২০১০ সালে ইএফএলবিডি'র পরিকল্পনাসমূহ নিম্নরূপ:
* মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনে ১৪০ জন শিক্ষার্থীকে কর্মসংস্থানমূলক শিক্ষার আওতায় নিয়ে আসা।
* স্কুলের আয়ের উৎস হিসেবে মাশরুম প্রকল্প স্থাপন এবং স্কুলের শিক্ষার্থী সহ স্থানীয় বিশ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান।
আমাদের কর্মসূচিসমূহ :
তারিখ বার কার্যসূচি বাস্তবায়ন সময়
১২/০১/২০১০ বুধবার মাশরুমের চারা সংগ্রহের অর্ডার ৩০ দিন
১৪/০১/২০১০ শুক্রবার প্রকল্পের স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন
এবং সম্ভাব্যতা যাচাই।
১৫/০১/২০১০ শনিবার প্রজেক্ট বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু। ৭ দিন
মাশরুম প্ল্যান্ট এবং প্রিজারভেশন
এর জন্য অবকাঠামো তৈরি।
০১/০২/২০১০ সোমবার স্কুলে মাশরুমের বিবিধ ব্যবহার বিষয়ক
সেমিনার। আমন্ত্রিত সবাই।
০৯/০২/২০১০ সোমবার প্রশিক্ষণ শুরু- ২০ জন শিক্ষার্থী ২ দিন
১১/০২/২০১০ বৃহস্পতিবার প্রকল্প এলাকায় চারা আনয়ন এবং
একনাগাড়ে সাত দিন মাশরুমের চারা
থেকে পূর্ণাঙ্গ মাশরুম সংগ্রহ পর্যন্ত
শিক্ষার্থীদের নিবিড় প্রশিক্ষণ। ৭ দিন
ইএফএলবিডি বাজারজাতকরণের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
প্রকল্প বাস্তবায়নে বাজেট = ১,৪০,০০০/- টাকা।
১ বৎসর মেয়াদে-
মাশরুম উৎপাদনে অবকাঠামো ব্যয় = ৫০,০০০/- (৫ তাকের রেখ সহ)
সংরক্ষণের জন্য ড্রায়ার মেশিন বানানো ব্যয় = ২০,০০০/-
৫০০০ চারা @ ১০ টাকা = ৫০,০০০/-
প্রশিক্ষণ ও প্রচার ব্যয় = ১০,০০০/-
অন্যান্য = ১০,০০০/-
..........................................................................
সর্বমোট = ১,৪০,০০০/-
(এক লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা মাত্র)
বাৎসরিক রিটার্ন :
উৎপাদনের তারিখ থেকে পরবর্তী ২ মাস (বৎসরে ছয় বার চাষ করা যায়)
অর্থাৎ একটি ফলনে টানা ৬০ দিন মাশরুম সংগ্রহ করা যাবে।
চারাপ্রতি গড় উৎপাদন ২০ গ্রাম। এক টার্মে।
৫,০০০ চারায় এক টার্মে উৎপাদন = ৫০০০* ২০ গ্রাম =১০০০০০ গ্রাম
= ১০০ কেজি ।
প্রতি কেজি = ১২৫/- টাকা (পাইকারী) হিসেবে-
১০০ * ১২৫ = ১,২৫,০০০/-
...................................................................................
প্রথম টার্মের পর শুধু চারা এবং পরিবহন খরচ হবে। লাভ একই থাকবে।
ছয় টার্মে মোট খরচ = ১,৪০,০০০ + ৫*৭০০০০ = ১,৪০,০০০ + ৩,৫০,০০০
= ৪,৯০,০০০/-
ছয় টার্মে মোট আয় = ১,২৫,০০০ * ৬ = ৭,৫০,০০০
বৎসরে মোট লাভ = ২,৬০,০০০/-
এটি নিশ্চিত লাভ, যদি মাশরুমের সঠিক পরিচর্যা করা হয়। খুচরা বিক্রয় করলে ২০০/- টাকা কেজি এবং এতে লাভের পরিমাণ আরও বেড়ে যাবে।
অর্থাৎ সঠিকভাবে মাশরুম চাষ করা গেলে প্রথম টার্মেই পুঁজি ফেরত এনে লাভ করা সম্ভব।
স্থানীয়ভাবে পুষ্টিকর মাশরুমকে জনপ্রিয় করে তোলার জন্য স্কুলের পক্ষ থেকে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হবে। প্রয়োজনে মাশরুম দিয়ে মুখরোচক খাবার তৈরি করে পর্যটকদের কাছে বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা যায়। স্কুলকে কেন্দ্র করে মাশরুম পল্লী গড়ে তোলা যায়।
মাত্র ১০ জন ব্যক্তি ১৪,০০০/- (চৌদ্দ হাজার) টাকা করে বিনিয়োগ করলে আমরা মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনে 'মাশরুম প্রকল্প' বাস্তবায়ন করতে পারি। প্রকল্প স্থাপনের ছয় মাসের মাথায় উপরোক্ত ১০ জনের পুঁজি ফেরত দেওয়া সম্ভব। ইএফএলবিডির দক্ষ মাশরুম বিশেষজ্ঞ টিম এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত লাভ দ্বারা স্কুল পরিচালিত হবে এবং অন্যান্য পরিচালন ব্যয় হবে।
ব্লগে এ বিষয়ে সময়ে সময়ে আপডেট জানানো হবে। আপনারা কেউ এই প্রকল্পের সাথে যুক্ত হতে চাইলে ১৪ এবং ১৫ জানুয়ারি ২০১০ তারিখ সরাসরি মেঘনাপাড় মাশরুম প্রকল্প এলাকায় চলে আসুন। বিস্তারিত জানতে- ০১৭২৭-২৬২১৯৫ নাম্বারে ফোন করুন।
(একজন মাশরুম বিশেষজ্ঞ কর্তৃক এই বাজেট প্রণীত। মাশরুম চাষ বিষয়ক আপনাদের নতুন কোন তথ্য জানা থাকলে দয়া করে জানান। আপনাদের পরামর্শ, মতামত নিয়ে আমরা পদক্ষেপ নিতে চাই।)
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



