আমার প্রিয় পোস্ট

ফালতু কথার কারবারি

নামাজে স্থিরতা লাভের উপায় (কপি-পেস্ট_8)

১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১০

শেয়ারঃ
0 2 0

মনের স্থিরতা লাভের জন্য আজকাল কত পদ্ধতি অবলম্বন করা হচ্ছে। অথচ আজ থেকে চৌদ্দশ' বছর আগে মহানবী (সা.) তাঁর উম্মতদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের রীতি চালু করে গেছেন। যে নামাজ আদায়ে মানুষ লাভ করে মানসিক প্রশান্তি। মানবজীবনে নামাজের গুরুত্ব ও উপকারিতা ব্যাপক হলেও অনেকেরই অভিযোগ নামাজে মন স্থির থাকে না। নামাজে মনের স্থিরতা লাভের উপায় হিসেবে কিছু পরামর্শ তুলে ধরা হল-

নামাজে দাঁড়ানোর পর ভ্রু-যুগলের মধ্যে কাবা শরিফ, পদদ্বয়ের মধ্যে পুলছিরাত, ডান দিকে জান্নাত, বাম দিকে জাহান্নাম এবং আজরাঈল (আ.) পেছনে উপস্থিত ভেবে জীবনের শেষ নামাজ মনে করলেই অনেকটা উপকার পেতে পারি। এছাড়া চোখের চিত্ত-চাঞ্চল্য হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য নামাজে দাঁড়িয়ে সেজদার স্থানে, রুকুকালে পদদ্বয়ের দিকে, সেজদাকালে নাসিকাদ্বয়ের দিকে, উপবেশনকালে কোলের দিকে ও সালামকালে দুই স্কন্ধের দিকে দৃঢ়রূপে দৃষ্টিপাত করলে মনের স্থিরতা লাভ সম্ভব। এত সূক্ষ্ম পদ্ধতি অবলম্বনেও যদি মনে একাগ্রতা না আসে, তবে আজান দেয়াকে কিয়ামতে ইসরাফিল (আ.)-এর সিঙ্গায় ফুঁক দেয়া, আজান শুনে মসজিদ পানে ছুটে চলা মানে কিয়ামতে কবরস্থান ভেদ করে হাশরের মাঠ পানে চলা, জামাতে কাতারবদ্ধ হওয়া মানে হাশরের মাঠে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো, নাভির নিচে হাত রেখে দাঁড়ানো মানে হাশরের মাঠে সর্বশক্তিমান আল্লাহপাকের সামনে হিসাব প্রদানের জন্য বিনীতভাবে দাঁড়ানো; রুকু করা মানে হিসাব দিতে অপারগ হয়ে শির নত করা, সেজদাহ মানে হিসাব প্রদানে অক্ষম হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করে ভূপাতিত হওয়া, ডান দিকে সালাম দেয়া মানে হাশরের মাঠে নবী করিম (সা.) ও অলী আল্লাহর কাছে সুপারিশ প্রার্থনা হয়ে সালাম দেয়া; বাম দিকে সালাম দেয়া মানে আত্মীয়স্বজনের কাছে সওয়াব প্রাপ্তির আশায় সালাম দেয়া এবং মোনাজাতকালে হাতদ্বয় উত্তোলন করা মানে পরম করুণাময়ের কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করা বুঝতে পারি। আর এভাবেই হুজুরি কালবের সালাত বা নামাজ আদায় করা সম্ভব হতে পারে।

ফয়জুল আল-আমীন

কপি-পেস্টের উৎস: দৈনিক যুগান্তর (১৪.১১.০৮ ইং)

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ঘুষহাদিয়াউৎকোচউপঢৌকননজরানাখাজনাসিস্টেম করাজ্যাক দেয়ামাথায় হাত বুলানোতোষামোদমোসাহেবহাত কচলানোচামচামিনতজানু নীতিযস্মিন দেশে যদাচারঃ ;
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৪
রাক্ষস বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।আমার হইতো কাজে আসবে।নামাজের সময় দুনীয়ার ফাউল চিন্তা মাথায় কিলবিল করে।
৩. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪
আফরোজ_জাহান বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
৫. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: ভালো লেগেছে।
৭. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭
মুক্তিযুদ্ধ০০৭ বলেছেন: সত্যিই এক বিপ্লবী ও কার্যকরী পদ্ধতি। যারা মেডিটেশন করেন তাদের চিন্তা-চেতনায় পরিবর্তন আসুক, এই শুভ কামনা করি।
আমি ব্যক্তিগতভাবে একজন লীড'য়ান (বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কিভাবে ব্রেইন'র দুপাশ ব্যবহার করা যায় তাই শিখিয়ে থাকেন); আমার গুরু আমাদেরকে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে দাওয়াত দিয়েছেন এবং বিজ্ঞান স্বীকৃত নামাজের শত শত উপকারীতার কথা...
৮. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৪০
আকাশ_পাগলা বলেছেন:

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ঘুষ, হাদিয়া, উৎকোচ, উপঢৌকন, নজরানা, খাজনা, সিস্টেম করা, জ্যাক দেয়া, মাথায় হাত বুলানো, তোষামোদ, মোসাহেব, হাত কচলানো, চামচামি, নতজানু নীতি, যস্মিন দেশে যদাচারঃ ;


অবাক হলাম।
প্রথম থেকে পুরা পোস্ট পড়ে ভালই লাগছিল, শেষে এসে এই অবস্থা দেখে অবাক হলাম।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯৮৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কপি-পেস্ট করেও কি আর নিস্তার আছে!
নাই।
মন চলো রূপের নগরে-
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই