Click This Link
Click This Link
http://www.youtube.com/watch?v=XOlDfgZKT3Y
আলোচিত বলিউড তারাকাদের অভিনয় দক্ষতা নিয়ে কথা নয়। তারা যে মুসলিম নামধারী মোনাফেক সেটাই বড় কথা। নিম্নে শাহরুখ খানের বিষয় তুলে ধরা হল;
********************
ইন্টারনেটে শাহরুখ খানের ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডের বহু সচিত্র প্রতিবেদন রয়েছে। প্রচারের অভাবে তা সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে না। নিম্নে তার কিছ অংশ তুলে ধরা হলো-
১. শাহরুখ খানের স্ত্রী হিন্দু। ইউটিউবের একাধিক ভিডিওতে শাহরুখের ধর্মীয় আচার তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে দেখানো হয়েছে, তার বাসায় বড়-সড় পূজার বেদী। তাতে সিঁড়ির মতো ধাপ। উপরের ধাপে হিন্দুমূর্তি, নিচের ধাপে কুরআন শরীফ। নাঊযুবিল্লাহ! মূর্তির নিচে কুরআন শরীফ রেখে সে পরে মূর্তিপূজা শুরু করলো বিসমিল্লাহ বলে। আস্তাগফিরুল্লাহ!
২. ইউটিউবের আরেকটি ভিডিওতে দেখানো হয়েছে, শাহরুখের মতে- ইতিহাসে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অবস্থান, চার্চিল ও হিটলারের ন্যায় খারাপ। নাঊযুবিল্লাহ! পরবর্তীতে শাহরুখ আত্মপক্ষ সমর্থন করে এই বলে যে, যে পত্রিকায় তার সাক্ষাৎকার ছাপা হয়েছিলো তা ভুলভাবে ছাপা হয়েছে। সে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ বলেই উল্লেখ করেছিলো। চার্চিল বা হিটলারের সাথে তুলনা দেয়ার ব্যাপারে শাহরুখ কোনো কথা বলেনি। অর্থাৎ সে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে তাদের ন্যায় মনে করে। নাঊযুবিল্লাহ!
৩. টুইটার ফেসবুকের মতো একটি ওয়েব সাইট যেখানে শাহরুখের মতো বোম্বের অভিনেতারা নিজেদের মতামত তুলে ধরে ভক্তদের কাছে। বাবরী মসজিদের জমি হিন্দুদের দুই তৃতীয়াংশ দেয়া সম্পর্কে সে কোনোরকম চু-চেরা ছাড়াই হিন্দুদের সমর্থন করেছে। সে টুইটারে গোটা ভারতীয় মুসলমানদের উদ্দেশ্যে তার মতোই কোনোরূপ বাক্য ব্যয় ব্যতীত এ রায় মেনে নিতে বলেছে।
সূত্র: দেখুন কীভাবে সে মূর্তির পায়ের কাছে কুরআন শরীফ রেখেছে(নাউযুবিল্লাহ)
Click This Link
http://www.youtube.com/watch?v=uSWYI9W_YQg
কৃতজ্ঞতায়;
http://sonarbangladesh.com/blog/buet13/36593
******************************
অনেকেই দ্বি-জাতিতত্তকে নিয়ে কটাক্ষ করেন। আরে ১৯৭১ সালে আমরা পাকিস্তান হতে স্বাধীন হয়ে বাংলাদেশ করেছি, কিন্তু ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করিনি। আমাদের যুদ্ধ ছিল পাকিস্তনের অন্যায়, জুলুম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে। ভারতের ২০ কোটি মুসলমান সব সময় চাপের মধ্যে থাকেন। এই সকল মুসলমান নাম ধারী শাহরুখ ও ক্যাটরিনাদের মত বলিউডের শীর্ষ কিছু তারকারা যখন হিন্দু ধর্মও পালন করেন তখন উগ্রবাদী হিন্দুরাতো বটেই সমাজের সাধারণ হিন্দুরাও সাধারণ মুসলমানদের উদ্দেশ্য করে এই বলে যে তোমাদেরও বিভিন্ন পুজায় অংশগ্রহণ, বিভিন্ন পৌত্তলিক কালচার পালন করতে বলে এবং বিশেষ করে গণেশের মূর্তি ঘরে রাখা উচিত। তখন স্রেফ দেওবন্দ মাদ্রাসা, দিল্লীর জামে মসজিদের ইমাম ও গুটি কয়েক ইসলামী দলের নেতারা ছাড়া কার পক্ষে এই অন্যায় আবদারের বিরুদ্ধে তেমন কাউকে দাড়াতে দেখা যায় না। সেখানে অহরহ মুসলমানদের হত্যা-নির্যাতন-জুলুম, ধর্ষণ, জমি ও সম্পদ লুন্ঠন হচ্ছে। ১৯৯২ সালে বাবড়ী মসজিদ ভাঙ্গা ও বোম্বের এবং ২০০২ সালে গুজরাটের মুসলমানদের গণহত্যা। অনেকে বলেন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্মিলিত ভাবেও সেখানে বেশী মুসলমান আছে। কিন্তু দেখেন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে আনুপাতিক হারে কয়জন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার সহ কতজন মুসলিম স্কলার ভারতে আছে। ভারতে জনসংখ্যার অনুপাতে সরকারী-বেসরকারী চাকুরীতে মুসলমানদের অংশ দূরে থাকুক শিক্ষিতের হারও অনেক কম। তার উপর দরিদ্র মুসলমানদের সংখ্যাও বিশাল। আজকে তাদের অবস্থাও আরও খারাপ হত যদি ৪৭ সালে ভারত বিভাজন না হত। ভারতীয় মুসলমানরা আজকে এই বলে সেখানে কংগ্রেস সহ অন্যান্যদের চাপ দেয় যে দেখ বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মুসলমানগণ আমাদের তুলনায় কত ভাল আছে। যার দরুণ ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ২০০৫ সালে বিচারপতি রাজিনন্দর শেখর কে দিয়ে একটি কমিশন গঠন করান এবং সে মুসলমানদের দেশ স্বাধীন হতে আজ পর্যন্ত কি অবস্থায় আছে তার জন্য অনুসন্ধান চালাতে বলেন।
Justice Rajinder Sachar
এর প্রায় ২০ মাস পরে বিচারপতি শেখর তার এই অনুসন্ধানী রিপোর্ট দাখিল করেন। রিপোর্টে ভারতীয় মুসলমানদের করুন অবস্থা তুলে ধরা হয়। বিচারপতি শেখর বলেন যে ৪৭ সালের পরে বিভিন্ন সরকার গুলোর(বেশীর ভাগ সময়ই কংগ্রেস) চরম অবহেলার জন্য ভারতীয় মুসলমানরা ব্যাপক ভাবে অনগ্রসর;
http://en.wikipedia.org/wiki/Sachar_Committee
তারপরেও বাংলাদেশে একদল ভারতীয় দালাল বলে ভারত বিভাজন অন্যায় হয়েছে এবং আমাদের অখন্ড ভারতে ফিরত যাওয়া উচিত। আর বাঙালী সংস্কৃতির নামে পৌত্তলিক হিন্দু ধর্মের বিষয়াদি মুসলমানদের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কেউ বংশগত, জন্মগত এমনকি নতুন কেউ হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করে বলে যে সে হিন্দু তাতে আমার কোন আপত্তি নেই। তাকে মানুষ হিসেবে শ্রদ্ধা করি। হিন্দু সহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের সকল নাগরিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষিত হবে সেটাও পূর্ণ সমর্থন করি। কিন্তু দেখা যায় বাংলাদেশের কোন কোন মুসলমান জেনে শুনেও বাঙালী কালচারের নামে সেই পৌত্তলিক কালচার অনুসরণ করে। আবার মুসলমান দাবী করে। একজন মানুষ হয় মুসলমান নয়তো অন্য ধর্ম। কিন্তু অন্য ধর্মের বিষয় পালন করেও মুসলমান দাবী করবে এমন সুযোগ ইসলাম তথা পবিত্র কোরআনে নেই। যারা এমন উদ্ভট দাবী করে তারা মোনাফেক। আর মোনাফেকরা জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে তথা সবচেয়ে বেশী আযাব ভোগ করবে। আর এই ধরণের বিভ্রান্তির পিছনে বর্তমান সরকারের মোনাফেকী থাকলেও সিংহভাগ আলীগের সমর্থকগণ সহ বাংলাদেশের ৯০% মুসলমানগণ সচেতন আছে। এ কারণেই এ দেশের মুসলমানদের বিশাল অংশ এ সমস্ত শিরকী ও কুফরী হতে বেচে আছে। এগুলো সবই ১৯৪৭ সালের ভারত ভাঙ্গার অবদান। সকল মুসলমান ব্লগারদের কাছে অনুরোধ আমাদের যার যার সামর্থ্য ও সুযোগানুযায়ী আমরা যদি দেখি এমন কোন বিভ্রান্তির শিকার হয়ে থাকলেতো কথাই নেই এমনকি কেউ যদি জেনে শুনে যায়(হতে পারে পরিবারের কেউ, আত্নীয়, বন্ধু-বান্ধব, প্রতিবেশী) তাদেরকে শান্তিপূর্ণ ভাবে পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা তুলে ধরব। কোনমতেই জোর-জবরদস্তি অথবা অশান্তি নয়। এদের মধ্যে যারা সংশোধিত হবে ভাল আর বাকীদের দায়িত্ব আল্লাহর।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

