সপে দেয় চাষী দেহ-ঘাম।
ঠিক যেন এবাদতী শ্রম।
পিতার নিষ্ঠায় মাটির সৃজনে
নিবিড় বন্টনে বীজ বোনে,
সাম্রাজ্য পাখীর ঠোঁটের আড়ালে
নরম মাটির পেট ফেটে উঠে আসে
প্রত্যাশিত কচি দুটি পাতা।
বিনম্র চাষীর চাতক চোখের আশা।
আগাছা বালাইয়ের হাত থেকে
কচি খোকাকে রক্ষা করা,
ফুল আসার আপূর্বাহ্ন-
সেচের পানিতে দেহ-মন ঝরা।
আবশেষে কৃষকের ধুলট সন্তান
আঁশে আঁশে পায় সোনালী প্রাণ।
তারপর খানা-ডোবার সবজল
কালো রঙ করে, কটু গন্ধ করে-
বউদের, মেয়েদের হাতে হীন দাগ ধরে।
জীবন-যাপন, বর্গা-বেরনের কিয়দাংশ-
যা শুকিয়ে নেয় উঠানে বাথানে।
এর পর ফড়িয়ার সর্প দরাদরি
জলের দামে অদ্ভুত সোনালী আঁশ হয়
ভুকবন্দী জমিহীন কৃষকের ফাঁস!
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



