somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডাইনী ইন্দিরা গান্ধীই জিয়া হত্যার মাষ্টার মাইন্ডঃ আল্লাহই তার মৃত্যুদন্ড ১৯৮৪ সালে কার্যকর করছে!

৩১ শে মে, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ইতিহাস বড়ই নির্মম। আমরা ৭১এ লড়েছি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্য। কিন্তু শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশকে হয় সিকিম নয়ত চিরতরে তাদের পুতুল রাজ্য বানিয়ে রাখতে। সেই লক্ষ্যেই তারা ১৯৭১ সালে যুদ্ধ চলাকালীন তাজউদ্দিনকে দিয়ে ৭দফা অধীনস্থ চুক্তি এবং দেশ স্বাধীন হলে মুজিবকে দিয়ে ২৫ বছরের গোলামী চুক্তি করায়। কিন্তু বিভিন্ন ঘটনার ধারাবাহিকতায় ৭ই নভেম্বর ১৯৭৫ জিয়াকে দেশের সিপাহী-জনতা ক্ষমতায় আনলে তিনি ভারতরে ঐ সমস্ত চুক্তির সিংহভাগ অগ্রাহ্য করে চীন, সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে দেশের অর্থনীতি, সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেন। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন সহ ভারতের লেলিয়ে দেওয়া উপজাতি সন্ত্রাসী শান্তিবাহিনীর বিরুদ্ধে রুখে দাড়ান। ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘে ফারাক্কা বাধের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন। ফলে মোররাজী সারদেশাইর ভারত সরকার ৫ বছর মেয়াদী ৩৪ হাজার কিউসেকের গ্যারান্টি ক্লজের বিনিময়ে জিয়ার সাথে পানি চুক্তি করে ঐ ১৯৭৭ সালেই। এ সমস্ত ঘটনা ভারতীয় ডাইনী ইন্দিরা গান্ধীর সহ্য হয় নি। এমনিতেই তথা কথিত গণতান্ত্রিক ভারতে মোররাজীর ক্ষমতায় আসার পূর্ব পর্যন্ত ইন্দিরা জরুরী অবস্থা জারি করে এক নায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে ডিক্টেটরশীপ চালু করেন এবং সে দেশের সংবাদপত্রের উপর আরোপিত হয় কঠোর সেন্সরশীপ

Click This Link

এই ডাইনী ইন্দিরার কাছে জিয়া ছিলেন দুই চোখের বিষ। বাংলাদেশ একটি সার্বভৌম দেশ হিসেবে ভারতের সাথে বার্গেনিং সহ একটি শক্তিশালী, সুখী সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ হবে সেটা যেন ইন্দিরার কাছে নড়ক যন্ত্রণা তুল্য। তাই পুনরায় ক্ষমতায় এসে জিয়াকে হত্যার ফন্দি করেন। এমনিতেই ১৯৭৫ এর পর হতে ভারতীয় "র" কম চেষ্টা করে নি সামরিক ক্যুর মাধ্যমে তাকে হত্যা করার। মোররাজী সারদেশাই পর্যন্ত "র" এর প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। কিন্তু ইন্দিরা গান্ধী কখনই এই আশা পরিত্যাগ করেনি। তাই ১৯৮১ সালের ৩০শে মে জিয়া কে প্রাণ দিতে হয়;

Click This Link

এরই ফল শ্রুতিতে এরশাদ ১৯৮২ সালে সামরিক ক্যু করেন। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছায় ডাইনী ইন্দিরা এর ফলও পান ১৯৮৪ সালের ৩১শে অক্টোবর। দুই শিখ তাকে গুলিতে ঝাঝরা করে পরপারে পাঠিয়ে দেয়। ইন্দিরা ও অসভ্য-বর্বর ভারত সরকার মনে করেছিল যে জিয়াকে মেরে পার পাওয়া যাবে। আল্লাহর কি ইচ্ছা তার পুত্র রাজীব গান্ধী (যে আধিপত্য মনোভাবের অধিকারী ছিল) একই ফল পায়। ১৯৯১ সালের প্রলয়ংকারী সাইক্লোনে বাংলাদেশ যখন মার্কিন বিমানবাহী জাহাজ ইউ.এস তারওয়াকে ত্রাণ সহায়তা কাজে ডেকে আনে তখন সে অহংকারী ভাবে বলেছিল যে বঙ্গোপসাগরে কেন মার্কিন সামরিক উপস্থিতি? ঠিক তার দুই দিন পর ২১শে মে ১৯৯১ সালে রাজীব তামিলদের বোমা হামলায় পরপারে চলে যান। আজও ভারত কাশ্মীর, সেভেন সিষ্টার্স এবং মাওবাদীদের ষাড়িষি আক্রমণে অতিষ্ঠ। এর সবই হল প্রতিবেশী দেশের সাথে বৈরী আচরণের ফল। কারণ আল্লাহ একজন ইনসাফকর্তা আছেন। আর আমাদের দেশের আওয়ামী-বাকশালী, ইন্দুস্থানী রামপাঠা গং বলে যে বিএনপি কেন জিয়া হত্যার বিচার চায় না। আবার উল্টা বলে জিয়া নিহত হওয়ার ঘটনায় যারা জড়িত ছিল তাদের ১২ জনের উপরে সামরিক কর্মকর্তাকে ফাসী দিয়ে অন্যায় করেছে এরশাদ। স্ববিরোধীতার উৎকৃষ্ট নমুনা বটে। এরা এদেশের হাসিনা, মসিউর ও এই চটি ইমামদের চামচা। তাদের জানা উচিত ডাইনী ইন্দিরার শিখদের হাতে মৃত্যু নেহাত নিহত হওয়া নয় বরং জিয়া হত্যার হুকুম দেওয়ার জন্য আল্লাহর তরফ থেকে প্রকৃতির প্রাণদন্ড এবং প্রকৃত ইনসাফ। সেই সময় প্রায় ৯০ কোটি ভারতীয়কে শোকের কাতরে ভাসিয়েছে তথা তাদের একটা চরম শিক্ষা হয়েছে। বাংলাদেশে এই তাবেদার সহ তাদের প্রভু ভারতের জেনে রাখা উচিত আল্লাহর বিচার দেড়ী হলেও অবিচার করেন না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মে, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০০
৩৭টি মন্তব্য ৩২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×