somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... অজানা দেশে এই একা আমি


এই দূর পরবাসে তারা গুনে আকাশে আকাশে
কাটে নিঃসঙ্গ রাত্রিগুলো
মাঝে মাঝে স্বপ্নের বেশে স্মৃতিরা এসে
আমাকে করে যায় বড় বেশি এলোমেলো

মনে পড়ে যায় বন্ধুদের আড্ডা মুখর প্রহর
তুমুল উল্লাসে ভরা প্রিয় শহর
সেখানে হয়ত সবাই ব্যস্ত মেলেনা সময়
তবুও সেখানেই ফেরে যেতে চায় ফেরারী হৃদয়
এই একাকী জীবন ভালো লাগেনা আমার...
বিষন্ন দিনের শেষে বিষন্ন রাতের শেষে

মনে পড়ে যায় কখনো পুরনো তোমাকে
প্রতিটি কষ্ট মাখা দিনের ফাকে
হয়তো বদলে গেছো
হয়ে গেছো অচেনা তুমি
তবু তোমাকেই ফিরে পেতে চাই দূরের আমি
এই একাকী জীবন ভালো লাগেনা আমার...
বিষন্ন দিনের শেষে বিষন্ন রাতের শেষে..

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29429597 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29429597 2011-08-11 03:48:28
দূর থেকে দেখছি তোমায়....
দরজাতে দাঁড়িয়ে...তাকিয়ে কেঁদেছিলে
মন উদাস চোখে পানি....তবু তুমি হেসেছিলে
চলে গেলে একা, আমি....বসে বসে ভাবছি আজ
হবে কি দেখা আর....এ জীবনে তোমার… আমার….
আমি দূর থেকে দেখছি তোমায়….
গোপনে…গোপনে…..

যার চোখে তাকিয়ে....নীরবতায় হেসেছিলাম
দিন যেত অগোচরে....কথা বলে অনভূতি
মন নিয়ে চলে গেলে....একা আমি ভাবছি আজ
হবে কি দেখা আর....এ জীবনে তোমার… আমার….

তুমি দূর থেকে দূরে যাও....আমি থাকবো তোমার
কোনদিন যদি পরে মনে....তাকিয়ে দেখো এক পলকে
আমি দূর থেকে দেখছি তোমায়
গোপনে….গোপনে….

ডাউনলোড লিংক


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29316329 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29316329 2011-01-28 23:47:15
এলোমেলো কিছু ছবি...


২. একাকী...নিঃসঙ্গতা...

বড় একা আমি...নিজের ছায়ার মত...শূন্যতার মত...দীর্ঘশ্বাসের মত...নিঃসঙ্গ বৃক্ষের মত....নির্জল নদীর মত...বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মত...মৌ্ন পাহাড়ের মত...আজীবন সাজা প্রাপ্ত দন্ড প্রাপ্ত আসামীর মত...বড় একা আমি...বড় একা...



৩.সুসময়ের বন্ধুরা...



৪.দেখতে চাঁদ মনে হলেও এইটা কিন্তু চাঁদের ছবি না...



৫. এই ছবিটা দেখলে মনে হয় আকাশের ছবি...কিন্তু না...এটা বাসের জানালার কাঁচের ছবি...<img src=" style="border:0;" />



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29301427 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29301427 2011-01-03 21:39:01
বিদায় ২০১০....স্বাগতম ২০১১ <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />

আর মাত্র কয়েক ঘন্টা বাকী ২০১০ শেষ হওয়ার...অনেক ভালো খারাপ ঘটনার মধ্যে দিয়ে মোটামোটি ভালই কেটেছে এই বছরটা...পাওয়া আর না পাওয়ার জটিল হিসেবে অনেক আপনজনকে হারিয়েছি এইবছরে...আবার নতুন অনেক অতিথীও পেয়েছি....অনেক চাওয়া পূর্ন হয়েছে আবার কিছু চাওয়া অপূর্ন রয়ে গেছে...বছরের এই শেষ দিনে এসে মনে হচ্ছে কত দ্রুত কেটে গেছে এই বছরটা...দেখতে দেখতে জীবন থেকে আরো একটা বছর চলে গেলো...যত দিন যাচ্ছে জীবনটা অনেক জটিল হয়ে যাচ্ছে...নতুন নতুন চিন্তা...আর বেঁচে থাকার ব্যর্থ প্রয়াস...জানিনা সামনের দিনগুলো কিভাবে কাটবে...

নতুন বছর সবার জীবনে অনেক আনন্দ নিয়ে আসুক...সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা...<img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29299721 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29299721 2010-12-31 22:59:55
ছবি ব্লগ : মক্কা এবং মদীনা শরীফের কিছু ছবি
মক্কা শরীফের ছবি-


ফজরের নামাজের পর কাবা শরীফ.....


কাবা শরীফে ঢোকার এক নাম্বার গেইট...কিং আব্দুল আজিজ গেইট...


এই বিল্ডিং থেকে হাজীরা শয়তানকে পাথর মারেন...




মদীনা শরীফ-










মদীনাতে এসে মহানবী (সাঃ) প্রথম এখানে ছিলেন...এখানে দুই রাকাত নফল নামায পড়লে এক উমরাহ করার সওয়াব পাওয়া যায়...



মহানবী (সাঃ) এর জায়নামায-

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29265927 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29265927 2010-11-03 00:21:19
তোমায় ভালোবাসি ❤
আনিলা...সরকারী মেঘ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে, নবম শ্রেনীতে পড়ে...বাসা থেকে স্কুল একটু দূরে তাই রিক্সা দিয়ে আসা যাওয়া করে...প্রতিদিন যাওয়া আসার সময় এসব কথা ভেবে ভেবে যায়...
আজও স্কুল থেকে বাসায় ফিরছিলো...হঠাৎ খেয়াল করলো ওর সামনের রিক্সার ছেলেটা বারবার পিছন ফিরে ওর দিকে তাকাচ্ছে...ছেলেটাকে চেনা চেনা লাগতেছে...আরে এই ছেলেটা কে তো সে সকাল বেলাও দেখেছে...স্কুলে ঢোকার আগে ওকে কিছু একটা দিতে চেয়েছিলো...কিন্তু আনিলা ছেলেটাকে এড়িয়ে স্কুলে ঢুকে পড়ে...

হঠাৎ ছেলেটা ওর দিকে একটা কাগজ ছুড়ে মারে...আনিলা কাগজটা নিয়ে পড়তে থাকে...

তোমার রূপের সাগরেতে গেলাম আমি ভেসে
ধন্য কর জীবন আমার একটু ভালবেসে...♡

বাঁচবনাকো তুমি বিনে তুমি আমার প্রান
তুমি আমার হৃদয় মাঝে শত ফুলের প্রান...♥

ভুল বুঝনা আমায় তুমি দিওনাকো ফেলে
একটুখানি দাওগো সাড়া হৃদয় কুসুম মেলে...♡

পরেরদিন আবার ও স্কুল থেকে আসার সময় ছেলেটাকে দেখতে পায়...আবার ও আগের মত একটা কাগজ পায় আনিলা...


"যেখানে যেমন খুশি যেতে পার তুমি
তোমার হৃদয়ে যেন থাকি শুধু আমি
তোমাকে দেখার সাধ হৃদয়ে আমার
তাই শুধু রব আমি হৃদয়ে তোমার..."
................................................
তোমার হৃদয়ে থাকতে দিবা আমাকে?

নিলয়

আনিলা ভেবে পায়না ও কি উত্তর দিবে...ও ঠিক করে সরাসরি কথা বলবে ছেলেটার সাথে...পরেরদিন স্কুল থেকে আসার সময় রিক্সা থামিয়ে ছেলেটাকে ডেকে আনে...

= আপনি প্রতিদিন এভাবে আমাকে ফলো করেন কেন? আপনি কি চান?
- তোমার ফোন নাম্বারটা দেওয়া যাবে আমাকে?
= সর‌্যি আমি অচেনা কাউকে আমার ফোন নাম্বার দেইনা...
-ঠিক আছে তাইলে আমার নাম্বার রাখো...ইচ্ছা হইলে ফোন দিও...

এর পরেরদিন থেকে এক মাসের জন্য আনিলার স্কুল বন্ধ হয়ে যায়...প্রথমে ভেবেছিলো ফোন করবে না কিন্তু নিলয় হাসিমাখা চেহারার কথা মনে হতেই আর ফোন না করে থাকতে পারেনা...নিলয়ের সাথে কথা বলে ওকে অনেক ভাল লেগে যায় আনিলার...প্রতিদিন কথা হত ওদের...ওদের মধ্যে অনেক ভাল বন্ধুত্ব হয়ে যায়...নিলয় আকারে ইঙ্গিতে ভালবাসার কথা বললেও সরাসরি করে কিছুই বলতোনা...

দেখতে দেখতে এক মাস কেটে যায়...আবার আনিলার স্কুল শুরু হয়ে যায়...ওর কাছে এখন আর দূরে বাসা হওয়াটা খারাপ লাগেনা...প্রতিদিন নিলয় ওর পিছন পিছন স্কুল থেকে বাসা পর্যন্ত আসে...আর প্রতিদিন একটা করে চিঠি দেয়...

নিলয় কত চেষ্টা করে কিন্তু আনিলাকে সরাসরি কিছুই বলতে পারেনা...কিন্তু আজকে যেভাবেই হোক আনিলাকে সবকিছু বলে দিতে হবে...নিলয় একটু স্টাইল করে ওর প্রিয় মোটরসাইকেলটা নিয়ে বের হয়...
"আজকে আনিলার স্কুল ছুটি হতে এত দেরী হচ্ছে কেন...নাকি ও একটু আগেই চলে এসেছে..." ওর অস্থিরতা দেখে ওর নিজের ই অনেক হাসি পাচ্ছে...ওইতো আনিলাকে দেখা যাচ্ছে...আনিলা একটা রিক্সায় উঠে...নিলয়ও ওর পিছে পিছে যায়... ...

বাইক চালানোর জন্য নিলয় বারবার পিছনে ফিরে আনিলাকে দেখতে পারছেনা...মনে মনে ভাবে কেন যে আজকে বাইক নিয়ে আসলো...কিন্তু যাই হোক না কেন আজকে আনিলাকে ওর ভালবাসার কথা বলবেই...ও পিছন ফিরে আনিলাকে চিঠি দিতে যাবে তখন আনিলা চিৎকার দিয়ে উঠে..."নিলয় সামনে দেখো..."

নিলয় সামনে তাকিয়ে দেখে রাস্তা খালি পেয়ে একটা বড় গাড়ি খুব দ্রুত এগিয়ে আসছে...কিছু বুঝে উঠার আগেই খুব জোরে একটা ধাক্কা দেয় আর নিলয় উড়ে গিয়ে পড়ে রাস্তার অন্য পাশে...আনিলা দৌড় দিয়ে যায় নিলয়ের কাছে...নিলয় তখন শুধু একটা কথাই বলে..."তোমায় ভালবাসি..."]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29264597 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29264597 2010-10-31 18:20:08
যদি বন্ধু হও হাতটা বাড়াও...{৩}

সাথী আর রাহুলের মধ্যে দূরত্ব বাড়তেই থাকে...সাথী রাহুলকে কষ্ট দেওয়ার জন্য ওর উপর জিদ করে ইমরান নামে আরেকটা ছেলের সাথে সম্পর্ক করে... রাহুল এই কথা শুনে সাথীর সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়...সাথী অনেক খুশি হয় রাহুলকে কষ্ট দিতে পেরে...আর রাহুল শুধু ভাবতে থাকে...কেন সাথী ওর সাথে এরকম করলো কিন্তু ও ভাবতেই পারেনি ওর অবহেলার কারনে সাথী এরকম কিছু করতে পারে...

সাথী ইমরান কে ভালবাসত না...কিন্তু ইমরান সাথীকে অনেক ভালোবাসত...সাথী কত ঝগড়া করত...মাঝে মাঝে অনেক খারাপ ব্যবহার করত...কিন্তু ইমরান এমন কিছুই করত না যাতে সাথী কষ্ট পায়..আস্তে আস্তে সাথী ওকে ভালোবাসতে শুরু করে...ওদের মধ্যে ভালই চলছিলো সবকিছু...কিন্তু কথায় আছে...তুমি কাউকে কষ্ট দিলে তোমাকেও কষ্ট পেতে হবে.....ইমরান সাথীকে ছেড়ে আরেক মেয়ের সাথে সম্পর্ক করে....সাথী বুঝতে পারে ও রাহুলের সাথে যা করছে ওর সাথেও ঠিক তাই হচ্ছে...ও রাহুলের কাছে ফোন করে...ওর কাছে মাফ চায়...রাহুলও ওকে মাফ করে দেয়...এরপর থেকে ওদের মধ্যে মাঝে মাঝে কথা হত...রাহুল তখনো সাথীকে ভালোবাসত কিন্তু সাথী ইমরান কে ভুলতে পারেনি...

এর কয়েকমাস পর চাকরির সুবাদে রাহুল সাথীর শহরে চলে আসে...রাহুল তখন আবারও সাথীর সাথে সম্পর্ক করতে চায়...ওকে নানাভাবে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে...প্রতিদিন ২০-৩০ বার ফোন করত...যেদিন ছুটি থাকত ওইদিন সাথীকে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য ওর কলেজে চলে যেত...তারপর একসাথে ঘুরত সারাদিন...সাথী এসব বুঝতে পেরে ওকে বলে--
-- এখন আর এসব করে লাভ নেই...যখন করার দরকার ছিলো তখন কিছুই করনি...
- তখন কিছু করার মত সুযোগ ছিলো না...
-- ইচ্ছা থাকলে সুযোগ বের করতে পারতে...আমি তো করেছি...তোমার জন্য কত রিস্ক নিছি...তাছাড়া আমি এখন আরেকজনকে ভালোবাসি...ও আমাকে নাইবা ভালোবাসুক...আমি কখনই ওকে ভুলতে পারব না...আমি আর কারো সাথে সম্পর্ক করতে পারবনা...তুমি তোমার এসব ভালোবাসার কথা আমাকে আর বলবা না...

রাহুলও মেনে নেয় ওর কথা...ওরা শুধু বন্ধু হিসেবে কথা বলে...কিন্তু সাথী ভাবল এভাবে কথা বলতে থাকলে রাহুল আরো দূর্বল হয়ে পড়বে...তাই ও রাহুলকে বলে ওর সাথে বেশী যোগাযোগ না করতে...

সাথী মাঝে মাঝে ইমরানকে ফোন করত...যেদিন সাথী রাহুলকে ওর সাথে বেশী যোগাযোগ করতে মানা করে এর কয়েকদিন পর ইমরানও সাথীকে একই কথা বলে...সাথী অনেক কষ্ট পায় এই কথা শুনে...ও বুঝতে পারে রাহুলও হয়ত সেদিন অনেক কষ্ট পেয়েছিল...

এভাবেই চলতে থাকে ওদের জীবন....রাহুল চায় সাথীকে...আবার সাথী চায় আরেকজনকে.....

এর নামই কি ভালবাসা? কয়েকদিন আগে সাথী যাকে অনেক ভালোবাসত আজ ওকে একটুও ভালবাসে না...আজ ভালবাসে আরেকজনকে...ওর মন কিভাবে এত বদলে গেলো...ভালবাসার মানুষকে হারানোর যে কি কষ্ট সাথী এখন খুব ভালো করেই বুঝতে পারছে...

আসলে সব দোষ ওই বিজ্ঞাপনের...হয়ত ওই বিজ্ঞাপনটা না দেখলে রাহুলের বন্ধুত্ব করার কথা মনে হত না...তারপর বন্ধুত্ব থেকে প্রেম হত না...রাহুলকে কষ্ট দেওয়ার জন্য ইমরানের সাথে সম্পর্ক হত না...এত কষ্ট পাওয়াও হত না...

যদি বন্ধু হও হাতটা বাড়াও......<img src=(" style="border:0;" /> /<img src=" style="border:0;" /> <img src=(" style="border:0;" />

(সমাপ্ত)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29239815 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29239815 2010-09-14 23:44:09
যদি বন্ধু হও হাতটা বাড়াও...{২}

সাথী জানে শহরে রাহুলের অনেক বন্ধু আছে....গার্লফ্রেন্ডও আছে...ওর কাছে গার্লফ্রেন্ড ছিলো খেলনার মত...একটা যায় ত আরেকটা আসে...তাই হয়তো শহরে গিয়ে সাথীকে ভুলে যায়...ওর কোন খোজখবর রাখেনা...
কিন্তু সাথীর জীবনে রাহুলই একমাত্র বন্ধু ছিলো যার সাথে সে অনায়াসে সবকিছু শেয়ার করতে পারত...যে ওকে অনেক ভালো করে বোঝতো...

এভাবেই চলে যায় অনেকদিন...কয়েকবছর পর সাথী মোবাইল ইউজ করা শুরু করে....আগের থেকে যোগাযোগ অনেক বেড়ে যায়...কিন্তু ওদের ভাগ্য খারাপ ছিলো...কিছুদিনের মধ্যেই বাসায় ধরা পড়ে যায়...শুধু মাত্র রাহুলের বোকামির জন্য...
সাথীর অনেক রাগ হয় রাহুলের উপর...ও ঠিক করে রাহুলের সাথে আর কথা বলবে না...কিন্তু বেশীদিন রাগ করে থাকতে পারেনা...
এরপর থেকে ওদের অনেক সাবধানে থাকতে হয়...আগের মত চাইলেই সবার সামনে কথা বলতে পারত না...সাথীর চাচা সবসময় ওদের দিকে খেয়াল রাখতেন.....কিন্তু এর মধ্যেও লুকিয়ে লুকিয়ে ঠিক ই কথা বলতো ওরা...

আস্তে আস্তে ওরা একজন আরেকজনের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে কিন্তু বলার সাহস পায়না...সাথী অনেকবার কথায় কথায় বোঝাতে চেয়েছে কিন্তু সরাসরি বলার সাহস ছিলোনা......
রাহুল যখন সাথীকে ওর গার্লফ্রেন্ডের কথা বলতো সাথীর অনেক হিংসা লাগতো...যদিও সাথী জানতো রাহুল ওর গার্লফ্রেন্ড কে একটুও ভালোবাসেনা...
একদিন রাহুল সাথীকে বললো.....ওর গার্লফ্রেন্ড ওকে আজকে কিস্‌ করছে...এ কথা শুনে সাথীর এত রাগ হয় পারলে ওই মেয়েকে মেরে ফেলতো...<img src=(" style="border:0;" />
ওর এই হিংসা থেকে অনেক সাহস হয়ে যায়....ও তখন ঠিক করে রাহুল কে বলবে ওর ভালোবাসার কথা.
"তোমাকে একটা কথা বলবো..."
রাহুল ওর কথা থেকে আগেই বুঝে ফেলছিলো ও কি বলতে চায়...সাথীর সাহস দেখে ওর মনেও অনেক সাহস এসে যায়...
রাহুলঃ তার আগে আমি একটা কথা বলবো...আমি তোমাকে অনেক আগে থেকেই ভালোবাসি...কিন্তু ভয়ে বলতে পারিনি...
সাথীঃ এইটা কি তুমি আমার কথা অনুমান করে বলছো নাকি তোমার কথা বলতেছো...
রাহুলঃ এটা আমার কথা বলছি...
সাথীঃ আমিও এটাই বলতে চেয়েছিলাম...
রাহুলঃ তাহলে সুন্দর করে বলো...ওই তিন...
কিন্তু সাথী বলতে পারেনি...ওর এক সপ্তাহ লেগেছিলো ওই কথাটা বলতে...প্রথম ২ দিনে "আমি"...পরের ২ দিনে..."তোমাকে"...শেষের ৩ দিনে..."ভালোবাসি"...যদিও রাহুলের এত দিন লাগেনি কারন ওর তো অভিজ্ঞতা আছে এই ব্যাপারে...কিন্তু সাথীর জীবনে প্রথম ছিলো...

এভাবেই ওদের বন্ধুত্ব থেকে প্রেম শুরু হয়...

তারপর কিছুদিন অনেক ভালোই কাটে...২-৩ মাস পর সাথীর বাবা অন্য জায়গায় বদলি হয়ে যান...তাই সাথীকেও ওর পরিবারের সাথে ওখানে চলে যেতে হয়...যাওয়ার আগে সাথী রাহুল কে বলে ওর আব্বু ওদের কে নিতে আসার আগে যেন রাহুল ওর সাথে দেখা করতে আসে...ওর আব্বু চলে আসলে ও বের হতে পারবে না...কিন্তু রাহুল তখন আসে না...ও ইচ্ছা করেই দেরী করে আসে...সাথী অনেক সমস্যা থাকা সত্ত্বেও রাহুলের সাথে শেষ দেখা করার জন্য বের হয়...ওইদিন বাসায় যাওয়ার পর অনেক সমস্যা হয়...রাহুলের উপর অনেক রাগ হয় ওর...

সাথী চলে যায় অন্য জায়গায়...ওখান থেকে সুযোগ পেলেই ফোন করত কিন্তু অনেক সময় রাহুল ঠিকভাবে কথা বলত না...

ওদের যেদিন বন্ধুত্ব হয় ওইদিনটাও ভুলে যায় সে...অথচ আগে কখনো এরকম হয়নি...রাহুলের সবসময় মনে থাকত ওই দিনটা...

একদিন সাথী রাহুলকে বলে..."যখন আমার কথা অনেক মনে পড়বে তখন ডাইরীতে সবকিছু লিখবা...আমি যখন আসবো তখন পড়বো..."
কিন্তু রাহুল বলে..."ডাইরী লিখার মত এত সময় নেই "

সাথী অনেক কষ্ট পায় রাহুলের কথা শুনে...ও ভাবে এই কি সেই রাহুল যে সবসময় বলত ওর জন্য সবকিছু করতে পারবে.....

এসব ছোট ছোট ঘটনা থেকে সাথীর মনে রাহুলের প্রতি বিদ্বেস বাড়তে থাকে...

(চলবে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29225290 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29225290 2010-08-18 18:10:13
যদি বন্ধু হও হাতটা বাড়াও...


সকাল থেকে সাথী অনেক ব্যস্ত...বাসায় অনেক মেহমান আসছে...আর মেহমানদের পিচ্চি সামলানোর দায়িত্ব পড়ছে সাথীর উপর...ওদের সামলাতে গিয়ে পুরাই হিমশিম খাচ্ছে ও...এসব নিয়ে এমনিতেই অনেক মেজাজ গরম তার মধ্যে রাহুল শুধু ফাজলামি করছে ওর সাথে...সাথীর আবার কথায় কথায় মেজাজ গরম হয়ে যায়...সাথীকে এভাবে রাগিয়ে অনেক মজা পাচ্ছে রাহুল...রাহুল ওর দুরসম্পর্কের আত্নীয়...এমনিতে ছেলে ভালো তবে সবসময় মজা করতে পছন্দ করে...
সাথী যেখানে যাচ্ছে রাহুলও সাথীর পিছে পিছে যাচ্ছে...সাথী বাচ্চাদের সাথে বসে টিভি দেখছিলো...তখন টিভিতে একটা বিজ্ঞাপন দেখাচ্ছিলো..."যদি বন্ধু হও হাতটা বাড়াও..."



রাহুল এটা নিয়েও ফাজলামি শুরু করে...সাথীর কাছে গিয়ে বারবার বলতে থাকে এই কথা...তখন সাথীও ফাজলামি করে বলে...ওই বিজ্ঞাপনের মত আমাকে কোলা কিনে দাও তাইলে আমি তোমার সাথে বন্ধুত্ব করব..ওই কোলাটাই আনতে হবে....অন্য কিছু আনলে হবে না...

সাথী ভাবছিলো ও কোলা কিনে আনবে না....কারন ওদের বাসার আশেপাশে কোন দোকান ছিলো না...কিন্তু ওকে অবাক করে দিয়ে রাহুল যাওয়ার আগে ওর জন্য কোলা নিয়ে আসে...
''আমি তো আমার কথা রাখছি...এখন তুমিও তোমার কথা রাখো...''এই কথা বলে রাহুল ওর হাতটা বাড়িয়ে দেয়...সাথীও ওর কথা অনুযায়ী রাহুলের কথা মেনে নেয়...

ওইদিন রাহুল শহরে চলে যায়...এরপর ওদের মধ্যে আর যোগাযোগ হয় না...সাথী আস্তে আস্তে ভুলে যায় রাহুলের কথা...

কয়েকমাস পর রাহুল ওদের বাড়ি আসে ওর সাথে দেখা করতে...কিন্তু সবাই সামনে থাকায় ওদের মধ্যে কোন কথা হয় না...পরেরদিন ওর বাসায় ফোন করে...টুকটাক কথা হয় ওদের মধ্যে...
শহরে যাওয়ার আগে আবার ফোন করে...ওইদিন অনেকক্ষন কথা বলে ওরা...
রাহুলের এভাবে ঘন ঘন ফোন করাটা সাথীর আম্মুর কাছে ভালো লাগেনা...উনি রাহুলের দুলাভাইর কাছে বলেন এই কথা...রাহুলের দুলাভাই রাহুলকে না করে দেন সাথীর বাসায় আর যেনো ফোন না করে...

রাহুল শহরে যাওয়ার পর ওদের আর কথা হয় না...সাথী ভাবল রাহুল হয়তো ওর কথা ভুলে গেছে...কিন্তু আবারো ওকে অবাক করে দিয়ে ওর জন্মদিনে ওদের বাসায় হাজির হয়..সাথে ছোট একটা গিফট্‌...সাথীর কাছে ওর জীবনের শ্রেষ্ট গিফট্‌ ছিলো ওইটা...

আবারও রাহুল চলে যায়...গিয়ে কোন যোগাযোগ করেনা...এদিকে সাথী যে প্রতিদিন ওর ফোনের জন্য অপেক্ষার করত সেটা ও জানত না...রাহুলের কাছে কোন ফোনও ছিলো না যে সাথী ওকে ফোন করবে...
রাহুল শুধু বিশেষ দিনগুলোতে ওকে ফোন করত...
ওর জন্মদিনে...ভ্যালেন্টাইন ডে তে আর বন্ধু দিবসে...
এই ৩ দিন সাথী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করত রাহুলের ফোনের জন্য...
(চলবে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29219808 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29219808 2010-08-11 02:53:38
আমার বিড়াল প্রীতি...





ছোটবেলায় আমার এক বান্ধবী বলছিলো বিড়াল যদি শরীরে আচঁড় দেয় তাহলে নাকি পেটে বিড়ালের বাচ্চা হয়...তখন থেকে আমি বিড়াল কে অনেক ভয় পেতাম...বিড়াল দেখলেই দৌড় দিতাম...

আমার নানাবাড়িতে অনেক বিড়াল ছিলো...সবসময় আশেপাশে ঘুরঘুর করত...খাওয়ার সময় পায়ের নিচে বসে থাকত...তখন আমি লাফ দিয়ে উঠতাম...যতক্ষন না পর্যন্ত বিড়াল সরানো হত ততক্ষন খেতে বসতাম না...

আমাদের বাসা দোতলায় ছিলো তবুও বিড়াল চলে আসত...পাশের বাসার বিল্ডিং থেকে লাফ দিয়ে বাসার বারান্দায় চলে আসত...বারন্দায় কোন দরজা ছিলনা তাই সহজেই ঘরের মধ্যে ঢুকে যেত...

বারান্দার পাশেই ছিলো ডাইনিং রুম....একদিন চেয়ারে বসার জন্য যেই না চেয়ার ধরে টান দিছি দেখি একটা রক্তাক্ত বিড়াল বসে আছে চেয়ারে...বিড়াল আমাকে দেখে কি দৌড় দিবে...ওর আগে আমি দৌড় দিছি...
এরপর থেকে সবসময় চেয়ারে বসার আগে নিচে উকি মেরে দেখতাম চেয়ারে কিছু আছে কিনা...অনেকদিন পর্যন্ত এই অভ্যাস ছিলো...এখন যদিও এই অভ্যাসটা নাই...তবে এখনও আমি বিড়াল কে অনেক ভয় পাই...<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29216743 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29216743 2010-08-07 03:30:10
My বেস্ট FrIeNdS... বন্ধু মানে আত্নার আত্নীয়, আত্নার সম্পর্ক নিয়ে যে দুঃখ বেদনা স্বার্থহীনভাবে ভাগ করে নেয়...
বন্ধু মানে সুখে দুঃখে যে পাশে থাকে, বসন্তের কোকিল নয়...
বন্ধু মানে মায়া, শর্তহীন ভালোবাসার নাম..."

বন্ধু-আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী...মানুষের জীবনে অনেক কথা থাকে যা হয়তো সে তার পরিবারের সাথে শেয়ার করতে পারেনা কিন্তু বন্ধুকে সহজেই বলতে পারে.....বন্ধুই জীবনকে সুন্দর করতে পারে আবার সেই বন্ধুই জীবনকে নষ্ট করতে পারে...তাই হয়তো সবাই বলে বন্ধুত্ব করার আগে ভাবা উচিত...কিন্ত বন্ধুত্ব তো এমনিতেই হয়ে যায়...ভাবার আর সময় থাকেনা...

আমার অনেক বন্ধু-বান্ধবী আছে...তবে তাদের মধ্যে কয়েকজন আছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ...যাদের কে আমি কখনোই ভুলব না...

আমার সবচেয়ে কাছের বান্ধবী...যাকে আমি অনেক ভালবাসি...সে আমার থেকে অনেক দূরে থাকে...<img src=" style="border:0;" />
ক্লাস সিক্স থেকে ওর সাথে পরিচয়...ক্লাস এইটে উঠার পর ওর বাবা আরেক জায়গায় বদলি হয়ে যাওয়ায় ও চলে যায়...কিন্তু তবুও আমরা একজন আরেকজনকে ভুলিনি...এখানে আসার পর যোগাযোগ আগের থেকে অনেক কমে গেছে...অনেক সময় ব্যস্ততার জন্য ওকে ফোন করা হয়না...কিন্তু ও সবসময় এসএমএস করে...দূরত্বের জন্য আমাদের বন্ধুত্বের কোন পরিবর্তন হয়নি...

এস.এস.সি পরীক্ষার আগে একটা কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়েছিলাম...আমি আর আমার এক বান্ধবী....আমরা সমসময় একসাথে থাকতাম...অন্য কারো সাথে কথা হত না...কোচিং এর শেষ পরীক্ষার দিন আমার বান্ধবী আসেনি তাই আমি অন্য একটা মেয়ের পাশে বসলাম...ওর সাথে টুকটাক কথা শুরু হল...গল্প করে করে পরীক্ষা দিলাম...সবার পরীক্ষা শেষ...সবাই চলে গেছে কিন্তু আমাদের লেখা আর গল্প করা শেষ হয় না...স্যার অনেক ভালো ছিলেন তাই আমাদের এক্সট্রা সময় দিয়েছিলেন...তারপর থেকে এখনো ওর সাথে প্রায়ই কথা হয়...

কলেজে উঠার পর এক স্যারের কাছে ইংরেজী পড়তাম...ওখানে ৩ টা ছেলের সাথে অনেক ভালো বন্ধুত্ব হয়...নিতুন...হিমেল...জামিল...
মাত্র তিনমাস একসাথে পড়ছি...আমি তো ভাবছিলাম আমি চলে আসার পর ওরা আমাকে ভুলে যাবে...ভাগ্যিস ওরা আমাকে ভুলেনি...
ওরা তিনজনই অনেক ভালো...অনেক হেল্পফুল...অনেক মিশুক.....
যখনই সাহায্যের দরকার হইছে কখনো না করেনি...

তোমাদের সবাইকে বন্ধু দিবসের অনেক শুভেচ্ছা...আমি তোমাদের কখনোই ভুলব না...এবং...যদি কখনো কোন সমস্যা হয়...সাহায্যের জন্য আমাকে সবার আগে পাবা...

ব্লগের সবাইকেও বন্ধু দিবসের অনেক শুভেচ্ছা রইলো...

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29212229 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29212229 2010-07-31 23:27:00
দৈনন্দিন কথোপকথন

পিতা ও পুত্র
পিতা- আলু কত করে কিনলি?
পুত্র- জি আব্বা, ১৫ টাকা কিলো।
পিতা- চল তো দেখি কোন দোকান থেকে কিনেছিস?
পুত্র- জি আব্বা, ১০ টাকা কিলো।
পিতা- কানে ধরে ৫০ বার উঠবস কর, তার আগে ৫ টাকা ফেরত দে
পুত্র-জি আব্বা...


মাতা ও কন্যা
মাতা-কে ফোন করেছে?
কন্যা- না তো মা, কেউ না।
মাতা- তাহলে কথা বলছিস যে !
কন্যা- ও হ্যা, মিমি ফোন করেছে।
মাতা- দে তো একটু কথা বলি।
কন্যা- না না, ওর গলা ব্যাথা, কথা বলতে পারবেনা।
মাতা-তাহলে তোর সঙ্গে কথা বলছে যে!
কন্যা- আরে না, কথা বলার সুযোগ পাচ্ছে কোথায়।
মাতা- ও আচ্ছা, মিমি তো এসে ড্রইংরুমে বসে আছে, কথা শেষ করে যাও।
কন্যা- ও আল্লাহ, তাই নাকি !
(ফিসফিস করে) জানু, তাহলে এখন রাখি, পরে কথা হবে।


স্বামী ও স্ত্রী
স্ত্রী- কি গো আজ অফিসে যাবে না?
স্বামী- না, যাবো না
স্ত্রী- কেন কি হয়েছে, মাথা ব্যাথা?
স্বামী-না, মাথা ঠিকই আছে।
স্ত্রী-তাহলে জ্বর বাধালে নাকি পেট ব্যাথা?
স্বামী-আরে না, কিছু হয়নি।
স্ত্রী- হায় হায় ! তাহলে অফিসে যাবে না কেন !
বের করে দিয়েছে নাকি? বলো, সত্যি কথাটা বলো।
স্বামী- আজ শুক্রবার, অফিস বন্ধ।
স্ত্রী- ও আচ্ছা, তাই বলে শুয়ে থাকবে নাকি? ওঠো বলছি!


ভাই ও বোন
বোন- ভাইয়া ২ টাকা হবে?
ভাই- আম্মুর কাছে চেয়ে দেখ।
বোন- চেয়েছিলাম, বলল আব্বুর কাছে যাও।
আব্বুর কাছে গিয়েছিলাম, কিন্তু আব্বু বলল তোমার আম্মুর কাছে যাও।
ভাই- ঠিক আছে এক কাজ কর, আব্বুকে বল আম্মু ২ টাকা চায়, আর আম্মুকে বল আব্বু ২ টাকা চায়। তারপর ৪ টাকার ২ টাকা আমাকে দিয়ে বাকিটা তুমি নিয়ে যাও।
বোন- আচ্ছা।

বাংLish কথোপকথন:
স্বামী- ইউ নো বউ, গত নাইটে তুমি যখন স্লিপিং দিচ্ছিলে, তখন আমি আর মুন একত্রে সারা নাইট জেগেছি ! তোমার সঙ্গে মুনকে মিলিয়ে দুটো পোয়েম রচনা করেছি! ভেরি মজাদার!
স্ত্রী- কি কইলা, মুন! হ্যায় ক্যাডা মোরে খুইল্যা কও,হ্যার লগে আবার আমারে মিশ খাওয়াইছো! আইজ তোমারে দুইন্যা তামা কইরা ফালামু <img src=(" style="border:0;" />

** সংগৃহীত]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29208977 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29208977 2010-07-27 21:34:59
সমুদ্র বিলাস




দূর থেকে দেখা যাচ্ছে ইংল্যান্ডের সীমানা...




সমুদ্রের পানির স্বচ্ছলতা...





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29205590 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29205590 2010-07-23 03:29:39
অভিমানী ভালবাসা...♡

চলনা দুজন আজ নীলিমা ছুয়ে ভালবাসি
বৃষ্টি ধারার মত জোছনা নিয়ে নীরবে কাছে আসি
বলনা তুমি সেই না বলা কথা গানে গানে
ওই নীল আকাশ ওই দখিনা বাতাস
আমাকে কাছে টানে
অভিমানী ভালবাসা চায় যে হারাতে
ওই দূর অজানাতে
তুমি আমি ভেসে যাব মেঘলা বাতাসে
এই হাত রেখে হাতে...

চাঁদ কি জানে তুমি চাঁদের ই মত
মন জানে না মন ছুয়েছো কত
বললে তুমি আর কবিতা হলো
যায় হারিয়ে তুমি যে পথে চল
এসোনা হৃদয়ে তুমি
অচেনা শ্রাবনে আমি
অভিমানী ভালবাসা চায় যে হারাতে
ওই দূর অজানাতে
তুমি আমি ভেসে যাব মেঘলা বাতাসে
এই হাত রেখে হাতে...

মেঘলা চোখে আমি তাকিয়ে রব
স্বপ্ন হয়ে আজ তোমাকে ছোব
বৃষ্টি গুলো আজ তোমারি ছবি
পথ ভুলেছি আর ভুলেছি সব ই
এসোনা হৃদয়ে তুমি
অচেনা শ্রাবনে আমি
অভিমানী ভালবাসা চায় যে হারাতে
ওই দূর অজানাতে
তুমি আমি ভেসে যাব মেঘলা বাতাসে
এই হাত রেখে হাতে...

ডাউনলোড লিংক


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29202758 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29202758 2010-07-18 22:16:11
ঝুমকীর ফেইসবুক প্রেম...♡

ঝুমকী ওর ফেইসবুক ফ্রেন্ডদের নিয়ে অনেক খুশী ছিলো...মনে মনে ভাবছিলো কলেজে গিয়ে বান্ধবীদের সাথে এসব নিয়ে অনেক কথা বলা যাবে..."ওদের কি আর আমার মত এতগুলা ফ্রেন্ড আছে...হু!!!"
কিন্তু ওর বান্ধবীরা ত ওর থেকে এক ধাপ এগিয়ে...কলেজে গিয়ে শুনে ওর গল্প করতেছে --কাকে কয়টা ছেলে প্রপোজ করছে...কে কতটা প্রেমপত্র পাইছে,কার কয়টা বয়ফ্রেন্ড আছে...এসব নিয়ে...এসব গল্প শুনে ঝুমকীর মন খারাপ হয়ে গেল.....বেচারী ঝুমকীকে এখন পর্যন্ত কেউ প্রপোজ করেনি...আর ওর ত একটাও বয়ফ্রেন্ড নাই.../<img src=" style="border:0;" />
সারাক্ষন এসব নিয়ে মন খারাপ করে থাকে...
একদিন ওর এক ফেইসবুক ফ্রেন্ড ওকে ফোন করল...

ছেলেঃ তুমি মন খারাপ করে থেকনা...তোমার মন খারাপ থাকলে আমার ভালো লাগেনা...

ঝুমকীঃ আমার মন খারাপ থাকলে তোমার ভাল লাগবে না কেন?

ছেলেঃ কারন আমি তোমাকে ভালবাসি..

এই কথা শুনে ঝুমকী অনেক খুশি হয়...কিন্তু তারপরও একটু ভাব নিয়ে বলে...

ঝুমকীঃ তুমি এই কথা আমাকে জানাচ্ছ নাকি আমার প্রপোজ করতেছো?

ছেলেঃ ভেবে নাও দুইটাই...এক ঢিলে দুই পাখি...

ঝুমকীঃ এভাবে কেউ কাউকে প্রপোজ করে? সুন্দর করে প্রপোজ করো নাইলে আমি ডাইরেক্ট রিজেক্ট করে দিবো...

আর মনে মনে বলল...সুন্দর করে প্রপোজ না করলে আমি আমার বান্ধবীদের বলব কিভাবে <img src=" style="border:0;" />

তারপর ছেলেটা ওকে সুন্দর করে প্রপোজ করলো...এবং শেষপর্যন্ত ঝুমকী রাজী হল...<img src=" style="border:0;" />

ছেলেটা ওকে ভালবাসে কিনা জানেনা কিন্তু ঝুমকী ওকে একটুও ভালবাসত না...শুধুই বান্ধবীদের কে দেখানোর জন্য ওর সাথে সম্পর্ক করা...তাছাড়া ওই ছেলের সাথে ঘুরতেও ওর ভালো লাগত...

কয়েকদিন পর ঝুমকীর আরেকটা ফেইসবুক ফ্রেন্ড ওকে প্রপোজ করে...আর বলে ঝুমকী যদি না করে তাইলে ওর হৃদয় ভেঙ্গে যাবে...বেচারি ঝুমকী আবার কারো দুঃখ সহ্য করতে পারেনা...<img src=(" style="border:0;" />
তাই ঝুমকী ওই ছেলেকে রিজেক্ট করেনা আবার হ্যা ও বলেনা...ওকে ঝুলাই রাখে...ওর সাথে গার্লফ্রেন্ডের মত কথা বলত..."তুমি নাস্তা করছো...কেন করনি...না খেলে তোমার শরীর খারাপ হয়ে যাবে...তুমি ঘুমাবা না?...যাও ঘুমাও এখন...আমারা কালকে অনেকক্ষন কথা বলব...<img src=" style="border:0;" />"

এভাবেই চলতে থাকে সবকিছু...ঝুমকী ওর বয়ফ্রেন্ডের সাথেও কথা বলত আবার এই ছেলের সাথেও কথা বলত...কিন্তু এসব কিছুই ওর বয়ফ্রেন্ড জানত না...
একদিন ওর বয়ফ্রেন্ড সবকিছু জেনে যায়...ও ঝুমকীকে বলে..."আমি তোমাকে সত্যি অনেক ভালোবাসি...আমি ভাবতাম তুমিও আমাকে ভালোবাস...কিন্তু এখন বোঝলাম আমার জানাটাই ভুল ছিলো...তবুও আমি তোমাকে একটা সুযোগ দিতে চাই...তুমি যদি আমাকে মন থেকে ভালবাসতে চাও তাইলে ২ দিন পর আমাকে জানাবা...এই ২ দিন তুমি চিন্তা করে দেখো...আমাকে চাইলে তোমার ওইসব ফ্রেন্ডদের বাদ দিতে হবে...আর নাইলে থাক ওদের নিয়ে আমাকে ছাড়া...ভালো থেকো..."

ঝুমকী অনেক চিন্তা করল এসব নিয়ে...চিন্তা করে দেখলো...ওর বয়ফ্রেন্ড ওকে সত্যি অনেক ভালবাসে...এইজন্য ওকে আরেকটা সুযোগ দিছে...হয়ত আর কেউ ওকে এভাবে ভালোবাসবে না....ওর বয়ফ্রেন্ডই ত ওর বেষ্ট ফ্রেন্ড...অনেকগুলা ফ্রেন্ড দিয়ে কি করবে...আর এই কয়েকদিনে ঝুমকীও অনেক দুর্বল হয়ে পড়ছে ওর বয়ফ্রেন্ডের প্রতি...যা ও আগে কখনো বুঝেনি...এখন ওর বয়ফ্রেন্ড দূরে চলে যাচ্ছে তাই হয়ত বুঝতে পারছে...
২ দিন পর-
ঝুমকীঃ তুমি কি এভাবে আমাকে সারাজীবন ভালবাসবে?
ছেলেঃ হুমম
ঝুমকীঃ কখনো আমাকে ছেড়ে যাবে না তো?
ছেলেঃ কখনই না...তুমি যাবা না ত?
ঝুমকীঃ তোমাকে ছেড়ে আমি কই যাব?
ছেলেঃ কেন...তোমার ওই ফেইসবুক ফ্রেন্ডদের কাছে...<img src=" style="border:0;" />
ঝুমকীঃ আমি সবকিছু ছেড়ে দিছি শুধু তোমার জন্য...
ছেলেঃ আই লাভ ইউ জান...
ঝুমকীঃ লাভ ইউ টু...<img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29201573 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29201573 2010-07-17 07:25:24
আমার ছোট ছোট ইচ্ছাগুলো......


হঠাৎ করেই জীবনটা কেমন যেন এলোমেলো হয়ে গেছে....যখন ছোট ছিলাম তখন শুধু ভাবতাম...ইশ কবে যে বড় হব...আর এখন ভাবি...ইশ আবার যদি ছোট হতে পারতাম...ছোটবেলায় অনেক ভাল ছিলাম..."নো চিন্তা,ডো ফূর্তি"...এখন যত দিন যাচ্ছে জীবনটা অনেক জটিল হয়ে যাচ্ছে...

ছোটবেলায় মীনা কার্টুন অনেক প্রিয় ছিল...সব পর্বই ভাল লাগত...তবে বেশী ভাল লাগত "মীনার তিনটা ইচ্ছা"...ওই কার্টুনে প্রদীপ এর দৈত্য দেখে ভাবতাম যদি আমার তিনটা ইচ্ছা এভাবে কেউ পূরন করে তাইলে আমার ইচ্ছাগুলো কি কি হবে...অনেকগুলো ইচ্ছা্র কথা মনে হত...
এখন ও মাঝে মাঝে এভাবে ভাবি...কিন্তু এখন আমার সেরকম কোন ইচ্ছাই নাই...আমার কোন ইচ্ছা কখনই পূরন হয়না...আমি যে স্বপ্ন দেখি ঠিক তার উল্টোটাই ঘটে...কখনো আমার পরিবারের কারনে আবার হয়ত কখনো আমার ভাগ্যের কারনে...

ছোটবেলা আমার শখ ছিলো গান শেখা...গান আমার জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ন ছিল সেটা শুধু আমি ই জানি...আমার জিদের কারনে আব্বু গান শেখার অনুমতি দেন...কিন্তু পরিবারের আর কারোর ইচ্ছা না থাকায় মাঝপথেই গান শেখা বন্ধ করতে হয়...আমার ছোট বোন এখন ঠিকই স্কুলে গান শিখছে...বাসার সবাই ওকে সাপোর্ট করছে...আমার বেলায় কেন সবার "না" ছিল...জানিনা...জানতেও চাইনা...

ডায়রি লিখতে আমার অনেক ভাল লাগত...লুকিয়ে লুকিয়ে লিখতাম...কিন্তু আম্মু একদিন দেখে আমার ডায়রি পুড়িয়ে ফেলে...তারপর থেকে ডায়রি লেখাও বন্ধ হয়ে যায়...

বাইরে ঘুরতে অনেক পছন্দ করি...আব্বু যখন দেশে আসতেন তখন আব্বুর সাথে ঘুরতে বের হতাম...আব্বু দেশে না থাকলে আম্মু কোথাও নিয়ে যেতেন না...কারন উনি এইসব ঘোরাঘুরি পছন্দ করতেন না...
সিলেটে বড় হইছি কিন্তু আমি তেমন কোন জায়গা চিনতাম না...শুধু বাসা থেকে স্কুল আর স্কুল থেকে বাসা...এই রাস্তাই চিনতাম...
একবার আব্বু আর ফুফুরা মিলে সিলেটের বাইরে যাওয়ার প্রোগ্রাম করেন...আমিও সাথে যেতে চেয়েছিলাম কিন্তু আম্মু রাজি ছিলেন না...তবুও আম্মুর কথা না শুনে যেতে চেয়েছিলাম...যার ফলে যাওয়ার আগের দিন আমার মেজর একটা এক্সিডেন্ট হয়...

এখন আর আমার কোন ইচ্ছা নাই...কোন স্বপ্ন নাই...ভবিষ্যৎ নিয়ে কোন পরিকল্পনা ও নাই...যেহেতু সবকিছুই আমার পরিবার ঠিক করে...এটাও না হয় ওরাই ঠিক করবে...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29200001 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29200001 2010-07-15 06:18:00
তোমার জন্যে সবকিছু ♡ ♡ ♡

১.
তোমার জন্যে যত গান যত অনুভূতি
তোমার জন্যে উল্টো পথে একলা আমি ছুঠি

তোমার জন্যে যত গান যত অনুভূতি
তোমার জন্যে উল্টো পথে একলা আমি ছুঠি

তোমার জন্যে স্বপ্নালয়ে আমার যাওয়া আসা
তোমার জন্যে রাখা আছে মুঠো মুঠো ভালোবাসা

তোমার জন্যে যত গান যত অনুভূতি
তোমার জন্যে উল্টো পথে একলা আমি ছুঠি

২.
তোমার জন্যে দিগন্তে মন মেলে দিলো ডানা
তোমার জন্যে হন্যে হয়ে হারাবো ঠিকানা

তোমার জন্যে দিগন্তে মন মেলে দিলো ডানা
তোমার জন্যে হন্যে হয়ে হারাবো ঠিকানা

তোমার জন্যে স্বপ্নালয়ে আমার যাওয়া আসা
তোমার জন্যে রাখা আছে মুঠো মুঠো ভালোবাসা

তোমার জন্যে যত গান যত অনুভূতি
তোমার জন্যে উল্টো পথে একলা আমি ছুঠি

৩.
তোমার জন্যে মেঘের ভাঝেঁ রোদেঁর ছবি আকিঁ
তোমার জন্যে ভাবনাগুলো আড়াল করে রাখি

তোমার জন্যে মেঘের ভাঝেঁ রোদেঁর ছবি আকিঁ
তোমার জন্যে ভাবনাগুলো আড়াল করে রাখি

তোমার জন্যে স্বপ্নালয়ে আমার যাওয়া আসা
তোমার জন্যে রাখা আছে মুঠো মুঠো ভালোবাসা

তোমার জন্যে যত গান যত অনুভূতি
তোমার জন্যে উল্টো পথে একলা আমি ছুঠি

তোমার জন্যে যত গান যত অনুভূতি
তোমার জন্যে উল্টো পথে একলা আমি ছুঠি

তোমার জন্যে স্বপ্নালয়ে আমার যাওয়া আসা
তোমার জন্যে রাখা আছে মুঠো মুঠো ভালোবাসা

তোমার জন্যে যত গান যত অনুভূতি
তোমার জন্যে উল্টো পথে একলা আমি ছুঠি

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29198132 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29198132 2010-07-12 19:54:20
ফেইসবুক ফ্রেন্ড......<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />



আমাদের সবারই অনেক রকম হবি থাকে...যেমন গান গাওয়া...বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যাওয়া...আড্ডা মারা...ইত্যাদি...কিন্তু ঝুমকীর হবি হচ্ছে নতুন নতুন ছেলেদের সাথে বন্ধুত্য করা...তবে সেখানে একটা সমস্যা আছে...৫-৬ মাস পর পর সে বন্ধু বদল করে...ওর নাকি বোরিং লাগে একজনের সাথে এতদিন কথা বলতে...যাই হোক এভাবেই বন্ধু বদল করার মাঝে চলে যাচ্ছিলো ঝুমকীর জীবন...কিন্তু একের পর এক বন্ধু বদল করতে করতে ছেলের অভাব শুরু হয়ে গেল...এখন কি উপায়?



তখন ফেইসবুক অনেক জনপ্রিয় ছিল...ঝুমকী ভাবল এইবার ফেইসবুক দিয়ে বন্ধু বের করব...তাই ঝুমকী তাৎক্ষনিক ফেইসবুক এ আইডি করে ফেললো এবং প্রথম দিনই সুন্দর দেখে কয়েকটা ছেলেকে এ্যাড করে ফেলে...আস্তে আস্তে ওর অনেক গুলো নতুন বন্ধু হয়ে যায়...ঝুমকী যদিও দেখতে তেমন ভাল না কিন্তু প্রোফাইল পিক টা এডিট করে দেওয়ায় কেউ কিছু বুঝতে পারেনি...<img src=" style="border:0;" />
ওর নতুন বন্ধুদের সাথে ভয়েস চ্যাট ও হয়ে যায়...ছেলেরা ত ওর প্রশংসা করতে করতে শেষ...ও নাকি দেখতে অনেক সুন্দর...ওর গলার স্বরটা অনেক মিষ্টি...ও এত সুন্দর করে কথা বলে...ইত্যাদি ইত্যাদি...
এইসব শুনে ত ঝুমকী পুরাই পটে গেছে...মনে মনে ভাবে...আমি যে এরকম আমি নিজেই জানতাম না...<img src=" style="border:0;" />



ও সবসময় বাসায় একটু চিল্লাচিল্লি করতো...তাই ওর আম্মু ওকে বলতেন "তোর গলার স্বর শুনলেই সবাই পালাই যাবে..." ও কিছুই বলতো না আফসোস করা ছাড়া...
কিন্তু ছেলেদের প্রশংসা শোনার পর থেকে যখনই ওর আম্মু ওই কথা বলত তখন ও মনে মনে বলত..."তুম ক্যায়া জানো মেরি আওয়াজ ক্যায়সি হ্যায়...ছাব লাড়কে মেরি আওয়াজ কি দিওয়ানা হ্যায়..."
একদিন এক ছেলে ওকে বললো...তোমার গলা তো অনেক সুন্দর...তুমি গান গাও না কেন...
এই কথা শুনে ঝুমকী ভাবলো আসলেই ত...আমি গান গাই না কেন...
ও ওর গান মোবাইল এ রেকর্ড করল...কিন্তু যেইনা ওর গান শুনতে গেলো..."হায় হায় এইটা কে...আমি নাকি...আমার গলার স্বর এইরকম...
তাইলে সবাই কেন বলে আমার স্বর কোকিলের মত মিষ্টি..."
তখন ও বোঝল সবাই ওকে মিথ্যে কথা বলে পটানোর জন্য...আর ও মিথ্যে কথা একটুও পছন্দ করে না...
এরপর থেকে আর কেউ যখনি ওর গলার স্বর নিয়ে প্রশংসা করতে গেছে...আমাদের ঝুমকী বেগম গালাগালি করে ওর চৌদ্দ গোষ্টী উদ্ধার করে ছাড়ছে...<img src=" style="border:0;" />

পরের পর্বঃ ঝুমকীর ফেইসবুক প্রেম...♡


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29196515 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29196515 2010-07-10 14:53:40
আমার কিছু প্রিয় ছবি...



সুন্দর সুন্দর ছবি সংগ্রহ করা আমার একটা হবি......আজ ভাবলাম আমার সংগ্রহ থেকে কিছু ছবি আপনাদের সাথে শেয়ার করি......এই ছবিগুলো ডেস্কটপ অথবা মোবাইলের ব্যকগ্রাউন্ড এ রাখলে অনেক সুন্দর দেখাবে...
১.

এটা আমার অনেক প্রিয় একটা ছবি......আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে নেয়া...
২.

হৃদয়কে ছুয়ে যাওয়ার মত একটা ছবি...যে এই ছবিটি এডিট করছে সে আসলেই প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য..
৩.

এই ছবিটাও কম সুন্দর না......মিনারেল ওয়াটার এর বিজ্ঞাপন এর জন্য Perfect একটা ছবি......<img src=" style="border:0;" />
৪.

ছবিতে দেখে সত্যি সত্যি ওই জায়গায় যেতে ইচ্ছা করছে...ছবিতে অনেক সুন্দর করে ফোটে উঠেছে ওই জায়গার সৌন্দর্য...
৫.

এক কথায় অসাধারন একটা ছবি...
৬.

এই ছবিটাও আমার অনেক ভাল লাগে......
৭.

কাছে থেকে সূর্যাস্ত দেখার ইচ্ছা আমার অনেক দিনের...কিন্তু জানিনা কখনো এই ইচ্ছা পূরন হবে কিনা...
৮.

৯.

১০.

এটা আমার তোলা একটা ছবি...আমি এত ভাল করে ছবি তোলতে পারিনা...তবুও মাঝে মাঝে চেষ্টা করি...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29195905 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29195905 2010-07-09 17:22:55
অনুভূতির ছায়া...


হয়তো আমি বেশীই করে ফেলি...
একটু বেশী এই আবেগের খেলা খেলি

তোমার দেয়া অল্প অবহেলায়
আমার দুচোখ নীল বেদনায় ভাসাই

আদর করে একটু ও কম মিলে
কষ্টে আমার মনটা শুধু জ্বলে

থাক যদি একটু একটু দূরে
হৃদয় কাদেঁ করুন সুরে সুরে

একটু যদি গোমড়া করো মুখ
যায় হারিয়ে আমার যত সুখ

হয়তো আমি বেশীই করে ফেলি...
একটু বেশী এই আবেগের খেলা খেলি

শক্ত কঠিন বাস্তবতা পাশ কাটিয়ে আমি
বারে বারে আবেগ মাখা স্বপ্ন টেনে আনি

অনুভূতির ছায়া খুজি
যেন তোমায় নিয়ে স্বপ্ন বুনি

স্বপ্ন নিয়ে ভেসে বেড়াই
যদি তোমার পাশে স্বপ্ন হয়ে দাড়াই

তাই খুজে বেড়াই রোজ
কিছু অনুভূতিরই খোজ

( কবিতাটি আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে সংগ্রহ করা...ওকে একদিন বলছিলাম...তুমিত অনেক ভাল লেখ...কোন ব্লগে লিখোনা কেনো...শুনে ও বলল আমি যেন লিখে ফেলি আমার নাম দিয়ে...তখন আমি বললাম...তোমার লেখা লিখব কিন্তু আমার নাম দিয়ে না...কাজ তোমার আর নাম হবে আমার এটা ঠিক না...
সবাই বলবেন ওর লেখাটা কিরকম হইছে...ওকে জানাতে হবে...)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29193760 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29193760 2010-07-06 16:57:41
এইম ইন লাইফ



এইম ইন লাইফ-জীবনের লক্ষ্য।ছোটবেলায় আমরা সবাই এটা নিয়ে অনেক রচনা লিখেছি।তখন বেশি মার্ক পাওয়ার জন্য অনেক বড় বড় কথা লিখতাম।যেমন-আমি বড় হয়ে ভাল ডাক্তার হব,গরিবদের বিনা টাকায় চিকিৎসা করব।আবার কেউ কেউ লিখতাম আমি বড় হয়ে একজন আদর্শ শিক্ষক হব ইত্যাদি।কিন্তু বড় হবার পর আমাদের কারো কি এসব আদর্শ এর কথা মনে থাকে?



প্রথমে আসি ডাক্তার এর কথায়। এখন অনেক ডাক্তার পাওয়া যাবে যাদের আসল উদ্দেশ্য রোগীদের সেবা করা নয়,ওদের একমাত্র উদ্দেশ্য কিভাবে বেশী টাকা আয় করা যায়। কয়জন ই এখন গরিবদের বিনামুল্যে চিকিৎসা করছেন......হাতুড়ে ডাক্তার এর সংখাও বেড়ে গেছে এখন। এইসব হাতুড়ে ডাক্তার এর কি একবারও মনে হয় না যে ওদের ভুল চিকিৎসার কারনে কত মানুষ মারা যাচ্ছে।ওদের ত কোন অধিকার নেই কারো জীবন নষ্ট করার।



শিক্ষক-মানুষ গড়ার কারিগড়।ছোটবেলা থেকে তাই শুনে আসছি।কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা ভিন্ন। এখনত স্কুলে কোন পড়ালেখা হয়না,সব পড়ালেখা হয় শিক্ষক এর বাসায়। এটা শিক্ষক এর জন্য একটা এক্সট্রা ইনকাম,কিন্তু ওই শিক্ষক কিভাবে ভুলে যান যে সরকার ওনাকে বেতন দেয় স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ানোর জন্য। আমি এমনও শিক্ষক দেখেছি যে ছাত্র-ছাত্রী কে বলে দেয় পরীক্ষায় কি কি আসবে তবে সবাই কে না শুধু তাদের কে যারা যারা ওই শিক্ষক এর বাসায় পড়ে। যাদের সামর্থ আছে তারা অনায়াসে ৪-৫ টা শিক্ষক এর কাছে টিউশনী পড়তে পারবে কিন্তু যাদের সামর্থ নেই তাদের মনে সবসময় একটা আফসোস থেকে যাবে।
আমি যে স্কুলে পড়েছি ওইটা একটা সরকারি স্কুল ছিলো। হয়ত সরকারি স্কুল বলে পড়ালেখার মান এত ভাল ছিলোনা। টীচার ক্লাসে আসতেন, কিছু মুখস্ত করতে বলতেন।ছাত্রীরা বসে বসে মুখস্ত করত আর ওদিকে ২-৩ জন টীচার একসাথে বসে গল্প করতেন.....ব্যস শেষ। যখন পরীক্ষা চলত তখন ও টীচাররা ক্লাসে বসে নাস্তা করতেন আর গল্প করতেন। এ সুযোগ এ কেউ নকল করছে আবার কিছু ছাত্রী একজন আরেকজনের দেখাদেখি করে লিখছে।এসবের দিকে কারো কোন খেয়াল ছিলোনা। এখানে (লন্ডন) যখন আমি প্রথম পরীক্ষা দেই তখন কিরকম জানি লাগত...এত নীরব, নিস্তব্দ পরিবেশে কখনও পরীক্ষা দেইনি।পরীক্ষার হলে দরকার ছাড়া কোন টীচারই একজন আরেকজনের সাথে কথা বলতেন না।

বাসায় যারা পড়াতে আসেন তাদের মধ্যে বেশিরভাগ শিক্ষক এর নিয়ত খারাপ থাকে।ওদের মনে কি থাকে সেটা নতুন করে আর কিছু বলার নেই, সবাই জানে এই ব্যাপারে। ভাবতেই অনেক ঘৃ্না লাগে।

ছোটবেলায় আমরা যেসব নীতির কথা মুখস্ত করি বড় হয়ে সেগুলো কেন ভুলে যাই? আমাদের বাবা-মা ছোটবেলায় আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছেন বড় হওয়ার পর সেটা কি আমরা মনে রাখছি?
আমি কখনোই অসৎ পথে চলতে চাই না...আর এটাই আমার জীবনের লক্ষ্য......]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29186577 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29186577 2010-06-27 22:07:45
ছোট গল্প- থাপ্পর

আজকে গার্লস স্কুলের সামনে অনেক ভীড় দেখা যাচ্ছে...বখাটে ছেলেদের নয়...বাবা-মার।স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা চলছে আর স্কুলের বাইরে অপেক্ষা করছেন বাবা-মা। তেমনি একজন বাবা মিঃকলিম।পরীক্ষা দিচ্ছে মেয়ে কিন্তু উনি চিন্তা করতে করতে শেষ।টেনশনে একটার পর একটা সিগারেট খেয়ে যাচ্ছেন। হঠাৎ মনে পড়ে গেলো কিছু পুরোনো স্মৃতি।

এই গার্লস স্কুলের পাশেই ছোটখাট একটা দোকান ছিল ওনার।স্কুলের পাশেই ছিল অনেকগুলো শপিং সেন্টার, তাই সবসময় ওখানে ভীড় থাকত।স্কুল ছুটি হওয়ার পর ত আরো বেশি।বখাটে ছেলেরা ওই ভীড় এর মধ্যে দাড়িয়ে থাকত। ভীড় এর সুযোগ নিয়ে স্কুলের মেয়েদের কে ইচ্ছা করে ধাক্কা দিত, আবার কখনো মেয়েদের গায়ে হাত দিত।উনি দোকানে বসে বসে এসব দেখতেন আর ভাবতেন তিনিও এই সুযোগ কে কাজে লাগান না কেন...এর পর থেকে তিনিও বখাটে ছেলেদের মত আচরন শুরু করেন।স্কুল ছুটির পর তিনিও রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতেন।মেয়েদের গায়ে হাত দিতেন, ধাক্কা দিতেন। উনার কাছে অনেক ভাল লাগত এসব করতে।আর মেয়েরা লজ্জায় কিছু বলতেও পারত না। কিন্তু সব মেয়ে একরকম না।একদিন এক মেয়ে উনাকে ধরে ফেলে।সবার সামনে উনাকে থাপ্পর মারে।

"আব্বু"......মেয়ের ডাকে ফিরে আসেন বর্তমানে।মেয়েকে নিয়ে বাসার পথে রওয়ানা দেন।

যেতে যেতে আবার মনে হয় ওই মেয়ের কথা।ওইদিনের ওই থাপ্পর টা অনেক জরুরি ছিল ওনার জন্য।এরপর থেকে আর কোন মেয়ের দিকে কুনজর দেন নি।মনে মনে অনেক ধন্যবাদ দেন ওই সাহসী মেয়ে কে......]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29185853 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29185853 2010-06-26 22:38:21
তোমার কথা অনেক মনে পড়তেছে.........<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" />

আজ অনেক দিন হলো ফেসবুক এ ঢুকি না। পরীক্ষার জন্য ফেসবুক ডিএক্টিভেইট করে রাখছি /<img src=" style="border:0;" />
ফেসবুক এ সবসময় ফার্মভাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম। গেইম টা আমার এত প্রিয় ছিলো যে একদিন ও খেলা বন্ধ রাখতাম না। ওই গেইম এ সময় মত ফসল না তুললে ফসল নষ্ট হয়ে যায় তাই আমি যেখানেই যাই না কেনো সময় মত বাসায় চলে আসতাম ফসল তুলার জন্য। আমি এত ই পাগল এই গেইম এর জন্য, একদিন ত রাত ৩ টায় ঘুম থেকে উঠছি ফসল তোলার জন্য। যে আমি এতই ঘুমকাতোরে, ছুটির দিনে ১০-১১ এর আগে ঘুম থেকে উঠি না, সেই আমি সকাল ৮ টায় উঠে যাই।
কতোদিন হলো ফার্মভাইল খেলিনা। কয়েকদিন আগে ফেসবুক এক্টিভেইট করছিলাম কিছুক্ষনের জন্য। গিয়ে দেখি আমার কুকুর টমি গাজিনী এর আমির খান এর মতো সবকিছু ভুলে গেছে।এক মাস ধরে টমি কে যে ট্রেইনিং দিলাম মাএ কএকদিনে ই সবকিছু ভুলে গেছে <img src=" style="border:0;" />
এখন আবার সবকিছু নতুন করে শুরু করতে হবে /<img src=" style="border:0;" />
এতদিন পর্যন্ত আমি সবার আগে ছিলাম, এই কয়েকদিনে তো সবাই আমার আগে চলে গেছে।
এই দুঃখ আমি রাখি কোথায় <img src=(" style="border:0;" /> <img src=(" style="border:0;" /> <img src=(" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29162662 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29162662 2010-05-25 18:23:06
রাধতে জানি অনেক কিছু !!!

দেশে থাকতে রান্নাঘরে যাওয়ার তেমন সৌভাগ্য হয়নি। কিন্তু এখানে এসে এসব নিয়ে প্রতিদিন আমার নতুন নতুন অভিজ্ঞতা হচ্ছে। কখনো হাত কেটে ফেলতেছি ত আবার কখনো হাত পুড়াই ফেলাতেছি। একবার ত পিয়াজ কাটতে গিয়ে হাতের নখ ও সাথে চলে গেছে।পিয়াজ কাটা আমার জন্য দুনিয়ার সবচেয়ে কঠিন কাজ। সারা বছরের কান্না একদিনেই কেদেঁ ফেলি পিয়াজ কাটার সময়। কিন্তু কোনো উপায় নেয়, কারন আমি ছাড়া আম্মু কে সাহায্য করার কেউ নেই। বাসার বড় মেয়ে হলে এই একটাই সমস্যা। মাঝে মাঝে মনে হয় যদি আমি বাসার ছোট মেয়ে হতাম তাইলে কতো ভালো হত :-*
বাসাই যখন কোন মেহমান আসে তখন আমার অবস্থা বেশি খারাপ হয়ে যায়। ওরা পারলে ত ঘরের সব কাজ আমাকে দিয়েই করাই।কিন্তু আমিও কম ফাজিল না। যখন আমার মেজাজ ভাল থাকে না আর কেও যদি আমাকে কিছু করতে বলে তখন আমিও ওই কাজ ঠিকভাবে করিনা।যেমন কেও আমাকে চা করতে বল্লো, তখন আমার যদি ইচ্ছা না থাকে তাইলে আমি এমন চা করি যে আর কোনদিন বলবে না আমাকে চা করে দেওয়ার জন্য <img src=" style="border:0;" />
কয়েকদিন আগে নুডলুস রান্না করছিলাম, রান্না করার পর ত আমি নিজেই খেতে পারছিলাম না......কিন্তু আমাকে খেতে হইছে( যাতে বাসার অন্য কেও খেয়ে কিছু বলতে না পারে) ......আর বাসার সবাইকে বলছি অনেক মজা হইছে তাই আমি নিজেই সব খেয়ে ফেলছি....কি বলবো ওই দিনের কথা...অনেক কষ্টে খেতে হয়েছে.........<img src=(" style="border:0;" />
তখন আমার একটা কবিতা মনে পড়ছিলো বারবার......ছোটবেলায় লিখে রেখেছিলাম......

রাধতে জানি অনেক কিছু আলু, পটল, শিম
লবন ছাড়াও রাধতে পারি তরকারি ও ডিম

হোক না তাতে হলুদ কম কিংবা ডালে পানি
বেশি হলেই ক্ষতি ত নেই রাধতে আমি জানি

চালকুমড়ার তরকারী তে মাছটা থাকে কাচাঁ
মরিচ ছাড়াই করতে পারি ডিমটা পুরো ভাজা

এত কিছুর পরে আমার শেষ হলো যেই রান্না
খেতে বসে অঝোর ধারায় ঝরলো শুধু কান্না

কোন কিছুই হাসিমুখে যায় না মুখে তোলা
ভাত টা যেন ঠান্ডা জলে শক্ত চালের গোলা

এই শিখেছি রান্না আমি? রান্না আমার এই !
গাল ফুলে লাল অভিমানে হারাই কথা খেই

রাধতে জানি বলবো না আর এই ধরেছি কান
শাস্তি হলো, শিক্ষা হলো, রাধার গেলো মান!!!


**** অনেক দিন পর আজকে বাংলা লিখলাম......অনেক ভুল হতে পারে......কেউ হাসবেন না কিন্তু ......<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29135246 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29135246 2010-04-15 03:12:49
ভয় পাইছি <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_18.gif" width="23" height="22" alt=":|" style="border:0;" /> http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29130888 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29130888 2010-04-07 23:57:27 সবার জন্য অনেক সহজ একটা ধাধা






তিন অক্ষরে নাম তার জল এ বাস করে
মাঝের অক্ষর কেটে দিলে আকাশে তে উড়ে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29006352 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/29006352 2009-09-07 19:22:23
যদি তাকে হারিয়ে ফেলি যে আমার মনের ভিতরে থাকে
যে আমার মেঘে ঢাকা আকাশে এক ঝলক সূর্যের হাসি
যে আমার অমাবস্যায় পূর্নিমারই চাঁদ
যদি তাকে হারাই অকস্মাত
তবে যে আমি হবই উন্মাদ
যে আমার হাজার কষ্টে বিন্দু বিন্দু সুখ
দুঃখরা সব যায় পালিয়ে দেখলে যার মুখ
যদি সে দেয় আমায় ফাকি
আমি সর্বদা যার আশায় থাকি
যে আমার দুঃখের মাঝে আনন্দ সুখ পাখি
যারে না দেখলে বৃষ্টি ঘরায় আমারে দুটি আঁখি
আমি যার পথ চেয়ে থাকি
যদি আমি হারিয়ে ফেলি তাকে
যদি সে চলে যায় অজানা ঠিকানাতে
দুঃখের কাছে আমি তখন মানবনাতো হার
তার ই জন্য রাখব খোলা মনের ই দুয়ার।

* সংগ্রহিত]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/28999156 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/28999156 2009-08-24 20:33:38
Miracle of ALLAH











আজকে আমাদের এখানে শব-ই-বরাত এর রাত।
সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/28989501 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/28989501 2009-08-06 03:04:35
কিছু funny ছবি





























** ফেসবুকের একটা গ্রুপ থেকে নেওয়া।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/28987258 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/28987258 2009-08-01 20:14:15
একটি সুন্দর জায়গার কিছু ছবি
এই ছবিগুলো Netherland-r একটি শহর এর ছবি। এখানে আসলে সমগ্র দেশ কে দেখা যাবে। Netherland-r সব বিখ্যাত স্থাপনা গুলো কে ছোট করে সাজিয়ে রাখা হয়েছে এখানে।



















]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/28978965 http://www.somewhereinblog.net/blog/Bangladeshrocks/28978965 2009-07-16 03:08:41