somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... সাথে থাকুন...শুধু আজকের দিনটাতে নয়.... উত্তরটা হলো, না। আমরা সবসময় হার দেখে অভ্যস্ত। কদাচিৎ বড়ো দলগুলোকে কেবল নিয়মিত বিরতিতে হারার স্বপ্ন দেখি। আর খেলোয়াড়দের কাছ থেকে সবসময় প্রত্যাশা থাকে, হারুক, কিন্তু লড়াই করে হারুক।
কিন্তু মিরপুরে আমাদের ক্রিকেটাররা সেই গতানুগতিক চিরাচরিত লেভেলটা অবিশ্বাস্যভাবে সেঁটে দিয়েছে কিউই দলটির গায়ে। ব্যাক টু ব্যাক চারটা ম্যাচ জিতে তাদেরকে সাদা ধোলাই দিয়ে বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে, বিশ্ব ক্রিকেটে তারা আর ছোটো বা নগন্য দলের কাতারে নয়। জবাব দিয়েছে শত বঞ্চনার। যেমন, বড়ো দলগুলো আমাদেরকে তাদের দেশে সিরিজে আমন্ত্রণ না জানানোর মতো ধৃষ্টতারও একটা জবাব হয়ে থাকবে এ সিরিজ। পাশ্ববর্তী দেশ ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের কাছে প্রশ্ন থাকবে, মহাশয়, এবার নিশ্চয়ই তোমাদের দেশে গিয়ে আমরা খেলতে পারি, কি বলো?

নড়েচড়ে বসবে বিশ্ব ক্রিকেট। যে দলটির গড় বয়স ২৫, যাদের আন্তর্জাতিক ম্যাচে অভিজ্ঞতার ঝুলি তেমন পরিপক্ক নয়, তারাই কি করে এমন কান্ড ঘটিয়ে ফেলতে পারে।
ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড কিংবা ভারতের মতো আমাদের দেশে ঘরোয়া ক্রিকেট সবসময় অবহেলিত। পর্যাপ্ত পরিমাণ ফ্যাসিলিটিজ এর অভাবে অন্য দেশগুলোর মতো আমাদের দেশে ক্রিকেটার উঠে আসছেনা। শত অসুবিধার মধ্যেও এ সিরিজের ফল আমাদেরকে নতুন স্বপ্ন দেখাবে। পাশাপাশি, বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হওয়ার মতো ক্যাপাবিলিটি যে বাংলাদেশের আছে, সেটাও প্রমাণিত করা গেছে। বাকী আয়োজদের উপর, আয়োজন যাতে ফুলপ্রুফ হয়, সেটা দেখার দায়িত্ব তাদের।

সবশেষে, বলতে চাই আমাদের প্রিয় ব্লগারদের। অনেক ব্লগারই চরম বিষেদগার করেন ক্রিকেটার বিরুদ্ধে। আজকেই আমি চয়ন কান্তি নামে একজনকে নিয়ে পোস্ট দিতে চেয়েছিলাম। কি ভেবে আবার দেইনি। কদিন আগে কোনো এক ব্লগার (নাম মনে করতে পারছিনা) এর পোস্টে ক্রিকেটারদের চরম অসম্মান করা হয়। সেখানে বাংলাদেশ এর কৃতি সন্তান নামে এক ব্লগার আমাকে ক্রিকেটারদের চামচা নামে অভিহিত করেন। আমি বলতে চাই, নিজেও ক্রিকেটারদের ব্যর্থতায় দুঃখ পাই, গালি দেই। কিন্তু ভেবে দেখুন, এ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষকে রাজনৈতিক, ধর্মীয় ইত্যাদি মতভেদ ভুলে এক কাতারে নিয়ে এসেছে কিন্তু ওই ক্রিকেটই। সুতরাং, ম্যাচ হারার পর তাদের উপর খেপে উঠে গালি দেওয়া পর্যন্ত ঠিক আছে। কারণ, তাদের আমরা ভালোবাসি বলেই। কিন্তু খারাপ সময়ে তাদের সমর্থন জানানোটা আমাদের কর্তব্য। কারণ, বাংলাদেশ ক্রিকেটের পিছনে যারা লেগে আছে, তাদেরকে মোকাবেলা করতে হলে, দেশের মানুষের সমর্থন তাদের দরকার। মাঠে ভালো করার দায়িত্ব তাদের।

আমাদের দলটি একটি ইউনিট হয়ে গড়ে উঠছে। সবাই যখন নিজেদের সেরাটা দিয়ে দেবে, এভাবে জয় নিয়মিত হয়ে উঠবে। তাই, টাইগারদের সাথে থাকুন, শুধু আজকের দিনটাতে নয়। সবসময়, যে কোনো অবস্থাতেই।

সাবাশ টাইগার্স, অভিনন্দন তোমাদের। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29256790 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29256790 2010-10-17 18:56:54
লেট নাইট পোস্ট, হাত গুটিয়ে বসে থাকবেন না। পাকিদের আমরা কোনোভাবেই সাপোর্ট করতে পারিনা। স্পোর্টসম্যানশীপের দোহাই দিয়ে তো নয়ই। ওরা শুধু ঘৃণার যোগ্য।
***ইনডিয়াকে কোনোকালেই সহ্য হতোনা। ইনডিয়ানদেরকে তো নয়ই, ক্রিকেট টিমটাকে শুরু থেকেই বিষদৃষ্টিতে দেখতাম। ঘৃণাটা আরো ঘনীভূত হলো, যখন এরা আমাদের সাথে খেলতে অনীহা জানিয়ে বসলো তখন। তবে মনে করার কোনো কারণ নেই, এ কারণেই পোস্টটা লিখছি।

আজ অজিদের বিরুদ্ধে ইনডিয়া জিতেছে। প্রথম ম্যাচটা হারতে হারতে । দ্বিতীয় ম্যাচে সহজে। অবশ্যই অভিনন্দন তাদেরকে। অজিদের হারানো সবসময়ই কৃতিত্বের। কিন্তু বদহজম হলো তখন, যখন ইনডিয়ার নিউজ চ্যানেলগুলো স্ক্রল করছিলাম। সবগুলো চ্যানেলে কথার ফুলঝুড়ির সাথে সাথে টর্ণেডোর গতিতে চলছিলো টিমইনডিয়ার স্তুতিবাক্য। আজব আজব চেহারার রিপোর্টার, ততোধিক আজব চেহারার গেস্টরা ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বর্ণণা করে চলেছিলো অসূর বধের কাহিনী। <img src=" style="border:0;" />

কথা হলো, অজিদের বিরুদ্ধে ইনডিয়ার এ জয়টাকে এভাবে সপ্তাকাশে চড়ানোর মতো কি হলো? রেন্কিং ১ টিম সমশক্তির একটা দলকে টেস্টে হারিয়েছে, এখানে ওয়ার্ল্ড কাপ জেতার মতো কোনো ঘটনা তো ঘটেনি। কিন্তু বিশ্বাস করুন, চ্যানেলগুলোতে যেভাবে সাইক্লোন চলছিলো, তাতে করে মনে হচ্ছিলো, টিম ইনডিয়া একই সাথে একই ম্যাচে সাউথ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া,ইংল্যান্ড সহ বড়ো বড়ো দলগুলোকে হারিয়ে দিয়ে ওয়ার্ল্ড কাপ জিতেছে। <img src=" style="border:0;" />
বাংলাদেশ এখন উন্নতির পথে আছে। তারা যদি নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজটা জিততে পারে, তাদেরকে এহেন উল্লাস শোভা পায়।
একজন তো বলেই বসলো- ক্রিকেট হামারা ধর্ম হ্যায়, অওর শচীন হামারা ভগবান!<img src=" style="border:0;" /> মানে ক্রিকেট মোদের ধর্ম,আর শচীণ আমাদের ভগবান। <img src=" style="border:0;" />
অন্য একজন বললো- টিম ইনডিয়াকো কোই নেহি হারা সাকতা। টিম ইনডিয়াকে কেউ হারাতে পারবেনা!<img src=(" style="border:0;" />
একটু ঠান্ডা মাথায় দেখলে দেখা যাবে,অজিদের এ স্কোয়াডটি ইনডিয়ার চে ঢের বেশি অনভিজ্ঞ। অজিদের বোলিং লাইনআপে নেই ক্ষুরধার কোনো স্পিনার। যা টুইটুম্বুরে ভরপূর ইনডিয়ান স্কোয়াডে। শেহওয়াগ,লক্ষণ,দ্রাবিড়,শচীন,গম্ভীর, মূরালি বিজয়,ধোনি,রেইনার বিপরীতে ক্যাটিচ,ক্লার্ক,হাসি, পন্টিং,টিম পেইন নামগুলোকে অপেক্ষাকৃত হালকা মনে হচ্ছেনা?

তদূপরি হরভজন বা ওঝাকে টেক্কা দেয়ার মতো কোনো স্পিনারই নেই অজিদের। সর্বোপরি নিজেদের মাটিতে, নিজেদের পিচে অপেক্ষাকৃত কম শক্তির অজি লাইনআপের বিরুদ্ধে এ জয়ে উন্মাতাল হয়ে পড়েছে ভারতীয়রা।
রিকি পন্টিং হারলে আনন্দ পাই। কিন্তু ইনডিয়ানদের বাড়াবাড়ি দেখে ভিরমি খেলাম। লে বাওয়া,তোমরা কি বিশ্বের এক নম্বর টিম? যদি তাই হয়, তোমাদের এ লাগামছাড়া উচ্ছাসের মানেটা কি? নাকি, অজিদের বিরুদ্ধে জয় পাওয়াটা তোমাদের জন্য বেহেশতে যাবার সমান? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29254551 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29254551 2010-10-14 02:41:45
আমাদের সালমান খান !!!!!<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />

তিনি এমন একটি আইডিয়া দিয়েছেন, যেটা পুরো বিশ্ববাসীর কাজে লাগবে। আর সেই আইডিয়াটার দাম কতো জানেন? ১৪ কোটি টাকা!!!!!<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />





বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29247353 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29247353 2010-09-30 01:15:23
আসছে বিশ্বকাপঃ কতোটুকু প্রস্তুত আমরা?? এবার ক্রিকেটের হাত ধরে আসতে যাচ্ছে আরো একটি সুযোগ যেটাকে কেন্দ্র করে গর্ববোধ করতে পারে গোটা জাতি। আর তা হচ্ছে বিশ্বকাপ।

ফুটবলে যেখানে এশিয়া মানে পৌছানো সম্ভব হয়নি, সেখানে ক্রিকেট মাত্র কবছরেই ঘরে আনতে যাচ্ছে বিশ্বের সর্ববহৎ আসর, বিশ্বকাপ ক্রিকেট। সবচে বড়ো কথা, উদ্ধোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ!!! এটাকে এখনো স্বপ্ন বলে ভ্রম হয় আমার।

আইসিসি আমাদের দেশের উপর আস্থা রেখেছে। আস্থা রেখেছে ক্রিকেট বোর্ডের উপর। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সেই আস্থার প্রতিদান দেবার জন্য আমরা কতোটুকু প্রস্তুত? দেশের মাটিতে ক্রীড়া ইভেন্টের যতোগুলো আসর বসেছে কোনোটাই জাকজমক পূর্ন হয়নি। দেখা গেছে আয়োজকদের সমন্বয়হীনতার অভাব। কিন্তু বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধন বলে কথা!! এখানে উদাসীনতা বা আলসেমীর বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই।

সংশ্লিষ্টরা মনে হয় এ বিষয়ে ওয়াকিবহাল নন। কালের কন্ঠে খেলার পাতায় দেখলাম চট্রগ্রাম স্টেডিয়াম নিয়ে জটিলতা। অনেক কাজ এখনো শেষ হয়নি, অনেক কাজ যেগুলো করতে হবে সেগুলো এখনো শুরুই হয়নি।

কর্তাব্যক্তিদের বুঝতে হবে, বিশ্বকাপ ক্রিকেট বাফুফের ঘরোয়া লীগ নয়। এখানে সর্বোচ্চ প্রফেশনালিজম দেখাতে হবে। সমস্ত আয়োজন নিখুঁত হতে হবে। তাহলেই আমাদের ক্রিকেট বহির্বিশ্বে আরো উজ্জল হবে।

কালের কন্ঠের রিপোর্ট

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29230844 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29230844 2010-08-27 21:50:07
ব্যাটিং জিনিয়াসদের (!!???) চমকপ্রদ প্রদর্শন!!!<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" />
ইদানিং ভারত আর পাকিস্থান হারলে বাংলাদেশ জিতলে যে অনুভূতিটা হয়, অনেকটা সেরকম আনন্দ উপভোগ করি। <img src=" style="border:0;" />

তার উপর আবার ৮৮ রানেই গুটিয়ে যাওয়া ব্যাটিং জিনিয়াসদের এইরকম প্রদর্শনী তো রীতিমতো বোনাস। <img src=" style="border:0;" />
বিস্তারিত এখানে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29219647 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29219647 2010-08-10 22:40:08
এই না হলে ব্লগ?????????????
এর নাম বোধহয় ব্লগিং। যেখানে টপিক হয় ধর্ম, আর লেখক থাকে পক্ষ-বিপক্ষ। বাকীরা প্যাভিলিয়নে। কেউ পপকর্ন খেতে খেতে ব্লগিং এর মজা নেন। উসকে দেবার জন্য দুএকটা কমেন্টও জুড়ে দেন। আর বাকীরা অসহায়ের মতো বিব্রত বোধ করতে থাকেন। ভাবেন, এই যদি ব্লগিং এর চেহারা হয়, তাহলে এখানে থাকা কি সমীচিন হবে?

বলা বাহুল্য, সবাই ধেই ধেই করে বলে দেবেন, যাও না বাপু, তুমারে কেডায় ধইরা রাখচে। ভালা না লাগলে রাস্তা মাপো।

সমস্যা এখানেই, এতোদিনের সম্পর্ক ব্লগের সাথে, তাই চলে গিয়েও ফিরে আসতে হয়। নির্লজ্জের মতো। তাই না এসে যখন পারা যাবেনা, আম ব্লগার হিসেবে নিজের ''সে'' টুকু বলে ফেলাই ভালো।
কিচ্ছু বলার নাই, যারা কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি করছেন, তাদের নিয়ে। বলে কোনো লাভ হবেনা। দুপক্ষই সমান তালে লড়ছেন। পোস্টের পর পোস্ট আসছে অরুচিকর ভাষায়। সামুতে একটা লিমিট থাকে, নোংরামি সীমা ছাড়ায় না। কিন্তু আজ পোস্ট এর ধরন এবং ভাষা দেখে রীতিমতো চোখ কপালে উঠে যাচ্ছে। কর্তৃপক্ষের কি কোনো দায় নেই এসব বন্ধ করার???

সুশীল ব্লগার বা ভদ্র ব্লগার হিসেবে টিটকারী বা উপহাস সেই সাথে বোনাস মাইনাসের প্রত্যাশায় রইলাম। সেই সাথে ক্ষীন আশা রইলো, মডুরাম পার্মানেন্টলি এসব বন্ধ করার ব্যবস্থা করেন। নইলে ক্যাটাগরি জুড়ে দেন। যাদের এসবে এলার্জি আছে, তারা ওইসব পোস্ট এ যাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। প্রথম পাতায় এইসব পোস্ট রীতিমতো বিরক্তির উদ্রেক করছে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29210721 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29210721 2010-07-30 01:17:20
পৃথিবী থেকে আরো একজন কুমার শহীদ হইলো..... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> " style="border:0;" />

সেইরকম একজন ব্যাচেলরের শহীদ হইবার খবরটা আপনাদের জানানোর জন্য এই পোস্ট। নতুন ব্লগারদের কাছে তিনি পরিচিত নন। কারণ, তার ব্লগিং এর স্টাইলটা কর্তৃপক্ষের পছন্দ না হওয়ায়, তাকে দয়া করে আর ব্লগাতে দেয়া হয়নি সামুতে। ব্যান করা হয়েছিলো। কিন্তু এখন থেকে একবছর আগেও যারা সামুতে ছিলেন, তারা সবাই বিমা ওরফে বিষাক্ত মানুষকে ভালো করেই চেনেন।

জবাই হওয়ার আগে শেষবারের মতো আল্লাহর কাছে পানাহ চাইতেছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাচেলর <img src=" style="border:0;" />


ম্যান অফ লিরিকস খ্যাত, সেই স্টাইলিশ ব্যাচেলর সম্প্রতি বিবাহ নামের শুভকার্যটি সম্পন্ন করিয়াছেন। <img src=" style="border:0;" />

বৈদেশর গলি ঘুপচিতে ঘুরতো বেচারা। স্বর্নকেশীদের দেখে হাহুতাশ করতো। আর রাতে বাসায় এসে ব্লগ লিখতো। কখনো সেই হাহুতাশ কমেন্ট এর ঘরে দেখা যেতো। গত একবছর ধরে দেশে। কালোকেশীদের দেখে স্বর্নকেশীদের কথা বেমালুম ভুলে গেলো হয়তো। বৈদেশে তবু ম্যালা দিন সহ্য করা গেলো। কিন্তু দেশীয় ললনাদের বেশিদিন টলারেট করা গেলোনা। ফল কোনো এক অষ্টাদশীর গলায় মালা প্যাচানো এবং কবুল বলিয়া শহীদান জিন্দেগীকা শুরুওয়াত।

বিমা ভাই, অভিনন্দন তোমাকে!!! অনেক ভালো থেকো, অনেক।

***জেবীন আপুকে ধন্যবাদ, তার মাধ্যমেই খবরটা পাই*** ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29207413 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29207413 2010-07-25 22:28:26
৩ বছর ৩ দিন!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! " style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />


এখনো ব্লগিং শিখা হইলনা। <img src=(" style="border:0;" />

থ্রি চিয়ার্স ফর থ্রি!!!!!!!!!!!!!!!


তিনটা ছবি... <img src=" style="border:0;" />





তিনজন নতুন ব্লগিয় দোস্ত <img src=" style="border:0;" /> ( সবাই কাছের, এই তিনজনের নাম উল্লেখ করলাম, কারণ, এদের ব্লগিং আমার ভালো লাগে বলে)

রাজসোহান

পাহাড়ের কান্না

কাঠের খাঁচা


তিনজন গ্রেট ব্লগার উইথ হিউজ সেন্স অফ হিউমার (লিংক দিতে পারছিনা) /<img src=" style="border:0;" />

১. আলিফ দেওয়ান ওরফে কাগু

২. মানুষ ওরফে আধুনিক রবীন্দ্রনাথ

৩. চিকনমিঞা

তিনজন মেধাবী ব্লগার আমার দৃষ্টিতে-

১. ফিফা

২. নাফিস ইফতেখার

৩. রাগিব ভাই


নিজের তিনটি প্রিয় রম্য গল্প... <img src=" style="border:0;" />

১. বিবাহ সমাচার সিরিজ ১/২

২. লজিং মাস্টার সিরিজ-১/২

৩.বাসর রাত এবং...

তিনটি অম্লমধুর স্মৃতি-
১. প্রথম যেদিন ব্লগে রাহী ভাই অ্যাকাউন্ট খুলে দেয়। অনেক এক্সাইটেড ছিলাম। হাসি পায় মনে পড়লে।

২. আমার অপমান গল্পটি ইবুকে সিলেক্ট হওয়ায়।

৩. লালসালুর সাথে ক্যাচাল।


তিনবছরে ব্লগীয় অ্যাচিভমেন্ট- ০০০ <img src=" style="border:0;" />PPPPP




পোস্টটি লম্বা করার ইচ্ছে থাকলেও, মহামান্য সার্ভার এর কারণে সম্ভব হইলোনা।

সবাই ভালো থাকেন।





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29206577 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29206577 2010-07-24 19:59:40
মহানায়কের বিদায়ে অভিনন্দন......
১৪ বছর বয়সে কোচ সুনীল ফার্নান্দোর অধীনে এই মিডিয়াম পেসার স্পিন বোলারে কনভার্ট হয়ে যান। সেখান থেকেই শুরু, স্কুলের হয়ে দুই সিজনে ১০০ এর বেশি উইকেটের মালিক বনে যান। খেতাব পেয়ে যান, স্কুলবয় ক্রিকেটার অফ দ্যা ইয়ারের। স্কুল ছাড়ার পর তিনি তামিল ইউনিয়ন ক্রিকেট অ্যান্ড অ্যাথলেটিক ক্লাব এ যোগ দেন এবং ১৯৯১ সালে শ্রীলংকা দলের ইংল্যান্ড ট্যুর এর জন্য সিলেক্ট হন। সেখানে ব্যর্থ হয়ে দেশে ফেরত এসে অ্যালান বোর্ডার এর অস্ট্রেলিয়া দলের সাথে প্রস্তুতি ম্যাচে ভালো খেলেন এবং সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টেস্ট অভিষেকের জন্য মনোনীত হন।


বাকীটুকু ইতিহাস। এই জাদুকরের ঝুলিতে জমা পড়েছে সবকিছুই। একজন ক্রিকেটার হিসেবে যা কিছু অর্জন করার সবকিছুই অর্জন করেছেন। পত্রিকা পড়লে বা নেট ঘাঁটাঘাঁটি করলে সব জানা যাবে। আমি শুধু তার সবচাইতে বড়ো অর্জন, টেস্ট ক্রিকেটে ৮০০ উইকেটের মাইলফলক কিভাবে অর্জন করলেন, সেটার একটা চিত্র তুলে ধরছি-




শেষ ম্যাচে তার উইকেট সংখ্যা যখন ৭৯৯, তখন খোদ অ্যান্টিপার্টি ভারতীয় সাপোর্টাররাও চাইছিলেন শেষ উইকেটটা যেনো মুরালি পান। এক প্রান্ত থেকে ওভারের পর ওভার করতে করতে শেষে প্রজ্ঞান ওঝাকে ধরাশায়ী করে হয়ে যান ইতিহাসের অংশ। যে ইতিহাস বোধ করি বদলানো সম্ভব নয় কোনো ক্রিকেটারের পক্ষে। সেজন্য আরেকজন মুরালির আগমন ঘটতে হবে। আর কে না জানে, এমন সোনার ছেলে বারবার জন্মায় না। হ্যাঁ, জুনিয়র মূরালি যদি পারে,কিন্তু সেজন্য আরেকটি প্রজন্ম পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
বিশ্বাস করতে পারেন, এক পর্যায়ে দিলশান ওঝাকে আউট করেই ফেলেছিলেন। স্ট্যাম্পিং এর আবেদন থার্ড আম্পায়ার যখন নাকচ করলেন, উল্লাসে মেতে উঠলেন শ্রীলংকান সাপোর্টাররা!!!!
কিন্তু যখন মূরালি শেষপর্যন্ত ওঝাকে আউট করলেন, তখন যে উচ্ছাসটা হলো, তার সাথে কোনো কিছুর তুলনা হয়না।
শ্রীলংকান বোর্ড,জনতা সবাই প্রাণভরে বিদায় জানালেন এই লিভিং লিজেন্ডকে। সেই সাথে দীর্ঘশ্বাসও ফেললেন, ৫ দিনের ক্রিকেটে স্পিন জাদুকরের ভেলকি আর দেখা যাবেনা। ব্যাটসম্যানরা আর অসহায়ের মতো নিজেদের উইকেট খোয়াতে বাধ্য হবেন না।
সামহ্যোয়ার এর সকল ব্লগারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি-- মূরালি অভিনন্দন তোমাকে...ক্রিকেটকে অনেক দিয়েছো তুমি...

**স্ক্রীণশটে নেয়া গ্রাফটা ঠিকমতো দেখা যাচ্ছেনা বলে দুঃখিত।

টেস্টে মূরালির প্রথম শিকার ক্রেইগ ম্যাকডারমটের এবং আটশতম উইকেটটি প্রজ্ঞান ওজার

তথ্যসূত্র- উইকি

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29205548 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29205548 2010-07-23 01:52:48
বলেছিলাম একটা দিন অপেক্ষা করতে.... গতোকাল ব্রাজিল হারার পর এই পোস্ট দিয়েছিলাম। ] অনেকদিন পর গতোকাল ব্লগে ঢুকেছিলাম। জানতাম প্রচুর হাঙ্গামা হবে। হয়েছিলোও তাই। ব্রাজিলের হার বলে কথা। কিন্তু ব্রাজিল সমর্থক বলে যতোটা কষ্ট পাওয়ার কথা ততোটা পাইনি। কেন, সেটা লিংকে দেওয়া পোস্ট এ বলে দিয়েছি। প্রথম মন্তব্যটা রাজসোহানের। স্পেশাল মন্তব্য জেরীর। দুজনেই তখন উন্মাতাল ডিসকো করছিলো, ব্রাজিলের হারের উপলক্ষ্যে। আমি শুধু উত্তরে বলেছিলাম একটা দিন অপেক্ষা করতে। কারণ, আর্জেন্টিনার সামনে জার্মানি নামের প্রবল প্রতিপক্ষ।

আর সবার মতো আমিও আশা করেছিলাম এই বিশ্বকাপের সবচাইতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে এই ম্যাচে। কারণ, আর্জেন্টিনা যেভাবে খেলে এসছিলো এবং জার্মানি যেভাবে খেলে যাচ্ছিলো। কিন্তু এক হালি গোল খেয়ে আর্জেন্টিনা প্রমাণ করলো, বিশ্বকাপে বড়ো দলের সম্মুখে তাদের পড়তে হয়নি তখনো পর্যন্ত। যখন পড়লো, তখনই হেগে মুতে একাকার।
টূর্নামেন্টের এই লেভেলে চারটা গোল হজম করায় মনে হচ্ছিলো আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার ফাইনাল খেলছেনা। খেলছে বাছাই পর্বের ম্যাচ।
ব্লগারগন প্রচুর অ্যানালাইলিস পড়েছেন, কেন এরকম হজবরল অবস্থা হলো আর্জেন্টাইনদের। আমি বিশ্লেষনে যাচ্ছিনা। অন্য একটা বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

আর্জেন্টিনার পরাজয় সবসময় আনন্দের। কিন্তু কট্টর ব্রাজিল সমর্থক হয়েও আজ আমার চোখে পানি এসছিলো ম্যাচের শেষে। স্বভাবতই তৃপ্তির ঢেকুর তুলছিলাম ম্যাচ শেষে। কিন্তু যখন ম্যারাডোনার মুখটা স্কিনে ভেসে উঠলো, তখন বুকের ভেতরটা মোচর দিয়ে উঠলো। দিয়েগো খুব কষ্টে চোখের পানি ধরে রেখেছিলো। প্রত্যেক ম্যাচে ওকে দেখেছি বাচ্চাদের মতো ইমোশনাল হতে। দলের জয়ে প্রত্যেক খেলোয়াড়কে বুকে জড়াতে দেখেছি। ওকে কোনকালেই আমি তেমন একটা পছন্দ করতাম না। কিন্তু নিজের জীবনে ট্র্যাজেডির পর ট্র্যাজেডি আসার পর দিয়োগেও মনের অজান্তে পছন্দ করতে শুরু করি। বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর অবশ্যই।

আজ যখন দেখলাম খুব অসহায়ভাবে মাঠে বিচরন করছে ম্যারাডোনা, চোখ ছলছল করছে পানিতে, তখন নিজের অজান্তেই চোখ দিয়ে পানি পড়তে শুরু করলো। আমার উল্লাস থেমে গেলো, অন্তর দিয়ে অনুভব করলাম, ম্যারাডোনা স্বপ্নভাঙ্গার বেদনায় কাতর, আমার মতো। তাই আর্জেন্টিনার পরাজয়ে খুশি হতে পারিনি আমি, বরং কষ্ট পেয়েছি।

ছবি- কালের কন্ঠ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29191823 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29191823 2010-07-04 01:53:14
এটা কামব্যক পোস্ট নয়.............<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
আদতে কোনোটাই হয়নি। না সমর্থকদের মন জয় করা গেছে, না কাপ জয়। নেদারল্যান্ড নামের তুলনামূলক দূর্বল দলের কাছে গো হারা হেরে বিদায় নিয়েছে ওয়ার্ল্ড কাপ থেকে।

ব্রাজিলের হার কষ্ট দেয়। অশ্রু ধরে রাখতে পারিনা। সেটা যে লেভেলেই হোক। কিন্তু এ দলটা হারার পর সত্যি করে বলছি, তেমন একটা কষ্ট লাগছেনা। যেনো হারটা প্রাপ্যই ছিলো। আমরা ব্রাজিলের মতো দলকে ব্রাজিলের মতোই দেখতে চাই। দাঙ্গাবাজ কোনো দলের উপর ব্রাজিলের ট্যাগ দেখতে চাইনা।

যে কথা বলার জন্য এ পোস্ট। আর্জেন্টাইন সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলছি। এখনই লাফালাফি করার কোনো কারন দেখছিনা। আমার তো মনে হচ্ছে নিকট অতীতের পূনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছে আবারো। মনে আছে, গতোবার একদিনের ব্যবধানে দুদলকেই বাড়ি ফিরতে হয়েছিলো। আর সামনে প্রবল প্রতিপক্ষ জার্মানি। যদিও আর্জেন্টিনা এবার নিজেদেরকে শিরোপার শতভাগ দাবিদার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সমর্থ হয়েছে।

আর্জেন্টাইন ভক্তরা শুরু করেছে। তাই এ পোস্ট। বেস্ট অফ লাক ফর টুমোরো....<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29190674 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29190674 2010-07-02 22:38:05
ওহে আর্জেন্টাইন বকতোরা....অ্যাট লিস্ট ২য় রাউন্ডে খেলতে চাইলে মরাডুনারে সরাও!!!! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_34.gif" width="23" height="22" alt="B-))" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_34.gif" width="23" height="22" alt="B-))" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_31.gif" width="23" height="22" alt=":#)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_31.gif" width="23" height="22" alt=":#)" style="border:0;" /> উৎসর্গ- কোর আই সেভেন সহ সকল আর্জেন্টাইন সাপোর্টার<img src=" style="border:0;" />

কাইল রাতে আর্জেন্টাইন বকতোদের গাগরম পুস্টে গিয়া চোখ বুলাইতেছিলাম

তিনটা কমেন্ট দিছি। একটা আচিলো একজনের জবাব, দ্যাহেন।

শাওনের কমেন্ট-রক্তে আর্জেন্টিনার সাপোর্ট মিশে আছে। বিজয়ের মাঠৈ দেখা হবে।

আমার কমেন্ট- রক্তে আর্জেন্টিনার সাপোর্ট মিশে আছে। বিজয়ের মাঠে দেখা হবে। আমগো পাড়ার চুল কাটে যে নাপিতডা হের নাম বিজয়। কিন্তু হের কুনু মাঠ আছে বইলা তো হুনিনাই। খ্যাক্সো।

যাইহোক, বকতোরা কয় ব্রাজিল নাকি চুরি কইরা এবারের ফাইনাল পর্বে গেছে। বৎসগন সবাই তো জানে, আর্জেন্টিনা প্লে অফ খেইলা টাইনাটু্ইনা মেট্রিক পাশ করছিলো। এবং সবাই শিক্ষক মরাডুনাকে হটানোর লাইগা জোর দাবি তুলছিলো। ব্রাজিল ব্রাজিলের মতোই গ্যাচে।
কাইলকা পুস্ট পইড়া আইজ সকালে পেপার ঘাটতে ছিলাম। একটা খবরে চোখ আটকায়া গেলো

আর্জেন্টিনার ভয় খোদ মরাডুনাকেই!!

খোদ আর্জেন্টাইনরা ডরাইতেছে, ২য় রাউন্ডে যাইতে পারবো কিনা। আর ডরাইতেছে কোনো বিপক্ষ দলরে নয়, মরাডুনারেই!!!!!!<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />
আমি কই কি, অ্যাট লিস্ট ২য় রাউন্ডে যদি খেলতে মঞ্চায়,তাইলে মরাডুনারে হঠাও!!!<img src=" style="border:0;" />

***হেগো দেখাদেখি আর এক নাদান ব্রাজিল সাপোর্টারে পুস্ট দিছিলো। হের উদ্দেশ্যে একখান কমেন্ট দিছিলাম এই পুস্টে


ব্রাজিল বকতোদের কই কি, হুদা টেনশন লওনের কাম নাই।ডরাইলে ফ্রান্স এর ডরাও, পর্তূগালরে ডরাও। হেরা যা একটু ফাইট দিবার পারে আমগো লগে, কি কও??? আর্জেন্টাইনরা কুনুসময়ই ৩ডার বেশি লয়না আমাদের থন। ওরা আমগো লগে হারারা সময় একটা স্ট্যাটাস মাইনা চলে। আর এইবার নিজেরাই নিজেগো ডরাইতেছে!!!!<img src=" style="border:0;" />
ব্রাজিল বাতচিতে বিশ্বাসি না, কামে বিশ্বাসি। নাকে তেল দিয়া ঘুমাও গিয়া। বিজয় মিছিলে লাফালাফি করার লাইগ্যা এনার্জির দরকার হইবো। আর আর্জেন্টিনার বকতোদের লাইগ্যা একখান সৎ পরামর্শ- টুর্ণামেন্ট শুরুর আগে লাফালাফি কইরলে ১ম রাউন্ডের পর কান্নাকাটির লাইগ্যাও তো কিচু এনার্জির দরকার হইবো নাকি??<img src=" style="border:0;" />

**কেউ গোস্বা করলে খেলুম না@আর্জেন্টাইন বকতোরা***<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29158810 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29158810 2010-05-20 13:42:03
কি দরকার? থাকিনা নিজের বিশ্বাস নিয়ে......
আস্তিক্যবাদ,নাস্তিক্যবাদ এই দুয়ের দোলাচলে দুলছে ব্লগ। আপনি যেই মতবাদ লালন করুন, সেটা একান্তই আপনার ব্যাক্তিগত বিশ্বাস। সেখানে হস্তক্ষেপ করার অধিকার কারো নেই। আপনার অনুভূতিতে আঘাত করার মতো দুঃসাহস কারো দেখানো উচিত নয়।

আমরা এম্নিতেই নানান সমস্যায় জর্জরিত। কিন্তু ব্লগে আসলে মনে হয়, না; আমাদের দেশে সমস্যা নাই। আমরা অনেক ভালো আছি। তাই ব্লগ লেখার সুযোগ পাওয়া হাতে চাঁদ পাওয়ার মতোই। তাই দিলাম কীবোর্ডের ঝড় বইয়ে। চিন্তাও করলাম না, আমার টাইপ করা কয়েকটা শব্দ হয়তো কারো কষ্টের কারন হয়ে দাঁড়াছ্ছে। দিন দিন আমরা উত্তরাধুনিক হতে হতে একেবারে চূড়োয় উঠতে চলেছি। ব্রাভো!!

আমি আস্তিক। বলে দিচ্ছি সোজা কথায়। তাই মনে করতে পারেন, আমি ক্ষোভ থেকে এ কথাগুলো লিখছি। হ্যাঁ, ক্ষোভ থেকেই লিখছি। প্রিয় ব্লগার বৃত্তবন্দীর সুরা লেখার কাজটায় দারুন কষ্ট পেয়েছি। আমার জানা নেই, ধর্ম নিয়ে এ ধরনের নোংরামি পৃথিবীর আর কোথাও হয়েছে কিনা!!!

মতবাদ নিয়ে তর্ক হতে পারে, আলোচনা হতে পারে। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, সবকিছুরই একটা সীমা আছে। সব ধর্মেরই ধর্মগ্রন্থ আছে। এবং সেই ধর্মগ্রন্থগুলো একদিনে তৈরী হয়নি। মানবজাতির কল্যানার্থে প্রনীত এইসব ধর্মগ্রন্থকে উপহাস করার ধৃষ্টতা দেখানো কোনোমতেই উচিত নয়।

এতোদিন দেখেছি ধর্মের ফাঁকফোকড় নিয়ে লজ্যিকাল ওয়েতে আলোচনা হতো। সেই সাথে উগ্র নাস্তিকরাও যেভাবে পেরেছেন নিজের মতবাদকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে গেছেন। আস্তিকরাও কম যাননি। কিন্তু তাদের আলোচনাগুলো বেশিরভাগই ছিলো বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে, যার মূল্য এক কানাকড়িও নেই নাস্তিকদের কাছে। একমাত্র হ্যারি সেলডন ওরফে নরাধমের কমেন্ট এবং পোস্টই ছিলো তথ্য উপাত্ত ও রেফারেন্সে ভরপুর। এভাবেই চলেছে, কিন্তু সর্বশেষ যে কাজটা হলো, এটা মানতে কষ্ট হচ্ছে।

কি দরকার? থাকিনা নিজের বিশ্বাস নিয়ে। কেন হামলে পড়তে যাই আরেকজনের বিশ্বাসের উপর। সে তো তার বিশ্বাস নিয়ে ভালোই আছে। নাস্তিকরা যেমন ভালো আছে, নিজেদের মস্তিষ্ককে ব্যবহার করে। নিজের চিন্তাকে ব্যবহার করে জানতে শিখেছে, সৃষ্টিকর্তা বলে কেউ নেই। প্রকৃতিই সৃষ্টিকর্তা।
তেমন আস্তিকরাও ভালো আছে, তার বিশ্বাসকে সম্বল করে। যে সবকিছুর উর্ধ্বে একজন আছেন। হাজার বছর ধরে লালিত সেই রীতিপ্রথাগুলো নিয়ে সে তো ভালোই আছে তার মতো।

নাই বা আক্রমন করলাম, কেউ কারো চেতনাকে, মতবাদকে। খুব বেশি কি ক্ষতি হয়ে যাবে?

পরিশেষে মডারেশন নিয়ে বলতে চাই- দয়া করে নিজেদের কাজে স্বচ্ছতা আনার চেষ্টা করেন। আর কতোকাল এভাবে চলবে?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29156533 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29156533 2010-05-17 03:49:06
কাদা ছোঁড়ছোঁড়ির নোংরা খেলায় জড়িয়ে পড়েছি: তবে নেমেছি যখন প্রমান তো করতেই হবে। সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরনঃ একটু ধৈর্য্য নিয়ে আসতে হবে ভাইডি। <img src=" style="border:0;" />

যখন পোস্টটা লেখার কথা চিন্তা করলাম, তখন থেকেই খারাপ লাগতে শুরু করলো। আমি ট্র্যাকচূত হয়েছি। কাদা ছোঁড়াছোঁড়িতে জড়িয়ে পড়েছি। তবে সান্তনা এখানেই যে, যাকে নিয়ে এতোকিছু, সে আসলে মূখোশধারি। তার মুখোশ খোলা জরুরী। এই নিকটাকে নিয়ে হয়তো সবাই মিলে বাড়াবাড়িই করছি। আমারো মনে হচ্ছে বাড়াবাড়িই। কিন্তু নেমে যখন পড়েছি, তখন বিহিত তো করতেই হয়। কারো বিরক্তি উৎপাদন করে থাকলে, ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। সেই সাথে সিস্টেম ইন্জিনিয়ার এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, তার সহযোগীতার জন্য।

অনেক ব্লগার আমার এহেন কার্যকলাপে অসন্তুষ্ঠ। তারা আমাকে নিরপেক্ষ ব্লগার বলে জানতো। কিন্তু এ ঘটনার পর তারা আমাকে লীগার এর ট্যাগিং লাগিয়ে দিয়েছে। এমনকি আমার উদ্যোগটাকে মিশন লীগারস ব্লগার রিটার্নস উপাধিও দিয়ে দিয়েছেন। পড়ন্তু আমাকে হিটখোর ব্লগার বললতেও ছাড়েন নি। তবে এ নিয়ে আমি চিন্তিত নই। ব্লগিং এর শুরু আর মাঝামাঝিতে যখন হিট নিয়ে চিন্তা করতে হয়নি, তখন শেষ(!!) পর্যায়ে এসে হিটের জন্য চিন্তা করবো কোন দুঃখে। এখানে যোগ করি, আমার উদ্যোগে সমর্থন জানিয়ে, তিনি ছড়াও লিখেছিলেন। আমি সেটা আমার শোকেসে রেখেছিলাম। কিন্তু যখনি শিওর হলাম তিনি ছাগু, সেটা শোকেস থেকে সরিয়ে দিলাম।
এ পোস্টটা তাদের জন্য এবং তাদেরও জন্য যারা লালসালুর ছড়ায় বিভ্রান্ত হন, এবং তার স্মোকস্ক্রীনের আড়ালে আসল চেহারাটা দেখতে পান না। লালসালুকে যখন অবজার্ভ করতে শুরু করি, তখনই তার স্বরুপ আমার কাছে ধরা পরে। আপনারও পারবেন, যদি চেষ্টা করেন। তবে আপনাদের জন্য কাজটা আমি সহজ করে দেবো। এক ব্লগার এর পোস্টে লালসালু নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেছিলো, আমাকে যারা চিনে,তাদের জিজ্ঞেস করলেই বোঝা যাবে, আমি কি। উইটনেস হিসেবে যাদের নাম সে প্রস্তাব করেছিলো, তারা হলেন- ব্লগার বৃত্তবন্দী, রাতমজুর, শামসীর এবং অন্যরকম।



এই পোস্টের ২১ নং মন্তব্যটি দেখুন।
গ্রাউন্ড ফ্লোর এর সেই পোস্টে কতোগুলো স্ক্রীনশট আছে, সেগুলোও দেখতে পারেন। ট্রেডমার্ক ছাগু হলদে ডানাকে সাপোর্ট করে দেওয়া কমেন্টাও দেখুন।
গ্রাউন্ড ফ্লোর তুলে ধরেছেন, তার নিজামী প্রীতির ব্যাপারটা। এটাকে লালূ ডিফেন্ড করেছেন, টুপি আর দাড়ির অজুহাতে। এবার বোঝেন, খাস জামাতি চরিত্র দেখা যায় কিনা, যারা ধর্মকে লেবাস বানিয়ে দিব্যি ব্যবসা করে যাচ্ছেন।

প্রথম ৩ জনের বক্তব্য ইতিমধ্যেই পেয়ে গেছি। সিস্টেম ইন্জিনিয়ার এবং আমি দুজনেই বৃত্তবন্দীর বক্তব্য নেয়ার জন্য তার ব্লগে গিয়েছিলাম। দেখুন আমার প্রশ্নের জবাবে বৃত্তবন্দী কি বলেছিলো-

এরশাদ বাদশা বলেছেন: সিস্টেম ইন্জিনিয়ার এ কৈলো, লালসালু বলে আপনের কাছের লোক। তাই দুইজনে ডিসাইডাইলাম, আপনেরে জিগামু। তেনার কেপিটেস্ট এর ব্যাপারে। আগে ডাউট থাকলেও, ইদানিং তার পারফরমেন্স এ মনে হইতাচে তিনি ছাগু। আপনের কি মত????

বৃত্তবন্দী বলেছেন: লালছাগুর বাসা আমার বাসার কাছে(সেল্লিগা কাছের্লোক কৈতারেন)। হের্লগে আমার দেখা হৈছে তিন্দিন। একদিন রিনয়ের মা এর জন্য হেল্প পার্পাসে, একদিন ঈদের্দিন রামু আইছিলো হের বাসায়, আমারে ফুন্দিয়া ডাকছিলো। আর হৈতেছে রিনয় যেদিন এক আড্ডায় আইলো সেইদিন।

এইবার কেপিটেস্টের ব্যাপারে কৈ। হেয় লোকজনের নজরে আইছে রিনয়ের মা এর জন্য সাহায্য তোলার ব্যাপারে খাটাখাটনি কৈরা। বাট এর আগে তার কমেন্টের ওরিয়েন্টেশন আমরা কয়েকজন মিলে ট্র্যাক করছিলাম তাতে তারে ছাগু বান্ধব বৈলাই মনে হৈতো। রিনয়ের টাইমে তারে বেনিফিট অফ ডাউট দিসিলাম। বাট এখন তারে আমি কড়া ছাগু-বান্ধব হিসেবেই দেখি। কড়া এই সেন্সে যে তার ছাগু হৈয়া যাওনের প্রাববিলিটি প্রচুর।




বৃত্তবন্দীর জবানবন্দি

রাতমজুর ইদানিং ব্লগে সময় দ্যান না। তবু সিস্টেম এর অনুরোধে আমার পোস্টে এসে তার ব্ক্তব্য দিয়ে গেলেন। দেখুন তার বক্তব্য------

রাতমজুর বলেছেন:
রিনয়ের ঘটনাটার সময়ই পরিচয় এবং ঈদে লালসালুর বাসায় যাওয়া ও বৃত্তবন্দীকে ডাকা, কারন তার বাসা পাশে।

সাধারনত: নতুন ব্লগারদের বাস্তব জীবনে আমি সবসময়ই স্বাগতম জানিয়ে থাকি, যোগাযোগ রাখি।

কিছুদিন আগে জানা'দির মায়ের জন্যেও যে হারে দৌড়চ্ছিলো ছেলেটা, তাতে বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় এটা ছুপা।

আগে কিছু খিয়াল করি নাই, কারন ব্লগে ইরেগুলার আমি, তবে পরিচয়ের পর ট্র্যাক করছি বেশ, সন্দেহ নাই কেপি পজিটিভ।

গত ১৪ মার্চ রাতে পাতা ফাঁদে (ব্লগারদের মধ্যে কথা লাগিয়ে বেড়ানো কিছু ছুপা ছাগু ধরার ফাঁদ) একমাত্র ধরা খাওয়া মানুষটাও লালসালু।

যাইহোক, তাকে প্রথমে জানতাম কড়া বিএনপি এবং এ্যান্টি আওয়ামীলীগ, তবে আসল ওরিয়েন্টেশন ধরতে বেশি দেরি হয়নি, তাই এরকম ধরা খাওয়া ব্লগারের সাথে যা করি তাই চলছে, নো কনট্যাক্ট - টাইম নাই।

আমি নিজে কোন দল সাপোর্ট করি না, কারনটা নৈতিক - এখনকার রাজনীতিতে জনমানুষের জন্যে কেউ নেই, সব শালা বেঈমান আছে গরীবের রক্ত শুষতে। তবে জামাত-শিবিরের ব্যাপারে আমি চরমপন্থী - জামাতের এদেশের মাটিতে শ্বাস নেবার অধিকার নেই, আর জেনে শুনেও যুদ্ধাপরাধীদের নেতৃত্ব মেনে নেবার কারনে শিবিরেরও নেই এ দেশে শ্বাস নেবার অধিকার।

মত প্রকাশের আর মানবিক অধিকার পাবার যোগ্য কেবল মানুষই - ৭১ এর হায়েনা অথবা ওদের চ্যালা চামুন্ডারা নয়।



৮৭ নং মন্তব্য দেখুন।

সিস্টেম আর আমি এবার ধর্না দিলাম শামসীর ভাইয়ের ব্লগে। উনার স্টেটম্যান্ট পড়ার আগে ব্লগাররা একটা ব্যাপার খেয়াল করবেন। রাতমজুর আর বৃত্তবন্দীর নেগেটিভ কমেন্ট এর পর লালসালু উইটনেস মানলো শামসীর এবং অন্যরকমকে। বললো- তারা নাকি লালুকে ক্লাস থ্রি থেকে চেনে। কিন্তু মজার ব্যাপার, তাদের মধ্যে শামসীর ভাই বলেই দিলেন, লালুর রাজনৈতিক মতাদর্শ সম্পর্কে তিনি ওয়াকিবহাল নন। অথচ লালু নিশ্চিত ছিলো, শামসীর এবং অন্যরকম ঠিকই তার পক্ষে বলবেন। যাইহোক, দেখুন শামসীর ভাইয়ের বক্তব্য-

লেখক বলেছেন: এরশাদ বাদশার পোস্টটি আমি দেখেছি, কিন্তু ইচ্ছা করে আমি কিছু বলি নাই । কারন এই সামুতেই আমি চিনি এমন অনেকেই আছেন যারা একাধিক নিক থেকে পোস্ট করেন & তাদের একটা নিক হচ্ছে চরম আওয়ামীলীগার আবার অন্যটা চরম ছাগু .................একটা পর্যায়ে গিয়ে তাই এই ব্যাপরগুলো আমার কাছে মনে হইছে বিনোদন ছাড়া আর কিছু না । । ক্যাচাল লাগাইয়া অনেকে মজা পায় , এখানে মানে ব্লগেও তাই করে মজা নেয়ার চেস্টা করছে- এই যা। তারপর থেকে আমার উপলোব্ধী হচ্ছে ব্লগ আর ব্যক্তি মানুষ দুজনই এক না কখনো বিশেষ করে যারা মাল্টি নিক ইউজার।

আমি সবাইকে এই কাতারে ফেলছিনা-তবে অনেকেই ব্লগটাকে স্রেফ মজা & ক্যাচালের জায়গা হিসাবে দেখে তাদের কথা বলছি।

ব্যাপারটাই বেশ মজা পাচ্ছি আমি। লালসালু ২-০ ভোটে পিছিয়ে আছে। আমার আর অন্যরকম এর ভোট বাকি। আমাদের ভোট যদি লালুর পক্ষে যায় তো যারা তাকে ছাগু ভাবে তাদের ডিসিশানে কি কোন চেন্জ আসবে ??? আমি মনে করি আসবেনা। ব্লগে আমরা সবাই নিজের ধ্যান ধারনার পূজারী, অন্যেরটা মেনে নিতে এখানে কেউ আসেনা । আজকেও কয়েকজন ব্লগার সহ আড্ডা দিচ্ছিলাম, সে আলোচনায় ও উঠে আসল এই কথাটাই, যে দিন শেষে আমরা নিজের ধ্যান ধারনাকে আরও পাকাপোক্ত করার দিকেই ফিরে যায় অন্যেরটার নিকুচি করে।

লালুকে আমি ছোট বেলা থেকেই চিনি, একই স্কুলে একই কলেজে পড়েছি , বাট তার রাজনৈতিক কোন আলোচনা কখনো আমার সাথে হয় নাই, তাকে কখনো রাজনৈতিক কোন ব্যানারে দেখেছি বলেও মনে পড়েনা । ব্যক্তি লালুর মাথায় কি আছে সেটা কখনো জানতে চাইনি কারন সে আমার জুনিয়র আর কোন রাজনৈতিক আলোচনাও সে আমার সাথে করেনি । ছাগুদের পক্ষ নিয়ে সে আমার সাথে কখনো কোন কথা বলেনি বা কোথাও (বাস্তব জগতে) বলেছে কিনা আমার জানা নেই ।

ইমন আপুর সাথে তার ক্যাচাল ও দেখছি। হিট পাগল হয়ে সে সেটা করেছে বলে আমার ধারনা । ঐ পোস্টে একটার পর একটা লাক্স কন্যাদের ছবি দিয়ে সবাই যখন তাকে মাথায় তুলে নাচছিল তখন জ্ঞান হারানোয় তার সে কান্ড , যাক বোধ ফিরে এসেছিল পরে এই জা।


আর সে পুচকে ........ যে আজকের লালু এইটা সে না বললে হয়ত আমি বুঝতাম ইনা।

যায় হউক আমিও মনে হয় বেশী কথা বলে ফেলছি হয়ত এক কথায় হ্যাঁ না বলতে পারলে সবার সুবিধা হত, কিন্তু ওর সাথে আমার যে ইন্টার এ্যাকশান তাতে কোন ডিসিশান দেয়ার অবস্হায় আমি নাই। কারন গত ১০ বছরে তার সাথে আমার ১০ বারও দেখা হয় নাই & কোন ছাগু বিষয়ক আলোচনাত নয়ই , আর শিবিরকেত কলেজ লাইফ থেকে আমি ভাল করেই চিনি সো ঐ সাহস ও পরিচিত কেউ করবে বলে মনে হয়না !!!!

এরশাদ বাদশার প্রতি বলব ব্লগ ছেড়ে দেয়া ঠিক কোন বিষয়টার সমাধান দিবে বলবেন। ছাগুদের সাথে থাকবেননা এই কারনে !!! বাংলাদেশেত এখনও প্রচুর ছাগু রয়েছে, তাই বলে কি আমরা বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যাব ?? বরং তাই করা উচিত নিজের জায়গা থেকে, যাতে তাদের স্বরূপ উম্মোচন হয় সেটা যেখানেই হউক ।

এখানে যান, সিস্টেম ইন্জিনিয়ার এর ৪৯ নং কমেন্টটাও দেখুন।

অন্যরকম এর ব্লগে গিয়ে তাকে পাওয়া গেলোনা। যদি ধরে নিই তিনি লালু তার দৃষ্টিতে নির্দোষ(স্রেফ ধরে নেওয়া) তাহলেও ২-১ এ সে হেরে যাচ্ছে<img src=" style="border:0;" />

এতো গেলো স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্য। এবার দেখুন লালু সাবের নিজের জবানবন্দি। লোমান ভাইয়ের পোস্টে তার মন্তব্য।





৪১ নং মন্তব্য দেখুন।

এ মন্তব্যটি ভালো করে খেয়াল করলেই বোঝা যাবে, লালসালু আসলে কতো বড়ো ছাগু। শিবিরের কাজের পদ্ধতি নিয়েও তার জানাশোনা আছে।
সিস্টেম ইন্জিনিয়ার এ টপিকে আমার চে বেশি খাটাখাটনি করছেন। তার একটি পোস্টে লালসালুর ল্যান্জা কি করে বের হয়ে গেলো, তা দেখে আসুন কষ্ট করে। ওখানে কমেন্টের স্ক্রীনশটও নেয়া আছে। ১০২ নং কমেন্টে সিস্টেম সবগুলা মন্তব্যকে সামোরাইজ করেছে। ব্লগারগনের প্রতি অনুরোধ, দয়া করে ওই ১০২ নং মন্তব্যটা ভালো করে পড়ুন।

সিস্টেম এর পোস্টে লালুর পোস্টমর্টেম।

সম্প্রতি রাজীব খান০০৭ শিবিরকে বাঁশ দিয়ে একটি পোস্ট দ্যান। জনাব লালছাগু ব্যাপক মনোকষ্ট পাইয়া এই কমেন্ট করেন।



রাজীব খানের পোস্ট।

লালসালুর চরিত্রে ব্যাপকভাবে মওদুদ আহমেদের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। যখন তার শিবির প্রীতি ধরা পড়ে গেলো, তখন ডিগবাজি খেয়ে নিজেকে বিম্পি বলে চালাতে লাগলো। ট্রয়লার্স অফ দ্যা সীর এই পোস্টে তার কমেন্ট দেখুন। এখানে বিম্পিকে শ্যাডো বানিয়ে নিজের শিবির পেয়ার লুকানোর কিরকম হাস্যকর প্রচেষ্টা চালিয়েছে সে, দেখুন।



ক্লিক দিজ লিংক।

এই পোস্ট যারা পড়েবেন, তাদের প্রতি অনুরোধ, কষ্ট করে লিংকগুলোতে যাবেন। নাহলে শুধু স্ক্রীনশট দেখেই বোঝা যাবেনা আসল ঘটনা। গ্রাউন্ড ফ্লোরের পুস্টে তার আসল চেহারা বেরিয়ে পড়েছে।

গ্রাউন্ট ফ্লোরের সেই পোস্টে তার আসল চেহারা বেরিয়ে পড়েছে।

শিবির সিনড্রোম বিষয়ক কবিতাও ব্লগে পোস্ট করেছে সে। দেখুন-



আশরাফ মাহমুদের কবিতা।

ভাববেন না লালসালু আমাকে ব্লক করেছিলো বলে আমি তার পিছনে লেগেছি। এই পোস্ট পড়ে যদি একজনও তাকে চিনে নিতে পারেন, তাহলেই কষ্ট স্বার্থক।

ব্লক করা নিয়েও ওর ভন্ডামীর প্রমান আছে আমার কাছে। লোমান ভাই আমার পোস্টে এসে বললেন, শুধু ব্লক করেছে বলে আমার পোস্ট দেয়াটা নাকি ঠিক হয়নি। সেই লোমান ভাইয়েরই পোস্টে লালছাগু কি বলেছে দেখুন। -



লোমান ভাইয়ের পোস্ট

সামুতে নিজের ব্লগ হিট করাবার জন্য সে তার পুস্ট গুলোর লিংক দিয়ে বেড়াতো। তারপর রাগইমনের সাথে তার ক্যচালের কথা তো সবার জানা। ওই ক্যচালটা যে আসলে নিজেকে পরিচিত করানোর জন্যই, সেটার প্রমান হচ্ছে পরে রাগ ইমনের কাছে ক্ষমা চাওয়া। তখন ঘোষনা দিয়ে ব্লগ ছেড়ে চলে গিয়ে পরদিনেই আবার ফেরত আসে সে। রাগইমনের কাছে ক্ষমা চায়। ক্ষমা চাওয়া মহত্বের লক্ষন, তবে তার ক্ষমা চাওয়াটা ছিলো শুধুমাত্র আইওয়াশ। আজ দেখলাম জনৈক ব্লগারের পোস্টের সূত্র ধরে একটি পোস্ট দিয়েছে সে। সেখানে তার বিকৃত রুচির উদাহরন দেখুন।



এখানে কি নারীদের ভোগপন্য বানানোর বিরোধিতা করা হয়েছে নাকি বিজ্ঞাপনটা থেকে শুধুমাত্র মজা লূটার চেষ্টা করা হয়েছে?

সবশেষ একটা স্ক্রীনশটে দেখুন সে কি বলেছে-


ঘোড়েল বা ছুপা যাই বলিনা কেন, লালু তাই। হুটহাট বলে ফেলা তার স্বভাবও। ভন্ডামীও প্রচুর পরিমানে বিদ্যমান। ব্লগ থেকে ঘোষনা দিয়ে চলে যাওয়ার একদিন পর আবার ফেরত আসলো। রাগ ইমনের সাথে খোঁচাখুঁচি করে নিজেকে ব্লগে পরিচিত করিয়ে আবার পরে তার কাছে ক্ষমা চাইলো। এ সবই একজন আদর্শ ভন্ডের লক্ষন।



ওর ভন্ডামীর আরো একটা দিক খুঁজে পেলাম। সে মুখে যা বলে অন্তরে তা লালন করেনা মোটেও। প্লাস মাইনাস নিয়েই তার স্ববিরোধী কথাবার্তা দেখুন।



লালুর জবাব দেখেছেন? এবার এটা দেখুন-



এটাও দেখুন



কি মনে হলো? চিন্তা করে দেখুন কিরকম হিপোক্রেসী!!!!!

ব্যাপার না। ও ব্লগ ছেড়ে চলে যাক, আমি সেটা চাইনা। কিন্তু ভন্ডামী পরিহার করুক, সেটাই চাই। তার সাথে ঝামেলায় জড়ানোর পর সে আমার বিরুদ্ধে স্পেসিফিক কোনো কিছু দাঁড় করাতে না পেরে অহেতুক বেইজলেস কতোগুলো পোস্ট দিচ্ছে। এবং সেখানে অনেক নিউট্রাল ব্লগারকে দেখলাম তাল মেলাচ্ছেন। যুদ্ধ হলে লজিক্যাল ওয়েতে হোক। আমি গালিবাজি করিনি, কিংবা বেইজলেস কোনোকিছুকে সমর্থনও করিনি। ইনফ্যাক্ট এই কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি মোটেও ভালো লাগছেনা।

এতোকিছুর পরও যারা পোস্টটা তাদের জন্য কোনো কাজে আসবেনা, যারা শিবির এর প্রতি অনুরক্ত তাদের জন্য। তাদের জন্য তো রেটিং এর ব্যবস্থা আছেই। কিন্তু যারা কোনো দল করেন না, সব দলকেই গদাম দেন এবং ব্লগে যুদ্ধপরাধীদের বিরোধিতা করেন, তাদের জন্য হয়তো কাজে আসবে। ঘাপটি মেরে থাকা ছাগু সনাক্ত করুন। পড়ুন, নিজেই সিদ্ধান্ত নিন। তারপর এই টপিকটি চিরদিনের মতো বর্জন করুন। জানি, তার অন্ধ অনুসারীদের রোষানলে পড়ে মাইনাস খেতে হবে আমাকে। তার নিজের এক দেড় ডজন থেকে যেগুলো আসবে, সেগুলো আগাম গোনায় আছে। তবে ব্যাপার না। এমনিতেই সামুতে পোস্ট দেইনা। আর সম্ভবত এটাই আমার শেষ পোস্ট। যদি মন চায় তাহলে হয়তো চলে যাওয়াদের নিয়ে আর একটি পোস্ট দিতে পারি, যেটা আমার ড্রাফটে আছে। তবে এটাই শেষ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ভালো থাকবেন সবাই।





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29135744 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29135744 2010-04-16 01:20:08
কি তাজ্জব!!!!! লালু সাব আমারে ব্লকাইলো!!!!!! ভাবিনাই ইমুন পোস্টও পোস্টামু সামুতে। ভাইসাবেরা আজাইরা পোস্টের লাইগ্যা কড়জোরে ক্ষমা চাইতেছি। )" style="border:0;" />

যাহোক আমার কমেন্ট ছিলো...

এরশাদ বাদশা বলেছেন: শিবিরের পোস্টে মাইনাস পড়লে আপনের বেজার লাগে?

এমপি জুনায়েদ এর কথা জানা নেই।

১ম মাইনসটা আমার। কাউন্ট করতে শুরু করেন।

লেখক বলেছেন: এমপি জুনায়েদ শিবির নেতা এসএম রাজুর বই এর মোড়ক উন্মোচন করেছেন। এই কথা অবশ্য বাকশালীরা ভুলে যায়। যা ইচ্ছা করে মনে রাখে না।

জবাবে দ্বিতীয় কমেন্টাও শেয়ার করি, যেটা পাব্লিশ হয়নি। সেটা ছিলো-

লালু সাব, খবর যখন পড়েন, তখন নিশ্চয়ই গতোকালের নিউজ অফ দ্যা মিলেনিয়াম ''বঙ্গবন্ধুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ নিজামী'' এই খবরটাও পড়েছেন?
আপনাদের পিতামহ নিজামী বলেছে- জাতির স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের একমাত্র লক্ষ্য ছিলো বহুদলীয় গনতন্ত্র<img src=" style="border:0;" />
গুরু যখন মন থেকে বঙ্গবন্ধুর নিয়ত সম্পর্কে মন থেকে নেগেটিভ ধারনা মুছে ফেলেছে, আপনারা শিষ্যরা আর বকশাল বকশাল করে চিল্লায়া কি লাভ??

দুঃখজনক হলেও সত্যি, কমেন্টা পাব্লিশ হয়নাই। আমারে ব্লকাইছে লালছাগু। <img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />

ক্লিক দিজ লিংক
ভাইগ্না--পাহাড়ের কান্না, তুমার মনে এহনো সন্দ আচে??? লালচাগু কড়া ছাগু....লেইখ্যা দিলাম। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29124635 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29124635 2010-03-28 01:20:31
স্বাধীনতা দিবসে সবেধন নীলমনি রাগিব ভাইয়ের লেখা....স্টিকি করা হউক
রাগিব ভাইয়ের ভিডিও সম্বলিত ২৬ মার্চ / ১৯৭১/ জগন্নাথ হল / গনহত্যা শিরোনামে একটা লেখা গেছে প্রথম পাতায়। সেটাকে স্টিকি করার দাবি জানাচ্ছি।

**পুস্টটা মুছলাম না। কতোগুলো ছাগুর সক্রিয় অংশগ্রহন থাকায় সেগুলোকে মার্ক করার উদ্দেশ্যে।** ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29123573 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29123573 2010-03-26 02:51:47
ছাত্র নামের অছাত্র লীগের কুকর্মের স্রোত - প্রধানমন্ত্রী কি কানা??? ছাত্র নামের অছাত্র লীগের এই সব কুকর্মের দায়ভার কে নেবে? বাংলাদেশের মানুষ বিপূল উৎসাহে আওয়ামীলীগের ভোট বাক্স ভরিয়ে দিয়েছিলো, বিএনপি এবং জামাতিদের লাগামহীন চুরি-চামারি এবং দূর্নীতির বিরুদ্ধে। সেই সাথে রাজাকারের বাচ্চাদের খোঁয়াড়ে ভরে জবাই করার প্রতিশ্রুতি তো ছিলোই।
দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি রোধে চরমভাবে ব্যর্থ হাসিনার সরকারের হাতে এ মূহুর্তে জনগনের জন্য মঙ্গলজনক কিছু আছে কিনা জানিনা, কিন্তু যতো ধরনের অমঙ্গলজনক কাজ করা সম্ভব তার সবই করছে দোসর সংগঠন ছাত্রলীগ। দেখে-শুনে মনে হচ্ছে, ছাত্রলীগ অলিখিত লাইসেন্স পেয়ে গেছে নারী ধর্ষনের, টেন্ডারবাজির, খুনের।
ব্লগে ছাগু সম্প্রদায়ের হাতে লেখার টপিক যেন এইসব ঘটনাগুলো। আমি এসব পড়িনা। রেগুলার পত্রিকা পড়ি। তাই খুবই কষ্ট লাগছে, এভাবে চলতে থাকলে আমরা কার উপর ভরসা করবো? নাই মামার দেশে কানা মামা তো আওয়ামী লীগই। কিন্তু কানা মামা নামটার স্বার্থকতা প্রধানমন্ত্রী এভাবে করবেন, তা কে জানতো?
তার কি উচিত না, ছাত্রলীগ এবং অন্য অঙ্গসংগঠনগুলোকে জরুরী বৈঠকে তলব করা? প্রতিটি ঘটনার চুলচেরা বিশ্লেষন করে এর ব্যবস্থা নেয়া? ছাত্রলীগকে সতর্ক করে দেয়া, যে এভাবে চলতে থাকলে আমাদের ভোট বাক্সে ভোট তো দূরে থাক, কাগজের টুকরোও থাকবেনা?
তা করবেন না তিনি, তার মুখপাত্র ৫৪৩ (বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া টেপ) সাহারা খাতুন এসব দেখেও উচ্চকিত কন্ঠে নির্লজ্জের মতো বলে বেড়াবেন, অতীতের যেকোন সময়ের চাইতে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি বর্তমানে ভালো আছে।
হ্যাঁ, জনাবা ৫৪৩, আপনি নিশ্চিন্ত মনে তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে থাকুন। আগামী নির্বাচনে যখন গদাম খাবেন, তখন আমরা যারা আপনাদের ভরসায় এখনো তাকিয়ে আছি, তারা জামাত-বিএনপি জোটের কাছে আরেকবার হারার প্রস্তুতি নিয়ে রাখি।

***ক্ষোভ থেকে লিখলাম। এখানে ছাগু সম্প্রদায়ের লাদানোর কোনো দরকার নেই।*** ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29122803 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29122803 2010-03-25 01:23:45
জানাপুর ব্যাখ্যা ও আমার জবাব...যারা এ প্রক্রিয়ার সাথে ছিলেন তাদের অংশগ্রনহ কাম্য। ২০০ জনের কাছাকাছি ব্লগার স্বাক্ষর করেছেন। প্রতিদিনই একটা না একটা পোস্ট এসছে। ফিডব্যাকে ৫৫ টার মতো মেইল গেছে। এতো ব্যাপক পরিসরে আর কখনো আন্দোলন হয়েছে কিনা জানা নেই। ব্লগাররা সুযোগ পেয়ে নিজেদের সমর্থন দিয়েছেন এবং দাবির প্রতি একাত্মতা জানিয়েছেন। কর্তৃপক্ষের ঠান্ডা মাথায় ভাবা উচিত, ব্লগাররা কি চায়। এ উদ্যোগের পর পরিষ্কার হয়ে গেছে ব্লগাররা কি চায়। জানাপুর আম্মুর অসুস্থতার কারনে তিনি আমার পোস্টে দায়সারা গোছের একটি মন্তব্য করেন। তার সেই মন্তব্যের জবাবে আমি কতোগুলো কথা বললাম। দেখুন এবং আপনাদের মতামত জানান। আমাদের যাত্রা এখানেই শেষ নয়। আমরা চাই, কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবেন। জানাপুর ব্যস্ততা শেষ হলেই আমরা আবার তার কাছে হাজির হবো।



ফিডব্যাকে মেইল দিয়েছেন ৫৫ জন ব্লগার

স্বাক্ষর করেছেন অসংখ্য ব্লগার

কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি জ্ঞাপন


জানা বলেছেন:

প্রিয় এরশাদ বাদশা,

উপরোক্ত ৪টি দাবি নিয়ে আপনার প্রকল্পটি আমরা দেখেছি এবং এ, নিয়ে আপনার আন্তরিক প্রচেষ্টায় আরও কিছু ব্লগার বন্ধুর পর্যায়ক্রমে রিপোস্ট চলছে এবং ফিডব্যাকে আমরা কিছু মেইলও ইতিমধ্যে পেয়েছি।

সামহোয়্যার ইন ব্লগের প্রতি আপনাদের ভালবাসা ও এর উত্তরোত্তর মঙ্গল ভাবনা যে অকৃত্রিম সে বিষয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। বিশেষ করে এই প্ল্যাটফরমটির শুরু থেকে যাঁরা এর সাথে আছেন তাঁরা প্রচন্ড মমতা আর আবেগ নিয়েই এই সাইটটির ভাল-মন্দ চিন্তা করে থাকেন সাথে অন্যান্য সব কম-বেশী নতুন ও পুরাতন ব্লগার বন্ধুরাও। সামহোয়ার ইন ব্লগ যতটা আপনাদের জন্য, তার চেয়ে অনেকখানি বেশী আপনারা (ব্লগার বন্ধুরা) এই ব্লগটির জন্য জরুরী, গৌরবের সাথে সে কথা স্বীকার করি।

ইতিমধ্যে আপনারা অনেকেই জানেন, বেশ কিছুদিন ধরে আমরা আমাদের মায়ের অসুস্থ্যতা নিয়ে ব্যস্ততায় একটি কঠিন সময় পার করছি এবং নিশ্চয়ই তা সবাই অনুধাবন করতে পারবেন। তাই উপরোক্ত বিষয়টি নিয়ে আমি ক'টা দরকারী কথা বলেই ফিরবো এবং কারোর কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারার জন্য আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।


আপনাদের দাবি:

১. যারা এই ব্লগের প্রান ছিলো, সেই সব ব্লগারদের আনব্যান

দেখুন, আবারও বলছি, এই ব্লগের শুরু থেকে আজ অবধি যারা এখানে নিজেদের যুক্ত করেছেন/করে যাচ্ছেন, তাঁরা সকলেই এই ব্লগের প্রাণ। ব্লগিং এর মান নিয়ে কিন্তু আমি কথা বলছি না, বরং সবার সম্পৃক্ততার যে অবদান, তা কিন্তু কোন ভাবেই একটি থেকে আরেকটি ভিন্ন মর্যাদার নয়। এ, প্রসংগে স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া যে ক'টি নিক আপনি উল্লেখ করেছেন, আশা করি সেগুলোর কারণও আপনাদের জানা আছে বা যাঁদের (নতুনদের) জানা নেই তাঁরা কোন না কোন ভাবেই তা জানতে পারেন। কিন্তু এই একই বিষয় কিছুদিন পরপর এভাবে বারবার টেনে এনে এই ব্লগ সাইটটির আসলেই কি কোন মঙ্গল হয়? ভেবে দেখুন অনুগ্রহ করে।


২. যারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে, আমাদের ইতিহাস নিয়ে তামাশা করে, সেইসব ব্লগারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা।

এটিও একটি পুরনো সমস্যা হলেও অত্যন্ত জরুরী যা আমাদের সবার জন্যই যন্ত্রনাদায়ক। অতীতে (নানান ভুল বোঝাবুঝি সত্বেও) আমাদের প্রচেষ্টা এবং সর্বোপোরি ব্লগার বন্ধুদের সক্রিয়তায় আমরা মুক্তিযুদ্ধ ও স্বদেশ বিরোধীদের বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি আজও তা অব্যাহত আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তবে, এককভাবে আমার চেয়ে আপনাদের বিচরণ এখানে অনেক বেশী, তাই এদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে আমাদের সচেতনতার পাশপাশি আপনাদের সহযোগিতা জরুরী। ফিডব্যাকে কিংবা আমাকেই সরাসরি ইমেইলে জানানো যেতে পারে। এ,ভাবে ব্লগার এবং ব্লগটিম এর পরষ্পর সহযোগিতা ও প্রচেষ্টায় ব্লগের পরিবেশ রক্ষায় স্বদেশ বিরোধীতা, অন্যায়ভাবে ট্যাগিং, ব্যাক্তি আক্রমণ ইত্যাদি থেকে শুরু করে এই ব্লগের নানান দিকে নজর দিতে পারি একসাথে। এগিয়ে আসুন।


৩. মডারেশন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা।

অত্যন্ত বিনয় এবং দৃঢ়তার সাথে বলছি, আমরা নির্ভুল নই তবে, আমাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকে সবসময় এ, ব্যপারে। নীতিমালার আওতাতেই কোন পোস্ট মডারেশন হয় এবং এ,ক্ষেত্রে ব্লগার কে নির্দিষ্ট কারণ ও নীতিমালা জানিয়ে চিঠি দেয়া হয় এবং এই মডারেশনের আওতাভুক্তির বিষয়টি ব্লগারের সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয় হওয়া উচিত নয় কি? দুঃখজনক হলেও সত্যি, এ, বিষয়ে কখনও কখনও একে অপরকে ভুল তথ্য বা আন্দাজ নির্ভর তথ্য দিয়ে বিভিষিকা তৈরি করে এক ধরণের আনন্দ পান, সেটাও অনেকেরই জানা।


৪. প্রথম পাতায় একটি সোর্স রাখা যেখানে দেখা যাবে, ব্যানকৃতদের নাম। কি কারনে ব্যান হলেন এইসব ডিটেইলস।

এই প্রস্তাবটি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্লগার আমাদের কাছে রেখেছেন। গত ১৯শে ডিসেম্বর ২০০৯ বাংলা ব্লগ দিবস ঘোষণা অনুষ্ঠানে এক ব্লগার বন্ধু আমার কাছে একই প্রস্তাবটি রাখায় আমি এ,বিষয়ে আমার/আমাদের ভাবনাটি সবাইকে ব্যাখ্যা করার সুযোগ পেয়েছিলাম এবং অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা থাকায় আশা করি অনেকেই তা জেনেছেন এবং আমার মনে হয় উপরের ৩ নং পয়েন্টেও তা বলা হয়ে গেছে। আমি আবারও বলছি, কোন নিক অস্থায়ী/স্থায়ীভাবে স্থগিত করা হলে তা ব্লগারের ব্যক্তিগত ব্যাপার হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত যা কোনভাবেই আনন্দদায়ক নয়। তাই এমন অস্বস্তিকর একটি বিষয় প্রথম পাতার কোথাও সর্বজনসমক্ষে ঝুলিয়ে রাখাটা কি অমানবিক নয়? অনুগ্রহ করে ভেবে দেখবেন আশা করি।


এই সাইটটি আপনার/আপনাদের। এর যাবতীয় ভাল-মন্দ আপনাদের ঘিরেই। মডারেশন প্যানেলে যাঁরা আছেন তাঁদের তো কোন ব্লগার সাথে ব্যক্তিগত রেষারেসির কোন সুযোগ নেই, তাহলে কেন শুধু শুধু এইসব দুরত্ব, মনোমালিন্য আর ভুলবোঝাবুঝির বোঝা বাড়ানো! যাবতীয় ভালয় এবং মন্দে সাথে থাকুন।

ভাল থাকবেন সবাই।


লেখক বলেছেন: কঠিন সময়ের রুক্ষতা ছেড়ে যাক আপনাকে। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

এবার আলোচনায় আসি।

১ নং দাবির জবাবে আপনি বলেছেন- সব নিকই সমান মর্যাদা বহন করে আপনাদের কাছে। কিন্তু বিভিন্ন সময় আমরা দেখেছি, কিছু নিক স্পেশাল মর্যাদা পায় আপনাদের কাছে। এটা সবাই জানে।
আর বন্ধ হয়ে যাওয়া কিছু নিকের সম্পর্কে বিভিন্নবার বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্লগার আপনাদের কাছে ধর্ণা দিয়েছেন। এতে করেই বোঝা যায়, ওই নিকগুলোর ব্লগিং ব্লগারদের কাছে কতোটা গুরুত্বপূর্ন এবং কতোটা আখাংকিত। এই উদ্যোগ নেবার পর সেটা পরিষ্কার প্রতীয়মান হয়েছে। স্রোতের মতো জনসমর্থন এটাই প্রমান করে ব্লগাররা আবার ওনাদের ব্লগে দেখতে চায়। এবার আপনারাই ঠিক করুন, ব্লগারদের চাওয়াটাকে গুরুত্ব দিবেন কি দিবেন না।
ফিডব্যাকে ৫০টার মতো মেইল গেছে। ২০০ র কাছাকাছি ব্লগার নিজেদের সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। এর পরও যদি আপনারা ওদের জন্য কিছু না করেন, তাহলে বারবার এই ইস্যূতে পাব্লিক আপনাদের খোঁচাবে এবং সেটা ন্যায্য খোঁচানো হবে বলেই আমার মনে হয়।
সবাই আশা করেছিলো ইতিবাচক কোনো পদক্ষেপ নেবেন আপনারা। কিন্তু পরিস্থিতি যেরকম ছিলো, সেরকমই রয়ে গেছে। আপনি দায়সারা গোছের একটা মন্তব্য করে দায়িত্ব শেষ করবেন, এতোটা নৈরাশ্যবাদি আমি নয়। আপনার আম্মার অসুস্থতার কারনে বিজি আছেন। তাই আপাতত এ নিয়ে আলোচনার অবকাশ নেই।

২ নং দাবির জবাবে আপনি বলেছেন, এ নিয়ে ফিডব্যাকে মেইল দেওয়া কিংবা সরাসরি আপনাকে জানানোর জন্য। ঠিক আছে, ব্লগার হিসেবে আমাদের দায়িত্ব সেটা করা। কিন্তু মডারেটর হিসেবে আপনাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, এদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিবেন কি নিবেন না। প্রথম পাতায় হামেশা এদের পোস্ট দেখা যায়। ফ্লাডিং করে। নিতান্ত অন্ধ না হলে তো দেখার কথা। ব্লগাররা নিজেদের জায়গা থেকে এদের বিরুদ্ধে সবসময় সক্রিয়, এ কথা অনস্বীকার্য।

৩ ও ৪ নং দাবির জবাবে আপনি বলেছেন, ব্লগারদের ব্যান বা অন্য বিষয়গুলোর জবাবদিহীতা একান্তই তাদের ব্যক্তিগত পর্যায়ে থাকা প্রয়োজন। কিন্তু আমরা মনে করি, ব্লগিংয়ে যখন আমরা সবাই এক সূতোয় গাঁথা হয়ে যাই, তখন একে অন্যের স্ট্যাটাস জানতে বা জানাতে কোনো বাধা নেই। ওয়াচ কিংবা জেনারেল হওয়ার পর অলমোস্ট ব্লগার তো প্রথম পাতায় কান্নাকাটি শুরু করে দেন। আমি ওয়াচ, আমি ব্যান, আমি জেনারেল। নিজেরাই যদি জানানোর ব্যবস্থা করে দেন, তাহলে এসব যন্ত্রনার হাত থেকেই বেঁচে গেলেন। তাছড়া ব্লগার যখন তুমুল জনপ্রিয় হয়ে যান, তখন তার ব্লগিং একান্তই তার থাকেনা। হয়ে যায় আম ব্লগারের। সুতরাং আমাদের দাবি এড়িয়ে না গিয়ে বিবেচনার অনুরোধ রইলো।

পরিশেষে আবারো আপনার মঙ্গল কামনা করছি। শীঘ্রই আলোচনায় আসবেন এ কামনা করছি।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29119856 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29119856 2010-03-20 00:05:23
একটি উদ্যোগ....অনেক সমর্থন....অতঃপর একটি জবাব... জানাপুর আম্মা অসুস্থ। তিনি কয়েকদিন আগে রক্ত চেয়ে ব্লগে পোস্ট দিয়েছিলেন। আমি কমেন্টও করেছিলাম। তার আম্মার সুস্থতা কামনা করছি। এই ব্যস্ততার মাঝেও তিনি আমাদের এইসব দাবির প্রতি সম্মান রেখে ছোট্ট একটি জবাব দিয়েছেন। এ মুহুর্তে আমিও একটু ব্যস্ত। তাই তার আমার পোস্টে তার করা মন্তব্যটি শেয়ার করলাম। আপনাদের আলোচনা প্রত্যাশী।

প্রিয় এরশাদ বাদশা,

উপরোক্ত ৪টি দাবি নিয়ে আপনার প্রকল্পটি আমরা দেখেছি এবং এ, নিয়ে আপনার আন্তরিক প্রচেষ্টায় আরও কিছু ব্লগার বন্ধুর পর্যায়ক্রমে রিপোস্ট চলছে এবং ফিডব্যাকে আমরা কিছু মেইলও ইতিমধ্যে পেয়েছি।

সামহোয়্যার ইন ব্লগের প্রতি আপনাদের ভালবাসা ও এর উত্তরোত্তর মঙ্গল ভাবনা যে অকৃত্রিম সে বিষয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। বিশেষ করে এই প্ল্যাটফরমটির শুরু থেকে যাঁরা এর সাথে আছেন তাঁরা প্রচন্ড মমতা আর আবেগ নিয়েই এই সাইটটির ভাল-মন্দ চিন্তা করে থাকেন সাথে অন্যান্য সব কম-বেশী নতুন ও পুরাতন ব্লগার বন্ধুরাও। সামহোয়ার ইন ব্লগ যতটা আপনাদের জন্য, তার চেয়ে অনেকখানি বেশী আপনারা (ব্লগার বন্ধুরা) এই ব্লগটির জন্য জরুরী, গৌরবের সাথে সে কথা স্বীকার করি।

ইতিমধ্যে আপনারা অনেকেই জানেন, বেশ কিছুদিন ধরে আমরা আমাদের মায়ের অসুস্থ্যতা নিয়ে ব্যস্ততায় একটি কঠিন সময় পার করছি এবং নিশ্চয়ই তা সবাই অনুধাবন করতে পারবেন। তাই উপরোক্ত বিষয়টি নিয়ে আমি ক'টা দরকারী কথা বলেই ফিরবো এবং কারোর কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারার জন্য আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।


আপনাদের দাবি:

১. যারা এই ব্লগের প্রান ছিলো, সেই সব ব্লগারদের আনব্যান

দেখুন, আবারও বলছি, এই ব্লগের শুরু থেকে আজ অবধি যারা এখানে নিজেদের যুক্ত করেছেন/করে যাচ্ছেন, তাঁরা সকলেই এই ব্লগের প্রাণ। ব্লগিং এর মান নিয়ে কিন্তু আমি কথা বলছি না, বরং সবার সম্পৃক্ততার যে অবদান, তা কিন্তু কোন ভাবেই একটি থেকে আরেকটি ভিন্ন মর্যাদার নয়। এ, প্রসংগে স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া যে ক'টি নিক আপনি উল্লেখ করেছেন, আশা করি সেগুলোর কারণও আপনাদের জানা আছে বা যাঁদের (নতুনদের) জানা নেই তাঁরা কোন না কোন ভাবেই তা জানতে পারেন। কিন্তু এই একই বিষয় কিছুদিন পরপর এভাবে বারবার টেনে এনে এই ব্লগ সাইটটির আসলেই কি কোন মঙ্গল হয়? ভেবে দেখুন অনুগ্রহ করে।


২. যারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে, আমাদের ইতিহাস নিয়ে তামাশা করে, সেইসব ব্লগারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা।

এটিও একটি পুরনো সমস্যা হলেও অত্যন্ত জরুরী যা আমাদের সবার জন্যই যন্ত্রনাদায়ক। অতীতে (নানান ভুল বোঝাবুঝি সত্বেও) আমাদের প্রচেষ্টা এবং সর্বোপোরি ব্লগার বন্ধুদের সক্রিয়তায় আমরা মুক্তিযুদ্ধ ও স্বদেশ বিরোধীদের বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি আজও তা অব্যাহত আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তবে, এককভাবে আমার চেয়ে আপনাদের বিচরণ এখানে অনেক বেশী, তাই এদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে আমাদের সচেতনতার পাশপাশি আপনাদের সহযোগিতা জরুরী। ফিডব্যাকে কিংবা আমাকেই সরাসরি ইমেইলে জানানো যেতে পারে। এ,ভাবে ব্লগার এবং ব্লগটিম এর পরষ্পর সহযোগিতা ও প্রচেষ্টায় ব্লগের পরিবেশ রক্ষায় স্বদেশ বিরোধীতা, অন্যায়ভাবে ট্যাগিং, ব্যাক্তি আক্রমণ ইত্যাদি থেকে শুরু করে এই ব্লগের নানান দিকে নজর দিতে পারি একসাথে। এগিয়ে আসুন।


৩. মডারেশন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা।

অত্যন্ত বিনয় এবং দৃঢ়তার সাথে বলছি, আমরা নির্ভুল নই তবে, আমাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকে সবসময় এ, ব্যপারে। নীতিমালার আওতাতেই কোন পোস্ট মডারেশন হয় এবং এ,ক্ষেত্রে ব্লগার কে নির্দিষ্ট কারণ ও নীতিমালা জানিয়ে চিঠি দেয়া হয় এবং এই মডারেশনের আওতাভুক্তির বিষয়টি ব্লগারের সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয় হওয়া উচিত নয় কি? দুঃখজনক হলেও সত্যি, এ, বিষয়ে কখনও কখনও একে অপরকে ভুল তথ্য বা আন্দাজ নির্ভর তথ্য দিয়ে বিভিষিকা তৈরি করে এক ধরণের আনন্দ পান, সেটাও অনেকেরই জানা।


৪. প্রথম পাতায় একটি সোর্স রাখা যেখানে দেখা যাবে, ব্যানকৃতদের নাম। কি কারনে ব্যান হলেন এইসব ডিটেইলস।

এই প্রস্তাবটি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্লগার আমাদের কাছে রেখেছেন। গত ১৯শে ডিসেম্বর ২০০৯ বাংলা ব্লগ দিবস ঘোষণা অনুষ্ঠানে এক ব্লগার বন্ধু আমার কাছে একই প্রস্তাবটি রাখায় আমি এ,বিষয়ে আমার/আমাদের ভাবনাটি সবাইকে ব্যাখ্যা করার সুযোগ পেয়েছিলাম এবং অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা থাকায় আশা করি অনেকেই তা জেনেছেন এবং আমার মনে হয় উপরের ৩ নং পয়েন্টেও তা বলা হয়ে গেছে। আমি আবারও বলছি, কোন নিক অস্থায়ী/স্থায়ীভাবে স্থগিত করা হলে তা ব্লগারের ব্যক্তিগত ব্যাপার হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত যা কোনভাবেই আনন্দদায়ক নয়। তাই এমন অস্বস্তিকর একটি বিষয় প্রথম পাতার কোথাও সর্বজনসমক্ষে ঝুলিয়ে রাখাটা কি অমানবিক নয়? অনুগ্রহ করে ভেবে দেখবেন আশা করি।


এই সাইটটি আপনার/আপনাদের। এর যাবতীয় ভাল-মন্দ আপনাদের ঘিরেই। মডারেশন প্যানেলে যাঁরা আছেন তাঁদের তো কোন ব্লগার সাথে ব্যক্তিগত রেষারেসির কোন সুযোগ নেই, তাহলে কেন শুধু শুধু এইসব দুরত্ব, মনোমালিন্য আর ভুলবোঝাবুঝির বোঝা বাড়ানো! যাবতীয় ভালয় এবং মন্দে সাথে থাকুন।

ভাল থাকবেন সবাই।



ক্লিক দিজ লিংক
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29119736 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29119736 2010-03-19 20:57:40
কর্তৃপক্ষের কাছে ১৫২ জন ব্লগারের খোলা চিঠি (ব্লগারগন, কিছুক্ষনের জন্য আপনাদের মনোযোগ আকর্ষন করছি।) সামহোয়্যার ইন ব্লগ আমাদের অতি প্রিয় একটি কমিউনিটি। বাংলা ব্লগিংয়ে নতুন দিগন্ত উন্মোচনকারী এই ব্লগটির প্রতি আমাদের অশেষ কৃতজ্ঞতা। নতুন দিগন্ত উন্মোচনকারী শব্দটার মধ্য দিয়ে, এই ব্লগটির গ্রহনযোগ্যতাকে তুলে ধরা যাবেনা। আসলে ব্লগিং জিনিসটার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে বাঙালি জাতিকে যেটি, এটা সেই ব্লগ।
শুরু থেকে এ পর্যন্ত ব্লগটির চলাফেরায় নানান উত্থান-পতন হয়েছে। উত্থান বলতে বুঝিয়েছি, ব্লগের ফ্যাসিলিটিজ। সামুর ডেভলপারদের নিরলস প্রচেষ্টায় এটা দিন দিন যোগ্য থেকে যোগ্যতর হতে চলেছে।
সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নতুন ব্লগারদের সংখ্যা। কিন্তু সেই সাথে এও লক্ষ্যনীয় যে, দিন দিন সামুর মেধাবী ব্লগাররা ব্লগ থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিচ্ছেন।
পতন বলতে সেই দিকটাকেই ইনডিকেট করেছি। যারা অভিমান করে চলে যাচ্ছেন, তাদের সম্পর্কে কিছু বলার নেই। কর্তৃপক্ষেরও তাদের জন্য কিছু করার নেই। কিন্তু তুচ্ছ কারনে যাদের ব্লগ বাতিল করা হয়েছে, তাদের জন্যই আমাদের এই প্রচেষ্টা।
আমরা হতাশ হয়ে লক্ষ্য করছি, বর্তমান ব্লগ খুব বেশি মানহীন লেখায় ভূগছে। মানসম্পন্ন লেখা এবং আলোচনা-সমালোচনায় ভরা আগের সেই পরিবেশে এখন অনুপস্থিত। নতুন আসা ব্লগাররাও একবাক্যে সেটা স্বীকার করেন।
সামুর অলংকার তার ব্লগাররাই। আমরা বিশ্বাস করি সামুর মডারেশন প্যানেল গনতান্ত্রিক পন্থা অবলম্বন করে চলে। তাই কারো ব্লগ বন্ধ করে দিয়ে তার টুঁটি চেপে ধরার মতো গর্হিত কাজ না করলেই আমরা খুশি হই।

কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে, এই গর্হিত কাজটিই কর্তৃপক্ষ কয়েকজন ব্লগারের সাথে করেছেন। এখানে কারো নাম উল্লেখ করছিনা, কারন তারা ভালো করেই জানেন, আমরা কাদের কথা বলছি।

এই ব্লগবাড়িতে পা রাখার সাথে সাথে মনে করি, বাড়িটির একজন সদস্য হয়ে গেলাম। তাই কোনো সদস্যদের অনুপস্থিতি আমাদের দুঃখ দেয় বৈকি। আমাদের এটুকু অন্তত জানার অধিকার আছে যে, কি কারনে কোনো সদস্যকে সরিয়ে দেওয়া হলো।

অনেকেই অনেকভাবে আপনাদের বুঝিয়েছেন, কিন্তু কর্ণপাত করেননি। তাই আমরা সবাই একজোট হয়ে আপনাদের কাছে এই দাবি তুললাম। যদি গনতান্ত্রিক পন্থায় মডারেশন করে থাকেন, আশা করি সমুচিত পদক্ষেপ নিবেন। কারণ, ১৫২ জনের এই দাবি কিন্তু পুরো ব্লগেরই দাবি।

আমাদের দাবিসমূহঃ- ১. যারা এই ব্লগের প্রান ছিলো, সেই সব ব্লগারদের আনব্যান করুন। ২. যারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে, আমাদের ইতিহাস নিয়ে তামাশা করে, সেইসব ব্লগারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। ৩. মডারেশন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনুন। ৪. প্রথম পাতায় একটি সোর্স রাখুন। যেখানে দেখা যাবে, ব্যানকৃতদের নাম। কি কারনে ব্যান হলেন এইসব ডিটেইলস

পরিশেষে বলবো, আমরা এই ব্লগটিকে ভালোবাসি। তাই এ ব্লগের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করি বলেই এ দাবিগুলো আপনাদের কাছে জানিয়ে গেলাম। আশা করি যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিবেন।

নিবেদক
সামহ্যোয়ার ইন ব্লগের আপামর ব্লগারগন

স্বাক্ষরখাতা


বিঃ দ্রঃ- কর্তৃপক্ষের জন্য নয়- প্রচুর ব্লগার স্বাক্ষর দিয়ে এ দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। কিন্তু কযেকজন ব্লগার সক্রিয়ভাবে আমাকে সহযোগীতা করেছেন। কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি- কাঠের খাঁচা, রাজসোহান, পাহাড়ের কান্না, স্বপ্নকথক, জীবনানন্দ দাশের ছায়া

৫ জনই ব্লগিংয়ে নতুন। কিন্তু ব্লগিংয়ের শিকড়ে হাত দেয়ার মতো নিষ্ঠা এদের আছে বলেই এরা এতো জনপ্রিয়। শুভ কামনা রইলো তোমাদের জন্য।

এছাড়াও আমার দাবির সাথে সঙ্গতি রেখে পোস্ট দিয়েছেন লালসালু, সায়েম মুন। ধন্যবাদ তাদের। আর ম্যাঙ্গো পিপল প্রথম থেকেই মেইল এর মাধ্যমে হেল্প করে আসছেন। তাকেও কৃতজ্ঞতা।

সিস্টেম ইন্জিনিয়ার কাউন্ট করছেন ফিডব্যাকপ্রদানকারীদের সংখ্যা। ধন্যবাদ তাকেও

প্রচুর খাটুনি গেছে। যদি ব্লগারদের সহায়তায় আন্দোলন সফল হয়, নিজেকে ধন্য মনে করবো।


কাঠের খাঁচার পরামর্শ অনুযায়ী ফিডব্যাকের লিংক দিয়ে দিলাম। এখানে গিয়ে বাগ রিপোর্ট ''আদারস'' চুজ করুন। তারপর নিচে এই লেখাটি পেস্ট করে দিন।

আমাদের দাবিসমূহঃ- ১. যারা এই ব্লগের প্রান ছিলো, সেই সব ব্লগারদের আনব্যান করুন। ২. যারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে, আমাদের ইতিহাস নিয়ে তামাশা করে, সেইসব ব্লগারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। ৩. মডারেশন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনুন। ৪. প্রথম পাতায় একটি সোর্স রাখুন। যেখানে দেখা যাবে, ব্যানকৃতদের নাম। কি কারনে ব্যান হলেন এইসব ডিটেইলস

যারা ফিডব্যাকে মেইল দিচ্ছেন, দয়া করে আর একটু কষ্ট স্বীকার করে সিস্টেম ইন্জিনিয়ার এর এই পোস্টে গিয়ে জানিয়ে আসুন। তিনি মেইলপ্রদানকারীদের নামগুলো কালেক্ট করছেন। নেক্সট স্টেপ এর জন্য কাজে লাগবে। ধন্যবাদ সবাইকে।

আপডেট- প্রচুর সাড়া পাচ্ছি। গতকাল পর্যন্ত ১২১ জনই ছিলো। আজ সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫২ জনে। সবাইকে অনুরোধ করবো ফিডব্যাকে মেইল দিন এবং সিস্টেম ইন্জিনিয়ার এর পোস্টে গিয়ে আপনার নামটা দিয়ে আসুন। আবারো ধন্যবাদ সবাইকে।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29119150 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29119150 2010-03-18 22:16:38
পথিক - শেষ পর্ব ‘মরতে হবে নাহিনকেও!’ বিদ্যুৎচমকের মতো ভাবনাটা অবশ করে দেয় ফাহিমকে। ম্যানিয়াক বলে গাল দেয় নিজেকে।এতোটা নীচ চিন্তা কিভাবে মাথায় এলো ওর। সন্দেহ নেই পাগল হয়ে গেছি আমি,ভাবলো ফাহিম। নইলে নিজের জীবনের চেয়ে বেশি প্রিয় যে তাকে খুন করার কথা ভাবে কেউ?
***
ক্যালেন্ডারের পাতায় দাগ কাটলো ফাহিম। একমাস তেইশ দিন শেষ। হিসেব অনুযায়ী আর মাত্র সাতদিন আছে ওর বরাদ্দে। এই ক’টা দিন একটা কথাই ভেবেছে ফাহিম। ভেবেছে আর সিদ্বান্তে পরিণত করেছে : হ্যাঁ,মরতে হবে নাহিনকে!
হ্যাঁ, প্রিয় মানুষটিকে খুন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ও। মনকে অনেক বোঝাতে চেয়েছে ও,পারেনি ! সমগ্র সত্তা বারবার ‘নাহিন ! নাহিন!’ করে চিৎকার করছে । নাহিন কোনো অপরাধ করেনি, মৃত্যুপথের এক পথিককে ভালোবেসেছে। শুধু এই কারণেই মরতে হবে ওকে !

সিদ্ধান্তটা নিতে অনেক কষ্ট হয়েছে ফাহিমের; কিন্তু যখন নেওয়া হয়ে গেলো, তখনই ও ভাবতে বসে গেলো কিভাবে কাজটা সারবে। ভাবতে-ভাবতে নিজেকে স্যাডিস্ট, ম্যানিয়াকএবং হিংস্র পশু বলে গালি দিলো। ক্যালেন্ডারের পাতায় চোখ পড়লো ফাহিমের। ১৫ নভেম্বরের ওপর দৃষ্টি আটকে গেলো ওর। এবং আইডিয়া পেয়ে গেলো খুনের কাজটা করার ।
১৫ নভেম্বর নাহিনের জন্মদিন । এবং ওই দিনই হবে ওর মৃত্যুদিন। কিভাবে কাজটা করবে তা ঠিক করে ফেললো ফাহিম।
মুচকি একটু হাসলো সে, একদম প্রফেশনালদের মতো প্ল্যান করেছে সে।
****
শেষবারের মতো বাইরে যাবার প্রস্তুতি নিলো ফাহিম। বুকে চিনচিনে একটা ব্যাথা নিয়ে বেরুলো সে। সময় শেষ হয়ে আসছে, সেইসাথে কমে আসছে শরীরের জোর। ভয় হচ্ছে সময়ের আগেই না জানি ঘটে যায় ব্যাপারটা। তাহলে আর একসাথে মরা হবে না।

একটা ফুলের দোকানে গিয়ে ফুল কিনলো ও। অনেক গুলো ফুল। সব শ্বেত শুভ্র রজনীগন্ধা। তারপর কিনল একটা কেক। ম্যানেজার জিজ্ঞেস করলো কেকের উপর কিছু লিখতে হবে কিনা।
‘হ্যাঁ হবে,’ জানাল ফাহিম।
‘লিখুন.....,’কী লিখতে হবে শুনে ভিরমি খেল ম্যানেজার।
‘বন্ধুর সাথে ফান করবো !’ অম্লান বদনে ব্যাখা দিল ও ।
তারপর শেষবারের মতো পুরো দুনিয়াকে গুডবাই জানিয়ে বাসায় ফিরল ফাহিম।

মোবাইল হাতে নিল ফাহিম । কাঁপা কাঁপা হাতে বাটন টিপতে লাগলো নাহিনের নাম্বারে। নার্ভাস লাগছে। অনেকদিন পর নাহিনের কন্ঠ শুনবে ও। দ্বিতীয়বার রিং হতেই ওপাশ থেকে শুনতে পেল,
‘হ্যালো?’ নাহিনের মা’র গলা।
ভদ্র মহিলাকে খুব পছন্দ করে ও। উনিও বেশ স্নেহ করেন ফাহিমকে। ওদের সর্ম্পকটা বেশ সহজভাবে নিয়েছিলেন উনি। বোধহয় একমাত্র মেয়ে বলেই।
‘খালাম্মা, আমি ফাহিম।’
‘ফাহিম!!!! কেমন ছেলে তুমি বলোতো! আজ প্রায় দুমাস আমার মেয়েটা বিছানায়। না কিছু খাচ্ছে,না কোথাও যাচ্ছে। কোন বন্ধু বান্ধবের সাথেও দেখা করছেনা। আর ওদিকে তুমিও লাপাত্তা। তোমাদের মধ্যে কি কোন ঝগড়া টগড়া হয়েছে নাকি?’
‘খালাম্মা, সরি।’
‘সরি যার কাছে বলার তাকে বলো। আর তুমি কি বাসা চেঞ্জ করেছো ? নাহিন বললো ওখানে নাকি অন্য লোক থাকে।’
‘খালাম্মা, পুরো ব্যাপারটা আমি পরে আপনাকে বুঝিয়ে বলবো। আপনি প্লিজ একটু নাহিনকে দিন।’
‘হ্যাঁ, দিচ্ছি । তবে ফোন না করে সরাসরি যদি বাসায় চলে আসতে তাহলে বোধহয় ভাল হতো।’
‘আসবো খালাম্মা,আসবো।’
‘ঠিক আছে একটু হোল্ড করো।’ খানিক নীরবতা। বুকের ভিতর ঢিব ঢিব করছে। আল্লাই জানে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়।
‘হ্যালো ..’ নাহিনের গলা
‘নাহিন শোন..,’ বলেই থমকে গেল ফাহিম, কারণ অপর প্রান্তে তখন কেবল কান্নার শব্দ। অদম্য কান্নায় ভেঙে পড়েছে নাহিন। কেঁদেই চলছে ক্রমাগত। থামাথামির লক্ষণ নেই। বুকটা মোচড় দিয়ে উঠলো। কিন্তু উপায় নেই। ওকে ওর কাজ করতেই হবে। একটু অপেক্ষা করলো ফাহিম। দেখলো কান্না থামে কিনা। কিন্তু না কোন লক্ষণ নেই। অগত্যা মোক্ষম অস্ত্র প্রয়োগ করলো ফাহিম,
‘ নাহিন শোন, তুমি এভাবে কাঁদলে আমি কিন্তু ফোন রেখে দেবো।’ সাথে সাথে কান্না বন্ধ হয়ে গেল নাহিনের। অভিমানী কন্ঠে বললো,
‘আমাকে কষ্ট দিয়ে তুমি বুঝি খুব সুখ পাও?’
‘নাহিন, আমি একটা সমস্যায় পড়েছি, তাই তোমার সাথে যোগাযোগ করতে পারিনি।’
‘বাসা পাল্টেছো, কেন ?’
‘হ্যাঁ,সব তোমাকে পরে বলবো, তুমি প্রথমে আমার সাথে দেখা করো।’
‘এক্ষুনি আসছি আমি, কিন্তু কোথায় ?’ ব্যকুল স্বরে জিজ্ঞেস করলো নাহিন।
‘না না, এক্ষুনি আসতে হবে না, ’ তাড়াতাড়ি বললো ফাহিম।‘কাল তোমার জন্মদিন মনে আছে তো?
‘এতক্ষণ পর্যন্ত ছিলনা,তুমি মনে করিয়ে দিলে!’
‘বলো কি! তোমার প্রত্যেক জন্মদিনে এতো জমকালো অনুষ্ঠান হয় অথচ এবার...’
‘এবারও হতো যদি না তুমি এমন জঘন্য আচরণ করতে।’
‘সরি নাহিন, ঠিক আছে এবার ফাংশান টাংশান বাদ, তোমার এবারের জন্মদিন সেলিব্রেট করবো স্রেফ তুমি আর আমি, রাজি ?’
‘ওটা কি আবার জিজ্ঞেস করার বিষয় হলো, জানোই তো, তুমি বললে আমি নরকে যেতেও রাজি আছি।’
‘আপাতত নরকে যেতে হবেনা, আমার নতুন বাসায় এলেই চলবে। ঠিকানাটা বলছি লিখে নাও।’ লিখে নিল নাহিন ।‘আর শোন,তুমি একা আসবে,সঙ্গে গাড়ি এনোনা।’
‘ঠিক আছে।’ বললো নাহিন। একবারও জানতে চাইলোনা, কেন। ফাহিমের ব্যাপারে ও বরাবরই এমন।
‘ফাহিম একটা কথা...’
‘বলো।’
‘তোমার গলাটা কেমন যেন লাগছে,কোন অসুখ-বিসুখ করেনিতো?’
‘না না আমি ঠিক আছি। তুমি আসছ কাল সকাল ন’টায়। মনে থাকবে?’
‘হ্যাঁ, অবশ্যই।’
***

কলিংবেলের টুংটাং আওয়াজ হতেই বিছানা ছাড়ল ফাহিম। দুরু দুরু বক্ষে দরজার দিকে এগোল। ভয় আর অস্থিরতা মিলে এক অবর্ণনীয় অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছে মনে । দরজা খুলল ও। খুলেই মুখোমুখি হলো এক শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্যের। সবুজ অরণ্য যেন ঢুকে পড়েছে ঘরে। পা থেকে মাথা পর্যন্ত পুরোটাই সবুজ রঙে আচ্ছাদিত নাহিন। কপালের টিপ,পরনের শাড়ি-ব্লাউজ, এমনকি পায়ের জুতো জোড়াও সবুজ। সবুজ ফাহিমের প্রিয় রঙ,সবুজ জীবনের রং-হাহ্!! মুখ দিয়ে কোন কথা বের হয়না ফাহিমের, কেবল অপলক নেত্রে চেয়ে থাকে নাহিনের ফর্সা মুখ,মরাল গ্রীবা আর মায়াময় দুটি চোখের অপার সৌন্দর্যের দিকে। ফাহিম লক্ষ্য করে এই ক’দিনের টেনশানে চোখের নিচে কালি পড়েছে নাহিনের। কিন্তু সে কলংকে এতোটুকু ম্লান হয়নি চাঁদের সৌন্দর্য।
‘কী ব্যাপার, তোমাকে অমন দেখাচ্ছে কেন ফাহিম ?’ আর্তনাদের মতো শোনালো নাহিনের কন্ঠ।
‘ এসো, ভেতরে এসো ,’ বললো ফাহিম।
ভেতরে ঢুকে হাতের ফুলগুলো টেবিলের উপর নামিয়ে রাখলো নাহিন। তারপর এগিয়ে এসে দু’হাতে ধরলো ফাহিমের মুখটা। কাঁদো কাঁদো গলায় বললো,
‘একি অবস্থা হয়েছে তোমার, ফাহিম? তোমাকে তো চেনাই যাচ্ছেনা!’
‘আমার কিছুই হয়নি। ডোন্ট ওঅরি। শান্ত হয়ে বসো, আস্তে আস্তে সব বলবো। তার আগে এসো তোমাকে উইশ করি ।’
একরাশ রজনীগন্ধা নাহিনের হাতে তুলে দিল ফাহিম
‘শুভ জন্মদিন!’
‘থ্যাংকস্ !’ এবার বলো কী হয়েছে তোমার? নিশ্চয় কোনো অসুখ বাধিয়েছো।'
নাহিন আমার কী হয়েছে জানলে এক্ষুনি তুমি এখান থেকে চলে যাবে, কিন্তু আমি তা হতে দিতে পারিনা। ভাবলো ফাহিম। মুখে বললো,‘চলো ভেতরে চলো।’ বেডরুমে গিয়ে ঢুকল ওরা। ভেতরে জিরো ওয়াটের একটা লাইট জ্বলছে শুধু।
‘ঘর এতো অন্ধকার করে রেখেছো কেন, ফাহিম ?’
‘যার জীবনটাই অন্ধকারে হারিয়ে যেতে বসেছে,সে আলো দিয়ে কী করবে?’
‘মানে ?তোমার কথাতো আমি কিছুই বুঝতে পারছিনা।’
‘পারবে নাহিন পারবে।’লাইট জ্বালল ফাহিম।‘আজই আমাদের জীবনের শেষ আলো দেখা । প্রাণ ভরে দেখে নাও!’
‘ফর গডস সেক! এই দু’মাস অনেক নাটক করেছো। আর না। এবার দয়া করে বলো এসব হেঁয়ালির মানে কী ?
‘বলবো,বলবো বলেই তো তোমাকে ডেকেছি। তার আগে এসো তোমার জন্মদিনের অনুষ্ঠানটা শেষ করি।’
বেড সাইড টেবিলে রাখা কেকটার দিকে এগোল ফাহিম। নাহিনকেও টেনে দাঁড় করালো ওর পাশাপাশি। টেবিলের উপর কেকটা কালো একটা কাপড় দিয়ে ঢাকা পাশে একটা মোমবাতি।
‘কাপড়টা সরাও নাহিন।’
কাপড়টা সরাতেই তীব্র একটা চিৎকার দিয়ে দু’পা পিছিয়ে গেল নাহিন।
‘ভয় পেয়েছো নাহিন?’ শীতল গলায় জিজ্ঞেস করলো ফাহিম।
‘কেকের গায়ে কী লেখা আছে তুমি দেখেছো ?’ নাহিনের দৃষ্টিতে আতংক।
‘হ্যাঁ, দেখেছি। শুভ মৃত্যুদিন!’
‘তুমি কি আমার সাথে মজা করছো, ফাহিম ?’
‘না নাহিন, জীবনের শেষ মুহূর্তে কেউ কারো সাথে মজা করতে পারে না,ওখানে যা লেখা আছে সেটাই চরম সত্য।’
‘মানে? কি বলছো তুমি?’
‘আজ তোমার মৃত্যুদিন, নাহিন!’
‘না !’ আর্তচিৎকার বেরুলো নাহিনের গলা দিয়ে। ‘তুমি কি পাগল হলে? হেঁয়ালি করো না প্লিজ,সব কিছু খুলে বলো আমাকে।’
‘হ্যাঁ, শোন,আজ থেকে প্রায় দু’মাস আগে চেকআপের সময় আমার একটা রোগ ধরা পড়ে। আমি নিজেই জানতাম না কত আগে থেকে ওই ব্যাধি আমার শরীরে বাসা বেঁধে আছে। যখন জানলাম তখন শেষ পর্যায়। কিছুই করার নেই। সময় আছে মাত্র দু’মাস। রোগটা কি জান? লিউকোমিয়া, সহজ ভাষায়, ব্লাড ক্যান্সার। একটা একটা করে দিন যাচ্ছে আর মৃত্যু একপা একপা করে আমার দিকে এগিয়ে আসছে। মরাটা আমার জন্য কোন সমস্যা ছিলনা। পৃথিবীতে একা আমি। কোন আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব নেই । নেই কোন পিছুটান। মৃত্যুকে হাসি মুখেই মেনে নিতে পারতাম। কিন্তু একটা জায়গায় এসে আমি হেরে গেলাম। নিয়তিকে সহজে মেনে নিতে পারলামনা। শুধু একজনের জন্য আমার প্রচন্ড ইচ্ছে হলো বেঁচে থাকার। সে একজনটা কে জানো নাহিন?’ ফাহিম দেখলো নাহিনের চোখ দিয়ে অঝোর ধারায় নামছে পানি।‘সে একজনটা হচ্ছো তুমি। ভেবে দেখলাম এই পৃথিবীতে মরা মানুষকে বেশিদিন কেউ মনে রাখেনা। এক সময় না এক সময় ভুলে যায়। সবার মতো তুমিও ভুলে যাবে...’ প্রতিবাদ করতে যাচ্ছিলো নাহিন, কিন্তু ওকে থামিয়ে দিয়ে বলে যেতে লাগলো ফাহিম,’....জীবন থেমে থাকে না। থেমে থাকবে না তুমিও। কিছুদিন পরে তোমার মনেই থাকবে না ফাহিম নামের কেউ কখনো তোমার জীবনে ছিল। জগতের নিয়মে তোমার জীবনে আসবে নতুন কেউ। তার হাত ধরে তুমিও শুরু করবে নতুন সংসার, ভাবতেই পাগল হয়ে গেলাম আমি। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম, এই দুনিয়াতে আমি না থাকলে তোমারও থাকার দরকার নেই। তুমি না থাকলে অন্য কেউ আর তোমার জীবনে আসতে পারবেনা। আমার জায়গা আর কেউ নিতে পারবেনা। আমার কাছ থেকে কেউ আর তোমাকে আলাদা করতে পারবেনা। তুমি আমার ছিলে, অনন্তকাল আমারই থাকবে। কাজেই, তোমাকে মরতে হবে।’
‘পাগলামি করোনা, ফাহিম, আমার কথা শোন !’
‘না নাহিন, আমি কিছুই শুনতে চাইনা। এছাড়া আমার আর কোন উপায় নেই। পারলে তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিও।’
টেবিল থেকে কেক কাটার ছুরিটা তুলে নিল ফাহিম, দেখে দু’পা পিছু হটল নাহিন, কিন্তু পালানোর কোন চেষ্টা করলোনা। আর্শ্চয হয়ে লক্ষ করলো ফাহিম, নাহিনের চেহারায় কোন আতংক নেই। শুধু বারবার বলছে,
‘আগে আমার কথাটা শোন ফাহিম, আগে আমার কথাটা শোন।’ বেচারি এখনো বিশ্বাস করেনি ওর ক্ষতি হবে, এমন কিছু ফাহিম করবে।
‘সরি নাহিন, আমাকে ক্ষমা করো,’ বলেই ছুরিটা আমূল বসিয়ে দিল নাহিনের বুকে। বাম দিকে। ঠিক হৃৎপিন্ড বরাবর। মরণ একটা চিৎকার দিয়ে ঢলে পড়লো নাহিন। মাটিতে লুটিয়ে পড়ার আগে ওকে ধরে ফেলল ফাহিম। অঝোরে কাদঁছে ও। আস্তে করে নাহিনের দেহটা কোলে নিয়ে বসে পড়লো ফাহিম। তখনও কিছু বলার শেষ চেষ্টা করে যাচ্ছে নাহিন, ‘ফা...হি....ম ! মরার আগে..যে ..কটা কথা.. বলতে চেয়ে.. ছিলাম, শোনো....তোমার জন্যে....হাসিমুখে....মরতে...পারি..আমি ! তুমি আমার ভালোবাসা ...বুঝতে পারোনি । নিজের জীবনের ...চেয়ে..বেশি ভালোবাসি ..... তোমাকে।’ কথাটা শেষ করেই ফাহিমের কোলে ঢলে পড়লো নাহিন। আস্তে করে ওর চোখ দুটো বন্ধ করে দিল ফাহিম। দু’ চোখ বেয়ে ঝরছে অব্যক্ত যন্ত্রণার বর্ষণ।
ঠিক এই সময় বেজে উঠলো ফাহিমের মোবাইল। বেজেই চলছে। ধরেনা ফাহিম, কেটে যায়। আবার বাজতে থাক। পাঁচবারের বার কি মনে করে ধরলো ফাহিম। ওপাশ থেকে শোনা গেল ড.ফারহানের উচ্ছসিত কন্ঠ,'শেষ পর্যন্ত ধরলে তাহলে। ফাহিম তোমার জন্য দারুন একটা খবর আছে। তোমার জীবনের সেরা সুসংবাদ। তুমি কল্পনাও করতে পারবেনা কী মারাত্মক ভুল করেছে ওরা। ডায়াগনস্টিক সেন্টার তোমার বলে যে রিপোর্টটা দিয়েছে সেটা অন্য লোকের। ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলো ওই লোক, তুমি নও। তোমার কিছু হয়নি। তুমি পুরোপুরি সুস্থ। আমার আগেই সন্দেহ হয়েছিল। আমি তোমাকে বলেও ছিলাম আর একবার পরীক্ষা করাতে, তুমি করাওনি। ওই লোকটা মারা গেছে দু’দিন আগে। ল্যাব থেকে ফোন করে ওরা ক্ষমা চেয়েছে আমার কাছে।’ শেষের কথাগুলো কানে যায়নি ওর, কারণ ততক্ষণে ওর হাত থেকে ছুটে গেছে মোবাইল । ড. ফারহান অন্য প্রান্তে চিৎকার করছেন,’ হ্যালো ,হ্যালো ফাহিম, তুমি কি লাইনে আছো?’ কোলে নাহিনের দেহটা নিয়ে বসে আছে ফাহিম, অনড়,কিংকর্তব্যবিমূঢ়........
*****]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29118588 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29118588 2010-03-18 01:16:33
পথিক লেখালেখির একেবারে শুরুর দিকের কাজ এটি। অবাক হয়ে ভাবি, মানুষ দিন দিন পরিপক্ক হয়, অথচ আমার বেলায় ঠিক উল্টোটা হচ্ছে। যতোই দিন যাচ্ছে, লেখনী সত্তা আমাকে বৃদ্ধাংগুলি দেখিয়ে দুরে সরে যাচ্ছে।

লেখাটা পেন্টিয়াম ১ এর হৃদয়ে ছিলো। ভেবেছিলাম, পাওয়া যাবেনা। কিন্তু খুলু ঠিকই বের করে ফেললো। ধন্যবাদ তাকে।

টিক্ টিক্ ...!
এগিয়ে চলেছে ঘড়ির কাঁটা ! ঘুরছে যান্ত্রিক নিয়মে, এবং জানিয়ে দিচ্ছে সময় থেমে নেই । একমনে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে আছে ফাহিম । গত দু’মাস ধরে এই একটি কাজই করছে সে। রিপোর্টটা পাওয়ার পর ড. ফারহান খান যখন বললেন : ‘ কথাটা তোমাকে বলতাম না, ফাহিম । তোমার কোনো নিকটাত্মীয় নেই যাকে ব্যাপারটা বলা যায়, তাই বাধ্য হয়ে তোমাকেই বলতে হচ্ছে। তোমার ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে ! অত্যন্ত ব্যয়বহুল হলেও বিদেশে এর একটি চিকিৎসা আছে “বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট” ! কিন্তু এমন একটা স্টেজে এসে তোমার রোগটা ধরা পড়লো, যখন আর কিছুই করার নেই । তোমাকে বলতে আমার খুবই কষ্ট হচ্ছে যে, খুব বেশি হলে আর দু’মাস বাঁচবে তুমি !’
ড.ফারহান এদেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসকদের একজন । তিনি ফাহিমকে বলেছিলেন,‘ মন খারাপ কোরো না, ফাহিম, এ পৃথিবীতে কেউ চিরদিন বেঁচে থাকে না; তুমি না হয় একটু আগেই গেলে ! রিয়েলিটিকে মানতেই হবে ! তবুও তুমি একজন ভালো ডাক্তারকে দিয়ে চেক করিয়ে দেখতে পারো।’
কথাগুলো ফাহিমের কানে যায় নি । সে ভাবছে দু’মাস খুব অল্প সময় ! বিধাতা তার জন্যে দু’টি মাস বরাদ্দ করেছেন। ষাটদিন এ পৃথিবীর আলো-হাওয়া সে উপভোগ করতে পারবে, তারপরই সব শেষ!
বাসায় আসার পর হঠাৎ করেই ফাহিমের মনে হলো, দু’মাস যদি পৃথিবীর আলো-হাওয়া সে উপভোগ করে তাহলে লোভ বেড়ে যাবে। কী লাভ মায়া বাড়িয়ে !
সিদ্ধান্ত নিলো,যাবে না, বাইরে যাবে না সে ! দেখবে না পৃথিবীর রঙ-রূপ ! তারপর থেকেই চারদেয়ালের ভিতর নিজেকে বন্দি করেছে সে !
প্রথমেই সে বাসা বদল করেছে,তারপর রিজাইন দিয়েছে চাকরিতে। বস্ চোখ কপালে তুলে বলেছিলেন,‘কী ব্যাপার,ফাহিম? ইজ অ্যানিথিং রং?’
‘না স্যার,চাকরি ভালো লাগছে না।’ ম্লান হেসে জবাব দিয়েছিলো সে। মনে মনে বলেছিলো- ইয়েস স্যার, এভরিথিং ইজ রং ! কোনো কিছুই ঠিক নেই। মায়ের পেটে থাকতেই পিতৃহারা হয়েছি, জন্মের পাঁচ বছরের মাথায় হারিয়েছি মাকেও ! তারপর বড়ো হয়েছি এতিমখানায় । তিলতিল করে নিজেকে গড়ে তুলেছি, লেখা-পড়া শিখে অনেক কষ্টে পেয়েছিলাম এই চাকরিটা; ভেবেছিলাম নাহিনকে বিয়ে করে ছোট্ট একটা সংসার গড়ে তুলবো। হলো না ,কিছুই হলো না !

দিন-রাত এখন রূমের মধ্যেই কাটায় ফাহিম। সারা ঘর অন্ধকার করে রাখে। সারা ঘরের মধ্যে একটা জিনিসই শুধু আলোকিত,সেটা হচ্ছে ঘড়ি। রেডিয়াম লাগানো ঘড়ির কাঁটা রাতের অন্ধকারেও নির্দয়ভাবে জানিয়ে দিচ্ছে : সময় ফুরিয়ে আসছে !
শুয়ে-শুয়ে ঘড়ির দিকে একমনে তাকিয়ে আছে ফাহিম ;ভাবছে সময়ের সাথে সাথে আয়ুও ফুরিয়ে আসছে দ্রুত!
আশ্চর্যের ব্যাপার, ফাহিমের কোনোকিছুর জন্যে এতোটুকু মায়া হচ্ছে না ! ও ভেবে দেখেছে ওর কোনো পিছুটান নেই,শুধু একজন, শুধু একটা মানুষের জন্যে প্রচন্ড ইচ্ছে করছে বেঁচে থাকতে । ওর কথা ভাবলেই বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে ওঠে ! ও না থাকলে মরে যাওয়াটা কোনো সমস্যা ছিলো না ফাহিমের জন্যে ।
ওর নাম নাহিন ।
ফাহিম ভেবে পায় না একটা মেয়ে নিজের মধ্যে এতোটা মায়া কিভাবে ধারন করে !ওর প্রতি নাহিনের ভালোবাসা মাঝে-মধ্যে প্রচন্ড বিস্ময়ের জন্ম দেয় ফাহিমের মনে। একবার ফাহিম মজা করে বলেছিলো,‘আচ্ছা,নাহিন, আমি যদি হঠাৎ মরে যাই, তুমি কী
করবে ?’
নাহিন কোনো কথা বলেনি। এরপর একসপ্তাহ ওর সাথে দেখা করেনি , কোনো যোগাযোগও করেনি । একসপ্তাহ পর ফাহিমের ফোন রিসিভ করে ও। ফাহিম জিজ্ঞেস করে,‘নাহিন,কী ব্যাপার,তুমি কোনো যোগাযোগ করোনি কেন এতোদিন?'
টেলিফোনে শোনা গেলো কান্নার শব্দ! বললো,‘তুমি আমাকে কেন কষ্ট দিলে ?’
ফাহিম কিছুই বুঝতে পারে না,বলে ‘নাহিন,আমি কিছুই বুঝতে পারছি না!’
‘তুমি যদি আর কখনো মরার কথা বলো,তাহলে আমি কোনোদিন তোমার সামনে যাবো না !’
ফাহিম হতভম্ব হয়ে পড়ে । বুঝতে পারে, নাহিন নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসে ওকে।

আর আজ ! সেই মজা করে বলা কথাটাই সত্যি হতে চলেছে। বেচারি নাহিন ! না জানি এখন কতো কষ্ট করছে ওর খোঁজ পাওয়ার জন্যে !
ডাক্তারি রিপোর্ট পাওযার পর আজ একমাস পেরিয়ে গেছে। একটু-একটু করে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ফাহিম। চোখ দুটো গর্তে বসে গেছে, অনিদ্রায় চোখের নিচে পড়েছে কালি। শরীরে আগের মতো বল পায় না। শুয়ে-শুয়ে শুধু নাহিনের কথা ভাবে,আর ক্যালেন্ডারের পাতায় দাগ কাটে।
নাহিনকে খুব মনে পড়ে। ওর সুন্দর চোখ দুটো দেখলেই ছুঁতে ইচ্ছে করতো ফাহিমের। একদিন নাহিনকে সে বলেছিলো, ‘নাহিন, তোমার চোখ দুটো খোদা নিশ্চয়ই অনেক সময় নিয়ে বানিয়েছেন, নইলে ও দুটো এতো সুন্দর হবে কেন ?’
এই দেখো ! ওর কথা ভাবতেই চোখ দুটো ভিজে উঠলো ফাহিমের। মনের জোর কমে আসছে ওর। আস্তে-আস্তে দুর্বল হয়ে পড়ছে।
বুঝতে পারছে ফাহিম,সময় শেষ হয়ে আসছে !
প্রথম প্রথম তেমন সমস্যা মনে হচ্ছিলো না মৃত্যুকে। ;নাহিনই সব ওলট-পালট করে দিচ্ছে! ওকে ছেড়ে যেতে হবে ভাবতেই বুকটা ফেটে যাচ্ছে ওর। হঠাৎ মনের পর্দায় অন্যরকম একটা দৃশ্য ফুটে উঠলো ফাহিমের। বধূ বেশে নাহিনকে দেখতে পেলো ও কল্পনায়। কী সুন্দরই না লাগছে ওকে ! লাল রঙের বিয়ের শাড়ি,খোঁপা-করা চুল, চোখে কাজল, সিঁথির মাঝখানে খুব সুন্দর করে বসানো টিকলি, কপালে টিপ !
নাহিনের পাশে নিজেকে দেখতে পেলো ফাহিম। দেখতে খুব ভালো লাগছে ওর। হঠাৎ ফাহিম আবিস্কার করলো,নাহিনের পাশে যে-লোকটা বসে আছে সে ও নয় ! সম্পূর্ণ অপরিচিত একজন লোক ! নাহিনের ফর্সা অনাবৃত কাঁধে হাত রেখেছে লোকটা,আস্তে-আস্তে টানছে নিজের দিকে। তারপর সজোরে ওকে জড়িয়ে ধরলো লোকটা,নেমে আসছে কামনা মদির একজোড়া ঠোঁট !
‘নাহ!’ চিৎকার করে উঠলো ফাহিম । আর ভাবতে পারছে না সে। নাহিন অন্য কারো হয়ে যাবে, এই নিষ্ঠুর সত্যটা উপলব্ধি করে মনের ভেতরটা গুমরে কেঁদে উঠলো তার।
***
ফ্যানের হাওয়ায় কাগজগুলো এদিক সেদিক উড়তে লাগলো । টুকরো টুকরো কাগজগুলোয় এলোমেলো করে লেখা‘নাহিন শুধু আমার, নাহিন শুধু আমার’। একটা করে লিখছে আর বাতাসে উড়িয়ে দিচ্ছে। সময়সীমা দু’মাসের মধ্যে আজ ১ মাস ১৫দিন অতিবাহিত হতে চললো। ইতিমধ্যে আরো দুর্বল হয়ে পড়েছে ফাহিম। হঠাৎ মোবাইলে রিং হলো। রিসিভ করলোনা ফাহিম। তারস্বরে খানিক চিৎকার করে ক্ষ্যান্ত দিলো ওটা। এই একটা জিনিস,মোবাইল-এখনো ত্যাগ করেনি ফাহিম। কেন নিজেই জানে না। প্রতিদিন কয়েকটা ফোন আসে । ধরে না ও। হাওয়ায় উড়ে একটা কাগজ এসে মুখে লাগলো। লেখা ‘নাহিন শুধু আমার’। হাসল ও। নাহিন আমার থাকবেনা। হয়ে যাবে অন্য কারো। যতোই ভালোবাসা থাকুক,মরা মানুষকে বেশিদিন কেউ মনে রাখেনা। ভাবতেই ক্রোধে ফুঁসে উঠলো ভেতরটা। না, নাহিনকে ছেড়ে আমি যাবো না।ওকে ছাড়া আমার কোনো মতেই চলবেনা। অসহায়ের মতো ভাবনাটা অস্থির করে তোলে ফাহিমকে।
‘মরতে হবে নাহিনকেও!’ বিদ্যুৎচমকের মতো ভাবনাটা অবশ করে দেয় ফাহিমকে। ম্যানিয়াক বলে গাল দেয় নিজেকে।এতোটা নীচ চিন্তা কিভাবে মাথায় এলো ওর। সন্দেহ নেই পাগল হয়ে গেছি আমি,ভাবলো ফাহিম। নইলে নিজের জীবনের চেয়ে বেশি প্রিয় যে তাকে খুন করার কথা ভাবে কেউ?

আগামী পর্বে সমাপ্য]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29117943 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29117943 2010-03-17 02:01:56
যারা স্বাক্ষর করেছেন তাদের প্রতি..... এই পদক্ষেপের সাথে যারা একাত্বতা জানিয়েছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলছি-

আপডেট
১৩৯ জন ব্লগার স্বাক্ষর করেছেন। আজ কিছুক্ষনের মধ্যেই চিঠি আকারে পোস্ট আসছে। স্বাক্ষরকারীদের প্রতি বিনম্র অনুরোধ, নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য করুন।


১. স্বাক্ষর কালেকশন করার পর পরবর্তী পদক্ষেপ হতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ বরাবর চিঠি জ্ঞাপন। আপনার সহযোগিতা কাম্য।
২. যখনি চিঠি আকারে আমার পোস্ট আসবে, দয়া করে সেই ক্ষন হতে প্রথম পাতায় কোনো পোস্ট দেবেন না।
৩. পোস্টটি যতো বেশি সময় সম্ভব প্রথম পাতায় রাখার চেষ্টা করুন।

এই প্রক্রিয়ায় এ পর্যন্ত আপনাদের স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহন আমাদের উৎসাহী করেছে। আশা করছি, ভবিষ্যতেও সাথে থাকবেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29115269 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29115269 2010-03-13 02:14:37
রইলো বাকী ৭..... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> সাময়িক কাউন্টডাউন.....আপডেটেড

আর মাত্র ৮ জন এর সহযোগীতা প্রয়োজন।

হাতে সময় থাকলে প্লিজ একটু ঘুরে আসুন।

স্বাক্ষরকারীদের নাম দেখুন এখানে

এখানে স্বাক্ষর দিয়ে আসুন

ধন্যবাদ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29114538 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29114538 2010-03-11 23:24:25
দ্বৈরথ.... (অণুগল্প) যুবক তার প্রতিপক্ষের শক্তি সম্বন্ধে যথেষ্ঠ ওয়াকিবহাল। বারংবার সেই শক্তির পরাকাষ্ঠা দেখতে হয়েছে তাকে। তাই এখন আর লড়তে ইচ্ছে করেনা। মনে হয়, এতো অসম লড়াই। এ লড়াইয়ে কে জিতবে তা নির্ধারন করা আছে।
তবু না চাইলেও লড়তে হয় ওকে। কারণ, উপায় নেই। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালাবার নিয়ম নেই। এখানে নিয়মটা আরো কঠিন। হয় মারো, নয়তো মরো নয়। হয় জিতো নাহয় হারো, মরা চলবেনা। ক্লকওয়াইজ যুদ্ধ চলতেই থাকবে। মরে গেলেই দর্শক কাপুরুষের খেতাব দিয়ে দেবে।
যুবকের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে। ক্লান্ত, পর্যদুস্ত দেহটা যেন বিদ্রোহ করে উঠে। বলে- অনেক হয়েছে, এবার ক্ষান্ত দাও। লড়াইটা কিভাবে যেন দিন দিন আরো কঠিন হয়ে যাচ্ছে। দর্শক সারিতে বসা চিরচেনা মুখগুলো, যেগুলো প্রেরনা দিতো। চিৎকার করতো- কাম অন, হিট হিম...ইয়েস, ইউ ক্যান ডু ইট!!!
তাদেরকে দেখতে পায়না সে। বড়ো অসহায় লাগে। তাই যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালাবার ইচ্ছা করে। কিন্তু পরক্ষনেই দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ নামের আলপিনটা খোঁচাতে শুরু করে। তাই অনিচ্ছা সত্বেও উঠে দাঁড়াতে হয়।

দৈত্য চলে যাচ্ছে। লড়াই বোধহয় এবারের মতো শেষ হতে চললো। ডিসপ্লেতে নাম দেখা গেলো....দৈত্যের নাম... ''নিয়তি'' উইন।
পরাজিত যুবক তার ঠোঁট থেকে রক্তের ধারা মুছতে মুছতে বাড়ির পথ ধরলো। তৈরী হতে হবে আরেকটি লড়াইয়ের জন্য।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29113989 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29113989 2010-03-11 00:48:29
একটু নজর দিন.....আপনাদের সহযোগীতা দরকার। (রিপুস্ট) এই লিংক থেকে ঘুরে আসুন

যারা প্লাস দিয়ে যাচ্ছেন, তারা লিংকের পোস্টটিতে নিজের স্বাক্ষর দিয়ে আসুন প্লিজ। প্রয়োজনীয় জিনিস ওটাই।
গতকালকের পোস্ট এটা। এ পর্যন্ত ৪৩ জন ব্লগার সমর্থন দিয়েছেন। জানি আরো অনেকেই দেবেন। তাই লিংক দিলাম। এ পর্যন্ত যারা সমর্থন দিয়েছেন তারা হলেন-

১. নিরব হাসি
২. রাজিব খান
৩. হাইফেন
৪.কাঠের খাঁচা
৫. স্বপ্নকথক
৬. তায়েফ আহমেদ
৭. শিমুল আহমেদ
৮. বাবুল হোসাইন
৯. রাজসোহান
১০. ছন্নছাড়ার পেন্সিল
১১. সত্য কথা তিতা লাগে
১২. রিসাত
১৩. কালোজাম
১৪. বিষন্ন নীল
১৫. মইন উদ্দিন
১৬. গরম কফি
১৭. ওরাকল
১৮. হা..হা..হা..
১৯. আহমেদ রাকিব
২০. হ্যামিলনের বাঁশীওয়ালা
২১. বোহেমিয়ান কথকথা
২২. একরামুল হক শামীম
২৩. তামিম ইরফান
২৪. নিঃসঙ্গ যোদ্ধা
২৫. আরিফুর রহমান
২৬. আবদুর রাজ্জাক শিপন
২৭. তুষারকনা
২৮. ইয়েন
২৯. ডিডু
৩০. জেরী
৩১. দুরন্ত স্বপ্নচারী
৩২. কুঁড়ের বাদশা
৩৩. অজানা আমি
৩৪. পৃথিবীর আমি
৩৫. আমি এবং আঁধার
৩৬. পাহাড়ের কান্না
৩৭.নীলাদ্র
৩৮. অমি রহমান পিয়াল
৩৯. টেকনলজি
৪০. নাজমুল আহমেদ
৪১.সাধারন মানুষ
৪২. বিপরীত স্রোত
৪৩. সিউল রায়হান

আপনাদের সহযোগীতা দরকার। আমাদের উদ্দেশ্য সেই সব ব্লগারকে ফিরিয়ে আনা। স্বাক্ষর দিয়ে আসুন প্লিজ। স্বাক্ষর মোটামুটি একটা অ্যামাউন্টে পৌঁছালে তারপর কর্তৃপক্ষ বরবার চিঠি দেবো। ব্লগে অবশ্যই। এভাবে শান্তিপূর্নভাবে কর্তৃপক্ষের কাছে আমি আমার দাবি জানাচ্ছি। আসুন সবাই মিলে আমরা সেইসব ব্লগারদের ফিরিয়ে আনি, যাদের পদচারনায় মুখর থাকতো ব্লগ।
পোস্ট আপডেট হবে।
আজ স্বপ্নকথকের একটি পোস্ট দেওয়ার কথা। সেখানেও সবার সহযোগিতা চাইছি।

*** এই পুস্টটা ড্রাফট করে রিপোস্ট করতে চাইছিলাম। কি এক আশ্চর্য কারনে আসেনা। কিন্তু অন্য কটেন্টে পোস্ট লিখে টেস্ট করে দেখলাম, ঠিকই প্রথম পাতায় এলো। এটা বাগ নাকি বাঘ??]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29111947 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29111947 2010-03-07 21:04:28
একটু নজর দিন.....আপনাদের সহযোগীতা দরকার। অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছি। ১০০ জনের টার্গেট ছিলো। লক্ষ্যমাত্রা ক্রস করেছে। এ পর্যন্ত ১৫২ জন স্বাক্ষর করেছেন। তারা হলেন.....

১. নিরব হাসি
২. রাজিব খান
৩. হাইফেন
৪.কাঠের খাঁচা
৫. স্বপ্নকথক
৬. তায়েফ আহমেদ
৭. শিমুল আহমেদ
৮. বাবুল হোসাইন
৯. রাজসোহান
১০. ছন্নছাড়ার পেন্সিল
১১. সত্য কথা তিতা লাগে
১২. রিসাত
১৩. কালোজাম
১৪. বিষন্ন নীল
১৫. মইন উদ্দিন
১৬. গরম কফি
১৭. ওরাকল
১৮. হা..হা..হা..
১৯. আহমেদ রাকিব
২০. হ্যামিলনের বাঁশীওয়ালা
২১. বোহেমিয়ান কথকথা
২২. একরামুল হক শামীম
২৩. তামিম ইরফান
২৪. নিঃসঙ্গ যোদ্ধা
২৫. আরিফুর রহমান
২৬. আবদুর রাজ্জাক শিপন
২৭. তুষারকনা
২৮. ইয়েন
২৯. ডিডু
৩০. জেরী
৩১. দুরন্ত স্বপ্নচারী
৩২. কুঁড়ের বাদশা
৩৩. অজানা আমি
৩৪. পৃথিবীর আমি
৩৫. আমি এবং আঁধার
৩৬. পাহাড়ের কান্না
৩৭.নীলাদ্র
৩৮. অমি রহমান পিয়াল
৩৯. টেকনলজি
৪০. নাজমুল আহমেদ
৪১.সাধারন মানুষ
৪২. বিপরীত স্রোত
৪৩. সিউল রায়হান
৪৪. সবাক
৪৫. অরন্যচারী
৪৬. খারেজি
৪৭. আলী আরাফাত শান্ত
৪৮. অপরিচিত_ আবির
৪৯.আমিও মানুষ
৫০. ম্যাঙ্গো পিপল
৫১. ভাঙ্গন
৫২. রনি রাজশাহী
৫৩. আগলিআগলি
৫৪.বিগ ব্রাদার
৫৫. ঘুমরাজ
৫৬. মোসতাকিম রাহী
৫৭. বিডি আইডল
৫৮. চতুষ্কোন
৫৯. স্বাগত
৬০.রকিবুল আলম
৬১. সাগর ঢাকা
৬২. মাহমুদ হোসেন
৬৩. ফারহান দাউদ
৬৪. তানিয়া মুন
৬৫. নিবিড় অভ্র
৬৬. মোতাব্বির কাগু
৬৭. এইচ এম পারভেজ
৬৮. স্বপ্নপূরন
৬৯. লালসালু
৭০. না বলা কথা
৭১. খোশনবিশ
৭২. বাবুনি সুপ্তি
৭৩. হাসান মাহবুব
৭৪. হোরাস
৭৫. অমিত চক্রবর্তী
৭৬. ফিউরিয়াস ওয়ান
৭৭. নাজিম উদ্দিন
৭৮. বিশ্বমিত্র
৭৯. নষ্ট ছেলে
৮০. সামিউর
৮১. সন্ন্যাসী
৮২. মোজাম্মেল
৮৩. সমর্পন
৮৪.বিলুপ্ত বৃশ্চিক
৮৫. আশীফ এন্তাজ রবি
৮৭. আমড়া কাঠের ঢেঁকি
৮৮. রোবোট
৮৯. তীরন্দাজ
৯০. শ্রাবন এর বৃষ্টি
৯১. বৃত্তবন্দী
৯২. কিপটে
৯৩. শামসীর
৯৪.পরশমনি
৯৫.নৈশচারী
৯৬.ফ্লাইওভার
৯৭.সায়েম মুন
৯৮.ইব্রাহিম আহমেদ
৯৯.সোহানুর রহমান
১০০.চঞ্চল১
১০১.গডফাদার ০২
১০২.প্রণব আচার্য্য
১০৩. তারার হাসি
১০৪. জোবাইর
১০৫. প্রবাসী রনি
১০৬. সন্দীপন বসু মুন্না
১০৭.হুমায়ূন কবির হাকিম
১০৮. হাম্বা
১০৯. মেঘ শূন্য দিন
১১০. শয়তান
১১১. এস এম শাখাওয়াত আহমেদ
১১২. ফাহাদ চৌধুরি
১১৩. নরাধম
১১৪. রাতমজুর
১১৫. হেমায়েতপুরী
১১৬. শ্রাবনের ফুল
১১৭. কোর আই সেভেন
১১৮. মেঘ রোদ্দুর
১১৯. সমুদ্র কন্যা
১২০. জীবনানন্দ দাশের ছায়া
১২১. সিটিজি৪বিডি
১২২. নীল ভোমরা
১২৩.আতেল তাপস
১২৪.সাইফ বাঙালি
১২৫.সিস্টেম ইন্জিনিয়ার
১২৬.কালের কুতুব
১২৭.নস্টালজিক
১২৮.নতুন রাজা
১২৯.ঈশান হাওয়া
১৩০.ইন্জিনিয়ার
১৩১.রাতপ্রহরী
১৩২.প্রতিক্ষা
১৩৩.কালীদাস
১৩৪.সাব্বির হোসেন শুভ
১৩৫.বিবর্তনবাদি
১৩৬.রাহা
১৩৭.মিটুলসন্ধানী
১৩৮.স্বপ্নজয়
১৩৯.মতিউর রহমান সাগর
১৪০. রুদ্র তুফান
১৪১. পলাশ৭৯
১৪২.কাকলাশ
১৪৩.ফারজান ওয়াদুদ
১৪৪.হু কেয়ারস
১৪৫.হাসান শহীদ ফেরদৌস
১৪৬.বৈদ্যূতিক আঘাত
১৪৭.যোগী
১৪৮.তাহসিন আহমেদ
১৪৯.মনপবন
১৫০.হিমু ব্রাউন
১৫১.ভোরের কুয়াশা
১৫২. জোকার ৬৬৬

আপনাদের সহযোগীতা দরকার। আমাদের উদ্দেশ্য সেই সব ব্লগারকে ফিরিয়ে আনা। স্বাক্ষর দিয়ে আসুন প্লিজ। স্বাক্ষর মোটামুটি একটা অ্যামাউন্টে পৌঁছালে তারপর কর্তৃপক্ষ বরবার চিঠি দেবো। ব্লগে অবশ্যই। এভাবে শান্তিপূর্নভাবে কর্তৃপক্ষের কাছে আমি আমার দাবি জানাচ্ছি। আসুন সবাই মিলে আমরা সেইসব ব্লগারদের ফিরিয়ে আনি, যাদের পদচারনায় মুখর থাকতো ব্লগ।

পোস্ট আপডেট হবে।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29111869 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29111869 2010-03-07 18:41:04
নিরাপদ ব্লগিংয়ের পৌনে তিন বছর - এবার একটু নড়েচড়ে বসি... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> না, এটা পৌনে বর্ষপূর্তি পোস্ট নয়। শুধুমাত্র নিজের বিবেকের কাছে পরিষ্কার থাকার জন্য এ পোস্টের অবতারনা। আশা করি সমমনা ব্লগারদের সহযোগিতা পাবো।

ফেইসবুকে বিমা ভাইয়ের সাথে (বিষাক্ত মানুষ) কথা হলো। বললাম, তার ফিরে আসা উচিত। উত্তরে তিনি বললেন- আমাকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করে দিয়েছে।
জানতাম তাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে শুনে মাথায় রক্ত চড়ে গেলো। শুধু তাকে নয়, হাসিব, তনুজা সহ আরো অনেক বিখ্যাত ব্লগারদের ব্লগিং বন্ধ করে দিয়েছে সামু কৃর্তৃপক্ষ। আপনার সবাই তা জানেন।
এই ব্লগটির মডারেশন নিয়ে অনেকে অনেকরকম সমালোচনা করেছে। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। কিছু গৃহপালিত ব্লগারই নাকি মডারেশনের সাথে যুক্ত আছে। জানিনা কতোটুকু সত্য। ব্লগটির জন্মলগ্ন থেকে আছি বলেই হঠাৎ করে মনে হলো, এসব ব্যান কতোটুকু যু্ক্তিযুক্ত তার একটা ব্যাখ্যা দেবার প্রয়োজন আছে কর্তৃপক্ষের।
সামুতে প্রতিদিনই নিত্য নতুন ব্লগাররা অন্তর্ভূক্ত হচ্ছেন। তাই পুরোনোরা চলে গেলেও কিছু আসে যায়না। ব্লগ তো জমজমাট, একেবারে রমরমা। কে চলে গেলো, কেন গেলো এসব নিয়ে ভাবার সময় কোথায়???

ভাবা উচিত। কর্তৃপক্ষের ভাবা উচিত। কারন, হাসিব, বিমা সহ আরো অনেক প্রথিতযশা ব্লগার এই ব্লগটিকে শুরু থেকেই অনেক কিছু দিয়ে এসছেন। কয়টা নিক ছিলো সামুতে প্রথমদিকে? দিনরাত তারাই তো ব্লগ মাতিয়ে রাখতেন। তখনকার ব্লগিংয়ের সাথে যারা যুক্ত ছিলো, তারা বলতে পারবে এই লোকগুলোর ব্লগিং ব্লগকে অন্যমাত্রা দিয়েছিলো।
নতুন ব্লগাররা অন্যভাবে নেবেন না প্লিজ। আমি হয়তো পুরোনোদের নিয়ে একটু বেশিই আদিখ্যেতা দেখাই। নিজগুনে ক্ষমা করে দিবেন।
জবাবদিহিতা জিনিসটা না থাকলে যা হয়, সামুর ক্ষেত্রেও তার ব্যতয় হয়নি। মর্জিমতো ব্লগ বন্ধ করে দিচ্ছেন, কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই। বন্ধ করবেন ঠিক আছে, কিন্তু তার যুতসই কারনও দেখাতে হবে। কারণ, যাদের জন্য আপনাদের ব্লগের এ ভরা জোয়ার, সেই সব ব্লগারদের অন্তত এটুকু জানার অধিকার আছে, কেন হঠাৎ করেই তাদের ব্লগিংয়ে হস্তক্ষেপ করা হলো।
সামুকে ভালোবাসি, সেই সাথে ভালোবাসি যারা সামুকে জনপ্রিয়তা দিছেন সেইসব মানুষগুলোকেও। আনব্যান করুন তাদের, অনুরোধ রইলো।

**যারা আমার সাথে একমত, তারা মন্তব্যের ঘরে একাত্মতা জানান প্লিজ। আপনাদের সহযোগিতা দরকার। @ ব্লগারগন **পোস্ট হয়তো মুছে যাবে। আমাকে জেনারেল করা হবে হয়তো। তবে কোনো কিছু করার আগে কোন পয়েন্ট থেকে কথাগুলো বলেছি, ভেবে দেখবেন @ কর্তৃপক্ষ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29111399 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29111399 2010-03-06 23:28:08
এখন থেকে যদি দ্বিতীয় কোনো দলকে সাপোর্ট করি..---সাময়িক ভালোবাসাবাসির আজকের এই দিনে আমার এই পোস্টটা অফটপিক মন্তব্যের মতোই মনে হতে পারে অনেকের কাছে। ভ্যালেন্টাইনস ডে নিয়ে অনেকে অনেক কিছু লিখছেন। আমি না লিখলেও সমস্যা নাই।
প্রথম আলো নিয়মিত পড়ি। বিশেষ করে খেলার রিপোর্টগুলো ভালো লাগে বলে। বাংলাদেশের নিউজিল্যান্ড সফরের খুঁটিনাটিগুলো পড়ছিলাম কয়েকদিন ধরে। কেমন খেললো, কেমন খেলবে সেই কমন ব্যাপারগুলো ছাপিয়ে যে বিষয়টি আমার দারুনভাবে দৃষ্টি কাড়লো, সেটা হচ্ছে নিউজিল্যান্ড দলটির খেলোয়াড় থেকে শুরু করে মিডিয়া পর্যন্ত সবার বাংলাদেশ দলের প্রতি সমীহের দৃষ্টি। বাংলাদেশ দল তিনটি ওয়ানডে এবং একমাত্র টি-টোয়েন্টিতে হেরেছে। এর পরেই শুরু হচ্ছে টেস্ট সিরিজ। কিন্তু নিউজিল্যান্ডাররা মোটেও হালকা ভাবে নিচ্ছেনা বাংলাদেশকে। বরঞ্চ শেষ ওয়ানডেতে ইমরুলের সেঞ্চুরিতে ধাত্স্থ বাংলাদেশ এবং বোলিংয়ে ঝড় তোলা পেসারদ্বয়ের গতি নিউজিল্যান্ডারদের সমীহ আদায় করতে সক্ষম হয়েছে। ওয়ানডেতে যা খেলেছে আমাদের দল, তাতে করে শেবাগের মতো দাম্ভিক খেলোয়াড় হলে, স্রেফ উড়িয়ে দিতো বাংলাদেশকে। অ্যারোরা নামে এক কলাম লেখক অবশ্য সেটাই করতে চাইলেন। তিনি বললেন- গতবার খেলে যাওয়া দলটির চাইতেও খারাপ এবারের দল। নিউজিল্যান্ডের নাকি এ দলের সাথে খেলাই উচিত নয়। উত্তরে সিডন্স তো মহা খ্যাপা। স্বাভাবিক। কিন্তু নিউজিল্যান্ড দলের খেলোয়াড়রা কি বলছেন শুনন- সাবেক উইকেটকিপার ক্রিস মার্টিন তো উল্টো টিটকারি মেরে বললেন, ‘কলাম-টলাম লিখলে এমন কিছু বলতেই হয়।’ তৃতীয় ওয়ানডের বাংলাদেশই নাকি মার্টিনের কাছে আসল বাংলাদেশ। প্রথম দুটি ওয়ানডেতে অমন খারাপ করার কারণ খুঁজে পেতেও সমস্যা হয়নি তাঁর, ‘কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ না খেলাটা বাংলাদেশের বড় ভুল হয়েছে। একটু মানিয়ে নেওয়াতেই তৃতীয় ওয়ানডেতে অমন খেলেছে ওরা।

সরাসরি পূর্বসূরির ওই মন্তব্য ব্রেন্ডন ম্যাককালামেরও পছন্দ হয়নি, ‘পাঁচ বছর বাংলাদেশের সঙ্গে খেলবনা— ধেত্, এটা একটা কথা হলো নাকি! তাহলে তো আমাদের সঙ্গেও অনেক দল না খেলতে চাইতে পারত। আমাদেরও অনেক খারাপ সময় গেছে।’
তরুণ এই বাংলাদেশ দলে প্রতিভার ঝলক দেখে ম্যাককালাম বরং মুগ্ধ, ‘প্রতিভাবান দল, দারুণ আক্রমণাত্মকও, ভয়-ডরহীন ক্রিকেট খেলে। এর সমস্যা হলো, এটা কখনো ক্লিক করে, কখনো করে না। আমি তো আমাদের দলের সবাইকে বলছি, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আমাদের ঠিক ওদের মতোই খেলা উচিত। প্রথাগত খেলা খেলে তো আমরা অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে পারব না।’
তাই নাকি? অন্তত একটা জায়গায় বাংলাদেশকেও তাহলে অনুসরণীয় ভাবছে নিউজিল্যান্ড!

বুঝে দেখুন, অস্ট্রেলিয়ার সাথে বাংলাদেশকে মেলাতে এতোটুকু কার্পন্য করছেনা তারা। অথচ টেকো মাথার দাম্ভিক বুড়ো হাবড়া নাকি গলা শেবাগ কি তাচ্ছিল্যটাই না করে গেলো। মনে মনে শিশুসুলভ একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি। এখন থেকে দ্বিতীয় কোনো দলকে যদি সাপোর্ট করতে হয়, সেটা নিউজিল্যান্ড। <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29098023 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29098023 2010-02-15 01:56:14
বেয়াকুফের অ্যাভাটার দর্শন এবং রিভিউ লিখার অপচেষ্টা। <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_31.gif" width="23" height="22" alt=":#)" style="border:0;" /> শিরোনামে ধোঁকা খাইবেন না ভাইডি। রিভিউ লিখা এই বেয়াকুফের কম্ম নয়। <img src=)" style="border:0;" />


বিডি ভাইয়ের ডিভিডি লিংক পাইয়া ডাউনলোডাইছিলাম। দেখতে বইয়া গেলাম গতরাইত। ছবি শেষ হইবার পর তাজ্জব আমি টাশকিত হইয়া ভাবিলাম, এই ছবি দেখার আগে এক বালতি গাঁঞ্জা লইয়া বওন আছিলো। <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

আমাগো মন্না পানির মইদ্যে বাঁশী বাজাইলেই দোষ। গাঁজাখুড়ি বইলা গাইল পাড়ে সবাই। কিন্তু এই ছবিগুলা তো গাঁজার একশেষ। কি কন??<img src=" style="border:0;" />



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29092571 http://www.somewhereinblog.net/blog/Baadshablog/29092571 2010-02-06 23:51:24