ব্লগার “জাতক” সাহেবকে এবং অন্যান্য ব্লগার ভাইদের জন্য মহা জাতক প্রসংগেঃ
৪ বছর পুরবে আমার শরীর যখন প্রথম খারাপ লাগাছিল তখন আমি সি এম এইচ, ঢাকাস্থ্ এপলো হাসপাতালে-এ বিভিন্ন ধরনের টেস্ট করাই-কিন্ত সঠিক cancer diagnosis হচ্ছিলনা। তখন মহা জাতকের এক চ্যালা আমাকে তার কাছে নিয়ে যায়। উনি আমাকে দেখে অনেক উপদেশ দিলেন। শেষে একটা রত্ন পাথর ব্যাবহার করার জন্য বললেন এবং পাথরের নামটা সাংকেতিক ভাবে লিখে দিলেন যা আমি ইউজ করলেই ভাল হয়ে যাব বললেন। আমাকে ওই পাথরটা কিনে নিতে বললেন। আমি বিভিন্ন দোকানে ওই পাথর খুজি-কোথাও পাইনা। আমি জয়পুর (ইন্ডিয়া) যাই, কলম্বো যাই এমন কি মিযানমার যাই-কেউ ওই পাথরের নাম জানেনা। আমি ওনার সেই চ্যালাকে নিয়ে আবার যাই মহা জাতকের কাছে। তিনি বল্লেন-এটা খুব রেয়ার একটা পাথর-জা সচারচর পাওযা যায়না। তবে উনি আমাকে কালেক্ট করে দিতে পারবেন। আমাকে দাম বললেন ২ লক্ষ টাকা। আমি রাজী হইনা। আমার বৌ গোপনে জাতকের চ্যালাকে নিয়ে দড় দাম করে এক লক্ষ টাকা তার হাতে তুলে দেন এবং কিছু দিন পর আমাকে একটা পাথর দিয়ে বলেন-এই পাথর কোথায় পেয়েছেন এবং এর দাম কাউকে বলবেন না। আমি আমার বৌ’র বোকামী বুঝেও পাথরটা নিতে এবং ব্যাবহার করতে বাদ্ধ হই।
এদিকে আমার শরির চরম খারাপ হতে থাকে। তারপর আমি সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিযাবেথ হস্পিটালে যাই। সেখানে কনফারম করে আমার বোন ক্যন্সার। আমি ২৪ দিন চিকিতসা নিয়ে দেশে ফিরি। কিছু দিন পর আমার শরীর আরো খারাপ হয়, ওই সময় আমি মানষিক ভাবে ভেঙ্গে পরি। আমি আবারো মাউন্ট এলিযাবেথে এডমিট হই এবং ২ মাস থাকি। আমি ৫০% সুস্থ্য হয়ে ব্যাবসায়ীক কাজে ইন্ডিয়া যাই। তখন ওই পাথরটা দিল্লীর নাম করা একটা রত্ন পাথরের দোকানে দেখাই। তারা gems stone testing machine দিয়ে test করে জানান-এটা একটা ভুয়া অতি সাধারন পাথর! তারপর আমি সিঙ্গাপুর এমনকি বাংলাদেশে gems stone testing machine দিয়ে test করাই, সবাই বলেছে-ওটা একটা অরডিনারী পাথর-যার মুল্যমান কমলাপুর রেল লাইনের পাথরের চাইতেও কম!
মহা জাতক প্রসংগে আরো অনেক কাহিনী আছে যা আমি লিখতে পারলাম্ না সময় এবং বাংলা ভালো লিখতে না পারার জন্য।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


