একটি জ্যান্ত কৌতুকঃ-
ঢাকাস্থ্য সামহোয়ার পাড়ায় মধ্যবয়স্ক একটা লোক।কোরবানীর গরুর কিম্বা লালবাগের নান্নু মিয়া বাবুর্চীর মত দশাসই চেহারা।পরনে চেক শার্ট, চোখে চশমা। লোকটাকে অনেক মানুষ ধাওয়া করে তাড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে( দৌড়ে পালানো লোকটার একটা নাম দেয়া দরকার। ঠিক আছে-মনে করা যাক তার নাম ছাতু) ছাতু দৌড়াচ্ছে, পিছনে অনেক মানুষ । কারো হাতে ঝাড়ু, কারো হাতে স্যান্ডাল......... দৌড়াতে দৌড়াতে একপরযায় পাবলিক ছাতুরে ধইরা গণ ধোলাই দেয়া শুরু করে। ছাতুর পরনের কাপড় চোপড় সব ছিড়ে একদম দীগম্বর অবস্থা। তারপরো পাবলিকের আক্রোশ কমেনা। এক পর্যযায় ছাতুর অন্ডোকোষ ছিড়ে নিয়ে যায় পাবলিক!
ছাতু কেতাইতে কেতাইতে চিকিতসার জন্য সামহোয়ার পাড়ার সাধুবাবা, কানা বাবা, সাঁইজী, ভন্ড বাবার কাছে যায়-তার সেই ছিড়ে নিয়ে যাওয়া শ"জিনিষ"টা জোড়া লাগানোর জন্য। সব বাবারাই ছাতুরে চ্যালা কাঠ দিয়া পেটায়-যেমন করে পিটিয়েছিল দাঊদ হায়দার'কে। শেষমেশ ছাতু ডাঃ আইজুদ্দিনের কাছে গিয়ে হাজির। ডাঃ আইজুদ্দিন ছাতুর কস্ট দেখে চিকিতসা করতে রাজী হয়। অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ডাঃ আইজুদ্দিন সিদ্ধান্ত দিলেন- "তোমার ঐ জিনিষ লাগানো জাইবো। তবে ঐ জিনিষ পাইবা কই? কোন মানুষতো তোমারে ঐ জিনিষ দিবনা"।
ছাতু কান্না করে বল্ল-"ডাঃ স্যার, একটা ব্যাবস্থা করে দ্যান"।
ডাঃ আইজুদ্দিন বল্লেন-"একটা উপায় আছে, কোন একটা কুকুরের অন্ডকোষ কেটে তোমার জায়গামত লাগাইয়া দিমু"।
ছাতু মিয়ার বিকল্প কোন উপায় ছিলনা। ডাক্তার শেষ পর্যন্ত ছাতু মিয়াকে কুকুরের অন্ডকোষ লাগিয়ে দিল এবং সাত দিন পর দেখা করতে বলল।
সাত দিন পরঃ
ডাঃ আইজুদ্দিনঃ-"কি ছাতু মিয়া, সব ঠিক আছেতো, নাকি কোন অসুবিধা আছে"?
ছাতুঃ না স্যার, সবি ঠিক আছে... তবে.....................
ডাঃ আইজুদ্দিনঃ-"তবে কি? খুলে বলো..............."
ছাতুঃ "স্যার, প্রশ্রাব করার সময় কুকুরের মত আমার একটা ঠ্যাং জাইগা যায়........."
ডাঃ আইজুদ্দিনঃ হারামজাদা, এবার তবুও তোর ঠ্যাং যাগাইয়া পার পাইছোস, ভবিষ্যতে অমন কিছু করলে-তোর ঠ্যাং ঠোং সব হারাবি.........

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

