপাদান কিন্তু গোত্রগত বিদ্্বেষ, তো ইসলাম কোন অরাজকতা দুর করলো এসে?
আর নৃতত্ত্ব বাংলা ওটার ইংরেজি হলো এনথ্রোপলজি, মানববিদ্যা, মানুষের বিভিন্ন সমাজের অবস্থা আলোচনা করে এবং মানস সমাজের গতিপ্রকৃতি আলোচনা করে যেখানে,

দারিদ্্রতা একটা সমস্যা, কেউ যদি এ সমস্যায় অপরাধ করে তবে সেটা সামাজিক সমস্যা হতে পারে, এটা মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু সমাজের সবাই দরিদ্্র এটা মেনে নেওয়া কষ্টকর,
একটা দুইটা ঘটনা দিয়ে যদিবিচার করি সব সমাজই একই রকম। ইসলামের আলো আসার আগে ও পরের কোনো বিষয় নাই।
১৯. ১১ ই মার্চ, ২০০৬ বিকাল ৩:০৩
হ।স।ন বলেছেন: চমৎকার পোস্ট । আপনার লেখায় যুক্তি আছে।
তবে এই বউ পেটানোর ব্যাপারটা আমার কাছে খুবই অস্বত্তিকর লাগে। পিটানো কোন সমাধান না আমার মতে। যদি সমস্যা হয়ে থাকে তো কথা বলুন। তাতেও যদি কাজ না হয় তবে আমার মতে last resort তালাক ।

মহিলা ঈমামের ব্যাপারে ভাল বলেছেন ।
২০. ১১ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৮:০৩
আকাশ বলেছেন: সবার কথাই পড়লাম এবং বুঝতে পারলাম যে এখানে আমি ছাড়া বাকী সবাই-ই মোটামুটি জ্ঞানী।
অপবাক এর কথায় আমি একমত হতে পারলাম না। সব সমাজ এক এটা আপনি কোন রেফারেনস বা বিষয় এর উপর ভিত্তি করে বলছেন? আপনার কি মনে হয় না যে একটি মেয়ে রাস্তা দিয়ে অর্ধ উলঙ্গ হয়ে হেটে গেলে ছেলেদের সুন্দর সুন্দর মন্তব্য ছুড়ে দেয়াটা আসলে ছেলেটির দোষ নয় বড়ং ঐ মেয়েটির দোষ? আর যখন ইসলাম পুরুষ-মহিলা সবাইকেই সংযত পোষাক পড়তে বলে এই ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন না হবার জন্য তখন পরিবেশটি কতটা আলাদা হয়?
ইসলাম আপনাকে দিয়েছে একটি পরিপূর্ণ জীবন বিধান। কিন্ত আপনি সেই জীবন বিধানের অর্ধেক পালন করলেন, বাকীটা রাখলেন নিজের স্বার্থেই অপালনীয়, আপনি সুফল পাবেন? ধরুন ডাক্তার আপনাকে ঔষধ দিয়েছে, আপনি অর্ধেক খেলেন, বাকীটা খেলেন না, আপনার অসুখ সারবে?
দীক্ষক এর কথাগুলোর উত্তর দীক্ষক পাবে যখন তার নিজের বউকে নিয়ে কোন সমস্যায় পরবে (আশা করি এ ধরনের পরিস্থিতিরি সৃষ্টি না হোক)। আর আঁতলামি করবো না, কারণ আমি এর যোগ্য না। আন্তমেয়ে, আপনি আপনার আতলামি বন্ধ করলে খুব কষ্ট পাবো, আপনার জন্য শুভ কামনা।
২১. ১২ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১:০৩
অতিথি বলেছেন: লুনা হা হা হা হা হা হা হাএমন মজার যুক্তি শুনি নাই, হা হা হা হা হা হা হা
মেয়েদের ইমামতি নিষেধ কারন ছেলেদের কামার্ততা। হা হা হা হা হা হাহ া

আর কোরানের হিসাবে তো মেয়েদের বিয়ে করাই উচিত না, প্রকৃত মুসলিম ছাড়া আর কাউকে বিয়ে করা যাবে না, এখন কে প্রকৃত মুসলিম এটা বিচার করবেন কিভাবে? যাই হোক আপনার যুক্তি আপনার কবিতার মতোই, দুটোই একই নিক্তিতে মাপা যায়।
২২. ১২ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৬:০৩
লুনা রুশদী বলেছেন: আস্ত মেয়ে আমি বলি নাই যে মেয়েদের গুনাহ তার স্বামীর ঘাড়ে যাবে। বলেছি,বউদেরকে ঠিক পথে রাখার দায়িত্ব স্বামীদের উপরেও বতর্ায়, কিনতু মেয়েদের বেলায় সেটা না।

রাসেল: আপনাকে হাসাইতে পেরে ফুর্তি লাগতেছে। আমি তো ভাই যুক্তি দেই নাই। ইসলামে মেয়েদের ইমামতি নিষেধ কেন তার একটা কারণ দিয়েছি। ধর্ম তো ধর্মই, যুক্তি তো না। যুক্তি দিয়ে বোঝাও যায় না।
২৩. ১২ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ৮:০৩
অতিথি বলেছেন: আমার আজকের মন্তব্য শুরু করবো আমার খুব প্রিয় একটা ঘটনা দিয়ে। ঘটনাটা প্রথম শুনেছি বাবার মুখে:
'Umar ibn al-Khattab (RA) said that a man came to his house to complain about his wife. On reaching the door of his house, he hears 'Umar's wife shouting at him and reviling him. Hearing that, he was about to go back, thinking that 'Umar himself was in the same position and, therefore, could hardly suggest any solution for his problem. Right then 'Umar (RA) came out of the home and saw the man turn back, so he called him and enquired about the purpose of his visit. He said that he had come with a complaint against his wife, but turned back on seeing the Caliph in the same position. 'Umar (RA) told him that he tolerated the excesses of his wife for she had certain rights against him. He said, "Is it not true that she prepares food for me, washes clothes for me and suckles my children, thus saving me the expense of employing a cook, a washerman and a nurse, though she is not legally obliged in any way to do any of these things? Besides, I enjoy peace of mind because of her and am kept away from indecent acts on account of her. I therefore tolerate all her excesses on account of these benefits. It is right that you should also adopt the same attitude." quoted in Rahman, Role of Muslim Women page 149
http://www.maryams.net/articles_had01.shtml
উমর (রা:) সম্পর্কে এতোটুকু বলতেই হবে, তিনি গরম রক্তের কঠিন মানুষ হিসেবে ইসলামে আসার আগে থেকেই বিখ্যাত ছিলেন। ইসলামে আসার পরে কাফিররা তার ভয়ে কাপতো।

হাসান, হ্যা, বউ-পিটানো অস্বস্তিকর তো বটেই, তবে পিটানো কথাটার মধ্যে যেই অমানূষিকতা জড়িয়ে আছে, সেটার অনুমতি ইসলামে দেয়া হয়নি। আয়াতটাতো অস্বস্তিকর সময়ের জন্যই।
দেখুন, ইসলাম স্পষ্ট সীমারেখা টেনে দিয়েছে করা যাবে (হালাল) আর করা যাবে নার (হারাম) মধ্যে। আল্লাহ মানুষের সব ধরণের সম্ভাব্য পরিস্থিতির কথা ভেবেই সীমারেখা টেনেছেন। এই সীমারেখার ভিতরে যে যার রুচি অনুযায়ী কাজ করবে। মদ খাওয়া হারাম, সব অবস্থাতেই। কোন মতেই খাওয়া চলবে না। ঝিনুক খাওয়া হালাল বলেই যে আপনাকে খেতেই হবে সে রকম কোন কথা নেই। থিক থিকে বস্তুটা দেখে আপনার বিবমিষা হলে আপনি খাবেন কেন? ইসলাম আপনাকে বাধ্য করবে না খেতে। তবে মাতাল হতে কেউ ভালবাসলেও সে মদ খেতে পারবে না।
ইসলামে শেষ সীমা হচ্ছে স্ত্রীকে হালকা মারা, যাতে শারিরীক ক্ষতি না হয় সেভাবে। এটা শেষ সীমা, এর বাইরে গেলে সেটা সীমালঙঘন। মারের অনুমতি দেয়া মানেই নির্যাতনের অনুমতি দেয়া না। আর অবশ্যই মার ব্যপারটা রাসুল (সা:) অপছন্দ করতেন, তিনি কখনো কোন নারীর গায়ে হাত তুলেননি।

অপ বাক,
আপনার মন্তব্য পড়ে হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারছিলাম না ভাই। আপনি কোন হিসেবে এতো আত্ববিশ্বাসের সাথে অনুমান করলেন কথাটা আল্লাহ মুসলিমদের উদ্দেশ্যে বলেছেন? শুনুন, কোরআনের অসংখ্য আয়াত শুরু "হে মানব জাতি" (ইয়া আইয়্যুহাননাসু) আর "হে অবিশ্বাসীগণ" (ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরূন) দিয়ে, উল্লেখ্য জাতির উদ্দেশ্যে বলা কথা গুলো। মুহাম্মদ (সা) কোরআন পাওয়া শুরুর পরে 23 বছর বেঁচে ছিলেন, এর মধ্যে প্রথম 13 বছরই কিন্তু কাটিয়েছেন মক্কায়, কাফিরদের মাঝে, মদীনাতে ইহুদী ছিল প্রচুর। কোরআনের প্রাথমিক বক্তব্য গুলো ছিল বিশ্বাস স্থাপনের জন্য, পরে ইসলাম পূর্ব জীবনের বিভিন্ন অভ্যাস দূর করার জন্য (যেমন মদ্য পান, কন্যা সন্তানের অমর্যাদা)।
শুধু অর্থভাবই একমাত্র কারণ ছিল না, আরবরা ছেলে সন্তান হওয়াকে গর্বের মনে করতো, মেয়ে হলে সমাজে লজ্জিত হতো।

আপনি কি করে এমন অদ্ভূত অনুমান করেছেন সত্যিই বুঝলাম না। পিজ কোরআন পড়ে কোরআন নিয়ে মন্তব্য করুন, অনুমানের ভিত্তিতে না।
আমি ইতিহাস্লের বই থেকে উদাহরণ টেনেছি। আপনার কাছে কোন substential authentic counter example থাকলে বলুন না হলে প্লিজ বক্তব্য পরিহার করুন।
আপনি কিছু কথা একটু একটু ছুঁয়ে গেছেন, ওগুলো নিয়ে এখন বেশি বকতে ইচ্ছা করছে না। ওসমান, আলি, হাসান আর হোসেন (রা:) গোত্রজনিত দ্্বন্দে মারা যাননি, গেছেন আদর্শগত মতভেদের কারণে। দু'টোয় বিশাল পার্থক্য।
ইসলাম সত্যিকারভাবে সমাজে ছিল শুধু মুহাম্মদ (সা) এর শেষ জীবনে আর প্রথম 4 খলিফার সময়। ইসলাম আসার পরে সমাজে কোন অদল বদল হয়নি এ ধারণা আপনার কেন হল? আপনাকে একটা ভিডিও রেকমেণ্ড করতে ইচ্ছা করছে, "The History of Islam". কিছুআমেরিকান
(অমুসলিম) এর করা। চমতকার।সুযোগ পেলে হয়তো কখনো লিখব...

আকাশ,
আমাকে উতসাহ দেয়ার জন্য ধন্যবাদ কিন্তু আপনার কথার ভঙ্গিতে একটু বিরক্তই হয়েছি। আপনি কেন বললেন না "একটা হ্যাণ্ডসাম ছেলের রাস্তা দিয়ে অর্ধ উলঙ্গ হয়ে হেঁটে যায় তাহলে মেয়েগুলো সুন্দর সুন্দর মন্তব্য ছুঁড়ে দেয়..."? অন্ত:ত ফিসফাস তো করবেই তাই না? নারী-পুরুষের আকর্ষণটা তো এক পাক্ষিক না।
ও, ইসলামী বিধান মতে, এক্ষেত্রে মেয়েটির যেমন দোষ থাকবে, ছেলেগুলোও কিন্তু দোষমুক্ত থাকবে না। সাক্ষ দিবে নিচের হাদীস আর কোরআনের আয়াতগুলো:
The Prophet (peace and blessings be upon him) said:
২৪. ১২ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ১১:০৩
শাওন বলেছেন: সুন্দর লেখা । ভাল লাগল পড়ে । আরো লেখা আশা করি ...
২৫. ১২ ই মার্চ, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৩
অতিথি বলেছেন: আস্ত মেয়ে কি হিজাবি প্রিনেসস নাকি? তাহলে আপনার সাথে আগেও পরিচয় হয়ে ছিলো কখনো !
২৬. ১২ ই মার্চ, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৩
শাওন বলেছেন: আস্তমেয়ে , আপনার হিযাবের ছবিটা তো IFE এর থেক নিয়েছেন । আপনার সাথে কি IFE এর যোগাযোগ আছে ???
২৭. ১২ ই মার্চ, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৩
অতিথি বলেছেন: আস্ত মেয়ে!!!
অর্ধেক মেয়ে হলে তাকে বৃহন্নলা বলতে হয়, আপনার লিঙ্গ পরিচয়েই আপনি আস্ত মেয়ে, তার ওপর আপনি আরও 'আস্ত' হতে চাইছেন? তার ওপর আবার এরকম ধ্যান ধারণা নিয়ে, যে আপনি অনৈসলামি পথে গেলে আপনার স্বামী আপনার গায়ে হাত তুলবেন!! ওরে আস্ত মেয়ে, আপনাকে মেরে 'আস্ত' না রাখাটাই হবে কোনও খণ্ড-পুরুষের বোকামি!!
আপনি দেখছি সাঈদীর মতো কথা বলেন, মহিলারা নাকি দোযখের দরোজা, নারীর শরীরের সেই দরোজা পুরুষকে বলে আয় আয় - এক কাজ করুন না আপনিও সাঈদীর মতো শুরু করুন মহিলাদের জন্য ওয়াজ, মার মার কাট কাট চলবে, যা লিখেছেন, একেবারে তথ্য-প্রমাণ সহ।
হায়রে নারী, নিজেকে আর কতো নিচে নামাবি? (আপনাকে তুই করে বলিনি, এটা একটি কবিতার লাইন)
খান, সাধ করে মার খান, কে জানে মর্ষকাম বলেও একটা কথা আছে শুনেছি, আগে ভাবিনি ইসলাম এটার অনুমোদন দেয়, এখন আপনার লেখা থেকে তারই আভাস পেলাম।
আশ্চর্য সত্যিই আশ্চর্য!!
আস্ত নারী হওয়ার আগে আস্ত মানুষ হওয়াটা যে জরুরী সেটা বোঝেন? আপনার সঙ্গে অন্য দেশের মেয়েরাও নিশ্চয়ই পড়ে, তাদেরকে একবার জিজ্ঞেস করে দেখবেন, তারা আস্ত কি না, কে জানে যদি অর্ধেক হয়, আর আপনার ওপর তাদের চোখ পড়ে, বলা তো যায় না, আপনি আস্ত আর ওরা অর্ধেক !!
২৮. ১২ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১১:০৩
অতিথি বলেছেন: আস্তমেয়ে, মানব এই সাইটে ইসলামে কাম ও কাম-কেলি বিষয়ক কিছু পোস্টে হাদিস দিচ্ছেন। হাদিসগুলো খুবই অশ্লীল লাগছে। আপনি একটু উৎস যাচাই করে দেখবেন সে সঠিক হাদিস দিচ্ছে কি না?
২৯. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৫:০৩
অতিথি বলেছেন: মহুয় া ম.,
ব্যক্তিগত আক্রমণ জিনিষটা আমার রুচিতে বাধে। যুক্তিতে হেরে গিয়ে কথায় উপরে থাকার বিচ্ছিরি একটা চেষ্টা। আপনার কথায় কিছু বলবো না ভেবেছিলাম, তবু একেবারেই না বলে পারছি না।
দু'বছর আগে HSC এ ইংরেজি কবিতার analogy পড়তে গিয়ে একটা নতুন দৃষ্টিভঙ্গির কথা জানলাম--Freudian interpretation । ফ্রয়েড কাম নিয়ে ভাবতে ভাবতে এতো obesessed হয়ে গিয়েছিলেন যে তিনি মা-ছেলে, বাবা-মেয়ের স্বাভাবিক টানকে ব্যাখ্যা করেছেন "মনের গভীরে সুপ্ত কামভাব" হিসেবে। তখনই বুঝেছি ব্যাটা বদ্ধ পাগল, অসুস্থ। মনে হল, তিনি নিজে যৌন-বিকারগ্রস্তছিলেন বলে আসে পাশের সবাইকে তাই মনে করতেন। সব কাজের পিছনে সেই একটাই মটিভ খুজে পেতেন।
ব্যক্তিগত আক্রমণ ছাড়াও পুরোটা জুরে আপনি বেশ কিছুpervertedness+sexual reference দিলেন। "বৃহন্নলা", "মর্ষকাম" তো দু'টি উদাহরণ মাত্র।
আস্ত মেয়ে বলতে আমি আমার anatomy ব্যাখ্যা করিনি। আমার আগের পোস্টে কারণ ব্যাখ্যা করেছি।
সাঈদী তাই বলেছে নাকি? আমি জানি সেটা খ্রীষ্ট ধর্মের বিশ্বাস, ইসলামে তো মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেস্ত বলা হয়েছে। দোজখের দরজার নিচে নিশ্চয়ই বেহেস্তহবে না। কবে কোথায় সাঈদী বলেছিলেন সেই কথাটা বলেন তো। সাঈদীর বিরূদ্ধেই না হয় মার মার কাট কাট করবো। অবশ্য, কথাটা আপনাকে স্বপ্নেচুপি চুপি বলে গেলে আমার আর reference পাওয়া হবে না... আর আমি ভিত্তিহীন কথা বলি না। ভিত্তিহীন জিনিষ নিয়ে ঝগড়া করি না।
মর্ষকামের আভাস কোথায় দিলাম সেটা নিজেই বুঝিনি। অবশ্য সবাই সব কিছু দেখতে পায় না, ফ্রয়েডের জন্ম ঘরে ঘরে হয় না।
আস্ত নারী হওয়ার আগে আস্ত মানুষ হওয়া প্রয়োজন... বুঝলাম না কথাটা। আপনি কি বলতে চাচ্ছেন, মেয়েরা প্রথম "অমানুষ" হিসেবে জন্ম নেয়, পরে চেষ্টা চরিত্র করে মানুষ হয়? আমি তো জানি ছেলে মেয়ে সবাই মানুষ, আস্ত মানুষ। জন্মসূত্রেই। কেউ কেউ তার পরে অমানুষ হয়, আগে না।
আর আমার মঙ্গল চিন্তায় এতো ব্যতিব্যস্ত হলেন দেখে ভাল লেগেছে। আপনাকে আশ্বস্ত করার জন্য বলছি, কেউ চোখ দেয়ার সুযোগ পাবে না, আমি হিজাব পরি। :-)

শোহেইল,
বাংলাদেশে কিছুদিন আগে গিয়েছিলাম অনেকদিন পর। ইন্টারনেট খুব মিস করছিলাম বলে একটা সাইবার ক্যাফে পেয়ে ঢুকে গিয়েছিলাম। একটা ব্যপার দেখে অবাক হয়েছি--কম্পিউটারগুলো এক একটা অন্যটা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মাঝে পদর্ার দেয়াল, টেবিলের সাইডগুলো উঁচু উঁচু। আমি প্রথমে কারণ বুঝিনি। আমার ভাইয়া পর্দা তুলে দিয়ে কাজ করছিল, ক্যাফের লোকটা এসে পর্দা নামিয়ে দিয়ে গেল। ভাইয়া মহা বিরক্ত হলো। পর্দা রহস্য আমার কাছে পরিষ্কার হলো যখন কম্পিউটার স্ক্রীনের বাঁ পাশে history দেখলাম। পর্ণোগ্রাফী ছাড়া একটাও সাইট লিস্টে ছিল না। একটাও না। মনে হচ্ছিল সেটা অসুস্থদের আড্ডাখানা। আমার দম বন্ধ হয়ে আসছিল। ক্যাফে থেকে যতো দ্রুত সম্ভব বেরিয়ে আসলাম।
মানবের পোস্ট পড়ে আমার সে রকম বিবমিষা হয়েছে। আপনার সেখানে বার বার যাচ্ছেন কি করে? তিনি যেভাবে "ব্লু ফিল্ম", "গ্রুপ সেক্স" বিস্তারিত বর্ণনা সহ লিখলেন, তাতে তো বোঝাই যাচ্ছে অন্ধকার জগতের ব্যপারে তিনি সুঅভিজ্ঞ। অসুস্থ না হলে কেউ সেই অসুস্থ, perverted পথ ধরে বলুন? আপনারা কোন রুচিতে তার লেখা পড়ছেন?
দেখুন, সব চেয়ে বড় মিথ্যা হচ্ছে সত্যের সাথে মিশানো মিথ্যা। কারণ মানুষ কিছু সত্য দেখে convinced হয়ে গেলে তখন আর বাকি মিথ্যাগুলো নিয়ে মাথা ঘামায় না। সবই সত্য বলে ধরে নেয়। মানব সেই কাজটা করেছেন সুন্দর ভাবে। খেয়াল করে দেখবেন, তিনি হাদীসগুলো সরাসরি কোট করেননি। নিজের ভাষায় লিখেছেন, ব্র্যাকেটে + দু'টো হাদীসের মাঝে নিজের মনের কথা ঢুকিয়ে দিয়েছেন অবলীলায়। আর বাংলা অনুবাদতো নিজের খেয়াল খুশি মতো করেছেন। Chinese whisper খেলতে জানেন তো? একজন একটা কথা (ধরুন "আজ বৃষ্টি হবে") ফিসফিসিয়ে পাশের জনের কানে বলবে, সে যা শুনবে তাই পাশের জনের কানে বলবে। এভাবে চলতে থাকবে। শেষের জনের কাছে কথাটা পেঁৗছতে পেঁৗছতে একেবারে বিকৃত হয়ে যায়। শোনার সমস্যা তো হয়ই, আবার মাঝে এমন মানুষও থাকে যে ইচ্ছা করেই যা শুনে, তা না বলে অন্য কিছু বলে। ফলে "আজ বৃষ্টি হবে" হয়ে যায় "গরুঘাস খায়"। আরবী থেকে বাংলা অনুবাদে অনেক সময়ই ঠিক ভাবটা উঠে আসে না তিনটি কারণে, এক: বাংলা শব্দে ঠিক প্রতিশব্দের অভাব (উদাহরণ, ইংরেজীতে জোছনার ভাল প্রতিশব্দ নেই-- সব ভাষারই কিছু সীমাবদ্ধতা আছে), দুই: বাঙালী যারা আরবী শিখে অনুবাদ করে তাদের নিজেস্ব জ্ঞানের স্বল্পতা আর তিন: অসততা। ইচ্ছা করেই কাছাকাছি একটা প্রতিশব্দ দেয়া, যাতে পুরো অর্থ বদলে যায়।
"মানব" (বা যার অনুবাদ তিনি নিয়েছেন) যে তিন নম্বর কাজটা করছেন তার অনেক প্রমাণ আমি পেয়েছি। একটা উদাহরণ দেই শুধু: এক জায়গায় আমি যেখানে বাংলা অনুবাদে "পৃষ্ঠদেশ" পড়েছি, আর ইংরেজি অনুবাদে "back" পড়েছি, তিনি সেটাকে মনের মাধুরী মিশিয়ে অনুবাদ করেছেন নিতম্বের প্রচলিত শব্দ। "পৃষ্ঠদেশ" মানে তো পিঠ, আর ইংরেজীতেও নিতম্বের প্রতিশব্দের অভাব নেই। তিনি কেন নিচের দিকে গেলেন বুঝলাম না। এটাকে তো অসততা বলবেন তাই না? মনে হয় অসুস্থতা বলাও ভুল হবে না।
মানবের কথার পিঠে আমি পোস্ট লিখব না কারণ আমার রুচিতে বাধছে। অসুস্থ মানুষের সাথে তর্ক করে লাভ নেই। যে ঘোড়া আর শুকর দু'টোরই চার পা আছে বলে দু'টোর মধ্যে কোন পার্থক্য দেখে না, তাকে আপনি কি করে বুঝাবেন দু'টোয় বিস্তর পার্থক্য?
উত্তেজক কথা বোধ হয় ওনার নিজের জন্য প্রয়োজন। Leave him alone । ওনার কথায় নেচেন না।
আর আপনাদের, যাদের সেগুলো পড়ে খারাপ লাগছে, সত্য কিনা বুঝতে পারছেন না, তাদের প্রতি আমার অনুরোধ, এ ব্যপারে সঠিক সোর্সথেকে নিজে পড়াশোনা করুন প্লীজ। আমি বললেই বা আমার কথায় বিশ্বাস করবেন কেন?
http://www.islamonline.net/completesearch/ english/CounsellorSearch.asp?hID=0 এখানে গিয়ে sex টাইপ করে যা যা পাবেন পড়ে ফেলুন।

শাওন,
কিউট পিচ্চিটার ছবি তো নেটেই আছে। বিখ্যাত হয়ে গেছে পিচ্চি, আমার পেতে কষ্ট হয়নি। IFE তো ইউরোপের, আমি তো ইউরোপে থাকি না।
৩০. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৬:০৩
অতিথি বলেছেন: আবার ভেবে দেখলাম, মানবের আরও কিছু বিকৃতি আপনাদের সামনে তুলে ধরা দরকার। আমি আর দু'টো প্রমাণ দিচ্ছি, বাকিগুলোর খণ্ডনে যেতে
অস্বস্তিহচ্ছে।
- "হিল্লা" বিয়ের বৈধ হওয়ার তো প্রশ্নই আসে না। আগে থেকে কেউ জেনে শুনে বিবাহ বিচ্ছেদের ইচ্ছা নিয়ে বিয়ে করতে পারবে না, এ সম্পর্কে ইসলামের নির্দেশনা পরিষ্কার। পড়ুন:
http://www.islamonline.net/servlet/ Satellite?pagename=IslamOnline-English-Ask_Scholar/ FatwaE/FatwaE&cid=1119503544100

- ইসলাম পূর্ব আরবের প্রথা ছিল স্ত্রীর সাথে রেগে গেলে তাদের পিঠকে "মায়ের পিঠ" এর সাথে তুলনা করতো এবং বলতো, "তুমি আমার জন্য আমার মায়ের মতোই নিষিদ্ধ"... এটা বলে ফেলার পরে তাদের ধারণা ছিল, তাদের সম্পর্কসত্যিই মা-ছেলের মতো হয়ে যেতো। তারা স্ত্রীকে আর স্পর্শ করতো না। কোরআন এরকম ফালতু প্রবাদ/কথা থেকে বেঁচে থাকার আহবান জানায় এবং ঘোষণা দেয় এরকম কেউ বলে ফেললেই স্ত্রী মা হয়ে যাবে না, জন্মদাত্রী জন্মদাত্রীই।
অথচ দেখুন তিনি কি চমতকার পর্ণোগ্রাফীক গল্প বানিয়েছেন এটা নিয়ে?
এ ব্যপারে বিস্তারিত পড়ুন:
http://www.answering-islam.de/ Main/Index/Z/zihar.html

মানবের প্রতিটা পোস্টেই রেফারেনস লিস্ট এক। হাহ! তিনি দেখি ডেনিশ কার্টুনগুলোও দিয়েছিলেন! অস্ট্রেলিয়াতেও কোন বিখ্যাত সংবাদপত্রেকার্টুনগুলো ছাপেনি, কারণ মানুষকে থাপপড় দিতে পারার অধিকারকে স্বাধীনতা বলে না। এ পর্যায়ে কেউ যদি conspiracy theory দেয় যে তিনি জেনে শুনে ইসলাম নিয়ে অপপ্রচারে নেমেছেন, মুসলিমদের এবং অমুসলিমদের মধ্যে বিভ্রান্তিসৃষ্টি করতে, অমুসলিমদের সামনে মুসলিমদের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে উঠে পড়ে নেমেছেন তাহলে কিন্তু আমার পুরো অবিশ্বাস হবে না। What he says and does is clearly provocative! Preposterous!
৩১. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ৭:০৩
তারিকুল বলেছেন: আপু ,
অসংখ্য ধন্যবাদ । আমার লিংক গুলো কষ্ট করে যদি দেখতেন ।http://www.somewhereinblog.net/tariqulblog
আল্লাহ পাক আপনাকে মা আয়েশা (রাঃ) র মতো দ্্বীনের সাহায্যকারী বানান । আমিন ।
৩২. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ৭:০৩
আকাশ বলেছেন: সবার অবগতির জন্য একটি ওয়েব ঠিকানা দেই, http://www.irf.net/ , এখানে গিয়ে ইসলামের যে কো বিষয়ে আপনার কোন মন্তব্য, কোন জিজ্ঞাসা থাকলে সাবমিট করুন, উত্তর পেয়ে যাবেন......
ড. জাকির নায়েক সব ধরনের ধর্মগ্রন্থের আলোকে উত্তর দেবেন....
৩৩. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ১১:০৩
শাওন বলেছেন: ঠিক আছে আস্তমেয়ে , উত্তর দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ । :)
৩৪. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৮:০৩
কাঁকড় া বিছা বলেছেন: ...নারীর বিরহে,নারীর মিলনে,নর পেল কবিপ্রাণ
যত কথা তার হইল কবিতা, শব্দ হইল গান
নর দিল ক্ষুধা,নারী দিল সুধা, শুধায় ক্ষুধায় মিলে,
জন্ম লভিছে মহামানবের মহাশিশু তিলেতিলে...
...এতদিন শুধু বিলালে অমৃত,
আজ প্রয়োজন যবে
যে হাতে পিয়ালে অমৃত, সে হাতে কূটবিষ দিতে হবে।
সেদিন সুদূর নয়--
যেদিন ধরণী পুরুষের সাথে গাহিবে নারীরও জয়
...
৩৫. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৮:০৩
অতিথি বলেছেন: বেশ সুন্দর একটি লিখা।ধন্যবাদ
অনেকেই তর্কের খাতিরে তর্ক করে আর কিছু লোক নিজেদেরকে অনেক বড় মুহাদ্দিস ভাবে, যেন কোরআনের সব ব্যাখ্যা তাদের কাছে আছে,আপনি যতই বোঝাতে চেষ্ট করুন, তারা বুঝবে না। আল্লাহ এইসব লোকদের উদ্দেশ্যেই বলেছেন- যখন কোরআনে কোন আয়াত নাজিল হয় তখন ঈমানদার লোকের ঈমান আরও বৃদ্ধি পায় আর কাফিরের কুফরিও বৃদ্ধি পায়।
৩৬. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৮:০৩
অতিথি বলেছেন: সোহেইল,
আমার পুরোটা পড়েননি?
"এমন কথা" বলতে কি বুঝিয়েছেন?
আমি বলেছি তিনি সত্য মিথ্যা মিশিয়েছেন। যেহেতু সত্যের সাথে একটু মিথ্যা মিশলেও সেটা আর সত্য থাকে না, সেহেতু আমার উত্তর: না নেই।
৩৭. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৮:০৩
অতিথি বলেছেন: উত্তর দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমি আপনার কাছে জানতে চেয়েছিলাম, মানবের উল্লেখিত হাদিসগুলো হাদিসে আছে কি না। আপনি সে উত্তরটি সোজাসুজি দেন নি। কিন্তু নাও করেন নি। সুতরাং ধরে নিচ্ছি আছে।
হাদিসে যদি এই কথাগুলো থাকে তবে মানবের ব্যাখ্যা নিয়ে আমার বলার কিছু নেই। কারণ সে তেমন কোনো ব্যাখ্যা দেয় নি। বেশিরভাগই হাদিস তুলে দিয়েছে। আপনাকে ধন্যবাদ।
৩৮. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: মানব একটা বইয়ের অনুবাদ দিচ্ছে, বইটার লেখক এবং অনুবাদকের নামও দেওয়া আছে, রেফারেন্স একই হবে কারন বইটা লেখার সময় লেখক যে রেফারেন্স ব্যাবহার করেছে মানব সেটাই তুলে দিচ্ছে।
৩৯. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: নারী ফ্রয়েড যে কে, আমি নাকি আপনি সেটা আপনার লেখাতেই স্পষ্ট - জন্মসূত্রে নারী হয়েও যিনি আবার 'আস্ত' হতে চান তার সঙ্গে তর্কে যাওয়া বৃথা। কারণ তিনি তর্কের নিগূঢ় নির্যাসটিই ধরতে ব্যর্থ। আর মানুষ-এর কথা বলছেন, ওটা হতে আসলেই তপস্যা লাগে, জন্মেই মানুষ হলে তো মানুষকে লেখাপড়া কিংবা বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করতে হতো না। নাকি আপনার লেখাপড়া শুধু চাকুরি করা আর একটি শিক্ষিত স্বামী জোগাড়ের জন্য, যে স্বামী আপনাকে ইচ্ছে হলে (মানে তার মতে আপনি অনৈসলামি কিছু করলে) ধরে ধরে পেটাবে, কখনও বেত দিয়ে, কারণ তিনি তো এমনিতেই পুরুষ, তাকে তো আর আপনার মতো ঘোষণা দিতে হয়নি আস্ত পুরুষ হিসেবে।
যেহেতু বিদেশে পড়তে এসেছেন সেহেতু ধরেই নেওয়া যায় যে, আপনি উচ্চবিত্তের ফসল, আর তাই আপনি বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক অবস্থায় কেন ইন্টারনেট ক্যাফেগুলিতে পর্দা দেওয়া থাকে সেটাই প্রথমে ধরতে পারেননি। আপনি কি জানেন যারা ইন্টারনেট ব্যাবহার করে ওইসব ক্যাফেতে গিয়ে তারা লেখাপড়া জানা শিক্ষিত শ্রেনীর, এবং আপনিই স্বীকার করেছেন যে, তারা ওখানে অসংখ্য পর্ণ সাইট দেখে থাকে। তাহলে ধরে নিতে হচ্ছে যে, তাদের কেউ কেউ ওখানে টুপি মাথায় দিয়ে ঢোকে এবং টুপিটা খুলে রেখেই হোক কিংবা মাথায় দিয়েই হোক তারা সেগুলো দেখে তৃষ্ণা মেটায় কিন্তু বাইরে গিয়েই আবার তারা পুরুষ- কিংবা আপনারই মতো আস্ত নারী। এদের কাছ থেকে কী আশা করেন আপনি? কোন ইসলামকে এরা প্রচার করেন কিংবা ধারণ করেন?
অবশ্য আপনার বর্ণিত ইসলামিক পন্থাও যে খুব বেশি উন্নত সেটাতো বোঝা গেলো মানবের উত্থাপিত হাদিসগুলির ব্যাখ্যা থেকেই।
আর পৃষ্ঠদেশ -এ সঙ্গম হয় না, হয় পশ্চাৎদেশে, এর বাংলা ওটাই, পৃষ্ঠদেশ সম্পর্কে তাই আপনার ব্যাখ্যাটি অগ্রহণযোগ্য। আর ইংরেজিতে সেটা ব্যাক-ই। যাকগে সময় নেই এই মুহূর্তে নাহলে আপনার লেখাগুলো থেকে অনেক কথাই আলোচনা করার ইচ্ছে ছিল। পরে কখনও হবে।
আর ফ্রয়েডের নর-নারী সম্পর্কের ব্যাখ্যায় আপনার স্ট্যান্ডার্ড যদি এইচএসসি মানের হয়ে থাকে তাহলে তো আসলে আপনার সঙ্গে কোনও কথাই বলা উচিত নয়। এখন তো একটু বয়স হয়েছে, আরও ওপরের স্তরের ব্যাখ্যাগুলি পড়ুন না। দেখবেন এসব নিয়ে গবেষণা-সন্দর্ভ বাস্তবতার বহু উদাহরণ রয়েছে।
আসলে কি জানেন? মানব মানসিকতার ব্যাখ্যা খুব সহজ জিনিস নয়, একেকজনে একেক ভাবে দেয়, কেউ আস্তমেয়ে হয়ে সুখী থাকে, কেউ চায় শুধুই নারী কিংবা শুধুই পুরুষ না থেকে সত্যিকারের মানুষ হতে, রামপ্রসাদ নামে এক ব্যক্তি আছেন, নাম হয়তো শুনে থাকবেন, তিনি খুব সহজ করেই বলেছেন,
মনরে কৃষি কাজ জানো না
এমন মানব জনম রইলো পতিত
আবাদ করলে ফলতো সোনা
মনরে কৃষি কাজ জানো না
(এই কৃষিকাজ সেই কৃষিকাজ নয়, যাতে ডাল কিংবা ধান হয়, এটা হচ্ছে মানুষ হওয়ার কথা বলছেন। ভালো থাকুন)
৪০. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: খুব বেশি বয়স হয় নি, বাংলাদেশে থাকলে 2005 এ এইচ এস সি দিতাম। আর উচ্চবিত্তের ফসল আমি না। মধ্যবিত্তের ফসল।
যারা দেখার তারা ঠিকই দেখতে পাচেছন। বার বার বেত দিয়ে পিটানোর কথা কেন বলছেন? আমি বলেছি বেত দিয়ে পিটানো অনৈসলামিক। আমার স্বামীর আমাকে চেষ্টা করে অনৈসলামিক কাজ থেকে দুরে রাখতে হবে না। আল্লাহর প্রতি আমার নিজের ভালবাসা কম না।
৪১. ১৩ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: মহুয়া,ওদের এগুলা কইয়া লাভ নাই, অভিজষতা থিকা দেখছি, বোরখা পড়া স্ত্রীলোক মারকুটে পুরুষ চায়, ভিভ রিচার্ডসের মত, গাভাস্কার টাইপ না
৪২. ১৭ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ৮:০৩
অতিথি বলেছেন: আস্ত, আপনাকে করা একটি প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয়েছিলো এই সাইটে।
Click This Link

আশা করি গোস্তাখি মাফ করা হবে।
৪৩. ২৫ শে মে, ২০০৬ রাত ২:০৫
অতিথি বলেছেন: জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।
সময়মত চমৎকার একটা লেখা আর মন্তব্যগুলো পড়তে পালাম না। তবে লেখাটা ছিল যার উদ্দেশ্যে, তার মন্তব্য পড়ে খুব আফসোস হলো এবং মনে হলো যে, যেন আস্তমেয়ে বানরের গলায় একটা মহামূল্যবান হীরকের মালা পরাতেই ব্যর্থ চেষ্টা করলো।
উঁহু, মোটেই ভাবনায় পড়বেনা যিনি লিখেছেন এমন সুন্দর লেখাটি এবং যারা খুবই যৌক্তিক ও পরিচ্ছন্ন মন্তব্য করেছেন, আপনারা সবাই ধন্যবাদ ও মোবারকবাদ পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন (অবশ্যই তারা ছাড়া যারা যুক্তির খণ্ডনে ঘাড়ের ব্যবহার করতে ও অশ্লীল ইঙ্গিত করতে দ্্বিধা করেনি)।
বলে রাখছি যে, মহান আল্লাহর তৌফিক পেয়ে যদি কখনো এ ব্যাপারে কিছু লিখি, তো অবশ্যই আমার মন্তব্য ও মতামতও আপনাদের সাথে শেয়ার করবো ইনশাআল্লাহ।
৪৪. ০৯ ই জুন, ২০০৬ দুপুর ২:০৬
অতিথি বলেছেন: ঘন্টাখানেক ধরে আস্তর পুরানো পোষ্টগুলো পড়ছি...
জটিল সব আলোচন হয়েছে তো। :-)
পুরান হয়ে গিয়েছে টপিকটি.. তাই আমি আর নতুন করে কিছু বললাম না... তবে প্রিন্ট আউট বের করবো একটু পর।
ধন্যবাদ আস্ত।
৪৬. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫২
অতিথি বলেছেন: বাহ্ বেশ জমজমাট আড্ডা !
৪৭. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪
বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন: সস্তামেয়ে বলেছেন : মার হচ্ছে লাস্ট রিজর্ট

OMG
৪৮. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:০৩
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন: লে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খালে: পাগ্লী!!! ক্ষির খা

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৯৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
হে প্রভু, তুমি আমাকে অকল্যাণ বয়ে আনা এবং অর্থহীন কথা ও কাজ থেকে রক্ষা করো!

[link|http://www.somewhereinblog.net/shondhabatiblog|Ges Avwg]
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ