প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আমার বক্তব্যে কাউকে আঘাত দিতে আমি চাই না।
আমি ধার্মিক মানুষ নই। ধর্ম সম্পর্কে আমার জ্ঞান সীমিত। জন্ম সুত্রে আমি অমুসলিম সুতরাং এটা খুব স্বাভাবিক যে ইসলাম ধর্মে আমার জ্ঞান নেই বললেই চলে।
ধর্ম হল যা ধারন করা হয়। যেমন পানির ধর্ম আছে বাতাসের ধর্ম আছে আগুনের ধর্ম আছে। সে হিসেবে মানুষের ও ধর্ম আছে, যেমন মা তার সন্তানদের কে ভালবাসেন। এর বাইরে মানুষের আলাদা ধার্মিক পরিচয় আছে কেউ মুসলমান, কেউ হিন্দু কেউ বৌদ্ধ ইত্যাদি।
ধর্মগ্রন্থে কি আছে বা না আছে সে বিচারে না গিয়ে কে কি করছে তাকেই যদি ধর্ম ধরে নি সেটাকেই বাস্তবতা মনে করি আমি। কোন ধর্মের কেউ কি কাজ করল তা দিয়ে ধর্মকে দোষারোপ করা উচিত নয়। ধর্ম হয়তো ভাল, হয়তো খারাপ। হয়তো বললাম কারন আমি সে সম্পর্কে কিছুই জানি না।
তবে ধর্মের প্রবক্তারা যা করেছেন বা বলেছেন তা নিশ্চয়ই চলার নির্দেশনা।যেমন হাদিস, যা হযরত মোহাম্মদের বানী বা কর্মের সংকলন।
ইসলাম ধর্মে সর্বোচ্চ ৪ জন স্ত্রী রাখার বিধান আছে । কিন্তু হযরত মোহাম্মদ এবং খলিফাদের সবারই ৪ বা তার অধিক স্ত্রী ছিল। আবার এরা সবাই ছিলেন একে অপরের আত্মীয়।
হযরত মোহাম্মদের ১১ মতান্তরে ১৩ জন স্ত্রী ছিল।
খলিফা দের মধ্যে সবচে’ কম স্ত্রী ছিলো প্রথম খলিফা হযরত আবু বক্করের মোট ৪ জন স্ত্রী।আবু বক্কর কন্যা আয়েশা ছিলেন মোহাম্মদের প্রিয় স্ত্রী।
দ্বীতিয় খলিফা হযরত ওমরের ১০ জন স্ত্রী ছিলেন। এদের মধ্যে উম্মে কুলসুমের বয়স যখন ৪/৫ বছর ওমর তাকে বিয়ে করেন। আবার ওমর কন্যা হাফসা ছিলেন মোহাম্মদের স্ত্রী।
তৃতীয় খলিফা হযরত ওসমানের মোট স্ত্রীর সংখ্যা ৮ এবং হযরত মোহাম্মদের দুই মেয়ে রুকাইয়া এবং উম্মে কুলসুম দু জনেই তার স্ত্রী।
চতুর্থ খলিফা হযরত আলীর মোট ৮জন স্ত্রী ছিল। তিনি চাচাত ভাই হযরত মোহাম্মদ কন্যা ফাতিমাকে বিয়ে করেন। আবার তিনি হযরত মোহাম্মদের বড় মেয়ে জয়নবের মেয়ে উমামা কেও বিয়ে করেন, অর্থাৎ তিনি চাচাতো ভাই মোহাম্মদের নাতনীকেও বিয়ে করেন।
ইমাম হাসানের ৩ জন স্বীকৃত স্ত্রী ছিল তাদের মধ্যে একজন তাকে বিষ প্রয়োগে হত্যা করে।
ইমাম হোসেনের ছিল ৫ জন স্ত্রী।
আধুনিক কালেও আরবঅদের মধ্যেও বহুবিবাহ প্রচলিত আছে যেমন বিন লাদেন তার বাবার দশম স্ত্রীর সন্তান আবার বিন লাদেনের মোট ৫ জন স্ত্রী ছিল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



