এমনিতেই আমাদের দেশের পুলিশের উপর মানুষের চরম অবিশ্বাস যে কারনে পুলিশ মানুষের আশির্বাদ না হয়ে অভিশাপে পরিণত হয়েছে। পুলিশের অদক্ষতার আর একটি জলন্ত প্রমান হলো নাটোরের কৃষক সামসুল হক। একটি পুলিশের অসর্তকতার কারণে একটি মামলায় গত ৬৮ দিন জেলহাজতে রয়েছেন নাটোরের কৃষক সামসুল হক (৩৩)। সোমবার থেকে আদালতে ছুটি শুরু হয়ে যাওয়ায় আগামী একমাসেও তার জামিন পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবী। বিদ্যুতের সরঞ্জাম চুরি করে নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগে ২০০৫ সালের ৪ অক্টোবর নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী মহাব্যবস্থাপক আইয়ুব আলী বাগাতিপাড়া থানায় সাবদুল হককে আসামি করে একটি মামলা করেন।
বাগাতিপাড়া থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আতাউর রহমান তদন্ত শেষে অভিযোগপত্রে সাবদুল হকের নামের স্থলে সামসুল ওরফে সাবদুল উল্লেখ করেন। আদালত সামসুল ওরফে সাবদুল নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। লালপুর থানা পুলিশ গত ২৬ সেপ্টেম্বর সামসুলকে গ্রেপ্তার করে। সামসুল হকের আইনজীবী আজিজার রহমান খান চৌধুরী বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে এক ভাইয়ের পরিবর্তে অন্য ভাইয়ের নাম উল্লেখ করায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। যেহেতু আদালত এক মাসের ছুটি হয়ে যাওয়ায় আগামী এক মাসেও তার জামিন হবে না সেহেতু পরিবার পরিজন নিয়া
কৃষক সামসুল হকের নির্দোষ হওয়া স্বত্তেও কোরবানীর ঈদ করা হবেনা পুলিশের অসর্তকতার কারণে এরকম কত সামসুল হক যে বিনা অপরাধে জেল খাটছে তার কোন খতিয়ান নাই।
নাটোরের পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীর বলেন, "এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাগাতিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।"

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



